রাষ্ট্রবিজ্ঞান MCQ - Political Science MCQ For Competitive Exam In Bengali

রাষ্ট্রবিজ্ঞান MCQ - Political Science MCQ For Competitive Exam In Bengali

রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science)

আইনগত সম্পর্ক

1. আইনগত সম্পর্ক কি? – আইনগত সম্পর্ক হলো সেই সম্পর্ক যা আইনের দ্বারা স্বীকৃত ও রক্ষা করা হয়।

2. কোন সম্পর্কগুলো আইনগত সম্পর্ক হিসেবে গণ্য হয়? – ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো আইনগত স্বীকৃতি পেলে তা আইনগত সম্পর্ক।

3. চুক্তি কি? – চুক্তি হলো দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে আইনসিদ্ধ প্রস্তাব ও গ্রহণের মাধ্যমে গঠিত বাধ্যতামূলক সম্পর্ক।

4. চুক্তি কোন আইনে নিয়ন্ত্রিত হয়? – ভারতীয় চুক্তি আইন, ১৮৭২।

5. চুক্তি বৈধ হওয়ার শর্ত কী? – প্রস্তাব, গ্রহণ, আইনি উদ্দেশ্য এবং পর্যাপ্ত বিবেচনা থাকতে হবে।

6. বিবেচনা বলতে কী বোঝায়? – বিবেচনা হলো প্রতিপক্ষের জন্য মূল্যবান কিছু দেওয়া বা করার প্রতিশ্রুতি।

7. আইনি সম্পর্কের উদাহরণ দিন – বাঙালি পরিবারে বৈবাহিক চুক্তি, ব্যবসায়িক চুক্তি, ঋণ চুক্তি।

8. কোন সম্পর্কগুলো আইনগতভাবে স্বীকৃত নয়? – বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক বা নৈতিক প্রতিশ্রুতি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়।

9. আইনগত সম্পর্কের বৈশিষ্ট্য কী? – আইনের স্বীকৃতি, বাধ্যবাধকতা, বিবাদ হলে আদালতে রক্ষা।

10. কোন সম্পর্ক আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হয়? – যা আদালতে কার্যকরভাবে দাবি করা যায়।

11. অসম্পূর্ণ বা অবৈধ চুক্তি কি আইনগত সম্পর্ক তৈরি করে? – না, শুধুমাত্র বৈধ চুক্তি আইনগত সম্পর্ক তৈরি করে।

12. আইনগত সম্পর্কের উদ্দেশ্য কী? – পক্ষগুলোর অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা।

13. আইনগত সম্পর্ককে কি সবসময় লিখিত হতে হবে? – না, মৌখিক চুক্তিও আইনগত সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।

14. আইনগত সম্পর্কের বিরোধ সমাধানের উপায় কী? – মামলা, মধ্যস্থতা বা সালিশি।

15. আদালত কোন সম্পর্ককে আইনগত স্বীকৃতি দেয় না? – অবৈধ বা অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পর্ককে।

16. চুক্তি লঙ্ঘন হলে কি হয়? – ক্ষতিপূরণ বা আদালতের আদেশে প্রয়োগ হয়।

17. আইনগত সম্পর্ক কি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত চুক্তিতে সীমাবদ্ধ? – না, এটি ব্যবসায়িক ও সামাজিক সম্পর্কেও প্রযোজ্য।

18. কোন আইন সম্পর্কিত বিবাদ আদালতে ন্যায্য হয়? – যেখানে পক্ষগুলো আইনগতভাবে বাধ্য।

19. আইনগত সম্পর্ক গঠনে কোন নীতি গুরুত্বপূর্ণ? – স্বচ্ছতা, সম্মতি ও আইনি বৈধতা।

20. আইনগত সম্পর্কের মূল উপাদান কী? – পক্ষের সম্মতি, আইনি উদ্দেশ্য এবং বিবেচনা।

প্রশাসনিক সম্পর্ক

1. ভারতীয় প্রশাসনে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের সম্পর্ক কোন সংবিধান ধারায় নির্ধারিত? - ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ 245–255 ধারায় কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক সম্পর্ক নির্ধারিত।

2. কোন সংবিধান ধারায় কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে দ্বন্দ্ব সমাধানের প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে? - অনুচ্ছেদ 263 ধারায় কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের দ্বন্দ্ব সমাধানের জন্য রাষ্ট্রপতি কমিশন গঠনের বিধান আছে।

3. প্রশাসনিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে “বৈষম্যপূর্ণ ক্ষমতা বিতরণ” কী বোঝায়? - এটি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে ক্ষমতা এবং দায়িত্বের বিভাজনে অমিল বা বৈষম্য বোঝায়।

4. ভারতীয় প্রশাসনে কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্কের প্রধান মূলনীতি কী? - শীর্ষে কেন্দ্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং সংবিধানের দ্বারা সীমাবদ্ধ রাজ্য ক্ষমতা।

5. “একটি মাত্র কেন্দ্রের শাসন” নীতিটি কোন প্রশাসনিক সম্পর্ক নির্দেশ করে? - এটি কেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক সম্পর্ক নির্দেশ করে।

6. কেন্দ্র–রাজ্য প্রশাসনিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সংবিধানিক কমিশন সাহায্য করে? - রাষ্ট্রপতি কমিশন (Inter-State Council)।

7. সংবিধান অনুযায়ী, কোন সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রাধান্য পায়? - সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারের তুলনায় প্রাধান্য পায়।

8. কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে রাজ্য সরকার বাধ্য থাকে কোন ক্ষেত্রে? - রাজ্য সরকার বাধ্য থাকে কেন্দ্রের সংবিধান অনুযায়ী প্রদত্ত নির্দেশনার ক্ষেত্রে।

9. কোন ধারা প্রশাসনিক সম্পর্কের জন্য কেন্দ্রকে দ্বন্দ্ব সমাধানের ক্ষমতা দেয়? - অনুচ্ছেদ 256 ও 257 ধারা।

10. দ্বিপাক্ষিক প্রশাসনিক সম্পর্ক কী বোঝায়? - এটি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বোঝায়।

11. কোন ধারা অনুযায়ী রাজ্য প্রশাসন কেন্দ্রের অধীনে কাজ করে? - অনুচ্ছেদ 256 ধারায়।

12. কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্কের কোন ধরনের কাঠামোতে শক্তিশালী কেন্দ্র রয়েছে? - একক কেন্দ্রশাসিত কাঠামোতে।

13. রাজ্য সরকারকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে রাখতে কোন ধারা ব্যবহৃত হয়? - অনুচ্ছেদ 356 ধারার মাধ্যমে।

14. কেন্দ্র–রাজ্য প্রশাসনিক সম্পর্কের উদ্দেশ্য কী? - দক্ষ শাসন, আইন প্রয়োগ এবং সমন্বিত নীতি বাস্তবায়ন।

15. কোন সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় করে? - Inter-State Council।

16. কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্কের সমস্যা সমাধানে সাধারণত কি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়? - সংলাপ, কমিশন রিপোর্ট এবং নির্দেশনা পদ্ধতি।

