ভারতের অর্থনীতি MCQ - Economy One Liner Question for Competitive Exams in Bengali
অর্থনীতি (Economy)
মুদ্রার ধরণ ও কার্য
1. মুদ্রা বলতে কী বোঝায় – বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত বস্তুকে মুদ্রা বলে।
2. অর্থনীতিতে মুদ্রা কাকে বলে – যে কোনো জিনিস যা বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য।
3. মুদ্রার প্রধান কাজ কী – বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করা।
4. মুদ্রার তিনটি প্রধান কাজ কী – বিনিময়ের মাধ্যম, মূল্য নির্ধারণের মানদণ্ড ও সঞ্চয়ের মাধ্যম।
5. অর্থনীতিতে “মাধ্যমিক কাজ” বলতে কী বোঝায় – ঋণ নিষ্পত্তি ও মূল্য সংরক্ষণ কাজ।
6. প্রাচীন ভারতে কোন ধাতুর মুদ্রা প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল – রূপার।
7. কাগজ মুদ্রার প্রথম প্রচলন ভারতে শুরু হয় – ১৮৬১ সালে।
8. ভারতের প্রথম কাগজ মুদ্রা প্রকাশ করে – ব্রিটিশ সরকার।
9. ভারতে প্রথম কাগজ নোট জারি করে কোন ব্যাংক – ব্যাঙ্ক অফ হিন্দুস্তান (1770)।
10. বর্তমান ভারতে মুদ্রা প্রকাশের একমাত্র অধিকার কার – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।
11. মুদ্রার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী – বহনযোগ্যতা, টেকসইতা, বিভাজ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা।
12. পূর্ণ মুদ্রা বলতে কী বোঝায় – যার অন্তর্গত মূল্য ও নামমাত্র মূল্য সমান।
13. আংশিক মুদ্রা বলতে কী বোঝায় – যার ধাতব মূল্য নামমাত্র মূল্যের চেয়ে কম।
14. বৈধ মুদ্রা (Legal Tender) বলতে কী বোঝায় – সরকার কর্তৃক আইনত স্বীকৃত মুদ্রা।
15. অনধিকৃত মুদ্রা (Token Money) কী – যার নিজস্ব ধাতব মূল্য নামমাত্র মূল্যের চেয়ে কম।
16. ইলেকট্রনিক মুদ্রা (E-Money) কী – ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যবহৃত অর্থ যেমন ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের টাকা।
17. ভারতে মুদ্রার একক কী – রূপি (Rupee)।
18. এক রূপি নোট জারি করে কে – ভারত সরকার।
19. “Fiat Money” বলতে কী বোঝায় – সরকারের আদেশে চালু মুদ্রা, যেমন রূপি।
20. “Commodity Money” বলতে কী বোঝায় – ধাতু বা পণ্য দ্বারা তৈরি মুদ্রা।
21. “Representative Money” কী – স্বর্ণ বা রূপি দ্বারা সমর্থিত কাগজ মুদ্রা।
22. মুদ্রার কার্য কয় প্রকার – তিন প্রকার: প্রধান, গৌণ ও ঐচ্ছিক।
23. মুদ্রার প্রধান কাজ কী – বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করা।
24. “Deferred Payment” কাজটি কোন কাজের অন্তর্ভুক্ত – গৌণ কাজের।
25. অর্থনীতিতে মুদ্রার গুণাবলী কী কী – স্থায়িত্ব, বহনযোগ্যতা, বিভাজ্যতা, একরূপতা ও গ্রহণযোগ্যতা।
26. মুদ্রার মান স্থির থাকে কেন – সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের আস্থার কারণে।
27. মুদ্রা সঙ্কট কাকে বলে – যখন মুদ্রা প্রচলন কমে যায়।
28. অতিমুদ্রাস্ফীতি (Hyperinflation) বলতে কী বোঝায় – যখন মুদ্রার মূল্য দ্রুত কমে যায়।
29. “Barter System” বলতে কী বোঝায় – পণ্য বিনিময় পদ্ধতি যেখানে মুদ্রার ব্যবহার হয় না।
30. মুদ্রা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য কী – অর্থনৈতিক বিনিময় সহজ করা।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)
1. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) প্রতিষ্ঠিত হয় – ১ এপ্রিল, ১৯৩৫ সালে।
2. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া আইন, ১৯৩৪ অনুযায়ী।
3. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর কোথায় – মুম্বাই (Mumbai)।
4. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রথম গভর্নর কে ছিলেন – স্যার অসবর্ন স্মিথ (Sir Osborne Smith)।
5. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রথম ভারতীয় গভর্নর কে ছিলেন – সি. ডি. দেশমুখ।
6. বর্তমান সময়ে RBI-এর গভর্নর কে – শক্তিকান্ত দাস।
7. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জাতীয়করণ করা হয় – ১ জানুয়ারি, ১৯৪৯ সালে।
8. RBI-এর মূল উদ্দেশ্য কী – মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও দেশের আর্থিক স্থিতি বজায় রাখা।
9. RBI-এর প্রতীকচিহ্নে কী রয়েছে – খেজুর গাছের নীচে দাঁড়ানো বাঘ।
10. RBI-এর মূল কার্যালয় প্রথমে কোথায় ছিল – কলকাতা।
11. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর কলকাতা থেকে মুম্বাইয়ে স্থানান্তরিত হয় – ১৯৩৭ সালে।
12. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মূল কাজ কী – দেশের মুদ্রা ও ঋণনীতির নিয়ন্ত্রণ।
13. RBI ভারতে মুদ্রা জারির একমাত্র কর্তৃপক্ষ – হ্যাঁ।
14. এক রূপি নোট প্রকাশ করে – ভারত সরকার, কিন্তু RBI দ্বারা পরিচালিত।
15. RBI-এর কেন্দ্রীয় বোর্ডের সদস্য সংখ্যা কত – ২১ জন।
16. রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর কত বছরের জন্য নিযুক্ত হন – সাধারণত ৩ বছরের জন্য।
17. RBI-এর মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে কোন বিভাগ – মুদ্রানীতি কমিটি (Monetary Policy Committee)।
18. মুদ্রানীতি কমিটি (MPC)-তে সদস্য সংখ্যা কত – ৬ জন।
19. RBI-এর ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ কাজ শুরু হয় – ব্যাংকিং রেগুলেশন আইন, ১৯৪৯ অনুযায়ী।
20. RBI কোন ধরণের ব্যাংক – কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Central Bank)।
