জীববিজ্ঞান MCQ - Life Science MCQ Question Answer for Competitive Exams in Bengali
জীবন বিজ্ঞান (Biology)
প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস
1. জীববিজ্ঞানে শ্রেণীবিন্যাসের জনক কে? – কার্ল লিনিয়াস
2. আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি কী? – বিবর্তন তত্ত্ব
3. জীবজগৎকে প্রথমবার রাজ্যে বিভক্ত করেন কে? – আরিস্টটল
4. পাঁচ রাজ্য পদ্ধতির প্রবর্তক কে? – আর. এইচ. হুইটেকার
5. পাঁচ রাজ্য পদ্ধতি অনুযায়ী মানুষ কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত? – অ্যানিমেলিয়া
6. ব্যাকটেরিয়া কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – মোনেরা
7. ছত্রাক কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – ফাঙ্গি
8. প্রোটোজোয়া কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – প্রোটিস্টা
9. প্রাণিজগৎকে প্রধানত কয়টি ফাইলামে ভাগ করা হয়েছে? – প্রায় ১০টি
10. স্পঞ্জ কোন ফাইলামের অন্তর্গত? – পোরিফেরা
11. জেলিফিশ কোন ফাইলামের প্রাণী? – নিডেরিয়া
12. কেঁচো কোন ফাইলামের প্রাণী? – অ্যানেলিডা
13. শামুক কোন ফাইলামের অন্তর্গত? – মলাস্কা
14. তেলাপোকা কোন ফাইলামের প্রাণী? – আর্থ্রোপোডা
15. মাছ, ব্যাঙ, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী – এই পাঁচটি শ্রেণি কোন ফাইলামের অন্তর্গত? – কর্ডাটা
16. কশেরুকাযুক্ত প্রাণীদের বলা হয় – ভার্টিব্রেট
17. কশেরুকাবিহীন প্রাণীদের বলা হয় – ইনভার্টিব্রেট
18. মানুষ কোন শ্রেণির প্রাণী? – স্তন্যপায়ী (ম্যামালিয়া)
19. বাদুড় কোন শ্রেণির প্রাণী? – স্তন্যপায়ী
20. পাখিদের কঙ্কাল হালকা কেন? – উড়ানের জন্য নিউমাটিক অস্থি থাকার কারণে
মানবদেহে অঙ্গতন্ত্র
1. মানবদেহের মৌলিক গঠন একক কী? – কোষ
2. মানবদেহে কয়টি অঙ্গতন্ত্র আছে? – ১১টি
3. মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে কোন অঙ্গতন্ত্র? – রক্ত সঞ্চালন তন্ত্র
4. মানবদেহের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য দায়ী অঙ্গতন্ত্র কোনটি? – শ্বাসপ্রশ্বাস তন্ত্র
5. খাদ্য হজমের জন্য দায়ী অঙ্গতন্ত্র কোনটি? – পরিপাকতন্ত্র
6. দেহে বর্জ্য পদার্থ নির্গমন করে কোন তন্ত্র? – নিঃসরণ তন্ত্র
7. দেহের সমস্ত কার্য নিয়ন্ত্রণ করে কোন তন্ত্র? – স্নায়ুতন্ত্র
8. হরমোন নিঃসরণ করে কোন তন্ত্র? – অন্তঃস্রাবী তন্ত্র
9. মানবদেহে রক্ত কাদের দ্বারা পরিবাহিত হয়? – রক্তনালীর মাধ্যমে
10. ফুসফুস কোন তন্ত্রের অঙ্গ? – শ্বাসপ্রশ্বাস তন্ত্র
11. পাকস্থলী কোন তন্ত্রের অঙ্গ? – পরিপাকতন্ত্র
12. কিডনি কোন তন্ত্রের অংশ? – নিঃসরণ তন্ত্র
13. মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ? – স্নায়ুতন্ত্র
14. হৃৎপিণ্ড কোন তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ? – রক্ত সঞ্চালন তন্ত্র
15. চামড়া কোন তন্ত্রের অংশ? – আবরণ তন্ত্র
16. হাড় ও পেশি মিলে কোন তন্ত্র গঠন করে? – কঙ্কাল ও পেশিতন্ত্র
17. পুরুষ ও নারীর প্রজননে সহায়তা করে কোন তন্ত্র? – প্রজননতন্ত্র
18. ইনসুলিন হরমোন উৎপন্ন করে কোন গ্রন্থি? – অগ্ন্যাশয়
19. থাইরয়েড গ্রন্থি কোন হরমোন নিঃসরণ করে? – থাইরক্সিন
20. অ্যাড্রিনালিন হরমোন নিঃসরণ করে কোন গ্রন্থি? – অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি
21. মানবদেহে সবচেয়ে বড় অঙ্গ কোনটি? – ত্বক
22. মানবদেহের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ অঙ্গ কোনটি? – যকৃত
23. মানবদেহের সবচেয়ে ছোট অস্থি কোনটি? – স্ট্যাপিস (কানে অবস্থিত)
24. মানবদেহে সবচেয়ে লম্বা অস্থি কোনটি? – ফিমার (উরুর হাড়)
25. রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ করে কোন হরমোন? – ইনসুলিন
26. মানবদেহে অক্সিজেন পরিবহণ করে কী? – হিমোগ্লোবিন
27. দেহে রোগ প্রতিরোধ করে কোন কোষ? – শ্বেত রক্তকণিকা (WBC)
28. মানবদেহের শক্তির উৎস কী? – খাদ্য
29. দেহের ভারসাম্য বজায় রাখে কোন অঙ্গ? – অন্তঃকর্ণ
30. মানবদেহের বৃদ্ধির হরমোন উৎপন্ন করে কোন গ্রন্থি? – পিটুইটারি গ্রন্থি
রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন
1. মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনের জনক কে? – উইলিয়াম হার্ভে
2. মানবদেহে মোট কত প্রকার রক্ত কণিকা আছে? – তিন প্রকার (RBC, WBC, Platelet)
3. লোহিত রক্ত কণিকার প্রধান কাজ কী? – অক্সিজেন পরিবহন করা
4. শ্বেত রক্ত কণিকার কাজ কী? – দেহকে রোগজীবাণু থেকে রক্ষা করা
5. প্লেটলেটের কাজ কী? – রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
6. হিমোগ্লোবিনে কোন ধাতু থাকে? – লোহা
7. একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে রক্তের পরিমাণ কত? – প্রায় ৫-৬ লিটার
8. মানুষের রক্তের pH মান কত? – ৭.৪
9. রক্তের তরল অংশকে কী বলে? – প্লাজমা
10. রক্তে অক্সিজেনবাহী পদার্থ কী? – হিমোগ্লোবিন
11. RBC কোথায় তৈরি হয়? – অস্থিমজ্জায়
12. WBC কোথায় তৈরি হয়? – অস্থিমজ্জা ও লিম্ফ গ্রন্থিতে
13. রক্তের জমাট বাঁধায় সাহায্যকারী উপাদান কোনটি? – থ্রম্বিন
14. হৃদয় থেকে রক্ত বহন করে কোন নালী? – ধমনী
15. হৃদয়ে রক্ত ফিরিয়ে আনে কোন নালী? – শিরা
16. রক্তের সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে কোন অঙ্গ? – হৃদযন্ত্র
17. রক্তে রক্তগোষ্ঠী নির্ধারণ করেন কে? – ল্যান্ডস্টেইনার
18. রক্তের চারটি প্রধান গোষ্ঠী কী কী? – A, B, AB, O
19. রক্তে Rh-ফ্যাক্টর আবিষ্কার হয় কোন প্রাণীর থেকে? – রিসাস বানর
20. একজন “সর্বজনীন দাতা” কোন রক্তগোষ্ঠীর? – O নেগেটিভ
হৃদযন্ত্রের গঠন ও কার্য
1. মানব হৃদপিণ্ড কয়টি প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট? – চারটি (দুইটি অলিন্দ ও দুইটি নিলয়)
2. মানব হৃদপিণ্ড কোথায় অবস্থিত? – বক্ষগহ্বরের মাঝামাঝি, সামান্য বামদিকে
3. হৃদপিণ্ডের বাইরের আবরণকে কী বলে? – পেরিকার্ডিয়াম
4. ডান অলিন্দে কী ধরনের রক্ত প্রবেশ করে? – অক্সিজেনশূন্য রক্ত
5. বাম অলিন্দে কী ধরনের রক্ত প্রবেশ করে? – অক্সিজেনযুক্ত রক্ত
6. ডান অলিন্দ থেকে ডান নিলয়ে রক্ত প্রবেশ করে কোন ভালভের মাধ্যমে? – ট্রাইকাসপিড ভালভ
7. বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে রক্ত প্রবেশ করে কোন ভালভের মাধ্যমে? – বাইকাসপিড বা মাইট্রাল ভালভ
8. ডান নিলয় থেকে রক্ত কোন ধমনীর মাধ্যমে ফুসফুসে যায়? – পালমোনারি ধমনী
9. ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাম অলিন্দে আসে কোন শিরার মাধ্যমে? – পালমোনারি শিরা
10. বাম নিলয় থেকে রক্ত শরীরে যায় কোন ধমনীর মাধ্যমে? – মহাধমনী বা অ্যাওর্টা
11. হৃদপিণ্ডে রক্তের প্রবাহের দিক কোনটি? – অলিন্দ → নিলয় → ধমনী
12. হৃদপিণ্ডের পাম্পিং কর্মকে কী বলে? – সংকোচন বা সিস্টোল
13. হৃদপিণ্ডের বিশ্রাম অবস্থাকে কী বলে? – ডায়াস্টোল
14. হৃদস্পন্দন কে নিয়ন্ত্রণ করে? – সাইনো-অরিকুলার নোড (SA Node)
15. হৃদপিণ্ডের প্রাকৃতিক পেসমেকার কোনটি? – SA Node
16. একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দনের হার কত? – প্রতি মিনিটে প্রায় ৭২ বার
17. হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের চক্রকে কী বলে? – কার্ডিয়াক সাইকেল
18. হৃদপিণ্ডের অস্বাভাবিক শব্দকে কী বলে? – হার্ট মার্মার
19. রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী? – স্পাইগমোম্যানোমিটার
20. রক্তচাপের একক কী? – মিলিমিটার অব মার্কারি (mmHg)
21. স্বাভাবিক রক্তচাপ কত? – 120/80 mmHg
22. হৃদপিণ্ডে অক্সিজেন সরবরাহ করে কোন রক্তনালী? – করোনারি ধমনী
23. করোনারি ধমনী বন্ধ হয়ে গেলে কী রোগ হয়? – হার্ট অ্যাটাক
24. হৃদযন্ত্রের স্পন্দন রেকর্ড করার যন্ত্রের নাম কী? – ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাফ (ECG)
25. হৃদস্পন্দনের শব্দ কীভাবে সৃষ্টি হয়? – ভালভ বন্ধ হওয়ার ফলে
26. হৃদরোগের চিকিৎসককে কী বলে? – কার্ডিওলজিস্ট
27. হার্ট অ্যাটাকের বৈজ্ঞানিক নাম কী? – মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন
28. হৃদপিণ্ডে মোট কতটি ভালভ থাকে? – চারটি
29. হৃদযন্ত্রের প্রধান কাজ কী? – রক্ত পাম্প করা
30. হৃদপিণ্ড সারাজীবন ক্লান্ত না হয়ে কাজ করে কেন? – বিশ্রামের সময় (ডায়াস্টোল) পুনরুজ্জীবন লাভ করে
শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া
1. শ্বাসপ্রশ্বাস বলতে কী বোঝায়? – অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই–অক্সাইড ত্যাগ করার প্রক্রিয়া
2. মানবদেহে শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া কোথায় ঘটে? – ফুসফুসে
3. মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাস তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কোনটি? – ফুসফুস
4. নাক থেকে ফুসফুস পর্যন্ত বায়ু যে পথে যায় তাকে কী বলে? – শ্বাসনালী বা ট্র্যাকিয়া
5. শ্বাসনালীকে বিভাজিত করে যে দুটি নালী তৈরি হয় সেগুলি কী? – ব্রঙ্কাস
6. ব্রঙ্কাস শেষে যে ক্ষুদ্র থলির মতো অংশ থাকে তাকে কী বলে? – অ্যালভিওলাস
7. গ্যাসের আদান-প্রদান কোথায় ঘটে? – অ্যালভিওলাই-এ
8. শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে কোন অঙ্গ? – মস্তিষ্কের মেডুলা অবলংগাটা
9. অক্সিজেন গ্রহণ প্রক্রিয়াকে কী বলে? – ইনস্পিরেশন বা শ্বাসগ্রহণ
10. কার্বন ডাই–অক্সাইড ত্যাগ প্রক্রিয়াকে কী বলে? – এক্সপিরেশন বা শ্বাসত্যাগ
11. মানবদেহে শ্বাসপ্রশ্বাসের হার প্রতি মিনিটে কতবার হয়? – প্রায় ১৬–১৮ বার
12. শ্বাসপ্রশ্বাসে কোন গ্যাস গ্রহণ করা হয়? – অক্সিজেন
13. শ্বাসপ্রশ্বাসে কোন গ্যাস ত্যাগ করা হয়? – কার্বন ডাই–অক্সাইড
14. শ্বাস-প্রশ্বাসে কোন পেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? – ডায়াফ্রাম
15. কোষে খাদ্য ভাঙার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে কী বলে? – কোষীয় শ্বসন
16. কোষীয় শ্বসনের প্রধান উপজাত কী? – কার্বন ডাই–অক্সাইড, পানি ও শক্তি
17. অক্সিজেনের উপস্থিতিতে যে শ্বসন হয় তাকে কী বলে? – বায়বীয় শ্বসন
18. অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে শ্বসন হয় তাকে কী বলে? – অবায়বীয় শ্বসন
19. মানুষ কোন ধরনের শ্বসন করে? – বায়বীয় শ্বসন
20. শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহে কী উৎপন্ন হয়? – শক্তি
স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের কার্য
1. মানবদেহে স্নায়ুতন্ত্রের কাজ কী? – দেহের সমস্ত ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা
2. মানবদেহে স্নায়ুতন্ত্রের দুটি প্রধান ভাগ কী? – কেন্দ্রীয় ও পার্শ্বীয় স্নায়ুতন্ত্র
3. কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে কী থাকে? – মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড
4. পার্শ্বীয় স্নায়ুতন্ত্রে কী থাকে? – স্নায়ু ও গ্যাংলিয়া
5. মানবদেহের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র কোনটি? – মস্তিষ্ক
6. মস্তিষ্ক কোথায় অবস্থিত? – করোটির ভিতরে
7. মস্তিষ্কের বাইরের আবরণকে কী বলে? – মেনিনজেস
8. মস্তিষ্কের তিনটি প্রধান অংশ কী কী? – সেরিব্রাম, সেরিবেলাম ও মেডুলা অবলংগাটা
9. সেরিব্রামের কাজ কী? – চিন্তা, স্মৃতি, বিচার ও ইচ্ছাশক্তি নিয়ন্ত্রণ করা
10. সেরিবেলামের কাজ কী? – দেহের ভারসাম্য ও পেশীর সমন্বয় রক্ষা করা
11. মেডুলা অবলংগাটার কাজ কী? – শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃদস্পন্দন ও হজম প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা
12. স্নায়ু কোষের নাম কী? – নিউরন
13. স্নায়ু কোষের তিনটি অংশ কী? – কোষদেহ, অ্যাক্সন ও ডেন্ড্রন
14. নিউরনের মাধ্যমে বার্তা চলাচলকে কী বলে? – স্নায়ু প্রাবর্তন (Nerve impulse)
15. স্নায়ু প্রাবর্তন কোন দিক দিয়ে চলে? – ডেন্ড্রন → কোষদেহ → অ্যাক্সন
16. স্নায়ু প্রাবর্তনের গতি কত? – প্রায় 100 মিটার/সেকেন্ড
17. রিফ্লেক্স ক্রিয়া কী? – অনিচ্ছাকৃত দ্রুত প্রতিক্রিয়া
18. রিফ্লেক্স ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কোন অঙ্গ? – মেরুদণ্ড
19. দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কোন অংশ? – অক্সিপিটাল লোব
20. শ্রবণ শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কোন অংশ? – টেম্পোরাল লোব
21. সামনের লোব বা ফ্রন্টাল লোবের কাজ কী? – চিন্তা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা
22. স্পাইনাল কর্ড কোথায় অবস্থিত? – মেরুদণ্ডের ভিতরে
23. স্নায়ুতন্ত্রে বার্তা প্রেরণকারী রাসায়নিককে কী বলে? – নিউরোট্রান্সমিটার
24. মস্তিষ্কে সর্বাধিক অংশ দখল করে কোন অংশ? – সেরিব্রাম
25. মস্তিষ্কে প্রায় কতটি নিউরন থাকে? – প্রায় ১০০ বিলিয়ন
26. দেহে ব্যথা অনুভবের কেন্দ্র কোথায়? – সেরিব্রাল কর্টেক্স
27. ঘুম ও জাগরণ নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কোন অংশ? – হাইপোথ্যালামাস
28. স্মৃতি সংরক্ষণে সাহায্য করে মস্তিষ্কের কোন অংশ? – হিপোক্যাম্পাস
29. স্নায়ুতন্ত্রের জনক কে? – সান্তিয়াগো রামন ই কাহাল
30. মস্তিষ্কের ওজন গড়ে কত? – প্রায় ১.৩–১.৫ কেজি
ইন্দ্রিয় অঙ্গ (চোখ, কান)
চোখ (Eye)
1. মানুষের চোখের মাধ্যমে কোন ইন্দ্রিয় কাজ করে? – দৃষ্টিশক্তি
2. চোখের বাইরের স্বচ্ছ স্তরটিকে কী বলে? – কর্নিয়া
3. চোখের রঙিন অংশটির নাম কী? – আইরিস
4. আইরিসের কেন্দ্রে যে ছিদ্র থাকে তাকে কী বলে? – পিউপিল
5. চোখের লেন্সের কাজ কী? – আলোকরশ্মি ভেঙে রেটিনায় প্রতিবিম্ব তৈরি করা
6. রেটিনা কী? – চোখের অন্তঃস্তর যেখানে আলোক সংবেদনশীল কোষ থাকে
7. রেটিনায় কোন দুই প্রকার কোষ থাকে? – রড ও কোণ কোষ
8. রড কোষের কাজ কী? – অন্ধকারে দৃষ্টি প্রদান
9. কোণ কোষের কাজ কী? – রঙ চিনতে সাহায্য করা
10. চোখের লেন্সের আকার পরিবর্তন করে কোন অংশ? – সিলিয়ারি পেশি
11. চোখের মধ্যে যে তরল পদার্থ থাকে তার নাম কী? – একুয়াস হিউমার ও ভিট্রিয়াস হিউমার
12. চোখের পেছনের স্নায়ুকে কী বলে? – অপটিক নার্ভ
13. অন্ধ বিন্দু (Blind Spot) কোথায় অবস্থিত? – রেটিনার সেই স্থানে যেখানে অপটিক নার্ভ চোখ থেকে বের হয়
14. স্বাভাবিক মানব চোখ কত দূর পর্যন্ত স্পষ্ট দেখতে পারে? – ২৫ সেন্টিমিটার থেকে অসীম পর্যন্ত
15. রাত্রান্ধতা কিসের অভাবে হয়? – ভিটামিন ‘A’-এর অভাবে
কান (Ear)
1. মানুষের কানের প্রধান কাজ কী? – শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষা
2. কানকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? – তিনটি (বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ, অন্তঃকর্ণ)
3. বহিঃকর্ণের প্রধান অংশ কী? – কর্ণপল্লব ও শ্রবণনালী
4. মধ্যকর্ণে কয়টি শ্রবণ অস্থি থাকে? – তিনটি (ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্ট্যাপিস)
5. মানবদেহের সবচেয়ে ছোট অস্থি কোনটি? – স্ট্যাপিস
6. মধ্যকর্ণকে গলাগহ্বরের সঙ্গে সংযোগকারী নালী কী? – ইউস্টেশিয়ান টিউব
7. অন্তঃকর্ণের প্রধান অংশ কী? – ককলিয়া ও সেমি-সারকুলার ক্যানাল
8. শ্রবণ প্রক্রিয়া কোথায় ঘটে? – ককলিয়ায়
9. ভারসাম্য রক্ষা করে কোন অংশ? – সেমি-সারকুলার ক্যানাল
10. শ্রবণ স্নায়ু কোনটি? – অডিটরি নার্ভ
11. উচ্চ শব্দে শ্রবণক্ষমতা নষ্ট হওয়া রোগকে কী বলে? – শ্রবণবধিরতা
12. কানে সংক্রমণ হলে কোন রোগ হয়? – ওটাইটিস
13. কান থেকে মোম নিঃসৃত হয় কোন গ্রন্থি থেকে? – সেরুমিনাস গ্রন্থি
14. বধিরতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম কী? – হিয়ারিং এইড
15. কানে শব্দ প্রবেশের পথ কী? – কর্ণপল্লব → শ্রবণনালী → কর্ণঝিল্লি → শ্রবণ অস্থি → ককলিয়া
সাধারণ রোগ (ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, কলেরা, টিবি, এইডস)
1. ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর নাম – Plasmodium vivax।
2. ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায় – স্ত্রী Anopheles মশার কামড়ে।
3. ডেঙ্গু রোগের জীবাণু – Dengue virus।
4. ডেঙ্গু ছড়ায় – স্ত্রী Aedes aegypti মশার কামড়ে।
5. কলেরা রোগের জীবাণু – Vibrio cholerae।
6. কলেরা ছড়ায় – দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে।
7. টিবি বা যক্ষ্মা রোগের জীবাণু – Mycobacterium tuberculosis।
8. টিবি ছড়ায় – আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে।
9. এইডস রোগের জীবাণু – HIV (Human Immunodeficiency Virus)।
10. এইডস ছড়ায় – রক্ত, যৌন সম্পর্ক ও মায়ের দুধের মাধ্যমে।
11. ম্যালেরিয়া রোগ প্রথম আবিষ্কার করেন – Sir Ronald Ross।
12. ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধ – Quinine।
13. ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের আধুনিক ওষুধ – Chloroquine।
14. ডেঙ্গুর সাধারণ উপসর্গ – উচ্চ জ্বর ও শরীর ব্যথা।
15. ডেঙ্গুর বিপজ্জনক রূপ – Dengue hemorrhagic fever।
16. কলেরার প্রধান উপসর্গ – প্রচুর পাতলা পায়খানা ও পানিশূন্যতা।
17. টিবির চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ – Rifampicin ও Isoniazid।
18. এইডস রোগ প্রথম শনাক্ত হয় – ১৯৮১ সালে।
19. এইডস রোগ শনাক্তের পরীক্ষা – ELISA test।
20. এইডস প্রতিরোধে ব্যবহৃত ওষুধ – AZT (Azidothymidine)।
21. ম্যালেরিয়ার জ্বর আসে – প্রতি ৪৮ বা ৭২ ঘণ্টা পর পর।
22. ম্যালেরিয়ার কারণ জীবাণুর ধরন – প্রোটোজোয়া।
23. ডেঙ্গুর কারণ জীবাণুর ধরন – ভাইরাস।
24. কলেরার কারণ জীবাণুর ধরন – ব্যাকটেরিয়া।
25. টিবির কারণ জীবাণুর ধরন – ব্যাকটেরিয়া।
26. এইডসের কারণ জীবাণুর ধরন – ভাইরাস।
27. ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইট রক্তের কোন অংশ আক্রমণ করে – লোহিত রক্তকণিকা (RBC)।
28. ম্যালেরিয়া রোগের জ্বর হয় – মশার কামড়ের ১০-১৫ দিন পরে।
29. ডেঙ্গু মশা কামড়ায় – দিনে।
30. ম্যালেরিয়া মশা কামড়ায় – রাতে।
31. কলেরা রোগে শরীর থেকে যে উপাদান হারায় – জল ও লবণ।
32. কলেরার চিকিৎসায় প্রধান ব্যবস্থা – ওআরএস দ্রবণ।
33. টিবি রোগের প্রতিরোধক টিকা – BCG vaccine।
34. ম্যালেরিয়া প্রতিরোধক ওষুধ গ্রহণ – ভ্রমণের আগে প্রয়োজন।
35. ডেঙ্গুর প্রতিরোধের উপায় – মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা।
36. কলেরার প্রতিরোধে করণীয় – বিশুদ্ধ পানি পান করা।
37. টিবির রোগ শরীরের কোন অংশে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে – ফুসফুস।
38. এইডস ভাইরাস আক্রমণ করে – শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কোষ (T-lymphocytes)।
39. HIV ভাইরাসের পূর্ণরূপ – Human Immunodeficiency Virus।
40. AIDS-এর পূর্ণরূপ – Acquired Immuno Deficiency Syndrome।
41. ডেঙ্গুর ভাইরাস বহনকারী মশা – Aedes aegypti।
42. ম্যালেরিয়া রোগে দায়ী পরজীবী – Plasmodium vivax, P. falciparum, P. malariae, P. ovale।
43. সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া – Plasmodium falciparum দ্বারা।
44. এইডস ভাইরাসের প্রধান লক্ষ্য কোষ – Helper T cells।
45. ডেঙ্গুর চিকিৎসা – কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, উপসর্গভিত্তিক।
46. কলেরার প্রতিষেধক টিকার নাম – Cholera vaccine।
47. টিবি প্রতিরোধের জাতীয় কর্মসূচি – Revised National TB Control Programme (RNTCP)।
48. এইডস প্রতিরোধের ভারতীয় সংস্থা – NACO (National AIDS Control Organisation)।
49. ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ কর্মসূচি – National Vector Borne Disease Control Programme।
50. বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয় – ১ ডিসেম্বর।
জীবাণুর দ্বারা রোগ
1. ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ – কলেরা।
2. ভাইরাসের দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ – ডেঙ্গু।
3. প্রোটোজোয়ার দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ – ম্যালেরিয়া।
4. ফাঙ্গাস দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ – রিংওয়ার্ম।
5. ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট যৌন রোগ – গনোরিয়া।
6. ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট যৌন রোগ – এইডস।
7. ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট শ্বাসযন্ত্রের রোগ – যক্ষ্মা (টিবি)।
8. ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট যকৃতের রোগ – হেপাটাইটিস।
9. প্রোটোজোয়া দ্বারা সৃষ্ট রক্তের রোগ – ম্যালেরিয়া।
10. ফাঙ্গাস দ্বারা সৃষ্ট ত্বকের রোগ – অ্যাথলেটস ফুট।
11. ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট রোগের চিকিৎসা – অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা।
12. ভাইরাসজনিত রোগে ব্যবহৃত ওষুধ – অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ।
13. প্রোটোজোয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগে ব্যবহৃত ওষুধ – অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ড্রাগ।
14. রিংওয়ার্ম রোগের চিকিৎসা – অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধে।
15. ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট গলার রোগ – ডিফথেরিয়া।
16. ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট স্নায়ুর রোগ – পোলিও।
17. ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট খাদ্যজনিত রোগ – টাইফয়েড।
18. ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট শ্বাসযন্ত্রের রোগ – ইনফ্লুয়েঞ্জা।
19. ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট ত্বকের সংক্রমণ – লেপ্রসি (কুষ্ঠরোগ)।
20. ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট ত্বকের রোগ – চিকেন পক্স।
ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ
1. ভিটামিন–A-এর অভাবে হয় – রাতকানা (Night blindness)।
2. ভিটামিন–B₁ (Thiamine)-এর অভাবে হয় – বেরিবেরি (Beri–beri)।
3. ভিটামিন–B₂ (Riboflavin)-এর অভাবে হয় – ত্বকের প্রদাহ ও মুখের ক্ষত।
4. ভিটামিন–B₃ (Niacin)-এর অভাবে হয় – পেল্লাগ্রা (Pellagra)।
5. ভিটামিন–B₆ (Pyridoxine)-এর অভাবে হয় – অ্যানিমিয়া ও ত্বকের রোগ।
6. ভিটামিন–B₁₂ (Cyanocobalamin)-এর অভাবে হয় – Pernicious anemia।
7. ভিটামিন–C (Ascorbic acid)-এর অভাবে হয় – স্কার্ভি (Scurvy)।
8. ভিটামিন–D-এর অভাবে শিশুদের হয় – রিকেটস (Rickets)।
9. ভিটামিন–D-এর অভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের হয় – অস্টিওম্যালেশিয়া (Osteomalacia)।
10. ভিটামিন–E-এর অভাবে হয় – বন্ধ্যত্ব ও পেশী দুর্বলতা।
11. ভিটামিন–K-এর অভাবে হয় – রক্ত জমাট বাঁধায় সমস্যা (Bleeding tendency)।
12. ভিটামিন–A-এর রাসায়নিক নাম – রেটিনল (Retinol)।
13. ভিটামিন–C-এর রাসায়নিক নাম – অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (Ascorbic acid)।
14. ভিটামিন–D-এর রাসায়নিক নাম – ক্যালসিফেরল (Calciferol)।
15. ভিটামিন–E-এর রাসায়নিক নাম – টোকোফেরল (Tocopherol)।
16. ভিটামিন–K-এর রাসায়নিক নাম – ফাইলোকুইনোন (Phylloquinone)।
17. ভিটামিন–B₁-এর রাসায়নিক নাম – থায়ামিন (Thiamine)।
18. ভিটামিন–B₂-এর রাসায়নিক নাম – রিবোফ্লাভিন (Riboflavin)।
19. ভিটামিন–B₃-এর রাসায়নিক নাম – নিয়াসিন (Niacin)।
20. ভিটামিন–B₁₂ প্রধানত পাওয়া যায় – প্রাণিজ খাদ্যে (যেমন মাংস, ডিম, দুধ)।
হরমোন ও গ্রন্থি
1. হরমোন নিঃসরণকারী অঙ্গকে বলে – অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি।
2. হরমোন আবিষ্কার করেন – স্টারলিং (Starling)।
3. মানব শরীরের প্রধান অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি – পিটুইটারি গ্রন্থি।
4. পিটুইটারি গ্রন্থিকে বলা হয় – মাস্টার গ্রন্থি।
5. পিটুইটারি গ্রন্থি অবস্থিত – মস্তিষ্কের Hypothalamus-এর নিচে।
6. থাইরয়েড গ্রন্থি অবস্থিত – গলার সামনের অংশে।
7. থাইরয়েড হরমোনের নাম – থাইরক্সিন (Thyroxine)।
8. থাইরয়েড হরমোনে প্রধান উপাদান – আয়োডিন।
9. আয়োডিনের অভাবে যে রোগ হয় – গলগণ্ড (Goitre)।
10. থাইরয়েড হরমোনের অতিরিক্ত নিঃসরণে হয় – এক্সোফথ্যালমিক গলগণ্ড।
11. অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন – ইনসুলিন।
12. ইনসুলিনের কাজ – রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
13. ইনসুলিনের অভাবে যে রোগ হয় – ডায়াবেটিস মেলিটাস।
14. ইনসুলিন আবিষ্কার করেন – বেন্টিং ও বেস্ট।
15. অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি অবস্থিত – কিডনির উপরে।
16. অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির হরমোন – অ্যাড্রেনালিন।
17. অ্যাড্রেনালিনের কাজ – শরীরে “লড়ো বা পালাও” প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করা।
18. অ্যাড্রিনাল হরমোনকে বলা হয় – জরুরি হরমোন।
19. অ্যাড্রিনাল হরমোন অতিরিক্ত নিঃসরণে হয় – উচ্চ রক্তচাপ।
20. অ্যাড্রিনাল হরমোনের অভাবে হয় – অ্যাডিসন রোগ (Addison’s disease)।
21. পাইনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন – মেলাটোনিন।
22. মেলাটোনিনের কাজ – ঘুম ও জৈবঘড়ি নিয়ন্ত্রণ।
23. অ্যাডেনোহাইপোফিসিস অংশের হরমোন – গ্রোথ হরমোন (GH)।
24. গ্রোথ হরমোনের অভাবে শিশুদের হয় – বামনত্ব।
25. গ্রোথ হরমোনের অতিরিক্ত নিঃসরণে হয় – দৈত্যত্ব (Gigantism)।
26. অক্সিটোসিন হরমোনের কাজ – প্রসব ও দুধ নিঃসরণে সহায়তা করা।
27. টেস্টিস থেকে নিঃসৃত হরমোন – টেস্টোস্টেরন।
28. ওভারি থেকে নিঃসৃত হরমোন – ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন।
29. ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজ – নারীর দ্বিতীয় যৌন বৈশিষ্ট্য গঠন।
30. প্রোজেস্টেরন হরমোনের কাজ – গর্ভধারণে সহায়তা করা।
প্রতিরোধ ক্ষমতা
1. প্রতিরোধ ক্ষমতা বলতে বোঝায় – দেহের রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা।
2. প্রতিরোধ ক্ষমতার বৈজ্ঞানিক নাম – ইমিউনিটি (Immunity)।
3. প্রতিরোধ ক্ষমতা অধ্যয়ন করে যে শাস্ত্র – ইমিউনোলজি (Immunology)।
4. প্রতিরোধ ক্ষমতার জনক – লুই পাস্তুর (Louis Pasteur)।
5. দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠনে ভূমিকা রাখে – শ্বেত রক্তকণিকা (WBC)।
6. প্রতিরোধ ক্ষমতা দুই প্রকার – জন্মগত ও অর্জিত।
7. জন্মগত প্রতিরোধ ক্ষমতা – জন্মের সময় থেকেই দেহে উপস্থিত থাকে।
8. অর্জিত প্রতিরোধ ক্ষমতা – জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে গঠিত হয়।
9. অ্যান্টিবডি তৈরি করে – বি–লিম্ফোসাইট (B–Lymphocyte)।
10. অ্যান্টিজেন কী – দেহে প্রবেশ করা বিদেশী পদার্থ যা ইমিউন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
11. অ্যান্টিবডি কী – অ্যান্টিজেন ধ্বংসকারী প্রোটিনজাত পদার্থ।
12. টি–লিম্ফোসাইটের কাজ – ভাইরাস আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা।
13. প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ক্ষমতা আসে – জন্মগত বৈশিষ্ট্য থেকে।
14. কৃত্রিম প্রতিরোধ ক্ষমতা আসে – টিকা প্রদানের মাধ্যমে।
15. দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে – বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগ দেখা দেয়।
16. এইডস রোগে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় – কারণ HIV ভাইরাস টি–লিম্ফোসাইট ধ্বংস করে।
17. রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার পর যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠিত হয় – প্রাকৃতিক অর্জিত প্রতিরোধ।
18. টিকা প্রদানের ফলে যে প্রতিরোধ ক্ষমতা হয় – কৃত্রিম অর্জিত প্রতিরোধ।
19. অ্যান্টিবডি পাওয়া যায় – রক্তরস (Plasma)-এ।
20. ইমিউন সিস্টেমের প্রধান অঙ্গ – অস্থিমজ্জা, থাইমাস, লিম্ফনোড ও প্লীহা।
টিকা
1. টিকা কী – রোগের জীবাণু বা তার বিষ থেকে তৈরি প্রতিরোধমূলক পদার্থ।
2. টিকা আবিষ্কার করেন – এডওয়ার্ড জেনার (Edward Jenner)।
3. প্রথম টিকার নাম – গুটি বসন্তের টিকা (Smallpox Vaccine)।
4. প্রথম টিকা আবিষ্কারের বছর – ১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দ।
5. টিকার মাধ্যমে দেহে সৃষ্টি হয় – কৃত্রিম অর্জিত প্রতিরোধ ক্ষমতা।
6. টিকা প্রদানের উদ্দেশ্য – নির্দিষ্ট রোগের বিরুদ্ধে দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠন।
7. গুটি বসন্ত প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – Vaccinia vaccine।
8. যক্ষ্মা (টিবি)-র প্রতিরোধক টিকা – BCG vaccine।
9. ডিফথেরিয়া, পার্টুসিস ও টিটানাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – DPT vaccine।
10. পোলিও প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – Oral Polio Vaccine (OPV)।
11. হেপাটাইটিস–B প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – Hepatitis–B vaccine।
12. মিজেলস প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – MMR vaccine (Measles, Mumps, Rubella)।
13. টিটানাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – T.T. vaccine (Tetanus Toxoid)।
14. রেবিস প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – Anti–rabies vaccine।
15. টাইফয়েড প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – Typhoid vaccine।
16. কলেরা প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – Cholera vaccine।
17. জাপানিজ এনসেফালাইটিস প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – J.E. vaccine।
18. হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা – HPV vaccine।
19. টিকা সাধারণত প্রয়োগ করা হয় – ইনজেকশন বা মুখে দেওয়ার মাধ্যমে।
20. ভারতে টিকাদান কর্মসূচির নাম – Universal Immunization Programme (UIP)।