17. ভারতের প্রশাসনে “কেন্দ্রীভূত শন” বলতে কী বোঝায়? - যেখানে কেন্দ্রের ক্ষমতা অধিক এবং রাজ্যগুলির ক্ষমতা সীমিত।

18. রাজ্য–কেন্দ্র দ্বন্দ্ব সমাধানের জন্য কোন সংবিধানিক ধারা বিশেষভাবে প্রযোজ্য? - অনুচ্ছেদ 263।

19. কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার মানদণ্ড কী? - কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং দ্বন্দ্বহীন নীতি বাস্তবায়ন।

20. ভারতীয় সংবিধান কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্ককে কোন মূলনীতিতে স্থাপন করেছে? - সংবিধান কেন্দ্র-শক্তিশালী ফেডারেল কাঠামোতে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আর্থিক সম্পর্ক

1. আর্থিক সম্পর্ক বলতে কী বোঝায়? – আর্থিক সম্পর্ক হলো বিভিন্ন দেশের বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন ও সহযোগিতার সম্পর্ক।

2. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রধান আর্থিক সম্পর্ক কোন ক্ষেত্রে? – বাণিজ্য, ব্যাংকিং ও পণ্য রপ্তানি–আমদানিতে।

3. ভারতের কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আর্থিক সম্পর্কের প্রধান মাধ্যম কী? – কর ও রাজস্ব বণ্টন এবং কেন্দ্রীয় অনুদান।

4. জিএসটি আর্থিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেন গুরুত্বপূর্ণ? – এটি কেন্দ্র ও রাজ্যগুলোর মধ্যে কর বণ্টনকে সহজ ও স্বচ্ছ করেছে।

5. আর্থিক সম্পর্কের মূল নীতি কোনটি? – সমান সুযোগ, ন্যায্য বণ্টন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

6. কেন্দ্রের অনুদান রাজ্যের জন্য কোন আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়? – ভারতীয় সংবিধান ধারা ২৭৬–২৭৯ অনুযায়ী।

7. ফেডারেল আর্থিক সম্পর্কের প্রধান উপাদান কী? – কর রাজস্ব বণ্টন, অনুদান ও ঋণ সম্পর্ক।

8. কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে আর্থিকভাবে স্বাধীন রাখার জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ? – নির্দিষ্ট রাজস্ব উৎস ও বণ্টন নীতি।

9. কেন্দ্রীকৃত আর্থিক সম্পর্কের উদাহরণ কী? – কেন্দ্রীয় কর থেকে রাজ্যে বণ্টন করা।

10. আর্থিক কমিশন কী কাজ করে? – রাজ্য ও কেন্দ্রের কর রাজস্ব বণ্টন প্রস্তাব করে।

11. বিদেশী বিনিয়োগ আর্থিক সম্পর্ককে কীভাবে প্রভাবিত করে? – বৈদেশিক বিনিয়োগ দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক সহযোগিতা বাড়ায়।

12. কেরের ধরন আর্থিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ? – এটি কেন্দ্র ও রাজ্যের আর্থিক ক্ষমতা ও বণ্টন নির্ধারণ করে।

13. আন্তর্জাতিক আর্থিক সম্পর্কের প্রধান সংস্থা কোনটি? – আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্বব্যাংক।

14. আর্থিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাজ্যের ঋণের সীমা কী দ্বারা নির্ধারিত হয়? – কেন্দ্রের অনুমোদন এবং সংবিধান অনুযায়ী।

15. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিনিময় বৃদ্ধির জন্য কোন চুক্তি ব্যবহৃত হয়? – দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় অর্থনৈতিক চুক্তি।

16. আর্থিক সম্পর্ক ও সমতা বজায় রাখার জন্য কোন ব্যবস্থা আছে? – আর্থিক কমিশন এবং কর বণ্টন নীতি।

17. কেন্দ্র–রাজ্য আর্থিক সম্পর্কের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী? – রাজ্যগুলোর স্বায়ত্তশাসন ও রাজস্ব সংকটের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখা।

18. ভারত ও বিদেশী দেশের মধ্যে আর্থিক সম্পর্কের উদাহরণ? – বৈদেশিক বিনিয়োগ, বাণিজ্য চুক্তি ও ঋণ সহযোগিতা।

19. কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখে কোন নীতি? – কর ও অনুদান বণ্টনের নীতি।

20. আর্থিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ভারতের কোন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে? – কেন্দ্রীকৃত কর ব্যবস্থা ও রাজ্য অনুদান নীতি।

৭ম তফসিল (Union, State & Concurrent List)

1. ৭ম তফসিলের মূল উদ্দেশ্য কী? - এটি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কার্যক্ষেত্র নির্ধারণের জন্য তৈরি।

2. ৭ম তফসিলে কতটি তালিকা আছে? - তিনটি তালিকা আছে—কেন্দ্রীয়, রাজ্য এবং যৌথ (Concurrent) তালিকা।

3. কেন্দ্রীয় তালিকা কোন নামেও পরিচিত? - Union List।

4. রাজ্য সরকারের তালিকা কোন নামেও পরিচিত? - State List।

5. যৌথ তালিকা অন্য কী নামে পরিচিত? - Concurrent List।

6. Union List-এ কতটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত আছে? - ৯৭টি বিষয়।

7. State List-এ কতটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত আছে? - ৬০টি বিষয়।

8. Concurrent List-এ কতটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত আছে? - ৫২টি বিষয়।

9. কোন তালিকার বিষয়গুলিতে কেন্দ্রই এককভাবে আইন প্রণয়ন করতে পারে? - Union List।

10. কোন তালিকার বিষয়গুলিতে শুধুমাত্র রাজ্য সরকার আইন প্রণয়ন করতে পারে? - State List।

11. কোন তালিকার বিষয়গুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ই আইন প্রণয়ন করতে পারে? - Concurrent List।

12. কোন তালিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের আইন রাজ্যের আইনের চেয়ে প্রাধান্য পায়? - Concurrent List-এর ক্ষেত্রে।

13. ৭ম তফসিল ভারতের কোন অংশে সংযুক্ত? - সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৪২ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ধারায়।

14. ৭ম তফসিলের তালিকা পরিবর্তনের ক্ষমতা কার? - সংসদের।

15. রাজ্য তালিকার বিষয়গুলিতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগের ক্ষেত্র কী? - জরুরি পরিস্থিতিতে কেন্দ্র প্রণীত আইন প্রযোজ্য।

16. Concurrent List-এ কি কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ই একই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে? - হ্যাঁ, কিন্তু সংঘর্ষ হলে কেন্দ্রের আইন প্রাধান্য পায়।

17. Union List-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উদাহরণ দিন। - প্রতিরক্ষা, নৌপরিবহন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।

18. State List-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উদাহরণ দিন। - পুলিশ, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার।

19. Concurrent List-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উদাহরণ দিন। - শিক্ষা, কৃষি, বেকারত্ব ও শ্রম সম্পর্কিত বিষয়।

20. ৭ম তফসিলের মাধ্যমে ভারতীয় ফেডারেল সরকার কী নিশ্চিত করে? - কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ক্ষমতার সমতা ও সুসংগঠিত বিভাজন।

পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থা

1. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থা কোন সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে? – ৭৩তম সংবিধান সংশোধন আইন, ১৯৯২।

2. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার লক্ষ্য কী? – গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্থানীয় স্বশাসন নিশ্চিত করা।

3. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার তিন স্তর কোনগুলি? – গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পঞ্চায়েত।

4. গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে কী বলা হয়? – প্রধান বা সরপঞ্চ।

5. জেলা পঞ্চায়েতের প্রধানকে কী বলা হয়? – জেলা পঞ্চায়েত সভাপতি বা জিলা প্রধান।

6. পঞ্চায়েতি রাজে সংরক্ষিত নারী আসনের শতাংশ কত? – অন্তত ৩৩%।

7. পঞ্চায়েতি রাজে সংরক্ষিত এসসি/এসটি আসনের জন্য প্রধান সুবিধা কারা পায়? – নারী, উপজাতি ও অনুষঙ্গী জনগোষ্ঠী।

8. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থায় ভোটাধিকার কারা পান? – গ্রামের সকল ১৮ বছরের ঊর্ধ্ব নাগরিক।

9. গ্রাম পঞ্চায়েত কত বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়? – পাঁচ বছর।

10. পঞ্চায়েত সমিতি কোথায় কাজ করে? – ব্লক বা মধ্যবিত্ত অঞ্চলে।

11. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থায় প্রাথমিক তহবিল কোথা থেকে আসে? – কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের অনুদান এবং স্থানীয় কর।

12. পঞ্চায়েতি রাজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কারা? – উপজেলা বা ব্লক উন্নয়ন অফিসার।

13. পঞ্চায়েতি রাজে প্রধান কার্যাবলী কী? – স্থানীয় উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জল ও সেচ তদারকি।

14. পঞ্চায়েতি রাজের মৌলিক নীতি কী? – স্বশাসন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও জন অংশগ্রহণ।

15. পঞ্চায়েতি রাজে তহবিল ব্যবস্থাপনা কে করে? – পঞ্চায়েত খতিয়ান ও তহবিল কমিটি।

16. পঞ্চায়েতি রাজে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী? – নীতি নির্ধারণ, তহবিল প্রদান ও তদারকি।

17. গ্রাম পঞ্চায়েতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করে? – সাধারণ সভা বা গ্রাম সভা।

18. পঞ্চায়েতি রাজে তহবিলের স্বায়ত্তশাসন কতটা? – সীমিত, কেন্দ্র ও রাজ্যের তহবিলের উপর নির্ভরশীল।

19. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার আইনগত ভিত্তি কী? – ভারতীয় সংবিধানের ৭৩তম অনুচ্ছেদ।

20. পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন ক্ষমতা জনগণের হাতে আসে? – স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা।

পৌরসভা ব্যবস্থা

1. পৌরসভা ব্যবস্থা কোন ধরণের স্থানীয় সরকার? - পৌরসভা ব্যবস্থা শহরাঞ্চলের স্থানীয় সরকার।

2. ভারতের পৌরসভা ব্যবস্থা কোন সংবিধান সংশোধনী দ্বারা সংবিধিবদ্ধ হয়েছে? - ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী।

3. ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী কোন সালে প্রবর্তিত হয়? - ১৯৯২ সালে।

4. পৌরসভা প্রধান কে হিসেবে পরিচিত? - মেয়র।

5. পৌরসভার নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদকাল কত বছর? - সাধারণত ৫ বছর।

6. পৌরসভা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে? - কমিশনার।

7. মেয়র নির্বাচিত হন কিভাবে? - সরাসরি বা পৌরসভার নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা।

8. পৌরসভার সাধারণ কার্যক্রমের তদারকি কারা করে? - পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা।

9. পৌরসভায় বাজেট অনুমোদনের ক্ষমতা কার? - পৌরসভার সভার।

10. ভারতের পৌরসভাগুলোকে কতটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে? - প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে – A, B, এবং C শ্রেণী।

11. পৌরসভায় রাজস্ব সংগ্রহের প্রধান উৎস কী? - কর ও অকর-উৎস রাজস্ব।

12. পৌরসভা করের মধ্যে কোনটি প্রধান? - সম্পত্তি কর।

13. পৌরসভা কমিশনারকে নিয়োগ দেয় কে? - রাজ্য সরকার।

14. পৌরসভায় নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ? - ওয়ার্ড কমিটি।

15. পৌরসভায় স্বাস্থ্য, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে কে? - পৌরসভা।

16. পৌরসভায় শিক্ষা ও শিশু কল্যাণ কার্যক্রমের তদারকি কারা করে? - পৌরসভা।

17. পৌরসভায় ভোটাধিকারী কারা? - শহরের ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব নাগরিকরা।

18. মেয়র ও পৌরসভার সদস্যদের সম্পর্ক কেমন? - মেয়র পৌরসভার সভাপতিত্ব করেন, সদস্যরা আইন প্রণয়ন করেন।

19. পৌরসভা কমিশনার ও মেয়রের ক্ষমতার পার্থক্য কী? - মেয়র রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেয়, কমিশনার প্রশাসনিক নেতৃত্ব।

20. পৌরসভা নির্বাচনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি? - রাজ্য নির্বাচনী কমিশন।

৭৩তম ও ৭৪তম সংশোধনী

1. ৭৩তম সংশোধনী কোন সালে সংসদে পাশ হয়? – ৭৩তম সংশোধনী ১৯৯২ সালে পাশ হয়।

2. ৭৩তম সংশোধনী কোন ধরণের প্রতিষ্ঠানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়? – ৭৩তম সংশোধনী গ্রামীণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়।

3. ৭৪তম সংশোধনী কোন সালে পাশ হয়? – ৭৪তম সংশোধনী ১৯৯২ সালে পাশ হয়।

4. ৭74তম সংশোধনী কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়? – ৭৪তম সংশোধনী নগরপালিকা ও পৌরসভাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়।

5. ৭৩তম সংশোধনীতে কতটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে? – ৭৩তম সংশোধনীতে ১১১টি ধারা সংযোজন করা হয়েছে।

6. ৭৪তম সংশোধনীতে কতটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে? – ৭৪তম সংশোধনীতে ১০৭টি ধারা সংযোজন করা হয়েছে।

7. ৭৩তম সংশোধনী কোন অংশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? – ৭৩তম সংশোধনী ভারতীয় সংবিধানের ৯দফা ও ৭ষ্ঠ পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

8. ৭৪তম সংশোধনী কোন অংশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? – ৭৪তম সংশোধনী সংবিধানের ১১ষ্ঠ পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

9. ৭৩তম সংশোধনীর অধীনে গ্রামীণ পঞ্চায়েতের কোন তিন স্তর আছে? – জেলা, ব্লক ও গাঁও পঞ্চায়েত।

10. ৭৪তম সংশোধনী অনুসারে পৌর সংস্থা কত প্রকারের হয়? – পৌর সংস্থা তিন প্রকার: পৌরসভা, পৌরনিগম ও নগরপঞ্চায়েত।

11. ৭৩তম সংশোধনীতে ‘পঞ্চায়েত রাজার কার্যক্রম’ এর জন্য কোন পরিশিষ্ট প্রবর্তন করা হয়েছে? – ১১ষ্ঠ পরিশিষ্ট।

