জীববিজ্ঞান MCQ - Life Science Questions for Competitive Exams in Bengali
জীবন বিজ্ঞান (Biology)
ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গি
1. ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উদ্ভাবন করেন – Ehrenberg
2. ব্যাকটেরিয়ার গঠন আবিষ্কার করেন – Anton van Leeuwenhoek
3. ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠিত – পেপটিডোগ্লাইকান দ্বারা
4. ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন পদ্ধতি – দ্বিখণ্ডন (Binary fission)
5. সবচেয়ে ছোট জীব – ভাইরাস
6. ভাইরাস আবিষ্কার করেন – W.M. Stanley
7. ভাইরাস জীবিত ও অজীব উভয় বৈশিষ্ট্যযুক্ত – এজন্য একে "সীমান্ত জীব" বলা হয়
8. ব্যাকটেরিয়ার জিনগত উপাদান – DNA বা RNA
9. HIV ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয় – এইডস
10. ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের কারণ – ভাইরাস
11. র্যাবিস রোগের জীবাণু – ভাইরাস
12. কুষ্ঠ রোগের জীবাণু – Mycobacterium leprae
13. যক্ষ্মা রোগের জীবাণু – Mycobacterium tuberculosis
14. টাইফয়েড রোগের জীবাণু – Salmonella typhi
15. কলেরা রোগের জীবাণু – Vibrio cholerae
16. নিমোনিয়া রোগের জীবাণু – Diplococcus pneumoniae
17. অ্যানথ্রাক্স রোগের জীবাণু – Bacillus anthracis
18. প্লেগ রোগের জীবাণু – Yersinia pestis
19. ডিপথেরিয়া রোগের জীবাণু – Corynebacterium diphtheriae
20. ফাঙ্গি দ্বারা সৃষ্ট রোগ – রিংওয়ার্ম
21. ফাঙ্গি উদ্ভিদের মধ্যে – ছত্রাক নামেও পরিচিত
22. ইস্ট (Yeast) একটি – এককোষী ফাঙ্গি
23. পেনিসিলিয়াম একটি – ফাঙ্গাস
24. ভাইরাসে থাকে না – কোষ প্রাচীর
25. ভাইরাস বংশবৃদ্ধি করে – জীবিত কোষের ভিতরে
26. ব্যাকটেরিয়া খাদ্য তৈরি করে – কেমোসিন্থেসিস দ্বারা
27. ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে – দই তৈরিতে
28. রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া থাকে – ডালজাতীয় উদ্ভিদের মূলগ্রন্থিতে
29. ব্যাকটেরিয়া আবৃত থাকে – কোষঝিল্লি দ্বারা
30. ভাইরাসের বাহ্যিক আবরণকে বলা হয় – ক্যাপসিড
টীকা আবিষ্কার ও বিজ্ঞানী
1. প্রথম টীকা আবিষ্কার করেন – এডওয়ার্ড জেনার
2. এডওয়ার্ড জেনার কোন রোগের টীকা আবিষ্কার করেন – গুটি বসন্ত (Smallpox)
3. গুটি বসন্ত রোগের টীকা আবিষ্কৃত হয় – ১৭৯৬ সালে
4. রেবিস টীকা আবিষ্কার করেন – লুই পাস্তুর
5. লুই পাস্তুর জীবাণু তত্ত্ব প্রবর্তন করেন – হ্যাঁ
6. যক্ষ্মা রোগের টীকা – B.C.G.
7. B.C.G. টীকার পূর্ণরূপ – Bacillus Calmette–Guérin
8. কলেরা টীকা আবিষ্কার করেন – ওয়াল্টার রিড
9. ডিপথেরিয়া টীকা আবিষ্কার করেন – এমিল ভন বেহরিং
10. টিটেনাস টীকা আবিষ্কার করেন – পিয়ের ডেসকার্ল
11. হেপাটাইটিস বি টীকা – রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি
12. পোলিও টীকা আবিষ্কার করেন – জোনাস সাল্ক
13. ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন – আলবার্ট স্যাবিন
14. COVID-19 ভ্যাকসিন তৈরির মূলনীতি – mRNA প্রযুক্তি
15. ভারতের প্রথম COVID-19 ভ্যাকসিন – কোভ্যাক্সিন
16. কোভ্যাক্সিন তৈরি করেছে – ভারত বায়োটেক
17. কোভিশিল্ড তৈরি করেছে – সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া
18. ইনফ্লুয়েঞ্জা টীকা দেওয়া হয় – বছরে একবার
19. HPV টীকা ব্যবহৃত হয় – সার্ভিক্যাল ক্যান্সার প্রতিরোধে
20. BCG টীকা দেওয়া হয় – শিশু জন্মের পর
21. MMR টীকা প্রতিরোধ করে – মিজলস, মাম্পস, রুবেলা
22. DTaP টীকা প্রতিরোধ করে – ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, পারটুসিস
23. ভ্যাকসিনের আবিষ্কার কাকে বলা হয় – এডওয়ার্ড জেনারকে
24. হেপাটাইটিস A টীকা দেওয়া হয় – ভাইরাল হেপাটাইটিস প্রতিরোধে
25. রেবিস টীকা দেওয়া হয় – কুকুর কামড়ানোর পর
26. টীকাদানের ধারণা প্রবর্তন করেন – এডওয়ার্ড জেনার
27. WHO টীকা দিবস পালন করে – ২৪ এপ্রিল
28. ভারতে টীকাদান কর্মসূচির নাম – Universal Immunization Programme
29. BCG টীকার আবিষ্কার হয় – ১৯২১ সালে
30. প্রথম ভ্যাকসিন কোন রোগের জন্য – গুটি বসন্ত
অ্যান্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিন
1. অ্যান্টিবায়োটিক শব্দের অর্থ – জীবাণু ধ্বংসকারী পদার্থ
2. প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন – আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
3. প্রথম অ্যান্টিবায়োটিকের নাম – পেনিসিলিন
4. পেনিসিলিন আবিষ্কৃত হয় – ১৯২৮ সালে
5. পেনিসিলিন তৈরি হয় – পেনিসিলিয়াম ফাঙ্গি থেকে
6. স্ট্রেপ্টোমাইসিন আবিষ্কার করেন – সেলম্যান ওয়াক্সম্যান
7. স্ট্রেপ্টোমাইসিন ব্যবহৃত হয় – যক্ষ্মা চিকিৎসায়
8. অ্যাম্পিসিলিন ও অ্যামোক্সিসিলিন – সিন্থেটিক অ্যান্টিবায়োটিক
9. টেট্রাসাইক্লিন ব্যবহার করা হয় – ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে
10. ক্লোরামফেনিকল ব্যবহৃত হয় – টাইফয়েড চিকিৎসায়
11. অ্যান্টিবায়োটিক কার্য করে – ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ করে
12. ভ্যাকসিন কাজ করে – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
13. অ্যান্টিবায়োটিক কার্য করে – রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংসে
14. ভ্যাকসিন দেওয়া হয় – রোগ প্রতিরোধের জন্য
15. অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় – সংক্রমণ হলে
16. অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার – চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায়
17. অ্যান্টিবায়োটিক অপব্যবহার করলে – জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
18. অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স – একটি বৈশ্বিক সমস্যা
19. অ্যান্টিবায়োটিক কেবল কাজ করে – ব্যাকটেরিয়ার উপর
20. ভাইরাসে অ্যান্টিবায়োটিক কার্য করে না – হ্যাঁ
21. ভ্যাকসিনে থাকে – দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় জীবাণু
22. mRNA ভ্যাকসিন কাজ করে – কোষে প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দিয়ে
23. অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারে নোবেল পুরস্কার পান – ফ্লেমিং, চেইন ও ফ্লোরি
24. অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের উৎস – ফাঙ্গি ও ব্যাকটেরিয়া
25. অ্যান্টিবায়োটিকের অতিব্যবহার – রোগ প্রতিরোধ কমায়
26. অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার হয়েছিল – দুর্ঘটনাবশত
27. অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের আগে – ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন
28. ভ্যাকসিন কার্য করে – শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করে
29. অ্যান্টিবায়োটিকের মূল কাজ – রোগজীবাণুর বৃদ্ধি বন্ধ করা
30. ভ্যাকসিন দেওয়া হয় – নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধের জন্য
সবুজ বিপ্লব (Green Revolution)
1. সবুজ বিপ্লবের জনক কে? – নর্ম্যান বোরলগ
2. ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক কে? – ড. এম. এস. স্বামীনাথন
3. সবুজ বিপ্লব কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত? – কৃষি উৎপাদনের বৃদ্ধি
4. ভারতে সবুজ বিপ্লব কবে শুরু হয়? – ১৯৬০-এর দশকে
5. সবুজ বিপ্লবের মূল ফসল কী? – গম ও ধান
6. সবুজ বিপ্লবের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? – খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি
7. ভারতে সবুজ বিপ্লবের সূচনা কোন রাজ্যে হয়েছিল? – পাঞ্জাবে
8. সবুজ বিপ্লবের ফলে কী বৃদ্ধি পেয়েছিল? – খাদ্যশস্য উৎপাদন
9. সবুজ বিপ্লবের জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল? – উচ্চফলনশীল বীজ, সার ও সেচব্যবস্থা
10. সবুজ বিপ্লবের মূল প্রবর্তক সংস্থা কোনটি? – আই.এ.আর.আই (Indian Agricultural Research Institute)
11. সবুজ বিপ্লবের প্রথম ধাপ কোন ফসলে দেখা যায়? – গমে
12. সবুজ বিপ্লবের সময় কোন সার বেশি ব্যবহৃত হয়েছিল? – নাইট্রোজেন সার
13. সবুজ বিপ্লবের সুফল প্রধানত কোন শ্রেণি পেয়েছিল? – বৃহৎ কৃষকরা
14. সবুজ বিপ্লবের ফলে কোন সমস্যা বেড়েছে? – মাটির উর্বরতা হ্রাস
15. সবুজ বিপ্লবের সময় কোন পরিকল্পনা চলছিল? – তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
16. সবুজ বিপ্লবের ফলস্বরূপ ভারতে কোন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা আসে? – খাদ্যশস্য উৎপাদনে
17. সবুজ বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত HYV এর পূর্ণরূপ কী? – High Yielding Variety
18. সবুজ বিপ্লবের সময় কোন সংস্থা গমের উন্নত জাত তৈরি করেছিল? – CIMMYT, মেক্সিকো
19. সবুজ বিপ্লবের মূল নীতি কী ছিল? – আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ
20. সবুজ বিপ্লবের ফলাফল কী? – খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিপুল বৃদ্ধি
সাদা বিপ্লব (Milk Production)
1. ভারতে সাদা বিপ্লবের জনক কে? – ড. ভার্গিজ কুরিয়েন
2. সাদা বিপ্লব কোন উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত? – দুধ উৎপাদন
3. ভারতে সাদা বিপ্লব শুরু হয়েছিল কোন প্রকল্পের মাধ্যমে? – অপারেশন ফ্লাড (Operation Flood)
4. অপারেশন ফ্লাডের সূচনা হয় কোন বছরে? – ১৯৭০ সালে
5. অপারেশন ফ্লাড প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কী ছিল? – দুধ উৎপাদন ও বিতরণ বৃদ্ধি
6. ভারতে দুধ উৎপাদনের সর্বাধিক রাজ্য কোনটি? – উত্তর প্রদেশ
7. ভারতে দুধ উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে কোন রাজ্য? – রাজস্থান
8. আমূল (Amul) কোন বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত? – সাদা বিপ্লব
9. আমূল কোন রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত? – গুজরাট
10. ভারতে দুধ উৎপাদন পরিচালনার সংস্থা কোনটি? – ন্যাশনাল ডেইরি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NDDB)
11. সাদা বিপ্লবের ফলে ভারত কিসে স্বনির্ভর হয়েছে? – দুধ উৎপাদনে
12. অপারেশন ফ্লাডের পরিকল্পনা কে করেছিলেন? – ড. ভার্গিজ কুরিয়েন
13. সাদা বিপ্লবের ফলে কোন শিল্পের উন্নতি হয়েছে? – দুগ্ধ শিল্প
14. সাদা বিপ্লবের প্রতীকী রং কী? – সাদা
15. সাদা বিপ্লবের সাফল্যে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল? – আমূল কোঅপারেটিভ
16. সাদা বিপ্লবের শুরুতে কোন প্রাণীর দুধ বেশি উৎপাদন হতো? – মহিষের
17. ভারতের প্রথম দুধ কোঅপারেটিভ কোথায় গঠিত হয়েছিল? – আনন্দ, গুজরাট
18. সাদা বিপ্লবের সময় কোন প্রকল্প শুরু হয়েছিল? – Operation Flood I
19. সাদা বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য কী? – দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ আয় বৃদ্ধি
20. ভারতে সাদা বিপ্লবের ফলে কী উন্নত হয়েছে? – গ্রামীণ অর্থনীতি
নীল বিপ্লব (Fisheries)
1. নীল বিপ্লব কোন উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত? – মৎস্য উৎপাদন
2. ভারতে নীল বিপ্লবের জনক কে? – ড. হিরালাল চৌধুরী
3. নীল বিপ্লবের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? – মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি
4. ভারতে নীল বিপ্লব শুরু হয় কোন বছরে? – ১৯৭০-এর দশকে
5. নীল বিপ্লবের সূচনা কোন পরিকল্পনার সময় হয়? – পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
6. ভারতে প্রথমবার কৃত্রিম মাছ চাষ কে প্রবর্তন করেন? – ড. হিরালাল চৌধুরী
7. নীল বিপ্লবের জন্য কোন সংস্থা কাজ করে? – ন্যাশনাল ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NFDB)
8. ভারতে মাছের সবচেয়ে বড় উৎপাদক রাজ্য কোনটি? – অন্ধ্র প্রদেশ
9. নীল বিপ্লবের মূল লক্ষ্য কোন জনগোষ্ঠীকে উন্নত করা? – মৎস্যজীবী
10. নীল বিপ্লবের প্রতীকী রং কী? – নীল
11. নীল বিপ্লবের সময় কোন প্রজাতির মাছের চাষ বেশি হয়েছিল? – কাতলা, রুই, মৃগেল
12. মৎস্য চাষে কোন সার ব্যবহার করা হয়? – জৈব সার
13. ভারতের প্রথম সমুদ্র গবেষণা সংস্থা কোনটি? – সেন্ট্রাল মেরিন ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (CMFRI)
14. নীল বিপ্লবের ফলাফল কী? – মাছ উৎপাদনে বৃদ্ধি
15. নীল বিপ্লবের আওতায় কোন খাত উন্নত হয়েছিল? – জলজ চাষ (Aquaculture)
16. নীল বিপ্লবের ফলে কোন প্রোটিনের উৎস বৃদ্ধি পায়? – প্রাণীজ প্রোটিন
17. ভারতে নীল বিপ্লব শুরু হয়েছিল কোথা থেকে? – আন্ধ্র প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ
18. নীল বিপ্লবের মূল ধারণা কে দিয়েছিলেন? – ড. হিরালাল চৌধুরী
19. নীল বিপ্লবের সাথে কোন উন্নয়ন প্রকল্প যুক্ত ছিল? – Fish Farmers Development Agency
20. নীল বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য কী? – মাছ ও সামুদ্রিক পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি
মৌমাছি, রেশম পোকা, গৃহপালিত প্রাণী
1. মৌচাষকে ইংরেজিতে কী বলে? – Apiculture
2. রেশম চাষকে ইংরেজিতে কী বলে? – Sericulture
3. গৃহপালিত প্রাণী পালনকে ইংরেজিতে কী বলে? – Animal Husbandry
4. ভারতে মৌচাষের প্রধান রাজ্য কোনটি? – হিমাচল প্রদেশ
5. মৌমাছি কোন শ্রেণির প্রাণী? – কীটপতঙ্গ
6. রেশম পোকা কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত? – কীটপতঙ্গ
7. মৌমাছি কী থেকে মধু তৈরি করে? – ফুলের মধুরস থেকে
8. ভারতে উৎপাদিত প্রধান রেশমের প্রকার কত? – চার প্রকার
9. দেশের সবচেয়ে বেশি রেশম উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি? – কর্ণাটক
10. রেশম পোকা কোন গাছের পাতা খায়? – তুঁত গাছের পাতা
11. ভারতে মৌমাছি পালন প্রধানত কোন মৌমাছি প্রজাতির হয়? – Apis cerana indica
12. মৌমাছির রানী মৌমাছির কাজ কী? – ডিম পাড়া
13. মৌচাষে কর্মী মৌমাছির কাজ কী? – খাদ্য সংগ্রহ ও পরিচর্যা
14. রেশমের বৈজ্ঞানিক নাম কী? – Bombyx mori
15. ভারতের রেশম শিল্পের জনক কে? – কে. কে. নায়ার
16. গৃহপালিত প্রাণীর মধ্যে দুধ উৎপাদক প্রাণী কোনটি? – গরু ও মহিষ
17. রেশম উৎপাদনে ভারতের স্থান কত? – দ্বিতীয়
18. মৌমাছির চাকের বাসস্থানকে কী বলা হয়? – হাইভ (Hive)
19. রেশম উৎপাদনে ব্যবহৃত গাছের নাম কী? – তুঁত
20. ভারতে গৃহপালিত প্রাণীর মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যা কোনটির? – গরু
21. মৌমাছি থেকে উৎপন্ন মোমের নাম কী? – Beeswax
22. রেশম উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে কী বলে? – রেশম কটন (Sericulture process)
23. মৌমাছি পালন কোন ধরনের কৃষির অন্তর্ভুক্ত? – সহায়ক কৃষি
24. ভারতের মৌমাছি পালন কেন্দ্র কোথায়? – পাঞ্জাব ও হিমাচল প্রদেশ
25. রেশম পোকা জীবনের কোন স্তরে রেশম তৈরি করে? – শূককীট স্তরে
26. রেশম তন্তু কোন পদার্থ দ্বারা গঠিত? – প্রোটিন (ফাইব্রোইন)
27. গৃহপালিত প্রাণী পালন দ্বারা কী লাভ হয়? – দুধ, মাংস, পশম ও সার
28. মৌমাছি পালন অর্থনৈতিকভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ? – পরাগায়ণে সহায়তা করে
29. রেশম পোকা কোন জলবায়ুতে বেশি বৃদ্ধি পায়? – উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু
30. ভারতে মৌচাষের গবেষণা কেন্দ্র কোথায়? – পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
বায়োটেকনোলজি
1. বায়োটেকনোলজির জনক – কার্ল এরকি
2. ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক – এম. এস. স্বামীনাথন
3. সবুজ বিপ্লব প্রথম শুরু হয় – পাঞ্জাবে
4. সবুজ বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য – খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা
5. সবুজ বিপ্লবে ব্যবহৃত প্রধান ফসল – গম ও ধান
6. সবুজ বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞানী – নরম্যান বোরলগ
7. উচ্চ ফলনশীল গমের জাত আবিষ্কার করেন – নরম্যান বোরলগ
8. সবুজ বিপ্লবের মূল প্রযুক্তি – হাইব্রিড বীজ ও রাসায়নিক সার ব্যবহার
9. ভারতে সবুজ বিপ্লবের শুরু হয় – 1966 সালে
10. সবুজ বিপ্লবের ফল – খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা
11. সবুজ বিপ্লবে ব্যবহৃত সার – ইউরিয়া
12. সবুজ বিপ্লবের ক্ষতিকর প্রভাব – মাটির উর্বরতা হ্রাস
13. বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রথম ট্রান্সজেনিক ফসল – টমেটো
14. Bt Cotton উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া – Bacillus thuringiensis
15. জিন স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে বলে – জিন ইঞ্জিনিয়ারিং
16. বায়োটেকনোলজির প্রধান উদ্দেশ্য – মানুষের কল্যাণে জীবের ব্যবহার
17. টিস্যু কালচার দ্বারা গাছ তৈরি হয় – একটি কোষ থেকে
18. সবুজ বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপ বলা হয় – জেনেটিক বিপ্লব
19. বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে তৈরি ইনসুলিন – হিউম্যান রিকম্বিন্যান্ট ইনসুলিন
20. ভারতে প্রথম জিএম ফসল অনুমোদিত – Bt Cotton
Human Genome Project
1. Human Genome Project শুরু হয় – 1990 সালে
2. Human Genome Project শেষ হয় – 2003 সালে
3. Human Genome Project-এর মূল লক্ষ্য – মানব ডিএনএর সম্পূর্ণ সিকোয়েন্স নির্ধারণ
4. এই প্রকল্পে মানবদেহের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা – ২৩ জোড়া
5. মানব জিনোমে আনুমানিক জিনের সংখ্যা – প্রায় ২০,০০০–২৫,০০০
6. এই প্রকল্পের প্রধান উদ্যোগ নেয় – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
7. এই প্রকল্পের আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারী সংস্থা – International Human Genome Organization
8. Human Genome Project পরিচালনায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি – ডিএনএ সিকোয়েন্সিং
9. Human Genome Project-এর ডেটা সংরক্ষণ করা হয় – GenBank-এ
10. এই প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী – জেমস ওয়াটসন
11. মানব জিনোমের অধিকাংশ অংশ – নন-কোডিং ডিএনএ
12. Human Genome Project দ্বারা জানা যায় – জিনগুলির অবস্থান ও কার্য
13. মানব ডিএনএর মোট বেস জোড় সংখ্যা – প্রায় 3.2 বিলিয়ন
14. Human Genome Project থেকে প্রাপ্ত সুবিধা – জেনেটিক রোগ নির্ণয়
15. এই প্রকল্পে ব্যবহৃত পদ্ধতি – শটগান সিকোয়েন্সিং
16. এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম সম্পূর্ণ সিকোয়েন্স করা জীব – Haemophilus influenzae
17. Human Genome Project-এ ব্যবহৃত কম্পিউটার প্রযুক্তি – বায়োইনফরমেটিক্স
18. মানব জিনোমে সবচেয়ে বড় ক্রোমোজোম – ক্রোমোজোম ১
19. Human Genome Project-এর অর্থায়ন করে – National Institutes of Health (NIH)
20. মানব জিনোম ম্যাপিং দ্বারা বোঝা যায় – জিনের অবস্থান ও রোগের সম্পর্ক
স্টেম সেল রিসার্চ
1. স্টেম সেল কী – এমন কোষ যা বিভিন্ন ধরনের কোষে রূপান্তরিত হতে পারে
2. স্টেম সেল রিসার্চের মূল লক্ষ্য – ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনর্গঠন
3. স্টেম সেলের দুটি প্রধান ধরণ – এমব্রায়োনিক ও অ্যাডাল্ট স্টেম সেল
4. স্টেম সেল গবেষণার জনক – জেমস থমসন
5. মানব এমব্রায়োনিক স্টেম সেল প্রথম আলাদা করা হয় – 1998 সালে
6. স্টেম সেল গবেষণায় ব্যবহৃত প্রাণী – ইঁদুর
7. স্টেম সেল ব্যবহৃত হয় – পুনর্জীবন চিকিৎসায়
8. অস্থিমজ্জায় পাওয়া যায় – হেমাটোপোয়েটিক স্টেম সেল
9. স্টেম সেল দ্বারা তৈরি করা যায় – ত্বক, স্নায়ু, পেশি কোষ
10. স্টেম সেল ব্যবহারের মূল ক্ষেত্র – হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, নিউরাল ডিজঅর্ডার
11. এমব্রায়োনিক স্টেম সেল পাওয়া যায় – ভ্রূণের অভ্যন্তর কোষ স্তর থেকে
12. স্টেম সেল থেরাপি ব্যবহৃত হয় – ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ পুনর্গঠনে
13. ইন্ডিউসড প্লুরিপোটেন্ট স্টেম সেল আবিষ্কার করেন – শিনিয়া ইয়ামানাকা
14. স্টেম সেলের বৈশিষ্ট্য – স্ব-পুনর্গঠন ও ডিফারেনসিয়েশন
15. স্টেম সেল গবেষণার নৈতিক সমস্যা – ভ্রূণ ধ্বংসের প্রশ্ন
16. স্টেম সেল ব্যবহৃত হয় – ক্যান্সার চিকিৎসায়
17. স্টেম সেল গবেষণার কেন্দ্র – National Centre for Cell Science, Pune
18. স্টেম সেল থেরাপি প্রথম সফল হয় – পারকিনসন রোগে
19. স্টেম সেল দ্বারা তৈরি টিস্যু বলা হয় – কৃত্রিম টিস্যু
20. ভারতে স্টেম সেল গবেষণা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা – ICMR
ন্যানো বায়োলজি
1. ন্যানো শব্দের অর্থ – এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ (10⁻⁹ মিটার)
2. ন্যানো টেকনোলজির জনক – রিচার্ড ফাইনম্যান
3. ন্যানো বায়োলজি হল – জীববিজ্ঞান ও ন্যানো প্রযুক্তির সংমিশ্রণ
4. ন্যানোপার্টিকলের আকার – ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার
5. ন্যানো বায়োলজির ব্যবহার – ড্রাগ ডেলিভারি ও ডায়াগনস্টিকসে
6. ন্যানো ওষুধ ব্যবহৃত হয় – ক্যান্সার চিকিৎসায়
7. ন্যানো সেন্সর দ্বারা শনাক্ত করা যায় – ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া
8. ন্যানো কণার উদাহরণ – সোনার ন্যানোপার্টিকল
9. ন্যানো প্রযুক্তির প্রথম ব্যবহার – চিকিৎসা বিজ্ঞানে
10. ন্যানো বায়োলজির গবেষণার মূল লক্ষ্য – সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রদান
11. ন্যানো কণার বৈশিষ্ট্য – বৃহৎ পৃষ্ঠ এলাকা ও বিশেষ রাসায়নিক ধর্ম
12. ন্যানো কণার মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ পদ্ধতি – টার্গেটেড ড্রাগ ডেলিভারি
13. ন্যানো বায়োলজিতে ব্যবহৃত ধাতু – স্বর্ণ, রৌপ্য, লোহা
14. ন্যানো বায়োলজির সাহায্যে তৈরি হয় – বায়োচিপ
15. ন্যানো বায়োলজির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র – বায়োসেন্সর ডেভেলপমেন্ট
16. ন্যানো বায়োলজির একক – ন্যানোমিটার
17. ন্যানো বায়োলজি ব্যবহৃত হচ্ছে – ক্যান্সার সেল ধ্বংসে
18. ভারতে ন্যানো সায়েন্স মিশন শুরু হয় – 2007 সালে
19. ন্যানো বায়োলজির মূল প্রয়োগ ক্ষেত্র – চিকিৎসা, কৃষি, পরিবেশ
20. ন্যানো বায়োলজির ভবিষ্যৎ লক্ষ্য – রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিপ্লব আনা