জীববিজ্ঞান MCQ - Life Science Question Answer for Competitive Exams in Bengali
জীবন বিজ্ঞান (Biology)
গ্রেগর মেন্ডেলের সূত্র
1. জিনতত্ত্বের জনক কে – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল।
2. মেন্ডেল কোন উদ্ভিদের উপর পরীক্ষা করেছিলেন – মটর গাছের উপর।
3. মেন্ডেলের পরীক্ষায় কতটি বৈশিষ্ট্য নেওয়া হয়েছিল – সাতটি বৈশিষ্ট্য।
4. মেন্ডেলের পরীক্ষার ফল প্রথম প্রকাশিত হয় কবে – ১৮৬৬ সালে।
5. মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের নাম কী – একগামিতা সূত্র (Law of Dominance)।
6. মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের নাম কী – বিভাজন সূত্র (Law of Segregation)।
7. মেন্ডেলের তৃতীয় সূত্রের নাম কী – স্বাধীন বণ্টন সূত্র (Law of Independent Assortment)।
8. মেন্ডেলের পরীক্ষায় কোন প্রজন্মকে F₁ বলা হয় – প্রথম সন্ততি প্রজন্মকে।
9. মেন্ডেল কোথায় কাজ করতেন – ব্রুনো মঠে (অস্ট্রিয়া)।
10. মেন্ডেলের পরীক্ষার ফল পুনরায় আবিষ্কার করেন কারা – ডি ভ্রিস, কোরেন্স ও চেরমাক।
11. মেন্ডেল পরীক্ষায় কোন বৈশিষ্ট্যটি বেছে নিয়েছিলেন – ফুলের রঙ, বীজের আকার ও রঙ ইত্যাদি।
12. মেন্ডেল মটর গাছ বেছে নিয়েছিলেন কেন – স্ব-পরাগায়ন ও সহজ ক্রস করার জন্য।
13. মেন্ডেলের সূত্র প্রযোজ্য নয় কোন ক্ষেত্রে – সংযুক্ত জিনে (Linked genes)।
14. মেন্ডেলের সূত্র প্রমাণে কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় – ক্রস-ব্রিডিং পদ্ধতি।
15. জিনতত্ত্ব শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন – উইলিয়াম বেটসন।
16. মেন্ডেলের পরীক্ষায় ব্যবহৃত উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম কী – Pisum sativum।
17. মেন্ডেলের কাজের গুরুত্ব কবে স্বীকৃতি পায় – ১৯০০ সালে।
18. মেন্ডেলের সূত্র কোন প্রকার বংশগতিকে ব্যাখ্যা করে – গুণগত বংশগতিকে।
19. F₂ প্রজন্মে বিভাজন অনুপাত কত – ৩:১।
20. মেন্ডেলের সূত্রের মূল ভিত্তি কী – বংশগত একক বা জিনের কার্য।
DNA ও RNA এর গঠন
1. DNA এর পূর্ণরূপ কী – Deoxyribonucleic Acid।
2. RNA এর পূর্ণরূপ কী – Ribonucleic Acid।
3. DNA এর গঠন কেমন – দ্বি-সূত্রী হেলিকাল গঠন (Double Helix Structure)।
4. RNA এর গঠন কেমন – একসূত্রী গঠন (Single Stranded Structure)।
5. DNA আবিষ্কার করেন কে – জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক।
6. DNA এর মডেল প্রস্তাব করেন কবে – ১৯৫৩ সালে।
7. DNA এর চিনি অংশ কী – ডিঅক্সিরাইবোজ।
8. RNA এর চিনি অংশ কী – রাইবোজ।
9. DNA তে কত প্রকার নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে – চার প্রকার (A, T, G, C)।
10. RNA তে কোন ক্ষারকটি থাইমিনের পরিবর্তে থাকে – ইউরাসিল (Uracil)।
11. DNA তে অ্যাডেনিনের সাথে কোন ক্ষারক যুক্ত হয় – থাইমিন।
12. RNA তে অ্যাডেনিনের সাথে কোন ক্ষারক যুক্ত হয় – ইউরাসিল।
13. DNA তে গুয়ানিনের সাথে কোন ক্ষারক যুক্ত হয় – সাইটোসিন।
14. DNA কোষের কোন অংশে থাকে – নিউক্লিয়াসে।
15. RNA প্রধানত কোন স্থানে পাওয়া যায় – সাইটোপ্লাজমে ও রাইবোজোমে।
16. RNA এর প্রধান তিন প্রকার কী – mRNA, tRNA, rRNA।
17. mRNA এর কাজ কী – প্রোটিন সংশ্লেষণের তথ্য বহন করা।
18. tRNA এর কাজ কী – অ্যামিনো অ্যাসিড পরিবহন করা।
19. rRNA এর কাজ কী – রাইবোজোম গঠন করা।
20. DNA কে বংশগতির বাহক বলা হয় কেন – এটি বংশগত তথ্য বহন করে ও প্রজন্মান্তরে স্থানান্তরিত করে।
ক্রোমোজোম ও জিন
1. ক্রোমোজোম কী – নিউক্লিয়াসে উপস্থিত ডিএনএ ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত সূক্ষ্ম সুতোসদৃশ গঠন।
2. ‘Chromosome’ শব্দের অর্থ কী – রঙে রঞ্জিত দেহ।
3. ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কে – ওয়ালথার ফ্লেমিং।
4. মানবদেহে মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা কত – ৪৬ (২৩ জোড়া)।
5. গ্যামেটে (যৌন কোষে) ক্রোমোজোম সংখ্যা কত – ২৩।
6. অটোসোম কী – যৌন নির্ধারণে অংশ না নেওয়া ক্রোমোজোম।
7. সেক্স ক্রোমোজোম কী – লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
8. মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি – ২টি (XX বা XY)।
9. নারীদের ক্রোমোজোম বিন্যাস কী – XX।
10. পুরুষদের ক্রোমোজোম বিন্যাস কী – XY।
11. জিন কী – ডিএনএর একটি নির্দিষ্ট অংশ যা বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
12. ‘Gene’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে – উইলহেল্ম জোহানসেন।
13. ক্রোমোজোমের দৃশ্যমান অংশকে কী বলে – ক্রোমাটিড।
14. দুটি ক্রোমাটিডকে যুক্ত রাখে যে অংশ – সেন্ট্রোমিয়ার।
15. ক্রোমোজোমের প্রোটিন অংশ কী – হিস্টোন প্রোটিন।
16. বংশগতির একক হিসেবে জিনের কাজ কী – বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা।
17. মানুষের মধ্যে প্রায় কতটি জিন আছে – প্রায় ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০টি।
18. ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থায়ী থাকে কেন – মিয়োসিস বিভাজনের জন্য।
19. একই ধরনের ক্রোমোজোমের জোড়াকে কী বলে – সমগোত্রীয় ক্রোমোজোম (Homologous Chromosome)।
20. ক্রোমোজোম ও জিনের সম্পর্ক কী – জিন ক্রোমোজোমের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে এবং বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে।
বংশগতির নীতি
1. বংশগতি কী – জীবের বৈশিষ্ট্য এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তর হওয়াকে বংশগতি বলে।
2. বংশগতি বিজ্ঞানের জনক কে – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল।
3. বংশগতির একক কী – জিন।
4. বংশগতি ঘটে কোন পদার্থের মাধ্যমে – ডিএনএর মাধ্যমে।
5. বংশগতির নীতি কত প্রকার – তিন প্রকার (একগামিতা, বিভাজন, স্বাধীন বণ্টন)।
6. ডমিন্যান্ট জিন কী – যে জিন অন্যটির প্রভাবকে দমন করে।
7. রিসেসিভ জিন কী – যে জিন ডমিন্যান্ট জিন দ্বারা দমিত হয়।
8. হোমোজাইগাস কী – যখন দুটি জিন একই প্রকৃতির হয়।
9. হেটেরোজাইগাস কী – যখন দুটি জিন ভিন্ন প্রকৃতির হয়।
10. ফেনোটাইপ কী – জীবের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য।
11. জেনোটাইপ কী – জীবের জিনগত গঠন।
12. মেন্ডেল কতটি বৈশিষ্ট্যের উপর পরীক্ষা করেছিলেন – সাতটি বৈশিষ্ট্যের উপর।