12. ৭৪তম সংশোধনীতে ‘পৌর সংস্থার কার্যক্রম’ এর জন্য কোন পরিশিষ্ট প্রবর্তন করা হয়েছে? – ১২ষ্ঠ পরিশিষ্ট।

13. ৭৩তম সংশোধনীতে গ্রামীণ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কত শতাংশ মহিলা সংরক্ষিত? – ন্যূনতম ৩৩% মহিলা সংরক্ষিত।

14. ৭৪তম সংশোধনীতে পৌর নির্বাচনে কত শতাংশ মহিলা সংরক্ষিত? – ন্যূনতম ৩৩% মহিলা সংরক্ষিত।

15. ৭৩তম সংশোধনীর অধীনে পঞ্চায়েতের জন্য কোন কমিশন স্থাপিত হয়েছে? – রাষ্ট্রপতি বা রাজ্য সরকার কর্তৃক নির্বাচনী কমিশন।

16. ৭৪তম সংশোধনীর অধীনে পৌর নির্বাচনের জন্য কোন কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত? – রাজ্য নির্বাচনী কমিশন।

17. ৭৩তম সংশোধনীতে ব্লক স্তরের পঞ্চায়েতকে কী বলা হয়? – পঞ্চায়েত সমিতি।

18. ৭৩তম সংশোধনীর অধীনে গ্রামীণ পঞ্চায়েতের প্রধানকে কী বলা হয়? – সদর পঞ্চায়েত প্রধান বা প্রধান পঞ্চায়েত।

19. ৭৪তম সংশোধনীর অধীনে পৌর সংস্থার প্রধানকে কী বলা হয়? – মেয়র।

20. ৭৩তম ও ৭৪তম সংশোধনী কী উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়েছে? – স্থানীয় স্ব-শাসনকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।

নির্বাচন কমিশন

1. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন সংস্থা দায়িত্বশীল? – নির্বাচন কমিশন অফ ইন্ডিয়া।

2. ভারতের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন? – সুভাষ চন্দ্র।

3. ভারতের সংবিধানের কোন ধারা নির্বাচন কমিশন সম্পর্কিত? – ধারা 324।

4. নির্বাচনী কমিশন কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত? – একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুইজন নির্বাচনী কমিশনার।

5. প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদকাল কত বছর বা কোন বয়সে শেষ হয়? – ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত।

6. নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে কি? – হ্যাঁ, এটি সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন।

7. নির্বাচন কমিশন কোন ধরনের নির্বাচন পরিচালনা করে? – লোকসভা, বিধানসভা এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

8. নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে কি? – হ্যাঁ, এটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে।

9. নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলি নিবন্ধন করতে পারে কি? – হ্যাঁ, এটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধন করে।

10. নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রণয়ন করে কি? – হ্যাঁ, এটি নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রণয়ন করে।

11. নির্বাচন কমিশন কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে সর্বাধিক? – প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সর্বাধিক তিনজন।

12. প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কে নিয়োগ করে? – রাষ্ট্রপতি।

13. নির্বাচনী কমিশনের সিদ্ধান্ত কি চূড়ান্ত? – হ্যাঁ, এর সিদ্ধান্ত সংবিধান অনুযায়ী চূড়ান্ত।

14. নির্বাচন কমিশন কতবার সম্প্রসারণ করতে পারে? – সদস্য সংখ্যা সংবিধান অনুযায়ী বাড়ানো বা কমানো যায়।

15. নির্বাচন কমিশন কি নির্বাচন স্থগিত করতে পারে? – হ্যাঁ, প্রয়োজনমতো নির্বাচন স্থগিত করতে পারে।

16. নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক পার্টি তদারকি করতে পারে কি? – হ্যাঁ, এটি পার্টির আচরণ ও আর্থিক তদারকি করে।

17. নির্বাচনে ভোটারের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয়? – ভোটার আইডি কার্ড বা EPIC ব্যবহার করে।

18. নির্বাচন কমিশন কি ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করতে পারে? – হ্যাঁ, এটি ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করে।

19. নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার কর্তব্য কি? – রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনের ফলাফল ও কার্যক্রম রিপোর্ট দিতে হয়।

20. নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে কি যায়? – নির্বাচনী ফলাফলের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়া যায়।

ভোটাধিকার ও নির্বাচন সংস্কার

1. ভারতের সংবিধানে ভোটাধিকার কোন ধারা অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে? – ধারা ৩৩৪ এবং ৩৪৫-এ ভোটাধিকার ও ভোটের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

2. ভারতের সংবিধান অনুযায়ী ভোট দেওয়ার যোগ্য ন্যূনতম বয়স কত? – ভোট দেওয়ার যোগ্য ন্যূনতম বয়স হলো ১৮ বছর।

3. ভোটার তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব কোন সংস্থা রাখে? – নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব রাখে।

4. ভারতীয় নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য কি? – স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

5. ভোটাধিকার সংক্রান্ত কোন সংশোধনী ভোটের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছরে নামিয়েছে? – ৬২তম সংশোধনী (১৯৮৯)।

6. ভারতের সংবিধান অনুযায়ী কোন ধরনের নির্বাচন কমিশন আছে? – কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

7. ভোটাররা কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোন অধিকার প্রয়োগ করে? – গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার।

8. নির্বাচন কমিশনের প্রধান কী ভাবে নিয়োগ করা হয়? – রাষ্ট্রপতির দ্বারা।

9. নির্বাচনী প্রতারণা ও অনিয়ম রোধে কোন আইন আছে? – নির্বাচনী আচরণ বিধি ও নির্বাচনী আইন।

10. নারী ও স্বল্পসংখ্যক জাতিগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা নির্ধারণ করে কে? – নির্বাচন কমিশন সংবিধানের নির্দেশ অনুযায়ী।

11. কোন ধারা ভোটারদের সমান ভোটের অধিকার দেয়? – ধারা ১৪ – সমতার অধিকার।

12. নির্বাচনী অভিযোগ ও ভোটের অমান্যতা রোধে কোন সংস্থা ব্যবস্থা নেয়? – নির্বাচন কমিশন।

13. নির্বাচনে প্রার্থীর যোগ্যতা কী দ্বারা নির্ধারিত হয়? – নির্বাচনী আইন অনুযায়ী।

14. নির্বাচনে ভোটারদের গোপন ভোটের অধিকার কোন ধারা নিশ্চিত করে? – সংবিধান ধারা ১৯(১)(এ)।

15. ভোটের সময় কী ধরনের ভোটাধিকার প্রয়োগ হয়? – ব্যক্তিগত ও গোপন ভোটাধিকার।

16. ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয় কত সময় অন্তর? – প্রতি বছর।

17. নির্বাচনী মনোনয়ন বাতিলের ক্ষমতা কার? – নির্বাচন কমিশনের।

18. ভোটারদের কোন কার্ড প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হয়? – ভোটার আইডি কার্ড।

19. কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করতে পারে কি? – না, নির্বাচন কমিশন স্বায়ত্তশাসিত।

20. ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সংবিধান কোন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে? – সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

রাজনৈতিক দল ও দলতন্ত্র

1. রাজনৈতিক দল কী? – রাজনৈতিক দল হলো মানুষদের একটি সংগঠন যারা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে।

2. ভারতের সংবিধানে রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা কোথায় উল্লেখ আছে? – সংবিধানে সরাসরি নেই, তবে নির্বাচন আইন ও আইন-ব্যবস্থায় উল্লেখ আছে।

3. ভারতের প্রথম রাজনৈতিক দল কোনটি? – ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (INC), গঠিত ১৮৮৫ সালে।

4. রাজনৈতিক দলের প্রধান উদ্দেশ্য কী? – ক্ষমতা অর্জন ও সরকার পরিচালনার মাধ্যমে নীতি প্রণয়ন ও জনসেবা করা।

5. দলতন্ত্র কী? – দলতন্ত্র হলো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় দলের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া।

6. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা কী? – প্রার্থীদের মনোনয়ন, প্রচারণা ও ভোটার সংগঠিত করা।

7. বিজেপি কোন ধরনের রাজনৈতিক দল? – ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) হলো জনমুখী, জাতীয়তাবাদী দল।

8. সংবিধান অনুযায়ী রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ? – জনগণের মত প্রকাশ ও ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠনে সহায়ক।

9. ভারতের প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল কোনটি? – ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (INC) ও ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)।

10. রাজনৈতিক দল কীভাবে সরকার গঠন করে? – নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে অথবা জোট গঠন করে।

11. দলভিত্তিক গণতন্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দলগুলোর কার্যক্রম ও ভোটের গুরুত্ব প্রধান।

12. ভারতীয় নির্বাচনী কমিশন রাজনৈতিক দলের উপর কোন নিয়ন্ত্রণ রাখে? – নিবন্ধন, অর্থায়ন ও নির্বাচনী আচরণ নিয়ন্ত্রণ।

13. রাজনৈতিক দলের ভিতরের সংগঠনকে কী বলে? – পার্টির অভ্যন্তরীণ কাঠামো বা হায়ারার্কি।

14. রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থায়নের প্রধান উৎস কী? – দাতা, সদস্য ফি, নির্বাচনী তহবিল ও ব্যক্তিগত দান।

15. ভারতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা কে? – অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম (সঠিক প্রতিষ্ঠাতা)—(তোমার উত্তরে ভুল ছিল)।

16. রাজনৈতিক দলগুলোর জোট গঠনের উদ্দেশ্য কী? – সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন ও সরকার গঠনে সুবিধা।

17. রাজনৈতিক দল ও নাগরিকদের সম্পর্ক কী? – নাগরিকরা ভোটের মাধ্যমে পার্টিকে ক্ষমতা প্রদান ও নীতি নির্ধারণে অংশ নেয়।

18. দলতন্ত্রের প্রধান সুবিধা কী? – রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জনমতের প্রতিফলন ও নীতি প্রণয়নে সহায়তা।

19. ভারতীয় রাজনৈতিক দলের প্রধান চ্যালেঞ্জ কী? – দূর্ণীতি, বিতর্ক, দলীয় বিভাজন ও জনমতের সঠিক প্রতিফলন।

20. রাজনৈতিক দল ও গণতন্ত্রের সম্পর্ক কী? – রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রে ভোট ও সরকার গঠনের মূল মাধ্যম।

নির্বাচনী প্রক্রিয়া

1. ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হয়েছিল? – ১৯৫১-৫২ সালে।

2. ভারতের নির্বাচন কমিশন কত বছরের জন্য গঠিত হয়? – ৫ বছরের জন্য।

3. নির্বাচন কমিশনের প্রধান কে? – নির্বাচন কমিশনার।

4. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ভিত্তি কোন সংবিধান প্রবন্ধে আছে? – প্রবন্ধ 324।

5. নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে কে? – নির্বাচন কমিশন।

6. সংসদীয় নির্বাচনের ভোটাধিকার প্রাপ্ত ন্যূনতম বয়স কত? – ১৮ বছর।

7. সাধারণ নির্বাচন কত বছরে একবার হয়? – ৫ বছরে একবার।

8. ভারতীয় নির্বাচনে আংশিক ভোটগ্রহণ ব্যবস্থার নাম কী? – প্রথম-পোস্ট দ্য পোস্ট সিস্টেম।

9. ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কতটা গোপনভাবে হয়? – গোপন ভোটে।

10. নির্বাচনের সময় কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী? – নিরপেক্ষ প্রশাসন নিশ্চিত করা।

11. নির্বাচনে নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ কোনটি? – নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা বুথ এবং নিরাপত্তা।

12. নির্বাচন কমিশন কোন আইন অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করে? – নির্বাচনী আচরণ বিধি, ১৯৫১।

13. নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অবৈধ প্রভাব এড়াতে কোন ব্যবস্থা আছে? – মডেল কোড অফ কনডাক্ট।

14. ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কত বছরের জন্য তথ্য সংরক্ষণ হয়? – সারাজীবন, তবে নিয়মিত হালনাগাদ হয়।

15. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ইভিএম প্রবর্তিত হয় কত সালে? – ১৯৯৮ সালে।

16. নির্বাচনে নাগরিক ভোটাধিকার হারানোর শর্ত কী? – ঘাতক অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে।

17. ভোটগণনার প্রক্রিয়া কোথায় হয়? – কেন্দ্রীয় ভোটগণনা কেন্দ্রে।

18. নির্বাচন কমিশন কবে গণমাধ্যমে প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ করে? – নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত।

19. নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নির্বাচক কোন সংস্থা দ্বারা মনোনীত হয়? – নির্বাচন কমিশন।

20. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য কী? – স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভোট নিশ্চিত করা।

নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India – ECI)

1. ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হয়েছিল? – ১৯৫১-৫২ সালে।

2. ভারতের নির্বাচন কমিশন কত বছরের জন্য গঠিত হয়? – ৫ বছরের জন্য।

3. নির্বাচন কমিশনের প্রধান কে? – নির্বাচন কমিশনার।

4. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ভিত্তি কোন সংবিধান প্রবন্ধে আছে? – প্রবন্ধ 324।

5. নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে কে? – নির্বাচন কমিশন।

6. সংসদীয় নির্বাচনের ভোটাধিকার প্রাপ্ত ন্যূনতম বয়স কত? – ১৮ বছর।

7. সাধারণ নির্বাচন কত বছরে একবার হয়? – ৫ বছরে একবার।

8. ভারতীয় নির্বাচনে আংশিক ভোটগ্রহণ ব্যবস্থার নাম কী? – প্রথম-পোস্ট দ্য পোস্ট সিস্টেম।

9. ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কতটা গোপনভাবে হয়? – গোপন ভোটে।

10. নির্বাচনের সময় কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী? – নিরপেক্ষ প্রশাসন নিশ্চিত করা।

11. নির্বাচনে নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ কোনটি? – নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা বুথ এবং নিরাপত্তা।

12. নির্বাচন কমিশন কোন আইন অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করে? – নির্বাচনী আচরণ বিধি, ১৯৫১।

13. নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অবৈধ প্রভাব এড়াতে কোন ব্যবস্থা আছে? – মডেল কোড অফ কনডাক্ট।

14. ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কত বছরের জন্য তথ্য সংরক্ষণ হয়? – সারাজীবন, তবে নিয়মিত হালনাগাদ হয়।

15. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ইভিএম প্রবর্তিত হয় কত সালে? – ১৯৯৮ সালে।

16. নির্বাচনে নাগরিক ভোটাধিকার হারানোর শর্ত কী? – ঘাতক অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে।

17. ভোটগণনার প্রক্রিয়া কোথায় হয়? – কেন্দ্রীয় ভোটগণনা কেন্দ্রে।

18. নির্বাচন কমিশন কবে গণমাধ্যমে প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ করে? – নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত।

19. নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নির্বাচক কোন সংস্থা দ্বারা মনোনীত হয়? – নির্বাচন কমিশন।

20. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য কী? – স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভোট নিশ্চিত করা।

নিয়ন্ত্রক ও মহাঅডিটর জেনারেল (CAG)

1. CAG-এর পূর্ণরূপ কী? - Comptroller and Auditor General of India।

2. CAG ভারতের কোন সংবিধান অনুযায়ী নিয়োগ করা হয়? - ভারতের সংবিধান ধারা 148 অনুযায়ী।

3. CAG-এর প্রধান কাজ কী? - সরকারী হিসাব ও ব্যয় নিরীক্ষণ করা।

4. CAG কে নিয়োগ করে? - ভারতের রাষ্ট্রপতি।

5. CAG-এর মেয়াদ কত বছর? - ৬ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত যা আগে হয়।

6. CAG কে হটানোর জন্য কোন প্রক্রিয়া প্রয়োজন? - সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দ্বারা রাষ্ট্রপতির প্রস্তাবের মাধ্যমে।

7. CAG সংসদে কাদের রিপোর্ট জমা দেয়? - রাষ্ট্রপতি ও উভয় সংসদেই।

8. CAG কোন ধরণের সংস্থার অডিট করতে পারে? - কেন্দ্রীয়, রাজ্য, পৌর ও সরকারী সংস্থা।

9. CAG-এর রিপোর্ট সাধারণত কোন ধরনের বাজেট পর্যালোচনার জন্য ব্যবহার হয়? - কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বার্ষিক বাজেট।

10. CAG-এর স্বাধীনতা কোন সংবিধানিক ধারা নিশ্চিত করে? - ধারা 148-151।

11. CAG কত ধরনের অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করে? - প্রধানত চারটি: অনুমোদিত ব্যয়, কার্যকারিতা, পরিবেশ ও সংস্থা নিরীক্ষা।

12. CAG-এর রিপোর্ট সংসদে কোন কমিটি দ্বারা আলোচনা হয়? - Public Accounts Committee (PAC)।

13. CAG ভারতের কোন অডিট সংস্থা সমন্বয় করে? - Indian Audit and Accounts Department।

14. CAG-এর রিপোর্ট কোন সরকারী কাজের ব্যয় যাচাই করে? - কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের ব্যয় এবং রাজস্ব।

15. CAG-এর রিপোর্ট কোন ক্ষেত্রে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়? - আর্থিক স্বচ্ছতা ও হিসাবরক্ষণে।

16. CAG কে দ্বারা পর্যালোচনা করা হয়? - Public Accounts Committee এবং সংসদীয় কমিটি দ্বারা।

17. CAG-এর ক্ষমতা কি শুধুমাত্র আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ? - না, কার্যকারিতা ও কার্যসম্পাদন সম্পর্কিত অডিটও করে।

18. CAG কোন ধরনের রিপোর্ট সংসদে জমা দিতে পারে? - সংবিধান অনুযায়ী আর্থিক, কার্যকারিতা ও বিশেষ রিপোর্ট।

19. CAG-এর স্বাধীনতা কাকে রক্ষা করে? - সরকারের অডিট প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা।

20. CAG-এর রিপোর্ট সাধারণ জনগণ কি দেখতে পারে? - হ্যাঁ, সংসদের রিপোর্ট পাবলিক ডোমেইনে প্রকাশিত হয়।

UPSC

1. UPSC এর পূর্ণরূপ কী? – Union Public Service Commission।

2. UPSC গঠিত হয়েছিল কোন সংবিধান অনুযায়ী? – ভারতীয় সংবিধান ধারা 315 অনুযায়ী।

3. UPSC কত সদস্য দ্বারা গঠিত হয়? – এক চেয়ারম্যান এবং ১০ জন সদস্য পর্যন্ত।

4. UPSC চেয়ারম্যানের মেয়াদ কত বছর? – ৬ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত, যা আগে আসে।

5. UPSC সদস্যদের নিয়োগের মেয়াদ কত? – ৬ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত।

6. UPSC কে নিয়োগ দেয়? – রাষ্ট্রপতি।

7. UPSC কি শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির জন্য পরীক্ষা নেয়? – প্রধানত কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির জন্য।

8. IAS, IPS এবং IFS নিয়োগের জন্য কোন পরীক্ষা লাগে? – Civil Services Examination (CSE)।

9. UPSC প্রতিটি বছরের কতবার CSE আয়োজন করে? – প্রতি বছর একবার।

10. UPSC কী ধরনের সংস্থা? – স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।

11. UPSC এর সদর দফতর কোথায় অবস্থিত? – নয়াদিল্লি।

12. UPSC কাদের জন্য পরীক্ষা আয়োজন করে? – কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারি চাকরির জন্য।

13. UPSC কে কেন্দ্র করে আরেকটি সংস্থা কি আছে? – State Public Service Commissions (SPSC)।

14. UPSC-এর রিপোর্ট কাকে জমা দিতে হয়? – রাষ্ট্রপতিকে।

15. UPSC-এর চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা কত? – প্রধান বিচারপতির সমতুল্য।

16. UPSC এর সদস্যদের বয়সসীমা কত? – ৬৫ বছর পর্যন্ত।

17. UPSC এর মূল দায়িত্ব কী? – কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা আয়োজন।

18. UPSC-এর অধীনে কোন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়? – Civil Services, Engineering Services, CAPF, NDA ইত্যাদি।

19. UPSC সদস্যরা কার দ্বারা নিয়োগিত হয়? – রাষ্ট্রপতি কর্তৃক।

20. UPSC সংবিধান অনুযায়ী কত ধরনের ক্ষমতা রাখে? – নিয়োগ, পরীক্ষা আয়োজন, পরামর্শ, শৃঙ্খলাবিধি।

ফাইনান্স কমিশন

1. ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী ফাইনান্স কমিশনকে কত বছর অন্তর গঠন করতে হয়? – ফাইনান্স কমিশনকে প্রতি ৫ বছরে অন্তত একবার গঠন করতে হয়।

2. ফাইনান্স কমিশনের প্রথম কমিশন গঠন হয় কখন? – প্রথম ফাইনান্স কমিশন ১৯৫১ সালে গঠন করা হয়।

3. ফাইনান্স কমিশনের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক কত হতে পারে? – ফাইনান্স কমিশনের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক ৫ জন হতে পারে।

