পদার্থবিদ্যা MCQ - Physics Questions and Solutions for Competitive Exams in Bengali

পদার্থবিদ্যা MCQ - Physics Questions and Solutions for Competitive Exams in Bengali

পদার্থবিদ্যা (Physics)

আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব (Photoelectric Effect)

1. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কাকে বলে? – কোনো ধাতুর উপর আলো পড়লে ইলেকট্রন নির্গত হলে তাকে আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব বলে।

2. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কে আবিষ্কার করেন? – হাইনরিখ হার্ট্‌জ।

3. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের ব্যাখ্যা কে দেন? – আলবার্ট আইনস্টাইন।

4. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবে নির্গত কণার নাম কী? – ইলেকট্রন।

5. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব প্রথম কোন ধাতুতে দেখা গিয়েছিল? – সিজিয়াম।

6. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কোন ধরনের শক্তি রূপান্তর ঘটায়? – আলোক শক্তি থেকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে।

7. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবে নির্গত ইলেকট্রনকে কী বলা হয়? – ফটোইলেকট্রন।

8. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব থেকে ইলেকট্রন নির্গত করতে প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন শক্তিকে কী বলে? – থ্রেশহোল্ড এনার্জি।

9. থ্রেশহোল্ড এনার্জির সঙ্গে সম্পর্কিত তরঙ্গ দৈর্ঘ্যকে কী বলে? – থ্রেশহোল্ড ওয়েভলেংথ।

10. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কোন সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা হয়? – hν = W + (1/2)mv²

11. এখানে h কী নির্দেশ করে? – প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক।

12. প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবকের মান কত? – 6.626×10⁻³⁴ Js

13. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবে নির্গত ইলেকট্রনের গতিজ শক্তি কিসের উপর নির্ভর করে? – আপতিত আলোর কম্পাঙ্কের উপর।

14. আলোর তীব্রতা বাড়ালে ইলেকট্রনের গতিজ শক্তি কি বাড়ে? – না, বাড়ে না।

15. আলোর তীব্রতা বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা কি বাড়ে? – হ্যাঁ, বাড়ে।

16. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কোন বৈজ্ঞানিক সূত্রের বিপরীত প্রমাণ দেয়? – তরঙ্গ তত্ত্বের।

17. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কোন তত্ত্বকে সমর্থন করে? – কণিকা তত্ত্ব বা কোয়ান্টাম তত্ত্ব।

18. আইনস্টাইন এই প্রভাব ব্যাখ্যা করতে কোন ধারণা দেন? – আলোর কণিকা তত্ত্ব বা ফোটন তত্ত্ব।

19. ফোটন কী? – আলোর শক্তি বহনকারী কণিকা।

20. ফোটনের শক্তি কী সূত্রে নির্ণয় করা যায়? – E = hν

21. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবে কাজের ফাংশন (Work Function) কী বোঝায়? – ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত করতে প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন শক্তি।

22. কাজের ফাংশনের একক কী? – ইলেকট্রন ভোল্ট (eV)।

23. কোন ধাতুর কাজের ফাংশন সবচেয়ে কম? – সিজিয়াম।

24. কোন ধাতুর কাজের ফাংশন সবচেয়ে বেশি? – প্লাটিনাম।

25. ফটোইলেকট্রন নির্গমন কবে বন্ধ হয়ে যায়? – যখন আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক থ্রেশহোল্ড কম্পাঙ্কের নিচে থাকে।

26. থ্রেশহোল্ড কম্পাঙ্ক কী? – ইলেকট্রন নির্গমনের জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন কম্পাঙ্ক।

27. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের গবেষণার ফলাফল কী? – আলোর কণিকা ধর্ম প্রমাণিত হয়।

28. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কোন যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়? – ফটোসেল।

29. ফটোসেলের মূল কাজ কী? – আলোকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করা।

30. ফটোসেল কোন নীতির উপর কাজ করে? – আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের নীতি।

31. টেলিভিশন ক্যামেরায় কোন প্রভাব ব্যবহৃত হয়? – আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব।

32. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের আবিষ্কারের জন্য আইনস্টাইন কোন পুরস্কার পান? – 1921 সালের নোবেল পুরস্কার (পদার্থবিজ্ঞান)।

33. ফটোইলেকট্রন নির্গমনের তাত্ক্ষণিকতা কী প্রমাণ করে? – আলো কণিকা স্বরূপ।

34. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের জন্য কোন ধরনের আলো বেশি কার্যকর? – অতিবেগুনি আলো।

35. ফটোইলেকট্রনের সর্বাধিক গতিজ শক্তি কিসের দ্বারা নির্ধারিত হয়? – আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক দ্বারা।

36. নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা কিসের উপর নির্ভর করে? – আপতিত আলোর তীব্রতার উপর।

37. ইলেকট্রন নির্গমনের জন্য আলো কতক্ষণ লাগে? – তাত্ক্ষণিকভাবে ঘটে।

38. ফটোইলেকট্রিক কারেন্টের মান কিসের উপর নির্ভর করে? – আলোর তীব্রতার উপর।

39. থ্রেশহোল্ড তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্কের সম্পর্ক কী? – বিপরীতানুপাতিক।

40. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের পরীক্ষায় কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়? – ফটোইলেকট্রিক টিউব।

41. ফটোইলেকট্রিক টিউবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়? – সিজিয়াম বা পটাশিয়াম।

42. ফটোইলেকট্রন নির্গমন বন্ধ করার জন্য যে ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয় তাকে কী বলে? – স্টপিং পটেনশিয়াল।

43. স্টপিং পটেনশিয়াল কিসের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক? – ফটোইলেকট্রনের সর্বাধিক গতিজ শক্তির।

44. আপতিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে ফটোইলেকট্রনের শক্তি কী হয়? – বৃদ্ধি পায়।

45. আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক বাড়ালে ইলেকট্রন নির্গমন কী হয়? – বৃদ্ধি পায়।

46. ফটোইলেকট্রিক প্রভাব কোন ধরনের বিকিরণের জন্য সম্ভব নয়? – ইনফ্রারেড বিকিরণের জন্য।

47. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাব কোন মৌলিক কণার অস্তিত্ব প্রমাণ করে? – ইলেকট্রনের।

48. ফটোইলেকট্রিক প্রভাব কোন তত্ত্বের বিকাশে সাহায্য করে? – কোয়ান্টাম মেকানিক্স তত্ত্বে।

49. ফটোইলেকট্রিক প্রভাবে নির্গত ইলেকট্রনগুলির শক্তি সমান হয় কি? – না, বিভিন্ন হয়।

50. আলোক বৈদ্যুতিক প্রভাবের মূল তাৎপর্য কী? – আলো ও পদার্থের পারস্পরিক ক্রিয়ার কোয়ান্টাম ধর্ম প্রমাণ করে।

পরমাণুর গঠন (Bohr Model, Rutherford Model)

1. পরমাণুর গঠন সম্পর্কে প্রথম বৈজ্ঞানিক মডেল দেন কে? – জে. জে. থমসন।

2. থমসনের পরমাণু মডেলকে কী বলা হয়? – পুডিং মডেল বা কিশমিশ পুডিং মডেল।

3. থমসন মডেল অনুযায়ী পরমাণু কেমন? – ধনাত্মক গোলকের মধ্যে ঋণাত্মক ইলেকট্রন ছড়ানো।

4. রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল কোন পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি? – সোনার পাত পরীক্ষার উপর।

5. রাদারফোর্ড পরীক্ষায় কোন কণিকা ব্যবহার করেছিলেন? – আলফা কণিকা।

6. রাদারফোর্ড পরীক্ষায় সোনার পাতের পুরুত্ব কত ছিল? – প্রায় ১০⁻⁶ মিটার।

7. রাদারফোর্ডের পরীক্ষায় অধিকাংশ আলফা কণিকা কীভাবে গিয়েছিল? – প্রায় সরাসরি চলে গিয়েছিল।

8. রাদারফোর্ড পরীক্ষায় অল্প কিছু কণিকা কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল? – কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াসে আঘাত লেগে।

9. রাদারফোর্ড পরমাণুর কেন্দ্রীয় অংশকে কী নাম দেন? – নিউক্লিয়াস।

10. রাদারফোর্ডের মডেল অনুযায়ী ইলেকট্রন কোথায় অবস্থান করে? – নিউক্লিয়াসের চারদিকে কক্ষপথে।

11. রাদারফোর্ড মডেল অনুযায়ী পরমাণুর অধিকাংশ স্থান কেমন? – শূন্য।

12. রাদারফোর্ড মডেল অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের আকার কেমন? – পরমাণুর তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র।

13. রাদারফোর্ড মডেল অনুযায়ী নিউক্লিয়াসে কী থাকে? – প্রোটন (ও পরবর্তীতে নিউট্রন)।

14. রাদারফোর্ড মডেলের প্রধান ত্রুটি কী ছিল? – ইলেকট্রন স্থায়ীভাবে নিউক্লিয়াসে পতিত হওয়া উচিত ছিল।

15. রাদারফোর্ড মডেলের ত্রুটি দূর করেন কে? – নীল্‌স বোর।

16. বোর মডেল কাদের পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি? – রাদারফোর্ডের মডেল ও প্ল্যাঙ্কের তত্ত্বের উপর।

17. বোর মডেল কোন পরমাণুর জন্য প্রযোজ্য? – হাইড্রোজেন ও এক ইলেকট্রন বিশিষ্ট আয়নগুলির জন্য।

18. বোর মডেল কবে প্রকাশিত হয়? – ১৯১৩ সালে।

19. বোর মডেল অনুযায়ী ইলেকট্রন কোথায় অবস্থান করে? – নির্দিষ্ট কক্ষপথে।

20. বোর মডেল অনুযায়ী ইলেকট্রন শক্তি নির্গত করে কবে? – এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে স্থানান্তরিত হলে।

