ভারতের অর্থনীতি MCQ - Indian Economy mcq for Competitive Exams in Bengali

ভারতের অর্থনীতি MCQ - Indian Economy mcq for Competitive Exams in Bengali

অর্থনীতি (Economy)

অর্থনীতির সংজ্ঞা ও ধরণ

1. অর্থনীতির জনক কে – অ্যাডাম স্মিথ।

2. অর্থনীতির মৌলিক সংজ্ঞা কে দিয়েছিলেন – অ্যাডাম স্মিথ।

3. অর্থনীতি শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে – গ্রিক ভাষা থেকে।

4. গ্রিক শব্দ "Oikonomia" এর অর্থ কী – গৃহপরিচালনা।

5. অর্থনীতির আধুনিক সংজ্ঞা দিয়েছেন – লায়নেল রবিন্স।

6. লায়নেল রবিন্সের মতে অর্থনীতি কী – সীমিত উপায়ে অসীম চাহিদা পূরণের বিজ্ঞান।

7. অর্থনীতির ধ্রুপদী বিদ্যালয়ের জনক – অ্যাডাম স্মিথ।

8. অর্থনীতির ধ্রুপদী তত্ত্বের মূল ভিত্তি – স্বার্থপরতা ও মুক্ত প্রতিযোগিতা।

9. অর্থনীতির নতুন বা আধুনিক বিদ্যালয় শুরু করেন – লায়নেল রবিন্স।

10. অর্থনীতি কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত – সমাজবিজ্ঞানের।

11. অর্থনীতির দুটি প্রধান শাখা কী – মাইক্রো অর্থনীতি ও ম্যাক্রো অর্থনীতি।

12. মাইক্রো অর্থনীতি কী – ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক আচরণের অধ্যয়ন।

13. ম্যাক্রো অর্থনীতি কী – সমগ্র অর্থনীতির আচরণের অধ্যয়ন।

14. অর্থনীতি বিজ্ঞানের প্রধান লক্ষ্য কী – সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার।

15. অর্থনীতির বিষয়বস্তু কী – মানবের চাহিদা ও সম্পদের সম্পর্ক।

16. অর্থনীতি কোন বিজ্ঞান – সমাজবিজ্ঞান ও ব্যবহারিক বিজ্ঞান।

17. অর্থনীতির নীতিকে আর কী বলা হয় – সম্পদের বণ্টন নীতি।

18. অর্থনীতির ধ্রুপদী সংজ্ঞা কোন বইয়ে পাওয়া যায় – "The Wealth of Nations"।

19. "The Wealth of Nations" বইটির প্রকাশকাল – ১৭৭৬ খ্রিষ্টাব্দ।

20. অর্থনীতির আচরণমূলক দিক কে গুরুত্ব দিয়েছিলেন – লায়নেল রবিন্স।

21. অর্থনীতির সমাজকল্যাণমূলক সংজ্ঞা দিয়েছিলেন – আলফ্রেড মার্শাল।

22. আলফ্রেড মার্শাল অর্থনীতিকে কিসের বিজ্ঞান বলেছেন – মানবকল্যাণের বিজ্ঞান।

23. অর্থনীতির বিষয়বস্তু কারা – মানুষ ও তাদের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ।

24. অর্থনীতি বিজ্ঞানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী – সীমিত সম্পদ ও অসীম চাহিদা।

25. অর্থনীতির নীতি কিসের ওপর নির্ভরশীল – চাহিদা ও জোগানের সম্পর্কের ওপর।

26. অর্থনীতি কোন প্রকার বিজ্ঞান – ধনাত্মক ও বিধানমূলক বিজ্ঞান উভয়ই।

27. ধনাত্মক অর্থনীতি কী বোঝায় – যা আছে তার বিশ্লেষণ।

28. বিধানমূলক অর্থনীতি কী বোঝায় – যা হওয়া উচিত তার বিশ্লেষণ।

29. অর্থনীতির মূল ভিত্তি কী – উৎপাদন, বণ্টন, বিনিময় ও ভোগ।

30. অর্থনীতির অধ্যয়নের মূল উদ্দেশ্য কী – মানবজীবনের অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান।

অর্থনীতির শাখা ও প্রকার

1. অর্থনীতির প্রধান দুটি শাখা কী – মাইক্রো অর্থনীতি ও ম্যাক্রো অর্থনীতি।

2. মাইক্রো অর্থনীতির জনক কে – আলফ্রেড মার্শাল।

3. ম্যাক্রো অর্থনীতির জনক কে – জন মেনার্ড কেইনস।

4. মাইক্রো অর্থনীতিতে কী অধ্যয়ন করা হয় – ব্যক্তি, পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক আচরণ।