4. ফাইনান্স কমিশনের চেয়ারম্যানকে কোন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ করে? – রাষ্ট্রপতি ফাইনান্স কমিশনের চেয়ারম্যানকে নিয়োগ করেন।

5. ফাইনান্স কমিশনের সদস্যদের মেয়াদ কত বছর? – ফাইনান্স কমিশনের সদস্যদের মেয়াদ সাধারণত ৫ বছর।

6. ফাইনান্স কমিশনের রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে কত দিনের মধ্যে জমা দিতে হয়? – রিপোর্ট ১০ মাসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হয়।

7. ফাইনান্স কমিশনের মূল উদ্দেশ্য কী? – রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে রাজস্ব ভাগবণ্টনের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।

8. ফাইনান্স কমিশন কোন সংবিধানের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত? – ফাইনান্স কমিশন সংবিধানের ধারা ২৯২, ২৯৩ ও ২৯৫-এ উল্লেখ রয়েছে।

9. কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজস্ব ভাগবণ্টনে ফাইনান্স কমিশনের প্রস্তাব কে অনুমোদন করে? – রাষ্ট্রপতি ফাইনান্স কমিশনের প্রস্তাব অনুমোদন করেন।

10. ফাইনান্স কমিশনের রিপোর্ট সাধারণত কোথায় আলোচনা হয়? – রিপোর্ট সাধারণত সংসদে আলোচনা হয়।

11. ফাইনান্স কমিশন রাজ্যগুলোর জন্য কোন ধরনের ফান্ড বরাদ্দ করে? – কেন্দ্রীয় করের ভাগ, বিশেষ অনুদান এবং অন্যান্য অর্থ বরাদ্দ করে।

12. ফাইনান্স কমিশনের সদস্যদের যোগ্যতার মানদণ্ড কী? – অর্থনীতি, রাজস্ব, আইন বা প্রশাসনে বিশেষ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

13. ফাইনান্স কমিশনের সুপারিশ বাধ্যতামূলক নাকি পরামর্শমূলক? – ফাইনান্স কমিশনের সুপারিশ পরামর্শমূলক, তবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পরে কার্যকর।

14. ফাইনান্স কমিশনের প্রধান কার্যক্রম কী? – কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে রাজস্ব ভাগবণ্টনের সুপারিশ করা।

15. ফাইনান্স কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের পরে কী করা হয়? – রাষ্ট্রপতি রিপোর্ট সংসদে পেশ করেন এবং রাজ্যগুলোর কাছে বিতরণ করেন।

16. ফাইনান্স কমিশন কি রাজ্যের বিকল্প কর সংগ্রহ বিষয়ে সুপারিশ করতে পারে? – হ্যাঁ, পারে।

17. ফাইনান্স কমিশনকে কেন্দ্রীয় সরকারের কোন বিভাগের সাথে সমন্বয় রাখতে হয়? – অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে।

18. ফাইনান্স কমিশন গঠনের উদ্দেশ্য কি শুধু কর ভাগবণ্টন? – না, বিশেষ অনুদান নির্ধারণ ও রাজ্যের আয় বৃদ্ধির বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত।

19. ভারতীয় সংবিধান কোন ধারা ফাইনান্স কমিশনের সংজ্ঞা দেয়? – সংবিধান ধারা ২৮০।

20. ফাইনান্স কমিশন কবে থেকে কাজ শুরু করে? – রাষ্ট্রপতির প্রজ্ঞাপন জারি করার তারিখ থেকে কাজ শুরু করে।

নীতি আয়োগ (Planning Commission)

1. নীতি আয়োগের প্রাথমিক প্রতিষ্ঠা কবে হয়েছিল? - নীতি আয়োগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১লা জানুয়ারি ২০১৫ সালে।

2. নীতি আয়োগের স্থাপনার উদ্দেশ্য কী ছিল? - ভারতের দীর্ঘমেয়াদী নীতি এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য।

3. নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান কে হন? - ভারতের প্রধানমন্ত্রী নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান হন।

4. নীতি আয়োগের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা কত? - নীতি আয়োগের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৮ জন।

5. নীতি আয়োগের এক্স-অফিসিও সদস্যদের মধ্যে কারা থাকেন? - কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা নীতি আয়োগের এক্স-অফিসিও সদস্য হন।

6. নীতি আয়োগের প্রধান লক্ষ্য কী? - দেশকে সমন্বিত নীতি, পরামর্শ এবং পরিকল্পনায় সহায়তা প্রদান করা।

7. নীতি আয়োগ Planning Commission-এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কবে তৈরি হয়েছিল? - ২০১৫ সালে Planning Commission-এর পরিবর্তে নীতি আয়োগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

8. নীতি আয়োগের প্রধান নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্র কী কী? - অর্থনীতি, মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন।

9. নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান কে? - নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান সাধারণত কেন্দ্র সরকার দ্বারা নিযুক্ত হন।

10. নীতি আয়োগের পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়া কিসের মাধ্যমে হয়? - গবেষণা, পরামর্শ ও দেশজুড়ে সমন্বয়মূলক আলোচনা।

11. নীতি আয়োগে কত প্রকার সংস্থা বা বিভাগ আছে? - নীতি আয়োগে বিভিন্ন পরিকল্পনা এবং গবেষণার জন্য ৯টি বিভাগ রয়েছে।

12. নীতি আয়োগের প্রধান উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদাহরণ কী? - “Atal Innovation Mission” হলো নীতি আয়োগের প্রধান উদ্ভাবনী প্রকল্প।

13. নীতি আয়োগের কার্যক্রমে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী? - রাজ্য সরকারের সাথে সমন্বয় করে নীতি আয়োগ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করে।

14. নীতি আয়োগের পরিকল্পনা নীতি কোন ধারায় আসে? - দীর্ঘমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং সংক্ষিপ্ত মেয়াদী নীতি পরিকল্পনায়।

15. নীতি আয়োগের সদর দফতর কোথায় অবস্থিত? - নীতি আয়োগের সদর দফতর নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।

16. নীতি আয়োগের প্রধান পরামর্শদাতা কারা? - বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ এবং বিভিন্ন সেক্টরের শীর্ষকর্মী।

17. নীতি আয়োগের অধীনে কোন ধরনের রিসার্চ ইনস্টিটিউট কাজ করে? - সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

18. নীতি আয়োগের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন ধরনের সমন্বয় করা হয়? - কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে নীতি এবং কর্মপরিকল্পনার সমন্বয়।

19. নীতি আয়োগের “Strategy for New India” প্রকাশের বছর কোনটি? - নীতি আয়োগ ২০১৮ সালে “Strategy for New India” প্রকাশ করে।

20. নীতি আয়োগের মাধ্যমে দেশের কোন খাতগুলোতে উন্নয়ন প্রাধান্য পায়? - স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন প্রাধান্য পায়।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)

1. ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কবে গঠিত হয়েছিল? – 1993 সালের 12 অক্টোবর ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।

2. NHRC প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল কোন আইনের মাধ্যমে? – NHRC প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল "The Protection of Human Rights Act, 1993" এর মাধ্যমে।