21. RBI-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী – মূল্য স্থিতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভারসাম্য রক্ষা করা।
22. RBI ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা ভান্ডারের রক্ষক – হ্যাঁ।
23. RBI কোন প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করে না – সমবায় ব্যাংক (Cooperative Banks) আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন।
24. RBI নোট জারি করে কোন সিস্টেমে – মিনিমাম রিজার্ভ সিস্টেম (Minimum Reserve System)।
25. মিনিমাম রিজার্ভ সিস্টেম অনুযায়ী সোনার ও বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ থাকতে হয় – ₹২০০ কোটি টাকার সমমূল্য।
26. RBI-এর বার্ষিক প্রতিবেদন কে প্রকাশ করে – RBI নিজেই।
27. RBI-এর আর্থিক বছর শুরু হয় – ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
28. RBI-এর প্রধান চারটি কাজ কী – মুদ্রা জারি, ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বৈদেশিক রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা।
29. RBI "ব্যাংক অফ ব্যাংকস" বলা হয় কেন – কারণ এটি অন্যান্য ব্যাংকের রিজার্ভ ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে।
30. RBI-এর মটো (Motto) কী – “विकासो नाम सञ्जीवनी” (Development is life force)।
বাণিজ্যিক ব্যাংক
1. বাণিজ্যিক ব্যাংক বলতে কী বোঝায় – যে ব্যাংক জনগণের আমানত গ্রহণ করে ও ঋণ প্রদান করে।
2. বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান কাজ কী – আমানত গ্রহণ ও ঋণ বিতরণ।
3. ভারতে প্রথম বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি – ব্যাঙ্ক অফ হিন্দুস্তান (১৭৭০)।
4. ভারতের প্রাচীনতম চলমান ব্যাংক কোনটি – স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI)।
5. স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠা হয় – ১ জুলাই, ১৯৫৫ সালে।
6. স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া গঠিত হয় কোন ব্যাংকের জাতীয়করণের মাধ্যমে – ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া।
7. ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণ করে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)।
8. বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রকারভেদ কয়টি – দুইটি: পাবলিক সেক্টর ব্যাংক ও প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক।
9. পাবলিক সেক্টর ব্যাংকের মালিক কে – ভারত সরকার।
10. প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংকের মালিক কে – ব্যক্তিগত বা কর্পোরেট সংস্থা।
11. বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান তিনটি কাজ কী – প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও সাধারণ কাজ।
12. বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রাথমিক কাজ কী – আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদান।
13. বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমিক কাজ কী – এজেন্সি ও ইউটিলিটি সার্ভিস প্রদান।
14. বাণিজ্যিক ব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাংশন কোনটি – ক্রেডিট ক্রিয়েশন (Credit Creation)।
15. ব্যাংকের ক্রেডিট ক্রিয়েশন ক্ষমতা নির্ভর করে – নগদ রিজার্ভ অনুপাতের উপর (Cash Reserve Ratio)।
16. বাণিজ্যিক ব্যাংকের সবচেয়ে বড় লাভের উৎস – ঋণের উপর সুদ।
17. ভারতের ব্যাংকিং ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হয় – ১৯৬৯ ও ১৯৮০ সালে দুটি ধাপে।
18. ১৯৬৯ সালে কতটি ব্যাংক জাতীয়করণ করা হয় – ১৪টি।
19. ১৯৮০ সালে কতটি ব্যাংক জাতীয়করণ করা হয় – ৬টি।
20. ভারতের প্রথম প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক কোনটি – এইচডিএফসি ব্যাংক (HDFC Bank)।
21. ভারতের বৃহত্তম পাবলিক সেক্টর ব্যাংক কোনটি – স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI)।
22. ভারতের বৃহত্তম প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক কোনটি – এইচডিএফসি ব্যাংক (HDFC)।
23. বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য কী – মুনাফা অর্জন করা।
24. বাণিজ্যিক ব্যাংকের সম্পদ হিসেবে কী গণ্য হয় – ঋণ ও বিনিয়োগ।
25. বাণিজ্যিক ব্যাংকের দায় হিসেবে কী গণ্য হয় – গ্রাহকের আমানত।
26. বাণিজ্যিক ব্যাংক কোন নীতির উপর কাজ করে – লাভজনকতা ও নিরাপত্তা নীতি।
27. ব্যাংকের চলতি হিসাব (Current Account) কাদের জন্য – ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য।
28. ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাব (Savings Account) কাদের জন্য – সাধারণ ব্যক্তিদের জন্য।
29. ব্যাংকের মেয়াদি আমানত (Fixed Deposit) কী – নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমানত রাখা অর্থ।
30. বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান ভূমিকা কী – অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুঁজি সরবরাহ করা।
NBFC
1. NBFC-এর পূর্ণরূপ কী – Non-Banking Financial Company।
2. NBFC বলতে কী বোঝায় – যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক নয়, কিন্তু ঋণ ও বিনিয়োগ কার্য করে।
3. NBFC নিয়ন্ত্রণ করে কে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)।
4. NBFC-এর মূল কাজ কী – ঋণ প্রদান, বিনিয়োগ, লিজিং ও হায়ার পারচেজ ফিনান্স।
5. NBFC কোন আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় – কোম্পানিজ অ্যাক্ট, ২০১৩ অনুযায়ী।
6. NBFC ব্যাংকের থেকে আলাদা কেন – NBFC আমানত গ্রহণ করতে পারে না (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)।
7. NBFC কে RBI-এর অধীনে নিবন্ধন করতে হয় কোন ধারা অনুযায়ী – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া আইন, ১৯৩৪-এর ধারা ৪৫-IA অনুযায়ী।
8. NBFC কাকে বলে – এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা ব্যাংকের মতো কাজ করে কিন্তু ব্যাংক নয়।
9. NBFC কোন ধরনের কার্য করে – ক্রেডিট, বিনিয়োগ, বীমা, লিজিং, হায়ার পারচেজ ইত্যাদি।
10. NBFC ও ব্যাংকের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী – NBFC চেক ইস্যু করতে পারে না।
11. NBFC জনগণের চেক ডিপোজিট গ্রহণ করতে পারে কি – না।
12. NBFC সঞ্চয়ী বা চলতি হিসাব খোলার অনুমতি আছে কি – না।
13. NBFC কি পেমেন্ট ও সেটেলমেন্ট সিস্টেমে অংশ নিতে পারে – না।
14. NBFC রেজিস্ট্রেশন কার কাছ থেকে নিতে হয় – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।
15. NBFC-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে RBI-এর কোন বিভাগ – ডিপার্টমেন্ট অফ নন-ব্যাংকিং সুপারভিশন (DNBS)।
16. NBFC-এর প্রধান উৎস কী – পুঁজি বাজার ও ঋণ।
17. NBFC আমানত গ্রহণ করতে পারে কি – শুধুমাত্র Deposit Accepting NBFC পারে, RBI অনুমতি সাপেক্ষে।
18. NBFC-এর প্রকারভেদ কয়টি – Deposit Taking ও Non-Deposit Taking দুইটি।
19. মাইক্রোফিনান্স NBFC কাদের ঋণ দেয় – দরিদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের।
20. Asset Finance Company (AFC) কী – যে NBFC যানবাহন বা যন্ত্রপাতি ফিনান্স করে।
21. Infrastructure Finance Company (IFC) কী – যে অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন করে।
22. Investment Company (IC) কী – যে মূলত শেয়ার ও সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করে।
23. Loan Company (LC) কী – যে মূলত ঋণ প্রদান করে।
24. Housing Finance Company (HFC) কাকে বলে – যে গৃহঋণ প্রদান করে।
25. NBFC মুদ্রানীতির আওতায় আসে কি – আংশিকভাবে আসে, RBI দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
26. NBFC-এর জন্য ন্যূনতম নেট ওয়ার্থ কত হতে হবে – ₹১০ কোটি (সাধারণত, ক্যাটাগরি অনুযায়ী পরিবর্তনশীল)।
27. NBFC-এর উদাহরণ কী – বাজাজ ফিনান্স, মহিন্দ্রা ফাইন্যান্স, শ্রীরাম ট্রান্সপোর্ট ফাইন্যান্স।
28. NBFC-এর সামাজিক ভূমিকা কী – ছোট ব্যবসায় ও অর্গানাইজড নয় এমন খাতে ঋণ সরবরাহ করা।
29. NBFC-কে ব্যাংকে রূপান্তর করতে হলে অনুমতি দিতে হয় কে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।
30. NBFC অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় কী ভূমিকা রাখে – আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
মুদ্রানীতি (Monetary Policy)
1. মুদ্রানীতি বলতে কী বোঝায় – মুদ্রার যোগান ও ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের সরকারি নীতি।
2. মুদ্রানীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী – মূল্য স্থিতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভারসাম্য রক্ষা করা।
3. ভারতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে কে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)।
4. মুদ্রানীতি কত প্রকার – দুই প্রকার: সম্প্রসারণমূলক ও সংকোচনমূলক।
5. সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি কাকে বলে – যেখানে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
6. সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি কাকে বলে – যেখানে অর্থ সরবরাহ কমানো হয়।
7. মুদ্রানীতি কোন উপকরণের মাধ্যমে পরিচালিত হয় – CRR, SLR, Repo, Reverse Repo, Bank Rate ইত্যাদি।
8. মুদ্রানীতি কমিটি (Monetary Policy Committee – MPC) গঠিত হয় – ২০১৬ সালে।
9. MPC-র সদস্য সংখ্যা কত – ৬ জন।
10. MPC-র সভাপতি কে – RBI গভর্নর।
11. MPC বৈঠক কত ঘনঘন হয় – প্রতি দুই মাসে একবার।
12. MPC-এর মূল লক্ষ্য কী – মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ রাখা।
13. ভারতের মুদ্রাস্ফীতি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে – ৪% (±২%)।
14. মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণের দুটি উপায় কী – পরিমাণগত ও গুণগত উপায়।
15. পরিমাণগত উপায়ের উদাহরণ – CRR, SLR, Bank Rate, Open Market Operations।
16. গুণগত উপায়ের উদাহরণ – Margin Requirement, Credit Rationing, Moral Suasion।
17. ওপেন মার্কেট অপারেশন (Open Market Operation) কী – সরকারী সিকিউরিটিজ কেনাবেচার মাধ্যমে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ।
18. রেপো রেট কমালে কী ঘটে – ঋণ সস্তা হয়, অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি পায়।
19. রেপো রেট বাড়ালে কী ঘটে – ঋণ ব্যয়বহুল হয়, অর্থ সরবরাহ কমে যায়।
20. মুদ্রানীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য কী – মূল্য স্থিতি বজায় রেখে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো।
21. ব্যাংক রেট কীভাবে মুদ্রানীতিতে প্রভাব ফেলে – ব্যাংকগুলোর ঋণের খরচ প্রভাবিত করে।
22. RBI মুদ্রানীতির মাধ্যমে কোন সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে – মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রাসঙ্কোচন।
23. মুদ্রানীতি কোন অর্থনৈতিক নীতির অংশ – সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি (Macroeconomic Policy)।
24. মুদ্রানীতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী – অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
25. মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে পার্থক্য কী – মুদ্রানীতি RBI দ্বারা, রাজস্বনীতি সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
26. মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য ভারতের ক্ষেত্রে কী – “মূল্য স্থিতি সহ প্রবৃদ্ধি”।
27. মুদ্রানীতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কে নেয় – মুদ্রানীতি কমিটি (MPC)।
28. মুদ্রানীতি পরিবর্তন কোন সময় ঘোষণা করা হয় – দ্বি-মাসিক ভিত্তিতে (bi-monthly)।
29. মুদ্রানীতির মাধ্যমে সুদের হার পরিবর্তন করা হলে কী প্রভাব পড়ে – ঋণ, বিনিয়োগ ও ভোগে প্রভাব পড়ে।
30. মুদ্রানীতির কার্যকারিতা নির্ভর করে – আর্থিক বাজারের স্থিতিশীলতা ও ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার দক্ষতার উপর।
CRR, SLR, Repo, Reverse Repo, Bank Rate
1. CRR-এর পূর্ণরূপ কী – Cash Reserve Ratio।
2. SLR-এর পূর্ণরূপ কী – Statutory Liquidity Ratio।
3. CRR কী – ব্যাংককে তাদের মোট আমানতের নির্দিষ্ট শতাংশ নগদ রূপে RBI-তে রাখতে হয়।
4. SLR কী – ব্যাংককে তাদের মোট আমানতের নির্দিষ্ট অংশ নগদ, স্বর্ণ বা সরকারি সিকিউরিটিজ আকারে রাখতে হয়।
5. CRR নির্ধারণ করে কে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)।
6. SLR নির্ধারণ করে কে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)।
7. CRR-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী – ব্যাংকিং সিস্টেমে তরলতা নিয়ন্ত্রণ।
8. SLR-এর উদ্দেশ্য কী – ব্যাংকের আর্থিক স্থিতি ও ঋণ প্রদানের সীমা নিয়ন্ত্রণ।
9. বর্তমান সময়ে CRR হার কত – (RBI সময়ে সময়ে নির্ধারণ করে, বর্তমানে প্রায় ৪%)।
10. বর্তমান SLR হার কত – (RBI সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করে, বর্তমানে প্রায় ১৮%)।
11. CRR বাড়ালে কী প্রভাব পড়ে – ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।
12. CRR কমালে কী প্রভাব পড়ে – ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে।
13. SLR বাড়ালে কী হয় – ব্যাংকের ঋণ প্রদানের সক্ষমতা কমে।
14. SLR কমালে কী হয় – ব্যাংকের ঋণ প্রদানের সক্ষমতা বাড়ে।
15. CRR ও SLR কোন শ্রেণীর উপকরণ – পরিমাণগত (Quantitative) উপকরণ।
16. CRR ও SLR-এর মাধ্যমে RBI কী নিয়ন্ত্রণ করে – অর্থ সরবরাহ ও তরলতা।
17. CRR-এর টাকা কোথায় রাখা হয় – RBI-র কাছে।
18. SLR-এর সম্পদ কোথায় থাকে – ব্যাংকের নিজের তত্ত্বাবধানে।
19. CRR ও SLR-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী – CRR RBI-তে জমা থাকে, SLR ব্যাংকের নিজস্ব হেফাজতে থাকে।
20. রেপো রেট (Repo Rate) কী – যে হারে RBI বাণিজ্যিক ব্যাংককে স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেয়।
21. রিভার্স রেপো রেট (Reverse Repo Rate) কী – যে হারে RBI ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে অর্থ ধার নেয়।
22. রেপো রেট বাড়ালে কী হয় – ঋণ ব্যয়বহুল হয়, অর্থ সরবরাহ কমে।
23. রেপো রেট কমালে কী হয় – ঋণ সস্তা হয়, অর্থ সরবরাহ বাড়ে।
24. রিভার্স রেপো রেট বাড়ালে কী হয় – ব্যাংক RBI-তে বেশি অর্থ রাখে, বাজারে তারল্য কমে।
25. রিভার্স রেপো রেট কমালে কী হয় – ব্যাংক RBI-তে কম অর্থ রাখে, বাজারে তারল্য বাড়ে।
26. ব্যাংক রেট (Bank Rate) কী – যে হারে RBI বাণিজ্যিক ব্যাংককে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়।
27. ব্যাংক রেট ও রেপো রেটের মধ্যে পার্থক্য কী – ব্যাংক রেট দীর্ঘমেয়াদি, রেপো রেট স্বল্পমেয়াদি।
28. ব্যাংক রেট বৃদ্ধি পেলে কী হয় – ঋণের খরচ বাড়ে, মুদ্রাস্ফীতি কমে।
29. ব্যাংক রেট কমালে কী হয় – ঋণের খরচ কমে, বিনিয়োগ বাড়ে।
30. RBI কোন নীতির মাধ্যমে রেপো ও রিভার্স রেপো রেট নিয়ন্ত্রণ করে – মুদ্রানীতি (Monetary Policy)।
31. রেপো রেটের অন্য নাম কী – নীতি সুদের হার (Policy Rate)।
32. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোন হার বাড়ানো হয় – রেপো রেট ও CRR।
33. অর্থনৈতিক মন্দায় কোন হার কমানো হয় – রেপো রেট ও ব্যাংক রেট।
34. রেপো শব্দের অর্থ কী – Repurchase Agreement।
35. রিভার্স রেপো শব্দের অর্থ কী – Reverse Repurchase Agreement।
36. রেপো রেট ব্যবস্থার সূচনা হয় – ১৯৯২ সালে।
37. রিভার্স রেপো রেট ব্যবস্থার সূচনা হয় – ১৯৯৬ সালে।
38. ব্যাংক রেট নির্ধারণ করে কে – রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।
39. ওপেন মার্কেট অপারেশন (OMO) কাকে বলে – RBI কর্তৃক সরকারি সিকিউরিটিজ কেনাবেচা করে তারল্য নিয়ন্ত্রণ।
40. রেপো রেট কমালে বাজারে কী ঘটে – অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি পায়।
41. রেপো রেট বাড়ালে বাজারে কী ঘটে – অর্থ সরবরাহ হ্রাস পায়।
42. রিভার্স রেপো রেট বাড়ালে ব্যাংকের তরলতা কীভাবে প্রভাবিত হয় – তরলতা কমে।
43. SLR বৃদ্ধি অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলে – ঋণপ্রাপ্যতা কমে, বিনিয়োগ হ্রাস পায়।
44. CRR হ্রাস পেলে কী হয় – ব্যাংকের হাতে ঋণ দেওয়ার অর্থ বেড়ে যায়।
45. ব্যাংক রেট পরিবর্তনের প্রভাব কার উপর পড়ে – সমগ্র ঋণ ও সুদের ব্যবস্থার উপর।
46. মুদ্রাস্ফীতির সময় RBI কোন পদক্ষেপ নেয় – CRR ও রেপো রেট বৃদ্ধি করে।
47. মুদ্রাসঙ্কোচনের সময় RBI কোন পদক্ষেপ নেয় – CRR ও রেপো রেট হ্রাস করে।
48. রেপো রেট, রিভার্স রেপো রেট, ব্যাংক রেট ও CRR – এরা সবাই কোন নীতির অংশ – মুদ্রানীতি (Monetary Policy)।
49. RBI কত সময় অন্তর এই হারগুলি পর্যালোচনা করে – প্রতি দুই মাসে একবার (bi-monthly policy)।
50. ভারতের বর্তমান নীতিগত সুদের হারগুলো পরিবর্তন করা হয় – মুদ্রানীতি কমিটি (MPC)-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।
কেন্দ্রীয় বাজেট
1. কেন্দ্রীয় বাজেট কে উপস্থাপন করেন - অর্থমন্ত্রী।
2. প্রথম কেন্দ্রীয় বাজেট কবে উপস্থাপিত হয় - ২৬ নভেম্বর ১৯৪৭ সালে।
3. স্বাধীন ভারতের প্রথম বাজেট কে উপস্থাপন করেন - আর.কে. শণ্মুখম চেট্টি।
4. একাধিকবার বাজেট উপস্থাপনকারী অর্থমন্ত্রী - মরারজি দেশাই।
5. সংসদে বাজেট উপস্থাপন করা হয় - লোকসভায়।
6. বাজেট উপস্থাপনের দিন এখন নির্ধারিত - প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি।
7. কেন্দ্রীয় বাজেট কে অনুমোদন করে - সংসদ।
8. বাজেট শব্দটি এসেছে কোন ভাষা থেকে - ফরাসি ভাষা থেকে।
9. বাজেট অর্থ কী - আয় ও ব্যয়ের হিসাব।
10. কেন্দ্রীয় বাজেট কয়টি ভাগে বিভক্ত - দুই ভাগে (রাজস্ব হিসাব ও মূলধনী হিসাব)।
11. কেন্দ্রীয় বাজেট প্রস্তুত করে - অর্থ মন্ত্রক।
12. অর্থ বিলের অনুমোদন দেয় - রাষ্ট্রপতি।
13. বাজেট পেশ করার আগে যে বিবৃতি প্রকাশিত হয় তাকে বলে - অর্থনৈতিক জরিপ (Economic Survey)।
14. অর্থনৈতিক জরিপ প্রকাশ করে - অর্থ মন্ত্রক।
15. বাজেট পেশের পর যা পাস হয় তাকে বলে - অনুদান দাবি (Demand for Grants)।
16. সংসদের কোন অংশ বাজেট পাস করে - লোকসভা।
17. বাজেট পেশ করার পূর্বে তৈরি হয় - অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণের ভিত্তি।
18. কেন্দ্রীয় বাজেটের মেয়াদ - এক অর্থবছর (১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ)।
19. বাজেটে সরকারের আয়ের প্রধান উৎস - কর রাজস্ব।
20. বাজেটে সরকারের সর্বাধিক ব্যয় - প্রতিরক্ষা ও ভর্তুকি খাতে।
21. বাজেট প্রণয়নের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় - রাষ্ট্রপতি।
22. ২০১৭ সাল থেকে বাজেট কবে পেশ করা শুরু হয়েছে - ১ ফেব্রুয়ারি।
23. কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট আয়-ব্যয়ের হিসাব কে প্রদান করে - ভারতের হিসাব নিয়ন্ত্রক ও মহা নিরীক্ষক (CAG)।
24. বাজেট পেশ করার পর সরকারের আর্থিক নীতি কোথায় প্রকাশিত হয় - অর্থনৈতিক জরিপে।
25. “ইউনিয়ন বাজেট” শব্দটি নির্দেশ করে - কেন্দ্রীয় সরকারের বার্ষিক আয় ও ব্যয়।
26. বাজেটের খসড়া প্রস্তুত করে - অর্থ মন্ত্রকের বাজেট বিভাগ।
27. বাজেট অনুমোদনের পূর্বে যে সময়ে সরকার অস্থায়ীভাবে অর্থ ব্যয় করতে পারে তাকে বলে - ভোট অন অ্যাকাউন্ট।
28. বাজেট পেশ করার প্রথা কবে থেকে শুরু হয় - ব্রিটিশ আমলে।
29. ভারতের ইতিহাসে প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী যিনি পূর্ণ বাজেট পেশ করেন - নির্মলা সীতারামন।
30. নির্মলা সীতারামন প্রথমবার বাজেট পেশ করেন - ৫ জুলাই ২০১৯ সালে।
বাজেটের প্রকার (Surplus, Deficit, Balanced)
1. যে বাজেটে সরকারের আয় ব্যয়ের চেয়ে বেশি থাকে তাকে বলে - উদ্বৃত্ত বাজেট (Surplus Budget)।
2. যে বাজেটে সরকারের ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি থাকে তাকে বলে - ঘাটতি বাজেট (Deficit Budget)।
3. যে বাজেটে সরকারের আয় ও ব্যয় সমান থাকে তাকে বলে - ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট (Balanced Budget)।
4. ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে সাধারণত দেখা যায় - ঘাটতি বাজেট।
5. উদ্বৃত্ত বাজেট সাধারণত কোন দেশে দেখা যায় - উন্নত দেশে।
6. ঘাটতি বাজেটের প্রধান কারণ - সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়।
7. ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের মূল উদ্দেশ্য - আর্থিক স্থিতি বজায় রাখা।
8. ঘাটতি বাজেটের ফলে অর্থনীতিতে ঘটে - মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি।
9. উদ্বৃত্ত বাজেটের ফলে অর্থনীতিতে ঘটে - মন্দা বা মূল্যহ্রাস প্রবণতা।
10. ভারতে প্রায় প্রতি বছর দেখা যায় - রাজস্ব ঘাটতি বাজেট।
11. ব্যালান্সড বাজেট বাস্তবে - খুব কমই সম্ভব।
12. ঘাটতি বাজেট অর্থনীতিতে কীভাবে পূরণ করা হয় - ঋণ গ্রহণ বা মুদ্রা ছাপিয়ে।
13. উদ্বৃত্ত বাজেট সরকারের ক্ষেত্রে নির্দেশ করে - আর্থিক সাশ্রয় বা দক্ষতা।
14. ঘাটতি বাজেট সরকারের কোন অবস্থাকে নির্দেশ করে - আর্থিক অস্থিতিশীলতা।
15. ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের প্রভাব - স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অবস্থা।
16. ভারতের প্রথম উদ্বৃত্ত বাজেট কবে দেখা যায় - ১৯৭০–৭১ সালে।
17. উদ্বৃত্ত বাজেটের সুবিধা - মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
18. ঘাটতি বাজেটের অসুবিধা - সরকারি ঋণ বৃদ্ধি পায়।
19. ভারতে ঘাটতি বাজেটের ফলে প্রায়ই দেখা যায় - মূল্যস্ফীতির চাপ।
20. ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট মূলত কোন দেশের জন্য আদর্শ - উন্নত দেশের।
21. ঘাটতি বাজেটের সময় সরকার কী করে - বাজার থেকে ঋণ সংগ্রহ করে।
22. উদ্বৃত্ত বাজেট সাধারণত কোন নীতিতে অনুসৃত হয় - সংকোচনমূলক রাজস্বনীতি (Contractionary Fiscal Policy)।
23. ঘাটতি বাজেট অনুসৃত হয় - সম্প্রসারণমূলক রাজস্বনীতি (Expansionary Fiscal Policy)।
24. ভারতের বাজেট সাধারণত কোন প্রকারের হয় - ঘাটতি বাজেট।
25. ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের ফলে উন্নয়ন প্রকল্পে কী ঘটে - ধীরগতি।
26. ঘাটতি বাজেট কোন খাতে বিনিয়োগ বাড়ায় - সরকারি খাতে।
27. উদ্বৃত্ত বাজেট সাধারণত কখন তৈরি হয় - মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে।
28. ঘাটতি বাজেট সাধারণত কখন তৈরি হয় - অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায়।
29. ব্যালান্সড বাজেট অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণে - আদর্শ হলেও বাস্তবসম্মত নয়।
30. ভারতের বর্তমান আর্থিক নীতি নির্ভর করে - ঘাটতি বাজেট ব্যবস্থার উপর।
রাজস্ব আয় ও ব্যয়
1. রাজস্ব আয় বলতে বোঝায় - সরকারের নিয়মিত ও পুনরাবৃত্ত আয়।
2. রাজস্ব ব্যয় বলতে বোঝায় - সরকারের নিয়মিত ব্যয় যা সম্পদ সৃষ্টি করে না।
3. রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস - কর ও অকর রাজস্ব।
4. কর রাজস্বের মধ্যে পড়ে - প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর।
5. অকর রাজস্বের মধ্যে পড়ে - সরকারি ফি, সুদ, লভ্যাংশ ও জরিমানা।
6. রাজস্ব ব্যয় সাধারণত হয় - সরকারি কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, ভর্তুকি ইত্যাদিতে।
7. রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের হিসাব থাকে - কেন্দ্রীয় বাজেটের রাজস্ব হিসাব অংশে।
8. যে আয় থেকে ভবিষ্যতে সরকারকে দায় পরিশোধ করতে হয় না তাকে বলে - রাজস্ব আয়।
9. যে ব্যয়ে ভবিষ্যতে সম্পদ সৃষ্টি হয় না তাকে বলে - রাজস্ব ব্যয়।
10. রাজস্ব আয় ও রাজস্ব ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য থেকে বোঝা যায় - রাজস্ব ঘাটতি বা উদ্বৃত্ত।
11. রাজস্ব ঘাটতি ঘটে যখন - রাজস্ব ব্যয় রাজস্ব আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
12. রাজস্ব উদ্বৃত্ত ঘটে যখন - রাজস্ব আয় রাজস্ব ব্যয়ের চেয়ে বেশি হয়।
13. রাজস্ব আয়ের প্রধান কর উৎস - আয়কর, কর্পোরেট ট্যাক্স, জিএসটি ইত্যাদি।
14. অকর রাজস্ব আয়ের একটি উদাহরণ - পাবলিক সেক্টর থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ।
15. রাজস্ব ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অংশ যায় - ভর্তুকি খাতে।
16. রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের তথ্য কোথায় প্রকাশিত হয় - কেন্দ্রীয় বাজেটে।
17. রাজস্ব আয়ের তুলনায় রাজস্ব ব্যয় বেশি হলে অর্থনীতিতে দেখা দেয় - আর্থিক ঘাটতি।
18. রাজস্ব আয় বাড়াতে সরকার সাধারণত কী করে - কর বৃদ্ধি বা কর সংস্কার।
19. রাজস্ব ব্যয় কমাতে সরকার কী করে - ভর্তুকি কমানো ও ব্যয় সংযম নীতি।
20. রাজস্ব আয় নির্ধারণ করে - অর্থ মন্ত্রক।
21. রাজস্ব ব্যয়ের অনুমোদন দেয় - সংসদ।
22. রাজস্ব ব্যয়ের একটি বৈশিষ্ট্য - তা পুনরাবৃত্ত এবং স্থায়ী নয়।
23. রাজস্ব আয় কোন খাতে মূলধন সৃষ্টি করে না - রাজস্ব খাতে।
24. রাজস্ব ব্যয় সাধারণত অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে - ভোগ বৃদ্ধি করে।
25. রাজস্ব আয়ের উদ্দেশ্য - সরকারের দৈনন্দিন প্রশাসনিক খরচ চালানো।
26. রাজস্ব ব্যয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয় - পুঁজি বিনিয়োগ বা ঋণ পরিশোধ।
27. রাজস্ব ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের উপায় - কর বৃদ্ধি ও ব্যয় কমানো।
28. রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে সরকারের কী হয় - আর্থিক স্থিতি শক্তিশালী হয়।
29. রাজস্ব ব্যয় বাড়লে কী হয় - বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি পায়।
30. রাজস্ব হিসাবের ভারসাম্য রক্ষা - সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার অন্যতম লক্ষ্য।
কর ব্যবস্থা (Direct Tax, Indirect Tax, GST)
1. কর বলতে বোঝায় - সরকারের জন্য নাগরিকদের প্রদত্ত বাধ্যতামূলক অর্থ প্রদান।
2. ভারতের সংবিধানে কর আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে - কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারকে।
3. কর দুই প্রকার - প্রত্যক্ষ কর ও পরোক্ষ কর।
4. যে কর সরাসরি সরকারের কাছে প্রদান করা হয় তাকে বলে - প্রত্যক্ষ কর।
5. যে কর পণ্য ও সেবার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আদায় করা হয় তাকে বলে - পরোক্ষ কর।
6. আয়কর হল - প্রত্যক্ষ করের একটি উদাহরণ।
7. পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) হল - পরোক্ষ করের একটি উদাহরণ।
8. প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহ করে - আয়কর বিভাগ।
9. পরোক্ষ কর সংগ্রহ করে - কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ড (CBIC)।
10. ভারতে আয়কর আরোপিত হয় - ব্যক্তিগত আয় ও কোম্পানির আয়ের উপর।
11. ভারতে কর ব্যবস্থার মূল আইন - আয়কর আইন, ১৯৬১।
12. GST চালু হয় ভারতে - ১ জুলাই ২০১৭ সালে।
13. GST-এর পূর্ণরূপ - Goods and Services Tax।
14. GST চালুর পূর্বে কতগুলি পরোক্ষ কর বিলুপ্ত হয় - একাধিক কেন্দ্রীয় ও রাজ্য কর।
15. GST চালুর মূল উদ্দেশ্য - একক কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
16. GST কে আরোপ করে - কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে।
17. GST ব্যবস্থা কয় স্তরে বিভক্ত - তিন স্তরে (CGST, SGST, IGST)।
18. CGST-এর পূর্ণরূপ - Central Goods and Services Tax।
19. SGST-এর পূর্ণরূপ - State Goods and Services Tax।
20. IGST-এর পূর্ণরূপ - Integrated Goods and Services Tax।
21. GST প্রবর্তনের জন্য সংবিধানে কোন সংশোধনী আনা হয় - ১০১তম সংশোধনী।
22. GST পরিষদ গঠিত হয় - রাষ্ট্রপতির দ্বারা।
23. GST পরিষদের সভাপতি - কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
24. GST পরিষদের সদস্য - কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থমন্ত্রীগণ।
25. ভারতে GST হারের সাধারণ কাঠামো - ০%, ৫%, ১২%, ১৮%, ও ২৮%।
26. সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে - ১৮% GST হারে।
27. GST প্রবর্তনের ফলে - করের উপর করের (Cascading) সমস্যা দূর হয়।
28. GST-এর প্রশাসনিক দায়িত্বে আছে - কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ড (CBIC)।
29. আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ সাধারণত - ৩১ জুলাই।
30. কর পরিহার (Tax Evasion) মানে - বেআইনিভাবে কর না দেওয়া।
31. কর পরিকল্পনা (Tax Planning) মানে - আইনি উপায়ে করের পরিমাণ কমানো।
32. কর ন্যায্যতার নীতি কে প্রবর্তন করেন - অ্যাডাম স্মিথ।
33. কর আদায়ের মূল উদ্দেশ্য - সরকারের আয় বৃদ্ধি ও জনকল্যাণে ব্যয়।
34. কর আরোপ করা হয় - সংবিধানের সপ্তম তফসিল অনুসারে।
35. ভারতে প্রত্যক্ষ কর সংস্কারের দায়িত্বে আছে - কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর বোর্ড (CBDT)।
36. CBDT-এর পূর্ণরূপ - Central Board of Direct Taxes।
37. CBIC-এর পূর্ণরূপ - Central Board of Indirect Taxes and Customs।
38. প্রত্যক্ষ করের আওতায় আসে - আয়কর, কোম্পানি কর, সম্পদ কর ইত্যাদি।
39. পরোক্ষ করের আওতায় আসে - শুল্ক, আবগারি ও জিএসটি ইত্যাদি।
40. GST-এর আওতায় আসেনি - পেট্রোলিয়াম পণ্য ও মদ।
41. GST প্রবর্তনের আগে ভারতে ছিল - ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক ব্যবস্থা।
42. GST প্রবর্তনের ফলে রাজ্যগুলির ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার দেয় - ক্ষতিপূরণ সেস।
43. GST সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম - GSTN (Goods and Services Tax Network)।
44. GSTN-এর মালিকানায় আছে - কেন্দ্র, রাজ্য ও বেসরকারি সংস্থা।
45. GST সংগ্রহ হয় - ডিজিটাল মাধ্যমে।
46. ভারতে আয়করের সর্বোচ্চ স্ল্যাব - ৩০%।
47. কেন্দ্রীয় কর ব্যবস্থার প্রধান আইন নির্ধারক সংস্থা - সংসদ।
48. ভারতের প্রথম GST পরিষদ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় - ২২-২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
49. GST প্রবর্তনের ফলে ভারতের বাজার হয়েছে - একক ঐক্যবদ্ধ বাজার।
50. GST চালুর পর করদাতাদের জন্য তৈরি হয় - একক নিবন্ধন ব্যবস্থা।
51. GST ব্যবস্থার মূল সুবিধা - স্বচ্ছতা, সরলতা ও করভার হ্রাস।
অর্থনৈতিক ঘাটতি (Fiscal Deficit, Revenue Deficit ইত্যাদি)
1. অর্থনৈতিক ঘাটতি বলতে বোঝায় - সরকারের মোট ব্যয় তার মোট আয়ের চেয়ে বেশি হলে যে পার্থক্য সৃষ্টি হয়।
2. রাজস্ব ঘাটতি ঘটে যখন - রাজস্ব ব্যয় রাজস্ব আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
3. মোট অর্থনৈতিক ঘাটতিকে বলা হয় - রাজকোষ ঘাটতি (Fiscal Deficit)।
4. রাজকোষ ঘাটতি পরিমাপ করে - সরকারের মোট ঋণের প্রয়োজন।
5. রাজস্ব ঘাটতি নির্দেশ করে - সরকারের দৈনন্দিন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি।
6. মূলধনী ঘাটতি নির্দেশ করে - সরকারের মূলধন খাতে ঘাটতি।
7. রাজকোষ ঘাটতি = মোট ব্যয় - (রাজস্ব আয় + মূলধনী আয় - ঋণ গ্রহণ ব্যতীত)।
8. রাজস্ব ঘাটতি = রাজস্ব ব্যয় - রাজস্ব আয়।
9. রাজকোষ ঘাটতি পূরণের উপায় - অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ।
10. রাজস্ব ঘাটতি পূরণের উপায় - কর বৃদ্ধি বা ব্যয় হ্রাস।
11. প্রাথমিক ঘাটতি বলতে বোঝায় - রাজকোষ ঘাটতি থেকে সুদ প্রদানের খরচ বাদ দিলে যা থাকে।
12. প্রাথমিক ঘাটতি = রাজকোষ ঘাটতি - সুদ প্রদানের ব্যয়।
13. রাজস্ব ঘাটতি বেশি হলে তা নির্দেশ করে - সরকারের অদক্ষ আর্থিক ব্যবস্থাপনা।
14. রাজকোষ ঘাটতি বেশি হলে অর্থনীতিতে ঘটে - মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি।
15. রাজস্ব উদ্বৃত্ত মানে - রাজস্ব আয় রাজস্ব ব্যয়ের চেয়ে বেশি।
16. রাজকোষ ঘাটতি কমানোর জন্য প্রয়োজন - রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় সংযম।
17. রাজস্ব ঘাটতি বৃদ্ধি পেলে সরকারের কী হয় - ঋণ নির্ভরতা বাড়ে।
18. রাজকোষ ঘাটতি সাধারণত পরিমাপ করা হয় - জিডিপির শতকরা ভাগে।
19. ভারতে রাজকোষ ঘাটতি নির্ধারণের দায়িত্বে আছে - অর্থ মন্ত্রক।
20. ভারতের রাজকোষ ঘাটতির হিসাব দেয় - ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক (RBI)।
21. ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট (FRBM) আইন প্রণয়ন হয় - ২০০৩ সালে।
22. FRBM আইনের উদ্দেশ্য - রাজকোষ ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ করা।
23. FRBM আইনের মাধ্যমে রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয় - জিডিপির ৩% এর মধ্যে।
24. রাজস্ব ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখলে সরকার পারে - ঋণভার কমাতে।
25. অর্থনৈতিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের অন্যতম উপায় - কার্যকর বাজেট শৃঙ্খলা।
26. রাজকোষ ঘাটতির প্রভাব - আর্থিক ঘাটতি ও ঋণ বৃদ্ধি।
27. রাজস্ব ঘাটতি বেশি হলে প্রভাব পড়ে - সরকারি বিনিয়োগে নেতিবাচকভাবে।
28. অর্থনৈতিক ঘাটতি কমাতে সরকার নেয় - কর সংস্কার ও ব্যয় পুনর্গঠন।
29. অর্থনৈতিক ঘাটতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফলাফল - মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক সংকট।
30. ভারতের ২০২4-25 অর্থবছরের রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্য - জিডিপির প্রায় ৫.১%।
নীতি আয়োগ ও ফাইন্যান্স কমিশন
1. নীতি আয়োগের পূর্ণরূপ - National Institution for Transforming India।
2. নীতি আয়োগ গঠিত হয় - ১ জানুয়ারি ২০১৫ সালে।
3. নীতি আয়োগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য - পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে সহযোগী কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক স্থাপন।
4. নীতি আয়োগ প্রতিস্থাপন করেছে - পরিকল্পনা কমিশনকে।
5. নীতি আয়োগ গঠনের ঘোষণা দেন - প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
6. নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান - ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
7. নীতি আয়োগের ভাইস-চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন - প্রধানমন্ত্রী।
8. নীতি আয়োগের প্রথম ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন - অরবিন্দ পাণাগারিয়া।
9. নীতি আয়োগের বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান (২০২৫ পর্যন্ত) - সুমন বেরি।
10. নীতি আয়োগের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত - নয়াদিল্লিতে।
11. নীতি আয়োগের প্রধান কাজ - নীতি প্রণয়ন ও উন্নয়ন কর্মসূচির তদারকি।
12. নীতি আয়োগের সদস্য সংখ্যা - পূর্ণকালীন ও আংশিক সদস্য মিলিয়ে নির্ধারিত।
13. নীতি আয়োগের CEO নিয়োগ করেন - প্রধানমন্ত্রী।
14. নীতি আয়োগের প্রথম CEO ছিলেন - সিন্ধুশ্রী খুল্লার।
15. নীতি আয়োগের বর্তমান CEO (২০২৫ পর্যন্ত) - বিপুল বংশল।
16. নীতি আয়োগের মূল উদ্দেশ্য - সহায়ক ও সহযোগিতামূলক ফেডারেলিজম প্রতিষ্ঠা।
17. নীতি আয়োগের শীর্ষ সংস্থা - গভার্নিং কাউন্সিল।
18. গভার্নিং কাউন্সিলের সদস্য - সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
19. নীতি আয়োগের কাঠামোর মধ্যে আছে - আঞ্চলিক কাউন্সিল, বিশেষজ্ঞ ও কর্মদল।
20. নীতি আয়োগের কাজের ভিত্তি - নীতি প্রস্তাবনা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
21. নীতি আয়োগের পরিকল্পনা নীতি ভিত্তিক - বটম-আপ (নিচ থেকে উপরের দিকে) পদ্ধতি।
22. নীতি আয়োগের একটি প্রধান প্রোগ্রাম - Aspirational Districts Programme।
23. নীতি আয়োগ SDG (Sustainable Development Goals) বাস্তবায়নে - গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
24. নীতি আয়োগের পূর্বসূরি পরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয় - ১৫ মার্চ ১৯৫০ সালে।
25. পরিকল্পনা কমিশনের শেষ ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন - মন্টেক সিং আহলুওয়ালিয়া।
26. নীতি আয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প - Atal Innovation Mission (AIM)।
27. নীতি আয়োগের AIM প্রকল্পের উদ্দেশ্য - উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিকাশ।
28. নীতি আয়োগ সরাসরি অর্থ বরাদ্দ করে না - নীতি পরামর্শ দেয়।
29. নীতি আয়োগের লক্ষ্য - দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তর।
30. নীতি আয়োগের অধীনে প্রকাশিত হয় - ইন্ডিয়া ইনোভেশন ইনডেক্স, SDG ইনডেক্স ইত্যাদি।
31. নীতি আয়োগের গঠন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয় - ১ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে, পরিকল্পনা কমিশন বিলুপ্তির পর।
32. নীতি আয়োগ রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রাখে - কো-অপারেটিভ ফেডারেলিজমের মাধ্যমে।
33. নীতি আয়োগের পরিকল্পনা পদ্ধতি - কৌশলগত, বাস্তবভিত্তিক ও নমনীয়।
34. নীতি আয়োগ সরকারের জন্য কাজ করে - থিঙ্ক ট্যাংক হিসেবে।
35. নীতি আয়োগের অধীনে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয় - SDG India Index।
36. নীতি আয়োগের সদর দপ্তর - পার্লামেন্ট স্ট্রিট, নয়াদিল্লি।
37. নীতি আয়োগের মডেল রাজ্য উন্নয়নে ব্যবহৃত হয় - টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি।
38. নীতি আয়োগের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে তৈরি হয় - নীতি সমন্বয় ও অংশীদারিত্ব।
39. ফাইন্যান্স কমিশন গঠিত হয় - ভারতের সংবিধানের ২৮০ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী।
40. ফাইন্যান্স কমিশনের কাজ - কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে কর রাজস্ব বণ্টন নির্ধারণ করা।
41. প্রথম ফাইন্যান্স কমিশন গঠিত হয় - ১৯৫১ সালে।
42. ফাইন্যান্স কমিশনের মেয়াদ - প্রতি পাঁচ বছর অন্তর।
43. বর্তমান (১৫তম) ফাইন্যান্স কমিশনের চেয়ারম্যান - এন. কে. সিং।
44. ১৫তম ফাইন্যান্স কমিশন গঠিত হয় - নভেম্বর ২০১৭ সালে।
45. ১৫তম ফাইন্যান্স কমিশনের সুপারিশ কার্যকর সময়কাল - ২০২১-২০২৬।
46. ফাইন্যান্স কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাজ্যগুলির অংশীদারিত্ব - ৪১%।
47. ফাইন্যান্স কমিশনের কাজের আওতায় পড়ে - রাজ্যকে অনুদান ও কর অংশীদারিত্ব নির্ধারণ।
48. ফাইন্যান্স কমিশনের রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয় - সংসদে।
49. ফাইন্যান্স কমিশনের সুপারিশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় - কেন্দ্রীয় সরকার।