ভারতের অর্থনীতি MCQ - Economy Questions and Answers for Competitive Exams in Bengali
অর্থনীতি (Economy)
ভারতের কৃষির বৈশিষ্ট্য
1. ভারতের অর্থনীতি কোন ধরণের অর্থনীতি — কৃষিনির্ভর অর্থনীতি।
2. ভারতের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ কৃষির উপর নির্ভরশীল — প্রায় ৫০%।
3. ভারতের মোট জাতীয় আয়ে কৃষির অবদান কত — প্রায় ১৭% (২০২4 সালের আনুমানিক)।
4. ভারতের কৃষি কেমন ধরনের — মৌসুমি কৃষি।
5. ভারতের কৃষি কোন মৌসুম নির্ভর — বর্ষা মৌসুম নির্ভর।
6. ভারতের কৃষি প্রধানত কোন প্রকারের — প্রাকৃতিক ও মৌসুমি নির্ভর।
7. ভারতের কৃষিতে কোন প্রধান সমস্যা দেখা যায় — বৃষ্টিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা।
8. ভারতের কৃষি জমির গড় আয়তন — প্রায় ১.০৮ হেক্টর।
9. ভারতের কৃষি উৎপাদন প্রধানত কোন উদ্দেশ্যে হয় — জীবিকা নির্বাহের জন্য।
10. ভারতের কৃষি কোন প্রকার শ্রমনির্ভর — মানব শ্রমনির্ভর।
11. ভারতের কৃষি পদ্ধতি কী ধরনের — ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি।
12. ভারতের কৃষি কোন শ্রেণির মানুষের হাতে — ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের হাতে।
13. ভারতের কৃষি কোন জলবায়ুর উপর নির্ভর করে — মৌসুমি বৃষ্টিপাতের উপর।
14. ভারতের কৃষির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী — ক্ষুদ্র খণ্ডিত ভূমি।
15. ভারতের কৃষিতে কোন প্রকার উৎপাদন ব্যবস্থা বিদ্যমান — মিশ্র কৃষি ব্যবস্থা।
16. ভারতের কৃষি উৎপাদনের প্রধান ভিত্তি কী — মৌসুমি বৃষ্টি।
17. ভারতের কৃষি উৎপাদন কোন অঞ্চলে বেশি — গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে।
18. ভারতের কৃষিতে কোন প্রযুক্তির ব্যবহার তুলনামূলক কম — আধুনিক প্রযুক্তি।
19. ভারতের কৃষি এখনও কোন স্তরে — আধা-বাণিজ্যিক স্তরে।
20. ভারতের কৃষির মৌলিক চরিত্র কী — বৈচিত্র্যময়।
21. ভারতের কৃষিতে কত প্রকার মৌসুমি ফসল হয় — তিন প্রকার (খরিফ, রবি, জায়দ)।
22. ভারতের প্রধান খরিফ ফসল — ধান।
23. ভারতের প্রধান রবি ফসল — গম।
24. ভারতের প্রধান জায়দ ফসল — তরমুজ ও ডাল জাতীয় ফসল।
25. ভারতের কৃষিতে জলসেচের প্রধান উৎস — ভূগর্ভস্থ জল।
26. ভারতের কৃষিতে প্রধান ফসল ব্যবস্থা — মিশ্র ফসল চাষ।
27. ভারতের কৃষিতে কোন ফসলের চাষ সবচেয়ে বেশি — ধান।
28. ভারতের কৃষির বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কোনটি নেই — শিল্প নির্ভরতা।
29. ভারতের কৃষিতে কোন আধুনিক উদ্যোগের অভাব — যান্ত্রিকীকরণ।
30. ভারতের কৃষি কোন সমস্যায় ভুগছে — ভূমি খণ্ডিতকরণ।
31. ভারতের কৃষিতে কোন ধরনের শ্রম প্রধান — পরিবারভিত্তিক শ্রম।
32. ভারতের কৃষিতে আয় বৈষম্যের কারণ — ক্ষুদ্র ভূমি মালিকানা।
33. ভারতের কৃষি উৎপাদন কোন অবস্থার উপর নির্ভরশীল — মৌসুমি বৃষ্টি।
34. ভারতের কৃষিতে কোন উন্নয়ন কর্মসূচি আনা হয়েছে — সবুজ বিপ্লব।
35. ভারতের কৃষি ব্যবস্থায় কোন পরিবর্তন প্রয়োজন — প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ।
36. ভারতের কৃষি কোন অঞ্চলে সবচেয়ে উন্নত — পাঞ্জাব ও হরিয়ানায়।
37. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন ফ্যাক্টর বেশি প্রভাব ফেলে — বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।
38. ভারতের কৃষি ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কী — বৈচিত্র্যময় ফসল চাষ।
39. ভারতের কৃষি কোন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের অন্তর্গত — প্রাথমিক ক্ষেত্র।
40. ভারতের কৃষি থেকে কোন শিল্পের কাঁচামাল পাওয়া যায় — টেক্সটাইল ও সুগার শিল্প।
41. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন উপাদান অপরিহার্য — জমি।
42. ভারতের কৃষিতে ব্যবহৃত প্রধান শক্তি — গরু ও মানবশক্তি।
43. ভারতের কৃষিতে কোন পদ্ধতি এখনো বেশি প্রচলিত — প্রথাগত পদ্ধতি।
44. ভারতের কৃষি উন্নয়নের প্রধান বাধা — খণ্ডিত জমি ও বৃষ্টিনির্ভরতা।
45. ভারতের কৃষি কোন প্রকার চাষের উপর নির্ভর — মিশ্র চাষ।
46. ভারতের কৃষিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে — বর্ষা।
47. ভারতের কৃষি উৎপাদনের ধরণ — স্বনির্ভর ও জীবিকানির্ভর।
48. ভারতের কৃষি জমির প্রধান সমস্যা — ক্ষুদ্র ও খণ্ডিত জমি।
49. ভারতের কৃষি ব্যবস্থার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য — বৈচিত্র্যময় ফসল চাষ।
50. ভারতের কৃষির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি — আধুনিক প্রযুক্তি ও সেচব্যবস্থা।
51. ভারতের কৃষি ব্যবস্থার মূল নির্ভরতা — প্রাকৃতিক উপাদান ও মৌসুমি বৃষ্টি।
গ্রিন রেভলিউশন (Green Revolution)
1. ভারতে গ্রিন রেভলিউশন কবে শুরু হয় — 1966 সালে।
2. ভারতে গ্রিন রেভলিউশনের জনক কে — ড. এম. এস. স্বামীনাথন।
3. গ্রিন রেভলিউশনের জনক বিশ্বে কে — নরম্যান বোরলগ।
4. গ্রিন রেভলিউশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী — খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
5. ভারতের কোন ফসলে প্রথম গ্রিন রেভলিউশন আনা হয় — গম।
6. গ্রিন রেভলিউশন মূলত কোন ফসলকে কেন্দ্র করে হয়েছিল — গম ও ধান।
7. গ্রিন রেভলিউশন প্রথম কোন রাজ্যে সফল হয় — পাঞ্জাব ও হরিয়ানা।
8. গ্রিন রেভলিউশন কোন পরিকল্পনা চলাকালীন শুরু হয় — তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
9. গ্রিন রেভলিউশনের সাথে যুক্ত উচ্চ ফলনশীল বীজের নাম কী — HYV বীজ।
10. গ্রিন রেভলিউশনের মূল উপাদান কী — HYV বীজ, সার, সেচ ও প্রযুক্তি।
11. গ্রিন রেভলিউশন এর ফলাফল কী হয়েছিল — খাদ্যশস্যে স্বনির্ভরতা।
12. গ্রিন রেভলিউশন কাকে প্রভাবিত করেছে সবচেয়ে বেশি — উত্তর ভারতের কৃষক সমাজকে।
13. গ্রিন রেভলিউশন কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছিল — পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে।
14. গ্রিন রেভলিউশন কোন রাজ্যে কম সফল হয়েছিল — পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে।
15. গ্রিন রেভলিউশন শুরু করার মূল লক্ষ্য কী ছিল — খাদ্য সংকট দূর করা।
16. ভারতের কৃষিতে গ্রিন রেভলিউশনের প্রভাব কেমন — ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয়ই।
17. গ্রিন রেভলিউশন কৃষকদের কোন দিকে বেশি নির্ভরশীল করেছে — সেচ ও রাসায়নিক সারের উপর।
18. গ্রিন রেভলিউশন এর ফলে কোন ফসলের উৎপাদন সর্বাধিক বেড়েছিল — গম।
19. গ্রিন রেভলিউশন কোন ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে — আঞ্চলিক ও শ্রেণিভিত্তিক বৈষম্য।
20. গ্রিন রেভলিউশন কোন সময়কালে “নিউ সিড মুভমেন্ট” নামে পরিচিত ছিল — 1960-এর দশকে।
21. গ্রিন রেভলিউশন এর ফলে ভারতের কৃষি কেমন হয়েছিল — বাণিজ্যিক কৃষির দিকে অগ্রসর।
22. গ্রিন রেভলিউশন এর ফলস্বরূপ ভারত কোন ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হয়েছিল — খাদ্যশস্য উৎপাদনে।
23. গ্রিন রেভলিউশন কোন ধরণের কৃষকদের বেশি উপকার করেছে — বড় ভূমির মালিক কৃষকদের।
24. গ্রিন রেভলিউশন এর সাথে সম্পর্কিত সংস্থা — IARI (Indian Agricultural Research Institute)।
25. গ্রিন রেভলিউশন এর ফলস্বরূপ কোন শিল্পের উন্নতি ঘটে — সার ও কৃষিযন্ত্র শিল্প।
26. গ্রিন রেভলিউশন এর ফলে কোন পরিবেশগত সমস্যা বেড়েছে — মাটির উর্বরতা হ্রাস ও ভূগর্ভস্থ জলের হ্রাস।
27. গ্রিন রেভলিউশন এর সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞানী নরম্যান বোরলগ কোন দেশের নাগরিক — আমেরিকার।
28. গ্রিন রেভলিউশন পরবর্তী সময়ে কোন দ্বিতীয় কৃষি বিপ্লবের সূচনা হয় — এভারগ্রিন রেভলিউশন।
29. গ্রিন রেভলিউশন এর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য কী — কৃষির উৎপাদনশীলতা ও স্বনির্ভরতা।
30. ভারতের গ্রিন রেভলিউশন কে "মিরাকল অব হুইট" বলা হয় — গম উৎপাদনের জন্য।
হোয়াইট, ব্লু, ইয়েলো রেভলিউশন
হোয়াইট রেভলিউশন (White Revolution)
1. হোয়াইট রেভলিউশন এর জনক কে — ড. ভার্গিস কুরিয়েন।
2. হোয়াইট রেভলিউশন এর মূল উদ্দেশ্য কী — দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি।
3. হোয়াইট রেভলিউশন ভারতে কবে শুরু হয় — ১৯৭০ সালে।
4. হোয়াইট রেভলিউশন এর সূচনা কোন প্রকল্পের মাধ্যমে হয় — অপারেশন ফ্লাড (Operation Flood)।
5. অপারেশন ফ্লাড প্রকল্প কে শুরু করে — ন্যাশনাল ডেয়ারি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NDDB)।
6. অপারেশন ফ্লাড কে পরিচালনা করেছিলেন — ড. ভার্গিস কুরিয়েন।
7. ভারতের হোয়াইট রেভলিউশন কে বলা হয় — বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধ বিপ্লব।
8. হোয়াইট রেভলিউশন কোন সংস্থার উদ্যোগে শুরু হয় — NDDB (National Dairy Development Board)।
9. ভারতের “দুধের শহর” হিসেবে পরিচিত — আনন্দ (গুজরাট)।
10. হোয়াইট রেভলিউশন এর মূল ফসল কী — দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য।
11. অপারেশন ফ্লাড এর সময়কাল কত ধাপে বিভক্ত ছিল — তিন ধাপে।
12. অপারেশন ফ্লাড এর প্রথম ধাপ শুরু হয় — ১৯৭০ সালে।
13. অপারেশন ফ্লাড প্রকল্প শেষ হয় — ১৯৯৬ সালে।
14. হোয়াইট রেভলিউশন এর ফলে ভারত কী হয়েছে — বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদক দেশ।
15. ভারতের হোয়াইট রেভলিউশন এর ব্র্যান্ড নাম কী — “আমূল” (AMUL)।
16. AMUL এর পূর্ণরূপ — Anand Milk Union Limited।
17. ভারতের প্রথম দুধ সমবায় সমিতি কোথায় গঠিত হয় — আনন্দ, গুজরাটে।
18. AMUL এর প্রতিষ্ঠাতা কে — ভার্গিস কুরিয়েন।
19. হোয়াইট রেভলিউশন এর ফলে কোন শিল্পের বিকাশ ঘটে — দুগ্ধশিল্প।
20. হোয়াইট রেভলিউশন এর প্রতীকী রঙ — সাদা।
ব্লু রেভলিউশন (Blue Revolution)
1. ব্লু রেভলিউশন এর মূল উদ্দেশ্য কী — মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি।
2. ব্লু রেভলিউশন এর জনক কে — ড. হিরালাল চৌধুরী।
3. ব্লু রেভলিউশন ভারতে কবে শুরু হয় — ১৯৭০-এর দশকে।
4. ব্লু রেভলিউশন এর মূল ক্ষেত্র — মৎস্যচাষ ও জলজ সম্পদ।
5. ব্লু রেভলিউশন এর প্রধান প্রোগ্রাম — Fish Farmers Development Agency (FFDA)।
6. ব্লু রেভলিউশন কে সমর্থনকারী সংস্থা — ন্যাশনাল ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NFDB)।
7. NFDB কবে প্রতিষ্ঠিত হয় — ২০০৬ সালে।
8. ব্লু রেভলিউশন এর ফলে কোন উৎপাদন বেড়েছে — অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক মাছ।
9. ব্লু রেভলিউশন এর প্রতীকী রঙ — নীল।
10. ভারতের প্রধান মাছ উৎপাদক রাজ্য — অন্ধ্রপ্রদেশ।
11. ব্লু রেভলিউশন এর একটি লক্ষ্য কী — রপ্তানিমুখী মৎস্য উৎপাদন।
12. ভারতে মৎস্যচাষের দুটি ধরন কী — অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক।
13. ব্লু রেভলিউশন এর ফলে কোন জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ঘটে — উপকূলীয় ও গ্রামীণ মৎস্যজীবী সমাজের।
14. ব্লু রেভলিউশন এর মূলমন্ত্র — “More fish, more food, more income।”
ইয়েলো রেভলিউশন (Yellow Revolution)
1. ইয়েলো রেভলিউশন এর মূল উদ্দেশ্য কী — ভোজ্যতেল ও তেলবীজ উৎপাদন বৃদ্ধি।
2. ইয়েলো রেভলিউশন এর জনক কে — সম পিত্রোডা।
3. ইয়েলো রেভলিউশন ভারতে কবে শুরু হয় — ১৯৮৬-৮৭ সালে।
4. ইয়েলো রেভলিউশন কোন ফসলের সাথে সম্পর্কিত — তেলবীজ যেমন সরিষা, চিনাবাদাম, সূর্যমুখী।
5. ইয়েলো রেভলিউশন শুরু করার জন্য কোন প্রকল্প চালু হয় — Technology Mission on Oilseeds।
6. Technology Mission on Oilseeds কে শুরু করেন — রাজীব গান্ধী সরকার।
7. ইয়েলো রেভলিউশন এর প্রতীকী রঙ — হলুদ।
8. ইয়েলো রেভলিউশন এর প্রধান লক্ষ্য কী — আমদানি নির্ভরতা কমানো ও স্বনির্ভরতা।
9. ভারতের ইয়েলো রেভলিউশন এর প্রধান অঞ্চল — মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান।
10. ইয়েলো রেভলিউশন এর ফলে কোন শিল্পের বিকাশ ঘটে — ভোজ্যতেল শিল্প।
11. ইয়েলো রেভলিউশন এর সাফল্যের ফলে ভারতের কৃষিতে কী বৃদ্ধি পায় — তেলবীজ উৎপাদন ও কৃষকের আয়।
12. ইয়েলো রেভলিউশন এর সময় তেলবীজ উৎপাদন কত বৃদ্ধি পায় — দ্বিগুণের বেশি।
13. ইয়েলো রেভলিউশন কোন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময় চালু হয় — সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
14. ইয়েলো রেভলিউশন এর ফলে কোন কৃষি পণ্যের আমদানি কমে যায় — ভোজ্যতেল।
15. ইয়েলো রেভলিউশন কে “Oilseeds Revolution” নামেও ডাকা হয়।
কৃষি উৎপাদন ও সমস্যা
1. ভারতের কৃষি উৎপাদন প্রধানত কিসের উপর নির্ভরশীল — মৌসুমি বৃষ্টির উপর।
2. ভারতের কৃষি উৎপাদন প্রধানত কেমন ধরনের — জীবিকানির্ভর কৃষি।
3. ভারতের কৃষি উৎপাদনের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী — বৃষ্টিনির্ভরতা।
4. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন মৌসুমে ধান চাষ হয় — খরিফ মৌসুমে।
5. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন মৌসুমে গম চাষ হয় — রবি মৌসুমে।
6. ভারতের কৃষি উৎপাদনের বৈশিষ্ট্য কী — নিম্ন উৎপাদনশীলতা।
7. ভারতের কৃষি উৎপাদনে প্রধান বাধা কী — ক্ষুদ্র ও খণ্ডিত ভূমি।
8. ভারতের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির প্রধান উপায় কী — আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।
9. ভারতের কৃষি উৎপাদনের প্রধান সমস্যা — সেচব্যবস্থার অভাব।
10. ভারতের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কোন বিপ্লব চালু হয় — সবুজ বিপ্লব।
11. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন ফ্যাক্টর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে — আবহাওয়া।
12. ভারতের কৃষি উৎপাদনে শ্রমের প্রকৃতি কেমন — অদক্ষ ও অতিরিক্ত।
13. ভারতের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির একটি বড় সমস্যা — সার ও বীজের অভাব।
14. ভারতের কৃষি উৎপাদনের আরেকটি বড় বাধা — কৃষি ঋণের সংকট।
15. ভারতের কৃষি উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ফসল — ধান।
16. ভারতের কৃষি উৎপাদনে দ্বিতীয় সর্বাধিক ফসল — গম।
17. ভারতের কৃষি উৎপাদনে ফসলের বৈচিত্র্য কেন কম — এক ফসল নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা।
18. ভারতের কৃষি উৎপাদনে প্রযুক্তির ব্যবহার কেমন — সীমিত।
19. ভারতের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার চালু করেছে — কৃষি প্রযুক্তি মিশন।
20. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন অঞ্চলে উৎপাদন বেশি — গঙ্গা সমভূমি অঞ্চল।
21. ভারতের কৃষি উৎপাদনের অসমতার কারণ কী — আঞ্চলিক বৈষম্য।
22. ভারতের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নতির প্রধান উপায় — সেচ ও যান্ত্রিকীকরণ।
23. ভারতের কৃষি উৎপাদনের বড় বাধা — মাটির উর্বরতা হ্রাস।
24. ভারতের কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে কোন সমস্যা জড়িত — ফসল নষ্ট ও সংরক্ষণের অভাব।
25. ভারতের কৃষি উৎপাদনে কোন শক্তির ব্যবহার সবচেয়ে কম — আধুনিক যন্ত্রশক্তি।
26. ভারতের কৃষি উৎপাদনের স্থিতিশীলতা কিসের উপর নির্ভর করে — বৃষ্টি ও সেচের প্রাপ্যতার উপর।
27. ভারতের কৃষি উৎপাদন কোন ধরনের কৃষির অন্তর্ভুক্ত — প্রথাগত কৃষি।
28. ভারতের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কোন নীতি গৃহীত হয় — কৃষি আধুনিকীকরণ নীতি।
29. ভারতের কৃষি উৎপাদনের প্রধান বাধা হলো — জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ।
30. ভারতের কৃষি উৎপাদনে দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির উপায় — প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও মাটির সংরক্ষণ।
কৃষি ভর্তুকি ও ঋণ
1. কৃষি ভর্তুকি বলতে কী বোঝায় — কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানোর জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা।
2. ভারতে কৃষি ভর্তুকির মূল উদ্দেশ্য কী — কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি ও আয় স্থিতিশীল করা।
3. ভারতের সরকার প্রথম কৃষি ভর্তুকি চালু করে কবে — ১৯৬০-এর দশকে।
4. ভারতে সবচেয়ে বড় ভর্তুকি কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয় — সারে।
5. ভারতে সার ভর্তুকির উদ্দেশ্য কী — কৃষকদের সার ব্যবহার উৎসাহিত করা।
6. বিদ্যুৎ ভর্তুকি প্রধানত কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয় — সেচের জন্য।
7. জলভর্তুকি দেওয়া হয় কোন উদ্দেশ্যে — সেচব্যবস্থা সহজলভ্য করা।
8. বীজ ভর্তুকি দেওয়া হয় — উন্নত মানের বীজ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে।
9. ভারতের কৃষি ভর্তুকি মূলত কোন তিন ক্ষেত্রে দেওয়া হয় — সার, বিদ্যুৎ ও সেচে।
10. কৃষি ভর্তুকি প্রদান করে কোন সংস্থা — কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার।
11. ভারতে কৃষি ভর্তুকির সবচেয়ে বেশি সুবিধা পায় — ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা।
12. ভারতের কৃষি ভর্তুকির ফলে কোন সমস্যাও দেখা দিয়েছে — রাজস্ব ঘাটতি।
13. ভারতে কৃষি ভর্তুকি প্রদান কোন নীতির অংশ — কৃষি সহায়ক নীতি।
14. ভারতের কৃষি ভর্তুকির মোট পরিমাণ প্রতি বছর — লক্ষ কোটি টাকার বেশি।
15. কৃষি ঋণ বলতে কী বোঝায় — কৃষিকাজের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত আর্থিক সহায়তা।
16. ভারতের কৃষি ঋণের মূল উৎস কী — ব্যাংক ও সমবায় সমিতি।
17. ভারতের কৃষি ঋণের প্রধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান — নাবার্ড (NABARD)।
18. NABARD এর পূর্ণরূপ — National Bank for Agriculture and Rural Development।
19. NABARD কবে প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৯৮২ সালে।
20. ভারতের প্রথম কৃষি ব্যাংক — ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
21. স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণের মেয়াদ — এক বছরের কম।
22. মধ্যমেয়াদি কৃষি ঋণের মেয়াদ — এক থেকে পাঁচ বছর।
23. দীর্ঘমেয়াদি কৃষি ঋণের মেয়াদ — পাঁচ বছরের বেশি।
24. ভারতের কৃষি ঋণের প্রধান উদ্দেশ্য — কৃষি উৎপাদন ও গ্রামীণ উন্নয়ন।
25. ভারতের কৃষি ঋণের প্রধান সমস্যা — সময়মতো ঋণপ্রাপ্তির অভাব।
26. ভারতের কৃষক ঋণ মকুব নীতি প্রথম চালু হয় — ১৯৯০ সালে।
27. কৃষকদের ঋণ সহায়তার জন্য চালু প্রকল্প — কিষান ক্রেডিট কার্ড (KCC)।
28. কিষান ক্রেডিট কার্ড চালু হয় কবে — ১৯৯৮ সালে।
29. কিষান ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রতিষ্ঠান — নাবার্ড (NABARD)।
30. ভারতের কৃষি ঋণ ব্যবস্থার প্রধান দুর্বলতা — অনুৎপাদক খাতে ঋণ ব্যয়।
31. কৃষি ঋণ প্রদানের হার নির্ধারণ করে কে — ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI)।
কৃষি বিপণন
1. কৃষি বিপণন বলতে কী বোঝায় — কৃষিপণ্য উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া।
2. ভারতের কৃষি বিপণনের প্রধান উদ্দেশ্য — কৃষকের উৎপাদনের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা।
3. ভারতে কৃষি বিপণনের প্রধান সমস্যা — মধ্যস্বত্বভোগীর আধিপত্য।
4. ভারতের কৃষি বিপণনের মূল বৈশিষ্ট্য — বাজারে কৃষকের সরাসরি উপস্থিতি সীমিত।
5. ভারতের কৃষি বিপণন ব্যবস্থা প্রধানত কেমন — অবিন্যস্ত ও ঐতিহ্যবাহী।
6. কৃষি বিপণনের আধুনিকীকরণের প্রধান উপায় — সংগঠিত বাজারব্যবস্থা।
7. ভারতের প্রথম নিয়ন্ত্রিত কৃষি বাজার কোথায় গঠিত হয় — কর্ণাটকে।
8. ভারতের প্রথম কৃষি বাজার আইন চালু হয় — ১৯৩৮ সালে।
9. ভারতের কৃষি বিপণন নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর হয় — ১৯৬০-এর দশকে।
10. ভারতের কৃষি বিপণন তত্ত্বাবধান করে কোন সংস্থা — কৃষি বিপণন বোর্ড।
11. APMC এর পূর্ণরূপ — Agricultural Produce Market Committee।
12. APMC আইনের উদ্দেশ্য — কৃষককে শোষণ থেকে রক্ষা করা।
13. ভারতে APMC আইন প্রথম কোন রাজ্যে চালু হয় — পাঞ্জাবে।
14. ভারতের কৃষি বিপণন উন্নয়নের জন্য চালু প্রকল্প — e-NAM।
15. e-NAM এর পূর্ণরূপ — National Agriculture Market।
16. e-NAM চালু হয় কবে — ২০১৬ সালে।
17. e-NAM চালুর মূল উদ্দেশ্য — কৃষিপণ্যের অনলাইন বিপণন ব্যবস্থা গঠন।
18. ভারতের কৃষিপণ্য বিপণনের প্রধান কেন্দ্র — মান্ডি।
19. ভারতের কৃষি বিপণনে সবচেয়ে বেশি সমস্যা — মূল্য অস্থিরতা।
20. ভারতের কৃষি বিপণনের অন্যতম বাধা — সংরক্ষণের অভাব।
21. ভারতের কৃষি বিপণনের জন্য প্রধান অবকাঠামো কী — গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ, পরিবহন।
22. ভারতের কৃষি বিপণনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে — সহ cooperative marketing societies।
23. ভারতের কৃষি বিপণনে মূল সমস্যা — অপ্রতুল বাজার তথ্য।
24. ভারতের কৃষি বিপণনে কৃষককে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে — দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী।
25. ভারতের কৃষি বিপণনে কোন ফসল সবচেয়ে বেশি বেচা-কেনা হয় — ধান ও গম।
26. ভারতের কৃষি বিপণনের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ — ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP)।
27. ভারতের কৃষি বিপণন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনে — e-NAM প্রকল্প।
28. ভারতের কৃষি বিপণন ব্যবস্থায় FCI এর ভূমিকা — খাদ্যশস্য ক্রয় ও সংরক্ষণ।
29. ভারতের কৃষি বিপণনের প্রধান চ্যালেঞ্জ — বাজারের দামের অনিশ্চয়তা।
30. ভারতের কৃষি বিপণনের আধুনিক সমাধান — ডিজিটাল মার্কেট ও কৃষক প্রযোজক সংগঠন (FPO)।
খাদ্য কর্পোরেশন (FCI)
1. Food Corporation of India (FCI) কবে প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৯৬৫ সালে।
2. FCI প্রতিষ্ঠিত হয় কোন আইনের অধীনে — Food Corporations Act, 1964 এর অধীনে।
3. FCI এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত — নয়াদিল্লিতে।
4. FCI প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য — খাদ্যশস্যের সংরক্ষণ, ক্রয় ও বিতরণ।
5. FCI এর মূল লক্ষ্য কী — খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
6. FCI এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন — তি. আ. পাই (T.A. Pai)।
7. FCI এর প্রধান দায়িত্ব কী — কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে খাদ্যশস্য ক্রয় করা।
8. FCI এর প্রধান ক্রয়যোগ্য ফসল — গম ও ধান।
9. FCI কোন নীতির আওতায় কাজ করে — ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP) নীতির আওতায়।
10. FCI এর প্রতিষ্ঠার মূল কারণ — ১৯৬০-এর দশকের খাদ্য সংকট।
11. FCI এর প্রথম আঞ্চলিক কার্যালয় কোথায় স্থাপিত হয় — চেন্নাইয়ে।
12. FCI এর ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করে কোন দপ্তর — কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়।
13. FCI এর ভূমিকা কী — খাদ্যশস্যের সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বণ্টন ব্যবস্থা পরিচালনা করা।
14. FCI এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ — দেশের পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (PDS) কে সমর্থন করা।
15. PDS এর পূর্ণরূপ — Public Distribution System।
16. PDS এর মূল উদ্দেশ্য কী — দরিদ্র জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ।
17. FCI এর গুদামগুলিতে মূলত কোন ফসল সংরক্ষিত থাকে — গম ও ধান।
18. ভারতের খাদ্য মজুত রক্ষার দায়িত্বে কে — FCI।
19. FCI এর মোট গুদাম সংখ্যা আনুমানিক — ২০০০টিরও বেশি।
20. ভারতে FCI এর সহযোগী সংস্থা — সেন্ট্রাল ওয়্যারহাউসিং কর্পোরেশন (CWC)।
21. FCI এর খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা কোন নীতির উপর নির্ভরশীল — ন্যায্য মূল্য বিতরণ ব্যবস্থা।
22. FCI এর কাজের ক্ষেত্র কতটি জোনে বিভক্ত — পাঁচটি জোনে।
23. FCI এর কাজের একটি বড় চ্যালেঞ্জ — খাদ্যশস্যের নষ্ট হওয়া ও সংরক্ষণের অভাব।
24. FCI এর খাদ্য মজুত রিপোর্ট কে প্রকাশ করে — খাদ্য ও পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন মন্ত্রণালয়।
25. FCI কোন বছরে ISO সার্টিফিকেট পায় — ১৯৯৮ সালে।
26. FCI এর মোট খাদ্য মজুতের একটা অংশ কোন কাজে ব্যবহৃত হয় — রপ্তানি ও সরকারি স্কিমে বিতরণের জন্য।
27. FCI এর মাধ্যমে কোন প্রধান সরকারি প্রকল্প পরিচালিত হয় — প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা।
28. ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা আইনের বাস্তবায়নে কার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — FCI এর।
29. FCI এর প্রতীক বা লোগোতে কী থাকে — ধানের শীষ ও সবুজ বর্ণের প্রতীক।
30. FCI এর মূল নীতি বাক্য (Motto) — “Ensuring Food Security of Nation।”
ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP)
1. ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP) কী — কৃষকদের ফসলের জন্য সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম ক্রয়মূল্য।
2. MSP কবে প্রথম চালু হয় — ১৯৬৬ সালে।
3. MSP চালুর মূল উদ্দেশ্য কী — কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা।
4. MSP নির্ধারণ করে কে — কৃষি মূল্য ও ব্যয় কমিশন (CACP)।
5. CACP এর পূর্ণরূপ — Commission for Agricultural Costs and Prices।
6. CACP কবে প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৯৬৫ সালে।
7. MSP নির্ধারণের সময় কোন বিষয় বিবেচনা করা হয় — উৎপাদন ব্যয়, বাজার মূল্য ও মুনাফা।
8. MSP এর প্রধান উদ্দেশ্য — কৃষককে মূল্য পতনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা।
9. ভারতে MSP প্রথম কোন ফসলে চালু হয় — গমে।
10. MSP সংক্রান্ত ঘোষণা করে কোন মন্ত্রণালয় — কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
11. MSP এর আওতায় কত প্রকার ফসল আসে — ২৩টি ফসল।
12. MSP প্রযোজ্য ফসলের মধ্যে প্রধান দুটি — গম ও ধান।
13. MSP ব্যবস্থার প্রধান সুবিধাভোগী — কৃষক।
14. MSP এর মাধ্যমে কোন সংস্থা ফসল ক্রয় করে — খাদ্য কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (FCI)।
15. MSP নির্ধারণের সময় লাভের হার কত ধরা হয় — উৎপাদন খরচের ৫০% পর্যন্ত মুনাফা।
16. MSP ব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য কী — কৃষকদের আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রদান।
17. MSP ঘোষণার সময়কাল — প্রতি বছর খরিফ ও রবি মৌসুমের আগে।
18. MSP ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন ক্ষেত্রকে সমর্থন করা হয় — কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা।
19. MSP কোন নীতির অংশ — কৃষি সহায়ক মূল্য নীতি।
20. MSP ব্যবস্থার প্রধান সমালোচনা কী — সব কৃষক এর সুবিধা পান না।
21. MSP ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন অঞ্চল বেশি উপকৃত হয় — উত্তর ভারতের রাজ্যগুলি।
22. MSP এর আওতায় কোন ফসল সবচেয়ে বেশি ক্রয় করা হয় — গম ও ধান।
23. MSP নির্ধারণে সরকারের পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান — NITI Aayog।
24. MSP এর মূলনীতি কী — কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ের নিচে দাম না দেওয়া।
25. MSP কোন কৃষি মৌসুমে প্রথম চালু হয় — সবুজ বিপ্লবের সময়।
26. MSP এর মাধ্যমে সরকারের কোন নীতি শক্তিশালী হয় — খাদ্য নিরাপত্তা নীতি।
27. MSP ঘোষণার পর ফসল ক্রয় কার্যক্রম তদারক করে — খাদ্য ও পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন মন্ত্রণালয়।
28. MSP ব্যবস্থার অধীনে ক্রয়কৃত ফসল যায় — PDS (Public Distribution System)-এর মাধ্যমে জনগণের কাছে।
29. MSP এর ফলে কৃষকদের কোন ঝুঁকি কমে — বাজারমূল্যের পতনের ঝুঁকি।
30. MSP এর ধারণাটি এসেছে কোন দেশ থেকে — যুক্তরাষ্ট্র থেকে (Price Support System ধারণা থেকে)।
ভারতের শিল্পের ধরণ
1. ভারতের শিল্পকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় – দুই ভাগে: সংগঠিত ও অসংগঠিত শিল্প।
2. ভারতের সংগঠিত শিল্প বলতে কী বোঝায় – যেখানে সরকারী নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত শ্রমশক্তি থাকে।
3. অসংগঠিত শিল্প বলতে কী বোঝায় – যেখানে শ্রমিকরা অনিয়মিত ও অরক্ষিত অবস্থায় কাজ করে।
4. ভারতের শিল্পের প্রধান তিনটি শ্রেণী কী – প্রাথমিক, দ্বিতীয়ক ও তৃতীয়ক শিল্প।
5. প্রাথমিক শিল্প বলতে কী বোঝায় – কৃষি ও খনিজ আহরণজাত শিল্প।
6. দ্বিতীয়ক শিল্প বলতে কী বোঝায় – উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাত শিল্প।
7. তৃতীয়ক শিল্প বলতে কী বোঝায় – পরিষেবা বা সার্ভিস ভিত্তিক শিল্প।
8. ভারতের খনিজ ভিত্তিক শিল্পের একটি উদাহরণ – ইস্পাত শিল্প।
9. ভারতের কৃষিভিত্তিক শিল্পের একটি উদাহরণ – চিনি শিল্প।
10. ভারতের বনজ শিল্পের একটি উদাহরণ – কাগজ শিল্প।
11. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পের উদাহরণ – হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্প।
12. ভারতের ভারী শিল্পের উদাহরণ – লোহা ও ইস্পাত শিল্প।
13. হালকা শিল্প বলতে কী বোঝায় – ভোক্তা পণ্য উৎপাদনকারী শিল্প।
14. ভারতের প্রথম ভারী শিল্প কোনটি – টাটানগরের টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি।
15. ভারতের প্রথম কাগজ শিল্প কোথায় গড়ে ওঠে – পশ্চিমবঙ্গের সৈরাতে।
16. ভারতের প্রথম চিনি কল কোথায় স্থাপিত হয়েছিল – উত্তরপ্রদেশে।
17. বস্ত্র শিল্প ভারতের কোন রাজ্যে বেশি বিস্তৃত – মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে।
18. বস্ত্র শিল্প কোন ধরনের শিল্প – শ্রমঘন শিল্প।
19. লোহা ও ইস্পাত শিল্প কোন ধরনের শিল্প – পুঁজি ঘন শিল্প।
20. ভারতের ইলেকট্রনিক্স শিল্প কোন ধরনের শিল্প – আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প।
21. ভারতের পেট্রোলিয়াম শিল্প কোন ধরনের শিল্প – খনিজ ভিত্তিক শিল্প।
22. ভারতের জুট শিল্প কোন নদীর তীরে অবস্থিত – হুগলি নদীর তীরে।
23. ভারতের তুলা শিল্পের কেন্দ্র কোথায় – মুম্বাই ও আহমেদাবাদ।
24. ভারতের ইস্পাত শিল্পের প্রধান কেন্দ্র কোনটি – জামশেদপুর।
25. ভারতের সার শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র – সিন্ধ্রি।
26. ভারতের অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের প্রধান কাঁচামাল – বক্সাইট।
27. ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের কেন্দ্র – বেঙ্গালুরু।
28. ভারতের গাড়ি নির্মাণ শিল্পের প্রধান কেন্দ্র – চেন্নাই ও পুণে।
29. ভারতের সিমেন্ট শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র – চিত্তৌরগড় (রাজস্থান)।
30. ভারতের প্রধান শিল্পের ভিত্তি কী – কৃষি, খনিজ ও মানবসম্পদ।
ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প
1. ভারতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প কিসের ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় – বিনিয়োগ ও টার্নওভার-এর ভিত্তিতে।
2. ভারতে MSME বলতে কী বোঝায় – Micro, Small and Medium Enterprises।
3. MSME আইন কবে কার্যকর হয় – ২০০৬ সালে।
4. MSME এর পূর্ণরূপ কী – Micro, Small and Medium Enterprises।
5. ভারতে ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প বিষয়ক মন্ত্রণালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয় – ২০০৭ সালে।
6. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পকে আর কী নামে ডাকা হয় – কুটির শিল্প।
7. ক্ষুদ্র শিল্পে বিনিয়োগের সীমা কত (বর্তমান মানদণ্ডে) – ₹১ কোটি পর্যন্ত।
8. মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগের সীমা কত – ₹৫০ কোটি পর্যন্ত।
9. বৃহৎ শিল্পে বিনিয়োগের সীমা কত – ₹৫০ কোটির বেশি।
10. ক্ষুদ্র শিল্পের মূল বৈশিষ্ট্য কী – কম পুঁজি ও বেশি শ্রম নির্ভরতা।
11. বৃহৎ শিল্পের মূল বৈশিষ্ট্য কী – বেশি পুঁজি ও যন্ত্রনির্ভরতা।
12. ভারতের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবদান কত – প্রায় ৩০% জিডিপি।
13. ভারতের মোট কর্মসংস্থানে MSME খাতের অবদান কত – প্রায় ৪৫%।
14. ভারতে MSME খাতের পণ্য রপ্তানিতে অবদান কত – প্রায় ৪৮%।
15. ভারতে ক্ষুদ্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য বিশেষ ব্যাংক কোনটি – SIDBI (Small Industries Development Bank of India)।
16. SIDBI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৯০ সালে।
17. MSME দিবস কবে পালন করা হয় – ২৭ জুন।
18. ভারতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রধান লক্ষ্য কী – গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
19. ভারতে ক্ষুদ্র শিল্পের প্রথম উন্নয়ন নীতি প্রণীত হয় কবে – ১৯৫৫ সালে।
20. MSME নিবন্ধনের জন্য কোন পোর্টাল চালু করা হয়েছে – উদ্যোগ আধার পোর্টাল।
21. উদ্যোগ আধার পোর্টাল চালু হয় কবে – ২০১৫ সালে।
22. ভারতের বৃহৎ শিল্পের একটি উদাহরণ – টাটা স্টিল।
23. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পের একটি উদাহরণ – হ্যান্ডলুম।
24. ভারতের মাঝারি শিল্পের একটি উদাহরণ – প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন শিল্প।
25. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পে সাধারণত কিসের ঘাটতি থাকে – পুঁজি ও প্রযুক্তির।
26. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্প খাতের তত্ত্বাবধানে প্রধান সংস্থা – MSME মন্ত্রণালয়।
27. MSME মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর কোথায় – নয়াদিল্লি।
28. MSME উন্নয়নে সহায়ক একটি প্রকল্পের নাম বল – ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম।
29. PMEGP প্রকল্প কার জন্য – ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য।
30. PMEGP এর পূর্ণরূপ কী – Prime Minister’s Employment Generation Programme।
31. PMEGP পরিচালনা করে কোন সংস্থা – খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশন (KVIC)।
32. KVIC প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৫৭ সালে।
33. ভারতে বৃহৎ শিল্প স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য কী – ভারী উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধি।
34. ক্ষুদ্র শিল্পকে “গ্রামীণ ভারতের মেরুদণ্ড” বলা হয় কেন – গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বলে।
35. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্প খাতের প্রধান সমস্যা কী – পুঁজির অভাব ও বিপণন দুর্বলতা।
36. ভারতের বৃহৎ শিল্পে প্রধান সমস্যা কী – আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও বিদ্যুৎ সংকট।
37. মাঝারি শিল্প কাকে বলে – যেখানে বিনিয়োগ ₹১০ কোটি থেকে ₹৫০ কোটি মধ্যে।
38. ক্ষুদ্র শিল্প কাকে বলে – যেখানে বিনিয়োগ ₹১ কোটি পর্যন্ত।
39. ভারতের MSME খাতের সর্বাধিক ঘনত্ব কোন রাজ্যে – তামিলনাড়ু ও মহারাষ্ট্রে।
40. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পে নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণ প্রায় কত – প্রায় ২০%।
41. “Make in India” উদ্যোগ MSME খাতে কী ভূমিকা রাখে – দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
42. ভারতের বৃহৎ শিল্প মূলত কোথায় অবস্থিত – শহর ও শিল্পাঞ্চলে।
43. ক্ষুদ্র শিল্প মূলত কোথায় অবস্থিত – গ্রামাঞ্চল ও ছোট শহরে।
44. ভারতের MSME-র জন্য একটি ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রকল্পের নাম বল – CGTMSE।
45. CGTMSE এর পূর্ণরূপ কী – Credit Guarantee Fund Trust for Micro and Small Enterprises।
46. MSME খাতের উন্নতির জন্য ২০২০ সালে নতুন নীতি ঘোষণা করেন কে – প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
47. MSME ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ভূমিকা কী – উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
48. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পের পণ্য কোন দেশে বেশি রপ্তানি হয় – যুক্তরাষ্ট্রে।
49. ভারতের ক্ষুদ্র শিল্প খাতের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ কী – ডিজিটাল রূপান্তর ও বাজার প্রতিযোগিতা।
রাষ্ট্রায়ত্ত বনাম বেসরকারি শিল্প
1. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প বলতে কী বোঝায় – যে সমস্ত শিল্প সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে সরকারের মালিকানাধীন।
2. বেসরকারি শিল্প বলতে কী বোঝায় – যে সমস্ত শিল্প ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থার মালিকানাধীন।
3. ভারতের প্রথম রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কোনটি – হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)।
4. ভারতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের সূচনা কবে – স্বাধীনতার পর প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা থেকে।
5. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের প্রধান উদ্দেশ্য কী – জনস্বার্থে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন।
6. বেসরকারি শিল্পের প্রধান উদ্দেশ্য কী – মুনাফা অর্জন।
7. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকে ইংরেজিতে কী বলে – Public Sector Undertaking (PSU)।
8. বেসরকারি শিল্পকে ইংরেজিতে কী বলে – Private Sector Industry।
9. ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের সংখ্যা বর্তমানে কত (প্রায়) – প্রায় ২৫০টির বেশি।
10. ভারতের বেসরকারি শিল্পের সংখ্যা – লক্ষাধিক।
11. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প পরিচালনা করে কারা – কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার।
12. বেসরকারি শিল্প পরিচালনা করে কারা – ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা।
13. ভারতের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি কোনটি – ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC)।
14. ভারতের সবচেয়ে বড় বেসরকারি সংস্থা কোনটি – রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
15. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের উদাহরণ – স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI)।
16. বেসরকারি ব্যাংকের উদাহরণ – এইচডিএফসি ব্যাংক।
17. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের মূল বৈশিষ্ট্য কী – সামাজিক দায়িত্ব ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ।
18. বেসরকারি শিল্পের মূল বৈশিষ্ট্য কী – দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও লাভনির্ভরতা।
19. ভারতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ব্যবস্থাপনার তত্ত্বাবধান করে কোন বিভাগ – Department of Public Enterprises (DPE)।
20. ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শ্রেণিবিভাগ কতটি – তিনটি: মহারত্ন, নবরত্ন ও মিনি রত্ন।
21. ভারতের প্রথম মহারত্ন কোম্পানি কোনটি – ONGC।
22. ভারতের মোট কয়টি মহারত্ন কোম্পানি আছে – ১৩টি।
23. ভারতের বেসরকারি খাতের সর্বাধিক বিনিয়োগ কোন ক্ষেত্রে – তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম।
24. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের প্রধান সমস্যা কী – অলসতা, লোকসান ও অদক্ষতা।
25. বেসরকারি শিল্পের প্রধান সমস্যা কী – একচেটিয়া বাজার দখল ও আয় বৈষম্য।
26. ভারতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প সংস্কার শুরু হয় কবে – ১৯৯১ সালের অর্থনৈতিক উদারীকরণের পর।
27. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়াকে কী বলে – Disinvestment বা Disinvestment Policy।
28. ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের বেসরকারীকরণের দায়িত্ব কার – DIPAM (Department of Investment and Public Asset Management)।
29. ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পে সর্বাধিক বিনিয়োগ কোন খাতে – জ্বালানি ও ভারী প্রকৌশল।
30. রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি শিল্পের সম্মিলিত প্রচেষ্টা কোন নামে পরিচিত – PPP (Public Private Partnership)।
শিল্পনীতি 1956, 1991
1. ভারতের প্রথম শিল্পনীতি ঘোষণা করা হয় কবে – ১৯৪৮ সালে।
2. ভারতের দ্বিতীয় শিল্পনীতি ঘোষণা করা হয় কবে – ১৯৫৬ সালে।
3. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতি কে ঘোষণা করেন – প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
4. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতি কিসের উপর ভিত্তি করে ছিল – সমাজতান্ত্রিক নীতির উপর।
5. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতিকে আর কী বলা হয় – Industrial Policy Resolution of 1956।
6. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতি অনুযায়ী শিল্পকে কয়টি বিভাগে ভাগ করা হয় – তিনটি বিভাগে (Schedule A, B, C)।
7. Schedule A তে কাদের জন্য শিল্প সংরক্ষিত ছিল – সম্পূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের জন্য।
8. Schedule B তে কাদের জন্য শিল্প সংরক্ষিত ছিল – রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি উভয়ের জন্য।
9. Schedule C তে কাদের জন্য শিল্প সংরক্ষিত ছিল – মূলত বেসরকারি খাতের জন্য।
10. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের গুরুত্ব কেন বাড়ানো হয় – সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির লক্ষ্যে।
11. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতিতে ক্ষুদ্র শিল্প সম্পর্কে কী বলা হয় – তাদের উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
12. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতি ছিল কোন পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত – দ্বিতীয় পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা।
13. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য কী – ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধি।
14. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতিকে বলা হয় – ভারতের শিল্প উন্নয়নের ভিত্তি নীতি।
15. ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের ভূমিকা কী ছিল – শিল্পোন্নয়নের নেতৃত্ব প্রদান।
16. ভারতের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করা হয় কবে – ১৯৯১ সালে।
17. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি কে ঘোষণা করেন – তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি. ভি. নরসিংহা রাও।
18. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি প্রণয়নের প্রধান উদ্দেশ্য কী – অর্থনৈতিক উদারীকরণ ও বাজারমুখী অর্থনীতি।
19. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি প্রণয়নের সময় অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন – ড. মনমোহন সিং।
20. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতির মূল তিনটি স্তম্ভ কী – উদারীকরণ, বেসরকারীকরণ ও বিশ্বায়ন।
21. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি কিসের প্রতিক্রিয়ায় গৃহীত হয় – অর্থনৈতিক সঙ্কট ও বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির কারণে।
22. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতিতে শিল্প লাইসেন্সিং ব্যবস্থার কী পরিবর্তন আনা হয় – অধিকাংশ শিল্প থেকে লাইসেন্স ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হয়।
23. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের ভূমিকা কীভাবে বদলে যায় – সীমিত ক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়।
24. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতির ফলে কোন নীতির সূচনা হয় – বেসরকারীকরণ ও বিদেশি বিনিয়োগের নীতি।
25. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের সীমা কত করা হয়েছিল – সর্বোচ্চ ৫১% পর্যন্ত।
26. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতিতে কোন খাত বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করা হয় – বীমা, ব্যাংকিং, টেলিকম ইত্যাদি।
27. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতিতে MRTP আইনের উদ্দেশ্য কী ছিল – একচেটিয়া ব্যবসা রোধ করা।
28. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি ভারতের অর্থনীতিকে কোন পথে নিয়ে যায় – বাজারমুখী অর্থনীতির পথে।
29. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি অনুযায়ী “ডিসইনভেস্টমেন্ট” বলতে কী বোঝায় – রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শেয়ার বেসরকারি খাতে হস্তান্তর।
30. ১৯৯১ সালের শিল্পনীতি ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের সূচনা হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হয় – “New Economic Policy” বা নতুন অর্থনীতি নীতি।
মেক ইন ইন্ডিয়া
1. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি কবে চালু হয় – ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে।
2. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি চালু করেন কে – প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
3. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর মূল উদ্দেশ্য কী – ভারতে দেশীয় ও বিদেশি উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
4. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর স্লোগান কী – Zero Defect, Zero Effect।
5. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর প্রতীক বা লোগো কী – গিয়ারের তৈরি সিংহের ছবি।
6. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে – বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়।
7. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর মূল ধারণা কোথা থেকে অনুপ্রাণিত – জাপানের “Made in Japan” ও চীনের “Made in China” ধারণা থেকে।
8. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে কতটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে – ২৫টি খাত।
9. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের নাম বল – গাড়ি নির্মাণ শিল্প।
10. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলির একটি কী – কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
11. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর আওতায় কোন খাতে বিদেশি বিনিয়োগে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে – প্রতিরক্ষা, রেলওয়ে ও ইলেকট্রনিক্স খাত।
12. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর মাধ্যমে ভারতকে কোন দেশের মতো তৈরি করার লক্ষ্য – বিশ্বব্যাপী উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে।
13. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর আওতায় FDI বৃদ্ধি পায় কত শতাংশে – ৫১% থেকে ১০০% পর্যন্ত (কিছু খাতে)।
14. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগ কোন পরিকল্পনার অংশ – ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনার অংশ।
15. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের প্রথম গ্লোবাল সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয় – মুম্বাইয়ে।
16. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ গ্লোবাল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কবে – ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে।
17. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির মাধ্যমে কোন দেশের কোম্পানিগুলিকে বিনিয়োগে আহ্বান জানানো হয় – বিশ্বব্যাপী সকল দেশকে।
18. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর আওতায় ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচির ভূমিকা কী – প্রযুক্তি অবকাঠামো তৈরি ও অনলাইন প্রক্রিয়া উন্নয়ন।
19. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর আওতায় ‘Ease of Doing Business’ সূচকে ভারতের অবস্থান কত উন্নত হয় – ২০১৪ সালের ১৪২তম স্থান থেকে ২০১৯ সালে ৬৩তম স্থানে।
20. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে কোন রাজ্যে – মহারাষ্ট্রে।
21. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর একটি সাফল্য কী – মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
22. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কোন ধরনের উদ্যোগ – নীতি ও প্রণোদনাভিত্তিক শিল্প উন্নয়ন উদ্যোগ।
23. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে কোন শিল্পখাতে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে – ইলেকট্রনিক্স, প্রতিরক্ষা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে।
24. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর মাধ্যমে ভারতের জিডিপিতে উৎপাদন খাতের অবদান কত বাড়ানোর লক্ষ্য – ২৫% পর্যন্ত।
25. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর আওতায় তৈরি করা হয়েছে কোন নীতি – ন্যাশনাল ম্যানুফ্যাকচারিং পলিসি।
26. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর অংশ হিসেবে কোন পরিকল্পনা চালু হয় – স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া ও স্কিল ইন্ডিয়া।
27. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির অর্থায়ন কারা করে – কেন্দ্র সরকার ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা।
28. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর আওতায় কোন খাতকে সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে – প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাত (FDI-এর জন্য)।
29. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর সাফল্যের মাপকাঠি কী – উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বৃদ্ধি।
30. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর পরিপূরক উদ্যোগ কোনটি – আত্মনির্ভর ভারত অভিযান।
31. ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য কী – ভারতকে বৈশ্বিক উৎপাদন হাব হিসেবে গড়ে তোলা।
অবকাঠামো উন্নয়ন (বিদ্যুৎ, পরিবহন, যোগাযোগ)
1. অবকাঠামো বলতে কী বোঝায় – অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মৌলিক ভিত্তি।
2. অর্থনৈতিক অবকাঠামোর তিনটি প্রধান উপাদান কী – বিদ্যুৎ, পরিবহন ও যোগাযোগ।
3. ভারতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৯২ সালে।
4. ভারতে প্রথম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় স্থাপিত হয় – শিবনগর, দার্জিলিং (১৮৯৭ সালে)।
5. ভারতের প্রথম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় – কলকাতা (১৮৯৯ সালে)।
6. ভারতের সর্বাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি – মহারাষ্ট্র।
7. ভারতের সর্ববৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কোনটি – ভাকরা নাঙ্গাল প্রকল্প।
8. ভাকরা নাঙ্গাল বাঁধ কোন নদীর উপর অবস্থিত – শতদ্রু নদীর উপর।
9. ভারতের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় – তারাপুর (মহারাষ্ট্র)।
10. ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোন উৎসের অবদান সর্বাধিক – তাপবিদ্যুৎ।
11. ভারতের নবায়নযোগ্য শক্তির উন্নয়নের দায়িত্ব কার – নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয় (MNRE)।
12. ভারতের নবায়নযোগ্য শক্তি উন্নয়ন সংস্থা কোনটি – IREDA (Indian Renewable Energy Development Agency)।
13. ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একক কী – মেগাওয়াট (MW)।
14. ভারতের প্রথম রাজ্য যেখানে ১০০% বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে – কেরালা।
15. ‘উজ্জ্বল ভারত’ কর্মসূচির লক্ষ্য কী – সবার জন্য বিদ্যুৎ।
16. ‘সৌভাগ্য’ যোজনা কবে চালু হয় – ২০১৭ সালে।
17. ‘সৌভাগ্য’ যোজনার পূর্ণরূপ কী – Pradhan Mantri Sahaj Bijli Har Ghar Yojana।
18. ‘দীনদয়াল উপাধ্যায় গ্রাম জ্যোতি যোজনা’-এর উদ্দেশ্য কী – গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন।
19. ভারতের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি – Central Electricity Authority (CEA)।
20. ভারতের সবচেয়ে বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি – মুন্দরা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (গুজরাট)।
21. ভারতের পারমাণবিক শক্তি কমিশন কবে গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালে।
22. ভারতের পারমাণবিক শক্তি বিভাগের সদর দপ্তর কোথায় – মুম্বাইয়ে।
23. ভারতের সবচেয়ে বড় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় – মুপ্পান্ডাল (তামিলনাড়ু)।
24. ভারতের সৌর শক্তি প্রকল্পের নাম – জাতীয় সৌর মিশন (National Solar Mission)।
25. ভারতের পরিবহন খাত কতটি ভাগে বিভক্ত – চারটি: সড়ক, রেল, জল ও বায়ু পরিবহন।
26. ভারতের সবচেয়ে বড় সড়ক প্রকল্প কোনটি – গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল প্রকল্প।
27. গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল প্রকল্প সংযুক্ত করে কোন চারটি শহর – দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই ও কলকাতা।
28. ভারতের জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের তত্ত্বাবধান করে কোন সংস্থা – NHAI (National Highways Authority of India)।
29. NHAI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৮৮ সালে।
30. ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ জাতীয় সড়ক কোনটি – NH-44 (শ্রীনগর থেকে কান্যাকুমারী)।
31. ভারতের রেলওয়ে কবে শুরু হয় – ১৬ এপ্রিল ১৮৫৩ সালে।
32. ভারতের প্রথম রেললাইন চালু হয় কোথায় – মুম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত।
33. ভারতের রেলওয়ে ব্যবস্থাপনা কার অধীনে – ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়।
34. ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলপথ কোনটি – ডিব্রুগড় থেকে কান্যাকুমারী।
35. ভারতের প্রথম মেট্রো রেল চালু হয় কোথায় – কলকাতায় (১৯৮৪ সালে)।
36. ভারতের দ্রুতগামী ট্রেনের নাম কী – বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।
37. ভারতের জলপথ পরিবহন কর্তৃপক্ষ কোনটি – Inland Waterways Authority of India (IWAI)।
38. IWAI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৮৬ সালে।
39. ভারতের প্রথম জাতীয় জলপথ কোনটি – গঙ্গা নদী (আল্লাহাবাদ থেকে হলদিয়া পর্যন্ত)।
40. ভারতের বিমান পরিবহন সংস্থা কোনটি – এয়ার ইন্ডিয়া।
41. ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৩৭ সালে।
42. ভারতের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোনটি – ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দিল্লি।
43. ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুইটি প্রধান ধরণ কী – ডাক ও টেলিযোগাযোগ।
44. ভারতের ডাক ব্যবস্থা শুরু হয় কবে – ১৮৫৪ সালে।
45. ভারতের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় কবে – ১৮৫৪ সালে।
46. ভারতের টেলিযোগাযোগ বিভাগ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে – যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
47. ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি – TRAI (Telecom Regulatory Authority of India)।
48. TRAI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে – ১৯৯৭ সালে।
49. ভারতে প্রথম মোবাইল পরিষেবা চালু হয় কবে – ১৯৯৫ সালে।
50. ভারতে ডিজিটাল যোগাযোগ উন্নয়নের মূল উদ্যোগ কোনটি – ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি।
51. ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি কবে চালু হয় – ২০১৫ সালে।
52. ভারতের 5G পরিষেবা চালু হয় কবে – ২০২২ সালে।