13. বংশগতির বাহক পদার্থ কী – ডিএনএ।
14. বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনকে কী বলে – মিউটেশন।
15. মিউটেশন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে – ডি ভ্রিস।
16. লিঙ্গ নির্ধারণে দায়ী ক্রোমোজোম কোনটি – সেক্স ক্রোমোজোম।
17. মানুষের মধ্যে লিঙ্গ নির্ধারণ করে কে – পিতার শুক্রাণু।
18. পুরুষে কোন ক্রোমোজোম থাকে – XY।
19. নারীতে কোন ক্রোমোজোম থাকে – XX।
20. লিঙ্গসংক্রান্ত বংশগতি কাকে বলে – সেক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে উত্তরাধিকার।
21. হিমোফিলিয়া কোন ধরনের বংশগত রোগ – সেক্স-লিঙ্কড রোগ।
22. রঙ অন্ধত্ব কোন ধরনের বংশগত রোগ – সেক্স-লিঙ্কড রিসেসিভ রোগ।
23. মিউটেশন প্রথম আবিষ্কার করেন কে – হুগো ডি ভ্রিস।
24. মিউটেশন ঘটে কেন – ডিএনএ তে পরিবর্তনের কারণে।
25. বংশগতির ক্রোমোজোম তত্ত্ব প্রস্তাব করেন কে – সাটন ও বোভেরি।
26. বংশগতির ক্রোমোজোম তত্ত্ব কবে প্রস্তাবিত হয় – ১৯০২ সালে।
27. জিনের স্থানকে কী বলে – লোকাস (Locus)।
28. লিঙ্কেজের ধারণা দেন কে – মর্গান।
29. রঙ অন্ধত্বে কোন জিন ত্রুটিপূর্ণ – X ক্রোমোজোমের জিন।
30. বংশগতি ও পরিবর্তন কোন বিজ্ঞানের অংশ – জিনতত্ত্বের অংশ।
জিন প্রকৌশল
1. জিন প্রকৌশল কী – জীবের জিন পরিবর্তন বা সংশোধন করে নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির প্রক্রিয়া।
2. জিন প্রকৌশলের আরেক নাম কী – জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
3. জিন প্রকৌশলের জনক কে – পল বার্গ।
4. রেকমবিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি কাকে বলে – ভিন্ন উৎসের ডিএনএ যুক্ত করে নতুন ডিএনএ তৈরি করা।
5. রেকমবিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তির জনক কে – পল বার্গ।
6. জিন কাটার জন্য ব্যবহৃত এনজাইমের নাম কী – রেস্ট্রিকশন এনজাইম।
7. ডিএনএ যুক্ত করার এনজাইমের নাম কী – লিগেজ এনজাইম।
8. ডিএনএ পরিবাহক হিসেবে কোন বস্তু ব্যবহৃত হয় – ভেক্টর।
9. জিন প্রকৌশলে সাধারণত কোন ভেক্টর ব্যবহার করা হয় – প্লাজমিড।
10. প্লাজমিড কী – ব্যাকটেরিয়ার ছোট বৃত্তাকার ডিএনএ অংশ।
11. জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি প্রথম জীব কী – ইনসুলিন উৎপাদক ব্যাকটেরিয়া।
12. প্রথম কৃত্রিম মানব ইনসুলিনের নাম কী – হিউমুলিন (Humulin)।
13. জিন প্রকৌশলের প্রথম সফল ফলাফল কবে পাওয়া যায় – ১৯৮২ সালে।
14. জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি টমেটোকে বলা হয় – ফ্লেভর সেভর টমেটো।
15. ফ্লেভর সেভর টমেটো তৈরি হয়েছিল কোন দেশে – যুক্তরাষ্ট্রে।
16. জিন প্রকৌশলের প্রধান উদ্দেশ্য কী – উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীব তৈরি করা।
17. জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে উৎপন্ন জীবকে কী বলে – জিএমও (Genetically Modified Organism)।
18. জিন প্রকৌশলে ডিএনএ বৃদ্ধি করার প্রক্রিয়া কী – পিসিআর (Polymerase Chain Reaction)।
19. পিসিআর আবিষ্কার করেন কে – ক্যারি মুলিস।
20. জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে চিকিৎসায় ব্যবহৃত টিকা কী – রিকম্বিন্যান্ট ভ্যাকসিন (যেমন হেপাটাইটিস বি টিকা)।