3. NHRC-এর সদর দফতর কোথায় অবস্থিত? – NHRC-এর সদর দফতর দিল্লিতে অবস্থিত।

4. NHRC-এর চেয়ারম্যানকে কোন পদে নিযুক্ত করা হয়? – NHRC-এর চেয়ারম্যানকে সাবেক প্রধান বিচারপতি বা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

5. NHRC-এর সাধারণ সদস্যদের সংখ্যা কত হতে পারে? – NHRC-এর সাধারণ সদস্যদের সংখ্যা সর্বাধিক তিনজন হতে পারে।

6. NHRC-এর মেয়াদ কত বছর নির্ধারিত? – NHRC-এর চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের মেয়াদ পাঁচ বছর বা ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত।

7. NHRC কী ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে? – NHRC তদন্ত, পরামর্শ, হেফাজত এবং সচেতনতামূলক ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে।

8. NHRC কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে? – NHRC সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে।

9. NHRC-এর সদস্যরা কোন যোগ্যতা থাকতে হবে? – NHRC-এর সদস্যরা মানবাধিকার, আইন বা প্রশাসনের ক্ষেত্রে বিশেষ যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

10. NHRC-এর রিপোর্ট কার কাছে পাঠানো হয়? – NHRC-এর রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদে পাঠানো হয়।

11. NHRC কি আদালতের ক্ষমতার সমতুল্য ক্ষমতা রাখে? – NHRC সুপ্রিম কোর্টের সমতুল্য ক্ষমতা রাখে না, এটি পরামর্শমূলক ও তদন্তমূলক সংস্থা।

12. NHRC কাদের জন্য মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করে? – NHRC সমস্ত নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করে।

13. NHRC-এর চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা কি সরকারি চাকুরিতে থাকেন? – NHRC-এর চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা সরকারি চাকুরিতে সক্রিয়ভাবে থাকেন না।

14. NHRC কি নিজ উদ্যোগে মামলা করতে পারে? – হ্যাঁ, NHRC নিজ উদ্যোগে (suo motu) মামলার তদন্ত করতে পারে।

15. NHRC-এর কাজের ক্ষেত্রে কোন রাজ্যের সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন? – NHRC-এর কাজের জন্য রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।

16. NHRC কি মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি দিতে পারে? – NHRC সরাসরি শাস্তি দিতে পারে না, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করতে পারে।

17. NHRC কোন ক্ষেত্রে রিপোর্ট প্রকাশ করে? – NHRC মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বার্ষিক ও বিশেষ রিপোর্ট প্রকাশ করে।

18. NHRC-এর চেয়ারম্যানের বয়সসীমা কত? – NHRC-এর চেয়ারম্যানের বয়সসীমা ৭০ বছর পর্যন্ত।

19. NHRC কি স্কুল বা কলেজে সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম আয়োজন করে? – হ্যাঁ, NHRC মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম আয়োজন করে।

20. NHRC-এর সদস্যদের বেতন ও ভাতা কে নির্ধারণ করে? – NHRC-এর সদস্যদের বেতন ও ভাতা কেন্দ্র সরকার নির্ধারণ করে।

ভাষা সম্পর্কিত বিধান

1. ভারতের সংবিধানে সরকারি ভাষা হিসেবে কোনটি নির্ধারিত? - হিন্দি ভারতীয় সংবিধানের সরকারি ভাষা হিসেবে নির্ধারিত।

2. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যান্য ভাষা স্বীকৃত? - অনুচ্ছেদ 343 অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যান্য ভাষা স্বীকৃত।

3. সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে হিন্দি ভাষা উন্নয়নের নির্দেশনা আছে? - অনুচ্ছেদ 351-এ হিন্দি ভাষার উন্নয়নের নির্দেশনা আছে।

4. রাষ্ট্রপতি ভাষা উপযুক্ত নন হলে সংবিধান কত সালে সংশোধন করে? - 1965 সালে হিন্দি ও ইংরেজি সহাবস্থার জন্য সংশোধন করা হয়।

5. ভারতীয় সংবিধানে কতটি ভাষা ৮ম সূচকে স্বীকৃত? - ২২টি ভাষা ৮ম সূচকে স্বীকৃত।

6. কোন ধারা অনুযায়ী রাজ্য সরকার স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করতে পারে? - ধারা 345 অনুযায়ী রাজ্য সরকার স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করতে পারে।

7. হিন্দি ভাষাকে প্রচলিত করার জন্য কোন কমিশন গঠিত হয়েছিল? - রাষ্ট্রভাষা কমিশন 1955 সালে গঠিত হয়।

8. সংবিধানের ধারা 346 অনুযায়ী কোন শহরে হিন্দি ভাষা ব্যবহার শুরু হয়? - কেন্দ্রশাসিত শহর দিল্লিতে হিন্দি ভাষা ব্যবহার শুরু হয়।

9. সংবিধান কততম ধারা ইংরেজি ভাষার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে? - ধারা 349 অনুযায়ী ইংরেজি ভাষার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

10. ৮ম সূচকে উল্লেখিত ভাষার মধ্যে কোনটি তামিলনাড়ুতে প্রচলিত? - তামিল ভাষা তামিলনাড়ুতে প্রচলিত।

11. হিন্দি ভাষার প্রচার ও বিকাশে কেন্দ্র কোন সংস্থা গঠন করেছে? - হিন্দি সম্প্রসারণ বোর্ড কেন্দ্র গঠন করেছে।

12. সংবিধানের ধারা 344 অনুযায়ী ভাষা কমিশনের প্রধান কাজ কী? - ধারা 344 অনুযায়ী ভাষা কমিশন ভাষা সম্পর্কিত সুপারিশ করে।

13. কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিশেষ প্রয়োজনে ভাষা পরিবর্তনের অনুমতি দিতে পারেন? - ধারা 333 অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিতে পারেন।

14. সংবিধানে হিন্দি লেখার জন্য কোন লিপি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে? - হিন্দি লেখার জন্য দেবনাগরী লিপি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

15. সংবিধানে কতটি ভাষা জাতীয় লিপি হিসেবে স্বীকৃত? - ১টি ভাষা হিন্দি জাতীয় লিপি হিসেবে স্বীকৃত।

16. সংবিধানের ধারা 120 অনুযায়ী ভাষা বিচার বিভাগে কীভাবে ব্যবহৃত হবে? - ধারা 120 অনুযায়ী আদালতে হিন্দি ও ইংরেজি ব্যবহৃত হবে।

17. রাষ্ট্রভাষা কমিশন কত বছর অন্তর অন্তর রিপোর্ট জমা দেয়? - ১০ বছর অন্তর রাষ্ট্রভাষা কমিশন রিপোর্ট জমা দেয়।

18. ৮ম সূচকে বাংলা ভাষার স্থান কী? - বাংলা ভাষা ভারতের ৮ম সূচকে স্বীকৃত প্রধান ভাষা।

19. সংবিধান কত ধারা অনুযায়ী শিক্ষায় স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করতে হবে? - ধারা 350 অনুযায়ী শিক্ষায় স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করতে হবে।

20. সংবিধান কোন ধারা অনুযায়ী সংস্থা ও অফিসে হিন্দি ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে? - ধারা 343 অনুযায়ী সংস্থা ও অফিসে হিন্দি ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক।