কম্পিউটার MCQ - Computer Application MCQ for Competitive Exams in Bengali
কম্পিউটার (Computer)
Number System (Binary, Decimal, Octal, Hexadecimal)
1. কম্পিউটার কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে কাজ করে – বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতিতে।
2. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত – ২।
3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত – ১০।
4. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত – ৮।
5. হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত – ১৬।
6. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কয়টি সংখ্যা চিহ্ন থাকে – ২টি (০ ও ১)।
7. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কয়টি সংখ্যা চিহ্ন থাকে – ৮টি (০ থেকে ৭)।
8. হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কয়টি সংখ্যা চিহ্ন থাকে – ১৬টি (০–৯ এবং A–F)।
9. হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যায় ‘A’ কী নির্দেশ করে – ১০।
10. হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যায় ‘F’ কী নির্দেশ করে – ১৫।
11. (1010)₂ কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করো – (10)₁₀।
12. (25)₁₀ কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করো – (11001)₂।
13. (47)₁₀ কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করো – (57)₈।
14. (255)₁₀ কে হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করো – (FF)₁₆।
15. (1111)₂ কে হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করো – (F)₁₆।
16. (77)₈ কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করো – (111111)₂।
17. (1A)₁₆ এর দশমিক মান কত – (26)₁₀।
18. দশমিক সংখ্যা 0.5 এর বাইনারি মান কত – (0.1)₂।
19. (100)₂ এর দশমিক মান কত – (4)₁₀।
20. বাইনারি সংখ্যা 1000 এর হেক্সাডেসিম্যাল মান কত – (8)₁₆।
Conversion Rules
1. বাইনারি সংখ্যা কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য – প্রতিটি ডিজিটকে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2 এর ঘাত দ্বারা গুণ করতে হয়।
2. দশমিক সংখ্যা কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার নিয়ম – সংখ্যাটিকে 2 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলো উল্টো ক্রমে লিখতে হয়।
3. অক্টাল সংখ্যা কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার নিয়ম – প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে 3-বিট বাইনারি কোডে রূপান্তর করতে হয়।
4. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার নিয়ম – প্রতিটি হেক্সাডেসিমাল ডিজিটকে 4-বিট বাইনারি কোডে রূপান্তর করতে হয়।
5. বাইনারি সংখ্যা কে অক্টালে রূপান্তর করতে হলে – ডান দিক থেকে প্রতি 3-বিট করে গ্রুপ করতে হয়।
6. বাইনারি সংখ্যা কে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করতে হলে – ডান দিক থেকে প্রতি 4-বিট করে গ্রুপ করতে হয়।
7. অক্টাল সংখ্যা কে দশমিক এ রূপান্তর করার নিয়ম – প্রতিটি ডিজিটকে তার অবস্থান অনুযায়ী 8 এর ঘাত দ্বারা গুণ করতে হয়।
8. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা কে দশমিক এ রূপান্তর করার নিয়ম – প্রতিটি ডিজিটকে তার অবস্থান অনুযায়ী 16 এর ঘাত দ্বারা গুণ করতে হয়।
9. দশমিক সংখ্যা কে অক্টালে রূপান্তর করার নিয়ম – সংখ্যাটিকে বারবার 8 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ উল্টো ক্রমে লিখতে হয়।
10. দশমিক সংখ্যা কে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করার নিয়ম – সংখ্যাটিকে বারবার 16 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ উল্টো ক্রমে লিখতে হয়।
11. বাইনারি 1010 এর দশমিক মান – 10।
12. দশমিক 15 এর বাইনারি মান – 1111।
13. অক্টাল 17 এর বাইনারি মান – 1111।
14. হেক্সাডেসিমাল A এর দশমিক মান – 10।
15. হেক্সাডেসিমাল F এর বাইনারি মান – 1111।
16. বাইনারি 100000 এর অক্টাল মান – 40।
17. বাইনারি 1101 এর হেক্সাডেসিমাল মান – D।
18. দশমিক 25 এর অক্টাল মান – 31।
19. দশমিক 255 এর হেক্সাডেসিমাল মান – FF।
20. বাইনারি থেকে দশমিক রূপান্তরে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভিত্তি – 2।
ASCII, Unicode, BCD, EBCDIC
1. ASCII-এর পূর্ণরূপ কী - American Standard Code for Information Interchange।
2. ASCII কোডে মোট কতটি ক্যারেক্টার থাকে - 128টি।
3. ASCII কোডে কত বিট ব্যবহৃত হয় - 7 বিট।
4. Extended ASCII কোডে কতটি ক্যারেক্টার থাকে - 256টি।
5. ASCII কোডে বড় হাতের অক্ষর ‘A’ এর দশমিক মান কত - 65।
6. ASCII কোডে ছোট হাতের অক্ষর ‘a’ এর দশমিক মান কত - 97।
7. ASCII কোডে সংখ্যা ‘0’ এর দশমিক মান কত - 48।
8. ASCII কোড মূলত কোন ভাষার জন্য তৈরি করা হয়েছিল - ইংরেজি ভাষার জন্য।
9. Unicode-এর পূর্ণরূপ কী - Universal Code।
10. Unicode-এ কত বিট ব্যবহৃত হয় - 16 বিট (এখন 32 বিট পর্যন্ত সম্প্রসারিত)।
11. Unicode কতটি ভাষা সমর্থন করে - প্রায় সব প্রধান ভাষা।
12. Unicode কোডিং সিস্টেম কে উন্নয়ন করে - Unicode Consortium।
13. Unicode স্ট্যান্ডার্ড কোন সংস্থা রক্ষণাবেক্ষণ করে - Unicode Consortium।
14. Unicode-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবে - 1991 সালে।
15. Unicode কোডের পরিসর কত - 0 থেকে 10FFFF (Hexadecimal)।
16. Unicode-এ সবচেয়ে প্রচলিত ফরম্যাট কোনটি - UTF-8।
17. UTF এর পূর্ণরূপ কী - Unicode Transformation Format।
18. UTF-8 প্রতি ক্যারেক্টারের জন্য কত বাইট ব্যবহার করে - 1 থেকে 4 বাইট।
19. UTF-16 প্রতি ক্যারেক্টারের জন্য কত বাইট ব্যবহার করে - 2 বা 4 বাইট।
20. UTF-32 প্রতি ক্যারেক্টারের জন্য কত বাইট ব্যবহার করে - 4 বাইট।
21. Unicode ASCII-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা - হ্যাঁ, UTF-8 সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
22. BCD-এর পূর্ণরূপ কী - Binary Coded Decimal।
23. BCD কোডে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা কটি বিটে প্রকাশ পায় - 4 বিটে।
24. BCD কোডে ‘9’ এর বাইনারি রূপ কী - 1001।
25. BCD কোডের ব্যবহারের প্রধান ক্ষেত্র কোথায় - ক্যালকুলেটর এবং ডিজিটাল ঘড়িতে।
26. BCD কোড কোন সংখ্যার ভিত্তিতে কাজ করে - দশমিক সংখ্যার ভিত্তিতে।
27. BCD কোডে 8421 কোড কী বোঝায় - Binary weight code (8,4,2,1)।
28. 8421 BCD কোডে সংখ্যা ‘7’ এর রূপ কী - 0111।
29. BCD কোডে একসাথে কতটি সংখ্যা প্রকাশ করা যায় - 10টি (0-9)।
30. EBCDIC-এর পূর্ণরূপ কী - Extended Binary Coded Decimal Interchange Code।
31. EBCDIC কোড কোন কোম্পানি তৈরি করে - IBM।
32. EBCDIC কোডে মোট কতটি ক্যারেক্টার থাকে - 256টি।
33. EBCDIC কোডে কত বিট ব্যবহৃত হয় - 8 বিট।
34. EBCDIC কোড মূলত কোন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় - IBM মেইনফ্রেম কম্পিউটারে।
35. ASCII এবং EBCDIC-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী - কোডিং বিন্যাসে পার্থক্য।
36. EBCDIC কোন কোডিং পদ্ধতির সম্প্রসারিত রূপ - BCD-এর সম্প্রসারিত রূপ।
37. ASCII কোডে কতটি কন্ট্রোল ক্যারেক্টার থাকে - 33টি।
38. ASCII কোডে কতটি প্রিন্টেবল ক্যারেক্টার থাকে - 95টি।
39. Unicode ASCII-এর তুলনায় কেন উন্নত - এটি সব ভাষার ক্যারেক্টার সমর্থন করে।
40. Unicode কোডে বাংলা অক্ষর অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা - হ্যাঁ।
41. Unicode এবং ASCII-এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী - ক্যারেক্টার রেঞ্জ ও ভাষা সমর্থন।
42. BCD কোড মূলত কোন ধরনের ডেটা প্রকাশ করে - সংখ্যাসূচক ডেটা।
43. ASCII কোডের ন্যূনতম মান কত - 0।
44. ASCII কোডের সর্বাধিক মান কত - 127।
45. EBCDIC কোডে লেটার A-এর হেক্স কোড কত - C1।
46. ASCII কোডে লেটার A-এর হেক্স কোড কত - 41।
47. Unicode UTF-8 কীভাবে ASCII এর সাথে কাজ করে - প্রথম 128 কোড ASCII-এর মতোই।
48. Unicode কোডিং কতগুলি প্লেন নিয়ে গঠিত - 17টি প্লেন।
49. Unicode স্ট্যান্ডার্ডে প্রতিটি প্লেনে কতটি কোড পয়েন্ট থাকে - 65,536টি।
50. Unicode-এর মূল উদ্দেশ্য কী - বিশ্বব্যাপী সকল ভাষার জন্য একক কোডিং সিস্টেম তৈরি করা।
RAM, ROM, EPROM, EEPROM
1. RAM এর পূর্ণরূপ – Random Access Memory।
2. ROM এর পূর্ণরূপ – Read Only Memory।
3. EPROM এর পূর্ণরূপ – Erasable Programmable Read Only Memory।
4. EEPROM এর পূর্ণরূপ – Electrically Erasable Programmable Read Only Memory।
5. RAM একটি – ভোলাটাইল মেমরি।
6. ROM একটি – নন-ভোলাটাইল মেমরি।
7. RAM এর ডেটা – পাওয়ার বন্ধ হলে মুছে যায়।
8. ROM এর ডেটা – স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
9. EPROM কে মুছতে ব্যবহৃত হয় – অতিবেগুনি রশ্মি (UV light)।
10. EEPROM কে মুছা যায় – বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে।
11. RAM ব্যবহৃত হয় – ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য।
12. ROM ব্যবহৃত হয় – প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য।
13. RAM এর দুটি ধরন – SRAM ও DRAM।
14. SRAM এর পূর্ণরূপ – Static Random Access Memory।
15. DRAM এর পূর্ণরূপ – Dynamic Random Access Memory।
16. SRAM ব্যবহৃত হয় – ক্যাশ মেমরি হিসেবে।
17. DRAM ব্যবহৃত হয় – প্রধান মেমরি (Main Memory) হিসেবে।
18. SRAM – DRAM এর তুলনায় দ্রুত।
19. DRAM – SRAM এর তুলনায় সস্তা ও ঘনত্ব বেশি।
20. ROM এর কনটেন্ট – প্রস্তুতকারক দ্বারা লেখা থাকে।
21. PROM এর পূর্ণরূপ – Programmable Read Only Memory।
22. PROM একবার – প্রোগ্রাম করা যায়।
23. EPROM – বারবার প্রোগ্রাম ও মুছা যায়।
24. EEPROM – EPROM এর উন্নত সংস্করণ।
25. RAM – প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে।
26. ROM – BIOS প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে।
27. BIOS এর পূর্ণরূপ – Basic Input Output System।
28. BIOS সংরক্ষিত থাকে – ROM বা EEPROM-এ।
29. RAM কে বলা হয় – প্রাইমারি মেমরি।
30. ROM কে বলা হয় – পার্মানেন্ট মেমরি।
31. RAM এর গতি – হার্ড ডিস্কের তুলনায় অনেক দ্রুত।
32. ROM এর তথ্য – ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
33. EEPROM এ ডেটা মুছা যায় – বাইট বাই বাইট।
34. EPROM এ ডেটা মুছা যায় – সম্পূর্ণ চিপ একসঙ্গে।
35. DRAM কে – বারবার রিফ্রেশ করতে হয়।
36. SRAM কে – রিফ্রেশ করতে হয় না।
37. ROM এর প্রধান কাজ – বুটিং প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা।
