জীববিজ্ঞান MCQ - Life Science MCQ in Bengali for Competitive Exams

জীববিজ্ঞান MCQ - Life Science MCQ in Bengali for Competitive Exams

জীবন বিজ্ঞান (Biology)

জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞা ও শাখা

1. জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞা – জীবিত প্রাণীর অধ্যয়নকে জীববিজ্ঞান বলে।

2. জীববিজ্ঞান শব্দটি গ্রীক কোন শব্দ থেকে এসেছে – ‘Bios’ (জীবন) ও ‘Logos’ (অধ্যয়ন)।

3. জীববিজ্ঞানকে কতটি প্রধান শাখায় বিভক্ত করা হয় – তিনটি (Botany, Zoology, Microbiology)।

4. উদ্ভিদবিদ্যা কাকে বলে – উদ্ভিদ সম্পর্কিত অধ্যয়নকে উদ্ভিদবিদ্যা বলে।

5. প্রাণীবিদ্যা কাকে বলে – প্রাণী সম্পর্কিত অধ্যয়নকে প্রাণীবিদ্যা বলে।

6. অণুজীববিদ্যা কাকে বলে – অতি ক্ষুদ্র জীব সম্পর্কে অধ্যয়নকে অণুজীববিদ্যা বলে।

7. জীবরাসায়ন কাকে বলে – জীবের রাসায়নিক উপাদান ও বিক্রিয়া নিয়ে অধ্যয়নকে জীবরাসায়ন বলে।

8. শারীরবিদ্যা কাকে বলে – জীবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যপদ্ধতি নিয়ে অধ্যয়নকে শারীরবিদ্যা বলে।

9. কোষবিদ্যা কাকে বলে – জীবের মৌলিক গঠন একক কোষ নিয়ে অধ্যয়নকে কোষবিদ্যা বলে।

10. আণবিক জীববিজ্ঞান কাকে বলে – DNA, RNA ও প্রোটিন নিয়ে অধ্যয়নকে আণবিক জীববিজ্ঞান বলে।

11. জেনেটিক্স কাকে বলে – বংশগতি ও জিন সম্পর্কিত অধ্যয়নকে জেনেটিক্স বলে।

12. প্রাণিবিন্যাসবিদ্যা কাকে বলে – প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে অধ্যয়নকে প্রাণিবিন্যাসবিদ্যা বলে।

13. উদ্ভিদতত্ত্বের আরেক নাম কী – Botany।

14. প্রাণীতত্ত্বের ইংরেজি নাম কী – Zoology।

15. পরিবেশবিদ্যা কাকে বলে – জীব ও পরিবেশের সম্পর্ক নিয়ে অধ্যয়নকে পরিবেশবিদ্যা বলে।

16. জীবাশ্মবিদ্যা কাকে বলে – প্রাচীন জীবের জীবাশ্ম নিয়ে অধ্যয়নকে জীবাশ্মবিদ্যা বলে।

17. অঙ্গসংস্থানবিদ্যা কাকে বলে – দেহের গঠন নিয়ে অধ্যয়নকে অঙ্গসংস্থানবিদ্যা বলে।

18. প্রাণিবিকাশবিদ্যা কাকে বলে – প্রাণীর বিবর্তন নিয়ে অধ্যয়নকে প্রাণিবিকাশবিদ্যা বলে।

19. বায়োটেকনোলজি কাকে বলে – জীবের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে বায়োটেকনোলজি বলে।

20. প্যাথোলজি কাকে বলে – রোগের কারণ ও প্রকৃতি নিয়ে অধ্যয়নকে প্যাথোলজি বলে।

Father of various branches of Biology

1. জীববিজ্ঞানের জনক – এরিস্টটল (Aristotle)।

2. উদ্ভিদবিদ্যার জনক – থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus)।

3. প্রাণীবিদ্যার জনক – এরিস্টটল (Aristotle)।

4. আণবিক জীববিজ্ঞানের জনক – ওয়াটসন ও ক্রিক (Watson & Crick)।

5. জেনেটিক্সের জনক – গ্রেগর মেন্ডেল (Gregor Mendel)।

6. কোষবিজ্ঞানের জনক – রবার্ট হুক (Robert Hooke)।

7. অণুজীববিজ্ঞানের জনক – অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক (Antony van Leeuwenhoek)।

8. জীবরাসায়নের জনক – কার্ল নেউবার্গ (Carl Neuberg)।

9. পরিবেশবিদ্যার জনক – আর্নেস্ট হেকেল (Ernst Haeckel)।

10. বিবর্তন তত্ত্বের জনক – চার্লস ডারউইন (Charles Darwin)।

11. প্রাণিবিন্যাসবিদ্যার জনক – ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)।

12. প্রাণিবিকাশবিদ্যার জনক – জাঁ বাতিস্ত লামার্ক (Jean Baptiste Lamarck)।

13. আধুনিক জেনেটিক্সের জনক – টি. এইচ. মরগ্যান (T.H. Morgan)।

14. বোটানিক্যাল নোমেনক্লেচারের জনক – ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)।

15. প্রাণীশারীরবিদ্যার জনক – উইলিয়াম হার্ভে (William Harvey)।

16. রক্ত সঞ্চালনের জনক – উইলিয়াম হার্ভে (William Harvey)।

17. অ্যান্টিবায়োটিকের জনক – আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (Alexander Fleming)।

18. প্যাথোলজির জনক – রুডলফ ভিরচো (Rudolf Virchow)।

19. বায়োটেকনোলজির জনক – কার্ল এরকি (Karl Ereky)।

20. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক – পল বার্গ (Paul Berg)।

জীববিজ্ঞানের আবিষ্কারক ও আবিষ্কার

1. কোষ আবিষ্কার করেন – রবার্ট হুক (1665 সালে)।

2. অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন – জাখারিয়াস জানসেন।

3. DNA এর গঠন আবিষ্কার করেন – জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক।

4. RNA এর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন – ফ্রেডরিক মিশার।

5. রক্ত সঞ্চালন আবিষ্কার করেন – উইলিয়াম হার্ভে।

6. ব্যাকটেরিয়া প্রথম দেখেন – অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক।

7. ভাইরাস আবিষ্কার করেন – দিমিত্রি ইভানোভস্কি।

8. পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন – আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।

9. ইনসুলিন আবিষ্কার করেন – ফ্রেডরিক ব্যান্টিং ও চার্লস বেস্ট।

10. টিকা (Vaccination) আবিষ্কার করেন – এডওয়ার্ড জেনার।

11. জিনের ধারণা দেন – গ্রেগর মেন্ডেল।

12. বিবর্তন তত্ত্ব দেন – চার্লস ডারউইন।

13. প্রাণিবিন্যাস প্রণালী দেন – ক্যারোলাস লিনিয়াস।

14. ক্লোরোফিলের গঠন নির্ণয় করেন – উইলস্টেটার।

15. ফটোসিন্থেসিসের প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন – জান ইঞ্জেনহাউস।

16. DNA এর পূর্ণরূপ – Deoxyribonucleic Acid।

17. RNA এর পূর্ণরূপ – Ribonucleic Acid।

18. রাইবোজোম আবিষ্কার করেন – জর্জ পালাডে।

19. কোষবিভাজনের প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন – ওয়াল্টার ফ্লেমিং।

20. মাইটোকন্ড্রিয়া আবিষ্কার করেন – রিচার্ড অল্টম্যান।

21. গোলগি বডি আবিষ্কার করেন – ক্যামিলো গোলগি।

22. ক্লোরোপ্লাস্ট আবিষ্কার করেন – শিম্পার।

23. লাইসোসোম আবিষ্কার করেন – ক্রিশ্চিয়ান দ্য ডুভ।

24. ভ্যাকুয়োল আবিষ্কার করেন – লেইডেন হুক।

25. DNA প্রতিলিপন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন – ওয়াটসন ও ক্রিক।

26. ATP এর আবিষ্কার করেন – কার্ল লোহম্যান।

27. হরমোন আবিষ্কার করেন – বাইলিস ও স্টার্লিং।

28. টেস্ট টিউব বেবি আবিষ্কার করেন – রবার্ট এডওয়ার্ডস।

29. জিন ক্লোনিং প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন – পল বার্গ।

30. ব্লাড গ্রুপ আবিষ্কার করেন – কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার।

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু

1. জীবদেহের গঠন ও কার্য্যের মৌলিক একক কী? — কোষ

2. "Cell" শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন? — রবার্ট হুক

3. রবার্ট হুক কোন বছরে কোষ আবিষ্কার করেন? — ১৬৬৫ সালে

4. কোন উদ্ভিদে প্রথম কোষ দেখা গিয়েছিল? — করকের টুকরোয়

5. জীবন্ত কোষ প্রথম কে পর্যবেক্ষণ করেন? — অ্যান্টন ভন লিউয়েনহুক

6. কোষতত্ত্বের জনক কে? — শ্লাইডেন ও শভান

7. কোষের বাইরের আবরণকে কী বলে? — কোষঝিল্লি বা প্লাজমা মেমব্রেন

8. কোষঝিল্লির গঠন কেমন? — লিপিড ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত

9. কোষঝিল্লির প্রধান কাজ কী? — পদার্থের আগমন ও বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা

10. কোষরস বা সাইটোপ্লাজম কোথায় থাকে? — কোষঝিল্লি ও নিউক্লিয়াসের মধ্যে

11. নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রীকায়ের আবিষ্কারক কে? — রবার্ট ব্রাউন

12. নিউক্লিয়াসের ভিতরে কী থাকে? — ক্রোমাটিন ফাইবার ও নিউক্লিওলাস

13. নিউক্লিওলাসের কাজ কী? — রাইবোসোম তৈরি করা

14. ক্রোমাটিন পদার্থ দ্বারা কী গঠিত হয়? — ক্রোমোসোম

15. কোষের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বলা হয় কাকে? — মাইটোকন্ড্রিয়া

16. কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণ কোথায় হয়? — রাইবোসোমে

17. কোষে পদার্থ পরিবহনের কাজ করে কে? — এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)

18. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের দুই প্রকার কী? — রাফ ER ও স্মুথ ER

19. রাফ ER-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? — এর উপরে রাইবোসোম থাকে

20. গলগি বডির প্রধান কাজ কী? — পদার্থের সংরক্ষণ ও নিঃসরণ

21. লিসোসোমকে কোষের কী বলা হয়? — সুইসাইড ব্যাগ

22. লিসোসোমের কাজ কী? — অবাঞ্ছিত পদার্থ ধ্বংস করা

23. ভ্যাকুয়োল সাধারণত কোথায় বড় হয়? — উদ্ভিদ কোষে

24. উদ্ভিদ কোষে শক্ত বহিঃআবরণকে কী বলে? — কোষপ্রাচীর

25. কোষপ্রাচীর কোন পদার্থ দ্বারা গঠিত? — সেলুলোজ

26. প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর থাকে কি? — না, থাকে না

27. সেন্ট্রিয়োল কোথায় পাওয়া যায়? — প্রাণী কোষে

28. কোষে শক্তি উৎপন্ন হয় কোন প্রক্রিয়ায়? — শ্বসন প্রক্রিয়ায় (Respiration)

29. কোষে জলের ভারসাম্য রক্ষার কাজ কে করে? — ভ্যাকুয়োল

30. প্লাজমা মেমব্রেনকে আধা-পারগম্য বলা হয় কেন? — শুধু নির্দিষ্ট পদার্থ পার হতে পারে বলে

প্রোক্যারিওটিক ও ইউক্যারিওটিক কোষ

1. নিউক্লিয়াসবিহীন কোষকে কী বলে? — প্রোক্যারিওটিক কোষ

2. সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষকে কী বলে? — ইউক্যারিওটিক কোষ

3. প্রোক্যারিওটিক কোষের উদাহরণ কী? — ব্যাকটেরিয়া ও সায়ানোব্যাকটেরিয়া

4. ইউক্যারিওটিক কোষের উদাহরণ কী? — উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ

5. প্রোক্যারিওটিক কোষে DNA কেমন থাকে? — বৃত্তাকার (Circular)

6. ইউক্যারিওটিক কোষে DNA কোথায় থাকে? — নিউক্লিয়াসে

7. প্রোক্যারিওটিক কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে কি? — না, থাকে না

8. ইউক্যারিওটিক কোষে অঙ্গাণু থাকে কি? — হ্যাঁ, মেমব্রেন-বাউন্ড অঙ্গাণু থাকে

9. প্রোক্যারিওটিক কোষে রাইবোসোমের আকার কত? — ৭০S

10. ইউক্যারিওটিক কোষে রাইবোসোমের আকার কত? — ৮০S

11. প্রোক্যারিওটিক কোষে বিভাজন কীভাবে হয়? — বাইনারি ফিশন দ্বারা

12. ইউক্যারিওটিক কোষে বিভাজন কীভাবে হয়? — মাইটোসিস ও মিওসিস দ্বারা

13. প্রোক্যারিওটিক কোষের কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান কী? — পেপ্টিডোগ্লাইকান

14. ইউক্যারিওটিক উদ্ভিদ কোষের কোষপ্রাচীর গঠিত হয় কোন পদার্থে? — সেলুলোজ

15. প্রোক্যারিওটিক কোষে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন থাকে কি? — না

16. ইউক্যারিওটিক কোষে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন থাকে কি? — হ্যাঁ

17. প্রোক্যারিওটিক কোষের গঠন কেমন? — অতি সরল

18. ইউক্যারিওটিক কোষের গঠন কেমন? — জটিল ও উন্নত

19. প্রোক্যারিওটিক কোষে গলগি বডি থাকে কি? — না

20. প্রোক্যারিওটিক কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে কি? — না

21. ইউক্যারিওটিক উদ্ভিদ কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে কি? — হ্যাঁ

22. প্রোক্যারিওটিক কোষে প্লাজমিড কী? — অতিরিক্ত ছোট DNA অণু

23. ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর কেমন? — পুরু ও শক্তিশালী

24. ইউক্যারিওটিক প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর থাকে কি? — না

25. প্রোক্যারিওটিক কোষে Flagella থাকে কি? — হ্যাঁ, চলাচলের জন্য

26. ইউক্যারিওটিক কোষের উদ্ভাবক কে? — শভান ও শ্লাইডেনের কোষতত্ত্বে বর্ণিত

27. প্রোক্যারিওটিক কোষের উদ্ভব কবে হয়েছিল? — প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে

28. ইউক্যারিওটিক কোষের উদ্ভব কবে হয়েছিল? — প্রায় ১.৫ বিলিয়ন বছর আগে

29. ইউক্যারিওটিক কোষের জিন কোথায় থাকে? — ক্রোমোসোমে

30. প্রোক্যারিওটিক কোষে জিন কোথায় থাকে? — DNA লুপে

মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোসোম, গলগি বডি

1. মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের কী বলা হয়? — শক্তিঘর (Powerhouse)

2. মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ কী? — ATP উৎপাদন

3. মাইটোকন্ড্রিয়ার আবিষ্কারক কে? — আল্টম্যান (Benda)

4. মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন কেমন? — দ্বৈত ঝিল্লি বিশিষ্ট

5. মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরীণ ভাঁজকে কী বলে? — ক্রিস্টি (Cristae)

6. ক্রিস্টির কাজ কী? — এনজাইম সংরক্ষণ ও শক্তি উৎপাদন

7. মাইটোকন্ড্রিয়ায় DNA থাকে কি? — হ্যাঁ, নিজস্ব DNA থাকে

8. রাইবোসোমের কাজ কী? — প্রোটিন সংশ্লেষণ

9. রাইবোসোম কোথায় পাওয়া যায়? — সাইটোপ্লাজমে ও ER-এর উপর

10. রাইবোসোমের আবিষ্কারক কে? — পালাডে

11. রাইবোসোমে RNA ও প্রোটিনের অনুপাত কত? — RNA ৬০%, প্রোটিন ৪০%

12. রাইবোসোমের দুই অংশ কী কী? — বড় ও ছোট উপএকক

13. ইউক্যারিওটিক কোষের রাইবোসোমের ধরন কী? — ৮০S

14. প্রোক্যারিওটিক কোষের রাইবোসোমের ধরন কী? — ৭০S

15. গলগি বডির আবিষ্কারক কে? — কামিলো গলগি

16. গলগি বডি কোষে কোথায় থাকে? — নিউক্লিয়াসের কাছে

17. গলগি বডির কাজ কী? — পদার্থ প্যাকেটবদ্ধ করে নিঃসরণ করা

18. গলগি বডি কোন অঙ্গাণুর সাথে যুক্তভাবে কাজ করে? — ER-এর সাথে

19. লিসোসোম তৈরি হয় কোথায়? — গলগি বডি থেকে

20. গলগি বডি প্রধানত কোন কোষে বেশি সক্রিয়? — স্রাবকারী কোষে

21. রাইবোসোমের সংখ্যা কিসের ওপর নির্ভর করে? — কোষের প্রোটিন চাহিদার ওপর

22. মাইটোকন্ড্রিয়া কোন ধরণের কোষে বেশি থাকে? — শক্তি প্রয়োজনীয় কোষে (যেমন পেশী কোষ)

23. মাইটোকন্ড্রিয়ার নিজস্ব RNA থাকে কি? — হ্যাঁ থাকে

24. মাইটোকন্ড্রিয়ার সংখ্যা কোষে পরিবর্তনশীল কেন? — কোষের কার্যকলাপের ওপর নির্ভর করে

25. রাইবোসোমকে কখনও কী বলা হয়? — প্রোটিন ফ্যাক্টরি

26. গলগি বডি কোন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে? — গ্লাইকোপ্রোটিন ও লিপিড সংশ্লেষণ

27. গলগি বডির ফ্ল্যাটেনড স্যাককে কী বলে? — সিস্টার্না

28. মাইটোকন্ড্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয় কোন প্রক্রিয়ায়? — অক্সিডেটিভ ফসফরাইলেশন

29. রাইবোসোম কোন পদার্থে তৈরি? — rRNA ও প্রোটিনে

30. মাইটোকন্ড্রিয়ার সংখ্যা সর্বাধিক কোন কোষে? — যকৃত কোষে

কোষ বিভাজন

1. কোষ বিভাজনের দুই প্রকার কী? — মাইটোসিস ও মিওসিস

2. মাইটোসিসকে কী বলা হয়? — সমবিভাজন (Equational Division)

3. মিওসিসকে কী বলা হয়? — অর্ধবিভাজন (Reduction Division)

4. মাইটোসিসে কতটি কোষ তৈরি হয়? — দুটি কন্যা কোষ

5. মিওসিসে কতটি কোষ তৈরি হয়? — চারটি কন্যা কোষ

6. মাইটোসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা কেমন থাকে? — অপরিবর্তিত থাকে

7. মিওসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা কীভাবে পরিবর্তিত হয়? — অর্ধেকে নেমে যায়

8. মাইটোসিস কোন কোষে ঘটে? — দেহকোষে (Somatic cell)

9. মিওসিস কোন কোষে ঘটে? — যৌন কোষে (Germ cell)

10. মাইটোসিসের ধাপ কয়টি? — চারটি (Prophase, Metaphase, Anaphase, Telophase)

11. মাইটোসিসের পূর্ব ধাপ কোনটি? — Interphase

12. মাইটোসিসের প্রথম ধাপ কোনটি? — Prophase

13. ক্রোমোজোমের বিন্যাস হয় কোন ধাপে? — Metaphase

14. ক্রোমাটিড পৃথক হয় কোন ধাপে? — Anaphase

15. নিউক্লিয়ার মেমব্রেন পুনর্গঠিত হয় কোন ধাপে? — Telophase

16. সাইটোপ্লাজমিক বিভাজনকে কী বলে? — Cytokinesis

17. মিওসিসে কয়টি ধাপ থাকে? — দুটি (Meiosis I ও Meiosis II)

18. Crossing over ঘটে কোন ধাপে? — Prophase I

19. Crossing over-এর ফলে কী হয়? — জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic variation)

20. মাইটোসিসের মাধ্যমে কী ঘটে? — বৃদ্ধি ও টিস্যু মেরামত

21. মিওসিসের মাধ্যমে কী ঘটে? — গ্যামেট গঠন

22. মাইটোসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা থাকে কীভাবে? — ২n থেকে ২n

23. মিওসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা হয় কীভাবে? — ২n থেকে n

24. মাইটোসিস আবিষ্কার করেন কে? — ওয়ালথার ফ্লেমিং

25. মিওসিস আবিষ্কার করেন কে? — অগাস্ট উইসম্যান

26. মিওসিস I কে কী বলা হয়? — Reductional Division

27. মিওসিস II কে কী বলা হয়? — Equational Division

28. কোষ বিভাজনের নিয়ন্ত্রণ করে কে? — নিউক্লিয়াস ও DNA

29. কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল ফাইবারের কাজ কী? — ক্রোমাটিড আলাদা করা

30. মাইটোসিসে বিভাজনের গতি কিসের উপর নির্ভর করে? — কোষের ধরন ও অবস্থার উপর

উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাস

1. উদ্ভিদবিজ্ঞানে শ্রেণীবিন্যাসের জনক কে? – ক্যারোলাস লিনিয়াস

2. লিনিয়াস তাঁর শ্রেণীবিন্যাস কোন ভিত্তিতে করেছিলেন? – ফুল ও প্রজনন অঙ্গের গঠন

3. আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি কী? – বিবর্তন ও জিনগত সম্পর্ক

4. উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের পদ্ধতি কে প্রবর্তন করেন? – লিনিয়াস

5. দ্বিনাম পদ্ধতিতে প্রথম নামটি কী বোঝায়? – গণের নাম

6. দ্বিনাম পদ্ধতিতে দ্বিতীয় নামটি কী বোঝায়? – প্রজাতির নাম

7. শৈবাল কোন শ্রেণির অন্তর্গত? – থ্যালোফাইটা

8. ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের আরেক নাম কী? – শ্যাওলা উদ্ভিদ

9. প্টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের আরেক নাম কী? – ফার্ন উদ্ভিদ

10. জিমনোস্পার্ম উদ্ভিদে বীজ কোথায় থাকে? – উন্মুক্ত অবস্থায়

11. অ্যাঞ্জিওস্পার্ম উদ্ভিদে বীজ কোথায় থাকে? – ফলের ভেতরে

12. ব্রায়োফাইটে পরিবহন তন্ত্র থাকে কি? – না

13. প্টেরিডোফাইটে পরিবহন তন্ত্র থাকে কি? – হ্যাঁ

14. উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসের সর্বনিম্ন একক কী? – প্রজাতি

15. উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসের সর্বোচ্চ একক কী? – রাজ্য

16. ‘Taxonomy’ শব্দটির অর্থ কী? – শ্রেণীবিন্যাসের বিজ্ঞান

17. পঞ্চরাজ্য শ্রেণীবিন্যাস কে প্রস্তাব করেন? – আর. এইচ. হুইটেকার

18. হুইটেকারের মতে উদ্ভিদ কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – প্লান্টি রাজ্য

19. ভাইরাস কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – কোনো রাজ্যের নয় (অজীব-সদৃশ)

20. ব্যাকটেরিয়া কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – মোনেরা

21. ছত্রাক কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – ফাঙ্গি রাজ্য

22. এককোষী শৈবাল কোন রাজ্যের অন্তর্গত? – প্রোটিস্টা

23. উদ্ভিদবিজ্ঞানে "ব্রায়োফাইটা" শব্দের অর্থ কী? – জীবিত উদ্ভিদ

24. সবুজ শৈবালে কোন রঞ্জক থাকে? – ক্লোরোফিল-‘a’ ও ক্লোরোফিল-‘b’

25. ব্রায়োফাইটার প্রজনন কীভাবে হয়? – স্পোরের মাধ্যমে

26. জিমনোস্পার্মের প্রধান উদাহরণ কী? – সাইকাস

27. অ্যাঞ্জিওস্পার্মের উদাহরণ কী? – আম, ধান, গম

28. প্টেরিডোফাইটের উদাহরণ কী? – নেফ্রোলেপিস

29. শৈবালের পুষ্টি কেমন? – স্বপোষী

30. ছত্রাকের পুষ্টি কেমন? – পরপোষী

উদ্ভিদের গঠন

1. উদ্ভিদের প্রধান দুটি অংশ কী? – মূল ও অঙ্কুর

2. মূলের প্রধান কাজ কী? – জল ও খনিজ পদার্থ শোষণ

3. অঙ্কুরের প্রধান কাজ কী? – খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন

4. মূলতন্ত্র কটি প্রকার? – দুই প্রকার (মূলমূল ও আঁশমূল)

5. আঁশমূল কিসে দেখা যায়? – একবীজপত্রী উদ্ভিদে

6. মূলমূল কিসে দেখা যায়? – দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে

7. মূলের প্রান্তীয় অংশকে কী বলে? – রুট ক্যাপ (Root Cap)

8. রুট হেয়ারের কাজ কী? – জল শোষণ

9. কাণ্ডের প্রধান কাজ কী? – পাতা, ফুল ও ফল ধারণ করা

10. পাতার প্রধান কাজ কী? – আলোক সংশ্লেষণ

11. পাতার সবুজ রঙ কোন কারণে? – ক্লোরোফিল রঞ্জকের কারণে

12. ফুল কী? – উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ

13. ফুলের প্রধান অংশ কয়টি? – চারটি (বৃত্য, পাপড়ি, পরাগদণ্ড, গর্ভমুন্ড)

14. পরাগদণ্ডে কী থাকে? – পরাগধান

15. গর্ভমুন্ডে কী থাকে? – ডিম্বক

16. ফল কীভাবে গঠিত হয়? – গর্ভাশয় থেকে

17. বীজ কীভাবে গঠিত হয়? – ডিম্বক থেকে

18. একবীজপত্রী বীজে কটি বীজপাতা থাকে? – একটিমাত্র

19. দ্বিবীজপত্রী বীজে কটি বীজপাতা থাকে? – দুটি

20. জাইলেমের কাজ কী? – জল ও খনিজ পরিবহন

21. ফ্লোয়েমের কাজ কী? – খাদ্য পরিবহন

22. উদ্ভিদের পরিবহন তন্ত্রের দুটি অংশ কী? – জাইলেম ও ফ্লোয়েম

23. কাণ্ডে বৃদ্ধি কোথা থেকে হয়? – শীর্ষ মেরিস্টেম থেকে

24. গাছের বার্ষিক বলয় বা রিং কিসের ফলে তৈরি হয়? – জাইলেমের বৃদ্ধির ফলে

25. পাতার গায়ে ছোট ছিদ্র কী বলে? – রন্ধ্র (Stomata)

26. রন্ধ্রের কাজ কী? – গ্যাস আদান-প্রদান ও বাষ্পোৎসর্জন

27. পাতার যে অংশে বেশি রন্ধ্র থাকে তা কোথায়? – পাতার নিচের তলে

28. ফুলের স্ত্রীজনন অঙ্গ কী? – গর্ভমুন্ড (Pistil)

29. ফুলের পুরুষ জনন অঙ্গ কী? – পরাগদণ্ড (Stamen)

30. বীজের অঙ্কুরোদ্গম কী? – বীজ থেকে নতুন গাছের জন্ম

আলোক সংশ্লেষণ

1. আলোক সংশ্লেষণ কী? – উদ্ভিদ সূর্যালোকের সাহায্যে খাদ্য তৈরি করার প্রক্রিয়া।

2. আলোক সংশ্লেষণ কোথায় ঘটে? – পাতার ক্লোরোপ্লাস্টে।

3. আলোক সংশ্লেষণের জন্য কোন রঞ্জক প্রয়োজন? – ক্লোরোফিল।

4. আলোক সংশ্লেষণের জন্য কোন গ্যাস প্রয়োজন? – কার্বন ডাই-অক্সাইড।

5. আলোক সংশ্লেষণের জন্য কোন পদার্থ প্রয়োজন? – জল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড।

6. আলোক সংশ্লেষণের ফলে কী উৎপন্ন হয়? – গ্লুকোজ ও অক্সিজেন।

7. আলোক সংশ্লেষণের রাসায়নিক সমীকরণ কী? – 6CO₂ + 6H₂O → C₆H₁₂O₆ + 6O₂।

8. আলোক সংশ্লেষণের শক্তির উৎস কী? – সূর্যের আলো।

9. আলোক সংশ্লেষণে অক্সিজেন কোথা থেকে আসে? – জলের বিশ্লেষণ থেকে।

10. কোন কোষ অঙ্গাণুতে আলোক সংশ্লেষণ হয়? – ক্লোরোপ্লাস্ট।

11. ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে কোন অংশে আলোক বিক্রিয়া ঘটে? – থাইলাকয়েডে।

12. ক্লোরোপ্লাস্টের কোন অংশে অন্ধকার বিক্রিয়া ঘটে? – স্ট্রোমায়।

13. আলোক বিক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়? – ATP ও NADPH₂।

14. অন্ধকার বিক্রিয়ায় কী ঘটে? – গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়।

15. আলোক সংশ্লেষণের হার কোন কোন বিষয়ে নির্ভর করে? – আলো, কার্বন ডাই-অক্সাইড, তাপমাত্রা ও জল।

16. আলোক সংশ্লেষণের হার সর্বাধিক কখন হয়? – মাঝারি তাপমাত্রা ও পর্যাপ্ত আলোয়।

17. উদ্ভিদের কোন অংশে আলোক সংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়? – পাতায়।

18. আলোক সংশ্লেষণের সময় নির্গত গ্যাস কী? – অক্সিজেন।

19. আলোক সংশ্লেষণ প্রমাণ করেন কে? – জান ইঞ্জেনহাউস।

20. আলোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন গ্লুকোজ কোথায় সঞ্চিত হয়? – স্টার্চ (শ্বেতসার) আকারে।

উদ্ভিদের পরিবহন

1. উদ্ভিদের মধ্যে জল পরিবহন কোন টিস্যুর মাধ্যমে হয় – জাইলেম।

2. উদ্ভিদের মধ্যে খাদ্য পরিবহন কোন টিস্যুর মাধ্যমে হয় – ফ্লোয়েম।

3. জাইলেমের প্রধান কাজ কী – জল ও খনিজ পদার্থ পরিবহন।

4. ফ্লোয়েমের প্রধান কাজ কী – প্রস্তুত খাদ্য পরিবহন।

5. জাইলেমে পরিবহন কোন দিক দিয়ে ঘটে – নিম্ন থেকে উপরের দিকে।

6. ফ্লোয়েমে পরিবহন কোন দিক দিয়ে ঘটে – উভয় দিকেই।

7. জাইলেম কোন ধরনের টিস্যু – মৃত টিস্যু।

8. ফ্লোয়েম কোন ধরনের টিস্যু – জীবন্ত টিস্যু।

9. জাইলেমের প্রধান উপাদান কী – ট্র্যাকিড ও ভেসেল।

10. ফ্লোয়েমের প্রধান উপাদান কী – সিভ টিউব ও কম্প্যানিয়ন সেল।

11. উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় জল পরিবহন প্রক্রিয়াকে কী বলে – ট্রান্সপিরেশন পুল।

12. পাতার মাধ্যমে জল বাষ্পে পরিণত হয়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে – বাষ্পোৎসর্জন (Transpiration)।

13. উদ্ভিদে খাদ্য পরিবহন কোন প্রক্রিয়ায় ঘটে – ট্রান্সলোকেশন প্রক্রিয়ায়।

14. ট্রান্সপিরেশন প্রক্রিয়া মূলত কোথায় ঘটে – পাতার রন্ধ্রে (Stomata)।

15. জাইলেমে জল ওঠার প্রধান কারণ কী – বাষ্পোৎসর্জন টান।

16. জাইলেম টিস্যু গঠিত হয় কয়টি উপাদানে – চারটি (ট্র্যাকিড, ভেসেল, জাইলেম ফাইবার, জাইলেম প্যারেনকাইমা)।

17. ফ্লোয়েম টিস্যু গঠিত হয় কয়টি উপাদানে – চারটি (সিভ টিউব, কম্প্যানিয়ন সেল, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা, ফ্লোয়েম ফাইবার)।

18. জাইলেমে পরিবহন প্রক্রিয়াটি কিসের জন্য ঘটে – জলের সম্ভাবনা ও বাষ্পোৎসর্জনের জন্য।

19. ফ্লোয়েমে পরিবহন কী ধরণের প্রক্রিয়া – সক্রিয় প্রক্রিয়া (Active process)।

20. জাইলেমে পরিবহন কী ধরণের প্রক্রিয়া – নিষ্ক্রিয় প্রক্রিয়া (Passive process)।

21. উদ্ভিদের জল পরিবহনে সাহায্যকারী বল কী – সংযোজন বল, সংবেদন বল ও বাষ্পোৎসর্জন টান।

22. মূলের মাধ্যমে জল শোষণ কোন প্রক্রিয়ায় ঘটে – অসমোসিস প্রক্রিয়ায়।

23. রুট প্রেসার কী – মূল দ্বারা জলের ওপর প্রয়োগ করা চাপ।

24. ট্রান্সপিরেশনের হার কোন অবস্থায় বেশি হয় – গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায়।

25. ট্রান্সপিরেশন কমানোর জন্য উদ্ভিদের কোন অঙ্গ পরিবর্তিত হয় – পাতা (পাতা কাঁটা হয়ে যায়)।

26. উদ্ভিদে জাইলেমে খনিজ পদার্থ পরিবাহিত হয় কোন আকারে – আয়ন আকারে।

27. ফ্লোয়েমের মাধ্যমে যে পদার্থ পরিবাহিত হয় – সুক্রোজ।

28. ট্রান্সলোকেশন প্রক্রিয়া কোথা থেকে কোথায় ঘটে – পাতার (Source) থেকে অন্যান্য অংশে (Sink)।

29. ক্যাপিলারিটি ক্রিয়া উদ্ভিদের কোন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে – জল পরিবহন প্রক্রিয়ায়।

30. জল ও খনিজ পদার্থ পরিবহনের প্রধান পথ কোনটি – জাইলেম ভেসেল।

উদ্ভিদ হরমোন

1. উদ্ভিদ হরমোন কী? – উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণকারী রাসায়নিক পদার্থ।

2. উদ্ভিদ হরমোনকে আর কী বলা হয়? – ফাইটোহরমোন (Phytohormone)।

3. উদ্ভিদ হরমোন কটি প্রধান প্রকার? – পাঁচ প্রকার।

4. প্রথম উদ্ভিদ হরমোনের নাম কী? – অক্সিন (Auxin)।

5. অক্সিন হরমোনের আবিষ্কারক কে? – চার্লস ডারউইন।

6. অক্সিনের প্রধান কাজ কী? – কোষের বৃদ্ধি ও লম্বা হওয়া ঘটানো।

7. অক্সিন উদ্ভিদের কোন অংশে বেশি থাকে? – শীর্ষ মেরিস্টেমে।

8. গিব্বেরেলিন হরমোনের কাজ কী? – কান্ড লম্বা করা ও বীজ অঙ্কুরোদ্গম ঘটানো।

9. গিব্বেরেলিন প্রথম কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়? – গিব্বেরেলা ফুজিকুরাই নামক ছত্রাক থেকে।

10. সাইটোকাইনিনের কাজ কী? – কোষ বিভাজন ঘটানো।

11. সাইটোকাইনিন কে আবিষ্কার করেন? – মিলার ও স্কুগ।

12. অ্যাবসিসিক অ্যাসিডের কাজ কী? – বৃদ্ধিকে বাধা দেয় ও পাতাঝরা ঘটায়।

13. অ্যাবসিসিক অ্যাসিডকে আর কী বলা হয়? – স্ট্রেস হরমোন।

14. ইথিলিন হরমোনের কাজ কী? – ফল পাকা ও ফুল ফোটানো।

15. ইথিলিন কোন অবস্থায় থাকে? – গ্যাসীয় অবস্থায়।

16. কোন উদ্ভিদ হরমোনকে “বৃদ্ধি হরমোন” বলা হয়? – অক্সিন।

17. কোন হরমোন বীজ অঙ্কুরোদ্গমে সহায়তা করে? – গিব্বেরেলিন।

18. কোন হরমোন পাতাঝরা ও নিদ্রাবস্থা ঘটায়? – অ্যাবসিসিক অ্যাসিড।

19. কোন হরমোন ফল পাকার নিয়ন্ত্রণ করে? – ইথিলিন।

20. কোন হরমোন কোষ বিভাজন ত্বরান্বিত করে? – সাইটোকাইনিন।

গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ ও তাদের বৈজ্ঞানিক নাম

1. আমের বৈজ্ঞানিক নাম – Mangifera indica

2. ধানের বৈজ্ঞানিক নাম – Oryza sativa

3. গমের বৈজ্ঞানিক নাম – Triticum aestivum

4. ভুট্টার বৈজ্ঞানিক নাম – Zea mays

5. কলার বৈজ্ঞানিক নাম – Musa paradisiaca

6. পেয়ারার বৈজ্ঞানিক নাম – Psidium guajava

7. নারকেলের বৈজ্ঞানিক নাম – Cocos nucifera

8. নারকেল গাছ কোন পরিবারের অন্তর্গত – Arecaceae

9. তুলার বৈজ্ঞানিক নাম – Gossypium herbaceum

10. গোলাপের বৈজ্ঞানিক নাম – Rosa indica

11. সূর্যমুখীর বৈজ্ঞানিক নাম – Helianthus annuus

12. আলুর বৈজ্ঞানিক নাম – Solanum tuberosum

13. টমেটোর বৈজ্ঞানিক নাম – Solanum lycopersicum

14. বেগুনের বৈজ্ঞানিক নাম – Solanum melongena

15. পেঁয়াজের বৈজ্ঞানিক নাম – Allium cepa

16. রসুনের বৈজ্ঞানিক নাম – Allium sativum

17. আখের বৈজ্ঞানিক নাম – Saccharum officinarum

18. চায়ের বৈজ্ঞানিক নাম – Camellia sinensis

19. কফির বৈজ্ঞানিক নাম – Coffea arabica

20. তামাকের বৈজ্ঞানিক নাম – Nicotiana tabacum

21. পাটের বৈজ্ঞানিক নাম – Corchorus capsularis

22. সরিষার বৈজ্ঞানিক নাম – Brassica campestris

23. মটরের বৈজ্ঞানিক নাম – Pisum sativum

24. ছোলার বৈজ্ঞানিক নাম – Cicer arietinum

25. লঙ্কার বৈজ্ঞানিক নাম – Capsicum annum

26. আদার বৈজ্ঞানিক নাম – Zingiber officinale

27. হলুদের বৈজ্ঞানিক নাম – Curcuma longa

28. নারকেলের ফল কোন ধরনের? – একবীজী ড্রুপ ফল

29. পেয়ারা কোন ধরনের ফল? – বেরি ফল

30. পদ্মের বৈজ্ঞানিক নাম – Nelumbo nucifera