পদার্থবিদ্যা MCQ - physics mcq for competitive exams in bengali

পদার্থবিদ্যা MCQ - Physics MCQ for Competitive Exams in Bengali

পদার্থবিদ্যা (Physics)

বল (Force), নিউটনের সূত্র

1. বল কাকে বলে – কোনো বস্তুর গতির অবস্থা পরিবর্তন করার কারণকে বল বলে।

2. বলের এস.আই একক কী – নিউটন (Newton)।

3. ১ নিউটন বলের সংজ্ঞা কী – যদি ১ কেজি বস্তুকে ১ মিটার/সেকেন্ড² ত্বরণ দেওয়া যায় তবে প্রয়োগকৃত বল ১ নিউটন।

4. বলের মাত্রা কী – M¹L¹T⁻²।

5. বলের দিক নির্ভর করে কিসের উপর – প্রয়োগকৃত দিকের উপর।

6. নিউটনের প্রথম সূত্রকে আর কী বলে – জড়তার সূত্র (Law of Inertia)।

7. জড়তা কাকে বলে – কোনো বস্তুর তার গতির অবস্থা বজায় রাখার প্রবণতাকে জড়তা বলে।

8. নিউটনের প্রথম সূত্র কী বলে – কোনো বস্তুতে বহিঃবল প্রয়োগ না হলে তা স্থির বা অভিন্ন বেগে চলতে থাকে।

9. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র কী বলে – কোনো বস্তুর ত্বরণ প্রয়োগকৃত বলের সমানুপাতিক ও ভরের ব্যস্তানুপাতিক।

10. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের সমীকরণ কী – F = ma।

11. নিউটনের তৃতীয় সূত্র কী বলে – প্রত্যেক ক্রিয়ার বিপরীতে সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে।

12. নিউটনের তৃতীয় সূত্রের উদাহরণ কী – বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়ার সময় বন্দুকের পিছনে ঠেলা খাওয়া।

13. বলের ভেক্টর রাশি না স্কেলার রাশি – ভেক্টর রাশি।

14. মাধ্যাকর্ষণ বল কে প্রথম আবিষ্কার করেন – স্যার আইজাক নিউটন।

15. মাধ্যাকর্ষণ বল কিসের কারণে হয় – ভরের কারণে।

16. পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের মান কত – ৯.৮ মি/সেকেন্ড²।

17. ওজন কাকে বলে – পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের কারণে বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল বলকে ওজন বলে।

18. ওজনের একক কী – নিউটন।

19. ভর ও ওজনের পার্থক্য কী – ভর ধ্রুব, ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।

20. ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল কি একই বস্তুর উপর ক্রিয়া করে – না, ভিন্ন বস্তুর উপর ক্রিয়া করে।

21. বলের উপাংশ কয়টি – দুটি; আনুভূমিক ও উল্লম্ব।

22. ঘর্ষণ বল কাকে বলে – গতির বিরোধিতা করে যে বল কাজ করে তাকে ঘর্ষণ বলে।

23. ঘর্ষণ বল কোন বলের উদাহরণ – সংস্পর্শ বলের উদাহরণ।

24. অভিকর্ষ বল কোন বলের উদাহরণ – দূরত্বে ক্রিয়াশীল বলের উদাহরণ।

25. বলের দিক কীভাবে নির্ধারণ করা যায় – নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র দ্বারা।

26. ভরবেগ কাকে বলে – বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে ভরবেগ বলে।

27. ভরবেগের সূত্র কী – p = mv।

28. ভরবেগের একক কী – kg·m/s।

29. ভরবেগ একটি কিসের রাশি – ভেক্টর রাশি।

30. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র ভরবেগের পরিবর্তনের হারে কিসের সমান – প্রয়োগকৃত বলের সমান।

31. ভরবেগ সংরক্ষণ সূত্র কে দিয়েছিলেন – নিউটন।

32. ভরবেগ সংরক্ষণ সূত্র কী বলে – কোনো বাহ্যিক বল না থাকলে মোট ভরবেগ অপরিবর্তিত থাকে।

33. ঘর্ষণ বলের কারণ কী – অণুসমূহের অসামান্য পৃষ্ঠতল সংযোগ।

34. বল প্রয়োগে বস্তু কী লাভ করে – ত্বরণ।

35. ত্বরণের দিক কী – বলের দিকেই।

36. নিউটনের তৃতীয় সূত্রের প্রতিক্রিয়া বল কখন ঘটে – একই সময়ে।

37. বলের মাপের যন্ত্রের নাম কী – স্প্রিং ব্যালান্স।

38. বলের প্রভাবে বস্তুতে কী পরিবর্তন হয় – বেগ বা দিক পরিবর্তন হতে পারে।

39. স্থির অবস্থায় বলের মান কত – শূন্য।

40. বলের কোনো প্রভাব না থাকলে বস্তুর অবস্থা কী হবে – স্থির বা অভিন্ন গতিতে চলবে।

41. ওজনবিহীন অবস্থা কাকে বলে – অভিকর্ষ বল শূন্য হলে ওজনবিহীন অবস্থা হয়।

42. নিউটনের সূত্র মোট কয়টি – তিনটি।

43. মাধ্যাকর্ষণ বলের সূত্র কী – F = Gm₁m₂/r²।

44. মাধ্যাকর্ষণ ধ্রুবক G এর মান কত – 6.67 × 10⁻¹¹ Nm²/kg²।

45. নিউটন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন – ইংল্যান্ডে।

46. নিউটন কোন সালে ‘Principia’ প্রকাশ করেন – ১৬৮৭ সালে।

47. নিউটনের গতিসূত্র কিসের ভিত্তি – ধ্রুপদী বলবিদ্যা (Classical Mechanics)।

48. বলের পরিবর্তে যদি ঘর্ষণ না থাকে তাহলে কী হবে – বস্তু অনন্তকাল চলতে থাকবে।

49. ১ ডাইন = কত নিউটন – 10⁻⁵ নিউটন।

50. বল, ত্বরণ ও ভরের সম্পর্ক কেমন – F ∝ ma, অর্থাৎ বল ত্বরণের সমানুপাতিক।

ভর, ভরবেগ, গতি, ত্বরণ

1. ভরের একক কী? - কিলোগ্রাম (kg)

2. ভর কী? - কোনো বস্তুর মধ্যে পদার্থের পরিমাণকে ভর বলে।

3. ভর কার উপর নির্ভর করে? - বস্তুর মধ্যে পদার্থের পরিমাণের উপর।

4. ওজন কী? - কোনো বস্তুর উপর মহাকর্ষীয় বলকে ওজন বলে।

5. ভর ও ওজনের মধ্যে সম্পর্ক কী? - ওজন = ভর × মহাকর্ষীয় ত্বরণ (W = mg)

6. পৃথিবীতে g এর মান কত? - 9.8 m/s²

7. ভর ও ওজনের মধ্যে পার্থক্য কী? - ভর অপরিবর্তনীয়, ওজন পরিবর্তনশীল।

8. ভরের SI একক কী? - কিলোগ্রাম

9. ভরবেগ কী? - বস্তুর ভর ও গতির গুণফলকে ভরবেগ বলে।

10. ভরবেগের সূত্র কী? - p = mv

11. ভরবেগের SI একক কী? - kg·m/s

12. ভরবেগ একটি কী রাশি? - ভেক্টর রাশি

13. ভরবেগের দিক কী? - বস্তুর গতির দিকেই।

14. গতি কী? - সময়ের সাথে অবস্থানের পরিবর্তনকে গতি বলে।

15. গতি একটি কী রাশি? - ভেক্টর রাশি

16. গড় গতি কী? - মোট দূরত্ব ÷ মোট সময়

17. বেগ কী? - সময়ের সাথে অবস্থানের পরিবর্তন হার।

18. বেগের একক কী? - মিটার প্রতি সেকেন্ড (m/s)

19. ত্বরণ কী? - বেগের পরিবর্তন হারকে ত্বরণ বলে।

20. ত্বরণের সূত্র কী? - a = (v - u)/t

21. ত্বরণের SI একক কী? - m/s²

22. শূন্য ত্বরণ মানে কী? - বেগ অপরিবর্তিত।

23. ধনাত্মক ত্বরণ মানে কী? - বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

24. ঋণাত্মক ত্বরণ মানে কী? - বেগ হ্রাস পাচ্ছে।

25. সমবেগী গতি কী? - সমান সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করা।

26. অসমবেগী গতি কী? - অসমান সময়ে অসমান দূরত্ব অতিক্রম করা।

27. বেগের সূত্র কী? - বেগ = দূরত্ব / সময়

28. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রে কী বোঝানো হয়েছে? - বল = ভর × ত্বরণ (F = ma)

29. ভরবেগ সংরক্ষণ সূত্র কী বলে? - কোনো বাহ্যিক বল না থাকলে মোট ভরবেগ অপরিবর্তিত থাকে।

30. ভরবেগের পরিবর্তনের হার কিসের সমান? - প্রয়োগিত বলের সমান।

31. স্থির বস্তুর ভরবেগ কত? - শূন্য

32. গতিশক্তি কিসের উপর নির্ভর করে? - ভর ও বেগের উপর।

33. গতিশক্তির সূত্র কী? - ½ mv²

34. যদি বেগ দ্বিগুণ হয় তবে গতিশক্তি কতগুণ হবে? - চারগুণ

35. কোনো বস্তুর ভর দ্বিগুণ করলে ভরবেগ কী হবে? - দ্বিগুণ

36. বেগ দ্বিগুণ করলে ভরবেগ কী হবে? - দ্বিগুণ

37. ত্বরণের দিক কী? - বেগ পরিবর্তনের দিকেই।

38. সমবেগী ত্বরণ কী? - সমান সময়ে সমান বেগ পরিবর্তন।

39. আপেক্ষিক বেগ কী? - এক বস্তুর অপর বস্তুর প্রতি বেগ।

40. শূন্য ত্বরণে গতি কেমন হয়? - সমবেগী গতি।

41. বল, ভর ও ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক কী? - F = ma

42. বস্তুর ওজন কোথায় সর্বাধিক? - মেরু অঞ্চলে

43. বস্তুর ওজন কোথায় সর্বনিম্ন? - বিষুবরেখায়

44. ওজনের একক কী? - নিউটন (N)

45. এক নিউটন বল মানে কী? - 1 kg ভরকে 1 m/s² ত্বরণ দিতে যে বল প্রয়োজন।

46. বলের SI একক কী? - নিউটন

47. গতি, বেগ ও ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক কী? - গতি → বেগ → ত্বরণ (ক্রমিক নির্ভরতা)

48. সমবেগী সরলরেখীয় গতি কাকে বলে? - সরল পথে সমবেগে চলা গতি।

49. বেগ ও ত্বরণ একই দিকে থাকলে কী ঘটে? - বেগ বৃদ্ধি পায়।

50. বেগ ও ত্বরণ বিপরীত দিকে থাকলে কী ঘটে? - বেগ হ্রাস পায়।

51. গতি-ত্বরণের সমীকরণ কতটি? - তিনটি

52. প্রথম গতি সমীকরণ কী? - v = u + at

53. দ্বিতীয় গতি সমীকরণ কী? - s = ut + ½ at²

54. তৃতীয় গতি সমীকরণ কী? - v² = u² + 2as

55. মুক্তপতন কী? - শুধু মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পতন।