38. RAM এর প্রধান কাজ – চলমান প্রোগ্রামের ডেটা ধরে রাখা।
39. EPROM চিপে থাকে – কাচের উইন্ডো অতিবেগুনি রশ্মির জন্য।
40. EEPROM এর ডেটা পরিবর্তন করা যায় – কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যেই।
41. RAM ছাড়া – CPU প্রোগ্রাম চালাতে পারে না।
42. ROM ছাড়া – কম্পিউটার বুট হতে পারে না।
43. RAM এর উদাহরণ – DDR, DDR2, DDR3, DDR4।
44. ROM এর উদাহরণ – BIOS, Firmware।
45. DRAM চিপে – ক্যাপাসিটর ও ট্রানজিস্টর ব্যবহার হয়।
46. SRAM চিপে – ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট ব্যবহার হয়।
47. RAM এর মেমরি – রিড ও রাইট দুটোই সম্ভব।
48. ROM এর মেমরি – শুধু রিড করা যায়।
49. EEPROM ব্যবহৃত হয় – ফার্মওয়্যার আপডেটের জন্য।
50. EPROM ও EEPROM – উভয়ই প্রোগ্রামেবল ROM এর ধরন।
Cache Memory
1. ক্যাশ মেমরি কী – এটি CPU এবং প্রধান মেমরির মধ্যে থাকা দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমরি।
2. ক্যাশ মেমরির প্রধান কাজ কী – CPU-এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম কমানো।
3. ক্যাশ মেমরি কোথায় থাকে – CPU চিপের ভিতরে বা খুব কাছাকাছি।
4. ক্যাশ মেমরি কোন ধরনের মেমরি – এটি একটি ভলাটাইল মেমরি।
5. ক্যাশ মেমরিতে কোন ধরনের ডেটা সংরক্ষিত থাকে – প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশনা ও ডেটা।
6. ক্যাশ মেমরি কোন প্রকার মেমরির অন্তর্ভুক্ত – সেমিকন্ডাক্টর মেমরি।
7. ক্যাশ মেমরি কোন গতি সম্পন্ন – র্যামের চেয়ে দ্রুত।
8. ক্যাশ মেমরির মূল উদ্দেশ্য কী – CPU ও প্রধান মেমরির মধ্যে গতি পার্থক্য কমানো।
9. ক্যাশ মেমরির আকার সাধারণত কেমন হয় – ছোট কিন্তু দ্রুত।
10. ক্যাশ মেমরির ধরন কয়টি – সাধারণত তিনটি: L1, L2, এবং L3।
11. L1 ক্যাশ কোথায় থাকে – সরাসরি CPU চিপের ভিতরে।
12. L2 ক্যাশ কোথায় থাকে – CPU চিপের ভিতরে বা বাহিরে থাকতে পারে।
13. L3 ক্যাশ কোথায় থাকে – একাধিক কোরের জন্য শেয়ার্ড ক্যাশ হিসেবে থাকে।
14. কোনটি সবচেয়ে দ্রুত ক্যাশ – L1 ক্যাশ।
15. কোনটি সবচেয়ে বড় ক্যাশ – L3 ক্যাশ।
16. ক্যাশ মেমরি কোন প্রযুক্তিতে তৈরি – SRAM (Static RAM) প্রযুক্তিতে।
17. প্রধান মেমরি কোন প্রযুক্তিতে তৈরি – DRAM (Dynamic RAM) প্রযুক্তিতে।
18. SRAM এবং DRAM-এর মধ্যে পার্থক্য কী – SRAM দ্রুত কিন্তু ব্যয়বহুল, DRAM ধীর কিন্তু সস্তা।
19. ক্যাশ হিট কী – যখন প্রয়োজনীয় ডেটা ক্যাশে পাওয়া যায়।
20. ক্যাশ মিস কী – যখন প্রয়োজনীয় ডেটা ক্যাশে পাওয়া যায় না।
21. ক্যাশ হিট রেশিও কী – ক্যাশ থেকে সফলভাবে পাওয়া ডেটার শতকরা হার।
22. ক্যাশ মেমরি কীভাবে কাজ করে – CPU যখন ডেটা চায়, প্রথমে ক্যাশে খোঁজে।
23. ক্যাশ মেমরি কে প্রথম ব্যবহার করে – IBM System/360 Model 85।
24. ক্যাশ মেমরি CPU-এর কোন অংশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত – কন্ট্রোল ইউনিট ও ALU-এর সঙ্গে।
25. ক্যাশ মেমরি CPU পারফরম্যান্সে কী প্রভাব ফেলে – এটি CPU-এর গতি বাড়ায়।
26. আধুনিক প্রসেসরে কত স্তরের ক্যাশ থাকে – সাধারণত তিনটি স্তর (L1, L2, L3)।
27. L1 ক্যাশ সাধারণত কী সংরক্ষণ করে – নির্দেশনা ও ডেটা (Instruction Cache এবং Data Cache)।
28. ক্যাশ মেমরি কোথা থেকে ডেটা আনে – প্রধান মেমরি থেকে।
29. ক্যাশ মেমরি কোন ইউনিট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় – মেমরি ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (MMU)।
30. ক্যাশ মেমরি কেন ব্যয়বহুল – কারণ এটি দ্রুতগতি সম্পন্ন SRAM প্রযুক্তিতে তৈরি।
Virtual Memory
1. ভার্চুয়াল মেমরি কী – এটি এমন একটি মেমরি যা হার্ডডিস্কের অংশকে RAM-এর সম্প্রসারণ হিসেবে ব্যবহার করে।
2. ভার্চুয়াল মেমরির মূল উদ্দেশ্য কী – প্রোগ্রাম চালানোর জন্য পর্যাপ্ত মেমরি সরবরাহ করা।
3. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারের ফলে কী সুবিধা হয় – একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালানো যায়।
4. ভার্চুয়াল মেমরি সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত হয় – হার্ডডিস্কে।
5. ভার্চুয়াল মেমরি কাকে সম্প্রসারিত করে – RAM-কে।
6. ভার্চুয়াল মেমরি কোন কৌশল ব্যবহার করে – Paging বা Segmentation কৌশল।
7. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারের ফলে কী সমস্যা হতে পারে – সিস্টেমের গতি কমে যায়।
8. ভার্চুয়াল মেমরির ধারণা প্রথম কে দেন – ফ্রিটজ রুডলফ লোহনার (Fritz Rudolf Löhner)।
9. ভার্চুয়াল মেমরিতে কোন ফাইলটি ব্যবহৃত হয় – Swap File বা Page File।
10. ভার্চুয়াল মেমরির আকার নির্ধারণে কোন উপাদান গুরুত্বপূর্ণ – RAM-এর আকার।
11. ভার্চুয়াল মেমরি মূলত কীভাবে কাজ করে – কম ব্যবহৃত তথ্য হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করে RAM খালি রাখে।
12. ভার্চুয়াল মেমরির আরেক নাম কী – Secondary Memory Extension।
13. ভার্চুয়াল মেমরি কোন ধরণের মেমরি – লজিক্যাল (Logical) মেমরি।
14. ভার্চুয়াল মেমরির জন্য কোন হার্ডওয়্যার প্রয়োজন – Memory Management Unit (MMU)।
15. ভার্চুয়াল মেমরি প্রোগ্রামারকে কী ধারণা দেয় – অসীম বড় মেমরি থাকার ধারণা।
16. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারে কী ধরনের overhead তৈরি হয় – পেজিং ও swapping overhead।
17. ভার্চুয়াল মেমরিতে “Thrashing” বলতে কী বোঝায় – অতিরিক্ত swapping-এর ফলে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া।
18. ভার্চুয়াল মেমরি সাধারণত কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে থাকে – Multitasking OS।
19. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারের ফলে CPU কীভাবে প্রভাবিত হয় – CPU-এর idle time কমে যায়।
20. ভার্চুয়াল মেমরিতে “Page Table” এর ভূমিকা কী – Virtual Address ও Physical Address এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।
21. Windows-এ ভার্চুয়াল মেমরি কোন ফাইল দ্বারা নির্ধারিত হয় – Pagefile.sys।
22. Linux-এ ভার্চুয়াল মেমরির swap area কী নামে পরিচিত – Swap Space।
23. ভার্চুয়াল মেমরি কোন মেমরির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে – RAM ও Secondary Storage এর মধ্যে।
24. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম কীভাবে চলে – মেমরিতে অংশবিশেষ লোড করে বাকিটা ডিস্কে রেখে।
25. ভার্চুয়াল মেমরি সাধারণত কোন ধরণের প্রোগ্রামিংকে সহায়তা করে – Large Program Execution।
26. ভার্চুয়াল মেমরি কীভাবে কার্যকর হয় – Address Translation প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
27. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারে কোন Address ব্যবহৃত হয় – Virtual Address।
28. ভার্চুয়াল মেমরির সাহায্যে একাধিক ইউজার কী করতে পারে – একসাথে প্রোগ্রাম চালাতে পারে।
29. ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহারের প্রধান অসুবিধা কী – ডিস্ক অ্যাক্সেসের কারণে গতি কমে।
30. আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে ভার্চুয়াল মেমরির ভূমিকা কী – কার্যকর Memory Management নিশ্চিত করা।
Flash & Cloud Storage
1. ফ্ল্যাশ মেমরি কী – এক ধরনের নন-ভোলাটাইল মেমরি যা বিদ্যুৎ না থাকলেও তথ্য সংরক্ষণ করে।
2. ফ্ল্যাশ মেমরি কে আবিষ্কার করেন – ফুজিও মাসুওকা (Fujio Masuoka)।
3. ফ্ল্যাশ মেমরি প্রথম তৈরি করে কোন কোম্পানি – তোশিবা (Toshiba)।
4. ফ্ল্যাশ মেমরি কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে – EEPROM প্রযুক্তি।
5. ফ্ল্যাশ মেমরির প্রধান দুই প্রকার কী – NAND ও NOR।
6. পেন ড্রাইভে কোন ধরনের মেমরি ব্যবহৃত হয় – NAND Flash Memory।
7. SSD (Solid State Drive) কোন মেমরি প্রযুক্তি ব্যবহার করে – NAND Flash Memory।
8. ফ্ল্যাশ মেমরি কোন ধরনের মেমরি – নন-ভোলাটাইল মেমরি।
9. ফ্ল্যাশ মেমরির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী – দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস এবং পুনঃলিখনযোগ্য।
10. ক্লাউড স্টোরেজ কী – ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভারে তথ্য সংরক্ষণের প্রযুক্তি।
11. ক্লাউড স্টোরেজের উদাহরণ কী – Google Drive, Dropbox, OneDrive।
12. ক্লাউড স্টোরেজে ডেটা কোথায় সংরক্ষিত থাকে – রিমোট সার্ভারে।
13. ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারের জন্য কী প্রয়োজন – ইন্টারনেট সংযোগ।
14. ক্লাউড স্টোরেজের প্রধান সুবিধা কী – যেকোনো স্থান থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা যায়।
15. ক্লাউড স্টোরেজ কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে – ভার্চুয়াল সার্ভার প্রযুক্তি।
16. ফ্ল্যাশ মেমরি ও ক্লাউড স্টোরেজের মধ্যে পার্থক্য কী – ফ্ল্যাশ মেমরি হার্ডওয়্যার স্টোরেজ, ক্লাউড স্টোরেজ অনলাইন স্টোরেজ।
17. ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস প্রদানকারী অন্যতম কোম্পানি – Amazon (AWS)।
18. ফ্ল্যাশ মেমরিতে তথ্য মুছে ফেলা হয় কীভাবে – ইলেকট্রিক্যালি ইরেজ করে।
19. ক্লাউড স্টোরেজের নিরাপত্তা বজায় রাখা হয় কীভাবে – এনক্রিপশন ও অথেন্টিকেশন দ্বারা।
20. ফ্ল্যাশ মেমরি কোথায় ব্যবহার করা হয় – পেন ড্রাইভ, মেমরি কার্ড, SSD, স্মার্টফোন ইত্যাদিতে।
Functions of OS
1. অপারেটিং সিস্টেমের মূল কাজ কী? – ব্যবহারকারী ও কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা।
2. OS এর প্রধান ফাংশন কী? – হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার রিসোর্স ম্যানেজ করা।
3. অপারেটিং সিস্টেম CPU কে কীভাবে ব্যবহার করে? – প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে CPU টাইম ভাগ করে দেয়।
4. মেমরি ম্যানেজমেন্ট কাকে বলে? – বিভিন্ন প্রোগ্রামের মধ্যে মেমরির সঠিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
5. ফাইল ম্যানেজমেন্টের কাজ কী? – ফাইল তৈরি, মুছে ফেলা, সংরক্ষণ ও অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা।
6. ডিভাইস ম্যানেজমেন্টের কাজ কী? – ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা।
7. প্রক্রিয়া ব্যবস্থাপনা (Process Management) কী করে? – প্রোগ্রামগুলোর কার্যক্রম তৈরি, সম্পন্ন ও ট্র্যাক করে।
8. সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্টের কাজ কী? – ব্যবহারকারীর ডেটা ও সিস্টেমকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করা।
9. OS এর ইউজার ইন্টারফেসের উদ্দেশ্য কী? – ব্যবহারকারীর জন্য সিস্টেমের সাথে সহজভাবে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করা।
10. জব স্কেডিউলিং কী? – CPU তে কোন প্রক্রিয়া কখন চলবে তা নির্ধারণ করা।
11. ইনপুট/আউটপুট ব্যবস্থাপনার কাজ কী? – ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা।
12. ডেডলক হ্যান্ডলিং কার দায়িত্ব? – অপারেটিং সিস্টেমের।
13. রিসোর্স অ্যালোকেশন বলতে কী বোঝায়? – বিভিন্ন প্রোগ্রামে প্রয়োজনীয় রিসোর্স বণ্টন করা।
14. অপারেটিং সিস্টেমে মনিটরিং ফাংশন কী করে? – সিস্টেমের কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করে।
15. কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট কাকে বলে? – প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান পরিচালনা করা।
16. OS কীভাবে মাল্টিটাস্কিং করে? – একাধিক প্রক্রিয়া একসাথে চালিয়ে টাইম শেয়ারিং ব্যবহার করে।
17. সিস্টেম পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট কী? – সিস্টেমের কার্যক্ষমতা উন্নত করার জন্য রিসোর্স ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করা।
18. ব্যাকআপ এবং রিকভারি ফাংশনের কাজ কী? – ডেটা ক্ষতি হলে পুনরুদ্ধার করা।
19. এরর ডিটেকশন ও হ্যান্ডলিং ফাংশনের কাজ কী? – ত্রুটি সনাক্ত করে সঠিক প্রতিকার নেওয়া।
20. নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট ফাংশনের কাজ কী? – নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা ট্রান্সফার নিয়ন্ত্রণ করা।
Types of OS (Batch, Multitasking, Real-time, Distributed)
1. কোন অপারেটিং সিস্টেমে কাজগুলো একত্রে ব্যাচ আকারে সম্পন্ন হয় – Batch Operating System
2. Batch Operating System এর প্রধান উদ্দেশ্য কী – কাজের সময় বাঁচানো এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
3. কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারীর সরাসরি যোগাযোগ থাকে না – Batch Operating System
4. কোন ধরনের OS প্রাথমিক কম্পিউটার যুগে ব্যবহৃত হতো – Batch Operating System
5. Batch OS এ কাজের এক্সিকিউশন কিভাবে হয় – একটার পর একটা ক্রমানুসারে
6. Batch OS এ জব কিউ কে মেইনটেইন করে – Job Scheduler
7. Multitasking OS এর প্রধান কাজ কী – একাধিক কাজ একসাথে সম্পন্ন করা
8. কোন ধরনের OS এ CPU একাধিক টাস্কে টাইম শেয়ার করে – Multitasking OS
9. Multitasking OS এর উদাহরণ কী – Windows, macOS, Linux
10. কোন ধরনের OS ব্যবহারকারীকে একসাথে গান শোনা ও টাইপ করার সুযোগ দেয় – Multitasking OS
11. Time-sharing OS আসলে কোন OS এর রূপ – Multitasking OS
12. Real-time OS এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী – নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রদান
13. কোন ধরনের OS এর response time খুব কম – Real-time Operating System
14. Real-time OS এর দুটি ধরন কী – Hard real-time এবং Soft real-time
15. কোন ধরনের OS এ বিলম্ব গ্রহণযোগ্য নয় – Hard Real-time OS
16. Real-time OS এর উদাহরণ কী – VxWorks, QNX, RTLinux
17. কোন ধরনের OS ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট বা মিসাইল কন্ট্রোলে ব্যবহৃত হয় – Real-time OS
18. কোন ধরনের OS বিমান ট্রাফিক কন্ট্রোলে ব্যবহৃত হয় – Real-time OS
19. কোন OS এ প্রসেস নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন না হলে সিস্টেম ব্যর্থ হয় – Hard Real-time OS
20. Soft Real-time OS কোথায় ব্যবহৃত হয় – মাল্টিমিডিয়া ও টেলিকম সিস্টেমে
21. Distributed OS এর মূল উদ্দেশ্য কী – একাধিক কম্পিউটারকে একত্রে কাজ করানো
22. Distributed OS কে আর কী নামে ডাকা হয় – Network Operating System
23. Distributed OS এ রিসোর্স কীভাবে শেয়ার হয় – নেটওয়ার্কের মাধ্যমে
24. Distributed OS এর উদাহরণ কী – Amoeba, LOCUS, Inferno
25. কোন OS একাধিক সিস্টেমকে একত্রে ব্যবহারকারীর কাছে এক সিস্টেম হিসেবে উপস্থাপন করে – Distributed OS
26. কোন OS ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে – Distributed OS
27. কোন ধরনের OS এ লোড ব্যালান্সিং করা যায় – Distributed Operating System
28. Batch OS এর একটি অসুবিধা কী – ব্যবহারকারীর তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় না
29. Multitasking OS এর একটি সুবিধা কী – CPU সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার
30. Real-time OS এর একটি অসুবিধা কী – ব্যয়বহুল এবং জটিল প্রোগ্রামিং প্রয়োজন
31. Distributed OS এর একটি সুবিধা কী – সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি
32. কোন OS এ একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে কাজ করতে পারে – Multitasking বা Multiuser OS
33. Batch OS এর কাজের ইনপুট কে দেয় – Job Operator
34. কোন OS সময়কে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে কাজ সম্পন্ন করে – Time-sharing OS
35. কোন OS এর মধ্যে ডেডলাইন মেনে কাজ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক – Real-time OS
36. Distributed OS এর ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার কিসের মাধ্যমে হয় – নেটওয়ার্ক সংযোগের মাধ্যমে
37. কোন OS Parallel Processing কে সাপোর্ট করে – Distributed Operating System
38. Batch OS এ প্রধান কাজ কে সম্পন্ন করে – Job Control Language (JCL)
39. Multitasking OS এ CPU Scheduling এর ভূমিকা কী – বিভিন্ন কাজের মধ্যে CPU সময় বন্টন করা
40. কোন OS রোবোটিক্সে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় – Real-time OS
41. কোন OS স্যাটেলাইট সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় – Real-time OS
42. কোন OS নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একাধিক সিস্টেমকে সংযুক্ত করে – Distributed OS
43. Batch OS এর যুগ কোনটি – প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার যুগ
44. Multitasking OS কোন প্রজন্মে প্রচলিত হয় – তৃতীয় প্রজন্মে
45. Real-time OS এর প্রধান গুণ কী – নির্ভুল সময় নিয়ন্ত্রণ
46. Distributed OS এর প্রধান গুণ কী – রিসোর্স শেয়ারিং এবং ফল্ট টলারেন্স
47. কোন OS ব্যবহারকারীর অংশগ্রহণ ছাড়াই কাজ সম্পন্ন করে – Batch OS
48. কোন OS এ Interrupt Handling গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে – Real-time OS
49. Multitasking OS এর আরেক নাম কী – Time-sharing Operating System
50. কোন ধরনের OS কে Future Oriented OS বলা হয় – Distributed Operating System
Windows Features & Shortcuts
1. Windows OS কাকে বলে – একটি Graphical User Interface (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
2. Windows এর প্রথম সংস্করণ কবে প্রকাশিত হয় – ১৯৮৫ সালে।
3. Windows এর নির্মাতা কোম্পানির নাম – Microsoft Corporation।
4. Windows এর মূল কাজ – কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো।
5. Windows এর প্রধান বৈশিষ্ট্য – মাল্টিটাস্কিং (Multitasking)।
6. Windows এ Start Menu এর কাজ – প্রোগ্রাম, সেটিংস ও ফাইল অ্যাক্সেস করা।
7. Windows এর Desktop কী – প্রধান পর্দা যেখানে আইকন ও টাস্কবার থাকে।
8. Windows এর File Explorer এর কাজ – ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনা করা।
9. Windows এ Taskbar এর অবস্থান – সাধারণত Desktop এর নিচে থাকে।
10. Windows এ “Control Panel” এর কাজ – সিস্টেমের সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করা।
11. Windows এ “Recycle Bin” এর কাজ – ডিলিট করা ফাইল সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা।
12. Windows এ “Run” কমান্ড খোলার শর্টকাট কী – Windows + R।
13. Windows এ “Search Box” খোলার শর্টকাট কী – Windows + S।
14. Windows এ “File Explorer” খোলার শর্টকাট কী – Windows + E।
15. Windows এ “Settings” খোলার শর্টকাট কী – Windows + I।
16. Windows এ “Lock Screen” করার শর্টকাট কী – Windows + L।
17. Windows এ “Minimize All Windows” করার শর্টকাট কী – Windows + D।
18. Windows এ “Task Manager” খোলার শর্টকাট কী – Ctrl + Shift + Esc।
19. Windows এ “Switch Between Windows” করার শর্টকাট কী – Alt + Tab।
20. Windows এ “System Properties” খোলার শর্টকাট কী – Windows + Pause/Break।
Linux Basic Commands
1. Linux-এ বর্তমান কাজের ডিরেক্টরি দেখার কমান্ড – pwd
2. Linux-এ নতুন ডিরেক্টরি তৈরি করার কমান্ড – mkdir
3. Linux-এ ডিরেক্টরির ভিতরের ফাইলগুলির তালিকা দেখার কমান্ড – ls
4. Linux-এ ডিরেক্টরি পরিবর্তন করার কমান্ড – cd
5. Linux-এ ফাইল কপি করার কমান্ড – cp
6. Linux-এ ফাইল মুভ বা রিনেম করার কমান্ড – mv
7. Linux-এ ফাইল মুছে ফেলার কমান্ড – rm
8. Linux-এ খালি ডিরেক্টরি মুছে ফেলার কমান্ড – rmdir
9. Linux-এ ফাইলের কন্টেন্ট টার্মিনালে দেখার কমান্ড – cat
10. Linux-এ ফাইলের শুরু দিকের কিছু লাইন দেখার কমান্ড – head
11. Linux-এ ফাইলের শেষের কিছু লাইন দেখার কমান্ড – tail
12. Linux-এ ফাইল বা টেক্সট অনুসন্ধান করার কমান্ড – grep
13. Linux-এ বর্তমানে লগইন করা ইউজার দেখার কমান্ড – who
14. Linux-এ বর্তমান ইউজারনেম জানার কমান্ড – whoami
15. Linux-এ তারিখ ও সময় দেখার কমান্ড – date
16. Linux-এ সিস্টেমের বর্তমান রানটাইম বা আপটাইম দেখার কমান্ড – uptime
17. Linux-এ বর্তমান চলমান প্রক্রিয়াগুলি দেখার কমান্ড – ps
18. Linux-এ ডিস্কের ব্যবহৃত ও ফাঁকা জায়গা দেখার কমান্ড – df
19. Linux-এ মেমরি ব্যবহারের অবস্থা দেখার কমান্ড – free
20. Linux-এ বর্তমান ডিরেক্টরির পথ দেখানোর কমান্ড – pwd
DBMS এর সংজ্ঞা
1. DBMS-এর পূর্ণরূপ কী - Database Management System।
2. DBMS কী - একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেস সংরক্ষণ, সংগঠিত ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।
3. ডেটাবেস কী - তথ্যের একটি সংগঠিত সংগ্রহ যা সহজে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
4. DBMS-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী - ডেটা সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও নিরাপদভাবে ব্যবস্থাপনা করা।
5. DBMS-এ ডেটা কীভাবে সংরক্ষিত হয় - টেবিল আকারে সারি ও কলামে।
6. DBMS-এর জনক (Father of DBMS) কে - চার্লস ব্যাচম্যান (Charles Bachman)।
7. প্রথম DBMS কবে তৈরি হয়েছিল - ১৯৬০ সালে।
8. RDBMS-এর পূর্ণরূপ কী - Relational Database Management System।
9. DBMS এবং RDBMS-এর মধ্যে পার্থক্য কী - RDBMS রিলেশন (relation) ভিত্তিক টেবিল ব্যবহার করে, DBMS তা করে না।
10. DBMS-এর উদাহরণ কী - MS Access, Oracle, dBase, FoxPro।
11. RDBMS-এর উদাহরণ কী - MySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL।
12. DBMS-এ ডেটা স্বাধীনতা (Data Independence) কী - প্রোগ্রাম পরিবর্তন না করে ডেটা স্ট্রাকচার পরিবর্তন করার ক্ষমতা।
13. DBMS-এর তিনটি স্তর কী - ফিজিক্যাল, লজিক্যাল এবং ভিউ স্তর।
14. DBMS-এর ডেটা মডেল কী - ডেটা কীভাবে সংরক্ষিত, সংগঠিত ও সম্পর্কিত হবে তার কাঠামো।
15. হায়ারারকিকাল মডেল কী - এমন একটি ডেটা মডেল যেখানে ডেটা পিতামাতা-সন্তান সম্পর্কের ভিত্তিতে সংরক্ষিত হয়।
16. নেটওয়ার্ক মডেল কী - ডেটার মধ্যে জটিল সম্পর্ক বজায় রাখার একটি মডেল।
17. রিলেশনাল মডেল কে প্রস্তাব করেছিলেন - ড. ই. এফ. কড (Dr. E.F. Codd)।
18. DBMS-এর সুবিধা কী - ডেটা সিকিউরিটি, রিডান্ডেন্সি হ্রাস, ডেটা কনসিস্টেন্সি বজায় রাখা।
19. DBMS-এর অসুবিধা কী - উচ্চ খরচ, জটিলতা এবং রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা।
20. DBMS-এ কুয়েরি ভাষা (Query Language) কী - ডেটা অনুসন্ধান ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ভাষা যেমন SQL।
RDBMS
1. RDBMS এর পূর্ণরূপ কী - Relational Database Management System।
2. RDBMS কে প্রথম প্রস্তাব করেন - ড. ই. এফ. কড (Dr. E. F. Codd)।
3. RDBMS কোন মডেলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে - Relational Model।
4. RDBMS এ তথ্য সংরক্ষণ করা হয় - টেবিল (Table) আকারে।
5. টেবিলের এক একটি সারিকে বলা হয় - রেকর্ড (Record) বা রো (Row)।
6. টেবিলের এক একটি কলামকে বলা হয় - ফিল্ড (Field) বা অ্যাট্রিবিউট (Attribute)।
7. RDBMS এ প্রতিটি টেবিলের একটি অনন্য সনাক্তকারী থাকে যাকে বলা হয় - প্রাইমারি কি (Primary Key)।
8. অন্য টেবিলের প্রাইমারি কি কে রেফার করে যে কি ব্যবহৃত হয় তাকে বলে - ফরেন কি (Foreign Key)।
9. দুটি টেবিলকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় - Join অপারেশন।
10. SQL এর পূর্ণরূপ কী - Structured Query Language।
11. RDBMS এর উদাহরণ কী কী - Oracle, MySQL, MS SQL Server, PostgreSQL, IBM DB2।
12. রিলেশনাল ডেটাবেসের মৌলিক উপাদান কী - টেবিল (Table)।
13. RDBMS এ ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় - Constraints।
14. Entity Integrity বজায় রাখে কোন কি - Primary Key।
15. Referential Integrity বজায় রাখে কোন কি - Foreign Key।
16. RDBMS এ ডেটা পুনরাবৃত্তি কমানোর প্রক্রিয়াকে বলে - Normalization।
17. RDBMS এ একাধিক টেবিল থেকে ডেটা আহরণের জন্য ব্যবহৃত হয় - Join।
18. RDBMS এ ডেটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, মুছতে ব্যবহৃত ভাষা হলো - SQL।
19. RDBMS এ সম্পর্ক স্থাপন করা হয় - টেবিলগুলির মধ্যে কী (Keys) দ্বারা।
20. RDBMS এর মূল বৈশিষ্ট্য কী - ডেটার অখণ্ডতা, সামঞ্জস্যতা এবং রিলেশন ভিত্তিক গঠন।
SQL Basics (DDL, DML, DCL, TCL)
1. SQL এর পূর্ণরূপ কী? — Structured Query Language।
2. SQL কে ডাটাবেসের সাথে যোগাযোগের জন্য কোন ভাষা বলা হয়? — Query Language।
3. DDL এর পূর্ণরূপ কী? — Data Definition Language।
4. DML এর পূর্ণরূপ কী? — Data Manipulation Language।
5. DCL এর পূর্ণরূপ কী? — Data Control Language।
6. TCL এর পূর্ণরূপ কী? — Transaction Control Language।
7. DDL কমান্ডগুলি কী কাজ করে? — ডাটাবেসের স্ট্রাকচার তৈরি ও পরিবর্তন করে।
8. DML কমান্ডগুলি কী কাজ করে? — ডাটাবেসে ডাটা যোগ, পরিবর্তন ও মুছে দেয়।
9. DCL কমান্ডগুলি কী কাজ করে? — ইউজার পারমিশন ও অ্যাক্সেস কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রণ করে।
10. TCL কমান্ডগুলি কী কাজ করে? — ট্রানজাকশন ব্যবস্থাপনা করে।
11. CREATE কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DDL।
12. ALTER কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DDL।
13. DROP কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DDL।
14. TRUNCATE কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DDL।
15. INSERT কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DML।
16. UPDATE কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DML।
17. DELETE কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DML।
18. SELECT কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DML।
19. GRANT কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DCL।
20. REVOKE কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — DCL।
21. COMMIT কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — TCL।
22. ROLLBACK কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — TCL।
23. SAVEPOINT কমান্ড কোন শ্রেণির অন্তর্গত? — TCL।
24. DDL কমান্ডের পরে কি COMMIT প্রয়োজন? — না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিট হয়।
25. DML কমান্ডের পরে কি COMMIT প্রয়োজন? — হ্যাঁ, ডাটা সংরক্ষণের জন্য।
26. DELETE ও TRUNCATE এর মধ্যে পার্থক্য কী? — DELETE DML কমান্ড, TRUNCATE DDL কমান্ড।
27. DROP কমান্ড কী করে? — সম্পূর্ণ টেবিল বা অবজেক্ট মুছে দেয়।
28. ALTER কমান্ডের কাজ কী? — টেবিলের স্ট্রাকচার পরিবর্তন করে।
29. ROLLBACK কমান্ডের কাজ কী? — সর্বশেষ পরিবর্তন বাতিল করে।
30. SAVEPOINT এর কাজ কী? — ট্রানজাকশনের মধ্যে নির্দিষ্ট পয়েন্ট নির্ধারণ করে পরে ফিরে যাওয়া যায়।
Keys (Primary, Foreign, Candidate, Composite)
1. ডেটাবেসে Key এর মূল উদ্দেশ্য কী? – টেবিলের রেকর্ডকে ইউনিকভাবে শনাক্ত করা।
2. Primary Key কী? – এমন একটি Key যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে।
3. একটি টেবিলে কয়টি Primary Key থাকতে পারে? – শুধুমাত্র একটি।
4. Foreign Key কী? – এমন একটি Key যা অন্য টেবিলের Primary Key কে রেফার করে।
5. Candidate Key কী? – টেবিলের এমন সব Key যেগুলি Primary Key হতে পারে।
6. Composite Key কী? – একাধিক Attribute মিলিয়ে তৈরি করা Key কে Composite Key বলে।
7. Primary Key এর মান কি NULL হতে পারে? – না, কখনোই হতে পারে না।
8. Foreign Key এর মান কি NULL হতে পারে? – হ্যাঁ, হতে পারে।
9. Candidate Key এর প্রতিটি মান কি ইউনিক হয়? – হ্যাঁ, সব মান ইউনিক হয়।
10. Primary Key সবসময় কোন Constraint ধারণ করে? – UNIQUE এবং NOT NULL।
11. Foreign Key টেবিলগুলির মধ্যে কোন সম্পর্ক স্থাপন করে? – Referential Relationship।
12. Super Key কী? – এক বা একাধিক Attribute যেগুলি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে শনাক্ত করে।
13. Composite Key এর অন্য নাম কী? – Compound Key।
14. Primary Key এর মান পরিবর্তন করা যায় কি? – সাধারণত পরিবর্তন করা যায় না।
15. Foreign Key কোন টেবিলের Primary Key কে রেফার করে? – Parent টেবিলের।
16. Candidate Key এর মধ্যে কোনটি Primary Key হিসেবে বেছে নেওয়া হয়? – যেটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
17. যদি একটি টেবিলে একাধিক Candidate Key থাকে, তাহলে কোনটি বেছে নেওয়া হয়? – যেটি ব্যবহারিকভাবে সহজ।
18. Primary Key এর মান কি পুনরাবৃত্তি হতে পারে? – না, কখনোই না।
19. Foreign Key এর মাধ্যমে কী নিয়ন্ত্রণ করা হয়? – Referential Integrity।
20. Super Key এবং Candidate Key এর মধ্যে পার্থক্য কী? – Super Key অতিরিক্ত Attribute থাকতে পারে, Candidate Key এ থাকে না।
21. Composite Key কবে ব্যবহৃত হয়? – যখন একাধিক কলাম মিলে রেকর্ড শনাক্ত করতে হয়।
22. Primary Key কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে Index তৈরি করে? – হ্যাঁ।
23. Foreign Key কোন টেবিলের সাথে লিঙ্ক তৈরি করে? – Reference বা Parent Table এর সাথে।
24. Candidate Key এর সংখ্যা কি একাধিক হতে পারে? – হ্যাঁ, একাধিক হতে পারে।
25. Primary Key কি একটি Candidate Key? – হ্যাঁ, এটি Candidate Key এর একটি রূপ।
26. Composite Key এর উপাদানগুলো আলাদা করে কি ইউনিক হয়? – না, একত্রে ইউনিক হয়।
27. Foreign Key এর প্রধান ভূমিকা কী? – টেবিলগুলির মধ্যে ডেটা ইন্টিগ্রিটি বজায় রাখা।
28. Super Key এর সংখ্যা Candidate Key এর চেয়ে বেশি না কম? – বেশি।
29. যদি কোনো টেবিলে Foreign Key না থাকে, তাহলে কি রিলেশনাল লিঙ্ক তৈরি হবে? – না।
30. Primary Key এবং Foreign Key একসাথে কী গঠন করে? – Relational Database Structure।
Normalization
1. নর্মালাইজেশন কী? – ডেটাবেসে ডেটার পুনরাবৃত্তি কমানো ও সঠিকভাবে সংগঠিত করার প্রক্রিয়াকে নর্মালাইজেশন বলে।
2. নর্মালাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য কী? – ডেটার অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি (Redundancy) কমানো।
3. নর্মালাইজেশন কে প্রবর্তন করেন? – এডগার এফ. কড (E. F. Codd)।
4. নর্মালাইজেশন কত প্রকারের হয়? – সাধারণত পাঁচ প্রকারের (1NF থেকে 5NF পর্যন্ত)।
5. প্রথম নর্মাল ফর্ম (1NF) কী বোঝায়? – টেবিলের প্রতিটি ফিল্ডে শুধু একক মান (Atomic Value) থাকবে।
6. দ্বিতীয় নর্মাল ফর্ম (2NF) কী? – 1NF পূর্ণ হলে এবং প্রতিটি নন-কি অ্যাট্রিবিউট সম্পূর্ণভাবে প্রাইমারি কী-এর উপর নির্ভরশীল হলে সেটি 2NF।
7. তৃতীয় নর্মাল ফর্ম (3NF) কী? – 2NF পূর্ণ হলে এবং নন-কি অ্যাট্রিবিউট অন্য নন-কি অ্যাট্রিবিউটের উপর নির্ভর না করলে সেটি 3NF।
8. Boyce-Codd Normal Form (BCNF) কী? – 3NF-এর উন্নত সংস্করণ যেখানে প্রতিটি ডিটারমিনেন্ট একটি ক্যান্ডিডেট কী।
9. নর্মালাইজেশনের মাধ্যমে কী উন্নতি হয়? – ডেটাবেসের ডেটা ইন্টিগ্রিটি ও কনসিসটেন্সি বৃদ্ধি পায়।
10. নর্মালাইজেশনের একটি অসুবিধা কী? – বেশি নর্মালাইজেশন করলে কুয়েরি পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে।
11. Denormalization কী? – নর্মালাইজড টেবিলগুলোকে একত্রিত করে পারফরম্যান্স বাড়ানোর প্রক্রিয়া।
12. Partial Dependency কী? – যখন নন-প্রাইম অ্যাট্রিবিউট কেবল প্রাইমারি কী-এর একটি অংশের উপর নির্ভর করে।
13. Transitive Dependency কী? – যখন একটি অ্যাট্রিবিউট অন্য নন-কি অ্যাট্রিবিউটের উপর নির্ভর করে।
14. 4NF (Fourth Normal Form) কী বোঝায়? – যখন টেবিলে কোনো Multivalued Dependency থাকে না।
15. 5NF (Fifth Normal Form) কী বোঝায়? – যখন টেবিলটি সমস্ত Join Dependency মুক্ত হয়।
16. Normalization-এর মূল ভিত্তি কী? – Functional Dependency বিশ্লেষণ।
17. Functional Dependency কী? – যখন একটি অ্যাট্রিবিউট অন্য একটি অ্যাট্রিবিউট দ্বারা অনন্যভাবে নির্ধারিত হয়।
18. নর্মালাইজেশন প্রক্রিয়ায় কোন কী ব্যবহৃত হয়? – Primary Key, Candidate Key, Foreign Key ইত্যাদি।
19. BCNF এর পূর্ণরূপ কী? – Boyce-Codd Normal Form।
20. নর্মালাইজেশন কোন প্রকার ডেটাবেসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? – Relational Database Management System (RDBMS)-এ।