ক্লোনিং
1. ক্লোনিং কী – জিনগতভাবে অভিন্ন জীব বা কোষ তৈরি করার প্রক্রিয়া।
2. ‘Clone’ শব্দের অর্থ কী – শাখা বা অনুলিপি।
3. ক্লোনিং এর জনক কে – ইয়ান উইলমাট।
4. প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী ক্লোন করা হয় কবে – ১৯৯৬ সালে।
5. প্রথম ক্লোন করা স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম কী – ডলি ভেড়া।
6. ডলি ভেড়া কোন প্রাণী থেকে ক্লোন করা হয়েছিল – প্রাপ্তবয়স্ক ভেড়ার স্তন কোষ থেকে।
7. ডলি ভেড়া ক্লোনিং এর জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল – Somatic Cell Nuclear Transfer (SCNT)।
8. ডলি ভেড়া ক্লোন করা হয়েছিল কোথায় – স্কটল্যান্ডে।
9. ডলি ভেড়া জন্ম নেয় কোন গবেষণা কেন্দ্রে – রসলিন ইনস্টিটিউট, এডিনবার্গ।
10. ডলি ভেড়া কত বছর বেঁচেছিল – প্রায় ৬ বছর।
11. মানুষের প্রথম ক্লোনিং কবে সফল হয় – এখনো সম্পূর্ণভাবে সফল হয়নি।
12. থেরাপিউটিক ক্লোনিং কী – চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কোষ বা টিস্যু তৈরি করার প্রক্রিয়া।
13. রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং কী – সম্পূর্ণ জীবের প্রতিলিপি তৈরি করার প্রক্রিয়া।
14. ক্লোনিংয়ে ডিএনএ স্থানান্তরের কাজ করে কোন অঙ্গাণু – নিউক্লিয়াস।
15. ক্লোনিং এর উদ্দেশ্য কী – গবেষণা, চিকিৎসা ও কৃষিক্ষেত্রে উন্নত জীব তৈরি করা।
16. মানব ক্লোনিং কেন নিষিদ্ধ – নৈতিক ও সামাজিক কারণে।
17. ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে অঙ্গ প্রতিস্থাপনে কোন ক্ষেত্র সহায়ক – থেরাপিউটিক ক্লোনিং।
18. ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় কোন কোষ ব্যবহৃত হয় – সোমাটিক বা দেহ কোষ।
19. ডলি ভেড়ার নামকরণ করা হয়েছিল কার নামে – গায়িকা ডলি পার্টনের নামে।
20. ক্লোনিং বিজ্ঞান কোন শাখার অন্তর্গত – জিন প্রকৌশল বা বায়োটেকনোলজির শাখা।
বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem)
1. বাস্তুতন্ত্র বলতে কী বোঝায় – জীব ও তাদের পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক।
2. “Ecosystem” শব্দটি কে প্রবর্তন করেন – আর্থার ট্যান্সলি।
3. বাস্তুতন্ত্রের প্রধান দুটি উপাদান – জৈব ও অজৈব উপাদান।
4. সূর্যালোক কোন ধরনের উপাদান – অজৈব উপাদান।
5. উদ্ভিদ বাস্তুতন্ত্রে কী ভূমিকা পালন করে – উৎপাদক।
6. প্রাণীরা বাস্তুতন্ত্রে কী ভূমিকা পালন করে – ভোক্তা।
7. ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক বাস্তুতন্ত্রে কী ভূমিকা পালন করে – বিশ্লেষক।
8. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র – সমুদ্র।
9. বনজ বাস্তুতন্ত্র কিসের উদাহরণ – স্থলজ বাস্তুতন্ত্রের উদাহরণ।
10. হ্রদ বা পুকুর কিসের উদাহরণ – জলজ বাস্তুতন্ত্রের উদাহরণ।
11. মানুষের দ্বারা তৈরি বাস্তুতন্ত্র – কৃত্রিম বাস্তুতন্ত্র।
12. Aquarium কোন ধরনের বাস্তুতন্ত্র – কৃত্রিম বাস্তুতন্ত্র।
13. বাস্তুতন্ত্রের শক্তির প্রধান উৎস – সূর্য।
14. খাদ্যশৃঙ্খল বাস্তুতন্ত্রের কোন প্রবাহ নির্দেশ করে – শক্তির প্রবাহ।
15. জীবমণ্ডল কী – পৃথিবীর সমস্ত বাস্তুতন্ত্রের সমষ্টি।
