পদার্থবিদ্যা MCQ - Physical Science mcq for Competitive Exams in Bengali
পদার্থবিদ্যা (Physics)
বৈদ্যুতিক আধান ও কুলম্বের সূত্র
1. বৈদ্যুতিক আধান কাকে বলে → যে বস্তুর দ্বারা তড়িৎ বল উৎপন্ন হয় তাকে বৈদ্যুতিক আধান বলে।
2. আধানের একক কী → কুলম্ব (C)।
3. আধানের প্রতীক কী → Q বা q।
4. ১ কুলম্ব আধানের মান কত → 6.25 × 10¹⁸ ইলেকট্রনের আধানের সমান।
5. একটি ইলেকট্রনের আধানের মান কত → −1.6 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।
6. একটি প্রোটনের আধানের মান কত → +1.6 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।
7. একই ধরনের আধান পরস্পর কী করে → বিকর্ষণ করে।
8. বিপরীত ধরনের আধান পরস্পর কী করে → আকর্ষণ করে।
9. বৈদ্যুতিক আধানের সংরক্ষণ সূত্র কী বলে → আধান সৃষ্টি বা বিনষ্ট হয় না, শুধু স্থানান্তরিত হয়।
10. আধানের পরিমাণ কী ধরনের রাশি → স্কেলার রাশি।
11. কুলম্বের সূত্র কে আবিষ্কার করেন → চার্লস অগাস্টিন দে কুলম্ব।
12. কুলম্বের সূত্র কোন বছরে প্রস্তাব করেন → 1785 সালে।
13. কুলম্বের সূত্র কী বলে → দুই আধানের মধ্যে বল তাদের গুণফলের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
14. কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক রূপ → F = k(q₁q₂)/r²।
15. এখানে k কী → স্থির বৈদ্যুতিক ধ্রুবক বা কুলম্ব ধ্রুবক।
16. k এর মান কত → 9 × 10⁹ N·m²/C²।
17. কুলম্ব ধ্রুবকের একক কী → N·m²/C²।
18. কুলম্বের সূত্র কোন ধরনের সূত্র → বিপরীত বর্গ সূত্র।
19. কুলম্বের সূত্র কোন মাধ্যমের জন্য প্রযোজ্য → স্থির মাধ্যমের জন্য।
20. শূন্যে দুই একক আধান ১ মিটার দূরে থাকলে বলের মান কত → 9 × 10⁹ নিউটন।
21. কুলম্বের সূত্র কোন বলের সাথে তুলনীয় → মহাকর্ষ বলের সাথে।
22. বৈদ্যুতিক বলের প্রকৃতি কী → আকর্ষণ বা বিকর্ষণ উভয়ই হতে পারে।
23. মহাকর্ষ বলের প্রকৃতি কী → সর্বদা আকর্ষণমূলক।
24. বৈদ্যুতিক বল কোন সূত্রে প্রকাশ করা হয় → F = k(q₁q₂)/r²।
25. যদি মাধ্যমের আপেক্ষিক বিন্দু হয় ε, তবে সূত্র কী হবে → F = (1/4πε₀ε) × (q₁q₂)/r²।
26. ε₀ কী → মুক্ত স্থানের পারমিটিভিটি।
27. ε₀ এর মান কত → 8.854 × 10⁻¹² C²/N·m²।
28. মাধ্যমের পারমিটিভিটি বাড়লে বলের মান কী হবে → কমে যাবে।
29. কুলম্বের সূত্র কোন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে → স্থির বৈদ্যুতিক পারস্পরিক ক্রিয়া।
30. বৈদ্যুতিক আধানের প্রকার কয়টি → দুই প্রকার – ধনাত্মক ও ঋণাত্মক।
31. আধানের পরিমাণের সূত্র → Q = ne।
32. এখানে n কী বোঝায় → ইলেকট্রনের সংখ্যা।
33. বৈদ্যুতিক বল কোন প্রকার বল → অ-সংস্পর্শ বল।
34. কুলম্ব বল কোন রাশির উপর নির্ভর করে → আধান ও দূরত্বের উপর।
35. যদি দূরত্ব দ্বিগুণ করা হয়, বল কত গুণে কমবে → চার গুণে কমবে।
36. যদি আধান দ্বিগুণ করা হয়, বল কত গুণে বাড়বে → চার গুণে বাড়বে।
37. কুলম্ব বলের দিক কী → দুই আধানকে সংযোগকারী রেখা বরাবর।
38. বৈদ্যুতিক আধান কোন ধর্মযুক্ত পদার্থে থাকে → পরিবাহক পদার্থে।
39. ইনসুলেটর পদার্থে আধান কীভাবে থাকে → স্থির অবস্থায় থাকে।
40. পরিবাহকের মধ্যে আধানের বণ্টন কেমন → পৃষ্ঠে থাকে।
41. কুলম্বের সূত্রের প্রয়োগ কোথায় দেখা যায় → স্থির তড়িৎ বল নির্ণয়ে।
42. ১ কুলম্ব আধান কাকে বলে → যখন দুই একক আধান ১ মিটার দূরে থাকলে তাদের মধ্যে বল 9×10⁹ N হয়।
43. বৈদ্যুতিক আধানের পরিমাপ কোন যন্ত্রে করা হয় → ইলেক্ট্রোমিটার।
44. তড়িৎ বলের একক কী → নিউটন (N)।
45. কুলম্বের সূত্র প্রযোজ্য নয় কখন → যখন আধান গতি করছে।
46. আধানের সংখ্যা সর্বদা কী থাকে → পূর্ণসংখ্যা গুণিতক।
47. আধানের পরিমাণ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক কীভাবে হয় → ইলেকট্রন হারানো বা গ্রহণের ফলে।
48. ইলেকট্রন হারালে পদার্থ কী হয় → ধনাত্মক আধানযুক্ত।
49. ইলেকট্রন গ্রহণ করলে পদার্থ কী হয় → ঋণাত্মক আধানযুক্ত।
50. কুলম্বের সূত্রের বাস্তব প্রমাণ কে দেন → কুলম্ব নিজেই টর্শন ব্যালান্স দ্বারা।
ওহমের সূত্র (Ohm’s Law), রোধ (Resistance), রোধের সংযোগ
1. ওহমের সূত্র কে প্রবর্তন করেন → জর্জ সাইমন ওহম।
2. ওহমের সূত্র অনুযায়ী V = → IR।
3. ওহমের সূত্রের সমীকরণে V দ্বারা বোঝায় → বিভব পার্থক্য।
4. ওহমের সূত্রের সমীকরণে I দ্বারা বোঝায় → বৈদ্যুতিক প্রবাহ।
5. ওহমের সূত্রের সমীকরণে R দ্বারা বোঝায় → রোধ।
6. ওহমের সূত্রের একক হল → ভোল্ট প্রতি অ্যাম্পিয়ার (অর্থাৎ ওহম)।
7. রোধের একক → ওহম (Ω)।
8. রোধের প্রতীক → R।
9. ওহমের সূত্র প্রযোজ্য হয় → ধাতব পরিবাহকের ক্ষেত্রে।
10. ওহমের সূত্র ব্যর্থ হয় → গ্যাস নির্গমন নল ও সেমিকন্ডাক্টরে।
11. রোধ নির্ভর করে → দৈর্ঘ্য, ব্যাস ও পদার্থের প্রকৃতির উপর।
12. রোধের সূত্র → R = ρl/A।
13. ρ দ্বারা বোঝায় → পদার্থের বিশেষ রোধ।
14. বিশেষ রোধের একক → ওহম মিটার (Ω·m)।
15. রোধ সরাসরি সমানুপাতিক → দৈর্ঘ্যের।
16. রোধ ব্যস্তানুপাতিক → ব্যাসের বর্গের।
17. একই পদার্থের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে রোধ হবে → দ্বিগুণ।
18. ব্যাস দ্বিগুণ করলে রোধ হবে → এক-চতুর্থাংশ।
19. রোধ বেশি হলে প্রবাহ → কমে যায়।
20. রোধ কম হলে প্রবাহ → বেড়ে যায়।
21. রোধ তাপমাত্রার সাথে → বৃদ্ধি পায় (ধাতুতে)।
22. সেমিকন্ডাক্টরে তাপমাত্রা বাড়লে রোধ → কমে যায়।
23. বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক → অ্যাম্পিয়ার (A)।
24. বিভব পার্থক্যের একক → ভোল্ট (V)।
25. যদি 1 ভোল্ট বিভব পার্থক্যে 1 অ্যাম্পিয়ার প্রবাহ ঘটে তবে রোধ হবে → 1 ওহম।
26. রোধ ও প্রবাহের সম্পর্ক → বিপরীতানুপাতিক।
27. রোধক (Resistor) ব্যবহৃত হয় → প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে।
28. সমান্তরাল সংযোগে মোট রোধ → কম হয়।
29. ধারাবাহিক সংযোগে মোট রোধ → বেশি হয়।
30. ধারাবাহিক সংযোগে R = → R₁ + R₂ + R₃ + ...
31. সমান্তরাল সংযোগে 1/R = → 1/R₁ + 1/R₂ + 1/R₃ + ...
32. ধারাবাহিক সংযোগে প্রবাহ → একই থাকে।
33. সমান্তরাল সংযোগে বিভব পার্থক্য → একই থাকে।
34. সমান্তরাল সংযোগে প্রবাহ → বিভক্ত হয়।
35. ধারাবাহিক সংযোগে রোধ বাড়ালে মোট প্রবাহ → কমে যায়।
36. সমান্তরাল সংযোগে রোধ কমালে মোট প্রবাহ → বাড়ে।
37. একক রোধকে বলা হয় → ওহম।
38. পরিবাহকের রোধ পরিবর্তিত হয় → তাপমাত্রা ও দৈর্ঘ্যের সাথে।
39. যদি R₁ = 4Ω, R₂ = 6Ω ধারাবাহিক যুক্ত হয় তবে মোট রোধ → 10Ω।
40. যদি R₁ = 4Ω, R₂ = 6Ω সমান্তরাল যুক্ত হয় তবে মোট রোধ → 2.4Ω।
41. ওহমের সূত্রে I = → V/R।
42. ওহমের সূত্রে R = → V/I।
43. ওহমের সূত্রে V = → IR।
44. রোধক তৈরির জন্য ব্যবহৃত পদার্থ → ম্যানগানিন ও নিক্রোম।
45. রোধকের রঙ চিহ্ন ব্যবহৃত হয় → মান নির্ধারণের জন্য।
46. রোধের বিপরীত রাশি → পরিবাহিতা (Conductance)।
47. পরিবাহিতার একক → সিমেন (Siemens)।
48. একটি তার অর্ধেক করলে তার রোধ হবে → এক-চতুর্থাংশ।
49. যদি দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ ও ব্যাস অর্ধেক হয় তবে রোধ → ৮ গুণ হবে।
50. ওহমের সূত্রের গ্রাফ → সোজা রেখা (V বনাম I)।
কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা
1. কাজের SI একক কী? — জুল (Joule)
2. ১ জুল কাজ বলতে কী বোঝায়? — ১ নিউটন বল দ্বারা ১ মিটার দূরত্বে বস্তুকে সরানো
3. বলের একক কী? — নিউটন (Newton)
4. শক্তির SI একক কী? — জুল (Joule)
5. ক্ষমতার SI একক কী? — ওয়াট (Watt)
6. ১ ওয়াট বলতে কী বোঝায়? — প্রতি সেকেন্ডে ১ জুল কাজ করা
7. ১ কিলোওয়াট = কত ওয়াট? — ১০০০ ওয়াট
8. ১ হর্সপাওয়ার = কত ওয়াট? — ৭৪৬ ওয়াট
9. বলের কাজ শূন্য হয় কখন? — বলের দিক ও গতির দিক পরস্পর লম্ব হলে
10. নেতিবাচক কাজ হয় কখন? — বলের দিক ও গতির দিক বিপরীত হলে
11. যান্ত্রিক শক্তি কী? — গতিশক্তি ও বিভবশক্তির যোগফল
12. শক্তির সংরক্ষণ সূত্র কী বলে? — শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়
13. গতিশক্তির সূত্র কী? — ½mv²
14. বিভবশক্তির সূত্র কী? — mgh
15. শক্তির মাত্রা কী? — ML²T⁻²
16. ক্ষমতার মাত্রা কী? — ML²T⁻³
17. ১ জুল = কত নিউটন-মিটার? — ১ নিউটন-মিটার
18. কাজ করার হারকে কী বলে? — ক্ষমতা
19. বলের দ্বারা করা কাজের সূত্র কী? — W = F × S × cosθ
20. যদি θ = 0°, তবে কাজ হবে? — ধনাত্মক (Positive Work)
21. যদি θ = 90°, তবে কাজ হবে? — শূন্য
22. যদি θ = 180°, তবে কাজ হবে? — ঋণাত্মক (Negative Work)
23. ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = কত জুল? — ৩.৬ × ১০⁶ জুল
24. ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা কী নামে পরিচিত? — ১ ইউনিট বিদ্যুৎ
25. কাজের একক cgs পদ্ধতিতে কী? — আর্গ (erg)
26. ১ জুল = কত আর্গ? — ১০⁷ আর্গ
27. ক্ষমার cgs একক কী? — আর্গ প্রতি সেকেন্ড
28. গতিশক্তি কার উপর নির্ভর করে? — বস্তুর ভর ও বেগের উপর
29. বিভবশক্তি কার উপর নির্ভর করে? — বস্তুর ভর, উচ্চতা ও মহাকর্ষজ ত্বরণের উপর
30. শক্তি রূপান্তরের একটি উদাহরণ দাও। — বৈদ্যুতিক বাল্বে বৈদ্যুতিক শক্তি → আলোক ও তাপ শক্তি
31. সূর্যের শক্তির উৎস কী? — নিউক্লিয়ার ফিউশন (পরমাণু সংযোজন)
32. বস্তুর অবস্থানের কারণে সঞ্চিত শক্তি কী নামে পরিচিত? — বিভবশক্তি
33. বস্তুর গতির কারণে শক্তি কী নামে পরিচিত? — গতিশক্তি
34. মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ ‘g’-এর মান পৃথিবীতে কত? — ৯.৮ m/s²
35. বল ও দূরত্বের গুণফল কী দেয়? — কাজ
36. শক্তি ও সময়ের অনুপাত কী দেয়? — ক্ষমতা
37. শক্তি স্থানান্তরের হার কী? — ক্ষমতা
38. ১ ওয়াট ক্ষমতায় প্রতি সেকেন্ডে কত জুল শক্তি স্থানান্তরিত হয়? — ১ জুল
39. যখন বলের কাজ ধনাত্মক হয়, তখন কী হয়? — বস্তুর শক্তি বৃদ্ধি পায়
40. যখন বলের কাজ ঋণাত্মক হয়, তখন কী হয়? — বস্তুর শক্তি হ্রাস পায়
41. ক্ষমতার একক ওয়াট ছাড়াও আর কী ব্যবহৃত হয়? — হর্সপাওয়ার (H.P)
42. শক্তির রূপান্তরের একটি উদাহরণ দাও। — ডাইনামোতে যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি
43. ব্যাটারিতে কী ধরনের শক্তি সঞ্চিত থাকে? — রাসায়নিক শক্তি
44. লাইট বাল্বে কী ধরনের শক্তি রূপান্তর ঘটে? — বৈদ্যুতিক শক্তি → আলোক ও তাপ শক্তি
45. ইঞ্জিনে শক্তি কোথা থেকে আসে? — জ্বালানির রাসায়নিক শক্তি থেকে
46. কাজ করার ক্ষমতাকে কী বলে? — শক্তি
47. ক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র কী? — Power = Work / Time
48. শক্তি রূপান্তরযোগ্য একটি যন্ত্রের নাম দাও। — বৈদ্যুতিক মোটর
49. গতিশক্তি দ্বিগুণ করলে বেগের পরিবর্তন কী হবে? — √২ গুণ হবে
50. শক্তির মূল উৎস কোনটি? — সূর্য
কির্চহফের সূত্র
1. কির্চহফের সূত্র কয়টি? → দুটি।
2. কির্চহফের প্রথম সূত্রকে আর কী বলা হয়? → কারেন্ট সূত্র বা জংশন সূত্র।
3. কির্চহফের দ্বিতীয় সূত্রকে আর কী বলা হয়? → ভোল্টেজ সূত্র বা লুপ সূত্র।
4. কির্চহফের সূত্র কে প্রবর্তন করেন? → গুস্তাভ কির্চহফ (Gustav Kirchhoff)।
5. কির্চহফের সূত্র কোন নিয়মের উপর ভিত্তি করে? → শক্তি ও আধানের সংরক্ষণ সূত্রের উপর।
6. কির্চহফের প্রথম সূত্র কোন নিয়মের উপর ভিত্তি করে? → আধান সংরক্ষণ সূত্রের উপর।
7. কির্চহফের দ্বিতীয় সূত্র কোন নিয়মের উপর ভিত্তি করে? → শক্তি সংরক্ষণ সূত্রের উপর।
8. কির্চহফের প্রথম সূত্র কোথায় প্রযোজ্য? → একটি জংশনে।
9. কির্চহফের দ্বিতীয় সূত্র কোথায় প্রযোজ্য? → একটি বন্ধ লুপে।
10. কির্চহফের প্রথম সূত্র অনুযায়ী, জংশনে প্রবেশ করা মোট কারেন্ট → বের হওয়া মোট কারেন্টের সমান।
11. কির্চহফের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, বন্ধ লুপে ই.এম.এফ এর যোগফল → সম্ভাব্য পতনের যোগফলের সমান।
12. কির্চহফের সূত্র প্রয়োগ করা হয় কোন সার্কিটে? → জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটে।
13. কির্চহফের সূত্র ও ওহমের সূত্র একত্রে ব্যবহৃত হয় কেন? → সার্কিটের অজানা কারেন্ট নির্ণয়ে।
14. কির্চহফের সূত্র দিয়ে কী নির্ণয় করা যায়? → সার্কিটের বিভিন্ন শাখার কারেন্ট।
15. কির্চহফের সূত্র প্রযোজ্য নয় কোন সার্কিটে? → পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্রযুক্ত সার্কিটে।
16. কির্চহফের প্রথম সূত্রের গাণিতিক রূপ কী? → ∑I = 0।
17. কির্চহফের দ্বিতীয় সূত্রের গাণিতিক রূপ কী? → ∑E = ∑IR।
18. কির্চহফের প্রথম সূত্রে I ধনাত্মক ধরা হয় যখন → জংশনে প্রবেশ করে।
19. কির্চহফের প্রথম সূত্রে I ঋণাত্মক ধরা হয় যখন → জংশন থেকে বের হয়।
20. কির্চহফের দ্বিতীয় সূত্রে সম্ভাব্য পতন ধনাত্মক হয় যখন → কারেন্টের দিকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
21. কির্চহফের সূত্র কোন পদার্থবিজ্ঞানের শাখায় ব্যবহৃত হয়? → বিদ্যুৎবিজ্ঞানে।
22. কির্চহফের সূত্রের সাহায্যে কোন পদ্ধতি তৈরি হয়? → মেশ অ্যানালাইসিস ও নোড অ্যানালাইসিস পদ্ধতি।
23. কির্চহফের সূত্র দিয়ে কী সমাধান করা যায়? → মাল্টি-লুপ সার্কিট।
24. কির্চহফের সূত্রে প্রতিটি লুপকে কী বলা হয়? → মেশ বা লুপ।
25. কির্চহফের সূত্র প্রয়োগ করার সময় কোন নিয়মটি অনুসরণ করতে হয়? → লুপের দিক ধরে সব ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স গণনা করতে হয়।
26. কির্চহফের সূত্রে মোট শক্তি ক্ষয় হয় কি? → না, শক্তি সংরক্ষিত থাকে।
27. কির্চহফের সূত্রের ব্যবহার কোথায় দেখা যায়? → বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণে।
28. কির্চহফের সূত্র আবিষ্কৃত হয় কত সালে? → 1845 সালে।
29. কির্চহফের সূত্র প্রযোজ্য কোন সার্কিটে? → স্থির বৈদ্যুতিক সার্কিটে।
30. কির্চহফের সূত্র অনুযায়ী সার্কিটে চার্জ কোথাও → জমা হয় না।
ক্যাপাসিটার
ক্যাপাসিটার কী? → বৈদ্যুতিক আধান সঞ্চয়কারী যন্ত্রকে ক্যাপাসিটার বলে।
ক্যাপাসিটরের একক কী? → ফ্যারাড (Farad)।
এক ফ্যারাড সমান কত? → এক কুলম্ব/ভোল্ট (1 F = 1 C/V)।
ক্যাপাসিটরের প্রতীক কী? → দুটি সমান্তরাল রেখা (‖)।
ক্যাপাসিটরে কোন শক্তি সঞ্চিত থাকে? → বৈদ্যুতিক বিভব শক্তি।