56. মুক্তপতনে প্রাপ্ত ত্বরণ কী? - g (9.8 m/s²)

57. বায়ু প্রতিরোধ না থাকলে হালকা ও ভারী বস্তু কি একসাথে পড়ে? - হ্যাঁ

58. মহাকর্ষীয় ত্বরণ কিসের উপর নির্ভর করে? - পৃথিবীর ভর ও ব্যাসার্ধের উপর।

59. বস্তুর ওজন কেন চাঁদে কম? - চাঁদের মহাকর্ষ পৃথিবীর ১/৬ ভাগ।

60. ত্বরণ যদি শূন্য হয় তবে বল কেমন হবে? - শূন্য।

কাজ (Work), শক্তি (Energy), ক্ষমতা (Power)

1. কাজ বলতে কী বোঝায়? – বল প্রয়োগের ফলে যদি কোনো বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন হয় তাকে কাজ বলে।

2. কাজের SI একক কী? – জুল (Joule)।

3. ১ জুল কাজ কাকে বলে? – ১ নিউটন বল প্রয়োগে বস্তুর অবস্থান ১ মিটার পরিবর্তিত হলে।

4. বল ও স্থানান্তরের গুণফল কী? – কাজ।

5. যদি স্থানান্তর না হয় তবে কাজের মান কত? – শূন্য।

6. বল ও স্থানান্তর পরস্পর লম্ব হলে কাজের মান কেমন হয়? – শূন্য।

7. বল ও স্থানান্তর একই দিকে হলে কাজ কেমন হয়? – ধনাত্মক কাজ।

8. বল ও স্থানান্তর বিপরীত দিকে হলে কাজ কেমন হয়? – ঋণাত্মক কাজ।

9. ১ জুল সমান কত আর্গ? – ১০⁷ আর্গ।

10. CGS এককে কাজের একক কী? – আর্গ।

11. ১ কিলোজুল সমান কত জুল? – ১০০০ জুল।

12. যান্ত্রিক শক্তি কাকে বলে? – গতিশক্তি ও বিভবশক্তির যোগফলকে যান্ত্রিক শক্তি বলে।

13. শক্তির SI একক কী? – জুল।

14. শক্তির CGS একক কী? – আর্গ।

15. গতিশক্তি কাকে বলে? – কোনো বস্তুর গতির কারণে যে শক্তি থাকে তাকে গতিশক্তি বলে।

16. বিভবশক্তি কাকে বলে? – কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে যে শক্তি থাকে তাকে বিভবশক্তি বলে।

17. গতিশক্তির সূত্র কী? – ½mv²।

18. বিভবশক্তির সূত্র কী? – mgh।

19. গতিশক্তি কার উপর নির্ভর করে? – বস্তুর ভর ও বেগের উপর।

20. বিভবশক্তি কার উপর নির্ভর করে? – ভর, উচ্চতা ও মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণের উপর।

21. ক্ষমতা কাকে বলে? – একক সময়ে সম্পন্ন কাজের হারকে ক্ষমতা বলে।

22. ক্ষমতার SI একক কী? – ওয়াট (Watt)।

23. ১ ওয়াট সমান কত জুল/সেকেন্ড? – ১ জুল/সেকেন্ড।

24. ক্ষমতার বৃহত্তর একক কী? – কিলোওয়াট (kW)।

25. ১ কিলোওয়াট সমান কত ওয়াট? – ১০০০ ওয়াট।

26. ১ হর্স পাওয়ার (H.P) সমান কত ওয়াট? – ৭৪৬ ওয়াট।

27. শক্তির নিত্যতা সূত্র কে দিয়েছিলেন? – জুল।

28. শক্তির নিত্যতা সূত্র কী বলে? – শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, কেবল রূপান্তরিত হয়।

29. যান্ত্রিক শক্তি সংরক্ষিত থাকে কোন ক্ষেত্রে? – ঘর্ষণহীন অবস্থায়।

30. উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বিভবশক্তি কীভাবে পরিবর্তিত হয়? – বৃদ্ধি পায়।

31. বস্তুর গতি বৃদ্ধি পেলে গতিশক্তি কীভাবে পরিবর্তিত হয়? – বৃদ্ধি পায়।

32. শক্তি রূপান্তরের একটি উদাহরণ দাও – বৈদ্যুতিক পাখায় বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে গতিশক্তি।

33. বাল্বে কোন শক্তি রূপান্তর ঘটে? – বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে আলোক ও তাপ শক্তি।

34. জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোন শক্তি রূপান্তর ঘটে? – বিভবশক্তি থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি।

35. ডাইনামো কী কাজ করে? – যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

36. বৈদ্যুতিক মোটর কী কাজ করে? – বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

37. সূর্য থেকে আসা শক্তির প্রধান রূপ কী? – আলোক ও তাপ শক্তি।

38. মানুষের দেহে কোন শক্তি ব্যবহার হয়? – রাসায়নিক শক্তি।

39. জ্বালানি পুড়লে কোন শক্তি উৎপন্ন হয়? – তাপ শক্তি।

40. বায়ুশক্তি কোন শক্তির রূপান্তর? – গতিশক্তি।

41. শক্তির পরিমাপক যন্ত্রের নাম কী? – ক্যালোরিমিটার।

42. ১ কিলোক্যালরি সমান কত জুল? – ৪১৮৬ জুল।

43. ক্ষমতা মাপার যন্ত্রের নাম কী? – ওয়াটমিটার।

44. যদি কোনো কাজ করতে সময় কম লাগে তবে ক্ষমতা কেমন হবে? – বেশি হবে।

45. যদি কাজের পরিমাণ একই থাকে কিন্তু সময় বেশি লাগে তবে ক্ষমতা কেমন হবে? – কম হবে।

46. শক্তির বাণিজ্যিক একক কী? – কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh)।

47. ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা সমান কত জুল? – ৩.৬ × ১০⁶ জুল।

48. ১ ইউনিট বিদ্যুৎ বলতে কী বোঝায়? – ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।

49. বল যদি স্থানান্তরের দিকে θ কোণে ক্রিয়াশীল হয় তবে কাজের মান কত? – F·S·cosθ।

50. কাজের হার কাকে বলে? – ক্ষমতা।

51. যান্ত্রিক সুবিধা কী? – আউটপুট বল ও ইনপুট বলের অনুপাত।

52. দক্ষতা কাকে বলে? – প্রাপ্ত কাজ ও প্রয়োগকৃত কাজের অনুপাত।

53. শতকরা দক্ষতার সূত্র কী? – (প্রাপ্ত কাজ / প্রয়োগকৃত কাজ) × 100।

54. যে যন্ত্র শক্তি সঞ্চয় করে তাকে কী বলে? – ব্যাটারি।

55. শক্তি পরিবর্তনের উদাহরণ দাও – সৌর ক্যালকুলেটরে সূর্যালোক থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি।

56. চলন্ত গাড়ির কোন শক্তি থাকে? – গতিশক্তি।

57. উচ্চে তোলা পাথরের কোন শক্তি থাকে? – বিভবশক্তি।

58. রকেট উৎক্ষেপণের সময় কোন শক্তি রূপান্তর ঘটে? – রাসায়নিক শক্তি থেকে গতিশক্তি।

59. ঘর্ষণ শক্তি সাধারণত কোন কাজ করে? – ঋণাত্মক কাজ।

60. যান্ত্রিক শক্তির একক কী? – জুল।

61. যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করেও কোনো স্থানান্তর না হয় তবে – কাজ শূন্য।

62. মাধ্যাকর্ষণ বল দ্বারা সম্পন্ন কাজ নির্ভর করে কার উপর? – বস্তুর উচ্চতা পরিবর্তনের উপর।

63. সময় কমিয়ে কাজ সম্পন্ন করলে – ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

ঘর্ষণ

1. ঘর্ষণ কী? – দুটি বস্তুর সংস্পর্শে গতির প্রতিবন্ধক বলকে ঘর্ষণ বলে।

2. ঘর্ষণ বলের দিক কেমন হয়? – গতির বিপরীত দিকে।

3. ঘর্ষণ বল কিসের উপর নির্ভর করে? – পৃষ্ঠের প্রকৃতি ও লম্ব বলের উপর।

4. ঘর্ষণ বলের একক কী? – নিউটন (N)।

5. ঘর্ষণ বল কোন প্রকার বল? – সংস্পর্শ বল।

6. ঘর্ষণ সর্বাধিক কোথায় ঘটে? – রুক্ষ পৃষ্ঠে।

7. ঘর্ষণ সর্বনিম্ন কোথায় ঘটে? – মসৃণ পৃষ্ঠে।

8. স্থির ঘর্ষণ কী? – কোনো বস্তু চলার আগে যে ঘর্ষণ কাজ করে তাকে স্থির ঘর্ষণ বলে।

9. গতি ঘর্ষণ কী? – চলন্ত বস্তুর উপর যে ঘর্ষণ কাজ করে তাকে গতি ঘর্ষণ বলে।

10. ঘূর্ণন ঘর্ষণ কী? – ঘূর্ণায়মান বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল ঘর্ষণকে ঘূর্ণন ঘর্ষণ বলে।

11. স্থির ঘর্ষণ সর্বাধিক কেন? – কারণ স্থির অবস্থায় পরমাণুগুলোর আন্তঃআকর্ষণ বল বেশি থাকে।

12. গতি ঘর্ষণ সর্বদা – স্থির ঘর্ষণের চেয়ে কম।

13. ঘর্ষণ কমাতে কী ব্যবহার করা হয়? – লুব্রিকেন্ট বা তৈল।

14. ঘর্ষণ বাড়াতে কী করা হয়? – পৃষ্ঠকে রুক্ষ করা হয়।

15. ঘর্ষণ না থাকলে কি সম্ভব? – হাঁটা, লেখা, গাড়ি চালানো অসম্ভব।

16. গাড়ির টায়ারে খাঁজ দেওয়া থাকে কেন? – ঘর্ষণ বাড়ানোর জন্য।

17. ঘর্ষণ বলের প্রতীক কী? – f।

18. ঘর্ষণ বলের সূত্র কী? – f = μN।

19. μ দ্বারা কী বোঝায়? – ঘর্ষণ গুণাঙ্ক।

20. ঘর্ষণ গুণাঙ্কের একক কী? – এককবিহীন (dimensionless)।

21. ঘর্ষণ গুণাঙ্কের মান কত হয়? – সর্বদা ০ থেকে ১ এর মধ্যে।

22. ঘর্ষণ বল কি কাজ করে? – হ্যাঁ, এটি ঋণাত্মক কাজ করে।

23. ঘর্ষণ কমানোর জন্য কোন বল ব‍্যবহার করা হয়? – লুব্রিকেশন বল।

24. তেল বা গ্রীস কেন মেশিনে ব্যবহার করা হয়? – ঘর্ষণ কমানোর জন্য।

25. বলবেয়ারিং ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী? – ঘূর্ণন ঘর্ষণ কমানো।

26. হাঁটা সম্ভব হয় কেন? – পায়ের সাথে ভূমির ঘর্ষণ বলের জন্য।

27. লেখা সম্ভব হয় কেন? – কলম ও কাগজের মধ্যে ঘর্ষণের জন্য।

28. গাড়ির ব্রেক কাজ করে কীভাবে? – ঘর্ষণ বলের সাহায্যে।

29. মসৃণ পৃষ্ঠে ঘর্ষণ বল কীভাবে পরিবর্তিত হয়? – ঘর্ষণ বল কমে যায়।

30. ঘর্ষণ বল কার উপর নির্ভর করে না? – সংস্পর্শ ক্ষেত্রফলের উপর।

31. স্থির ঘর্ষণের মান কীভাবে পরিবর্তিত হয়? – প্রয়োগিত বল বৃদ্ধির সঙ্গে বৃদ্ধি পায়।

32. গতি ঘর্ষণের মান কীভাবে পরিবর্তিত হয়? – প্রায় ধ্রুব থাকে।

33. ঘর্ষণ গুণাঙ্ককে ইংরেজিতে কী বলে? – Coefficient of Friction।

34. স্থির ঘর্ষণ গুণাঙ্কের মান – গতি ঘর্ষণ গুণাঙ্কের চেয়ে বেশি।

35. ঘর্ষণ শক্তির ক্ষতি ঘটায় কেন? – তাপ উৎপন্ন করে শক্তির অপচয় ঘটায়।

36. রাবার ও রাস্তার মধ্যে ঘর্ষণ কেমন? – বেশি।

37. বরফ ও জুতার মধ্যে ঘর্ষণ কেমন? – খুব কম।

38. বরফের উপর হাঁটা কঠিন কেন? – ঘর্ষণ কম থাকার জন্য।

39. বালির উপর হাঁটা সহজ কেন? – ঘর্ষণ বেশি থাকার জন্য।

40. ঘর্ষণ বলের প্রয়োজনীয়তা কী? – চলাচল, ধারণ ও স্থিতিশীলতা প্রদান করে।

41. ঘর্ষণ না থাকলে কি হতো? – কোনো বস্তুকে স্থির রাখা যেত না।

42. ঘর্ষণের কারণে মেশিনে কী হয়? – শক্তির অপচয় ও ক্ষয় বৃদ্ধি পায়।

43. ঘর্ষণ কমাতে বায়ুবাহিত যান কী ব্যবহার করে? – মসৃণ বডি ও বায়ুগত আকৃতি।

44. ঘর্ষণ বল কি সর্বদা ক্ষতিকর? – না, এটি অনেক সময় উপকারীও।

45. ঘর্ষণ কোথায় উপকারী? – ব্রেকিং, হাঁটা, লেখা, ধরা ইত্যাদিতে।

46. ঘর্ষণ কোথায় ক্ষতিকর? – যন্ত্রাংশে শক্তি ক্ষয় ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।

47. ঘর্ষণের কারণে কোন ধরণের শক্তি উৎপন্ন হয়? – তাপ শক্তি।

48. ঘর্ষণ কীভাবে পরিমাপ করা হয়? – স্প্রিং ব্যালেন্স দ্বারা।

49. ঘর্ষণ গুণাঙ্কের প্রতীক – μ (মিউ)।

50. ঘর্ষণের গবেষক কে? – লিওনার্দো দা ভিঞ্চি প্রথম ঘর্ষণ নিয়ে গবেষণা করেন।

51. ঘর্ষণের সূত্র কে প্রদান করেন? – আমন্টন ও কুলম্ব।

বৃত্তীয় গতি (Circular Motion), কেন্দ্রাভিমুখী বল

1. বৃত্তাকার পথে কোনো বস্তুর গতি কী নামে পরিচিত? – বৃত্তীয় গতি।

2. বৃত্তীয় গতি সম্পন্ন বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল বলকে কী বলে? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

3. বৃত্তীয় গতি বজায় রাখতে কোন বল প্রয়োজন? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

4. কেন্দ্রাভিমুখী বল কোন দিকে ক্রিয়া করে? – বৃত্তের কেন্দ্রের দিকে।

5. বৃত্তীয় গতি সম্পন্ন বস্তুর উপর সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া বলকে কী বলে? – কেন্দ্রবিমুখ বল।

6. কেন্দ্রবিমুখ বল বাস্তব না কাল্পনিক? – কাল্পনিক।

7. একটি গাড়ি যখন বাঁক নেয়, তখন কোন বল তাকে বাঁক নিতে সাহায্য করে? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

8. গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে কোন বলের প্রভাবে? – কেন্দ্রাভিমুখী বলের প্রভাবে।

9. কেন্দ্রাভিমুখী বলের সূত্র কী? – F = mv²/r।

10. এখানে F মানে কী? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

11. বৃত্তীয় গতিতে ‘m’ কী বোঝায়? – বস্তুর ভর।

12. বৃত্তীয় গতিতে ‘v’ কী বোঝায়? – বস্তুর বেগ।

13. বৃত্তীয় গতিতে ‘r’ কী বোঝায়? – বৃত্তের ব্যাসার্ধ।

14. কেন্দ্রাভিমুখী বলের একক কী? – নিউটন (N)।

15. কেন্দ্রাভিমুখী ত্বরণের সূত্র কী? – a = v²/r।

16. বৃত্তীয় গতির কেন্দ্রাভিমুখী ত্বরণ কোন দিকে? – বৃত্তের কেন্দ্রের দিকে।

17. যদি বেগ দ্বিগুণ হয়, কেন্দ্রাভিমুখী বল কী হবে? – চারগুণ হবে।

18. যদি ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হয়, কেন্দ্রাভিমুখী বল কী হবে? – অর্ধেক হবে।

19. পৃথিবীর চারপাশে উপগ্রহের গতিকে কী বলে? – বৃত্তীয় গতি।

20. পৃথিবীর আকর্ষণ শক্তি উপগ্রহের জন্য কোন বলের কাজ করে? – কেন্দ্রাভিমুখী বলের।

21. বৃত্তীয় গতিতে বেগ অপরিবর্তিত থাকলেও কী পরিবর্তিত হয়? – বেগের দিক পরিবর্তিত হয়।

22. কেন্দ্রাভিমুখী বলের বিপরীতে ক্রিয়াশীল বল কী? – কেন্দ্রবিমুখ বল।

23. কেন্দ্রবিমুখ বল কোন দিকে ক্রিয়া করে? – বৃত্তের কেন্দ্রের বিপরীত দিকে।

24. একটি দড়িতে বাঁধা পাথর ঘোরালে দড়ির টান কোন বলের উদাহরণ? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

25. গাড়ি বাঁক নেওয়ার সময় স্লিপ না করতে কী দরকার? – পর্যাপ্ত ঘর্ষণ বল।

26. ঘর্ষণ বল বাঁক নেওয়ার সময় কোন বলের কাজ করে? – কেন্দ্রাভিমুখী বলের।

27. যদি ঘর্ষণ বল কমে যায়, গাড়ি কোন দিকে স্লিপ করবে? – বাইরে দিকে।

28. কেন্দ্রবিমুখ বলের মান কত? – mv²/r (কেন্দ্রাভিমুখী বলের সমান)।

29. ঘূর্ণন গতি কাকে বলে? – কোনো অক্ষের চারপাশে বস্তুর গতি।

30. চাঁদের পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণন কোন বলের কারণে? – কেন্দ্রাভিমুখী বলের কারণে।

31. কেন্দ্রাভিমুখী বল না থাকলে বস্তুর গতি কেমন হবে? – স্পর্শক বরাবর সরলরেখায় যাবে।

32. উপগ্রহকে কক্ষপথে রাখে কোন বল? – পৃথিবীর মহাকর্ষ বল।

33. বৃত্তীয় গতিতে বেগের মান অপরিবর্তিত থাকে কিনা? – থাকে, কিন্তু দিক পরিবর্তিত হয়।

34. যে বল বস্তুকে বৃত্তের কেন্দ্রের দিকে টানে, তাকে কী বলে? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

35. একটি দড়িতে বাঁধা পাথর কেটে দিলে পাথর কোন দিকে যায়? – স্পর্শক বরাবর সরলরেখায়।

36. রেললাইনের বাঁকে বাইরের দিকের রেল উঁচু কেন রাখা হয়? – কেন্দ্রাভিমুখী বলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য।

37. বিমান বাঁক নেওয়ার সময় কোন বল সাহায্য করে? – কেন্দ্রাভিমুখী বল।

38. ঘূর্ণায়মান চাকায় কাদা বাইরে ছিটে যায় কেন? – কেন্দ্রবিমুখ বলের কারণে।

39. ঘূর্ণনরত দেহের ভার কমে যায় কোথায়? – বিষুবরেখায়।

40. বৃত্তীয় গতির উদাহরণ কী? – সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর গতি।

41. কেন্দ্রাভিমুখী বলের উৎস কী হতে পারে? – টান, ঘর্ষণ বা মহাকর্ষ।

42. কেন্দ্রাভিমুখী ত্বরণের একক কী? – মিটার প্রতি সেকেন্ড² (m/s²)।

43. একটি গাড়ি বাঁক নেওয়ার সময় কোন বল তাকে বাইরে ঠেলে দেয় বলে মনে হয়? – কেন্দ্রবিমুখ বল।

44. বৃত্তীয় গতির জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত কী? – বেগ ধ্রুব ও কেন্দ্রাভিমুখী বলের উপস্থিতি।

45. পৃথিবী সূর্যকে ঘোরে কেন? – সূর্যের মহাকর্ষীয় কেন্দ্রাভিমুখী বলের কারণে।

46. যে গতি সমান ব্যাসার্ধ ও সমান বেগে হয়, তাকে কী বলে? – সমবেগ বৃত্তীয় গতি।

47. সমবেগ বৃত্তীয় গতিতে কোনটি পরিবর্তিত হয় না? – বেগের মান।

48. সমবেগ বৃত্তীয় গতিতে কোনটি পরিবর্তিত হয়? – বেগের দিক।

49. বৃত্তীয় গতির জন্য বল ও ত্বরণ কোন দিকে থাকে? – কেন্দ্রের দিকে।

50. বৃত্তীয় গতি কোন ধরণের গতি? – ত্বরণযুক্ত গতি।

সরল ছন্দিত স্পন্দন (Simple Harmonic Motion)

1. সরল ছন্দিত স্পন্দন কাকে বলে? → যে গতি সমানুপাতিক পুনঃস্থাপন বলের কারণে ঘটে তাকে সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে।

2. সরল ছন্দিত স্পন্দনের উদাহরণ কী? → দোলকের গতি।

3. সরল ছন্দিত স্পন্দনে পুনঃস্থাপন বল কিসের সমানুপাতিক? → বিচ্যুতির সমানুপাতিক।

4. সরল ছন্দিত স্পন্দনের পুনঃস্থাপন বলের দিক কেমন? → ভারসাম্য অবস্থানের দিকে।

5. সরল ছন্দিত স্পন্দনের সমীকরণ কী? → a = -ω² x

6. সরল ছন্দিত স্পন্দনে ত্বরণ কিসের উপর নির্ভর করে? → বিচ্যুতি ও কৌণিক বেগের উপর।

7. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বেগের মান সর্বাধিক কোথায়? → ভারসাম্য অবস্থানে।

8. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বেগের মান শূন্য কোথায়? → চূড়ান্ত বিন্দুতে।

9. সরল ছন্দিত স্পন্দনে ত্বরণের মান সর্বাধিক কোথায়? → চূড়ান্ত বিন্দুতে।

10. সরল ছন্দিত স্পন্দনে ত্বরণের মান শূন্য কোথায়? → ভারসাম্য অবস্থানে।

11. সরল ছন্দিত স্পন্দনের কৌণিক বেগের প্রতীক কী? → ω

12. সরল ছন্দিত স্পন্দনের কৌণিক বেগের সূত্র কী? → ω = √(k/m)

13. সরল ছন্দিত স্পন্দনের কালপর্বের সূত্র কী? → T = 2π √(m/k)

14. সরল দোলকের কালপর্বের সূত্র কী? → T = 2π √(l/g)

15. সরল ছন্দিত স্পন্দনের কম্পাঙ্কের সূত্র কী? → f = (1/2π) √(k/m)

16. সরল ছন্দিত স্পন্দনে স্থানচ্যুতি শূন্য হলে বেগ কেমন? → সর্বাধিক

17. সরল ছন্দিত স্পন্দনে স্থানচ্যুতি সর্বাধিক হলে বেগ কেমন? → শূন্য

18. সরল ছন্দিত স্পন্দনে গতিশক্তি সর্বাধিক কোথায়? → ভারসাম্য অবস্থানে

19. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বিভবশক্তি সর্বাধিক কোথায়? → চূড়ান্ত অবস্থানে

20. সরল ছন্দিত স্পন্দনে মোট শক্তি কেমন থাকে? → ধ্রুব থাকে

21. সরল ছন্দিত স্পন্দনে শক্তির রূপান্তর কেমন হয়? → গতিশক্তি ও বিভবশক্তির মধ্যে পরস্পর রূপান্তর ঘটে

22. সরল ছন্দিত স্পন্দনের গ্রাফের প্রকৃতি কী? → সাইনুসয়েডাল

23. সরল ছন্দিত স্পন্দনের জন্য আবশ্যক শর্ত কী? → পুনঃস্থাপন বল ∝ বিচ্যুতি

24. সরল দোলক কীভাবে সরল ছন্দিত স্পন্দন সম্পন্ন করে? → ক্ষুদ্র দোলনের ক্ষেত্রে

25. সরল দোলকের কালপর্ব কিসের উপর নির্ভর করে? → দোলকের দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর

26. সরল দোলকের কালপর্ব কিসের উপর নির্ভর করে না? → দোলকের ভর বা দোলনের বিস্তারের উপর

27. সরল দোলকের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কালপর্ব কতগুণ হবে? → √2 গুণ

28. পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ g কমলে দোলকের কালপর্ব কী হবে? → বৃদ্ধি পাবে

29. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বেগের সমীকরণ কী? → v = ω √(A² - x²)

30. সরল ছন্দিত স্পন্দনে ত্বরণের সমীকরণ কী? → a = -ω² x

31. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বেগ ও স্থানচ্যুতির মধ্যে সম্পর্ক কী? → v² = ω² (A² - x²)

32. সরল ছন্দিত স্পন্দনে সর্বাধিক ত্বরণ কত? → a_max = ω² A

33. সরল ছন্দিত স্পন্দনে সর্বাধিক বেগ কত? → v_max = ω A

34. সরল ছন্দিত স্পন্দনে এক পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করতে সময় কত লাগে? → কালপর্ব (T)

35. সরল ছন্দিত স্পন্দনে প্রতি সেকেন্ডে কম্পনের সংখ্যা কী বলে? → কম্পাঙ্ক

36. কম্পাঙ্ক ও কালপর্বের সম্পর্ক কী? → f = 1/T

37. সরল ছন্দিত স্পন্দনের সমীকরণ কীভাবে প্রকাশ করা যায়? → x = A sin(ω t + φ)

38. সরল ছন্দিত স্পন্দনে φ কাকে বলে? → ফেজ ধ্রুবক

39. সরল ছন্দিত স্পন্দনে ফেজ কী বোঝায়? → কম্পনের অবস্থা

40. একই অ্যামপ্লিটিউড ও ফ্রিকোয়েন্সির দুটি বিপরীতমুখী এসএইচএম একত্রে কী তৈরি করে? → স্থির তরঙ্গ

41. সরল ছন্দিত স্পন্দনের অ্যামপ্লিটিউড কী? → সর্বাধিক বিচ্যুতি

42. অ্যামপ্লিটিউড বৃদ্ধি পেলে কালপর্বে পরিবর্তন হয় কি? → না

43. সরল ছন্দিত স্পন্দনের শক্তির সূত্র কী? → E = (1/2) k A²

44. সরল ছন্দিত স্পন্দনে শক্তি কিসের উপর নির্ভর করে? → অ্যামপ্লিটিউডের বর্গের উপর

45. সরল দোলকের দোলন কোন শক্তির কারণে হয়? → মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে

46. চাঁদে দোলকের কালপর্ব কেমন হবে? → পৃথিবীর তুলনায় বেশি

47. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বল, বেগ ও ত্বরণের সম্পর্ক কেমন? → পরস্পর ফেজ পার্থক্যে থাকে

48. সরল ছন্দিত স্পন্দনে বেগ ও ত্বরণের মধ্যে ফেজ পার্থক্য কত? → π/2 রেডিয়ান

49. সরল ছন্দিত স্পন্দনে গড় বেগ কত? → শূন্য

50. সরল ছন্দিত স্পন্দনে গড় ত্বরণ কত? → শূন্য

মহাকর্ষ সূত্র (Gravitation), মুক্তপতন, g এর মান

1. মহাকর্ষ সূত্র কে প্রবর্তন করেন – স্যার আইজ্যাক নিউটন।

2. দুই বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বলকে বলা হয় – মহাকর্ষ বল।

3. মহাকর্ষ বল সর্বদা – আকর্ষণমূলক।

4. নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুসারে বল কিসের উপর নির্ভর করে – ভর ও দূরত্বের উপর।

5. মহাকর্ষ বল ভরের গুণফলের – সমানুপাতিক।

6. মহাকর্ষ বল দূরত্বের বর্গের – ব্যস্তানুপাতিক।

7. মহাকর্ষ বলের সূত্র – F = G (m₁m₂) / r²।

8. G দ্বারা কী বোঝায় – সার্বজনীন মহাকর্ষ ধ্রুবক।

9. G এর মান – 6.67 × 10⁻¹¹ N m²/kg²।

10. G এর মান সর্বত্র – একই থাকে।

11. g দ্বারা কী বোঝায় – পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ।

12. g এর মান পৃথিবীতে গড়ে – 9.8 m/s²।

13. g এর মান মেরু অঞ্চলে – সর্বাধিক।

14. g এর মান বিষুবরেখায় – সর্বনিম্ন।

15. g এর মান কোন স্থানে বেশি – সমুদ্রপৃষ্ঠে।

16. g এর মান কোন স্থানে কম – পাহাড়ের চূড়ায়।

17. পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পেলে g এর মান – কমে যায়।

18. পৃথিবীর ভর বৃদ্ধি পেলে g এর মান – বাড়ে।

19. মুক্তপতন বলতে বোঝায় – কেবলমাত্র মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রভাবে পতন।

20. মুক্তপতনের ত্বরণ – g এর সমান।

21. বায়ুর প্রতিরোধ না থাকলে সব বস্তু – একই ত্বরণে পড়ে।

22. g এর মান নির্ভর করে – পৃথিবীর ভর ও ব্যাসার্ধের উপর।

23. g এর মান নির্ণয়ের সূত্র – g = GM/R²।

24. পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়লে g এর মান – কমে।

25. পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান – শূন্য।

26. চন্দ্রপৃষ্ঠে g এর মান পৃথিবীর তুলনায় – ১/৬ ভাগ।

27. মুক্তভাবে পতিত বস্তুর বেগ বৃদ্ধি পায় – প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ m/s করে।

28. মুক্তপতনে বস্তু স্থির অবস্থা থেকে পড়লে t সেকেন্ডে তার বেগ – v = gt।

29. মুক্তপতনে t সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব – s = ½ gt²।

30. মহাকর্ষ সূত্রটি কোন প্রকার বলকে বোঝায় – সর্বজনীন বল।

31. মহাকর্ষ বল ও তড়িৎস্থির বল উভয়ই – বিপরীত বর্গ সূত্র মেনে চলে।

32. চন্দ্রের উপর কোনো বস্তুর ওজন – পৃথিবীর তুলনায় ১/৬ অংশ।

33. ওজন বলতে বোঝায় – মাধ্যাকর্ষণ বল।

34. বস্তুর ভর – সর্বত্র অপরিবর্তিত।

35. বস্তুর ওজন – স্থানের সাথে পরিবর্তিত হয়।

36. ভর ও ওজনের সম্পর্ক – W = mg।

37. g এর মান শূন্য হলে বস্তুর ওজন – শূন্য হবে।

38. ওজনহীন অবস্থা দেখা যায় – উপগ্রহে বা মহাকাশযানে।

39. পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে g এর মান – সামান্য কমে যায়।

40. G প্রথম নির্ণয় করেন – হেনরি ক্যাভেনডিশ।

41. হেনরি ক্যাভেনডিশ কোন পরীক্ষার মাধ্যমে G নির্ণয় করেন – টরশন ব্যালান্স দ্বারা।

42. যদি পৃথিবী ঘূর্ণন বন্ধ করে দেয় তবে g এর মান – কিছুটা বৃদ্ধি পাবে।

43. মুক্তপতনের বেগ সময়ের সাথে – সরাসরি সমানুপাতিক।

44. মুক্তপতনের দূরত্ব সময়ের বর্গের – সমানুপাতিক।

45. মুক্তপতন একটি – সমবেগে ত্বরণযুক্ত গতি।

46. মাধ্যাকর্ষণ বল সব বস্তুর মধ্যে – ক্রিয়াশীল।

47. g এর মান চাঁদে কম হওয়ার কারণ – চাঁদের ভর কম ও ব্যাসার্ধ ছোট।

48. g এর মান মঙ্গলগ্রহে – পৃথিবীর তুলনায় কম।

49. g এর মান সূর্যে – পৃথিবীর তুলনায় বেশি।

50. মহাকর্ষ বলের দিক – দুই বস্তুর কেন্দ্রকে সংযোগকারী সরলরেখা বরাবর।

51. পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টানার বলকে বলা হয় – মাধ্যাকর্ষণ বল।

52. মুক্তভাবে পতিত বস্তু কেন নিচে পড়ে – পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে।

তরল পদার্থে চাপ (Pascal’s Law, Archimedes Principle)

1. তরল পদার্থে চাপ কিসের উপর নির্ভর করে? — গভীরতা, ঘনত্ব ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর।

2. তরল পদার্থে চাপ কিসের দ্বারা পরিমাপ করা হয়? — পাস্কাল (Pascal) দ্বারা।

3. এক পাস্কাল সমান কত নিউটন প্রতি বর্গমিটার? — 1 N/m²।

4. পাস্কালের সূত্র কে আবিষ্কার করেন? — ব্লেজ পাস্কাল (Blaise Pascal)।

5. পাস্কালের সূত্র কী বলে? — তরলে প্রয়োগিত চাপ সকল দিকে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

6. পাস্কালের সূত্র কোন যন্ত্রের ভিত্তি? — হাইড্রোলিক প্রেস ও ব্রেকের।

7. হাইড্রোলিক লিফট কোন সূত্রে কাজ করে? — পাস্কালের সূত্রে।

8. তরলের চাপ গভীরতার সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হয়? — চাপ গভীরতার সাথে বৃদ্ধি পায়।

9. তরলের চাপের একক কী? — পাস্কাল (Pa)।

10. ১ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান কত পাস্কাল? — 1.013 × 10⁵ Pa।

11. পাস্কালের সূত্র অনুযায়ী তরলের চাপ কোন দিকে ক্রিয়া করে? — সকল দিকে সমানভাবে।

12. কোন তরল পদার্থে চাপ সমানভাবে ছড়ায়? — অসংকোচনীয় তরলে।

13. আর্কিমিডিসের সূত্র কে প্রণয়ন করেন? — আর্কিমিডিস।

14. আর্কিমিডিসের সূত্র কী বলে? — নিমজ্জিত বস্তুর উপর এক উত্থাপন বল ক্রিয়া করে যা স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান।আর্কিমিডিসের সূত্র কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? — তরল ও গ্যাস উভয়ের ক্ষেত্রে।

15. উত্থাপন বলের কারণ কী? — তরলের চাপের তারতম্য।

16. কোনো বস্তু ভাসবে যদি তার ওজন সমান হয়— — স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সাথে।

17. কোনো বস্তু ডুবে যায় কেন? — তার ওজন উত্থাপন বলের চেয়ে বেশি হলে।

18. কোনো বস্তু ভাসে কেন? — তার ওজন উত্থাপন বলের সমান হলে।

19. ঘনত্ব বেশি হলে বস্তু ভাসবে না ডুববে? — ডুববে।

20. নৌকা পানিতে ভাসে কোন সূত্রে? — আর্কিমিডিসের সূত্রে।

21. আর্কিমিডিসের নীতি কোথায় প্রয়োগ করা হয়? — জাহাজ নির্মাণে।

22. হাইড্রোমিটার কোন সূত্রে কাজ করে? — আর্কিমিডিসের সূত্রে।

23. হাইড্রোমিটারের কাজ কী? — তরলের ঘনত্ব নির্ণয় করা।

24. ডুবন্ত বস্তুর উপর উত্থাপন বলের দিক কী? — উর্ধ্বমুখী।

25. উত্থাপন বল কিসের সমানুপাতিক? — স্থানচ্যুত তরলের আয়তন ও ঘনত্বের।

26. পানিতে বরফ ভাসে কেন? — বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম।

27. সাবমেরিন উপরে ওঠা-নামা করে কোন নীতিতে? — আর্কিমিডিসের সূত্রে।

28. তরলে চাপের সূত্র কী? — P = hρg।

29. P = hρg-তে ρ কী নির্দেশ করে? — তরলের ঘনত্ব।

30. P = hρg-তে h কী নির্দেশ করে? — তরলের গভীরতা।

31. P = hρg-তে g কী নির্দেশ করে? — অভিকর্ষজ ত্বরণ।

32. তেল ও জলের মধ্যে কোনটির ঘনত্ব বেশি? — জলের।

33. সাগরের গভীরে ডুবুরি বেশি চাপ অনুভব করে কেন? — গভীরতার সঙ্গে চাপ বৃদ্ধি পায় বলে।

34. হাইড্রোলিক ব্রেক ব্যবহৃত হয় কোথায়? — মোটরগাড়িতে।

35. হাইড্রোলিক প্রেস কী কাজে ব্যবহৃত হয়? — ভারী বস্তু তুলতে বা চেপে ধরতে।

36. পাস্কালের সূত্রে তরল পদার্থের ভূমিকা কী? — চাপ পরিবাহক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

37. বায়ুর চাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী? — ব্যারোমিটার।

38. ব্যারোমিটার কে আবিষ্কার করেন? — টরিসেলি।

39. এক ঘন মিটার পানির ওজন কত? — প্রায় ৯৮০০ নিউটন।

40. জাহাজ ভাসে কিন্তু লোহার টুকরো ডুবে যায় কেন? — জাহাজের গড় ঘনত্ব জলের চেয়ে কম।

41. তরলের চাপ কীভাবে প্রয়োগ হয়? — সবদিকে লম্বভাবে।

42. পানির নিচে বস্তুর ওজন কেন কম মনে হয়? — উত্থাপন বলের কারণে।

43. উত্থাপন বল কিসের সমান? — স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান।

44. একটি বস্তু আংশিক ভাসে—তাহলে তার ঘনত্ব কী রকম? — তরলের ঘনত্বের চেয়ে সামান্য কম।

45. তরলের চাপের মাত্রা কোন ধরনের রাশি? — স্কেলার রাশি।

46. চাপের দিক কিসের প্রতি লম্ব? — তরলের পৃষ্ঠের প্রতি লম্ব।

47. আর্কিমিডিস কোথাকার বিজ্ঞানী ছিলেন? — সিরাকিউস (ইতালি)।

48. হাইড্রোমিটার কোন নীতি অনুসারে তরলে ডুবে বা ভাসে? — আর্কিমিডিসের নীতি।

49. আর্কিমিডিসের নীতি কোন বিজ্ঞান শাখার অন্তর্গত? — পদার্থবিজ্ঞান।

তাপমাত্রা ও তাপের পার্থক্য

1. তাপ বলতে কী বোঝায়? — তাপ হলো শক্তির এক প্রকার রূপ যা এক দেহ থেকে অন্য দেহে প্রবাহিত হয়।

2. তাপমাত্রা বলতে কী বোঝায়? — তাপমাত্রা হলো কোনো বস্তুর উষ্ণতা বা শীতলতার পরিমাপ।

3. তাপের এস.আই একক কী? — জুল (Joule)।

4. তাপমাত্রার এস.আই একক কী? — কেলভিন (Kelvin)।

5. তাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী? — ক্যালোরিমিটার।

6. তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রের নাম কী? — থার্মোমিটার।

7. এক ক্যালরি সমান কত জুল? — 4.186 জুল।

8. ০°C কত কেলভিনের সমান? — 273 K।

9. 100°C কত কেলভিনের সমান? — 373 K।

10. তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কীভাবে সঞ্চারিত হয়? — পরিবহন, সংবহন ও বিকিরণ দ্বারা।

11. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে অণুর গতি কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

12. তাপ হলো কী ধরনের রাশি? — স্কেলার রাশি।

13. তাপমাত্রা হলো কী ধরনের রাশি? — স্কেলার রাশি।

14. কোনো পদার্থের তাপমাত্রা না বদলে অবস্থার পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় তাপকে কী বলে? — গোপন তাপ।

15. এক কেলভিন পরিবর্তন সমান কত সেলসিয়াস পরিবর্তনের? — 1°C।

16. তাপ শক্তি রূপান্তরিত হতে পারে কিন্তু সৃষ্টি বা বিনষ্ট হয় না — এটি কোন সূত্র অনুযায়ী? — শক্তির নিত্যতার সূত্র।

17. ধাতু দ্বারা তাপ সঞ্চারিত হয় কোন প্রক্রিয়ায়? — পরিবহনের মাধ্যমে।

18. তরল ও গ্যাসে তাপ সঞ্চারিত হয় কোন প্রক্রিয়ায়? — সংবহনের মাধ্যমে।

19. সূর্যের তাপ পৃথিবীতে পৌঁছায় কোন প্রক্রিয়ায়? — বিকিরণের মাধ্যমে।

20. তাপমাত্রা কোন রাশির দ্বারা নির্ধারিত হয়? — অণুগুলির গড় গতিশক্তি দ্বারা।

21. তাপ শক্তি বেশি মানে সবসময় তাপমাত্রা বেশি — এই বক্তব্য কি সত্য? — না।

22. তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য কী? — তাপ হলো শক্তি, তাপমাত্রা হলো উষ্ণতার পরিমাপ।

23. তাপ পরিবাহক পদার্থের উদাহরণ দাও — তামা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম।

24. তাপ নিরোধক পদার্থের উদাহরণ দাও — কাঠ, প্লাস্টিক, রাবার।

25. ক্যালরির প্রতীক কী? — cal।

26. তাপ স্থানান্তর হয় কোন দিক থেকে? — উচ্চ তাপমাত্রা থেকে নিম্ন তাপমাত্রার দিকে।

27. তাপমাত্রার সাধারণ একক কী? — সেলসিয়াস (°C)।

28. ফারেনহাইট ও সেলসিয়াসের সম্পর্ক কী? — F = (9/5 × C) + 32।

29. শূন্য কেলভিনকে কী বলা হয়? — পরম শূন্য।

30. পরম শূন্যে পদার্থের অণুর গতি কেমন থাকে? — সম্পূর্ণ বন্ধ।

31. এক কেলভিন তাপমাত্রা পার্থক্য মানে কত সেলসিয়াস পার্থক্য? — এক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

32. বরফ গলনের বিন্দু কত°C? — 0°C।

33. জলের স্ফুটনাঙ্ক কত°C? — 100°C।

34. 212°F কত°C সমান? — 100°C।

35. 32°F কত°C সমান? — 0°C।

36. তাপ সঞ্চারের হার কোন বিষয়ে নির্ভর করে? — তাপমাত্রার পার্থক্য, পদার্থের প্রকৃতি ও ক্ষেত্রফলের উপর।

37. কোনো পদার্থের নির্দিষ্ট তাপ বলতে কী বোঝায়? — একক ভরের পদার্থের তাপমাত্রা 1°C বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ।

38. তাপমাত্রা নির্ধারণের মানক স্কেল কতগুলো? — তিনটি: সেলসিয়াস, ফারেনহাইট, কেলভিন।

39. তাপকে কোন যন্ত্র দিয়ে মাপা হয়? — ক্যালোরিমিটার।

40. তাপমাত্রা বাড়লে ঘনত্ব কীভাবে পরিবর্তিত হয়? — কমে যায়।

41. ধাতুতে তাপ পরিবহণে প্রধান ভূমিকা পালন করে কোন কণা? — মুক্ত ইলেকট্রন।

42. তাপমাত্রা কমলে অণুর গতি কী হয়? — হ্রাস পায়।

43. নির্দিষ্ট তাপের একক কী? — J/kg°C।

44. পানির নির্দিষ্ট তাপের মান কত? — 4200 J/kg°C।

45. তাপ স্থানান্তর না ঘটলে তাকে কী বলা হয়? — তাপীয় সাম্যাবস্থা।

46. তাপমাত্রা কোন ধরনের রাশি? — স্কেলার রাশি।

47. তাপ শক্তি কোন ধরনের শক্তির রূপ? — তাপীয় শক্তি।

48. তাপ ও তাপমাত্রা পরস্পর কীভাবে সম্পর্কিত? — তাপ বৃদ্ধি পেলে সাধারণত তাপমাত্রা বাড়ে।

49. তাপমাত্রা পরিবর্তন না করে অবস্থার পরিবর্তন ঘটানো তাপকে কী বলা হয়? — গোপন তাপ।

50. তাপমাত্রা ও তাপের মৌলিক পার্থক্য কী? — তাপ হলো শক্তির পরিমাণ, তাপমাত্রা হলো উষ্ণতার মাত্রা।

তাপ পরিবাহিতা, সঞ্চালন, বিকিরণ

1. তাপ পরিবাহিতা কী? — এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপের সরাসরি স্থানান্তরকে তাপ পরিবাহিতা বলে।

2. কোন ধাতুটি তাপের সর্বোত্তম পরিবাহক? — রূপা।

3. কোন ধাতুটি তাপের দুর্বল পরিবাহক? — পারদ।

4. কাঠ কেন তাপের দুর্বল পরিবাহক? — কাঠের ভিতরে বায়ু ফাঁপা থাকে, যা তাপ পরিবহন বাধা দেয়।

5. তাপ সঞ্চালন কীভাবে ঘটে? — তরল বা গ্যাসের কণার চলাচলের মাধ্যমে।

6. তাপ পরিবাহিতা প্রধানত কোন মাধ্যমে ঘটে? — কঠিন পদার্থে।

7. সঞ্চালনের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তর প্রধানত ঘটে কোথায়? — তরল ও গ্যাসে।

8. বিকিরণের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তর ঘটে কিসের মাধ্যমে? — তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে।

9. সূর্যের তাপ পৃথিবীতে আসে কীভাবে? — বিকিরণের মাধ্যমে।

10. শূন্যস্থানে কোন প্রকার তাপ স্থানান্তর সম্ভব? — বিকিরণ।

11. কোন প্রকার তাপ স্থানান্তরে মাধ্যমের প্রয়োজন নেই? — বিকিরণ।

12. সোলার কুকারে তাপ স্থানান্তর হয় প্রধানত — বিকিরণের মাধ্যমে।

13. ব্ল্যাকবডি কী? — যে বস্তু সমস্ত বিকিরিত তাপ শোষণ করে তাকে ব্ল্যাকবডি বলে।

14. সাদা বস্ত্র তাপ শোষণ করে বেশি না কম? — কম।

15. কালো বস্ত্র তাপ বিকিরণ করে বেশি না কম? — বেশি।

16. তাপ পরিবাহিতার একক কী? — ওয়াট প্রতি মিটার প্রতি কেলভিন (W/mK)।

17. রূপার তাপ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি কেন? — এর মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা বেশি।

18. থার্মোস ফ্লাস্কে তাপের ক্ষতি রোধ করা হয় কীভাবে? — পরিবাহিতা, সঞ্চালন ও বিকিরণ তিনটিই রোধ করে।

19. তাপ সঞ্চালনের একটি উদাহরণ দাও। — জল গরম করার সময় নীচের জল উপরে উঠে আসে।

20. বিকিরণের একটি উদাহরণ দাও। — সূর্যের তাপে শরীর গরম হওয়া।

21. তাপ পরিবাহিতার একটি উদাহরণ দাও। — লোহার চামচের এক প্রান্ত গরম করলে অন্য প্রান্তও গরম হয়।

22. বায়ু কি তাপের ভালো পরিবাহক? — না, বায়ু তাপের দুর্বল পরিবাহক।

23. রান্নার হাঁড়ির হাতল সাধারণত কাঠের হয় কেন? — কাঠ তাপ পরিবাহন করে না।

24. গ্রীষ্মকালে সাদা জামা পরা সুবিধাজনক কেন? — সাদা জামা তাপ প্রতিফলিত করে।

25. শীতকালে কালো জামা পরা সুবিধাজনক কেন? — কালো জামা তাপ শোষণ করে বেশি।

26. বিকিরণের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তর কোন গতিতে হয়? — আলোর গতিতে।

27. শূন্যস্থানে তাপ পরিবাহিতা ও সঞ্চালন সম্ভব কি? — না, শুধু বিকিরণ সম্ভব।

28. তাপ পরিবাহিতা বেশি হলে বস্তুটি কেমন হবে? — দ্রুত গরম বা ঠান্ডা হবে।

29. তাপ সঞ্চালন কিসের উপর নির্ভর করে? — ঘনত্ব ও তরল কণার চলাচলের উপর।

30. বিকিরণ কোন রূপে শক্তি স্থানান্তর করে? — তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের রূপে।

31. সূর্যের বিকিরিত তাপের প্রকৃতি কী? — অবলোহিত বিকিরণ।

32. গ্রীনহাউস প্রভাবে কোন বিকিরণ ফেঁসে যায়? — অবলোহিত বিকিরণ।

33. মেঘলা দিনে তাপমাত্রা কম থাকে কেন? — মেঘ সূর্যের বিকিরণ প্রতিফলিত করে।

34. রান্নাঘরের চিমনি কাজ করে কোন প্রক্রিয়ায়? — সঞ্চালনের মাধ্যমে।

35. সমুদ্রের বায়ুপ্রবাহ ঘটে কেন? — ভূমি ও সমুদ্রের তাপমাত্রা পার্থক্যের কারণে সঞ্চালন ঘটে।

36. গরম চায়ের কাপের ধোঁয়া উঠছে — এটি কোন প্রক্রিয়ার উদাহরণ? — সঞ্চালন।

37. ফ্রিজের ভিতর ঠান্ডা বায়ু নিচে থাকে কেন? — ঠান্ডা বায়ু ভারী হয় বলে নিচে নামে।

38. গরম বায়ু ওপরে ওঠে কেন? — গরমে এর ঘনত্ব কমে যায়।

39. গ্লাসের জানালা দিয়ে সূর্যের আলো ঢোকে কিন্তু তাপ আটকে যায় কেন? — বিকিরণ প্রভাবে অবলোহিত তরঙ্গ আটকে যায়।

40. কালো রঙের গাড়ি গরমে বেশি গরম হয় কেন? — কালো রঙ বিকিরিত তাপ বেশি শোষণ করে।

41. লোহার পাত্র দ্রুত গরম হয় কেন? — তাপ পরিবাহিতা বেশি।

42. স্টেইনলেস স্টিল পাত্রের নিচে কপার প্লেট দেওয়া হয় কেন? — তাপ পরিবাহিতা বাড়ানোর জন্য।

43. বিকিরণ প্রধানত কোন তরঙ্গে ঘটে? — অবলোহিত তরঙ্গে।

44. রেডিও তরঙ্গও কি বিকিরণ? — হ্যাঁ, কিন্তু তাপ বিকিরণ নয়।

45. বিকিরণ শক্তি কোন সূত্র দ্বারা নির্ধারিত হয়? — স্টেফান-বল্টসম্যান সূত্র।

46. স্টেফান-বল্টসম্যান সূত্র অনুযায়ী বিকিরিত শক্তি কীসের উপর নির্ভর করে? — তাপমাত্রার চতুর্থ ঘাতের উপর।

47. কোনো বস্তু উত্তপ্ত হলে তাপ স্থানান্তর কোন তিন প্রক্রিয়ায় হয়? — পরিবাহিতা, সঞ্চালন ও বিকিরণ।

48. গরম চুলার ওপরে হাত রাখলে তাপ লাগে কেন? — বিকিরণের কারণে।

49. লোহার দরজা গরম হয়ে যায় কী প্রক্রিয়ায়? — পরিবাহিতার মাধ্যমে।

50. বাতাসে তাপ স্থানান্তর প্রধানত হয় কোন প্রক্রিয়ায়? — সঞ্চালনের মাধ্যমে।

Specific Heat, Latent Heat

1. কোনো পদার্থের Specific Heat কী বোঝায়? → একক ভরের পদার্থের তাপমাত্রা ১°C বৃদ্ধি করতে যত তাপ প্রয়োজন তাকে Specific Heat বলে।

2. Specific Heat-এর একক কী? → জুল/কেজি°C বা ক্যালরি/গ্রাম°C।

3. Specific Heat-এর প্রতীক কী? → c

4. জলের Specific Heat কত? → 4200 জুল/কেজি°C বা 1 ক্যালরি/গ্রাম°C।

5. তামার Specific Heat কত? → প্রায় 390 জুল/কেজি°C।

6. বরফের Specific Heat কত? → প্রায় 2100 জুল/কেজি°C।

7. বায়ুর Specific Heat প্রায় কত? → 1005 জুল/কেজি°C।

8. যে পদার্থের Specific Heat বেশি, তা তাপমাত্রা পরিবর্তনে কেমন? → ধীরে তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়।

9. Specific Heat বেশি থাকা পদার্থের উদাহরণ কী? → জল।

10. Specific Heat কম থাকা পদার্থের উদাহরণ কী? → লোহা।

11. Specific Heat নির্ভর করে কোন কোন বিষয়ে? → পদার্থের প্রকৃতি ও অবস্থার উপর।

12. জলকে উত্তপ্ত হতে সময় লাগে কেন? → কারণ জলের Specific Heat বেশি।

13. মরুভূমিতে দিনে গরম ও রাতে ঠান্ডা কেন হয়? → বালির Specific Heat কম হওয়ায়।

14. সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলে জলবায়ু নরম কেন? → জলের Specific Heat বেশি হওয়ায়।

15. Specific Heat-এর S.I. একক কী? → জুল প্রতি কিলোগ্রাম প্রতি কেলভিন (J/kg·K)।

16. Specific Heat-এর ব্যবহার কোথায় দেখা যায়? → গরম করার যন্ত্র, কুলিং সিস্টেম, রান্না প্রভৃতিতে।

17. মাটির Specific Heat জলের তুলনায় কেমন? → কম।

18. তাপ ধারক ক্ষমতা কাকে বলে? → কোনো বস্তুর সম্পূর্ণ তাপমাত্রা ১°C বাড়াতে যত তাপ প্রয়োজন।

19. তাপ ধারক ক্ষমতার একক কী? → জুল/°C।

20. তাপ ধারক ক্ষমতা ও Specific Heat-এর মধ্যে সম্পর্ক কী? → তাপ ধারক ক্ষমতা = ভর × Specific Heat।

21. Latent Heat কী বোঝায়? → কোনো পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত রেখে শোষিত বা নির্গত তাপ।

22. Latent Heat-এর প্রতীক কী? → L

23. Latent Heat-এর একক কী? → জুল/কেজি বা ক্যালরি/গ্রাম।

24. বরফের গলন তাপ কত? → 3.34 × 10⁵ জুল/কেজি বা 80 ক্যালরি/গ্রাম।

25. বাষ্পীভবন তাপ কী? → তরল পদার্থকে বাষ্পে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় তাপ।

26. জলের বাষ্পীভবন তাপ কত? → 2.26 × 10⁶ জুল/কেজি বা 540 ক্যালরি/গ্রাম।

27. Latent Heat-এর মান কোন অবস্থার পরিবর্তনে নির্ভর করে? → কঠিন-তরল বা তরল-বায়বীয় অবস্থার উপর।

28. বরফ গলনের সময় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে কেন? → তাপ ব্যবহার হয় অবস্থার পরিবর্তনে।

29. গলন প্রক্রিয়া চলাকালীন তাপমাত্রা কেন বাড়ে না? → তাপ শক্তি অণুগুলির বন্ধন ভাঙতে ব্যবহৃত হয়।

30. ঘনীভবন তাপ কী? → বাষ্প তরলে পরিণত হলে নির্গত তাপ।

31. Sublimation বা উর্ধ্বপতনের সময় তাপ কীভাবে কাজ করে? → তাপ পদার্থকে সরাসরি কঠিন থেকে গ্যাসে রূপান্তর করে।

32. Latent Heat বেশি হলে পদার্থের অবস্থা পরিবর্তনে কী হয়? → বেশি তাপ প্রয়োজন।

33. কোন পদার্থের Latent Heat সবচেয়ে বেশি? → জলের।

34. Latent Heat-এর ব্যবহার কোথায় দেখা যায়? → বরফ গলা, জল ফুটানো, শীতলীকরণ প্রক্রিয়া ইত্যাদিতে।

35. বরফ গলতে সময় লাগে কেন? → কারণ Latent Heat বেশি।

36. তাপ শোষণ বা নির্গমন কোন সূত্রে হিসাব করা যায়? → Q = mL বা Q = mcΔT।

37. জল ফুটতে থাকলে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে কেন? → তাপ ব্যবহৃত হয় বাষ্পে রূপান্তরে (Latent Heat)।

38. Latent Heat নির্ভর করে কীসের উপর? → পদার্থের প্রকৃতি ও চাপের উপর।

39. ০°C তাপমাত্রার বরফ গলতে যত তাপ লাগে, সেটাকে কী বলে? → গলন তাপ।

40. ১০০°C তাপমাত্রার জল বাষ্পে পরিণত হতে যত তাপ লাগে, সেটাকে কী বলে? → বাষ্পীভবন তাপ।

41. গলন তাপের মান সর্বাধিক কোন পদার্থের? → জলের।

42. বরফ গলে জল হলে তাপ শোষিত হয় নাকি নির্গত? → তাপ শোষিত হয়।

43. জল বাষ্পে পরিণত হলে তাপ শোষিত হয় নাকি নির্গত? → তাপ শোষিত হয়।

44. বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জল হলে তাপ শোষিত হয় নাকি নির্গত? → তাপ নির্গত হয়।

45. বরফে হাত দিলে ঠান্ডা লাগে কেন? → বরফ হাতের তাপ শোষণ করে গলন তাপ হিসেবে।

46. Latent Heat ও Specific Heat-এর মধ্যে পার্থক্য কী? → Specific Heat তাপমাত্রা পরিবর্তনে, Latent Heat অবস্থার পরিবর্তনে লাগে।

47. এক গ্রাম বরফ গলাতে কত ক্যালরি তাপ লাগে? → 80 ক্যালরি।

48. এক গ্রাম জল বাষ্পে রূপান্তর করতে কত ক্যালরি তাপ লাগে? → 540 ক্যালরি।

49. Latent Heat-এর ব্যবহার শীতলীকরণ যন্ত্রে কেন? → তাপ শোষণ বা নির্গমনের মাধ্যমে ঠান্ডা রাখার জন্য।

50. Specific Heat ও Latent Heat উভয়ই কীসের পরিমাপক? → তাপ শক্তির পরিমাপক।

গ্যাসের সূত্র (Boyle’s Law, Charles’ Law, Ideal Gas Law)

1. বয়েলের সূত্র অনুযায়ী, তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলে গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুণফল — অপরিবর্তিত থাকে।

2. বয়েলের সূত্রটি গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায় — P × V = ধ্রুবক।

3. বয়েলের সূত্র অনুযায়ী, চাপ বাড়লে আয়তন — কমে যায়।

4. বয়েলের সূত্র প্রযোজ্য — তাপমাত্রা স্থির অবস্থায়।

5. বয়েলের সূত্র আবিষ্কার করেন — রবার্ট বয়েল।

6. বয়েলের সূত্র প্রথম প্রকাশিত হয় — ১৬৬২ সালে।

7. বয়েলের সূত্র অনুযায়ী, P₁V₁ = — P₂V₂।

8. চার্লসের সূত্র অনুযায়ী, স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন — তাপমাত্রার সমানুপাতিক।

9. চার্লসের সূত্র গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায় — V ∝ T (চাপ স্থির)।

10. চার্লসের সূত্র প্রযোজ্য — স্থির চাপের ক্ষেত্রে।

11. চার্লসের সূত্রের আবিষ্কারক — জ্যাক চার্লস।

12. চার্লসের সূত্র প্রকাশিত হয় — ১৭৮৭ সালে।

13. চার্লসের সূত্র অনুযায়ী, গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে আয়তন — বাড়ে।

14. তাপমাত্রা যদি ০°C থেকে বৃদ্ধি পায়, তবে গ্যাসের আয়তন — বাড়ে।

15. বয়েল ও চার্লসের সূত্র একত্রে প্রকাশ করা হয় — সম্মিলিত গ্যাস সূত্রে।

16. সম্মিলিত গ্যাস সূত্রের সমীকরণ — (P₁V₁)/T₁ = (P₂V₂)/T₂।

17. আদর্শ গ্যাস সূত্রটি প্রকাশ করা হয় — PV = nRT দ্বারা।

18. এখানে n মানে — গ্যাসের মোল সংখ্যা।

19. R মানে — গ্যাস ধ্রুবক।

20. গ্যাস ধ্রুবক R এর মান — 8.31 J/mol·K।

21. আদর্শ গ্যাস সূত্র প্রযোজ্য — আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে।

22. আদর্শ গ্যাস বলতে বোঝায় — যে গ্যাস সব সূত্র ঠিকভাবে মেনে চলে।

23. বাস্তব গ্যাস আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করে — উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপে।

24. আদর্শ গ্যাস সূত্র থেকে নির্ণয় করা যায় — গ্যাসের অণুর সংখ্যা।

25. PV = nRT সূত্রের T মানে — অবশ্যক তাপমাত্রা (Kelvin)।

26. বয়েলের সূত্রে চাপ ও আয়তন একে অপরের — বিপরীতানুপাতিক।

27. চার্লসের সূত্রে আয়তন ও তাপমাত্রা — সমানুপাতিক।

28. 1 মোল আদর্শ গ্যাসের আয়তন STP-তে — 22.4 লিটার।

29. STP অর্থ — Standard Temperature and Pressure।

30. STP তাপমাত্রা — 273 K (0°C)।

31. STP চাপ — 1 atm বা 760 mm Hg।

32. আদর্শ গ্যাস সূত্র উদ্ভাবন করেন — ক্ল্যাপিরন (Clapeyron)।

33. গ্যাসের চাপের একক — পাস্কাল (Pa)।

34. গ্যাসের আয়তনের একক — কিউবিক মিটার (m³) বা লিটার।

35. তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয় — কেলভিন (K) এককে।

36. গ্যাসের সূত্রগুলি প্রযোজ্য — কম ঘনত্বের গ্যাসে।

37. বয়েলের সূত্রে তাপমাত্রা — অপরিবর্তিত থাকে।

38. চার্লসের সূত্রে চাপ — অপরিবর্তিত থাকে।

39. গ্যাসের সূত্রগুলি ব্যাখ্যা করে — গ্যাসের অণুর গতি ও আচরণ।

40. চাপ বাড়ালে গ্যাসের ঘনত্ব — বাড়ে।

41. গ্যাসের সূত্র অনুযায়ী, গ্যাস সংকুচিত হলে — তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

42. তাপমাত্রা কেলভিনে রূপান্তর করা হয় — T(K) = °C + 273।

43. আদর্শ গ্যাস সূত্র থেকে পাওয়া যায় — P = (nRT)/V।

44. বয়েলের সূত্র ও চার্লসের সূত্রের সংযোগকারী সূত্র — Gay-Lussac’s Law।

45. Gay-Lussac এর সূত্র অনুযায়ী, চাপ ∝ — তাপমাত্রা (স্থির আয়তনে)।

46. Gay-Lussac’s Law গাণিতিকভাবে — P/T = ধ্রুবক।

47. বয়েল, চার্লস ও গে-লুসাক সূত্র একত্রে গঠন করে — সম্মিলিত গ্যাস সূত্র।

48. R এর একক SI পদ্ধতিতে — Joule per mole per Kelvin।

49. আদর্শ গ্যাস সূত্র ব্যবহার করে নির্ণয় করা যায় — গ্যাসের মোল সংখ্যা বা আয়তন।

50. বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সূত্র — গ্যাসের আচরণের মৌলিক তিনটি সূত্র।

তাপগতিবিদ্যার সূত্র (Laws of Thermodynamics)

1. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রকে আর কী বলা হয়? – শক্তি সংরক্ষণ সূত্র।

2. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রটি কী বলে? – শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, শুধু এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়।

3. তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র মূলত কোন ধারণা দেয়? – এনট্রপি বা বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধির ধারণা দেয়।

4. প্রথম সূত্রে কোন শক্তির পরিবর্তন ঘটে? – তাপ শক্তি ও যান্ত্রিক শক্তির।

5. কার্নো চক্র কোন সূত্রের উপর ভিত্তি করে কাজ করে? – তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র।

6. “এনট্রপি সর্বদা বৃদ্ধি পায়” – এটি কোন সূত্রের ফলাফল? – দ্বিতীয় সূত্র।

7. তাপগতিবিদ্যার শূন্যতম সূত্রটি কী বোঝায়? – তাপীয় সাম্যাবস্থা বা Thermal Equilibrium বোঝায়।

8. শূন্যতম সূত্র অনুসারে তাপমাত্রা কীভাবে সংজ্ঞায়িত হয়? – তাপীয় সাম্যাবস্থার মাপক হিসেবে।

9. কোন সূত্র শক্তি সংরক্ষণ নীতির ভিত্তি? – প্রথম সূত্র।

10. তাপগতিবিদ্যার তৃতীয় সূত্রে কী বলা হয়েছে? – শূন্য কেলভিনে পদার্থের এনট্রপি শূন্য হয়।

11. প্রথম সূত্র অনুযায়ী, কাজ (W) এবং তাপ (Q)-এর সম্পর্ক কী? – ΔU = Q – W।

12. দ্বিতীয় সূত্রের দুইটি প্রধান রূপ কী? – ক্লসিয়াস ও কেলভিন-প্ল্যাঙ্ক রূপ।

13. ক্লসিয়াস রূপে দ্বিতীয় সূত্র কী বলে? – তাপ কখনও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঠান্ডা বস্তুর থেকে গরম বস্তুর দিকে যায় না।

14. কেলভিন-প্ল্যাঙ্ক রূপে দ্বিতীয় সূত্র কী বলে? – একটানা কাজ উৎপাদন সম্ভব নয় যদি না কিছু তাপ শীতল বস্তুর দিকে যায়।

15. কোন সূত্রের সাহায্যে তাপমাত্রার ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়? – শূন্যতম সূত্র।

16. তাপগতিবিদ্যার তৃতীয় সূত্রকে আর কী বলা হয়? – এনট্রপি শূন্য সূত্র।

17. শূন্যতম সূত্র কত সালে প্রস্তাবিত হয়? – 1930 সালে।

18. প্রথম সূত্র মূলত কোন নীতির সম্প্রসারণ? – শক্তি সংরক্ষণ নীতি।

19. কোন বিজ্ঞানী তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র প্রস্তাব করেন? – জেমস প্রেসকট জুল।

20. দ্বিতীয় সূত্রের ভিত্তিতে কোন ধরনের যন্ত্র কাজ করে না? – পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন অফ সেকেন্ড টাইপ।

21. প্রথম সূত্রের ভিত্তিতে কোন ধরনের যন্ত্র কাজ করে না? – পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন অফ ফার্স্ট টাইপ।

22. দ্বিতীয় সূত্রের আবিষ্কারক কে? – ক্লসিয়াস ও কেলভিন।

23. এনট্রপি শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন? – রুডলফ ক্লসিয়াস।

24. এনট্রপি বৃদ্ধির ফলে কী ঘটে? – শক্তির ব্যবহারের সক্ষমতা কমে যায়।

25. তাপগতিবিদ্যার তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী, শূন্য কেলভিনে কোন গতি থাকে না? – অণুগুলির গতি।

26. কার্নো দক্ষতা (Efficiency) কিসের উপর নির্ভর করে? – উষ্ণ ও শীতল রিজার্ভারের তাপমাত্রার উপর।

27. তাপগতিবিদ্যার সূত্র কয়টি? – মোট চারটি (শূন্যতম, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়)।

28. কার্নো ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কখন সর্বাধিক হয়? – তাপ ক্ষয় শূন্য হলে।

29. প্রথম সূত্র কী ধরণের প্রক্রিয়ায় প্রযোজ্য? – সব ধরণের প্রক্রিয়ায়।

30. দ্বিতীয় সূত্র কী নির্দেশ করে? – প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার দিক।

31. তৃতীয় সূত্রে বলা হয়েছে, শূন্য কেলভিনে পদার্থের অবস্থা কী হয়? – সুশৃঙ্খল বা ক্রিস্টালিন।

32. এনট্রপি কী? – একটি সিস্টেমের বিশৃঙ্খলা পরিমাপক।

33. কার্নো চক্রের উদ্ভাবক কে? – সাদি কার্নো।

34. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের সমীকরণ কী? – ΔU = Q – W।

35. একটি আইসোলেটেড সিস্টেমে মোট শক্তি কী থাকে? – অপরিবর্তিত।

36. দ্বিতীয় সূত্রে তাপ প্রবাহের দিক কী? – গরম থেকে ঠান্ডার দিকে।

37. শূন্যতম সূত্র কোন পরিমাণ নির্ধারণ করে? – তাপমাত্রা।

38. তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী, এনট্রপি কখন শূন্য হয়? – শূন্য কেলভিনে।

39. কোন সূত্রে “তাপ ও কাজ পরস্পর পরিবর্তনযোগ্য” বলা হয়েছে? – প্রথম সূত্রে।

40. কোন সূত্রে তাপীয় সাম্যাবস্থা সংজ্ঞায়িত হয়েছে? – শূন্যতম সূত্রে।

41. তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র শক্তির কোন দিকটি বোঝায়? – অপরিবর্তনীয়তা (Irreversibility)।

42. এনট্রপি বৃদ্ধির মানে কী? – প্রক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটছে।

43. কোন সূত্র তাপ ইঞ্জিনের সীমাবদ্ধতা ব্যাখ্যা করে? – দ্বিতীয় সূত্র।

44. প্রথম সূত্র কোন প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ? – শক্তির মানগত পরিবর্তন ব্যাখ্যায়।

45. এনট্রপি হ্রাস পায় কখন? – রিভার্সিবল প্রক্রিয়ায়।

46. পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন বলতে কী বোঝায়? – অনন্তকাল কাজ করা কাল্পনিক যন্ত্র।

47. তৃতীয় সূত্রে কোন পদার্থের এনট্রপি নির্ণীত হয়? – বিশুদ্ধ ক্রিস্টালের।

48. তাপগতিবিদ্যার সূত্রগুলি কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত? – শক্তি, তাপ ও কাজের সম্পর্ক।

49. দ্বিতীয় সূত্রের মাধ্যমে কোন প্রক্রিয়া অসম্ভব বলে প্রমাণিত হয়? – ঠান্ডা থেকে গরমে স্বতঃস্ফূর্ত তাপ প্রবাহ।

50. এনট্রপি শব্দটির মূল গ্রিক অর্থ কী? – রূপান্তর বা পরিবর্তন।

কাজ ও শক্তির রূপান্তর

1. কাজ বলতে কী বোঝায়? — বল প্রয়োগে কোনো বস্তু স্থানান্তরিত হলে তাকে কাজ বলে।

2. কাজের এস.আই. একক কী? — জুল (Joule)।

3. ১ জুল সমান কত নিউটন-মিটার? — ১ নিউটন-মিটার।

4. কাজের মাত্রা কী? — ML²T⁻²।

5. কাজ ধনাত্মক কবে হয়? — যখন বল ও স্থানান্তর একই দিকে হয়।

6. কাজ ঋণাত্মক কবে হয়? — যখন বল ও স্থানান্তর বিপরীত দিকে হয়।

7. কাজ শূন্য কবে হয়? — যখন স্থানান্তর শূন্য হয় বা বল ও স্থানান্তর পরস্পর লম্ব।

8. শক্তি বলতে কী বোঝায়? — কাজ করার ক্ষমতাকে শক্তি বলে।

9. শক্তির এস.আই. একক কী? — জুল (Joule)।

10. শক্তির মাত্রা কী? — ML²T⁻²।

11. ক্ষমতা (Power) বলতে কী বোঝায়? — একক সময়ে সম্পন্ন কাজকে ক্ষমতা বলে।

12. ক্ষমতার এস.আই. একক কী? — ওয়াট (Watt)।

13. ১ হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট? — ৭৪৬ ওয়াট।

14. শক্তি রূপান্তর কী? — শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হওয়াকে শক্তি রূপান্তর বলে।

15. শক্তি সংরক্ষণ সূত্র কী বলে? — শক্তি সৃষ্টি বা বিনষ্ট হয় না, কেবল রূপান্তরিত হয়।

16. বিভব শক্তি কাকে বলে? — কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে তার যে শক্তি থাকে তাকে বিভব শক্তি বলে।

17. গতিশক্তি কাকে বলে? — কোনো বস্তুর গতির কারণে তার যে শক্তি থাকে তাকে গতিশক্তি বলে।

18. গতিশক্তির সূত্র কী? — ½mv²।

19. বিভব শক্তির সূত্র কী? — mgh।

20. কাজের সূত্র কী? — বল × স্থানান্তর = F × S।

21. এক নিউটন বল কী? — ১ কেজি ভরের বস্তুকে ১ মিটার/সেকেন্ড² ত্বরণ দিতে যে বল প্রয়োজন তাকে এক নিউটন বলে।

22. যান্ত্রিক শক্তি বলতে কী বোঝায়? — গতিশক্তি ও বিভব শক্তির যোগফলকে যান্ত্রিক শক্তি বলে।

23. যান্ত্রিক শক্তি সংরক্ষণ সূত্র কী বলে? — কোনো বাহ্যিক বল না থাকলে যান্ত্রিক শক্তি অপরিবর্তিত থাকে।

24. শক্তি রূপান্তরের একটি উদাহরণ দাও। — বৈদ্যুতিক পাখায় বৈদ্যুতিক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি।

25. বিদ্যুৎ বাল্বে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — বৈদ্যুতিক শক্তি → আলো ও তাপ শক্তি।

26. ব্যাটারিতে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — রাসায়নিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি।

27. জেনারেটরে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি।

28. বৈদ্যুতিক মোটরে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — বৈদ্যুতিক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি।

29. সৌর প্যানেলে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — সৌর শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি।

30. মাইক্রোওভেনে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — বৈদ্যুতিক শক্তি → তাপ শক্তি।

31. কাজের ধনাত্মক মানের অর্থ কী? — বস্তুতে শক্তি স্থানান্তর হচ্ছে।

32. কাজের ঋণাত্মক মানের অর্থ কী? — বস্তু থেকে শক্তি হারাচ্ছে।

33. মুক্তপতনে শক্তির রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — বিভব শক্তি → গতিশক্তি।

34. স্প্রিং সংকোচনের সময় শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — যান্ত্রিক শক্তি → বিভব শক্তি।

35. বুলেট গুলিতে শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — রাসায়নিক শক্তি → গতিশক্তি ও তাপ শক্তি।

36. জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — বিভব শক্তি → গতিশক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি।

37. বায়ু টারবাইনে শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — বায়ুর গতিশক্তি → যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি।

38. রকেট উৎক্ষেপণে শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — রাসায়নিক শক্তি → গতিশক্তি।

39. তাপ ইঞ্জিনে শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — তাপ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি।

40. বাষ্প ইঞ্জিনে শক্তি রূপান্তর কীভাবে ঘটে? — তাপ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি।

41. ফটোসিন্থেসিসে শক্তি রূপান্তর কীভাবে হয়? — সৌর শক্তি → রাসায়নিক শক্তি।

42. কাজের শূন্য মানের অর্থ কী? — কোনো শক্তি স্থানান্তর হয়নি।

43. গতি বাড়লে শক্তির কী পরিবর্তন হয়? — গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

44. উচ্চতা বাড়লে শক্তির কী পরিবর্তন হয়? — বিভব শক্তি বৃদ্ধি পায়।

45. কাজের হার কাকে বলে? — নির্দিষ্ট সময়ে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে কাজের হার বলে।

46. ১ জুল শক্তি কবে সম্পন্ন হয়? — যখন ১ নিউটন বল দ্বারা কোনো বস্তু ১ মিটার স্থানান্তরিত হয়।

47. বল যদি শূন্য হয় তবে কাজের মান কী হবে? — শূন্য।

48. স্থানান্তর যদি শূন্য হয় তবে কাজের মান কী হবে? — শূন্য।

49. শক্তির দুইটি প্রধান রূপ কী কী? — বিভব শক্তি ও গতিশক্তি।

50. শক্তির আন্তর্জাতিক একক ব্যবস্থা (SI System)-এর মূল একক কী? — জুল (Joule)।