16. বাস্তুতন্ত্রে শক্তির প্রবাহ কেমন – একমুখী প্রবাহ।
17. জীবমণ্ডলের স্থিতিশীলতা নির্ভর করে – বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যের উপর।
18. Pond ecosystem-এর প্রধান উৎপাদক – শৈবাল।
19. ঘাসভূমির বাস্তুতন্ত্রে প্রথম স্তরের ভোক্তা – তৃণভোজী প্রাণী।
20. বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হলে কী ঘটে – পরিবেশ দূষণ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়।
21. বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহিত হয় – খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে।
22. বাস্তুতন্ত্রে পদার্থের চক্রণ ঘটে – জৈব-অজৈব উপাদানের পুনঃব্যবহারের মাধ্যমে।
23. বাস্তুতন্ত্রে শক্তি সংরক্ষণ করা যায় কি – না, শক্তি প্রবাহিত হয় কিন্তু সংরক্ষিত হয় না।
24. ছোট আকারের বাস্তুতন্ত্রকে বলে – মাইক্রো বাস্তুতন্ত্র।
25. একটি বন কোন ধরনের বাস্তুতন্ত্র – প্রাকৃতিক স্থলজ বাস্তুতন্ত্র।
26. ট্রফিক লেভেল বলতে বোঝায় – খাদ্যশৃঙ্খলের প্রতিটি স্তর।
27. শক্তির ক্ষয় ঘটে – প্রতিটি ট্রফিক স্তরে তাপ আকারে।
28. প্রযোজক স্তর বলতে বোঝায় – সূর্যালোক ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে এমন জীব।
29. ডিট্রিটাস বলতে বোঝায় – মৃত জীব ও জৈব বর্জ্য পদার্থ।
30. Decomposer-এর প্রধান ভূমিকা – মৃত জীবকে ভেঙে মাটিতে পুষ্টি ফিরিয়ে দেওয়া।
খাদ্য শৃঙ্খল ও খাদ্য জাল
1. খাদ্য শৃঙ্খল বলতে বোঝায় – জীবদের মধ্যে খাদ্য সম্পর্কিত শক্তির প্রবাহের ক্রম।
2. খাদ্য জাল বলতে বোঝায় – একাধিক খাদ্য শৃঙ্খলের পারস্পরিক সংযোগ।
3. খাদ্য শৃঙ্খল ধারণাটি কে প্রথম দেন – চার্লস এলটন।
4. প্রথম ট্রফিক স্তরে থাকে – উৎপাদক।
5. দ্বিতীয় ট্রফিক স্তরে থাকে – প্রাথমিক ভোক্তা।
6. তৃতীয় ট্রফিক স্তরে থাকে – গৌণ ভোক্তা।
7. চতুর্থ ট্রফিক স্তরে থাকে – তৃতীয় ভোক্তা বা শীর্ষ ভোক্তা।
8. উৎপাদক সাধারণত কেমন জীব – সবুজ উদ্ভিদ বা শৈবাল।
9. প্রাথমিক ভোক্তার উদাহরণ – খরগোশ, হরিণ, ছাগল ইত্যাদি।
10. গৌণ ভোক্তার উদাহরণ – ব্যাঙ, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
11. তৃতীয় ভোক্তার উদাহরণ – বাঘ, সিংহ, ঈগল ইত্যাদি।
12. একটি সাধারণ ঘাসভূমির খাদ্য শৃঙ্খল – ঘাস → হরিণ → বাঘ।
13. জলজ বাস্তুতন্ত্রে খাদ্য শৃঙ্খল শুরু হয় – ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন দিয়ে।
14. খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তির প্রবাহের দিক – একমুখী (Producers থেকে Consumers)।
15. খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তি হ্রাস পায় – প্রতিটি স্তরে তাপ আকারে।
16. খাদ্য শৃঙ্খল যত দীর্ঘ হয় – শক্তি ক্ষয় তত বেশি হয়।
17. খাদ্য জালের মূল কাজ – বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
18. খাদ্য শৃঙ্খলের শেষ স্তর – বিশ্লেষক বা Decomposer।
19. বিশ্লেষকরা কী কাজ করে – মৃত জীবকে ভেঙে পুষ্টি পুনরায় মাটিতে ফেরায়।
20. একটি খাদ্য জালে উৎপাদকদের সংখ্যা – ভোক্তাদের তুলনায় অনেক বেশি।
21. খাদ্য শৃঙ্খলকে অন্যভাবে বলা হয় – শক্তির শৃঙ্খল।
22. খাদ্য জাল কাকে বলে – অনেক খাদ্য শৃঙ্খলের মিলিত রূপ।
23. খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙে গেলে – বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
24. মাটির কীটপতঙ্গরা খাদ্য শৃঙ্খলের কোন স্তরে থাকে – বিশ্লেষক স্তরে।
25. মানুষ খাদ্য শৃঙ্খলে কী ভূমিকা পালন করে – সর্বভুক ভোক্তা হিসেবে।
26. প্ল্যাঙ্কটনভিত্তিক খাদ্য শৃঙ্খল দেখা যায় – সমুদ্র ও হ্রদে।
27. খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তি সংরক্ষিত হয় কি – না, ধাপে ধাপে তাপ আকারে নষ্ট হয়।
28. সবচেয়ে ছোট খাদ্য শৃঙ্খল – উৎপাদক ও এক স্তরের ভোক্তা নিয়ে গঠিত।
29. সবচেয়ে জটিল খাদ্য সম্পর্ক দেখা যায় – বনজ বাস্তুতন্ত্রে।
30. খাদ্য জাল ও খাদ্য শৃঙ্খল অধ্যয়নের গুরুত্ব – বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ ও ভারসাম্য বোঝা।
পরিবেশ দূষণ
1. পরিবেশ দূষণ বলতে বোঝায় – পরিবেশে ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি যা জীব ও প্রকৃতির ক্ষতি করে।
2. বায়ু দূষণের প্রধান কারণ – যানবাহনের ধোঁয়া ও শিল্প কারখানার নির্গমন।
3. জল দূষণের প্রধান কারণ – শিল্পবর্জ্য ও নিকাশী জল।
4. মাটি দূষণের প্রধান কারণ – কীটনাশক ও রাসায়নিক সার।
5. শব্দ দূষণের প্রধান উৎস – যানবাহন, মাইক ও যন্ত্রপাতি।
6. বায়ু দূষণের প্রধান ক্ষতিকর গ্যাস – সালফার ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনো-অক্সাইড।
7. গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে পরিচিত – কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড।
8. অ্যাসিড বৃষ্টির মূল কারণ – সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড।
9. অ্যাসিড বৃষ্টি প্রথম কোথায় লক্ষ্য করা যায় – ইউরোপে।
10. অ্যাসিড বৃষ্টির pH মান – ৫.৬ এর কম।
11. শব্দ দূষণ পরিমাপের একক – ডেসিবেল (dB)।
12. শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব – শ্রবণশক্তি হ্রাস ও মানসিক চাপ।
13. বায়ু দূষণের ফলে কোন রোগ বেশি হয় – অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্ট।
14. জল দূষণের ফলে কোন রোগ হয় – কলেরা ও টাইফয়েড।
15. মাটি দূষণের ফলে কী হয় – ফসলের উর্বরতা হ্রাস পায়।
16. বায়ু বিশুদ্ধকরণের জন্য সবচেয়ে কার্যকর উদ্ভিদ – বট, নিম, মানি প্ল্যান্ট ইত্যাদি।
17. বায়ুমণ্ডলে ওজোন স্তর ক্ষয় করে – ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)।
18. ওজোন স্তর রক্ষা দিবস পালন করা হয় – ১৬ সেপ্টেম্বর।
19. Noise Pollution Control Act চালু হয় – ২০০০ সালে।
20. ভারতে পরিবেশ সুরক্ষা আইন কার্যকর হয় – ১৯৮৬ সালে।
21. প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় – ৫ জুন, ১৯৭৪ সালে।
22. প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় – ৫ জুন।
23. জল দূষণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে – কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (CPCB)।
24. Noise Pollution শব্দের অর্থ – অতিরিক্ত ও অবাঞ্ছিত শব্দ।
25. Smog বলতে বোঝায় – ধোঁয়া ও কুয়াশার মিশ্রণ।
26. Photochemical smog গঠিত হয় – নাইট্রোজেন অক্সাইড ও হাইড্রোকার্বন দ্বারা।
27. বায়ু দূষণ রোধের কার্যকর উপায় – বৃক্ষরোপণ ও জনসচেতনতা।
28. Plastic Pollution-এর প্রধান সমস্যা – এটি জীবাণু দ্বারা পচনশীল নয়।
29. Marine pollution বলতে বোঝায় – সমুদ্রজলে ক্ষতিকর পদার্থের মিশ্রণ।
30. পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের মূল উপায় – দূষণের উৎস হ্রাস ও পুনর্ব্যবহার।
সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য
1. জীববৈচিত্র্য বলতে বোঝায় – পৃথিবীতে জীবের প্রজাতি, বাসস্থান ও জিনগত বৈচিত্র্যের সমষ্টি।
2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মূল উদ্দেশ্য – জীব প্রজাতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা।
3. Conservation শব্দের অর্থ – সংরক্ষণ বা রক্ষা করা।
4. জীববৈচিত্র্যের তিনটি স্তর – জিনগত, প্রজাতিগত ও বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য।
5. সবচেয়ে বেশি জীববৈচিত্র্য পাওয়া যায় – উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে।
6. ভারতের জীববৈচিত্র্য অঞ্চল সংখ্যা – দশটি।
7. ভারতের জীববৈচিত্র্য হটস্পট সংখ্যা – চারটি।
8. ভারতের প্রধান জীববৈচিত্র্য হটস্পট – হিমালয়, পশ্চিমঘাট, ইন্দো-বর্মা ও সুন্দরবন।
9. সুন্দরবন বিখ্যাত – রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জন্য।
10. বন সংরক্ষণের প্রথম আইন ভারতে প্রণীত হয় – ১৮৬৫ সালে।
11. Wildlife Protection Act ভারতে কার্যকর হয় – ১৯৭২ সালে।
12. Forest Conservation Act কার্যকর হয় – ১৯৮০ সালে।
13. বন সংরক্ষণের মূল উদ্দেশ্য – জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা।
14. Project Tiger শুরু হয় – ১৯৭৩ সালে।
15. Project Elephant শুরু হয় – ১৯৯২ সালে।
16. সর্বপ্রথম জাতীয় উদ্যান – জিম করবেট ন্যাশনাল পার্ক।
17. জিম করবেট ন্যাশনাল পার্ক কোথায় অবস্থিত – উত্তরাখণ্ডে।
18. ভারতে জাতীয় উদ্যানের সংখ্যা – প্রায় ১০৫টি (সাম্প্রতিক অনুযায়ী)।
19. ভারতে বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যের সংখ্যা – প্রায় ৫৫০টির বেশি।
20. বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের উদ্দেশ্য – জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও গবেষণা।
21. ভারতের প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ – নীলগিরি।
22. UNESCO দ্বারা স্বীকৃত ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ – সুন্দরবন ও নীলগিরি।
23. IUCN-এর পূর্ণরূপ – International Union for Conservation of Nature।
24. IUCN-এর Red Data Book-এ থাকে – বিপন্ন প্রজাতির তালিকা।
25. বিপন্ন প্রজাতি বলতে বোঝায় – বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণী বা উদ্ভিদ।
26. Extinct species বলতে বোঝায় – পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত প্রজাতি।
27. In-situ conservation বলতে বোঝায় – প্রজাতিকে তার প্রাকৃতিক বাসস্থানে সংরক্ষণ।
28. Ex-situ conservation বলতে বোঝায় – প্রজাতিকে কৃত্রিম স্থানে সংরক্ষণ, যেমন চিড়িয়াখানা।
29. Biodiversity Day পালিত হয় – ২২ মে।
30. বন সংরক্ষণে সবচেয়ে কার্যকর উপায় – বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি।
Greenhouse Effect ও Global Warming
1. Greenhouse Effect বলতে বোঝায় – পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রাখার প্রক্রিয়া।
2. Greenhouse গ্যাস বলতে বোঝায় – যেসব গ্যাস পৃথিবীর তাপ ধরে রাখে।
3. প্রধান Greenhouse গ্যাস – কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂)।
4. Greenhouse গ্যাসের অন্যান্য উদাহরণ – মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প।
5. Greenhouse Effect-এর মূল উৎস – জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো।
6. Greenhouse শব্দের অর্থ – কাচঘেরা উষ্ণ ঘর যেখানে তাপ আটকে রাখা হয়।
7. Greenhouse Effect-এর আবিষ্কারক – জোসেফ ফুরিয়ার।
8. Global Warming বলতে বোঝায় – পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
9. Global Warming-এর প্রধান কারণ – অতিরিক্ত Greenhouse গ্যাসের বৃদ্ধি।
10. Carbon dioxide সবচেয়ে বেশি নির্গত হয় – কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ালে।
11. Methane-এর প্রধান উৎস – ধানক্ষেত, গবাদি পশু ও আবর্জনা পচন।
12. Nitrous oxide-এর উৎস – রাসায়নিক সার ও শিল্প বর্জ্য।
13. Global Warming-এর প্রভাব – হিমবাহ গলন ও সমুদ্রস্তর বৃদ্ধি।
14. সমুদ্রস্তর বৃদ্ধির ফল – উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়া।
15. Greenhouse Effect-এর ইতিবাচক দিক – পৃথিবীকে জীবনধারণযোগ্য উষ্ণ রাখে।
16. Greenhouse Effect-এর নেতিবাচক দিক – অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি করে জলবায়ু পরিবর্তন ঘটায়।
17. Global Warming-এর ফলে দেখা দেয় – চরম আবহাওয়া ও খরা-বন্যা বৃদ্ধি।
18. ওজোন স্তর ক্ষয় ঘটায় – ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)।
19. ওজোন স্তর ক্ষয় হলে ক্ষতি হয় – অতিবেগুনি রশ্মির প্রবেশ বৃদ্ধি পায়।
20. ওজোন স্তর ক্ষয় রোধে তৈরি চুক্তি – মন্ট্রিয়ল প্রটোকল।
21. Global Warming মোকাবিলার আন্তর্জাতিক চুক্তি – কিয়োটো প্রটোকল।
22. কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় – ১৯৯৭ সালে।
23. প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) স্বাক্ষরিত হয় – ২০১৫ সালে।
24. প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য – গ্লোবাল তাপমাত্রা ১.৫°C-এর মধ্যে সীমিত রাখা।
25. Global Warming রোধের কার্যকর উপায় – বৃক্ষরোপণ ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ব্যবহার।
26. Carbon footprint বলতে বোঝায় – একজন ব্যক্তি বা দেশের কার্বন নির্গমনের পরিমাণ।
27. Carbon sink বলতে বোঝায় – যেসব উৎস কার্বন শোষণ করে, যেমন বন।
28. Global Warming-এর প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল – মেরু অঞ্চল।
29. Climate change বলতে বোঝায় – দীর্ঘমেয়াদে পৃথিবীর আবহাওয়ার পরিবর্তন।
30. Greenhouse Effect ও Global Warming-এর প্রধান প্রতিকার – জ্বালানি ব্যবহার কমানো ও পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন।