কম্পিউটার MCQ - Computer Question and Answer For Competitive Exams in Bengali
কম্পিউটার (Computer)
Networking এর ধরন (LAN, WAN, MAN, PAN)
1. LAN এর পূর্ণরূপ কী? – Local Area Network।
2. WAN এর পূর্ণরূপ কী? – Wide Area Network।
3. MAN এর পূর্ণরূপ কী? – Metropolitan Area Network।
4. PAN এর পূর্ণরূপ কী? – Personal Area Network।
5. কোন নেটওয়ার্কটি ছোট এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয়? – LAN।
6. কোন নেটওয়ার্কটি শহর বা মেট্রো এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয়? – MAN।
7. কোন নেটওয়ার্কটি বৈশ্বিক যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়? – WAN।
8. কোন নেটওয়ার্কটি ব্যক্তিগত ডিভাইসের সংযোগে ব্যবহৃত হয়? – PAN।
9. LAN সাধারণত কত দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে? – প্রায় ১ কিলোমিটার পর্যন্ত।
10. WAN সাধারণত কত দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে? – হাজার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত।
11. MAN সাধারণত কোন এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয়? – একটি শহর বা বৃহৎ নগর এলাকা।
12. PAN সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়? – ব্যক্তিগত স্থান যেমন রুম বা ডেস্কের মধ্যে।
13. LAN এ সাধারণত কোন কেবল ব্যবহৃত হয়? – ইথারনেট কেবল।
14. PAN এর উদাহরণ কী? – Bluetooth সংযোগ।
15. WAN এর উদাহরণ কী? – Internet।
16. MAN এর উদাহরণ কী? – Cable TV Network বা City Wi-Fi।
17. LAN এর ডেটা ট্রান্সফার স্পিড সাধারণত কেমন হয়? – খুব দ্রুত।
18. WAN এর ডেটা ট্রান্সফার স্পিড সাধারণত কেমন হয়? – তুলনামূলকভাবে ধীর।
19. LAN সাধারণত কারা ব্যবহার করে? – অফিস, স্কুল, প্রতিষ্ঠান।
20. PAN সাধারণত কারা ব্যবহার করে? – ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী।
21. WAN সাধারণত কারা পরিচালনা করে? – ISP বা টেলিকম কোম্পানি।
22. LAN সাধারণত কারা পরিচালনা করে? – স্থানীয় নেটওয়ার্ক প্রশাসক।
23. MAN সাধারণত কারা পরিচালনা করে? – বড় সংস্থা বা সিটি প্রশাসন।
24. PAN এ কোন ডিভাইসগুলি যুক্ত থাকে? – মোবাইল, ল্যাপটপ, হেডফোন ইত্যাদি।
25. LAN এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? – Ethernet বা Wi-Fi।
26. WAN এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? – Optical fiber, satellite link ইত্যাদি।
27. MAN সাধারণত কোন মিডিয়া ব্যবহার করে? – অপটিক্যাল ফাইবার।
28. LAN এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – উচ্চ গতি এবং সীমিত এলাকা।
29. WAN এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – বিশাল পরিসরের সংযোগ।
30. PAN এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – ব্যক্তিগত ডিভাইস সংযোগ।
31. MAN এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – শহরজুড়ে সংযোগ ব্যবস্থা।
32. Bluetooth কোন ধরণের নেটওয়ার্কের উদাহরণ? – PAN।
33. Wi-Fi সাধারণত কোন ধরণের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়? – LAN।
34. Internet কোন ধরণের নেটওয়ার্ক? – WAN।
35. Cable TV Network কোন ধরণের নেটওয়ার্ক? – MAN।
36. LAN এ সাধারণত কোন টপোলজি ব্যবহৃত হয়? – Star বা Bus টপোলজি।
37. WAN এ কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়? – TCP/IP।
38. PAN সাধারণত কোন রেঞ্জে কাজ করে? – ১০ মিটার পর্যন্ত।
39. LAN এর মাধ্যমে কোন ধরনের রিসোর্স শেয়ার করা যায়? – ফাইল, প্রিন্টার, ডেটা।
40. WAN এর মাধ্যমে কী সংযুক্ত করা হয়? – একাধিক LAN নেটওয়ার্ক।
41. MAN এর মাধ্যমে কী সংযুক্ত করা হয়? – একাধিক LAN এর মধ্যে সংযোগ।
42. PAN এর মাধ্যমে কী সংযুক্ত করা হয়? – ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইস।
43. LAN এর যোগাযোগের ধরন কী? – Peer-to-Peer বা Client-Server।
44. WAN এর উদাহরণ হিসেবে কোনটি সবচেয়ে পরিচিত? – ইন্টারনেট।
45. LAN এর স্পিড কত হতে পারে? – ১০ Mbps থেকে ১০ Gbps পর্যন্ত।
46. PAN সাধারণত কোন প্রযুক্তিতে চলে? – Bluetooth বা Infrared।
47. WAN নেটওয়ার্কের খরচ কেমন? – বেশি।
48. LAN নেটওয়ার্কের খরচ কেমন? – তুলনামূলকভাবে কম।
49. MAN নেটওয়ার্কে কোন প্রকার সংযোগ সাধারণ? – ফাইবার অপটিক সংযোগ।
50. PAN নেটওয়ার্কে ডেটা শেয়ারিং কেমন হয়? – স্বল্প দূরত্বে, দ্রুত এবং সহজভাবে।
Protocols (TCP/IP, HTTP, FTP, SMTP, POP3)
1. TCP এর পূর্ণরূপ কী - Transmission Control Protocol।
2. IP এর পূর্ণরূপ কী - Internet Protocol।
3. TCP/IP কে কোন প্রোটোকল মডেল বলা হয় - Communication Protocol Model।
4. TCP/IP মডেলে কতটি স্তর আছে - 4টি স্তর।
5. TCP/IP মডেলের প্রথম স্তর কোনটি - Network Interface Layer।
6. TCP/IP মডেলের শেষ স্তর কোনটি - Application Layer।
7. TCP একটি - Connection-Oriented Protocol।
8. UDP একটি - Connectionless Protocol।
9. HTTP এর পূর্ণরূপ কী - Hyper Text Transfer Protocol।
10. HTTP কোন ধরনের প্রোটোকল - Application Layer Protocol।
11. HTTP এর ডিফল্ট পোর্ট নম্বর কত - Port 80।
12. HTTPS এর পূর্ণরূপ কী - Hyper Text Transfer Protocol Secure।
13. HTTPS এর ডিফল্ট পোর্ট নম্বর কত - Port 443।
14. FTP এর পূর্ণরূপ কী - File Transfer Protocol।
15. FTP কোন স্তরে কাজ করে - Application Layer।
16. FTP এর ডিফল্ট পোর্ট নম্বর কত - Port 21।
17. FTP এর মাধ্যমে কী করা হয় - ফাইল স্থানান্তর করা হয়।
18. SMTP এর পূর্ণরূপ কী - Simple Mail Transfer Protocol।
19. SMTP কোন কাজে ব্যবহৃত হয় - ইমেল পাঠানোর জন্য।
20. SMTP এর ডিফল্ট পোর্ট নম্বর কত - Port 25।
21. POP3 এর পূর্ণরূপ কী - Post Office Protocol version 3।
22. POP3 এর কাজ কী - ইমেল গ্রহণ করা।
23. POP3 এর ডিফল্ট পোর্ট নম্বর কত - Port 110।
24. IMAP এর পূর্ণরূপ কী - Internet Message Access Protocol।
25. IMAP এর পোর্ট নম্বর কত - Port 143।
26. DNS এর পূর্ণরূপ কী - Domain Name System।
27. DNS কোন কাজ করে - Domain name কে IP address এ রূপান্তর করে।
28. DHCP এর পূর্ণরূপ কী - Dynamic Host Configuration Protocol।
29. DHCP এর কাজ কী - IP address স্বয়ংক্রিয়ভাবে বরাদ্দ করে।
30. Telnet কোন প্রোটোকল - Remote Login Protocol।
31. Telnet এর পোর্ট নম্বর কত - Port 23।
32. SSH এর পূর্ণরূপ কী - Secure Shell।
33. SSH এর ডিফল্ট পোর্ট নম্বর কত - Port 22।
34. TCP/IP মডেলের Transport Layer এ কোন দুটি প্রোটোকল ব্যবহৃত হয় - TCP এবং UDP।
35. IP প্রোটোকল কোন স্তরে কাজ করে - Internet Layer।
36. ICMP এর পূর্ণরূপ কী - Internet Control Message Protocol।
37. ICMP কোন কাজে ব্যবহৃত হয় - Error reporting এবং diagnostic এর জন্য।
38. ARP এর পূর্ণরূপ কী - Address Resolution Protocol।
39. ARP এর কাজ কী - IP address কে MAC address এ রূপান্তর করা।
40. RARP এর পূর্ণরূপ কী - Reverse Address Resolution Protocol।
41. RARP এর কাজ কী - MAC address থেকে IP address নির্ধারণ করা।
42. HTTP প্রোটোকল কোন ধরনের কমিউনিকেশন ব্যবহার করে - Request-Response Communication।
43. FTP প্রোটোকলে কতটি সংযোগ ব্যবহৃত হয় - দুটি – Control এবং Data Connection।
44. SMTP প্রোটোকল কোন মডেলে কাজ করে - Client-Server Model।
45. POP3 প্রোটোকল কোন মডেলে কাজ করে - Client-Server Model।
46. TCP কোন ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল সিস্টেম ব্যবহার করে - Three-Way Handshake।
47. UDP এর পূর্ণরূপ কী - User Datagram Protocol।
48. UDP কি ধরনের প্রোটোকল - Connectionless এবং Unreliable Protocol।
49. TCP/IP মডেল কে তৈরি করেছিল - DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency)।
50. TCP/IP মডেলের প্রধান উদ্দেশ্য কী - কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা যোগাযোগ স্থাপন করা।
IP Address, DNS, MAC Address
1. IP Address কী – ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ইউনিক নম্বর।
2. IP Address-এর পূর্ণরূপ – Internet Protocol Address।
3. IPv4 Address কত বিটের – ৩২ বিটের।
4. IPv6 Address কত বিটের – ১২৮ বিটের।
5. IPv4 Address সাধারণত কয়টি অংশে বিভক্ত – ৪টি অংশে।
6. IPv4 Address-এ প্রতিটি অংশে কয়টি বিট থাকে – ৮ বিট।
7. IPv4 Address-এর একটি উদাহরণ – 192.168.1.1
8. IP Address-এর দুইটি ধরন কী – Static IP এবং Dynamic IP।
9. Static IP Address কী – একটি স্থায়ী ও অপরিবর্তনীয় IP Address।
10. Dynamic IP Address কী – ISP দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বরাদ্দকৃত পরিবর্তনশীল IP Address।
11. Private IP Address কী – লোকাল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত IP Address।
12. Public IP Address কী – ইন্টারনেটে ব্যবহৃত IP Address।
13. DNS-এর পূর্ণরূপ – Domain Name System।
14. DNS-এর কাজ কী – ডোমেইন নামকে IP Address-এ রূপান্তর করা।
15. DNS কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে – UDP এবং TCP উভয়ই।
16. DNS সার্ভারের মূল কাজ কী – ওয়েবসাইটের নাম রেজলভ করা।
17. www.google.com টাইপ করলে কোন সিস্টেম কাজ করে – DNS System।
18. DNS সার্ভার সাধারণত কোন পোর্ট ব্যবহার করে – Port 53।
19. MAC Address-এর পূর্ণরূপ – Media Access Control Address।
20. MAC Address কত বিটের হয় – ৪৮ বিটের।
21. MAC Address সাধারণত কোন স্তরে ব্যবহৃত হয় – Data Link Layer (Layer 2)।
22. MAC Address সাধারণত কোন ডিভাইসে থাকে – Network Interface Card (NIC)।
23. MAC Address কোন ফরম্যাটে লেখা হয় – Hexadecimal ফরম্যাটে।
24. MAC Address সাধারণত কেমন দেখতে হয় – 00:1A:2B:3C:4D:5E
25. MAC Address কীভাবে নির্ধারিত হয় – ডিভাইস নির্মাতা দ্বারা স্থায়ীভাবে নির্ধারিত।
26. IP Address এবং MAC Address-এর মধ্যে পার্থক্য কী – IP পরিবর্তনযোগ্য কিন্তু MAC স্থায়ী।
27. DNS Cache কী – পূর্বে রেজলভ করা ডোমেইন নামের সংরক্ষিত তালিকা।
28. Default Gateway কী – লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে বাহিরে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত IP Address।
29. Loopback IP Address কী – 127.0.0.1 যা নিজের কম্পিউটারকে নির্দেশ করে।
Network Devices (Hub, Switch, Router, Modem)
1. নেটওয়ার্কে একাধিক কম্পিউটারকে সংযুক্ত করার যন্ত্রকে কি বলে – Network Device
2. হাব কোন লেয়ারে কাজ করে – Physical Layer (Layer 1)
3. সুইচ কোন লেয়ারে কাজ করে – Data Link Layer (Layer 2)
4. রাউটার কোন লেয়ারে কাজ করে – Network Layer (Layer 3)
5. মডেমের পূর্ণরূপ কি – Modulator-Demodulator
6. হাব কী কাজ করে – একটি সিগন্যালকে সব পোর্টে পাঠায়
7. সুইচ কী কাজ করে – ডেটা শুধুমাত্র গন্তব্য ডিভাইসে পাঠায়
8. রাউটার কী কাজ করে – দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউট করে
9. মডেমের কাজ কী – ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে ও অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে
10. হাবকে আর কি বলা হয় – Multiport Repeater
11. হাবের ব্যান্ডউইথ কেমন ভাগ হয় – সব ডিভাইসের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়
12. সুইচের ব্যান্ডউইথ কেমন হয় – প্রতিটি পোর্টের জন্য আলাদা থাকে
13. রাউটার কি করে – সেরা পথ নির্ধারণ করে ডেটা পাঠায়
14. মডেম কোথায় ব্যবহৃত হয় – ইন্টারনেট সংযোগের জন্য
15. হাবের MAC ঠিকানা থাকে কি – না, থাকে না
16. সুইচ MAC ঠিকানা টেবিল কোথায় সংরক্ষণ করে – CAM Table-এ
17. রাউটার IP Address কোন টেবিলে সংরক্ষণ করে – Routing Table-এ
18. মডেম কোন দুটি সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তর ঘটায় – Digital ও Analog
19. সুইচ কোন ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ফরওয়ার্ড করে – MAC Address
20. রাউটার কোন ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ফরওয়ার্ড করে – IP Address
21. হাব কি Half Duplex না Full Duplex – Half Duplex
22. সুইচ কি Half Duplex না Full Duplex – Full Duplex
23. রাউটার OSI মডেলের কোন স্তরে কাজ করে – তৃতীয় স্তরে (Network Layer)
24. হাবের মধ্যে Collision Domain কতটি থাকে – একটি
25. সুইচের প্রতিটি পোর্ট কি আলাদা Collision Domain – হ্যাঁ
26. রাউটার কি ব্রডকাস্ট ফরওয়ার্ড করে – না
27. মডেম সাধারণত কোথায় সংযুক্ত থাকে – কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মধ্যে
28. সুইচ কীভাবে ডেটা ট্রান্সফার করে – Frame আকারে
29. রাউটার কীভাবে ডেটা ট্রান্সফার করে – Packet আকারে
30. হাব, সুইচ ও রাউটারের মধ্যে সবচেয়ে স্মার্ট ডিভাইস কোনটি – Router
Internet Services (Email, Cloud, Social Media, VoIP)
1. ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো ও গ্রহণ করার সেবা কোনটি – ইমেইল।
2. ইমেইলের পূর্ণরূপ কী – Electronic Mail।
3. ইমেইল ব্যবহারের জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয় – SMTP।
4. ইমেইল রিসিভ করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয় – POP3 বা IMAP।
5. ইমেইলে “CC” এর পূর্ণরূপ কী – Carbon Copy।
6. ইমেইলে “BCC” এর পূর্ণরূপ কী – Blind Carbon Copy।
7. Gmail সেবা প্রদান করে কোন সংস্থা – Google।
8. ইমেইলে ফাইল পাঠানোর সুবিধাকে কী বলে – Attachment।
9. ইমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে কী প্রয়োজন – বৈধ ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড।
10. স্প্যাম মেল বলতে কী বোঝায় – অবাঞ্ছিত বা অননুমোদিত ইমেইল।
11. ক্লাউড কম্পিউটিং বলতে কী বোঝায় – ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা ও সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রযুক্তি।
12. Google Drive কোন ধরনের সেবা – Cloud Storage Service।
13. Dropbox কী ধরনের সেবা – ক্লাউড স্টোরেজ।
14. iCloud সেবা প্রদান করে কোন সংস্থা – Apple।
15. Microsoft-এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের নাম কী – Azure।
16. Amazon-এর ক্লাউড সার্ভিসের নাম কী – AWS (Amazon Web Services)।
17. সামাজিক মাধ্যম (Social Media) কী – অনলাইন যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম।
18. Facebook প্রতিষ্ঠা করেন কে – মার্ক জুকারবার্গ।
19. Twitter-এর বর্তমান নাম কী – X।
20. Instagram-এর মালিক কোন কোম্পানি – Meta (Facebook)।
21. LinkedIn কী ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম – পেশাগত নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।
22. YouTube কোন সংস্থার মালিকানাধীন – Google।
23. VoIP এর পূর্ণরূপ কী – Voice over Internet Protocol।
24. VoIP এর মাধ্যমে কী করা যায় – ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েস কল করা।
25. Skype কী ধরনের সেবা – VoIP Communication Service।
26. WhatsApp মূলত কোন সেবা প্রদান করে – ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং ও VoIP কল।
27. Zoom কী ধরনের অ্যাপ্লিকেশন – ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ।
28. Google Meet কোন কোম্পানির সেবা – Google।
29. ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহারের প্রধান সুবিধা কী – যেকোনো স্থান থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা যায়।
30. Social Media এর মাধ্যমে কী করা যায় – তথ্য শেয়ার, যোগাযোগ ও প্রচার করা যায়।
Virus, Worm, Trojan, Ransomware
1. কম্পিউটারের ভাইরাস কী – এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ফাইল ও সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে।
2. প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের নাম – Creeper Virus।
3. Creeper Virus কোন বছরে তৈরি হয়েছিল – ১৯৭১ সালে।
4. Creeper Virus কে তৈরি করেছিলেন – Bob Thomas।
5. ভাইরাস কোনভাবে ছড়ায় – ইনফেক্টেড ফাইল, পেনড্রাইভ, ইমেইল, ও ডাউনলোডের মাধ্যমে।
6. Worm কী – একধরনের স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার যা নিজের কপি তৈরি করে।
7. Worm-এর জন্য কোন হোস্ট প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না – হ্যাঁ, হয় না।
8. Trojan Horse কী – এমন ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা নিজেকে বৈধ প্রোগ্রামের মতো দেখায়।
9. Trojan নামটি এসেছে কোন উৎস থেকে – গ্রিক মিথোলজির Trojan Horse গল্প থেকে।
10. Trojan কি নিজে থেকে ছড়াতে পারে – না, এটি ব্যবহারকারীর মাধ্যমে ইনস্টল হয়।
11. Ransomware কী – এমন ম্যালওয়্যার যা ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করে।
12. Ransomware আক্রমণের উদ্দেশ্য কী – অর্থ আদায় করা।
13. ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী যে Ransomware আক্রমণ হয়েছিল তার নাম – WannaCry।
14. WannaCry কোন অপারেটিং সিস্টেমকে লক্ষ্য করেছিল – Windows।
15. ভাইরাস এবং ওয়ার্মের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী – ভাইরাস হোস্ট ফাইলের উপর নির্ভরশীল, ওয়ার্ম নয়।
16. Trojan মূলত কীভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে – ভুয়া সফটওয়্যার বা ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে।
17. Ransomware ফাইলগুলিকে কীভাবে অকার্যকর করে – এনক্রিপশন দ্বারা।
18. ভাইরাস নির্মূল করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার – অ্যান্টিভাইরাস।
19. ওয়ার্মের সবচেয়ে বড় প্রভাব কী – নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক বৃদ্ধি ও সিস্টেম ধীর হওয়া।
20. Trojan কোন তথ্য চুরি করতে পারে – পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডিটেইলস, ও ব্যক্তিগত ডেটা।
21. কম্পিউটার ভাইরাসের পূর্ণরূপ – Vital Information Resources Under Seize।
22. Ransomware-কে সাধারণত কিভাবে সরানো যায় – ডিক্রিপশন টুল বা ব্যাকআপ থেকে ডেটা রিস্টোর করে।
23. ভাইরাস সাধারণত কোন ধরনের ফাইলে লুকিয়ে থাকে – এক্সিকিউটেবল (.exe) ফাইল।
24. Worm সাধারণত কীভাবে ছড়ায় – নেটওয়ার্ক বা ইমেইল সংযোগের মাধ্যমে।
25. Trojan-এর আরেক নাম কী – Backdoor Malware।
26. Ransomware আক্রমণকারীরা সাধারণত কোন মাধ্যমে অর্থ দাবি করে – ক্রিপ্টোকারেন্সি যেমন Bitcoin।
27. ভাইরাস কীভাবে সিস্টেমে সক্রিয় হয় – সংক্রমিত প্রোগ্রাম চালু হলে।
28. Ransomware প্রথম কোন সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল – ১৯৮৯ সালে।
29. Ransomware-এর প্রথম নাম – AIDS Trojan বা PC Cyborg।
30. Worm, Virus, Trojan, Ransomware — এই চারটি একত্রে কী নামে পরিচিত – Malware।
Antivirus ও Firewall
1. অ্যান্টিভাইরাস কী – কম্পিউটার ভাইরাস শনাক্ত ও নষ্ট করার সফটওয়্যার।
2. ফায়ারওয়াল কী – অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেম।
3. প্রথম অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার তৈরি হয়েছিল – 1987 সালে।
4. জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কোনটি – Norton Antivirus।
5. ফায়ারওয়ালের মূল কাজ কী – ইনকামিং ও আউটগোয়িং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা।
6. অ্যান্টিভাইরাসের প্রধান কাজ কী – ভাইরাস, ট্রোজান, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি অপসারণ করা।
7. ফায়ারওয়াল কোন স্তরে কাজ করে – নেটওয়ার্ক স্তর ও অ্যাপ্লিকেশন স্তরে।
8. ফায়ারওয়ালকে আর কী বলা হয় – নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ব্যারিয়ার।
9. অ্যান্টিভাইরাস স্ক্যান করার প্রক্রিয়াকে কী বলে – ভাইরাস স্ক্যানিং।
10. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন কী – ফাইল খোলার সাথে সাথে ভাইরাস স্ক্যান করার সুবিধা।
11. নেটওয়ার্ক ফায়ারওয়াল সাধারণত কোথায় স্থাপন করা হয় – ইন্টারনেট ও লোকাল নেটওয়ার্কের মাঝখানে।
12. বিখ্যাত ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস কোনটি – Avast Antivirus।
13. ফায়ারওয়ালের দুটি প্রধান ধরণ কী – হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল ও সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল।
14. ম্যালওয়্যার কী – কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতি করার জন্য তৈরি প্রোগ্রাম।
15. Windows এর নিজস্ব ফায়ারওয়ালটির নাম কী – Windows Defender Firewall।
16. ভাইরাসের পূর্ণরূপ কী – Vital Information Resources Under Seize।
17. ফায়ারওয়ালের মাধ্যমে কী নিয়ন্ত্রণ করা যায় – পোর্ট, প্রোটোকল ও আইপি অ্যাড্রেস।
18. অ্যান্টিভাইরাসের আপডেট করা কেন প্রয়োজন – নতুন ভাইরাস শনাক্ত করতে।
19. ইন্টারনেট সিকিউরিটি প্যাকেজে সাধারণত কী থাকে – অ্যান্টিভাইরাস, ফায়ারওয়াল ও স্প্যাম ফিল্টার।
20. Bitdefender কী – একটি উন্নতমানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
21. ZoneAlarm কী – জনপ্রিয় একটি ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার।
22. ফায়ারওয়াল লগ কী কাজে লাগে – ব্লক করা বা অনুমোদিত সংযোগের রেকর্ড রাখতে।
23. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কে তৈরি করে – সাইবার সিকিউরিটি কোম্পানিগুলি।
24. ট্রোজান ভাইরাস কী – একটি ম্যালওয়্যার যা বৈধ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে সিস্টেমে প্রবেশ করে।
25. ফায়ারওয়াল কোন নীতি অনুসরণ করে – Allow ও Deny নীতি।
26. Kaspersky কী – একটি বিখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
27. ফায়ারওয়াল ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করার জন্য কী ব্যবহার করে – Packet Filtering।
28. Quick Heal কোথায় তৈরি – ভারতে।
29. Proxy Firewall কী করে – নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করে এবং প্রক্সি সার্ভার হিসেবে কাজ করে।
30. Antivirus ও Firewall এর মধ্যে পার্থক্য কী – অ্যান্টিভাইরাস ভাইরাস মুছে দেয়, ফায়ারওয়াল অননুমোদিত অ্যাক্সেস বন্ধ করে।
Cybercrime And Ethical Hacking
1. সাইবার ক্রাইম কাকে বলে – কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বলে।
2. হ্যাকিং কাকে বলে – অনুমতি ছাড়া কারও কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করাকে হ্যাকিং বলে।
3. এথিক্যাল হ্যাকার কাকে বলে – যিনি সিস্টেমের নিরাপত্তা যাচাই করতে বৈধভাবে হ্যাকিং করেন তাকেই এথিক্যাল হ্যাকার বলে।
4. সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধের জন্য ভারতে কোন আইন প্রযোজ্য – আইটি অ্যাক্ট, ২০০০।
5. আইটি অ্যাক্ট ভারতে কবে কার্যকর হয় – ১৭ অক্টোবর, ২০০০ সালে।
6. সাইবার টেররিজম কাকে বলে – কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আতঙ্ক বা ভয় সৃষ্টি করা অপরাধকে সাইবার টেররিজম বলে।
7. ফিশিং কী – ভুয়া ইমেল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়াকে ফিশিং বলে।
8. স্প্যাম মেইল কী – অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্ছিত ইমেল বার্তাকে স্প্যাম মেইল বলে।
9. ম্যালওয়্যার কী – কম্পিউটার ক্ষতির উদ্দেশ্যে তৈরি ক্ষতিকারক সফটওয়্যারকে ম্যালওয়্যার বলে।
10. ভাইরাস কী – নিজেকে পুনরুৎপাদন করে অন্য ফাইলে ছড়িয়ে পড়া ক্ষতিকারক প্রোগ্রামকে ভাইরাস বলে।
11. ট্রোজান হর্স কী – বৈধ প্রোগ্রামের আড়ালে লুকানো ক্ষতিকারক সফটওয়্যারকে ট্রোজান হর্স বলে।
12. ওয়ার্ম কী – নেটওয়ার্কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়া ক্ষতিকারক প্রোগ্রামকে ওয়ার্ম বলে।
13. র্যানসমওয়্যার কী – ব্যবহারকারীর ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে এমন ম্যালওয়্যারকে র্যানসমওয়্যার বলে।
14. কিলগার কী – কীবোর্ডে টাইপ করা তথ্য সংগ্রহ করে এমন সফটওয়্যারকে কিলগার বলে।
15. ডিনায়াল অব সার্ভিস (DoS) আক্রমণ কী – সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করে দেওয়া আক্রমণকে DoS আক্রমণ বলে।
16. ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস (DDoS) কী – একাধিক কম্পিউটার থেকে একযোগে DoS আক্রমণ চালানোকে DDoS বলে।
17. স্নিফিং কী – নেটওয়ার্কে চলা ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াকে স্নিফিং বলে।
18. স্পুফিং কী – অন্য কারও পরিচয়ে নকল তথ্য পাঠানোকে স্পুফিং বলে।
19. সাইবার স্টকিং কী – ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে বারবার হয়রানি করাকে সাইবার স্টকিং বলে।
20. হ্যাকটিভিজম কী – রাজনৈতিক বা সামাজিক উদ্দেশ্যে হ্যাকিং করাকে হ্যাকটিভিজম বলে।
21. সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কী – মানুষকে প্রভাবিত করে তথ্য হাতিয়ে নেওয়াকে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
22. বাগ বাউন্টি কী – সফটওয়্যারে দুর্বলতা খুঁজে পেলে পুরস্কার প্রদানকে বাগ বাউন্টি বলে।
23. পেনিট্রেশন টেস্টিং কী – সিস্টেমের নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য বৈধভাবে হ্যাকিং করা পরীক্ষাকে পেনিট্রেশন টেস্টিং বলে।
24. ফায়ারওয়াল কী – অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত নিরাপত্তা সফটওয়্যারকে ফায়ারওয়াল বলে।
25. এনক্রিপশন কী – ডেটা কোডে রূপান্তর করে সুরক্ষিত রাখার প্রক্রিয়াকে এনক্রিপশন বলে।
26. ডিক্রিপশন কী – এনক্রিপ্টেড ডেটাকে মূল রূপে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে ডিক্রিপশন বলে।
27. সাইবার ফরেনসিক্স কী – সাইবার অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের প্রক্রিয়াকে সাইবার ফরেনসিক্স বলে।
28. ভারতে সাইবার অপরাধ তদন্তের জন্য কোন সংস্থা দায়িত্বপ্রাপ্ত – সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (CCIC)।
29. CERT-In এর পূর্ণরূপ কী – Computer Emergency Response Team - India।
30. CERT-In এর কাজ কী – সাইবার নিরাপত্তা হুমকি ও আক্রমণ প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া প্রদান করা।
Encryption And Decryption
1. Encryption কী - তথ্যকে কোডে রূপান্তর করে গোপন রাখার প্রক্রিয়াই Encryption।
2. Decryption কী - এনক্রিপ্ট করা তথ্যকে আবার মূল আকারে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াই Decryption।
3. Encryption এর মূল উদ্দেশ্য কী - ডেটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
4. Decryption কে সম্পন্ন করে - অনুমোদিত ব্যবহারকারী বা রিসিভার।
5. Encryption ও Decryption মিলিয়ে প্রক্রিয়াটিকে কী বলে - Cryptography।
6. Cryptography শব্দটি এসেছে কোন ভাষা থেকে - গ্রীক ভাষা থেকে।
7. Encryption এর দুটি প্রধান ধরন কী - Symmetric ও Asymmetric Encryption।
8. Symmetric Encryption-এ কী ব্যবহার করা হয় - একই Key দিয়ে Encryption ও Decryption করা হয়।
9. Asymmetric Encryption-এ কতটি Key ব্যবহার করা হয় - দুটি — Public Key ও Private Key।
10. Public Key কাকে দেওয়া হয় - সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
11. Private Key কাদের কাছে থাকে - শুধুমাত্র রিসিভার বা মালিকের কাছে থাকে।
12. Symmetric Encryption-এর একটি উদাহরণ কী - AES (Advanced Encryption Standard)।
13. Asymmetric Encryption-এর একটি উদাহরণ কী - RSA (Rivest–Shamir–Adleman)।
14. Cryptography-তে Key কী কাজ করে - তথ্যকে এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার কোড হিসেবে কাজ করে।
15. Plain Text কী - মূল বা পাঠযোগ্য তথ্যকে Plain Text বলে।
16. Cipher Text কী - এনক্রিপ্ট করা অপাঠযোগ্য তথ্যকে Cipher Text বলে।
17. Encryption এর সময় Plain Text কীতে রূপান্তরিত হয় - Cipher Text-এ।
18. Decryption এর সময় Cipher Text কীতে রূপান্তরিত হয় - Plain Text-এ।
19. Digital Signature কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয় - Asymmetric Encryption এর মাধ্যমে।
20. Data Integrity রক্ষায় কোন প্রক্রিয়া সাহায্য করে - Encryption ও Hashing।
21. Hash Function কী করে - ডেটার একক ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট তৈরি করে।
22. End-to-End Encryption কোথায় ব্যবহৃত হয় - WhatsApp ও Signal এর মতো মেসেজিং অ্যাপে।
23. SSL এর পূর্ণরূপ কী - Secure Sockets Layer।
24. SSL ও TLS কী জন্য ব্যবহৃত হয় - ইন্টারনেটে নিরাপদ ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য।
25. Encryption Algorithm কী - তথ্য এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত গাণিতিক সূত্র।
26. Caesar Cipher কোন ধরণের এনক্রিপশন - Substitution Cipher।
27. Encryption এর মাধ্যমে কোন বৈশিষ্ট্যটি রক্ষা করা হয় - Confidentiality।
28. Steganography কী - তথ্যকে অন্য তথ্যের ভেতর লুকিয়ে রাখার প্রক্রিয়া।
29. Cryptanalysis কী - এনক্রিপশন ভেঙে তথ্য উদ্ধার করার কৌশল।
30. Encryption এর প্রয়োগ কোথায় বেশি দেখা যায় - অনলাইন ব্যাংকিং, ইমেইল, পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ও ডেটা ট্রান্সমিশনে।
Cyber Laws (IT Act 2000 – India)
1. আইটি আইন (IT Act) ভারতে কবে প্রণীত হয়েছিল – ২০০০ সালে।
2. তথ্য প্রযুক্তি আইন (IT Act 2000) কবে কার্যকর হয়েছিল – ১৭ অক্টোবর ২০০০ সালে।
3. তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০ এর প্রধান উদ্দেশ্য কী – ইলেকট্রনিক লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করা।
4. তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০ অনুসারে কোন অপরাধকে শাস্তিযোগ্য বলা হয়েছে – হ্যাকিং, ডেটা চুরি, সাইবার প্রতারণা।
5. আইটি অ্যাক্ট ২০০০ কোন আন্তর্জাতিক মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি – UNCITRAL Model Law on E-Commerce, 1996।
6. আইটি অ্যাক্ট ২০০০ সংশোধন করা হয়েছিল কবে – ২০০৮ সালে।
7. তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০৮ এ কোন নতুন অপরাধ যুক্ত হয় – সাইবার টেররিজম (Cyber Terrorism)।
8. আইটি আইন ২০০০ এর অধীনে ডিজিটাল স্বাক্ষরের মান নিয়ন্ত্রণ করে কে – Controller of Certifying Authorities (CCA)।
9. আইটি আইন ২০০০ অনুযায়ী "Electronic Signature" শব্দটি যুক্ত হয় কোন সংশোধনে – ২০০৮ সালের সংশোধনে।
10. তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০ এর অধীনে কোন ধারা হ্যাকিং সম্পর্কিত – ধারা 66।
11. ধারা 66A আইটি অ্যাক্ট ২০০০ এর অধীনে কী ছিল – অনলাইন আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর অপরাধ।
12. ধারা 66A কে বাতিল করেছে কোন আদালত – সুপ্রিম কোর্ট, ২০১৫ সালে।
13. কোন মামলায় ধারা 66A বাতিল হয়েছিল – Shreya Singhal Vs Union of India (2015)।
14. আইটি আইন ২০০০ এর অধীনে কোন ধারা সাইবার টেররিজমের জন্য প্রযোজ্য – ধারা 66F।
15. তথ্য প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী "Cyber Café" কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে – ধারা 2(na)-এ।
16. তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০ অনুযায়ী “Electronic Record” কাকে বলে – কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংরক্ষিত তথ্যকে।
17. তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০ এর অধীনে “Adjudicating Officer” কাকে বলা হয় – সাইবার অপরাধের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণকারী কর্মকর্তা।
18. আইটি অ্যাক্ট ২০০০ এর অধীনে কোন সংস্থা সাইবার অপরাধের তদন্ত করে – Cyber Crime Investigation Cell।
19. আইটি আইন ২০০০ এর অধীনে প্রথম সাইবার অপরাধ মামলা কোনটি ছিল – State of Tamil Nadu Vs Suhas Katti (2004)।
20. আইটি আইন ২০০০ এর প্রয়োগ ক্ষেত্র কোথায় – সমগ্র ভারতের উপর, এমনকি ভারতের বাইরে ভারতের নাগরিকের অপরাধের ক্ষেত্রেও।
Algorithm & Flowchart
1. Algorithm কী – কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।
2. Flowchart কী – কোনো অ্যালগরিদমকে চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার পদ্ধতি।
3. Algorithm এর প্রথম ধাপ কী – সমস্যার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা।
4. Flowchart এ Process বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয় – Rectangle (আয়তক্ষেত্র)।
5. Flowchart এ Decision বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয় – Diamond (হীরার আকৃতি)।
6. Algorithm এর বৈশিষ্ট্য কী – সুনির্দিষ্ট, সীমিত ধাপ ও কার্যকর ফলাফল।
7. Flowchart এ Start/Stop বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয় – Oval (ডিম্বাকৃতি)।
8. Algorithm লেখার ভাষা কেমন – সাধারণ ইংরেজি বা ছদ্মকোড (Pseudocode)।
9. Flowchart এর তীর (Arrow) কী নির্দেশ করে – ধাপগুলির ক্রম বা দিক।
10. Algorithm এর শেষ ধাপ কী – ফলাফল প্রদর্শন বা Output।
11. Algorithm শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে – Persian (পার্সিয়ান) শব্দ ‘Al-Khwarizmi’ থেকে।
12. Flowchart তৈরির মূল উদ্দেশ্য কী – প্রোগ্রামের ধাপগুলি সহজভাবে বোঝানো।
13. Algorithm এর প্রধান তিনটি অংশ কী – Input, Process ও Output।
14. Flowchart এ Input/Output বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয় – Parallelogram (সমান্তর চতুর্ভুজ)।
15. Algorithm এর Efficiency বলতে কী বোঝায় – সময় ও মেমরির ব্যবহার কতটা কার্যকর।
16. Flowchart সাধারণত কোন দিক থেকে শুরু হয় – উপরে থেকে নিচে।
17. Algorithm এর সাহায্যে কী করা যায় – সমস্যা সমাধান ও প্রোগ্রাম তৈরি সহজ করা যায়।
18. Flowchart এ Connector চিহ্নের ব্যবহার কী – ভিন্ন অংশকে সংযুক্ত করা।
19. Algorithm এর প্রতিটি ধাপ কী ধরনের হওয়া উচিত – স্পষ্ট, নির্দিষ্ট ও সীমিত।
20. Flowchart তৈরির আগে কোনটি লেখা হয় – Algorithm।
Compiler বনাম Interpreter
1. কম্পাইলার কী কাজ করে – পুরো প্রোগ্রামটি একসাথে অনুবাদ করে।
2. ইন্টারপ্রেটার কী কাজ করে – প্রোগ্রামটি এক লাইন করে অনুবাদ ও এক্সিকিউট করে।
3. কম্পাইলার কোন ভাষা অনুবাদ করে – উচ্চস্তরের ভাষা থেকে যন্ত্রভাষায়।
4. ইন্টারপ্রেটার কোন ভাষা অনুবাদ করে – উচ্চস্তরের ভাষা থেকে মেশিন ভাষায় এক লাইন করে।
5. কম্পাইলার প্রোগ্রাম চালানোর আগে কী করে – পুরো কোড অনুবাদ করে এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে।
6. ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম চালানোর আগে কী করে – লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে সাথে সাথে এক্সিকিউট করে।
7. কম্পাইলারের আউটপুট কী – এক্সিকিউটেবল ফাইল।
8. ইন্টারপ্রেটারের আউটপুট কী – সাথে সাথে প্রদর্শিত ফলাফল।
9. কম্পাইলারের এক্সিকিউশন গতি কেমন – দ্রুত।
10. ইন্টারপ্রেটারের এক্সিকিউশন গতি কেমন – ধীর।
11. কম্পাইলারের ত্রুটি দেখানোর ধরন কী – পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদের পর সব ত্রুটি একসাথে দেখায়।
12. ইন্টারপ্রেটারের ত্রুটি দেখানোর ধরন কী – এক লাইন অনুবাদের সময়ই ত্রুটি দেখায়।
13. কম্পাইলার কোন ভাষার উদাহরণ – C, C++, Java।
14. ইন্টারপ্রেটারের উদাহরণ – Python, BASIC, JavaScript।
15. কম্পাইলার ব্যবহারে ডিবাগিং কেমন হয় – তুলনামূলক কঠিন।
16. ইন্টারপ্রেটার ব্যবহারে ডিবাগিং কেমন হয় – সহজ।
17. কম্পাইলারের মেমরি ব্যবহার – বেশি।
18. ইন্টারপ্রেটারের মেমরি ব্যবহার – কম।
19. কম্পাইলার প্রোগ্রাম রান করার আগে সময় নেয় – বেশি সময় নেয়।
20. ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম রান করার আগে সময় নেয় – কম সময় নেয়।
C, Java, Python, HTML এর মৌলিক ধারণা
C ভাষা (C Language)
1. C ভাষার জনক কে – ডেনিস রিচি।
2. C ভাষা কোন সালে তৈরি হয় – 1972 সালে।
3. C ভাষা কোন কম্পিউটারে প্রথম তৈরি হয় – PDP-11 কম্পিউটারে।
4. C ভাষা কোন টাইপের প্রোগ্রামিং ভাষা – প্রোসিডিউরাল ল্যাঙ্গুয়েজ।
5. C প্রোগ্রামের এক্সটেনশন কী – .c
6. C প্রোগ্রামে main() ফাংশনের কাজ কী – প্রোগ্রামের শুরু বিন্দু নির্ধারণ করা।
7. printf() ফাংশনের কাজ কী – আউটপুট প্রদর্শন করা।
8. scanf() ফাংশনের কাজ কী – ইনপুট গ্রহণ করা।
9. কমেন্ট লেখার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয় – /* … */
10. C ভাষার হেডার ফাইলের এক্সটেনশন কী – .h
Java ভাষা (Java Language)
1. Java ভাষার জনক কে – জেমস গোসলিং।
2. Java কোন সালে তৈরি হয় – 1995 সালে।
3. Java ভাষা কোন কোম্পানি তৈরি করেছিল – Sun Microsystems।
4. Java ভাষা কিসের উপর ভিত্তি করে তৈরি – অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং।
5. Java প্রোগ্রাম ফাইলের এক্সটেনশন কী – .java
6. Java এর কম্পাইলার কোনটি – javac।
7. JVM এর পূর্ণরূপ কী – Java Virtual Machine।
8. JRE এর পূর্ণরূপ কী – Java Runtime Environment।
9. Java তে ক্লাসের ভেতরে কোড থাকে কোথায় – মেথডের ভিতরে।
10. Java কোন ধরনের প্ল্যাটফর্ম – Platform Independent Language।
Python ভাষা (Python Language)
1. Python ভাষার জনক কে – গুইডো ভ্যান রসাম।
2. Python কোন সালে তৈরি হয় – 1991 সালে।
3. Python এর ফাইল এক্সটেনশন কী – .py
4. Python কোন ধরনের ভাষা – হাই লেভেল, ইন্টারপ্রেটেড ল্যাঙ্গুয়েজ।
5. Python এ আউটপুট প্রদর্শনের জন্য কোন ফাংশন ব্যবহার হয় – print()।
6. Python এ কমেন্ট লেখার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয় – #
7. Python এ লিস্ট তৈরি করতে কোন ব্র্যাকেট ব্যবহার হয় – [ ]
8. Python এ tuple তৈরি করতে কোন ব্র্যাকেট ব্যবহার হয় – ( )
9. Python এ dictionary তৈরি করতে কোন ব্র্যাকেট ব্যবহার হয় – { }
10. Python এর সর্বশেষ ভার্সন কিসের উপর নির্ভর করে আপডেট হয় – CPython ইন্টারপ্রিটার এর উপর।
HTML (HyperText Markup Language)
1. HTML এর পূর্ণরূপ কী – HyperText Markup Language।
2. HTML কে তৈরি করেছে – টিম বার্নার্স-লি।
3. HTML কোন সালে তৈরি হয় – 1991 সালে।
4. HTML ফাইলের এক্সটেনশন কী – .html বা .htm
5. HTML কোন ধরনের ভাষা – Markup Language।
6. HTML ডকুমেন্ট শুরু হয় কোন ট্যাগ দিয়ে – ।
7. ওয়েব পেজের টাইটেল নির্ধারণ করা হয় কোন ট্যাগে –
8. HTML এ প্যারাগ্রাফ লেখার ট্যাগ কোনটি –
।9. HTML এ ইমেজ যুক্ত করার ট্যাগ কোনটি – ।
OOPS (Object Oriented Programming Concepts)
1. OOPS-এর পূর্ণরূপ কী? – Object Oriented Programming System
2. OOPS-এর মূল ধারণা কী? – Object এবং Class
3. OOPS-এর মূল নীতিগুলি কতটি? – চারটি
4. OOPS-এর চারটি প্রধান নীতি কী কী? – Encapsulation, Inheritance, Polymorphism, Abstraction
5. Class কাকে বলে? – একই রকম বৈশিষ্ট্য ও আচরণবিশিষ্ট Object-এর নকশা
6. Object কাকে বলে? – Class-এর একটি Instance
7. Constructor কী? – Object তৈরি হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল হওয়া বিশেষ মেথড
8. Destructor কী? – Object ধ্বংস হওয়ার আগে কল হওয়া বিশেষ মেথড
9. Encapsulation কাকে বলে? – Data ও Function-কে একত্রে বেঁধে রাখা প্রক্রিয়া
10. Abstraction কাকে বলে? – অপ্রয়োজনীয় বিবরণ লুকিয়ে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখানোর প্রক্রিয়া
11. Inheritance কাকে বলে? – এক Class অন্য Class-এর বৈশিষ্ট্য ও মেথড গ্রহণ করার প্রক্রিয়া
12. Polymorphism-এর অর্থ কী? – একাধিক রূপ গ্রহণ করার ক্ষমতা
13. Function Overloading কী? – একই নামে একাধিক ফাংশন তৈরি করা ভিন্ন ভিন্ন প্যারামিটারে
14. Function Overriding কী? – Base Class-এর Function-কে Derived Class-এ পুনরায় সংজ্ঞায়িত করা
15. Data Hiding কী? – Private ডাটা বাইরে থেকে অ্যাক্সেস বন্ধ রাখা
16. Access Specifiers কয় প্রকার? – তিন প্রকার: Public, Private, Protected
17. Public Access Specifier-এর কাজ কী? – Class-এর বাইরে থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য করা
18. Private Access Specifier-এর কাজ কী? – Class-এর ভিতরে সীমাবদ্ধ রাখা
19. Protected Access Specifier-এর কাজ কী? – Derived Class থেকে অ্যাক্সেস করা যায় কিন্তু বাইরে থেকে নয়
20. Object-Oriented ভাষার উদাহরণ কী? – C++, Java, Python, C#
21. “this” keyword-এর কাজ কী? – বর্তমান Object-কে নির্দেশ করা
22. “super” keyword-এর কাজ কী? – Parent Class-এর মেথড বা কনস্ট্রাক্টরকে কল করা
23. Constructor Overloading কী? – একই Class-এ একাধিক Constructor থাকা ভিন্ন ভিন্ন প্যারামিটারে
24. Static Member কী? – Class-এর সাথে যুক্ত থাকে, Object-এর সাথে নয়
25. Friend Function কী? – Private ডাটাতে অ্যাক্সেস পেতে পারে কিন্তু Class-এর সদস্য নয়
26. Abstract Class কাকে বলে? – এমন Class যেটি থেকে Object তৈরি করা যায় না
27. Interface কাকে বলে? – এমন কাঠামো যা শুধুমাত্র মেথডের ডিক্লারেশন ধারণ করে
28. Composition কাকে বলে? – একটি Class অন্য Class-এর Object ব্যবহার করে
29. Aggregation কাকে বলে? – “has-a” সম্পর্ক বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের অ্যাসোসিয়েশন
30. OOPS-এর প্রধান সুবিধা কী? – Code Reusability, Flexibility, Security এবং Maintenance সহজ করে