21. বোর মডেল অনুযায়ী ইলেকট্রন কক্ষপথ পরিবর্তন করলে কী হয়? – আলোক শক্তি নির্গত বা শোষিত হয়।

22. বোর মডেলে শক্তি নির্গমন সূত্র কী? – E₂ − E₁ = hν।

23. বোর মডেলে h দ্বারা কী বোঝায়? – প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক।

24. বোর মডেলে ν দ্বারা কী বোঝায়? – বিকিরণিত আলোর কম্পাঙ্ক।

25. বোর মডেলের প্রধান সাফল্য কী? – হাইড্রোজেনের বর্ণরেখা ব্যাখ্যা করতে পারা।

26. বোর মডেল অনুযায়ী প্রথম কক্ষপথকে কী বলে? – K স্তর।

27. দ্বিতীয় কক্ষপথকে কী বলে? – L স্তর।

28. তৃতীয় কক্ষপথকে কী বলে? – M স্তর।

29. প্রতিটি কক্ষপথে ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র কী? – 2n²।

30. যদি n = 2 হয়, তবে সর্বাধিক ইলেকট্রন সংখ্যা কত? – ৮।

31. হাইড্রোজেনের স্পেকট্রামের ব্যাখ্যা দেন কে? – বোর।

32. বোরের মডেল কোন নিয়মের সাহায্যে ইলেকট্রন কক্ষপথ নির্ধারণ করে? – কোয়ান্টাইজড কৌণিক ভরবেগের নিয়মে।

33. বোর মডেলে কৌণিক ভরবেগের সূত্র কী? – mvr = nh/2π।

34. বোর মডেল অনুযায়ী n দ্বারা কী বোঝায়? – প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা।

35. বোর মডেল ব্যর্থ হয় কোন পরমাণুর ক্ষেত্রে? – বহু ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুর ক্ষেত্রে।

36. রাদারফোর্ড মডেল কী ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছিল? – পরমাণুর স্থায়িত্ব।

37. বোর মডেল অনুযায়ী পরমাণু স্থিতিশীল কেন? – ইলেকট্রন নির্দিষ্ট শক্তির কক্ষপথে ঘোরে বলে।

38. রাদারফোর্ড পরীক্ষায় ব্যবহৃত পদার্থ ছিল কী? – সোনার পাত।

39. রাদারফোর্ড পরীক্ষায় আলফা কণিকার উৎস কী ছিল? – রেডিয়াম।

40. নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জের কারণ কী? – প্রোটনের উপস্থিতি।

41. নিউট্রন আবিষ্কার করেন কে? – জেমস চ্যাডউইক।

42. প্রোটন আবিষ্কার করেন কে? – রাদারফোর্ড।

43. ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন কে? – জে. জে. থমসন।

44. রাদারফোর্ড পরীক্ষায় স্ক্রিন হিসেবে কোন পদার্থ ব্যবহার হয়েছিল? – জিঙ্ক সালফাইড।

45. বোর মডেল কোন নিয়ম দ্বারা শক্তির স্তর নির্ধারণ করে? – কোয়ান্টাম নিয়ম দ্বারা।

46. বোরের তত্ত্ব অনুযায়ী শক্তির স্তরগুলির মধ্যে ফাঁক কেমন? – উপর দিকে গেলে ফাঁক কমে যায়।

47. হাইড্রোজেন স্পেকট্রামের প্রথম ধারা কোনটি? – লাইমান ধারা।

48. বোর মডেল দ্বারা ব্যাখ্যাত ধারা কোনটি? – হাইড্রোজেনের স্পেকট্রাল ধারা।

49. বোর মডেল অনুসারে ইলেকট্রন নির্দিষ্ট শক্তি সম্পন্ন কেন? – নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে বলে।

50. রাদারফোর্ড মডেলকে আর কী বলা হয়? – নিউক্লিয়ার মডেল।

নিউক্লিয়ার ফিজিক্স – ভরসংখ্যা, আইসোটোপ, রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয়

1. পরমাণুর ভরসংখ্যা কাকে বলে – নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে ভরসংখ্যা বলে।

2. ভরসংখ্যার প্রতীক কী – A।

3. পারমাণবিক সংখ্যার প্রতীক কী – Z।

4. ভরসংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা কিসের সাথে সম্পর্কিত – নিউক্লিয়াসের গঠনের সাথে।

5. নিউট্রনের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র – N = A − Z।

6. আইসোটোপ কাকে বলে – একই উপাদানের যেসব পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদের আইসোটোপ বলে।

7. হাইড্রোজেনের আইসোটোপ কয়টি – তিনটি (প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম)।

8. হাইড্রোজেনের রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ কোনটি – ট্রিটিয়াম।

9. কার্বনের আইসোটোপের সংখ্যা – তিনটি (C-12, C-13, C-14)।

10. রেডিওকার্বন ডেটিংয়ে ব্যবহৃত আইসোটোপ – কার্বন-14।

11. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় কাকে বলে – এক অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসের স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসে রূপান্তর প্রক্রিয়াকে রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় বলে।

12. রেডিওঅ্যাকটিভিটি কে আবিষ্কার করেন – হেনরি বেকেরেল।

13. রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল কারা আবিষ্কার করেন – পিয়ের ও মেরি কুরি।

14. পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম কে আবিষ্কার করেন – মেরি কুরি ও পিয়ের কুরি।

15. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয়ে কোন কোন কণার নির্গমন হয় – α, β এবং γ কণা।

16. আলফা কণার গঠন কী – ২টি প্রোটন ও ২টি নিউট্রন।

17. আলফা কণার বৈদ্যুতিক আধান – +2e।

18. বিটা কণা কী – উচ্চ গতির ইলেকট্রন।

19. গামা রশ্মি কী – উচ্চ শক্তির তড়িৎচুম্বকীয় রশ্মি।

20. গামা রশ্মির আধান কত – শূন্য।

21. আলফা ক্ষয়ে ভরসংখ্যা কত কমে – ৪ কমে।

22. আলফা ক্ষয়ে পারমাণবিক সংখ্যা কত কমে – ২ কমে।

23. বিটা ক্ষয়ে পারমাণবিক সংখ্যা কত পরিবর্তিত হয় – ১ বৃদ্ধি পায়।

24. গামা ক্ষয়ে ভরসংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা – অপরিবর্তিত থাকে।

25. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় কোন ধরনের প্রক্রিয়া – এলোমেলো (Random) প্রক্রিয়া।

26. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় আইন কে প্রবর্তন করেন – রাদারফোর্ড ও সোডি।

27. অর্ধায়ু কাকে বলে – কোনো রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থের অর্ধেক ক্ষয় হতে যত সময় লাগে তাকে অর্ধায়ু বলে।

28. অর্ধায়ুর প্রতীক – T₁/₂।

29. অর্ধায়ু কোন কিছুর উপর নির্ভর করে না – পদার্থের ভর, তাপমাত্রা বা চাপের উপর।

30. ইউরেনিয়াম-238 ক্ষয়ে যে মৌলটি উৎপন্ন হয় – সীসা (Lead)।

31. ইউরেনিয়াম-235 ব্যবহৃত হয় কোন কাজে – পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

32. প্লুটোনিয়াম-239 ব্যবহৃত হয় কোথায় – পারমাণবিক বোমায়।

33. নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর কিসের উপর ভিত্তি করে কাজ করে – নিয়ন্ত্রিত নিউক্লিয়ার ফিশন।

34. নিউক্লিয়ার ফিশন কাকে বলে – ভারী নিউক্লিয়াসের ভেঙে দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে বিভাজন প্রক্রিয়াকে।

35. নিউক্লিয়ার ফিউশন কাকে বলে – দুটি হালকা নিউক্লিয়াসের যুক্ত হয়ে ভারী নিউক্লিয়াস গঠনকে।

36. সূর্যের শক্তি উৎপন্ন হয় কোন প্রক্রিয়ায় – নিউক্লিয়ার ফিউশন।

37. রেডিওঅ্যাকটিভিটির একক কী – বেকেরেল (Bq)।

38. পূর্বের একক ছিল – কিউরি (Ci)।

39. ১ কিউরি সমান কত বেকেরেল – 3.7 × 10¹⁰ Bq।

40. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় সমীকরণে ধ্রুবক λ কাকে বলে – ক্ষয় ধ্রুবক।

41. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় আইন – N = N₀ e^(-λt)।

42. অর্ধায়ু ও ক্ষয় ধ্রুবকের সম্পর্ক – T₁/₂ = 0.693 / λ।

43. ট্রিটিয়ামের অর্ধায়ু কত – প্রায় 12.3 বছর।

44. কার্বন-14 এর অর্ধায়ু কত – প্রায় 5730 বছর।

45. রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থের শক্তি কোন রূপে নির্গত হয় – কণা ও বিকিরণ আকারে।

46. প্রাকৃতিক রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল কয়টি – প্রায় ৪০টি।

47. কৃত্রিম রেডিওঅ্যাকটিভিটি কে আবিষ্কার করেন – জোলিও কুরি দম্পতি।

48. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় প্রক্রিয়ায় শক্তি সংরক্ষিত থাকে কি – হ্যাঁ, মোট শক্তি সংরক্ষিত থাকে।

49. রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থের চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রয়োগ – ক্যান্সার চিকিৎসা ও এক্স-রে থেরাপি।

50. পৃথিবীর কেন্দ্রে উষ্ণতার প্রধান উৎস – রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয়।

নিউক্লিয়ার বিভাজন (Fission) ও সংশ্লেষণ (Fusion)

1. নিউক্লিয়ার বিভাজন কাকে বলে – একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়াকে নিউক্লিয়ার বিভাজন বলে।

2. নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ কাকে বলে – দুটি হালকা নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠনের প্রক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ বলে।

3. প্রথম নিউক্লিয়ার বিভাজন আবিষ্কার করেন – অটো হান ও ফ্রিটজ স্ট্রাসম্যান।

4. নিউক্লিয়ার বিভাজনের ব্যাখ্যা দেন – লিজ মেইটনার ও অটো ফ্রিশ।

5. বিভাজনের সময় নির্গত কণার নাম – নিউট্রন।

6. সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজন – অতি উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপ।

7. নিউক্লিয়ার বিভাজন প্রক্রিয়াটি ঘটে – ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের নিউক্লিয়াসে।

8. নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি ঘটে – সূর্য ও নক্ষত্রে।

9. নিউক্লিয়ার বিভাজনে যে শক্তি উৎপন্ন হয় – নিউক্লিয়ার শক্তি।

10. নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণে যে শক্তি উৎপন্ন হয় – সূর্যের তাপ ও আলো।

11. ইউরেনিয়ামের বিভাজনে উৎপন্ন দুটি মৌল – ব্যারিয়াম ও ক্রিপটন।

12. বিভাজনের চেইন বিক্রিয়া শুরু হয় – নিউট্রন দ্বারা।

13. এক নিউক্লিয়ার বিভাজনে উৎপন্ন নিউট্রনের সংখ্যা – গড়ে ২ থেকে ৩।

14. নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর কোন প্রক্রিয়ার উপর কাজ করে – নিউক্লিয়ার বিভাজন।

15. হাইড্রোজেন বোমা কাজ করে – নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণের উপর।

16. অ্যাটম বোমা কাজ করে – নিউক্লিয়ার বিভাজনের উপর।

17. সূর্যের শক্তির উৎস – নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ।

18. প্রথম অ্যাটম বোমা নিক্ষেপ করা হয় – ১৯৪৫ সালে।

19. প্রথম অ্যাটম বোমা নিক্ষেপিত হয় – জাপানের হিরোশিমা শহরে।

20. নিউক্লিয়ার বিভাজনের সমীকরণে শক্তির ক্ষয় প্রকাশ করে – আইনস্টাইনের সূত্র E = mc²।

21. ইউরেনিয়ামের সর্বাধিক ব্যবহৃত আইসোটোপ – U-235।

22. প্লুটোনিয়ামের আইসোটোপ যা বিভাজনে ব্যবহৃত হয় – Pu-239।

23. ফিউশন বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী মৌল – হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ও ট্রাইটিয়াম।

24. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার ফল – হিলিয়াম ও প্রচুর শক্তি।

25. নিউক্লিয়ার বিভাজনে প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত কণা – নিউট্রন।

26. নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে নিয়ন্ত্রণকারী পদার্থ – ক্যাডমিয়াম বা বোরন।

27. নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত পদার্থ – ভারী জল (D₂O) বা গ্রাফাইট।

28. নিউক্লিয়ার বিভাজনের প্রতিক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয় – নিউক্লিয়াসের ভরের সামান্য ক্ষয়ের ফলে।

29. ফিউশন প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রয়োজন – প্রায় 10⁷ K তাপমাত্রা।

30. ফিউশন বিক্রিয়া বলা হয় – তাপ-পরমাণু বিক্রিয়া (Thermonuclear reaction)।

31. পৃথিবীতে কৃত্রিমভাবে ফিউশন প্রক্রিয়া সম্ভব – হাইড্রোজেন বোমায়।

32. ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয় – নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে।

33. ফিশন বিক্রিয়া অনিয়ন্ত্রিত হলে ফলাফল – বিস্ফোরণ।

34. চেইন রিঅ্যাকশন কাকে বলে – এক ফিশনে উৎপন্ন নিউট্রন অন্য ফিশন ঘটালে সেটি চেইন রিঅ্যাকশন।

35. বিভাজন বিক্রিয়ায় যে পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় – রাসায়নিক বিক্রিয়ার তুলনায় লক্ষগুণ বেশি।

36. ফিশন বিক্রিয়ার গতি নির্ভর করে – নিউট্রনের গতির উপর।

37. ধীর নিউট্রনকে বলা হয় – থার্মাল নিউট্রন।

38. ফিশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত জ্বালানি – ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়াম।

39. ফিউশন বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত জ্বালানি – হাইড্রোজেন আইসোটোপ।

40. ফিশন বিক্রিয়ায় তাপ শক্তির সঙ্গে উৎপন্ন হয় – গামা রশ্মি ও নিউট্রন।

41. ফিশন বিক্রিয়ার ব্যবহার – বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

42. ফিউশন বিক্রিয়ার ব্যবহার – অস্ত্র ও শক্তি গবেষণায়।

43. বিভাজন প্রক্রিয়ার আবিষ্কারের বছর – ১৯৩৮।

44. ফিউশন প্রক্রিয়ার ধারণা দেন – হান্স বেথে।

45. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া শুরু হয় – প্লাজমা অবস্থায়।

46. ফিশন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তি নির্ভর করে – ভরের ক্ষয় Δm এর উপর।

47. নিউক্লিয়ার শক্তির ব্যবহারিক রূপ – পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

48. প্রথম নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয় – সোভিয়েত ইউনিয়নে (১৯৫৪)।

49. ফিশন বিক্রিয়ার একটি উদাহরণ – U-235 + n → Ba + Kr + 3n + Energy।

50. ফিউশন বিক্রিয়ার একটি উদাহরণ – ²H + ³H → ⁴He + n + Energy।

এক্স-রে, লেজার, সেমিকন্ডাক্টর

1. এক্স-রে কে আবিষ্কার করেছিলেন? – উইলহেল্ম রöntগেন

2. এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত কত? – 0.01–10 ন্যানোমিটার

3. এক্স-রে কোন ধরনের বিকিরণ? – ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ

4. এক্স-রে প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? – অস্থি ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গ দেখার জন্য

5. এক্স-রে ফ্লুরোসকোপির কাজ কী? – চলন্ত ছবি দেখায়

6. এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন পরীক্ষায় কোন কণা ব্যবহার হয়? – ইলেকট্রন বা ফোটন

7. এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফিতে ব্যবহার হয় কেন? – আণবিক কাঠামো নির্ণয় করতে

8. এক্স-রে টিউবের Cathode কি উৎপন্ন করে? – ইলেকট্রন

9. এক্স-রে টিউবে Anode কি কাজ করে? – ইলেকট্রনকে থামিয়ে এক্স-রে উৎপন্ন করে

10. এক্স-রে ব্যবহৃত ফিল্ম কী? – ফটোগ্রাফিক ফিল্ম

11. এক্স-রে কি জীবদেহে ক্ষতি করতে পারে? – হ্যাঁ, উচ্চ মাত্রায়

12. এক্স-রে কত প্রকারে বিভক্ত? – কঠিন এবং নরম এক্স-রে

13. লেজার শব্দের পূর্ণরূপ কী? – Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation

14. লেজার প্রথম তৈরি করেছিলেন? – থিওডোর মেইমান

15. লেজারের প্রাথমিক ব্যবহার কী ছিল? – গবেষণা ও যোগাযোগে

16. লেজারের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত কত? – 400–700 nm (দৃশ্যমান)

17. লেজারের একক তীব্রতা কিসের উপর নির্ভর করে? – আলোকে সমন্বিত ও সম্প্রসারিত করার উপর

18. লেজারের কোন বৈশিষ্ট্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? – কোহেরেন্ট ও মনোক্রোম্যাটিক আলো

19. লেজারের চিকিৎসায় ব্যবহার কী? – কাটা, বায়োপসি ও চোখের চিকিৎসায়

20. লেজার ডিস্ক বা সলিড-স্টেট লেজার কোন উপাদান ব্যবহার করে? – Ruby বা Nd:YAG

21. সেমিকন্ডাক্টর কোন ধরনের পদার্থ? – আংশিক পরিবাহক

22. সেমিকন্ডাক্টরের প্রধান উদাহরণ কী? – সিলিকন এবং জারমেনিয়াম

23. সেমিকন্ডাক্টরের বৈদ্যুতিক পরিবাহকতা কী দ্বারা বৃদ্ধি পায়? – ডোপিং দ্বারা

24. N-type সেমিকন্ডাক্টরে চার্জ বাহক কোনটি? – ইলেকট্রন

25. P-type সেমিকন্ডাক্টরে চার্জ বাহক কোনটি? – হোল

26. PN জংশন কী? – N এবং P টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের সংযোগ

27. ডায়োড কী কাজে ব্যবহৃত হয়? – একদিকে কারেন্ট প্রবাহিত করা

28. ট্রানজিস্টর কোন ধরনের ডিভাইস? – সেমিকন্ডাক্টর সুইচ বা এমপ্লিফায়ার

29. সোলার সেল কোন ধরনের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবহার করে? – সিলিকন

30. LED এর পূর্ণরূপ কী? – Light Emitting Diode

31. LED কোন প্রক্রিয়ায় আলো উৎপন্ন করে? – ইলেকট্রন–হোল পুনর্মিলনের সময়

32. সেমিকন্ডাক্টরের ব্যান্ডগ্যাপ সাধারণত কত? – 0.1–4 eV

33. লেজারের আলো কেন মনোক্রোম্যাটিক হয়? – কারণ নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকে আসে

34. লেজারের আলো কেন কোহেরেন্ট হয়? – কারণ ফেজ একই থাকে

35. লেজার কি কেবল দৃশ্যমান আলোর জন্য ব্যবহৃত হয়? – না, ইনফ্রারেড ও UV-তেও ব্যবহার হয়

36. এক্স-রে ফটোগ্রাফিতে কোন অংশ বেশি শ্বেতল হয়? – হাড়

37. এক্স-রে ফটোগ্রাফিতে কোন অংশ বেশি কালো দেখায়? – বাতাস বা ফ্লুইড

38. এক্স-রে নিরাপত্তার জন্য কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়? – লিড এপ্রন ব্যবহার করা

39. লেজারের দূরত্ব পরিমাপ করার যন্ত্র কী? – লেজার রেঞ্জফাইন্ডার

40. লেজারের কমিউনিকেশনে সুবিধা কী? – উচ্চ গতিতে তথ্য স্থানান্তর

41. সেমিকন্ডাক্টরের কোথায় ইলেকট্রন–হোল জেনারেট হয়? – PN জংশনে

42. ডায়োডের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – একদিকের কারেন্ট প্রবাহ

43. ট্রানজিস্টরের তিনটি অংশ কী? – এমিটার, বেস, কালেক্টর

44. সোলার সেল কাজ করে কোন প্রক্রিয়ায়? – ফটোভোলটাইক প্রভাব

45. LED কত রঙের আলো দিতে পারে? – Monochromatic বা নির্দিষ্ট রঙ

46. এক্স-রে চিকিৎসায় ব্যবহার হয় কোন ক্ষেত্রে? – ফ্র্যাকচার শনাক্ত করতে

47. এক্স-রে শিল্পে কোন কাজে ব্যবহার হয়? – ধাতুর ভেতরের ত্রুটি পরীক্ষা

48. লেজার অস্ত্রোপচারে কোন সুবিধা দেয়? – ক্ষুদ্র এবং নিখুঁত কাটা

49. সেমিকন্ডাক্টরের ব্যান্ডগ্যাপ কত বেশি হলে সলিড স্টেট লাইট তৈরি হয়? – প্রায় 1.1 eV

50. সেমিকন্ডাক্টরের ডোপিং কীভাবে বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে? – অতিরিক্ত ইলেকট্রন বা হোল যোগ করে

মৌলিক কণা (Electron, Proton, Neutron)

1. ইলেকট্রনের চার্জ কত? - ঋণাত্মক এক ইউনিট চার্জ

2. প্রোটনের চার্জ কত? - ধনাত্মক এক ইউনিট চার্জ

3. নিউট্রনের চার্জ কত? - নিরপেক্ষ

4. ইলেকট্রনের ভর কত? - প্রায় 9.11 × 10⁻³¹ কেজি

5. প্রোটনের ভর কত? - প্রায় 1.67 × 10⁻²⁷ কেজি

6. নিউট্রনের ভর কত? - প্রায় 1.675 × 10⁻²⁷ কেজি

7. কোন কণাটি অ্যাটমের কেন্দ্রে থাকে? - প্রোটন এবং নিউট্রন

8. কোন কণাটি অ্যাটমের কক্ষপথে ঘোরে? - ইলেকট্রন

9. ইলেকট্রনের আবিষ্কারক কে? - জে. জে. থমসন

10. প্রোটনের আবিষ্কারক কে? - আর্নেস্ট রাদারফোর্ড

11. নিউট্রনের আবিষ্কারক কে? - জেমস চাডউইক

12. ইলেকট্রনের ভরের তুলনা প্রোটনের সাথে কেমন? - প্রায় 1/1836 গুণ হালকা

13. প্রোটন কোন চার্জ বহন করে? - ধনাত্মক

14. নিউট্রন কোন চার্জ বহন করে? - শূন্য

15. মৌলিক কণার সংজ্ঞা কি? - যেকোনো উপাদানকে গঠনকারী ক্ষুদ্রতম কণার নাম

16. ইলেকট্রন কি ক্ষুদ্রতম কণার মধ্যে পড়ে? - হ্যাঁ

17. প্রোটন কি একটি মৌলিক কণার উদাহরণ? - না, এটি যৌগিক কণার অংশ

18. নিউক্লিয়াসে কোন কণাগুলি থাকে? - প্রোটন এবং নিউট্রন

19. ইলেকট্রনের চার্জ কি ধনাত্মক না ঋণাত্মক? - ঋণাত্মক

20. প্রোটনের ভরের তুলনা নিউট্রনের সাথে কেমন? - প্রায় সমান

21. নিউট্রনের ভরের তুলনা প্রোটনের সাথে কেমন? - প্রায় সমান

22. ইলেকট্রন কোন কক্ষপথে থাকে? - বৌহল কক্ষপথে

23. প্রোটনের কক্ষপথ কি? - নয়, এটি কেন্দ্রে থাকে

24. নিউট্রনের কক্ষপথ কি? - নয়, এটি কেন্দ্রে থাকে

25. ইলেকট্রনের আবিষ্কার কোন বছর? - 1897

26. প্রোটনের আবিষ্কার কোন বছর? - 1917

27. নিউট্রনের আবিষ্কার কোন বছর? - 1932

28. ইলেকট্রন কি মৌলিক কণার অংশ? - হ্যাঁ

29. প্রোটন কি মৌলিক কণার অংশ? - না

30. নিউট্রন কি মৌলিক কণার অংশ? - না

31. প্রোটন এবং নিউট্রনের সমষ্টিকে কি বলা হয়? - নিউক্লিয়াস

32. ইলেকট্রন কে ধরে রাখে? - বৈদ্যুতিক শক্তি এবং নেয়াম

33. মৌলিক কণার সংখ্যা নির্ধারণ করে কি? - অ্যাটমের বৈশিষ্ট্য

34. প্রোটনের সংখ্যা নির্ধারণ করে কি? - অ্যাটম সংখ্যা

35. নিউট্রনের সংখ্যা নির্ধারণ করে কি? - আইসোটোপ

36. ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণ করে কি? - আয়ন

37. মৌলিক কণার চার্জ একক কি? - কুলম্ব (C)

38. প্রোটন ও ইলেকট্রনের চার্জ সমান কি? - হ্যাঁ, মাত্রা সমান

39. নিউট্রন কত ধরনের কণার মধ্যে পড়ে? - নিউক্লিয়ার কণার

40. ইলেকট্রনের চার্জ ধনাত্মক না ঋণাত্মক? - ঋণাত্মক

41. প্রোটন কোন অংশে থাকে? - নিউক্লিয়াস

42. নিউট্রন কোন অংশে থাকে? - নিউক্লিয়াস

43. ইলেকট্রন ভরের তুলনা প্রোটনের সাথে? - প্রায় 1/1836 হালকা

44. মৌলিক কণার সংখ্যা নির্ধারণে কোন কণাটি গুরুত্বপূর্ণ? - প্রোটন

45. ইলেকট্রনের গতি কি ধ্রুব নয়? - হ্যাঁ, পরিবর্তনশীল

46. প্রোটনের ভরের একক কি? - কেজি

47. নিউট্রনের ভরের একক কি? - কেজি

48. ইলেকট্রনের আবিষ্কারক কোন দেশের বিজ্ঞানী? - ব্রিটিশ

49. প্রোটনের আবিষ্কারক কোন দেশের বিজ্ঞানী? - নিউজিল্যান্ড

50. নিউট্রনের আবিষ্কারক কোন দেশের বিজ্ঞানী? - ব্রিটিশ

EM Spectrum (Radio, Micro, Infrared, Visible, UV, X-ray, Gamma)

1. রেডিও তরঙ্গের দৈর্ঘ্য সাধারণত কত? - ১ মিটার থেকে ১০০০ কিলোমিটার।

2. রেডিও তরঙ্গ কোন ধরনের তরঙ্গ? - বৈদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ।

3. মাইক্রোওয়েভের দৈর্ঘ্য সীমা কত? - ১ মিলিমিটার থেকে ৩০ সেন্টিমিটার।

4. মাইক্রোওয়েভ সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়? - রেডার এবং কুকিং জন্য।

5. ইনফ্রারেড তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত? - ৭০০ ন্যানোমিটার থেকে ১ মিলিমিটার।

6. ইনফ্রারেড বিকিরণ মানুষ কীভাবে অনুভব করতে পারে? - তাপ হিসেবে।

7. দৃশ্যমান আলো কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে পড়ে? - ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার।

8. মানুষের চোখ কোন ধরনের EM তরঙ্গ দেখতে পারে? - দৃশ্যমান আলো।

9. আলট্রাভায়োলেট (UV) তরঙ্গের উৎস কী? - সূর্য।

10. UV বিকিরণ শরীরে কী প্রভাব ফেলে? - ভিটামিন ডি উৎপাদন এবং ত্বক ক্ষতি।

11. এক্স-রে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত? - ০.০১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার।

12. এক্স-রে সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়? - চিকিৎসা এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইমেজিং।

13. গামা রশ্মির উৎস কী? - নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায়।

14. গামা রশ্মি সবচেয়ে ক্ষতিকর কেন? - উচ্চ শক্তির কারণে।

15. EM Spectrum-এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গ কোনটি? - রেডিও তরঙ্গ।

16. EM Spectrum-এর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্র তরঙ্গ কোনটি? - গামা রশ্মি।

17. রেডিও তরঙ্গের ব্যবহার কোথায় বেশি? - টেলিযোগাযোগ এবং সম্প্রচার।

18. মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ফ্রিকোয়েন্সি সম্পর্ক কী? - দৈর্ঘ্য ছোট হলে ফ্রিকোয়েন্সি বেশি।

19. ইনফ্রারেড বিকিরণের প্রধান ব্যবহার কী? - রাতের ভিশন এবং তাপ সেন্সর।

20. দৃশ্যমান আলো কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়? - লাল।

21. দৃশ্যমান আলো কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট? - বেগুনি।

22. UV বিকিরণ মানুষের চোখে দৃশ্যমান কি? - না।

23. এক্স-রে কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে যেতে পারে? - হালকা পদার্থ যেমন ত্বক।

24. গামা রশ্মি কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়? - ক্যান্সার থেরাপি।

25. EM Spectrum কে কোন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করেন? - জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।

26. রেডিও তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি সীমা কত? - ৩ কিলোহার্জ থেকে ৩০ গিগাহার্জ।

27. মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? - খাদ্য গরম করা এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

28. ইনফ্রারেড রশ্মি কে প্রথম আবিষ্কার করেন? - উইলিয়াম হেরশেল।

29. IR রশ্মি কোন ধরনের জিনিস থেকে নির্গত হয়? - উষ্ণ বস্ত্র থেকে।

30. দৃশ্যমান আলো কোথায় ব্যবহার হয়? - লাইটিং এবং যোগাযোগে।

31. UV রশ্মি কোন আকারের জীবাণু হত্যা করতে সক্ষম? - ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস।

32. এক্স-রে প্রথমে কোন পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়? - হাড়ের ছবি তোলায়।

33. গামা রশ্মি কোন পদার্থকে সহজে পেরোতে পারে? - সীসা বা বেটার।

34. রেডিও তরঙ্গ কোন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়? - AM/FM সম্প্রচার।

35. মাইক্রোওয়েভ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কেন ব্যবহার হয়? - উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির কারণে।

36. ইনফ্রারেড রশ্মি রিমোট কন্ট্রোলের জন্য কেন ব্যবহার হয়? - নির্দেশ প্রেরণের জন্য।

37. দৃশ্যমান আলোকে কোনভাবে পৃথক করা যায়? - প্রিজম দিয়ে।

38. UV রশ্মি ত্বকে কোন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে? - সূর্য দাহ এবং বার্ধক্য।

39. এক্স-রে ও CT স্ক্যানের মধ্যে পার্থক্য কী? - CT স্ক্যান একাধিক এক্স-রে ছবি একত্র করে।

40. গামা রশ্মি কোন পদার্থে ব্যবহার হয়? - মেডিকেল ইমেজিং ও ক্যান্সার থেরাপি।

41. EM Spectrum-এর মধ্যে সবচেয়ে কম শক্তির তরঙ্গ কোনটি? - রেডিও।

42. EM Spectrum-এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্তির তরঙ্গ কোনটি? - গামা।

43. মাইক্রোওয়েভ রেডার কী কাজে ব্যবহৃত হয়? - জাহাজ এবং বিমান অবস্থান নির্ধারণ।

44. ইনফ্রারেড সেন্সর কোথায় ব্যবহার হয়? - অটো মোশন ডিটেকশন এবং তাপমাত্রা মাপায়।

45. দৃশ্যমান আলোর রঙগুলোর ক্রম কী? - বেগুনি, নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।

46. UV রশ্মি ফ্লুরোসেন্স কী তৈরি করে? - কিছু পদার্থকে জ্বলন্ত করে।

47. এক্স-রে বিকিরণ কোন শক্তির কারণে ক্ষতিকর? - আয়নিত শক্তি।

48. গামা রশ্মি কত প্রকারে পাওয়া যায়? - প্রায় এক ধরনের, নিউক্লিয়ার উৎস থেকে।

49. EM Spectrum-এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও ফ্রিকোয়েন্সি সম্পর্ক কী? - দৈর্ঘ্য বেশি হলে ফ্রিকোয়েন্সি কম।

50. EM Spectrum-এর সব তরঙ্গ কি শূন্য গতি ছাড়াও চলে? - না, তারা শূন্যে আলোর গতিতে চলে।

ব্যবহার ও গুরুত্ব

1. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন – হেনরিখ হার্টজ।

2. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের প্রকৃতি কী – আনুপ্রস্থ তরঙ্গ।

3. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ গঠিত হয় কিসে – দোলায়মান বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা।

4. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের বেগ কত – ৩×১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।

5. রেডিও তরঙ্গের প্রধান ব্যবহার কী – বেতার যোগাযোগে।

6. মাইক্রোওয়েভের ব্যবহার কোথায় – রাডার ও মাইক্রোওভেন যন্ত্রে।

7. ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহৃত হয় কোথায় – রিমোট কন্ট্রোল ও তাপ নির্ণয়ে।

8. অতিবেগুনি রশ্মির ব্যবহার কী – জীবাণুনাশক ও চিকিৎসায়।

9. এক্স-রে ব্যবহৃত হয় কেন – দেহের অভ্যন্তর পরীক্ষা করতে।

10. গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয় কোথায় – ক্যান্সার চিকিৎসায়।

11. দূরদর্শন সম্প্রচারে ব্যবহৃত তরঙ্গ কোনটি – মাইক্রোওয়েভ।

12. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কি মাধ্যম ছাড়াই চলতে পারে – হ্যাঁ, পারে।

13. ইনফ্রারেড রশ্মির অন্য নাম কী – তাপ রশ্মি।

14. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সর্বনিম্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গ কোনটি – রেডিও তরঙ্গ।

15. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সর্বাধিক শক্তিশালী তরঙ্গ কোনটি – গামা রশ্মি।

16. এক্স-রে কে আবিষ্কার করেন – ভিলহেল্ম কনরাড রন্টজেন।

17. গামা রশ্মি কে আবিষ্কার করেন – পল ভিলার্ড।

18. অতিবেগুনি রশ্মির প্রধান উৎস কী – সূর্য।

19. ইনফ্রারেড রশ্মির উৎস কী – উত্তপ্ত বস্তু।

20. রেডিও তরঙ্গ উৎপন্ন হয় কিসে – দোলায়মান বৈদ্যুতিক প্রবাহে।

21. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত চলে কোথায় – শূন্যে।

22. রাডারের পূর্ণরূপ কী – Radio Detection And Ranging।

23. এক্স-রে কোন প্রকার বিকিরণ – তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ।

24. গামা রশ্মি কোন প্রকার বিকিরণ – তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ।

25. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের দিক নির্ধারিত হয় কিসে – বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের লম্বে।

26. রেডিও তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত – কয়েক মিটার থেকে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত।

27. মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত – ১ মিলিমিটার থেকে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত।

28. গামা রশ্মি জীবজগতে কেমন প্রভাব ফেলে – ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

29. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের অস্তিত্বের প্রমাণ দেন কে – হেনরিখ হার্টজ।

30. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ কোথায় – যোগাযোগ ও চিকিৎসা প্রযুক্তিতে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা

1. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন – হাইনরিখ হার্টজ।

2. বেতার যোগাযোগের জনক কে – গুগ্লিয়েলমো মারকনি।

3. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি কত – ৩×১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।

4. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কোন মাধ্যম ছাড়াই চলতে পারে – শূন্যে।

5. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উৎপত্তি হয় – দোলায়মান আধান বা তড়িৎ প্রবাহ থেকে।

6. রেডিও তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত – ১ মিটার থেকে ১০⁴ মিটার পর্যন্ত।

7. টেলিভিশন সম্প্রচারে ব্যবহৃত তরঙ্গ – মাইক্রোওয়েভ।

8. মোবাইল ফোন যোগাযোগে ব্যবহৃত তরঙ্গ – মাইক্রোওয়েভ।

9. স্যাটেলাইট যোগাযোগে ব্যবহৃত তরঙ্গ – মাইক্রোওয়েভ।

10. ব্লুটুথ যোগাযোগে ব্যবহৃত তরঙ্গ – রেডিও তরঙ্গ।

11. ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহৃত হয় – টিভি রিমোট কন্ট্রোলে।

12. দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য – ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার।

13. আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির ব্যবহার – জীবাণু ধ্বংসে।

14. এক্স-রশ্মির ব্যবহার – চিকিৎসায় শরীরের অভ্যন্তরীণ ছবি তোলায়।

15. গামা রশ্মির ব্যবহার – ক্যান্সার চিকিৎসায়।

16. রেডিও তরঙ্গ আবিষ্কার করেন – হাইনরিখ হার্টজ।

17. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি কোন বস্তুর গতির সমান – আলোর গতির সমান।

18. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের দুইটি ক্ষেত্র – তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র।

19. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের প্রকারভেদ – রেডিও, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড, দৃশ্যমান, আল্ট্রাভায়োলেট, এক্স-রে, গামা রে।

20. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কে গণিতভাবে ব্যাখ্যা করেন – জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।

21. যোগাযোগ ব্যবস্থায় অ্যান্টেনার কাজ – তরঙ্গ প্রেরণ ও গ্রহণ।

22. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি নির্ভর করে – মাধ্যমের পারমিটিভিটি ও পারমিয়াবিলিটিতে।

23. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের শক্তি নির্ভর করে – তার ফ্রিকোয়েন্সির উপর।

24. রেডিও সম্প্রচার প্রথম শুরু করেন – গুগ্লিয়েলমো মারকনি।

25. অপটিক্যাল ফাইবারে ব্যবহৃত তরঙ্গ – ইনফ্রারেড তরঙ্গ।

26. ফ্রিকোয়েন্সি ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল – আলোর গতি।

27. টেলিকম যোগাযোগে ব্যবহৃত প্রধান তরঙ্গ – মাইক্রোওয়েভ।

28. স্যাটেলাইট যোগাযোগের প্রধান সুবিধা – বৃহৎ এলাকায় সিগন্যাল প্রেরণ।

29. রাডারে ব্যবহৃত তরঙ্গ – মাইক্রোওয়েভ।

30. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের দিক – তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র ও তরঙ্গের প্রসারণদিক পরস্পর লম্ব।

বিদ্যুৎবাতি, LED, টিউবলাইট

1. প্রথম বৈদ্যুতিক বাল্ব কে আবিষ্কার করেন – টমাস আলভা এডিসন।

2. বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে কোন গ্যাস ভরা থাকে – নাইট্রোজেন বা আর্গন।

3. বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরি হয় – টাংস্টেন দ্বারা।

4. টাংস্টেন ধাতুর গলনাঙ্ক প্রায় কত – ৩৪০০° সেলসিয়াস।

5. টাংস্টেনের প্রতিরোধ ক্ষমতা – বেশি।

6. সাধারণ বাল্বে আলো উৎপন্ন হয় – ফিলামেন্টের তাপ দ্বারা।

7. বৈদ্যুতিক বাল্বে ফিলামেন্ট জ্বললে কি হয় – আলো ও তাপ উৎপন্ন হয়।

8. LED শব্দের পূর্ণরূপ – Light Emitting Diode।

9. LED কোন নীতিতে কাজ করে – ইলেকট্রোলুমিনেসেন্স নীতিতে।

10. LED তৈরিতে ব্যবহৃত আধা-পরিবাহী পদার্থ – গ্যালিয়াম, আর্সেনিক, ফসফরাস ইত্যাদি।

11. LED-এর প্রধান সুবিধা – বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও দীর্ঘস্থায়ী।

12. LED-এর রঙ নির্ভর করে – ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের উপর।

13. LED-এর তাপ উৎপন্ন – খুবই কম।

14. LED বাতিতে ফিলামেন্ট থাকে কি – না।

15. LED-এর জীবনকাল প্রায় – ২৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ ঘণ্টা।

16. LED আলো উৎপন্ন করে – ইলেকট্রন ও হোলের পুনঃসংযোজনে।

17. প্রথম LED তৈরি করেন – নিক হোলোনিয়াক জুনিয়র (Nick Holonyak Jr)।

18. LED-এর সর্বাধিক ব্যবহৃত রঙ – সাদা।

19. টিউবলাইট কোন প্রকারের বাতি – গ্যাস ডিসচার্জ ল্যাম্প।

20. টিউবলাইটে ব্যবহৃত গ্যাস – আর্গন ও পারদের বাষ্প।

21. টিউবলাইটের ভিতরে পদার্থের প্রলেপ থাকে – ফ্লুরোসেন্ট পদার্থের।

22. টিউবলাইটে আলো উৎপন্ন হয় – অতিবেগুনি রশ্মি ফ্লুরোসেন্ট প্রলেপে পড়ে দৃশ্যমান আলো তৈরি করে।

23. টিউবলাইটে স্টার্টার ব্যবহারের উদ্দেশ্য – বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু করা।

24. টিউবলাইটে চোক বা ব্যালাস্টের কাজ – প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা।

25. টিউবলাইটের টিউব তৈরি – কাচ দ্বারা।

26. টিউবলাইটের দুই প্রান্তে থাকে – ইলেকট্রোড।

27. ফ্লুরোসেন্ট লাইটে পারদের ভূমিকা – অতিবেগুনি রশ্মি তৈরি করা।

28. টিউবলাইটের কার্যক্ষমতা সাধারণ বাল্বের তুলনায় – বেশি।

29. টিউবলাইটের আলো ঠান্ডা নাকি গরম – ঠান্ডা।

30. টিউবলাইটে কত ভোল্ট প্রয়োজন – প্রায় 220V।

31. টিউবলাইটে ব্যবহৃত স্টার্টার একটি – গ্যাসভর্তি ক্ষুদ্র টিউব।

32. ফ্লুরোসেন্ট বাতি আলো উৎপন্ন করে – ফ্লুরোসেন্স ক্রিয়ার মাধ্যমে।

33. LED বাতির রঙ পরিবর্তন করা যায় – হ্যাঁ, সহজেই যায়।

34. LED লাইট ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ – খুবই কম।

35. ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্বের কার্যক্ষমতা – খুবই কম (প্রায় ১০%)।

36. LED-এর তুলনায় ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্বের স্থায়িত্ব – অনেক কম।

37. সাধারণ বাল্বে কত ভোল্টে কাজ করে – 220V।

38. LED ব্যবহারের ফলে কোন প্রকার দূষণ কমে – তাপ ও বিদ্যুৎ অপচয় কমে।

39. টিউবলাইটের আলো উৎপন্ন করতে লাগে – পারদের বাষ্প ও ফ্লুরোসেন্ট পদার্থ।

40. LED-এর কাজের ভিত্তি – P-N জাংশন ডায়োড।

41. LED বাল্ব পরিবেশবান্ধব কি না – হ্যাঁ, পরিবেশবান্ধব।

42. LED বাতি কোন দিকের আলো দেয় – নির্দিষ্ট দিকনির্দেশে।

43. ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্বের প্রধান অসুবিধা – বিদ্যুৎ অপচয় ও কম স্থায়িত্ব।

44. LED বাতি গরম হয় কি – না, খুব সামান্য হয়।

45. টিউবলাইটে অতিবেগুনি রশ্মি তৈরি হয় – পারদের বাষ্প দ্বারা।

46. LED বাতির ভেতরে কোন গ্যাস থাকে – না, শূন্য বা কঠিন পদার্থের ভিতর কাজ করে।

47. LED লাইট প্রথম কবে ব্যবহার হয় – ১৯৬২ সালে।

48. টিউবলাইটের আলোর রঙ – সাদা বা হালকা নীলচে।

49. LED লাইটের সাধারণ কার্যক্ষমতা – প্রায় ৮০% বা তারও বেশি।

50. বিদ্যুৎবাতি আবিষ্কারের বছর – ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে।

হিটার, গিজার, প্রেস

1. বৈদ্যুতিক হিটার কোন প্রভাবে কাজ করে? – জুলের তাপ প্রভাবে

2. বৈদ্যুতিক হিটারের হিটিং এলিমেন্ট কোন পদার্থের তৈরি হয়? – নিক্রোম

3. নিক্রোম কোন ধাতুর সংকর ধাতু? – নিকেল ও ক্রোমিয়াম

4. বৈদ্যুতিক হিটারে তারটি সর্পিল আকারে প্যাঁচানো থাকে কেন? – তাপ উৎপাদনের ক্ষেত্রফল বাড়ানোর জন্য

5. বৈদ্যুতিক হিটার সাধারণত কোন প্রকার শক্তিকে তাপে রূপান্তর করে? – বৈদ্যুতিক শক্তি

6. বৈদ্যুতিক হিটারে তাপ উৎপন্ন হয় কোন সূত্রে? – H = I²Rt

7. বৈদ্যুতিক হিটার চালানোর সময় তারের রঙ লালচে হয় কেন? – অতিরিক্ত তাপে দীপ্তি লাভের জন্য

8. হিটারের রেজিস্ট্যান্স বেশি হলে কী হয়? – তাপ উৎপাদন কমে যায়

9. বৈদ্যুতিক হিটারের পাওয়ার নির্ভর করে কীসের উপর? – ভোল্টেজ ও কারেন্টের উপর

10. বৈদ্যুতিক হিটার কোন ধরনের শক্তি রূপান্তর যন্ত্র? – বৈদ্যুতিক শক্তিকে তাপে রূপান্তরকারী যন্ত্র

11. বৈদ্যুতিক গিজারের প্রধান কাজ কী? – পানি গরম করা

12. বৈদ্যুতিক গিজারে কোন প্রকার শক্তির রূপান্তর ঘটে? – বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে তাপে

13. গিজারের হিটিং কয়েল কোন পদার্থের তৈরি? – নিক্রোম

14. গিজারের ভেতরে কোন পদার্থ তাপ সঞ্চালনে সাহায্য করে? – পানি

15. গিজারে থার্মোস্ট্যাটের কাজ কী? – নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা

16. থার্মোস্ট্যাট কোন নীতিতে কাজ করে? – ধাতুর তাপজনিত সম্প্রসারণ নীতিতে

17. গিজারে পানি অতিরিক্ত গরম হলে কী হয়? – থার্মোস্ট্যাট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়

18. গিজারে সেফটি ভালভের কাজ কী? – অতিরিক্ত চাপ নির্গত করা

19. গিজারের বাইরের দেহ কোন পদার্থের তৈরি হয়? – স্টিল বা প্লাস্টিক

20. গিজারের অভ্যন্তরে তাপরোধক পদার্থ হিসেবে কী ব্যবহার হয়? – ফোম বা গ্লাস উল

21. বৈদ্যুতিক প্রেসের কাজ কী? – কাপড় ইস্ত্রি করা

22. প্রেসে কোন ধরনের শক্তি রূপান্তর ঘটে? – বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে তাপে

23. বৈদ্যুতিক প্রেসের হিটিং এলিমেন্ট কোন পদার্থের তৈরি? – নিক্রোম

24. প্রেসে থার্মোস্ট্যাট বসানো থাকে কেন? – তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য

25. প্রেসের নিচের ধাতব পৃষ্ঠটি কোন পদার্থের তৈরি হয়? – অ্যালুমিনিয়াম

26. প্রেসে কোন অংশটি তাপ পরিবাহক হিসেবে কাজ করে? – ধাতব তলা

27. প্রেসের থার্মোস্ট্যাট কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়? – নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পৌঁছালে

28. প্রেসে সূচক বাতি জ্বলে কেন? – প্রেস গরম হচ্ছে বোঝাতে

29. বৈদ্যুতিক প্রেসে অতিরিক্ত তাপ হলে কী ঘটে? – থার্মোস্ট্যাট সার্কিট খুলে দেয়

30. প্রেসের শর্ট সার্কিট হলে কী হতে পারে? – অগ্নিকাণ্ড

31. হিটার, গিজার ও প্রেস কোন প্রকার যন্ত্রের অন্তর্গত? – বৈদ্যুতিক তাপ উৎপাদক যন্ত্র

32. এই তিনটি যন্ত্র কোন সূত্রে কাজ করে? – জুলের সূত্রে

33. বৈদ্যুতিক শক্তিকে তাপে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে কী বলে? – রোধজনিত তাপ উৎপাদন

34. হিটার, গিজার ও প্রেসে যে সাধারণ উপাদান থাকে তা কী? – নিক্রোম তার

35. তাপ উৎপাদন নির্ভর করে কোন দুটি বিষয়ের উপর? – রোধ ও প্রবাহিত কারেন্ট

36. হিটারে তাপ বাড়াতে হলে কী করতে হয়? – রোধ কমাতে হয়

37. হিটারে কারেন্ট দ্বিগুণ করলে তাপ উৎপাদন কী হবে? – চারগুণ

38. বৈদ্যুতিক তাপযন্ত্রে প্রধান ঝুঁকি কী? – শর্ট সার্কিট বা অতিরিক্ত গরম হওয়া

39. হিটার বা গিজার ব্যবহারে তারের রঙ পরিবর্তনের কারণ কী? – তাপজনিত জারণ

40. নিক্রোম তারে তাপ উৎপন্ন হলেও এটি গলে না কেন? – এর গলনাঙ্ক বেশি

41. হিটার বা গিজার কোন ধরনের শক্তি রূপান্তর করে? – বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে তাপে

42. হিটারের রোধ বেশি হলে কী ঘটে? – কারেন্ট কমে যায়

43. গিজারে তাপ ক্ষতি রোধে কী ব্যবহার হয়? – তাপ নিরোধক স্তর

44. হিটার বা গিজারে তাপ পরিবাহক তরল কী? – পানি

45. বৈদ্যুতিক প্রেসের থার্মোস্ট্যাট কোন পদার্থের তৈরি? – বাইমেটাল স্ট্রিপ

46. হিটারের কার্যকারিতা নির্ভর করে কোন বিষয়ের উপর? – রোধ পদার্থের গুণের উপর

47. হিটার, গিজার ও প্রেসে যে তাপ পাওয়া যায় তা কোন শক্তি থেকে আসে? – বৈদ্যুতিক শক্তি

48. গিজারে পানি গরম হওয়ার সময় কি ধরনের প্রবাহ ঘটে? – প্রাবল্য প্রবাহ (Convection)

49. বৈদ্যুতিক তাপযন্ত্রে নিরাপত্তার জন্য কী ব্যবহার হয়? – ফিউজ

50. বৈদ্যুতিক হিটার, গিজার ও প্রেসে ব্যবহৃত তাপ উৎপাদন নীতি কে আবিষ্কার করেন? – জেমস প্রেসকট জুল

সেল, ব্যাটারি, পাওয়ারব্যাঙ্ক

1. সেলের আবিষ্কারক কে? – আলেসান্দ্রো ভোল্টা।

2. প্রথম বৈদ্যুতিক সেলের নাম কী? – ভোল্টায়িক সেল।

3. ভোল্টা সেল কবে আবিষ্কৃত হয়েছিল? – ১৮০০ সালে।

4. ড্রাই সেলে কোন ইলেকট্রোলাইট ব্যবহৃত হয়? – অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড।

5. ড্রাই সেলের ধনাত্মক ইলেকট্রোড কী দিয়ে তৈরি? – কার্বন (গ্রাফাইট) দিয়ে।

6. ড্রাই সেলের ঋণাত্মক ইলেকট্রোড কী? – দস্তা (Zinc)।

7. ড্রাই সেলের ভোল্টেজ কত? – প্রায় ১.৫ ভোল্ট।

8. লেড অ্যাসিড ব্যাটারিতে ইলেকট্রোলাইট কী? – সালফিউরিক অ্যাসিড।

9. লেড অ্যাসিড ব্যাটারির ধনাত্মক প্লেট কী দিয়ে তৈরি? – লেড ডাই অক্সাইড (PbO₂)।

10. লেড অ্যাসিড ব্যাটারির ঋণাত্মক প্লেট কী দিয়ে তৈরি? – সিসা (Pb)।

11. লেড অ্যাসিড ব্যাটারি কোথায় ব্যবহৃত হয়? – গাড়ির ব্যাটারি হিসেবে।

12. নিকেল-ক্যাডমিয়াম ব্যাটারির ইলেকট্রোলাইট কী? – পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH)।

13. লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি কোন ধরনের? – রিচার্জেবল ব্যাটারি।

14. লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির প্রধান সুবিধা কী? – উচ্চ শক্তি ঘনত্ব।

15. নন-রিচার্জেবল সেলকে কী বলে? – প্রাইমারি সেল।

16. রিচার্জেবল সেলকে কী বলে? – সেকেন্ডারি সেল।

17. ড্রাই সেল কোন ধরনের সেল? – প্রাইমারি সেল।

18. লেড অ্যাসিড ব্যাটারি কোন ধরনের সেল? – সেকেন্ডারি সেল।

19. একাধিক সেল একত্রে যুক্ত করলে কী তৈরি হয়? – ব্যাটারি।

20. ব্যাটারির ভোল্টেজ কীভাবে নির্ধারিত হয়? – সেলে সংখ্যার ওপর নির্ভর করে।

21. একটি সাধারণ মোবাইল ব্যাটারির ভোল্টেজ কত? – প্রায় ৩.৭ ভোল্ট।

22. লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি কোন যন্ত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়? – মোবাইল, ল্যাপটপ ও পাওয়ারব্যাঙ্কে।

23. পাওয়ারব্যাঙ্ক কী? – পোর্টেবল চার্জিং ডিভাইস।

24. পাওয়ারব্যাঙ্কে কোন ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়? – লিথিয়াম-আয়ন বা লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি।

25. পাওয়ারব্যাঙ্কের ক্ষমতা কোন এককে প্রকাশ করা হয়? – মিলিঅ্যাম্পিয়ার-ঘন্টা (mAh)।

26. ১০,০০০ mAh পাওয়ারব্যাঙ্ক মানে কী? – এটি ১০ অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট ১ ঘণ্টা দিতে পারে।

27. ব্যাটারির শক্তি মাপার একক কী? – ওয়াট-ঘণ্টা (Wh)।

28. ব্যাটারির ভোল্টেজের একক কী? – ভোল্ট (V)।

29. ব্যাটারির কারেন্টের একক কী? – অ্যাম্পিয়ার (A)।

30. ব্যাটারি চার্জার কী কাজে লাগে? – ডিসি কারেন্ট দিয়ে ব্যাটারি রিচার্জ করতে।

31. ব্যাটারি চার্জ হতে কোন ধরনের কারেন্ট লাগে? – ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC)।

32. প্রাথমিক সেল একবার ব্যবহারের পর – ফেলে দিতে হয়।

33. সেকেন্ডারি সেল – বারবার চার্জ দিয়ে ব্যবহার করা যায়।

34. সেল বা ব্যাটারি মূলত কোন শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে? – রাসায়নিক শক্তি।

35. ইলেকট্রিক ভেহিকেলে কোন ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়? – লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি।

36. নিকেল মেটাল হাইড্রাইড (NiMH) ব্যাটারি কোথায় ব্যবহৃত হয়? – ডিজিটাল ক্যামেরা ও হাইব্রিড গাড়িতে।

37. লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারির সুবিধা কী? – হালকা ও পাতলা হওয়া।

38. ব্যাটারির শক্তি ঘনত্ব মানে কী? – প্রতি ইউনিট ভরের শক্তি সংরক্ষণ ক্ষমতা।

39. ব্যবহৃত ব্যাটারি ফেলে দিলে কী সমস্যা হয়? – মাটি ও জলে দূষণ সৃষ্টি করে।

40. ব্যাটারির রিসাইক্লিং কেন প্রয়োজন? – পরিবেশ দূষণ কমাতে ও ধাতু পুনরুদ্ধারে।

41. ভোল্টমিটার দিয়ে কী মাপা হয়? – সেলের ভোল্টেজ।

42. অ্যামিটার দিয়ে কী মাপা হয়? – সার্কিটের কারেন্ট।

43. একটি সাধারণ ব্যাটারি কত সেল নিয়ে তৈরি হয়? – দুই বা ততোধিক সেল।

44. ব্যাটারির “mAh” যত বেশি – ব্যাটারির চার্জ তত বেশি থাকে।

45. একটি ব্যাটারির জীবদ্দশা নির্ভর করে – চার্জ-ডিসচার্জ চক্রের সংখ্যার ওপর।

46. ব্যাটারি অতিরিক্ত চার্জ করলে কী হয়? – ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

47. লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের সময় কী এড়ানো উচিত? – অতিরিক্ত গরম হওয়া।

48. পাওয়ারব্যাঙ্ক চার্জের ইনপুট কারেন্ট কত হয়? – সাধারণত ৫V, ২A।

49. পাওয়ারব্যাঙ্কের আউটপুট পোর্টের কারেন্ট কত হয়? – সাধারণত ৫V, ২.১A।

50. ব্যাটারি উদ্ভাবনের জন্য ভোল্টার নামেই বৈদ্যুতিক বিভবের একক “ভোল্ট” রাখা হয়েছে। – সত্য।

কম্পিউটার, মোবাইল, টেলিভিশন

1. কম্পিউটার কোন যন্ত্র? – গণনাকারী যন্ত্র।

2. কম্পিউটারের জনক কে? – চার্লস ব্যাবেজ।

3. প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি? – ENIAC।

4. CPU-এর পূর্ণরূপ কী? – Central Processing Unit।

5. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কাকে? – CPU-কে।

6. কম্পিউটারের জননী বলা হয় কাকে? – এডা লাভলেস।

7. কম্পিউটার শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে? – ল্যাটিন ভাষা থেকে।

8. কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ কী? – কীবোর্ড ও মাউস।

9. কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস কী? – মনিটর ও প্রিন্টার।

10. RAM-এর পূর্ণরূপ কী? – Random Access Memory।

11. ROM-এর পূর্ণরূপ কী? – Read Only Memory।

12. হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের মেমোরি? – Secondary Memory।

13. বিট (Bit) কী নির্দেশ করে? – Binary Digit।

14. বাইটে কয় বিট থাকে? – ৮ বিট।

15. অপারেটিং সিস্টেম কী? – কম্পিউটার পরিচালনাকারী সফটওয়্যার।

16. Windows কোন ধরনের সফটওয়্যার? – অপারেটিং সিস্টেম।

17. MS Word কোন ধরনের সফটওয়্যার? – অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

18. কম্পিউটারে ব্যবহৃত বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কী? – ০ ও ১।

19. মাদারবোর্ডে কোন অংশ থাকে? – CPU, RAM, ROM ইত্যাদি।

20. ইন্টারনেটের জনক কে? – ভিন্টন সর্ফ।

21. ই-মেইলের আবিষ্কারক কে? – রে টমলিনসন।

22. ওয়েব ব্রাউজার কী কাজ করে? – ওয়েব পেজ প্রদর্শন করে।

23. URL-এর পূর্ণরূপ কী? – Uniform Resource Locator।

24. HTTP-এর পূর্ণরূপ কী? – Hyper Text Transfer Protocol।

25. কম্পিউটার ভাইরাস কী? – ক্ষতিকর প্রোগ্রাম।

26. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কী কাজ করে? – ভাইরাস শনাক্ত ও নষ্ট করে।

27. Bluetooth কী? – স্বল্প দূরত্বের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি।

28. Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ কী? – Wireless Fidelity।

29. মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে? – মার্টিন কুপার।

30. প্রথম মোবাইল ফোন কোম্পানি কোনটি? – Motorola।

31. স্মার্টফোনে ব্যবহৃত প্রধান অপারেটিং সিস্টেম কোনটি? – Android।

32. iPhone কোন কোম্পানির তৈরি? – Apple।

33. IMEI নম্বর কী বোঝায়? – মোবাইলের ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর।

34. SIM-এর পূর্ণরূপ কী? – Subscriber Identity Module।

35. SMS-এর পূর্ণরূপ কী? – Short Message Service।

36. 4G-তে “G” কী বোঝায়? – Generation।

37. মোবাইল ক্যামেরার রেজোলিউশন কীভাবে মাপা হয়? – মেগাপিক্সেলে।

38. টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি কী? – স্পর্শে নিয়ন্ত্রিত পর্দা।

39. GPS-এর পূর্ণরূপ কী? – Global Positioning System।

40. Android-এর নির্মাতা কোম্পানি কোনটি? – Google।

41. টেলিভিশনের আবিষ্কারক কে? – জন লোগি বেয়ার্ড।

42. প্রথম টেলিভিশন কোন দেশে তৈরি হয়? – ইংল্যান্ডে।

43. টেলিভিশনে ছবি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি কী? – ক্যাথোড রে টিউব (CRT)।

44. LCD-এর পূর্ণরূপ কী? – Liquid Crystal Display।

45. LED-এর পূর্ণরূপ কী? – Light Emitting Diode।

46. Smart TV কী? – ইন্টারনেট সংযুক্ত টেলিভিশন।

47. Remote Control টিভিতে কাজ করে কীভাবে? – ইনফ্রারেড রশ্মির মাধ্যমে।

48. HDTV-এর পূর্ণরূপ কী? – High Definition Television।

49. Smart TV-তে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম কী হতে পারে? – Android।

50. DTH-এর পূর্ণরূপ কী? – Direct To Home।

51. টেলিভিশনে শব্দ সঞ্চালনের জন্য কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়? – রেডিও তরঙ্গ।

MRI, X-ray, CT-Scan, আল্ট্রাসাউন্ড

1. MRI-এর পূর্ণরূপ কী - Magnetic Resonance Imaging

2. X-ray-এর পূর্ণরূপ কী - X-radiation

3. CT-Scan-এর পূর্ণরূপ কী - Computed Tomography Scan

4. MRI যন্ত্রে কোন তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় - রেডিও তরঙ্গ

5. X-ray আবিষ্কার করেন কে - উইলহেল্ম কনরাড রন্টজেন

6. X-ray আবিষ্কৃত হয় কবে - ১৮৯৫ সালে

7. CT-Scan আবিষ্কার করেন কে - গডফ্রে হাউন্সফিল্ড ও অ্যালান করম্যাক

8. MRI যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে - রেমন্ড দামাডিয়ান

9. আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয় - অতিধ্বনি তরঙ্গ (Ultrasonic waves)

10. X-ray দ্বারা কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয় - এক্স রশ্মি

11. MRI-তে কোন উপাদানের নিউক্লিয়াসের উপর ভিত্তি করে চিত্র গঠিত হয় - হাইড্রোজেন

12. CT-Scan-এ কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয় - এক্স রশ্মি

13. MRI-তে কোন বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না - আয়নায়ন বিকিরণ

14. আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় কোন তরঙ্গ প্রতিফলনের মাধ্যমে চিত্র পাওয়া যায় - প্রতিধ্বনি তরঙ্গ

15. X-ray মূলত কোন ধরনের বিকিরণ - ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ

16. CT-Scan মূলত কোন কৌশলে কাজ করে - এক্স রশ্মি ও কম্পিউটার বিশ্লেষণ

17. MRI-তে কোন প্রকার শক্তিশালী ক্ষেত্র ব্যবহৃত হয় - চৌম্বক ক্ষেত্র

18. আল্ট্রাসাউন্ডে ব্যবহৃত তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি কতো - ২০,০০০ হার্জের বেশি

19. MRI পরীক্ষায় কোন ক্ষতি হয় না কারণ - আয়নায়ন বিকিরণ নেই

20. X-ray পরীক্ষায় শরীরের কোন অংশ দেখা যায় - হাড় ও ঘন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ

21. CT-Scan সাধারণত কোন রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় - মস্তিষ্ক, ফুসফুস, যকৃত প্রভৃতি রোগে

22. MRI প্রধানত কোন অংশের বিস্তারিত চিত্র দেয় - মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড ও নরম টিস্যু

23. আল্ট্রাসাউন্ড কোন কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় - গর্ভস্থ ভ্রূণের পরীক্ষা

24. X-ray চিত্র কালো-সাদা হয় কেন - রশ্মি শোষণের পার্থক্যের জন্য

25. CT-Scan-এর আরেক নাম কী - CAT Scan (Computed Axial Tomography)

26. X-ray ফিল্মে হাড় সাদা দেখা যায় কেন - হাড় রশ্মি শোষণ করে

27. MRI যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরির জন্য কী ব্যবহৃত হয় - সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাগনেট

28. আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনে কোন প্রোব ব্যবহৃত হয় - ট্রান্সডিউসার

29. X-ray পরীক্ষা কোন ধরনের বিকিরণ ঝুঁকি বহন করে - আয়নায়ন বিকিরণ ঝুঁকি

30. CT-Scan-এর চিত্র MRI-এর তুলনায় কেমন - কম বিস্তারিত কিন্তু দ্রুত

31. MRI পরীক্ষায় সময় লাগে কেন - উচ্চ রেজোলিউশনের জন্য একাধিক সিগন্যাল নিতে হয়

32. CT-Scan-এ এক্স রশ্মির উৎস কী - ঘূর্ণায়মান এক্স রে টিউব

33. MRI ও CT-Scan-এর মূল পার্থক্য কী - MRI চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে, CT এক্স রশ্মি ব্যবহার করে

34. আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় তরঙ্গ কীভাবে কাজ করে - প্রতিফলন ও প্রতিধ্বনি দ্বারা

35. X-ray সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কোন চিকিৎসায় - হাড় ভাঙা বা ফ্র্যাকচার নির্ণয়ে

36. MRI-এর ছবি কীভাবে তৈরি হয় - রেডিও সিগন্যাল কম্পিউটার বিশ্লেষণের মাধ্যমে

37. CT-Scan চিত্র ত্রিমাত্রিক হয় কেন - বহু কোণ থেকে চিত্র গ্রহণ করা হয়

38. MRI করার সময় ধাতব বস্তু কেন নিষিদ্ধ - চৌম্বক ক্ষেত্র আকর্ষণ করতে পারে

39. আল্ট্রাসাউন্ডে কন্ট্রাস্ট এজেন্ট কবে ব্যবহার করা হয় - রক্তপ্রবাহ বা অঙ্গের সূক্ষ্মতা দেখতে

40. X-ray কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ - প্রায় ০.০১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার

41. MRI যন্ত্রে ব্যবহৃত চৌম্বক ক্ষেত্রের শক্তি সাধারণত কতো - ১.৫ থেকে ৩ টেসলা

42. CT-Scan মেশিনের প্রধান অংশ কী - এক্স রে টিউব ও ডিটেক্টর

43. আল্ট্রাসাউন্ডে কোন পদার্থ শরীরে লাগানো হয় - জেল (conducting gel)

44. X-ray প্রথম চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় কবে - ১৮৯৬ সালে

45. MRI প্রযুক্তি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে শুরু করে কবে - ১৯৭৭ সালে

46. CT-Scan প্রথম ক্লিনিক্যাল ব্যবহৃত হয় কবে - ১৯৭১ সালে

47. MRI-র তুলনায় CT-Scan-এর খরচ - তুলনামূলক কম

48. আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার একটি বড় সুবিধা কী - কোনো বিকিরণ ঝুঁকি নেই

49. X-ray ফিল্মের কালো অংশ কী নির্দেশ করে - বেশি রশ্মি পাস হয়েছে

50. MRI পরীক্ষায় রোগীকে স্থির থাকতে হয় কেন - চিত্র বিকৃতি রোধ করতে