ক্যাপাসিটরের কাজ কী? → বৈদ্যুতিক আধান সঞ্চয় করা ও প্রয়োজনে নির্গত করা।
সমান্তরাল পাত ক্যাপাসিটর কী? → দুটি সমান্তরাল ধাতব পাতের মধ্যে নিরোধক বসিয়ে তৈরি ক্যাপাসিটর।
ক্যাপাসিটরের মধ্যে নিরোধক পদার্থকে কী বলে? → ডাইইলেকট্রিক (Dielectric)।
ক্যাপাসিটরের ধারকতা কিসের উপর নির্ভর করে? → পাতের ক্ষেত্রফল, পাতের দূরত্ব ও ডাইইলেকট্রিক ধ্রুবকের উপর।
ধারকতার সূত্র কী? → C = εA/d।
ধারকতার একক এসআই পদ্ধতিতে কী? → ফ্যারাড (F)।
এক মাইক্রোফ্যারাড সমান কত ফ্যারাড? → 10⁻⁶ ফ্যারাড।
এক পিকোফ্যারাড সমান কত ফ্যারাড? → 10⁻¹² ফ্যারাড।
ধারকতাকে কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়? → ‘C’ দ্বারা।
ধারকতার উপর তাপমাত্রার কী প্রভাব পড়ে? → সাধারণত তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ধারকতা বৃদ্ধি পায়।
ধারকতা বৃদ্ধি পায় কীভাবে? → ডাইইলেকট্রিক ধ্রুবক বৃদ্ধি বা পাতের দূরত্ব হ্রাসে।
ধারকতা হ্রাস পায় কবে? → পাতের দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে।
ক্যাপাসিটর চার্জ হলে কী সঞ্চিত হয়? → বৈদ্যুতিক শক্তি।
ক্যাপাসিটরে সঞ্চিত শক্তির সূত্র কী? → W = ½ CV²।
সিরিজে ক্যাপাসিটর যুক্ত হলে মোট ধারকতা কেমন হয়? → মোট ধারকতা কমে যায়।
সমান্তরালে ক্যাপাসিটর যুক্ত হলে মোট ধারকতা কেমন হয়? → মোট ধারকতা বৃদ্ধি পায়।
ক্যাপাসিটর ডিসচার্জ হলে কী ঘটে? → সঞ্চিত আধান নির্গত হয়।
ক্যাপাসিটর মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? → বিদ্যুৎ বর্তনীতে চার্জ সঞ্চয় ও ফিল্টারিং কাজে।
ইলেকট্রনিক সার্কিটে ক্যাপাসিটরের ভূমিকা কী? → ভোল্টেজের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করা।
ক্যাপাসিটরের দুটি প্রধান ধরণ কী? → স্থির (Fixed) ও পরিবর্তনশীল (Variable)।
পরিবর্তনশীল ক্যাপাসিটর কোথায় ব্যবহৃত হয়? → রেডিও টিউনিং সার্কিটে।
ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর কিসের দ্বারা তৈরি? → অ্যালুমিনিয়াম বা ট্যান্টালাম অক্সাইড দ্বারা।
ক্যাপাসিটরের পাত দুটি সাধারণত কী দ্বারা তৈরি হয়? → ধাতব পাত (অ্যালুমিনিয়াম বা টিন)।
ক্যাপাসিটরের ভেতরের নিরোধক মাধ্যম কী হতে পারে? → বায়ু, মাইকা, কাচ বা প্লাস্টিক।
ক্যাপাসিটরের প্রয়োগ কোথায় দেখা যায়? → টেলিভিশন, রেডিও, কম্পিউটার ও পাওয়ার সাপ্লাই সার্কিটে।
স্থায়ী ও কৃত্রিম চুম্বক
1. স্থায়ী চুম্বক কাকে বলে → যে চুম্বক দীর্ঘদিন পর্যন্ত তার চুম্বকত্ব ধরে রাখে তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
2. কৃত্রিম চুম্বক কাকে বলে → মানুষের দ্বারা তৈরি চুম্বককে কৃত্রিম চুম্বক বলে।
3. প্রাকৃতিক চুম্বক কাকে বলে → প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক বলে।
4. প্রাকৃতিক চুম্বকের উদাহরণ → লোডস্টোন বা ম্যাগনেটাইট।
5. কৃত্রিম চুম্বকের উদাহরণ → ইলেকট্রোম্যাগনেট, বার ম্যাগনেট।
6. স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত পদার্থ → স্টিল।
7. অস্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত পদার্থ → নরম লোহা।
8. কৃত্রিম চুম্বক প্রথম তৈরি করেন → উইলিয়াম গিলবার্ট।
9. উইলিয়াম গিলবার্ট কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন → ইংল্যান্ডের।
10. স্থায়ী চুম্বকের ব্যবহার → কম্পাস বা চৌম্বক সূচক তৈরিতে।
11. কৃত্রিম চুম্বকের প্রধান ব্যবহার → বৈদ্যুতিক মোটর ও জেনারেটরে।
12. চুম্বকের দুই মেরু হল → উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু।
13. চুম্বকের মেরু কখনো আলাদা করা যায় কি → না, কখনো যায় না।
14. চুম্বককে গরম করলে তার চুম্বকত্বের কি হয় → চুম্বকত্ব হ্রাস পায়।
15. চুম্বক ঠান্ডা করলে তার চুম্বকত্বের কি হয় → চুম্বকত্ব বৃদ্ধি পায়।
16. পৃথিবী নিজেই এক ধরনের চুম্বক কেন → এর কেন্দ্রে গলিত লোহার উপস্থিতির জন্য।
17. পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু কোনদিকে → ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরুর কাছে।
18. পৃথিবীর চৌম্বক দক্ষিণ মেরু কোনদিকে → ভৌগোলিক উত্তর মেরুর কাছে।
19. বার ম্যাগনেটের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখার আকৃতি কেমন → ধনুকাকৃতি।
20. স্থায়ী চুম্বক কিসের দ্বারা তৈরি হয় → স্টিল বা অ্যালনিকো দ্বারা।
21. কৃত্রিম চুম্বক তৈরি করা যায় কীভাবে → চৌম্বক প্ররোচনা বা বৈদ্যুতিক প্রবাহের মাধ্যমে।
22. অ্যালনিকো কী → অ্যালুমিনিয়াম, নিকেল ও কোবাল্টের মিশ্রণ।
23. চুম্বকের শক্তি সর্বাধিক কোথায় থাকে → দুই মেরুতে।
24. চৌম্বকত্ব সর্বনিম্ন কোথায় থাকে → চুম্বকের মাঝখানে।
25. ইলেকট্রোম্যাগনেট কাকে বলে → বৈদ্যুতিক প্রবাহ দ্বারা সৃষ্ট চুম্বককে ইলেকট্রোম্যাগনেট বলে।
26. ইলেকট্রোম্যাগনেটের চুম্বকত্ব কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় → বৈদ্যুতিক প্রবাহ পরিবর্তন করে।
27. স্থায়ী চুম্বক কি সহজে নষ্ট হয় → না।
28. অস্থায়ী চুম্বক কি সহজে নষ্ট হয় → হ্যাঁ।
29. কম্পাসের চুম্বক কোন ধরনের → স্থায়ী চুম্বক।
30. বিদ্যুৎ চালু থাকলে যে চুম্বক কাজ করে → ইলেকট্রোম্যাগনেট।
31. টেলিফোনের রিসিভারে কোন চুম্বক ব্যবহৃত হয় → স্থায়ী চুম্বক।
32. বৈদ্যুতিক ঘণ্টায় কোন চুম্বক ব্যবহৃত হয় → ইলেকট্রোম্যাগনেট।
33. চুম্বকের চৌম্বক বলের দিক কেমন → উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে।
34. লোহা কি প্রাকৃতিকভাবে চুম্বক → না।
35. চুম্বককে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় → তিনটি – প্রাকৃতিক, স্থায়ী ও অস্থায়ী।
36. কৃত্রিম চুম্বক তৈরির পদ্ধতির নাম → প্ররোচনা পদ্ধতি ও স্পর্শ পদ্ধতি।
37. স্পর্শ পদ্ধতিতে চুম্বক তৈরিতে কী লাগে → বিদ্যমান চুম্বক।
38. চুম্বক কী ধরনের পদার্থ আকর্ষণ করে → চৌম্বক পদার্থ।
39. চৌম্বক পদার্থের উদাহরণ → লোহা, কোবাল্ট, নিকেল।
40. অচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ → তামা, কাঠ, অ্যালুমিনিয়াম।
41. চুম্বকের মেরু কে প্রথম নির্ধারণ করেন → উইলিয়াম গিলবার্ট।
42. চুম্বকের এক মেরু নষ্ট হলে অপর মেরুর কি হয় → উভয় মেরুই দুর্বল হয়।
43. ছোট ছোট চৌম্বক অঞ্চলের নাম কী → ডোমেইন।
44. ডোমেইন সমান্তরাল হলে পদার্থ কী হয় → চুম্বক।
45. ডোমেইন বিশৃঙ্খল হলে পদার্থ কী হয় → অচুম্বক।
46. কৃত্রিম চুম্বককে শক্তিশালী করতে কী করা হয় → ঠান্ডা অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়।
47. চুম্বকের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী → আকর্ষণ ও বিকর্ষণ।
48. দুই মেরু বিপরীত হলে কী হয় → আকর্ষণ।
49. দুই মেরু একই হলে কী হয় → বিকর্ষণ।
50. স্থায়ী চুম্বক কোথায় ব্যবহার হয় → স্পিকার, কম্পাস, মিটার ও জেনারেটরে।
পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্
1. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের উৎস কোথায়? → পৃথিবীর অন্তঃকেন্দ্রে গলিত লোহা ও নিকেলের গতির কারণে।
2. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্র কেমন? → এটি একটি ডাইপোল ক্ষেত্র।
3. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের শক্তি কোথায় সর্বাধিক? → মেরু অঞ্চলে।
4. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের শক্তি কোথায় সর্বনিম্ন? → বিষুবরেখায়।
5. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের কাল্পনিক উৎসকে কী বলে? → পৃথিবীর চৌম্বক দ্বিপোল।
6. পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু কোথায় অবস্থিত? → ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরুর নিকটে।
7. পৃথিবীর চৌম্বক দক্ষিণ মেরু কোথায় অবস্থিত? → ভৌগোলিক উত্তর মেরুর নিকটে।
8. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা মাপার একক কী? → টেসলা (Tesla)।
9. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের গড় মান প্রায় কত? → প্রায় 3.1 × 10⁻⁵ টেসলা।
10. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র প্রথম কে আবিষ্কার করেন? → উইলিয়াম গিলবার্ট।
11. উইলিয়াম গিলবার্টের রচিত বইয়ের নাম কী? → De Magnete।
12. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের রেখাগুলি কোন দিক নির্দেশ করে? → চৌম্বক উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে।
13. পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের ফলে কোন যন্ত্র কাজ করে? → দিক নির্দেশক (কম্পাস)।
14. চৌম্বক বিষুবরেখা কী? → যে রেখা বরাবর চৌম্বক সূচকের ডিপ শূন্য হয়।
15. চৌম্বক মেরু কী? → যেখানে চৌম্বক সূচক সম্পূর্ণভাবে উল্লম্বভাবে থাকে।
16. চৌম্বক ডিক্লিনেশন কী? → ভৌগোলিক উত্তর ও চৌম্বক উত্তরের মধ্যে কোণ।
17. চৌম্বক ডিপ বা ইনক্লিনেশন কী? → চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা ও অনুভূমিক সমতলের মধ্যে কোণ।
18. চৌম্বক ডিপ কোথায় সর্বাধিক? → চৌম্বক মেরুতে।
19. চৌম্বক ডিপ কোথায় শূন্য? → চৌম্বক বিষুবরেখায়।
20. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তনকে কী বলে? → ভূচৌম্বক পরিবর্তন।
21. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র কত বছর অন্তর দিক পরিবর্তন করে? → প্রায় প্রতি 2.5 লক্ষ বছর অন্তর।
22. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রধান কারণ কী? → গলিত ধাতব স্তরে বৈদ্যুতিক প্রবাহের সৃষ্টি।
23. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র কোন তত্ত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়? → ডাইনামো তত্ত্ব।
24. পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু বর্তমানে কোথায় অবস্থিত? → কানাডার উত্তরাঞ্চলে।
25. পৃথিবীর চৌম্বক দক্ষিণ মেরু বর্তমানে কোথায় অবস্থিত? → অ্যান্টার্কটিকার নিকটে।
26. চৌম্বক রেখাগুলি কখনও কি পরস্পর ছেদ করে? → না, কখনও ছেদ করে না।
27. চৌম্বক বল সর্বাধিক কোথায় থাকে? → মেরু অঞ্চলে।
28. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের অস্তিত্বের প্রমাণ কীভাবে পাওয়া যায়? → কম্পাস সূচকের দিক নির্দেশ দ্বারা।
29. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের মানে সময়ের সাথে কী ঘটে? → ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
30. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের গুরুত্ব কী? → এটি প্রাণী, নাবিক ও বিমানচালকদের দিক নির্ধারণে সাহায্য করে।
তড়িৎচুম্বকত্ব (Electromagnetism)
1. তড়িৎচুম্বকত্বের আবিষ্কারক কে? → হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওরস্টেড।
2. তড়িৎচুম্বকত্বের মূল সূত্র কে দিয়েছিলেন? → জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।
3. ওরস্টেড কোন বছরে তড়িৎচুম্বকত্ব আবিষ্কার করেন? → 1820 সালে।
4. তড়িৎচুম্বক বলতে কী বোঝায়? → তড়িৎ প্রবাহিত কুণ্ডলীতে উৎপন্ন চুম্বক।
5. তড়িৎচুম্বকের চুম্বকত্বের উপর কী নির্ভর করে? → প্রবাহিত তড়িৎ ও কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা।
6. তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তন কার দ্বারা আবিষ্কৃত হয়? → মাইকেল ফ্যারাডে।
7. তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তনের সূত্র কে দিয়েছিলেন? → ফ্যারাডে।
8. তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তন বলতে কী বোঝায়? → পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে তড়িৎ সঞ্চালন।
9. লেন্জের সূত্র কী বোঝায়? → প্রবর্তিত তড়িৎ সর্বদা উৎপাদক পরিবর্তনকে বাধা দেয়।
10. লেন্জের সূত্রের ভিত্তি কোন সূত্রে? → শক্তির নিত্যতার সূত্রে।
11. ফ্যারাডে'র প্রথম সূত্র কী বলে? → চৌম্বক ফ্লাক্স পরিবর্তনে তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি হয়।
12. ফ্যারাডে'র দ্বিতীয় সূত্র কী বলে? → প্রবর্তিত বিভব চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে নির্ভর করে।
13. প্রবর্তিত তড়িৎ কোন কারণে উৎপন্ন হয়? → পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্রের জন্য।
14. তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তন পরীক্ষায় কোন ধাতব দণ্ড ব্যবহার করা হয়? → লোহা।
15. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি কত? → 3 × 10⁸ মিটার/সেকেন্ড।
16. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের বিস্তার কীভাবে ঘটে? → আনুভূমিকভাবে।
17. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের দুটি উপাদান কী? → তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র।
18. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের তড়িৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্র পরস্পর কোনভাবে থাকে? → লম্বভাবে।
19. রেডিও তরঙ্গের আবিষ্কারক কে? → হাইনরিখ হার্টজ।
20. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সর্বাধিক তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোনটার? → রেডিও তরঙ্গের।
21. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোনটার? → গামা রশ্মির।
22. আলো কী ধরনের তরঙ্গ? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
23. ম্যাক্সওয়েল কোন সমীকরণগুলির মাধ্যমে তড়িৎচুম্বকত্ব ব্যাখ্যা করেন? → ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ।
24. ম্যাক্সওয়েল সমীকরণের সংখ্যা কত? → চারটি।
25. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের শক্তি কী দ্বারা বহন করা হয়? → ফোটন দ্বারা।
26. চৌম্বক ফ্লাক্সের একক কী? → ওয়েবার (Weber)।
27. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের আবিষ্কার কবে হয়? → 1887 সালে।
28. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের তত্ত্ব কে দেন? → জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।
29. ইন্ডাকশন কয়েল কোথায় ব্যবহৃত হয়? → উচ্চ ভোল্টেজ উৎপাদনে।
30. ট্রান্সফরমারের কাজের মূলনীতি কী? → তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তন।
31. মোটরের কাজের মূলনীতি কী? → তড়িৎচুম্বকীয় বল।
32. জেনারেটরের কাজের মূলনীতি কী? → তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তন।
33. তড়িৎচুম্বকীয় বল কিসের উপর নির্ভর করে? → প্রবাহ ও চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতার উপর।
34. লরেঞ্জ বল কী? → তড়িৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রের সম্মিলিত বল।
35. লরেঞ্জ বল সূত্র কে দেন? → হেন্ড্রিক লরেঞ্জ।
36. গ্যালভানোমিটার কী? → ক্ষুদ্র তড়িৎ সঞ্চালন নির্ণয়কারী যন্ত্র।
37. অ্যামিটার কী দ্বারা কাজ করে? → গ্যালভানোমিটার ও রেজিস্টর দ্বারা।
38. তড়িৎচুম্বকীয় প্রবর্তনের একক কী? → ওয়েবার প্রতি সেকেন্ড।
39. পরিবর্তনশীল তড়িৎ প্রবাহ কী সৃষ্টি করে? → পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র।
40. পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র কী সৃষ্টি করে? → প্রবর্তিত তড়িৎ ক্ষেত্র।
41. রেডিও সম্প্রচারে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
42. চৌম্বক ক্ষেত্রের একক কী? → টেসলা (Tesla)।
43. এক টেসলা সমান কত? → 1 ওয়েবার প্রতি বর্গমিটার।
44. চৌম্বক বলের দিক কীভাবে নির্ধারিত হয়? → ডানহাত নিয়ম দ্বারা।
45. তড়িৎ প্রবাহিত সরল তারের চারপাশে কী উৎপন্ন হয়? → চৌম্বক ক্ষেত্র।
46. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের ব্যবহার কোথায়? → যোগাযোগ, চিকিৎসা ও রাডারে।
47. মোটরের মধ্যে কোন শক্তি রূপান্তর ঘটে? → তড়িৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে।
48. জেনারেটরে কোন শক্তি রূপান্তর ঘটে? → যান্ত্রিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তিতে।
49. ইলেক্ট্রোম্যাগনেট তৈরিতে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়? → নরম লোহা।
50. চৌম্বক ফ্লাক্স ঘনত্বের একক কী? → টেসলা।
অ্যাম্পিয়ারের সূত্র
1. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কে প্রবর্তন করেন? – আন্দ্রে ম্যারি অ্যাম্পিয়ার।
2. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত? – চৌম্বক ক্ষেত্র ও বৈদ্যুতিক প্রবাহের সম্পর্কের সাথে।
3. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন মৌলিক সূত্রের অনুরূপ? – গাউসের সূত্রের।
4. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের গাণিতিক রূপ কী? – ∮𝐁·d𝐥 = μ₀I।
5. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র অনুযায়ী চৌম্বক ক্ষেত্র কোন কিছুর উপর নির্ভর করে? – পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের উপর।
6. μ₀ এর মান কত? – 4π × 10⁻⁷ H/m।
7. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র প্রযোজ্য কোন ধরনের চৌম্বক ক্ষেত্রে? – স্থির বা স্থায়ী চৌম্বক ক্ষেত্রে।
8. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের সাহায্যে কোন নিয়ম উদ্ভূত করা যায়? – বায়োট-সাভার্ট সূত্র।
9. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি? – চৌম্বক ক্ষেত্রের আবর্তন নীতি।
10. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রে ∮ প্রতীকটি কী বোঝায়? – একটি বন্ধ পথ বরাবর সমাকলন।
11. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের সাহায্যে কোনটির চৌম্বক ক্ষেত্র নির্ণয় করা যায়? – অসীম দীর্ঘ সরল পরিবাহক।
12. অসীম দীর্ঘ সরল পরিবাহকের ক্ষেত্রে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান কীভাবে নির্ণয় হয়? – B = μ₀I / (2πr)।
13. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন প্রকার ক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য নয়? – পরিবর্তনশীল তড়িৎ ক্ষেত্রের জন্য।
14. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রকে কে পরিমার্জন করেন? – জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।
15. ম্যাক্সওয়েল অ্যাম্পিয়ারের সূত্রে কোন পদটি যোগ করেন? – স্থানচ্যুতি প্রবাহ পদ।
16. পরিবর্তিত সূত্রটি কী নামে পরিচিত? – অ্যাম্পিয়ার-ম্যাক্সওয়েল সূত্র।
17. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন প্রকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? – স্থির তড়িৎ প্রবাহ ক্ষেত্রের ক্ষেত্রে।
18. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রে B কী বোঝায়? – চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা।
19. d𝐥 কী নির্দেশ করে? – ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্যের উপাদান ভেক্টর।
20. I কী বোঝায় অ্যাম্পিয়ারের সূত্রে? – বন্ধ লুপের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মোট তড়িৎ প্রবাহ।
21. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র থেকে কী ধরনের ক্ষেত্র পাওয়া যায়? – আবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র।
22. সমান তড়িৎ প্রবাহের বিভিন্ন বিন্যাসে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান নির্ণয়ে কোন সূত্র ব্যবহৃত হয়? – অ্যাম্পিয়ারের সূত্র।
23. অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের সাহায্যে কোন রূপে তড়িৎচুম্বক ক্ষেত্র নির্ণয় করা হয়? – সমমিতি রূপে।
24. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কিসের ভিত্তি স্থাপন করে? – তড়িৎচুম্বকত্বের।
25. যদি কোনো বন্ধ পথে মোট প্রবাহ শূন্য হয় তবে ∮𝐁·d𝐥 এর মান কত হবে? – শূন্য।
26. সোলেনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্র নির্ণয়ে কোন সূত্র ব্যবহৃত হয়? – অ্যাম্পিয়ারের সূত্র।
27. টরয়েডের ভিতরের চৌম্বক ক্ষেত্রের মান কীভাবে নির্ণয় হয়? – অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের সাহায্যে।
28. টরয়েডের বাইরে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান কত? – শূন্য।
29. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন ধরনের সমাকলনের উপর নির্ভরশীল? – রেখা সমাকলন।
30. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র কোন অধ্যায়ের অন্তর্গত? – তড়িৎচুম্বকত্ব।
মোটর ও জেনারেটরের নীতি
1. মোটর কোন নীতির উপর কাজ করে? — চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে প্রবাহিত পরিবাহকের উপর বল ক্রিয়ার নীতির উপর।
2. জেনারেটর কোন নীতির উপর কাজ করে? — তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের নীতির উপর।
3. তড়িৎ মোটরকে ইংরেজিতে কী বলে? — Electric Motor।
4. তড়িৎ জেনারেটরকে ইংরেজিতে কী বলে? — Electric Generator।
5. মোটর কী করে? — এটি বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
6. জেনারেটর কী করে? — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
7. মোটরের আবিষ্কারক কে? — মাইকেল ফ্যারাডে।
8. জেনারেটরের আবিষ্কারক কে? — মাইকেল ফ্যারাডে।
9. মোটরে কোন প্রকার শক্তির রূপান্তর ঘটে? — বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি।
10. জেনারেটরে কোন প্রকার শক্তির রূপান্তর ঘটে? — যান্ত্রিক শক্তি থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি।
11. মোটর ও জেনারেটর উভয়েই কোন মৌলিক যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে? — আর্মেচার।
12. মোটরের প্রধান অংশ কয়টি? — তিনটি (আর্মেচার, কমিউটেটর, ব্রাশ)।
13. জেনারেটরের প্রধান অংশ কয়টি? — তিনটি (আর্মেচার, ফিল্ড ম্যাগনেট, কমিউটেটর)।
14. মোটরে কমিউটেটরের কাজ কী? — কারেন্টের দিক পরিবর্তন করে।
15. জেনারেটরে কমিউটেটরের কাজ কী? — উৎপন্ন তড়িৎকে একমুখী করে।
16. মোটর চলার সময় কোন ধরনের শক্তি ক্ষয় হয়? — তাপ ও ঘর্ষণজনিত শক্তি ক্ষয়।
17. জেনারেটরে তড়িৎ উৎপন্ন হওয়ার কারণ কী? — চুম্বক ক্ষেত্র কেটে যাওয়া পরিবাহকের মধ্যে আবেশিত ইএমএফ।
18. মোটরের দিক নির্ধারণের জন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করা হয়? — ফ্লেমিং-এর বাঁ-হাতের সূত্র।
19. জেনারেটরের দিক নির্ধারণের জন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করা হয়? — ফ্লেমিং-এর ডান-হাতের সূত্র।
20. ডিসি মোটরে কী ধরনের কারেন্ট ব্যবহৃত হয়? — একমুখী (DC) কারেন্ট।
21. এসি মোটরে কী ধরনের কারেন্ট ব্যবহৃত হয়? — পরিবর্তী (AC) কারেন্ট।
22. ডিসি জেনারেটর কী উৎপন্ন করে? — একমুখী তড়িৎ।
23. এসি জেনারেটর কী উৎপন্ন করে? — পরিবর্তী তড়িৎ।
24. মোটরে ব্যাক ইএমএফ কী? — মোটরের চলার সময় বিপরীতমুখী আবেশিত ইএমএফ।
25. ব্যাক ইএমএফ কীভাবে মোটরের কাজকে প্রভাবিত করে? — এটি কারেন্টকে সীমিত রাখে।
26. জেনারেটরের আউটপুট কী দ্বারা নির্ভর করে? — ঘূর্ণনের গতি ও চুম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা দ্বারা।
27. মোটরের ঘূর্ণনের দিক কীভাবে পরিবর্তন করা যায়? — কারেন্টের দিক বা চুম্বক মেরু পরিবর্তন করে।
28. জেনারেটরের ঘূর্ণনের গতি বৃদ্ধি করলে কী হয়? — উৎপন্ন ভোল্টেজ বৃদ্ধি পায়।
29. মোটর শুরু হওয়ার সময় কারেন্ট বেশি হয় কেন? — ব্যাক ইএমএফ তখন শূন্য থাকে।
30. মোটর ও জেনারেটরের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী? — মোটর তড়িৎ থেকে গতি উৎপন্ন করে, জেনারেটর গতি থেকে তড়িৎ উৎপন্ন করে।