5. ম্যাক্রো অর্থনীতিতে কী অধ্যয়ন করা হয় – জাতীয় আয়, কর্মসংস্থান ও মুদ্রাস্ফীতি।

6. মাইক্রো অর্থনীতির অন্য নাম – মূল অর্থনীতি বা ক্ষুদ্র অর্থনীতি।

7. ম্যাক্রো অর্থনীতির অন্য নাম – বৃহৎ অর্থনীতি।

8. মাইক্রো অর্থনীতির প্রধান তত্ত্ব কোনটি – চাহিদা ও জোগানের তত্ত্ব।

9. ম্যাক্রো অর্থনীতির প্রধান তত্ত্ব কোনটি – কর্মসংস্থান ও জাতীয় আয়ের তত্ত্ব।

10. মাইক্রো অর্থনীতি কোন নীতির ওপর ভিত্তি করে – আংশিক ভারসাম্য নীতি।

11. ম্যাক্রো অর্থনীতি কোন নীতির ওপর ভিত্তি করে – সামগ্রিক ভারসাম্য নীতি।

12. অর্থনীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা – উন্নয়ন অর্থনীতি।

13. উন্নয়ন অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – অনুন্নত দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়া।

14. আন্তর্জাতিক অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য, মুদ্রা ও পেমেন্ট ব্যালান্স।

15. জনসংখ্যা অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও তার অর্থনৈতিক প্রভাব।

16. শ্রম অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – শ্রমবাজার ও শ্রমিকদের মজুরি সম্পর্কিত বিষয়।

17. সার্বজনীন অর্থনীতি কী – সরকার কর্তৃক আয় ও ব্যয়ের অধ্যয়ন।

18. পরিবেশ অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – পরিবেশ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্পর্ক।

19. কৃষি অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – কৃষি উৎপাদন, বণ্টন ও বাজার ব্যবস্থাপনা।

20. শিল্প অর্থনীতি কী নিয়ে আলোচনা করে – শিল্পের বৃদ্ধি, সংগঠন ও উৎপাদন কাঠামো।

চাহিদা ও জোগান

1. চাহিদা কাকে বলে – কোনো পণ্যের নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রেতার কেনার ইচ্ছা ও সামর্থ্যকে চাহিদা বলে।

2. চাহিদার আইন কে প্রণয়ন করেন – আলফ্রেড মার্শাল।

3. চাহিদার আইনের মূল কথা কী – পণ্যের মূল্য কমলে চাহিদা বাড়ে, আর মূল্য বাড়লে চাহিদা কমে।

4. চাহিদার আইন কোন ধরণের সম্পর্ক বোঝায় – বিপরীত সম্পর্ক।

5. চাহিদার আইন কার্যকর হয় কখন – অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকলে (Ceteris Paribus)।

6. চাহিদা বক্ররেখা সাধারণত কেমন – বাম দিক থেকে ডান দিকে নেমে যাওয়া রেখা।

7. চাহিদা বক্ররেখা নিচের দিকে ঢালু কেন – মূল্য কমলে চাহিদা বৃদ্ধি পায় বলে।

8. চাহিদার নির্ধারক উপাদান কী কী – মূল্য, আয়, রুচি, বিকল্প পণ্য, ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা ইত্যাদি।

9. চাহিদার প্রকারভেদ কয়টি – মোট চাহিদা ও ব্যক্তিগত চাহিদা।

10. মোট চাহিদা কাকে বলে – অর্থনীতির সব ভোক্তার মোট চাহিদাকে।

11. বিকল্প পণ্যের চাহিদা কেমন সম্পর্কযুক্ত – ধনাত্মক সম্পর্কযুক্ত।

12. সম্পূরক পণ্যের চাহিদা কেমন সম্পর্কযুক্ত – ঋণাত্মক সম্পর্কযুক্ত।

13. আয়ের বৃদ্ধি চাহিদাকে কীভাবে প্রভাবিত করে – স্বাভাবিক পণ্যের ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ায়।

14. অবাঞ্ছিত পণ্য (Inferior goods) কী – আয় বাড়লে যেগুলির চাহিদা কমে যায়।

15. গিফেন পণ্য কাকে বলে – মূল্য বাড়লেও যার চাহিদা বাড়ে।

16. গিফেন পণ্যের ধারণা দেন কে – স্যার রবার্ট গিফেন।

17. চাহিদার প্রসারণ মানে কী – মূল্য হ্রাসের কারণে চাহিদা বৃদ্ধি।

18. চাহিদার সংকোচন মানে কী – মূল্য বৃদ্ধির কারণে চাহিদা হ্রাস।

19. চাহিদার স্থানান্তর মানে কী – আয় বা রুচির পরিবর্তনে চাহিদা বক্ররেখার সরে যাওয়া।

20. চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা কী বোঝায় – মূল্যের পরিবর্তনে চাহিদার পরিবর্তনের মাত্রা।

21. স্থিতিস্থাপকতার জনক কে – আলফ্রেড মার্শাল।

22. যদি মূল্যের সামান্য পরিবর্তনে চাহিদা অনেক পরিবর্তিত হয় – তাকে বলে স্থিতিস্থাপক চাহিদা।

23. যদি মূল্যের পরিবর্তনে চাহিদা পরিবর্তিত না হয় – তাকে বলে অস্থিতিস্থাপক চাহিদা।

24. জোগান কাকে বলে – নির্দিষ্ট মূল্যে উৎপাদক যে পরিমাণ পণ্য বিক্রি করতে ইচ্ছুক ও সক্ষম তা।

25. জোগানের আইন কে প্রণয়ন করেন – আলফ্রেড মার্শাল।

26. জোগানের আইনের মূল কথা কী – মূল্য বাড়লে জোগান বাড়ে, মূল্য কমলে জোগান কমে।

27. জোগানের বক্ররেখা কেমন – বাম দিক থেকে ডান দিকে ঊর্ধ্বমুখী।

28. চাহিদা ও জোগান সমান হলে যে মূল্য নির্ধারিত হয় – তাকে বলে ভারসাম্যমূল্য।

29. ভারসাম্যমূল্যে যে পরিমাণ পণ্য বিক্রি হয় – তাকে বলে ভারসাম্য পরিমাণ।

30. চাহিদা ও জোগানের মিলনের বিন্দু কাকে বলে – ভারসাম্য বিন্দু (Equilibrium Point)।

মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস

1. মুদ্রাস্ফীতি কাকে বলে – যখন পণ্যের সাধারণ মূল্যস্তর ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পায়, তাকে মুদ্রাস্ফীতি বলে।

2. মুদ্রাস্ফীতি শব্দটির ইংরেজি – Inflation।

3. মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির কোন অবস্থা বোঝায় – ক্রয়ক্ষমতার হ্রাস।

4. মুদ্রাস্ফীতি প্রথম বিশ্লেষণ করেন – আরভিং ফিশার।

5. মুদ্রাস্ফীতির মাপক যন্ত্র কী – ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) ও পাইকারি মূল্যসূচক (WPI)।

6. ভারতে মুদ্রাস্ফীতি পরিমাপ করা হয় – পাইকারি মূল্যসূচক (WPI) দ্বারা।

7. পাইকারি মূল্যসূচক প্রকাশ করে – বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়।

8. ভোক্তা মূল্যসূচক প্রকাশ করে – শ্রম মন্ত্রণালয়।

9. মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ কী – বাজারে অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহ।

10. চাহিদাজনিত মুদ্রাস্ফীতি কাকে বলে – যখন চাহিদা জোগানের তুলনায় বেশি হয়।

11. ব্যয়জনিত মুদ্রাস্ফীতি কাকে বলে – উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির ফলে মূল্য বৃদ্ধি।

12. অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি হলে টাকার মূল্য কী হয় – কমে যায়।

13. মুদ্রাস্ফীতি কার জন্য ক্ষতিকর – স্থির আয়ভোগীদের জন্য।

14. মুদ্রাস্ফীতি কার জন্য লাভজনক – ঋণগ্রহীতাদের জন্য।

15. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোন নীতি নেওয়া হয় – মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতি।

16. মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে – ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)।

17. রাজস্বনীতি প্রণয়ন করে – কেন্দ্রীয় সরকার।

18. মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস কাকে বলে – যখন পণ্যের মূল্যস্তর ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পায়।

19. মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের ইংরেজি – Deflation।

20. Deflation এর প্রথম ব্যবহার করেন – জন মেনার্ড কেইনস।

21. Deflation এর ফলে কী হয় – কর্মসংস্থান হ্রাস ও উৎপাদন কমে যায়।

22. Hyperinflation কাকে বলে – যখন মূল্য অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

23. Hyperinflation-এর উদাহরণ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানি।

24. Stagflation কাকে বলে – মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব একসাথে ঘটলে।

25. Stagflation শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – কেইনসিয়ান অর্থনীতিবিদরা।

26. Disinflation কাকে বলে – যখন মুদ্রাস্ফীতির হার কমে কিন্তু মূল্যস্তর বাড়তেই থাকে।

27. মুদ্রাস্ফীতি পরিমাপের মূল বছর (Base Year) বর্তমানে কত – ২০১১-১২।

28. ভারতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

29. মুদ্রাস্ফীতির প্রধান প্রভাব কী – অর্থের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস।

30. মুদ্রাস্ফীতির বিপরীত অবস্থা কী – মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস (Deflation)।

জাতীয় আয় – GDP, GNP, NNP, NDP, PCI ইত্যাদি

1. GDP এর পূর্ণরূপ – Gross Domestic Product।

2. GNP এর পূর্ণরূপ – Gross National Product।

3. NNP এর পূর্ণরূপ – Net National Product।

4. NDP এর পূর্ণরূপ – Net Domestic Product।

5. PCI এর পূর্ণরূপ – Per Capita Income।

6. জাতীয় আয়ের হিসাব প্রথম কে করেন – স্যার উইলিয়াম পেটি।

7. ভারতে জাতীয় আয়ের প্রথম হিসাব করেন – অধ্যাপক ডাঃ পি.সি. মহালানবিশ।

8. ভারতে জাতীয় আয় প্রথম কোন বছর গণনা করা হয় – ১৯৪৮-৪৯ সালে।

9. ভারতের জাতীয় আয় নির্ণয় করে যে সংস্থা – কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দফতর (CSO)।

10. CSO এর পূর্ণরূপ – Central Statistical Office।

11. GDP নির্ণয়ের তিনটি পদ্ধতি – উৎপাদন, আয়, ও ব্যয় পদ্ধতি।

12. GDP গণনা করা হয় – একটি দেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে উৎপাদিত চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার মূল্যে।

13. GNP গণনা করা হয় – দেশের নাগরিকদের দ্বারা উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার মূল্যে।

14. GDP এবং GNP এর মধ্যে পার্থক্য – বিদেশে প্রাপ্ত নিট ফ্যাক্টর আয়।

15. NNP পাওয়া যায় – GNP থেকে অবচয় বাদ দিলে।

16. NDP পাওয়া যায় – GDP থেকে অবচয় বাদ দিলে।

17. Real GDP অর্থ – মুদ্রাস্ফীতি সমন্বিত GDP।

18. Nominal GDP অর্থ – বর্তমান মূল্যে পরিমাপিত GDP।

19. Per Capita Income অর্থ – জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে।

20. ভারতে মাথাপিছু আয়ের হিসাব করে – NITI Aayog ও CSO।

21. ভারতের অর্থনীতিতে GDP বৃদ্ধির প্রধান খাত – সেবা খাত।

22. জাতীয় আয় কোন সময়কালকে নির্দেশ করে – একটি নির্দিষ্ট আর্থিক বছরকে।

23. ভারতের GDP পরিমাপ করা হয় – ভারতীয় রুপিতে।

24. GDP Deflator ব্যবহৃত হয় – মুদ্রাস্ফীতি নির্ণয়ে।

25. National Income এর প্রধান উপাদান – মজুরি, ভাড়া, সুদ ও লাভ।

26. GDP বৃদ্ধির অর্থ – দেশের মোট উৎপাদন বৃদ্ধি।

27. Net Factor Income from Abroad অর্থ – বিদেশ থেকে নিট ফ্যাক্টর আয়।

28. ভারতের GDP বৃদ্ধির হার নির্ণয় করে – NSO (National Statistical Office)।

29. GDP এর পরিমাপের ভিত্তি বছর বর্তমানে – 2011-12।

30. Green GDP অর্থ – পরিবেশগত ক্ষতি সমন্বিত GDP।

31. ভারতের প্রথম Green GDP রিপোর্ট প্রকাশিত হয় – 2004 সালে।

32. NNP at Factor Cost কে বলা হয় – National Income।

33. GNP at Market Price থেকে Depreciation বাদ দিলে – NNP at Market Price।

34. Per Capita Income দ্বারা বোঝা যায় – গড় নাগরিকের আয়।

35. Depreciation অর্থ – মূলধনের ক্ষয় বা অবচয়।

36. Net Domestic Product = GDP – Depreciation।

37. Net National Product = GNP – Depreciation।

38. GDP বৃদ্ধির ফলে সরাসরি প্রভাব পড়ে – কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে।

39. ভারতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান সূচক – GDP Growth Rate।

40. GVA এর পূর্ণরূপ – Gross Value Added।

41. GVA এবং GDP এর মধ্যে পার্থক্য – কর ও ভর্তুকির পার্থক্য।

42. GDP at Market Price = GVA at Basic Price + Taxes – Subsidies।

43. GDP এর তিনটি প্রধান খাত – কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।

44. ভারতের GDP তে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে – সেবা খাত।

45. ভারতের মাথাপিছু আয় সর্বাধিক কোন রাজ্যে – গোয়া।

46. ভারতের মাথাপিছু আয় সর্বনিম্ন কোন রাজ্যে – বিহার।

47. GDP বৃদ্ধি মানে – দেশের উৎপাদন ও আয়ের বৃদ্ধি।

48. NNP at Factor Cost নির্দেশ করে – দেশের নাগরিকদের মোট আয়।

49. GNP at Factor Cost = GDP at Factor Cost + Net Factor Income from Abroad।

50. GDP Deflator এর সূত্র – (Nominal GDP ÷ Real GDP) × 100।

51. ভারতের জাতীয় আয়ের তথ্য প্রকাশ করে – NSO (National Statistical Office)।

52. ভারতের জাতীয় আয় প্রথম বার সরকারি ভাবে প্রকাশিত হয় – 1951 সালে।

পরিকল্পনা কমিশন

1. ভারতের পরিকল্পনা কমিশন কবে গঠিত হয়? — ১৫ মার্চ, ১৯৫০ সালে।

2. পরিকল্পনা কমিশন কে গঠন করেন? — পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

3. পরিকল্পনা কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান কে ছিলেন? — পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

4. পরিকল্পনা কমিশনের উপ-চেয়ারম্যান কাকে বলা হত? — বাস্তবিক প্রধান নির্বাহীকে।

5. পরিকল্পনা কমিশন কিসের অধীনে কাজ করত? — কেন্দ্র সরকারের অধীনে।

6. পরিকল্পনা কমিশনের মূল কাজ কী ছিল? — পাঁচ-সালা পরিকল্পনা প্রস্তুত করা।

7. পরিকল্পনা কমিশন কে পরামর্শ দিত? — মন্ত্রিপরিষদকে।

8. পরিকল্পনা কমিশনের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান ছিলেন কে? — গুলজারিলাল নন্দা।

9. পরিকল্পনা কমিশনের সদর দপ্তর কোথায় ছিল? — নয়াদিল্লিতে।

10. পরিকল্পনা কমিশন কোন ধরণের সংস্থা ছিল? — অসংবিধানিক ও পরামর্শমূলক সংস্থা।

11. পরিকল্পনা কমিশন কে অর্থ বরাদ্দ নির্ধারণে সাহায্য করত? — কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়কে।

12. পরিকল্পনা কমিশন কবে বিলুপ্ত হয়? — ১ জানুয়ারি, ২০১৫ সালে।

13. পরিকল্পনা কমিশনের পরিবর্তে কোন সংস্থা গঠিত হয়? — নীতি আয়োগ (NITI Aayog)।

14. পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান কার্য কি ছিল? — সম্পদ বণ্টন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন।

15. পরিকল্পনা কমিশন কত সদস্য নিয়ে গঠিত ছিল? — একজন চেয়ারম্যানসহ মোট ৬ জন সদস্য।

16. ভারতের প্রথম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কে প্রণয়ন করে? — পরিকল্পনা কমিশন।

17. পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? — অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত উন্নয়ন।

18. পরিকল্পনা কমিশন কিসের ভিত্তিতে পরিকল্পনা করত? — গবেষণা ও পরিসংখ্যান তথ্যের ভিত্তিতে।

19. ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের সূচনা কে অনুপ্রাণিত করেন? — সোভিয়েত পরিকল্পনা মডেল।

20. পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম তদারকি করত কে? — প্রধানমন্ত্রী।

21. পরিকল্পনা কমিশন কী ধরনের সংবিধানিক মর্যাদা পায়নি? — সংবিধানিক বা আইনগত মর্যাদা।

22. পরিকল্পনা কমিশনের নীতি কোন রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি হয়? — ন্যাশনাল ইনকাম কমিটি রিপোর্ট।

23. পরিকল্পনা কমিশনের বাজেট কোন মন্ত্রণালয় দ্বারা অনুমোদিত হত? — অর্থ মন্ত্রণালয়।

24. পরিকল্পনা কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল কী? — দারিদ্র্য দূরীকরণ ও দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি।

25. পরিকল্পনা কমিশনের তত্ত্বাবধানাধীন কোন সংস্থা কাজ করত? — রাজ্য পরিকল্পনা বোর্ড।

26. পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান দায়িত্ব ছিল? — জাতীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।

27. পরিকল্পনা কমিশনের সৃষ্টির ঘোষণা কে দেন? — ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট, ভারত সরকার।

28. পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কে ছিলেন? — প্রধানমন্ত্রী।

29. ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের প্রথম বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? — নয়াদিল্লিতে।

30. পরিকল্পনা কমিশনের প্রথম রিপোর্ট কোন বছরে প্রকাশিত হয়? — ১৯৫১ সালে।

নীতি আয়োগ (NITI Aayog)

1. নীতি আয়োগ কবে গঠিত হয়? — ১ জানুয়ারি, ২০১৫ সালে।

2. নীতি আয়োগের পূর্ণরূপ কী? — National Institution for Transforming India।

3. নীতি আয়োগ কে গঠন করে? — ভারত সরকার।

4. নীতি আয়োগ কাকে প্রতিস্থাপন করে? — পরিকল্পনা কমিশনকে।

5. নীতি আয়োগের প্রথম চেয়ারম্যান কে? — ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

6. নীতি আয়োগের প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান কে ছিলেন? — অরবিন্দ পানাগারিয়া।

7. নীতি আয়োগের প্রধান কার্যালয় কোথায়? — নয়াদিল্লি।

8. নীতি আয়োগের প্রধান লক্ষ্য কী? — সমবায় ফেডারেলিজমের মাধ্যমে উন্নয়ন।

9. নীতি আয়োগের কাজ কী ধরনের? — পরামর্শমূলক ও কৌশলগত পরিকল্পনা।

10. নীতি আয়োগের CEO কে নিযুক্ত করেন? — প্রধানমন্ত্রী।

11. নীতি আয়োগের প্রথম CEO ছিলেন কে? — সিন্ধুশ্রী খুল্লার।

12. নীতি আয়োগের গঠনমূলক কাঠামো কেমন? — চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সদস্য ও CEO।

13. নীতি আয়োগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা কার সদস্য? — গভর্নিং কাউন্সিলের।

14. নীতি আয়োগের উদ্দেশ্য কী? — দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ।

15. নীতি আয়োগের ভাবনা কী নামে পরিচিত? — Transforming India।

16. নীতি আয়োগের “Team India Hub” কী করে? — রাজ্যগুলির সাথে সমন্বয় রাখে।

17. নীতি আয়োগের “Knowledge and Innovation Hub” কী করে? — গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেয়।

18. নীতি আয়োগের “Three Year Action Agenda” কবে প্রকাশিত হয়? — ২০১৭ সালে।

19. নীতি আয়োগের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? — যোদ্ধা ভবন, নয়াদিল্লি।

20. নীতি আয়োগের গঠন কোন আদেশ দ্বারা হয়? — ক্যাবিনেট রেজোলিউশন, ২০১৫।

21. নীতি আয়োগের প্রধান উদ্দেশ্য কী? — Inclusive এবং Sustainable উন্নয়ন।

22. নীতি আয়োগ কাকে গুরুত্ব দেয়? — Bottom-up approach।

23. নীতি আয়োগের অন্যতম প্রোগ্রাম কী? — Aspirational Districts Programme।

24. নীতি আয়োগ কোন কমিশনের স্থলাভিষিক্ত? — পরিকল্পনা কমিশন।

25. নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান বর্তমানে কে? — (নাম সময়ভেদে পরিবর্তিত হয়)।

26. নীতি আয়োগ কোন নীতির অধীনে কাজ করে? — Cooperative Federalism।

27. নীতি আয়োগের সদস্য কাকে বলে? — পূর্ণকালীন নীতি উপদেষ্টাদের।

28. নীতি আয়োগের CEO-র কাজ কী? — প্রশাসনিক কার্য তত্ত্বাবধান।

29. নীতি আয়োগের সূচক ভিত্তিক প্রতিবেদন কোনটি? — SDG India Index।

30. নীতি আয়োগের মূল মন্ত্র কী? — “Sabka Saath, Sabka Vikas, Sabka Vishwas।”

প্রথম থেকে দ্বাদশ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা

1. ভারতের প্রথম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল কবে? — ১৯৫১-৫৬ সালে।

2. প্রথম পাঁচ-সালা পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? — কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়ন।

3. প্রথম পাঁচ-সালা পরিকল্পনার মডেল কোন দেশের অনুকরণে তৈরি? — হ্যারড-ডোমার মডেল।

4. প্রথম পাঁচ-সালা পরিকল্পনার সাফল্য কেমন ছিল? — অত্যন্ত সফল।

5. দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে শুরু হয়? — ১৯৫৬-৬১ সালে।

6. দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল? — শিল্পায়ন।

7. দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনার মডেল কে প্রণয়ন করেন? — পি.সি. মহলানবিস।

8. দ্বিতীয় পরিকল্পনার সময় কোন শিল্পক্ষেত্রকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল? — ভারী শিল্প।

9. তৃতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়েছিল? — ১৯৬১-৬৬ সালে।

10. তৃতীয় পরিকল্পনার লক্ষ্য কী ছিল? — স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা।

11. তৃতীয় পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় কেন? — ভারত-চীন ও ভারত-পাক যুদ্ধের কারণে।

12. ১৯৬৬-৬৯ সালের মধ্যে কোন পরিকল্পনা ছিল না কেন? — দুইটি যুদ্ধ ও খাদ্য সংকটের জন্য।

13. ১৯৬৬-৬৯ সালের সময়কালকে কী বলা হয়? — Plan Holiday (পরিকল্পনা বিরতি)।

14. চতুর্থ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে শুরু হয়? — ১৯৬৯-৭৪ সালে।

15. চতুর্থ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল? — দারিদ্র্য হ্রাস ও আত্মনির্ভরতা।

16. পঞ্চম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়েছিল? — ১৯৭৪-৭৯ সালে।

17. পঞ্চম পরিকল্পনার মূল স্লোগান কী ছিল? — “Garibi Hatao” (দারিদ্র্য দূর করো)।

18. পঞ্চম পরিকল্পনা কে বাতিল করেন? — জনতা সরকার (১৯৭৮)।

19. ষষ্ঠ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে ছিল? — ১৯৮০-৮৫ সালে।

20. ষষ্ঠ পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? — দারিদ্র্য হ্রাস ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

21. সপ্তম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়? — ১৯৮৫-৯০ সালে।

22. সপ্তম পরিকল্পনার মূল স্লোগান কী ছিল? — “Food, Work and Productivity।”

23. অষ্টম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়েছিল? — ১৯৯২-৯৭ সালে।

24. অষ্টম পরিকল্পনা কোন সরকারের আমলে শুরু হয়? — পি.ভি. নরসিমা রাও সরকারের আমলে।

25. অষ্টম পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? — মানব সম্পদ উন্নয়ন ও উদারীকরণ।

26. নবম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়েছিল? — ১৯৯৭-২০০২ সালে।

27. নবম পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল? — সামাজিক ন্যায় ও দারিদ্র্য বিমোচন।

28. দশম পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে শুরু হয়েছিল? — ২০০২-০৭ সালে।

29. দশম পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল? — দারিদ্র্য হ্রাস ও GDP বৃদ্ধি।

30. একাদশ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়েছিল? — ২০০৭-১২ সালে।

31. একাদশ পরিকল্পনার মূল স্লোগান কী ছিল? — “Inclusive Growth।”

32. দ্বাদশ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কবে হয়েছিল? — ২০১২-১৭ সালে।

33. দ্বাদশ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল? — “Faster, Sustainable and More Inclusive Growth।”

34. দ্বাদশ পরিকল্পনা কোন সরকারের সময় শুরু হয়েছিল? — মনমোহন সিং সরকারের সময়।

35. ভারতের শেষ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কোনটি ছিল? — দ্বাদশ পরিকল্পনা (২০১২-১৭)।

36. দ্বাদশ পরিকল্পনার পর পাঁচ-সালা পরিকল্পনা কেন বন্ধ হয়? — নীতি আয়োগ গঠনের কারণে।

37. কোন পরিকল্পনার সময় ‘সবুজ বিপ্লব’ শুরু হয়েছিল? — তৃতীয় পরিকল্পনার সময়।

38. কোন পরিকল্পনার সময় ‘নীল বিপ্লব’ হয়েছিল? — পঞ্চম পরিকল্পনার সময়।

39. কোন পরিকল্পনা প্রথম ‘রোলিং প্ল্যান’ চালু করে? — জনতা সরকার (১৯৭৮-৮০)।

40. কোন পরিকল্পনাকে “Rolling Plan” বলা হয়েছিল? — ১৯৭৮-৮০ সালের অন্তর্বর্তী পরিকল্পনা।

41. কোন পরিকল্পনায় উদারীকরণ নীতি চালু হয়? — অষ্টম পাঁচ-সালা পরিকল্পনায়।

42. কোন পরিকল্পনায় “Target Growth Rate” সর্বোচ্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল? — দ্বাদশ পরিকল্পনায়।

43. কোন পরিকল্পনায় “Employment Generation” বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছিল? — ষষ্ঠ পরিকল্পনায়।

44. কোন পরিকল্পনায় তথ্য প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন হয়? — দশম পরিকল্পনায়।

45. কোন পরিকল্পনায় “Human Development Index” গুরুত্ব পায়? — একাদশ পরিকল্পনায়।

46. প্রথম পরিকল্পনা কত শতাংশ বৃদ্ধি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল? — ২.১%।

47. দ্বিতীয় পরিকল্পনায় লক্ষ্য ছিল GDP বৃদ্ধি কত? — ৪.৫%।

48. দ্বাদশ পরিকল্পনার প্রকৃত অর্জন কত শতাংশ ছিল? — প্রায় ৭%।

49. প্রথম পরিকল্পনায় কৃষিতে বরাদ্দ কত শতাংশ ছিল? — ৪৪.৬%।

50. দ্বাদশ পরিকল্পনার শেষে ভারতের শেষ পাঁচ-সালা পরিকল্পনা বন্ধ হয়ে যায় — ২০১৭ সালে।

লক্ষ্য, কৌশল ও সাফল্য

1. ভারতের পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? — দারিদ্র্য দূরীকরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

2. প্রথম পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল — কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি।

3. দ্বিতীয় পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল — শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

4. তৃতীয় পরিকল্পনার লক্ষ্য — স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও প্রতিরক্ষা শক্তিশালীকরণ।

5. চতুর্থ পরিকল্পনার কৌশল ছিল — বৈষম্য হ্রাস ও আত্মনির্ভরতা।

6. পঞ্চম পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল — “Garibi Hatao” (দারিদ্র্য দূরীকরণ)।

7. ষষ্ঠ পরিকল্পনার কৌশল — উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

8. সপ্তম পরিকল্পনার লক্ষ্য — উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।

9. অষ্টম পরিকল্পনার কৌশল — উদারীকরণ ও বেসরকারীকরণ।

10. নবম পরিকল্পনার লক্ষ্য — সামাজিক ন্যায় ও মানব উন্নয়ন।

11. দশম পরিকল্পনার লক্ষ্য — ৮% GDP বৃদ্ধি।

12. একাদশ পরিকল্পনার স্লোগান — “Inclusive Growth।”

13. দ্বাদশ পরিকল্পনার স্লোগান — “Faster, Sustainable and More Inclusive Growth।”

14. প্রথম পরিকল্পনার সাফল্য কেমন ছিল? — খুবই সফল।

15. দ্বিতীয় পরিকল্পনার সাফল্য কেমন ছিল? — আংশিক সফল।

16. তৃতীয় পরিকল্পনা ব্যর্থ কেন? — যুদ্ধ ও খরা।

17. ষষ্ঠ পরিকল্পনার সাফল্য কেমন ছিল? — উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

18. একাদশ পরিকল্পনায় মানব সম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয় — শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে।

19. দ্বাদশ পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য ছিল — পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন।

20. “Balanced Regional Development” প্রথম লক্ষ্য করা হয় — চতুর্থ পরিকল্পনায়।

21. “Employment Generation” সর্বাধিক গুরুত্ব পায় — ষষ্ঠ পরিকল্পনায়।

22. “Infrastructure Development” গুরুত্ব পায় — দশম পরিকল্পনায়।

23. “Digital India” উদ্যোগ কোন সময়ে আসে? — দ্বাদশ পরিকল্পনার সময়।

24. “Inclusive Growth” এর ধারণা প্রথম জনপ্রিয় হয় — একাদশ পরিকল্পনায়।

25. “Green Revolution” এর কৌশল গৃহীত হয় — তৃতীয় পরিকল্পনায়।

26. “Make in India” উদ্যোগ কবে শুরু হয়? — দ্বাদশ পরিকল্পনা পরবর্তী সময়ে।

27. “Rural Development” সর্বাধিক গুরুত্ব পায় — পঞ্চম ও ষষ্ঠ পরিকল্পনায়।

28. “Women Empowerment” অন্তর্ভুক্ত হয় — নবম পরিকল্পনায়।

29. “Sustainable Development” লক্ষ্য গৃহীত হয় — দ্বাদশ পরিকল্পনায়।

30. ভারতের পরিকল্পনা নীতির সামগ্রিক উদ্দেশ্য কী? — সর্বজনীন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি।