রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Complete Chemistry for Competitive Exams in Bengali

রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Complete Chemistry for Competitive Exams in Bengali

রসায়ন (Chemistry)

অম্ল ও ক্ষারের সংজ্ঞা

1. অম্ল কী? — যে পদার্থ জলে ভেঙে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) উৎপন্ন করে তাকে অম্ল বলে।

2. ক্ষার কী? — যে পদার্থ জলে ভেঙে হাইড্রক্সিল আয়ন (OH⁻) উৎপন্ন করে তাকে ক্ষার বলে।

3. লবণ কী? — অম্ল ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন যৌগকে লবণ বলে।

4. অ্যারেনিয়াসের মতে অম্ল কী? — যে পদার্থ জলে হাইড্রোজেন আয়ন দেয় সেটি অম্ল।

5. অ্যারেনিয়াসের মতে ক্ষার কী? — যে পদার্থ জলে হাইড্রক্সিল আয়ন দেয় সেটি ক্ষার।

6. ব্রনস্টেড-লোরির মতে অম্ল কী? — যে পদার্থ প্রোটন দান করে তাকে অম্ল বলে।

7. ব্রনস্টেড-লোরির মতে ক্ষার কী? — যে পদার্থ প্রোটন গ্রহণ করে তাকে ক্ষার বলে।

8. লুইসের মতে অম্ল কী? — যে পদার্থ ইলেকট্রন যুগল গ্রহণ করে তাকে লুইস অম্ল বলে।

9. লুইসের মতে ক্ষার কী? — যে পদার্থ ইলেকট্রন যুগল দান করে তাকে লুইস ক্ষার বলে।

10. অম্লের স্বাদ কেমন? — অম্লের স্বাদ টক।

11. ক্ষারের স্বাদ কেমন? — ক্ষারের স্বাদ তিতা ও পিচ্ছিল।

12. অম্ল লিটমাস কাগজে কী রঙ দেয়? — লাল রঙ দেয়।

13. ক্ষার লিটমাস কাগজে কী রঙ দেয়? — নীল রঙ দেয়।

14. অম্লের প্রকৃতি কী? — প্রোটন দাতা।

15. ক্ষারের প্রকৃতি কী? — প্রোটন গ্রহীতা।

16. অম্লের সঙ্গে ধাতুর বিক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়? — হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

17. অম্লের সঙ্গে কার্বনেটের বিক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়? — কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।

18. অম্লের উদাহরণ দাও। — হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl), সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄)।

19. ক্ষারের উদাহরণ দাও। — সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH)।

20. অম্ল ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় কী গঠিত হয়? — লবণ ও জল গঠিত হয়।

pH মান ও এর গুরুত্ব

1. pH মান কাকে বলে? — হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগ মানকে pH বলে।

2. pH শব্দটি কার দ্বারা প্রবর্তিত? — সোরেনসেন (Sørensen) দ্বারা।

3. pH মানের পূর্ণরূপ কী? — Power of Hydrogen।

4. pH মানের মানদণ্ড কিসের ওপর নির্ভর করে? — দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ওপর।

5. pH মানের পরিসর কত? — ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত।

6. যদি কোনো দ্রবণের pH মান ৭ হয়, তবে সেটি কেমন দ্রবণ? — নিরপেক্ষ দ্রবণ।

7. যদি কোনো দ্রবণের pH মান ৭-এর কম হয়, তবে সেটি কেমন দ্রবণ? — অম্লীয় দ্রবণ।

8. যদি কোনো দ্রবণের pH মান ৭-এর বেশি হয়, তবে সেটি কেমন দ্রবণ? — ক্ষারীয় দ্রবণ।

9. pH মান ১ থাকলে দ্রবণের প্রকৃতি কী? — প্রবল অম্লীয়।

10. pH মান ১৩ থাকলে দ্রবণের প্রকৃতি কী? — প্রবল ক্ষারীয়।

11. মানব রক্তের pH মান কত? — প্রায় ৭.৪।

12. পানির pH মান কত? — ৭ (নিরপেক্ষ)।

13. অম্লীয় বৃষ্টির pH মান কতের নিচে হয়? — ৫.৬-এর নিচে।

14. pH মান নির্ধারণে কোন সূচক ব্যবহৃত হয়? — ইউনিভার্সাল ইন্ডিকেটর বা pH পেপার।

15. মাটির pH মানের গুরুত্ব কী? — ফসল উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত অম্ল-ক্ষার ভারসাম্য নির্ধারণ করে।

16. মানব দেহের pH মান পরিবর্তন হলে কী হয়? — এনজাইমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।

17. pH মান বেশি হলে দ্রবণটি কেমন হয়? — অধিক ক্ষারীয়।

18. pH মান কম হলে দ্রবণটি কেমন হয়? — অধিক অম্লীয়।

19. pH মান মাপার যন্ত্রের নাম কী? — pH মিটার।

20. pH স্কেল কে প্রবর্তন করেন? — সোরেনসেন ১৯০৯ সালে।

সাধারণ অম্ল

1. অম্ল কাকে বলে? — যে পদার্থ জলে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) উৎপন্ন করে তাকে অম্ল বলে।

2. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — HCl।

3. সালফিউরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — H₂SO₄।

4. নাইট্রিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — HNO₃।

5. কার্বনিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — H₂CO₃।

6. অ্যাসিটিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — CH₃COOH।

7. ফসফরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — H₃PO₄।

8. হাইড্রোব্রোমিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — HBr।

9. হাইড্রোফ্লোরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — HF।

10. হাইড্রোআয়োডিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত কী? — HI।

11. সালফিউরিক অ্যাসিডকে কী বলা হয়? — রাসায়নিক শিল্পের জননী।

12. ভিনেগারে কোন অম্ল থাকে? — অ্যাসিটিক অ্যাসিড।

13. লেবু ও কমলালেবুতে কোন অম্ল থাকে? — সাইট্রিক অ্যাসিড।

14. দুধ টক হলে কোন অম্ল তৈরি হয়? — ল্যাকটিক অ্যাসিড।

15. পালং শাকে কোন অম্ল থাকে? — অক্সালিক অ্যাসিড।

16. আপেলের মধ্যে কোন অম্ল থাকে? — ম্যালিক অ্যাসিড।

17. আঙুরে কোন অম্ল থাকে? — টারটারিক অ্যাসিড।

18. সালফিউরিক অ্যাসিডের প্রকৃতি কেমন? — দ্বিমূলক প্রবল অম্ল।

19. অ্যাসিটিক অ্যাসিডের প্রকৃতি কেমন? — একমূলক দুর্বল অম্ল।

20. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড দেহের কোথায় পাওয়া যায়? — মানুষের পাকস্থলীতে।

সাধারণ ক্ষার

1. ক্ষার কাকে বলে? — যে পদার্থ জলে ভেঙে হাইড্রক্সিল আয়ন (OH⁻) উৎপন্ন করে তাকে ক্ষার বলে।

2. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — NaOH।

3. পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — KOH।

4. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — Ca(OH)₂।

5. অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — NH₄OH।

6. বেরিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — Ba(OH)₂।

7. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — Mg(OH)₂।

8. অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — Al(OH)₃।

9. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে আর কী নামে ডাকা হয়? — কস্টিক সোডা।

10. পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে আর কী নামে ডাকা হয়? — কস্টিক পটাশ।

11. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে কী বলা হয়? — চুনজল বা স্লেকড লাইম।

12. অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে কী বলা হয়? — অ্যামোনিয়া জল।

13. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাধারণ নাম কী? — মিল্ক অব ম্যাগনেসিয়া।

14. ক্ষারের স্বাদ কেমন? — তিতা ও পিচ্ছিল।

15. ক্ষার লিটমাস কাগজে কী রঙ দেয়? — নীল রঙ।

16. ক্ষার কোন পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে লবণ ও জল তৈরি করে? — অম্লের সঙ্গে।

17. দুর্বল ক্ষারের একটি উদাহরণ দাও। — অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড।

18. প্রবল ক্ষারের একটি উদাহরণ দাও। — সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড।

19. সাবান তৈরিতে কোন ক্ষার ব্যবহৃত হয়? — সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড।

20. ক্ষারের প্রকৃতি কী? — প্রোটন গ্রহীতা বা হাইড্রক্সিল আয়ন দাতা।

লবণ ও তার প্রকারভেদ

1. লবণ কাকে বলে? — অম্ল ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন যৌগকে লবণ বলে।

2. লবণ গঠনের বিক্রিয়াকে কী বলা হয়? — নিরপেক্ষীকরণ বিক্রিয়া।

3. সোডিয়াম ক্লোরাইডের রাসায়নিক সংকেত কী? — NaCl।

4. সোডিয়াম ক্লোরাইডকে কী বলা হয়? — সাধারণ লবণ বা খাবার লবণ।

5. লবণের কত প্রকার? — প্রধানত তিন প্রকার: অম্লীয়, ক্ষারীয় ও নিরপেক্ষ লবণ।

6. নিরপেক্ষ লবণ কী? — প্রবল অম্ল ও প্রবল ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ।

7. অম্লীয় লবণ কী? — প্রবল অম্ল ও দুর্বল ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ।

8. ক্ষারীয় লবণ কী? — প্রবল ক্ষার ও দুর্বল অম্লের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ।

9. বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত কী? — NaHCO₃।

10. বেকিং সোডাকে কী বলা হয়? — সোডিয়াম বাইকার্বোনেট।

11. ওয়াশিং সোডার রাসায়নিক সংকেত কী? — Na₂CO₃·10H₂O।

12. ওয়াশিং সোডাকে কী বলা হয়? — সোডিয়াম কার্বোনেট।

13. ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক সংকেত কী? — CaOCl₂।

14. ব্লিচিং পাউডারের ব্যবহার কী? — জীবাণুনাশক ও বস্ত্র সাদা করার কাজে।

15. জিপসামের রাসায়নিক সংকেত কী? — CaSO₄·2H₂O।

16. প্লাস্টার অব প্যারিসের সংকেত কী? — CaSO₄·½H₂O।

17. প্লাস্টার অব প্যারিস কিসের থেকে তৈরি হয়? — জিপসামকে গরম করলে।

18. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড কী ধরনের লবণ? — অম্লীয় লবণ।

19. সোডিয়াম অ্যাসিটেট কী ধরনের লবণ? — ক্ষারীয় লবণ।

20. সোডিয়াম ক্লোরাইড কী ধরনের লবণ? — নিরপেক্ষ লবণ।

সূচক (লিটমাস, মিথাইল অরেঞ্জ, ফেনলফথ্যালিন)

1. সূচক কাকে বলে? — অম্ল ও ক্ষারকে চিহ্নিত করতে যে পদার্থ রঙ পরিবর্তন করে তাকে সূচক বলে।

2. সবচেয়ে প্রচলিত সূচক কোনটি? — লিটমাস।

3. লিটমাস কোথা থেকে প্রাপ্ত হয়? — লাইকের নামক এক প্রকার শৈবাল থেকে।

4. লিটমাস দ্রবণ সাধারণত কেমন রঙের হয়? — বেগুনি রঙের।

5. অম্লে লিটমাসের রঙ কী হয়? — লাল।

6. ক্ষারে লিটমাসের রঙ কী হয়? — নীল।

7. নিরপেক্ষ দ্রবণে লিটমাসের রঙ কী থাকে? — বেগুনি।

8. লাল লিটমাস কাগজ কোন দ্রবণে নীল হয়? — ক্ষারীয় দ্রবণে।

9. নীল লিটমাস কাগজ কোন দ্রবণে লাল হয়? — অম্লীয় দ্রবণে।

10. লিটমাসের pH পরিবর্তনের পরিসর কত? — প্রায় ৪.৫ থেকে ৮.৩।

11. মিথাইল অরেঞ্জ কেমন সূচক? — কৃত্রিম সূচক।

12. মিথাইল অরেঞ্জ অম্লে কী রঙ ধারণ করে? — লাল।

13. মিথাইল অরেঞ্জ ক্ষারে কী রঙ ধারণ করে? — হলুদ।

14. মিথাইল অরেঞ্জের নিরপেক্ষ অবস্থায় রঙ কেমন? — কমলা।

15. মিথাইল অরেঞ্জের pH পরিবর্তনের পরিসর কত? — প্রায় ৩.১ থেকে ৪.৪।

16. ফেনলফথ্যালিন কেমন সূচক? — কৃত্রিম সূচক।

17. ফেনলফথ্যালিন অম্লে কী রঙের হয়? — বর্ণহীন।

18. ফেনলফথ্যালিন ক্ষারে কী রঙের হয়? — গোলাপি।

19. ফেনলফথ্যালিনের নিরপেক্ষ দ্রবণে রঙ কেমন থাকে? — বর্ণহীন।

20. ফেনলফথ্যালিনের pH পরিবর্তনের পরিসর কত? — প্রায় ৮.৩ থেকে ১০।

21. ইউনিভার্সাল ইন্ডিকেটর কাকে বলে? — বিভিন্ন সূচকের মিশ্রণ যা সম্পূর্ণ pH পরিসর নির্দেশ করে।

22. ইউনিভার্সাল ইন্ডিকেটর কোন pH মানে সবুজ হয়? — ৭ (নিরপেক্ষ দ্রবণ)।

23. লিটমাস, মিথাইল অরেঞ্জ, ফেনলফথ্যালিন — এরা কোন শ্রেণীর সূচক? — অ্যাসিড-বেস সূচক।

24. কোন সূচক ক্ষারের উপস্থিতিতে গোলাপি রঙ দেখায়? — ফেনলফথ্যালিন।

25. কোন সূচক অম্লের উপস্থিতিতে লাল ও ক্ষারে হলুদ হয়? — মিথাইল অরেঞ্জ।

26. কোন সূচক অম্লে লাল ও ক্ষারে নীল হয়? — লিটমাস।

27. ফেনলফথ্যালিন দ্রবণ তৈরি করতে কোন দ্রাবক ব্যবহার করা হয়? — ইথানল।

28. সূচক দ্বারা কীভাবে দ্রবণের প্রকৃতি নির্ণয় করা হয়? — রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে।

29. অম্ল ও ক্ষারের পরীক্ষায় সূচকের ভূমিকা কী? — অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতি চিহ্নিত করা।

30. লিটমাস কাগজের প্রধান দুটি রঙ কী? — লাল ও নীল।

দ্রবণ, দ্রাবক ও দ্রব্য

1. দ্রবণ কী? — দুই বা ততোধিক পদার্থের সমবায় মিশ্রণকে দ্রবণ বলে।

2. দ্রব্য কী? — যে পদার্থ দ্রাবকে দ্রবীভূত হয় তাকে দ্রব্য বলে।

3. দ্রাবক কী? — যে পদার্থ অন্য পদার্থকে দ্রবীভূত করে তাকে দ্রাবক বলে।

4. পানি কোন ধরনের দ্রাবক? — সর্বজনীন দ্রাবক।

5. সাধারণত দ্রবণে কোন পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে? — দ্রাবকের।

6. চিনি-পানি মিশ্রণ কিসের উদাহরণ? — তরল দ্রবণ।

7. বায়ু কিসের উদাহরণ? — গ্যাসীয় দ্রবণ।

8. ব্রাস কিসের উদাহরণ? — কঠিন দ্রবণ (তামা ও দস্তার সংকর ধাতু)।

9. দ্রবণ ক’টি প্রকার? — সাধারণত তিন প্রকার (গ্যাসীয়, তরল, কঠিন)।

10. দ্রবণে দ্রব্যের কণাগুলির আকার কেমন? — অতি ক্ষুদ্র (১ ন্যানোমিটারের নিচে)।

11. দ্রবণ কি সমসত্ত্ব না বিষমসত্ত্ব মিশ্রণ? — সমসত্ত্ব মিশ্রণ।

12. দুধ কি দ্রবণ? — না, এটি কোলয়েডীয় মিশ্রণ।

13. সোডা জল কিসের দ্রবণ? — CO₂ গ্যাসের জলীয় দ্রবণ।

14. চা কিসের দ্রবণ? — জলীয় দ্রবণ।

15. সোনার অলংকার কোন ধরনের দ্রবণ? — কঠিন দ্রবণ।

16. দ্রবণে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে দ্রবণের ক্ষমতা সাধারণত কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

17. দ্রবণে দ্রবীভবনের প্রক্রিয়াকে কী বলে? — সলিউশন প্রক্রিয়া।

18. দ্রবণের ঘনত্ব কিসে প্রকাশ করা হয়? — মোলারিটি বা মোলালিটি দ্বারা।

19. দ্রবণের ঘনত্ব বেশি মানে কী? — দ্রব্যের পরিমাণ বেশি।

20. সমঘন দ্রবণ কাকে বলে? — যে দ্রবণে সব অংশে দ্রব্যের ঘনত্ব সমান।

21. অসমঘন দ্রবণ কাকে বলে? — যেখানে দ্রব্যের ঘনত্ব সর্বত্র সমান নয়।

22. দ্রবণে তাপমাত্রা কমলে দ্রবণ ক্ষমতা সাধারণত কী হয়? — হ্রাস পায়।

23. অ্যালকোহল ও জলের মিশ্রণ কিসের উদাহরণ? — তরল-তরল দ্রবণ।

24. চিনির দ্রবণ কেমন মিশ্রণ? — সমসত্ত্ব মিশ্রণ।

25. জলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের জন্য মাছ বাঁচে — এটি কোন দ্রবণ? — গ্যাস-তরল দ্রবণ।

26. সলভেশন কী? — দ্রব্য কণার সঙ্গে দ্রাবক কণার আকর্ষণ।

27. জলে লবণ দ্রবীভূত হলে কোন বন্ধন ভাঙে? — আয়নিক বন্ধন।

28. জলে দ্রবণ গঠনে তাপের ভূমিকা কী? — তাপ দ্রবীভবনকে ত্বরান্বিত করে।

29. অতিরিক্ত দ্রবীভূত দ্রবণকে কী বলে? — অতৃপ্ত দ্রবণ।

30. দ্রবণে দ্রবণীয়তা নির্ভর করে কিসের উপর? — তাপমাত্রা ও চাপের উপর।

দ্রাব্যতা

1. দ্রাব্যতা কী? — একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দ্রাবকে দ্রবীভূত দ্রব্যের সর্বাধিক পরিমাণ।

2. দ্রাব্যতার একক কী? — গ্রাম প্রতি ১০০ গ্রাম দ্রাবক।

3. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অধিকাংশ কঠিন পদার্থের দ্রাব্যতা কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

4. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে গ্যাসের দ্রাব্যতা কী হয়? — হ্রাস পায়।

5. চাপ বৃদ্ধিতে গ্যাসের দ্রাব্যতা কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

6. হেনরি সূত্র কোন বিষয়ে প্রযোজ্য? — গ্যাসের দ্রাব্যতা।

7. লবণের দ্রাব্যতা কোন ধরনের পরিবর্তন? — ভৌত পরিবর্তন।

8. চিনির দ্রাব্যতা তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

9. NaCl এর দ্রাব্যতা তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কেমন থাকে? — প্রায় অপরিবর্তিত।

10. CO₂ এর দ্রাব্যতা তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কী হয়? — হ্রাস পায়।

11. অতৃপ্ত দ্রবণ কী? — যেখানে আরও দ্রব্য দ্রবীভূত হতে পারে।

12. সন্তৃপ্ত দ্রবণ কী? — যেখানে আর দ্রব্য দ্রবীভূত হতে পারে না।

13. অধিসন্তৃপ্ত দ্রবণ কী? — যেখানে তাপমাত্রা কমিয়ে দ্রবণ থেকে বেশি দ্রব্য ধরে রাখা হয়।

14. দ্রাব্যতা গ্রাফ কিসের মধ্যে সম্পর্ক দেখায়? — দ্রাব্যতা ও তাপমাত্রার মধ্যে।

15. গ্যাসের দ্রাব্যতা সাধারণত কীসের উপর নির্ভর করে? — চাপের উপর।

16. লবণের দ্রাব্যতা কী দ্বারা নির্ধারিত হয়? — আয়ন ও দ্রাবকের প্রকৃতি দ্বারা।

17. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কোন দ্রবীভবন হ্রাস পায়? — গ্যাসীয় দ্রবীভবন।

18. অধিসন্তৃপ্ত দ্রবণ অস্থিতিশীল কেন? — অল্প বিঘ্নে স্ফটিক পড়ে যায়।

19. NH₃ গ্যাসের জলে দ্রাব্যতা কেমন? — খুব বেশি।

20. H₂ গ্যাসের জলে দ্রাব্যতা কেমন? — অতি সামান্য।

কলিগেটিভ ধর্ম

1. কলিগেটিভ ধর্ম কী? — দ্রবণে দ্রবীভূত কণার সংখ্যা নির্ভর ধর্ম।

2. কলিগেটিভ ধর্মের উদাহরণ কয়টি? — চারটি।

3. প্রথম কলিগেটিভ ধর্ম কী? — বাষ্প চাপের হ্রাস।

4. দ্বিতীয় কলিগেটিভ ধর্ম কী? — স্ফুটনাঙ্কের বৃদ্ধি।

5. তৃতীয় কলিগেটিভ ধর্ম কী? — হিমাঙ্কের হ্রাস।

6. চতুর্থ কলিগেটিভ ধর্ম কী? — অসমোসিস চাপ।

7. কলিগেটিভ ধর্ম নির্ভর করে কিসের উপর? — দ্রবীভূত কণার সংখ্যার উপর।

8. অবাষ্পীয় দ্রব্য যুক্ত করলে বাষ্প চাপ কী হয়? — হ্রাস পায়।

9. NaCl দ্রবীভূত হলে কতটি আয়নে ভাঙে? — দুটি (Na⁺ ও Cl⁻)।

10. জলে লবণ মেশালে হিমাঙ্কে কী পরিবর্তন হয়? — কমে যায়।

11. জলে লবণ মেশালে স্ফুটনাঙ্কে কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

12. অসমোসিস কী? — আধা-পারগম্য ঝিল্লির মাধ্যমে দ্রাবকের গমন।

13. অসমোসিস চাপ কী দ্বারা মাপা যায়? — ভ্যান্ট হফ সূত্র দ্বারা।

14. ভ্যান্ট হফ সূত্র কী বোঝায়? — অসমোসিস চাপ ও ঘনত্বের সম্পর্ক।

15. আয়নিক যৌগের কারণে কলিগেটিভ ধর্মে কী ঘটে? — বৃদ্ধি পায়।

16. চিনি দ্রবণে কলিগেটিভ ধর্মের পরিবর্তন কেমন? — তুলনামূলক কম।

17. ডিপ্রেশন অফ ফ্রিজিং পয়েন্ট কিসের পরিমাপ? — হিমাঙ্ক হ্রাসের।

18. এলিভেশন অফ বয়েলিং পয়েন্ট কিসের পরিমাপ? — স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধির।

19. রাউল্ট সূত্র কী নিয়ে কাজ করে? — বাষ্প চাপের হ্রাস।

20. অসমোসিস প্রক্রিয়ার উদাহরণ কী? — উদ্ভিদের মূলের মাধ্যমে জলের শোষণ।

স্ফটিকীকরণ, পাতন, বাষ্পীভবন

1. স্ফটিকীকরণ কী? — দ্রবণ থেকে বিশুদ্ধ স্ফটিক পাওয়ার প্রক্রিয়া।

2. পাতন কী? — তরলকে উত্তপ্ত করে বাষ্পে রূপান্তর ও পুনঃসংক্ষেপণের প্রক্রিয়া।

3. বাষ্পীভবন কী? — তরল পদার্থের উপরিভাগ থেকে ধীরে ধীরে বাষ্পে পরিণত হওয়া।

4. স্ফটিকীকরণ প্রক্রিয়ায় কী পাওয়া যায়? — বিশুদ্ধ স্ফটিক পদার্থ।

5. সমুদ্রের জল থেকে লবণ প্রাপ্তির পদ্ধতি কী? — বাষ্পীভবন।

6. মিশ্রণের উপাদান পৃথক করতে কোন প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়? — পাতন।

7. অ্যালকোহল ও জলের পৃথকীকরণে কোন প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়? — ভগ্নাংশীয় পাতন।

8. জলে তামা সালফেট দ্রবণ থেকে স্ফটিক পাওয়া যায় কিভাবে? — স্ফটিকীকরণের মাধ্যমে।

9. পাতন প্রক্রিয়ায় কোন উপাদান প্রথমে বাষ্পে রূপান্তরিত হয়? — যেটির স্ফুটনাঙ্ক কম।

10. স্ফটিকীকরণের মূল উদ্দেশ্য কী? — পদার্থ বিশুদ্ধ করা।

11. বাষ্পীভবন সাধারণত কোন প্রক্রিয়া? — ভৌত প্রক্রিয়া।

12. বাষ্পীভবনের হার কীতে নির্ভর করে? — তাপমাত্রা ও বায়ুপ্রবাহে।

13. দুধ থেকে জল আলাদা করা যায় কি বাষ্পীভবনে? — না, এতে দুধ নষ্ট হয়।

14. অ্যালকোহল ও পেট্রোলিয়ামের পৃথকীকরণে ব্যবহৃত পদ্ধতি কী? — ভগ্নাংশীয় পাতন।

15. পাতন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম কী? — ডিস্টিলার বা কনডেনসার।

16. স্ফটিকীকরণ প্রক্রিয়ায় তাপমাত্রা কীভাবে পরিবর্তিত হয়? — ধীরে ধীরে হ্রাস করা হয়।

17. বাষ্পীভবনে তাপের উৎস কী? — সূর্য বা আগুন।

18. লবণ প্রস্তুতিতে কোন প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়? — বাষ্পীভবন।

19. স্ফটিকীকৃত পদার্থ সাধারণত কেমন হয়? — কঠিন ও ঝকঝকে।

20. ভগ্নাংশীয় পাতন দ্বারা পেট্রোলিয়াম থেকে কী পাওয়া যায়? — পেট্রল, ডিজেল ইত্যাদি।

21. বাষ্পীভবন ও স্ফটিকীকরণ উভয়ই কী ধরনের প্রক্রিয়া? — ভৌত প্রক্রিয়া।

22. পাতন প্রক্রিয়ায় পদার্থের রাসায়নিক গঠন কি বদলায়? — না।

23. স্ফটিকীকরণে দ্রবণকে কেমন করতে হয়? — অতৃপ্ত।

24. বাষ্পীভবনে কোন ধরনের দ্রবণ থেকে দ্রাবক হারানো হয়? — তরল দ্রবণ।

25. তাপমাত্রা যত বেশি, বাষ্পীভবন তত — দ্রুত।

26. বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় শক্তি কী আকারে ব্যবহৃত হয়? — তাপ শক্তি।

27. স্ফটিকীকরণের জন্য ব্যবহৃত দ্রবণ কেমন হয়? — সম্পূর্ণ দ্রবীভূত ও বিশুদ্ধ।

28. পাতনের ফলে মিশ্রণটি কী হয়? — উপাদানগুলো পৃথক হয়।

29. স্ফটিকীকরণের উদাহরণ কী? — কপার সালফেটের স্ফটিক পাওয়া।

30. বাষ্পীভবনের ফলে দ্রবণ কেমন হয়? — ঘন।

তড়িৎ বিশ্লেষণ

1. তড়িৎ বিশ্লেষণ কী - কোনো যৌগের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে তাকে ভাঙার প্রক্রিয়া।

2. তড়িৎ বিশ্লেষণে ব্যবহৃত দ্রবণকে কী বলে - ইলেক্ট্রোলাইট।

3. যে পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করে তাকে কী বলে - ইলেক্ট্রোলাইট।

4. তড়িৎ বিশ্লেষণে ধনাত্মক ইলেক্ট্রোডকে কী বলে - অ্যানোড।

5. তড়িৎ বিশ্লেষণে ঋণাত্মক ইলেক্ট্রোডকে কী বলে - ক্যাথোড।

6. তড়িৎ বিশ্লেষণে বিদ্যুৎ সরবরাহের উৎস কী - ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC)।

7. তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোন যৌগকে ভাঙা যায় - গলিত বা জলে দ্রবীভূত যৌগকে।

8. তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রথম আবিষ্কার করেন - মাইকেল ফ্যারাডে।

9. ফ্যারাডে-এর প্রথম সূত্র কী বলে - উৎপন্ন পদার্থের পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহের পরিমাণের সমানুপাতিক।

10. ফ্যারাডে-এর দ্বিতীয় সূত্র কী বলে - সমপরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহে উৎপন্ন পদার্থের ভর তাদের সমমানের সমানুপাতিক।

11. তড়িৎ বিশ্লেষণে ধনায়ন কোথায় যায় - ক্যাথোডে।

12. তড়িৎ বিশ্লেষণে ঋণায়ন কোথায় যায় - অ্যানোডে।

13. জলের তড়িৎ বিশ্লেষণে কী উৎপন্ন হয় - হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস।

14. সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণের তড়িৎ বিশ্লেষণে কী উৎপন্ন হয় - সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ক্লোরিন ও হাইড্রোজেন।

15. তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় ইলেক্ট্রোডে যে বিক্রিয়া ঘটে তাকে কী বলে - রেডক্স বিক্রিয়া।

16. তড়িৎ বিশ্লেষণে যে আয়ন ইলেক্ট্রোডে ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে - ক্যাটায়ন।

17. তড়িৎ বিশ্লেষণে যে আয়ন ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে - অ্যানায়ন।

18. তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ধাতু শোধন করা যায় - হ্যাঁ।

19. অ্যালুমিনিয়াম প্রস্তুত করা হয় কোন প্রক্রিয়ায় - তড়িৎ বিশ্লেষণে।

20. তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ধাতু প্রলেপ দেওয়া যায় - হ্যাঁ।

21. তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় বিদ্যুৎ শক্তি রূপান্তরিত হয় কোন শক্তিতে - রাসায়নিক শক্তিতে।

22. তড়িৎ বিশ্লেষণে ব্যবহৃত পাত্রকে কী বলে - ইলেক্ট্রোলাইটিক সেল।

23. তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ক্লোরিন গ্যাস উৎপাদন হয় কোন যৌগ থেকে - সোডিয়াম ক্লোরাইড থেকে।

24. তড়িৎ বিশ্লেষণে গলিত NaCl থেকে কী উৎপন্ন হয় - সোডিয়াম ও ক্লোরিন।

25. AgNO₃ দ্রবণের তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোডে কী উৎপন্ন হয় - রূপা (Ag)।

26. CuSO₄ দ্রবণের তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোডে কী উৎপন্ন হয় - তামা (Cu)।

27. তড়িৎ বিশ্লেষণে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত তার - তামার তার।

28. তড়িৎ বিশ্লেষণের উদাহরণ - জলের তড়িৎ বিশ্লেষণ।

29. তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের বিক্রিয়া ঘটে - জারণ ও বিজারণ।

30. তড়িৎ বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত - ইলেক্ট্রোলাইটে আয়ন থাকতে হবে।

ব্যাটারি ও সেল

1. সেল কী - রাসায়নিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরকারী যন্ত্র।

2. ব্যাটারি কী - একাধিক সেল যুক্ত করলে তাকে ব্যাটারি বলে।

3. ড্যানিয়েল সেল আবিষ্কার করেন - জন ড্যানিয়েল।

4. ড্যানিয়েল সেলের ইলেক্ট্রোলাইট কী - তামার সালফেট দ্রবণ ও সালফিউরিক অ্যাসিড।

5. ড্যানিয়েল সেলের ধনাত্মক ইলেক্ট্রোড কী - তামা।

6. ড্যানিয়েল সেলের ঋণাত্মক ইলেক্ট্রোড কী - দস্তা।

7. ড্যানিয়েল সেল কী ধরনের সেল - প্রাথমিক সেল।

8. প্রাথমিক সেলে বিদ্যুৎ শেষ হলে - পুনরায় চার্জ করা যায় না।

9. দ্বিতীয় সেল কী - যেগুলি পুনরায় চার্জ করা যায়।

10. লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি কোন ধরনের সেল - দ্বিতীয় সেল।

11. লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির ধনাত্মক ইলেক্ট্রোড কী - সীসা ডাইঅক্সাইড (PbO₂)।

12. লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির ঋণাত্মক ইলেক্ট্রোড কী - সীসা (Pb)।

13. লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির ইলেক্ট্রোলাইট কী - সালফিউরিক অ্যাসিড।

14. ড্রাই সেল আবিষ্কার করেন - জর্জ লেকলাঞ্চে।

15. ড্রাই সেলের ইলেক্ট্রোলাইট কী - অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ও জিঙ্ক ক্লোরাইডের পেস্ট।

16. ড্রাই সেলের ঋণাত্মক ইলেক্ট্রোড কী - দস্তা।

17. ড্রাই সেলের ধনাত্মক ইলেক্ট্রোড কী - কার্বন।

18. নিকেল-ক্যাডমিয়াম ব্যাটারি কী ধরনের সেল - রিচার্জেবল সেল।

19. লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি কোথায় ব্যবহৃত হয় - মোবাইল ও ল্যাপটপে।

20. ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সেল কী - রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সেল।

ইলেক্ট্রোপ্লেটিং

1. ইলেক্ট্রোপ্লেটিং কী - তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোনো ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়া।

2. ইলেক্ট্রোপ্লেটিং প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকে - ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC)।

3. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে ক্যাথোড কী - যে বস্তুতে প্রলেপ দেওয়া হবে।

4. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে অ্যানোড কী - প্রলেপ দেওয়া ধাতু।

5. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে ব্যবহৃত দ্রবণ - প্রলেপ ধাতুর লবণের দ্রবণ।

6. রূপা প্রলেপে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রোলাইট - সিলভার সায়ানাইড দ্রবণ।

7. তামা প্রলেপে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রোলাইট - কপার সালফেট দ্রবণ।

8. নিকেল প্রলেপে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রোলাইট - নিকেল সালফেট দ্রবণ।

9. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের উদ্দেশ্য - ধাতুকে মরিচা থেকে রক্ষা ও চকচকে করা।

10. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে বিদ্যুৎ শক্তি রূপান্তরিত হয় - রাসায়নিক শক্তিতে।

11. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ - ডাইরেক্ট কারেন্ট।

12. সোনার প্রলেপে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রোলাইট - গোল্ড ক্লোরাইড দ্রবণ।

13. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে পাত্রকে বলে - ইলেক্ট্রোলাইটিক সেল।

14. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে বস্তুটি কোথায় যুক্ত থাকে - ক্যাথোডে।

15. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে ধাতুর পাতটি কোথায় যুক্ত থাকে - অ্যানোডে।

16. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের আগে বস্তুটি কীভাবে প্রস্তুত করা হয় - ভালোভাবে পরিষ্কার করে।

17. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে তামার প্রলেপ দিলে বস্তুটির রঙ হয় - লালচে।

18. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে নিকেল প্রলেপ দিলে বস্তুটি হয় - উজ্জ্বল ধূসর।

19. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের মাধ্যমে লোহাকে রক্ষা করা যায় - হ্যাঁ।

20. ইলেক্ট্রোপ্লেটিং প্রক্রিয়ায় কী ধরনের বিক্রিয়া ঘটে - জারণ-বিজারণ।

21. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের মূল উদ্দেশ্য - সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি।

22. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে ব্যবহৃত দ্রবণকে কী বলে - ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণ।

23. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে প্রলেপের পুরুত্ব কিসের উপর নির্ভর করে - বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় ও শক্তির উপর।

24. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে রূপার প্রলেপ কোন বস্তুর উপর দেওয়া হয় - গয়না বা বাসনপত্রে।

25. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে - প্রলেপ দেওয়া বন্ধ হয়।

26. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের সময় অ্যানোডে কী ঘটে - ধাতু দ্রবীভূত হয়।

27. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের সময় ক্যাথোডে কী ঘটে - ধাতু জমে।

28. ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ে প্রয়োজনীয় শর্ত - ইলেক্ট্রোলাইটে আয়ন থাকা।

29. ইলেক্ট্রোপ্লেটিং প্রক্রিয়া কে আবিষ্কার করেন - লুইজি গ্যালভানি।

30. ইলেক্ট্রোপ্লেটিং শিল্পে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ - কম ভোল্টের DC কারেন্ট।

শক্তির নিত্যতা

1. শক্তির নিত্যতার সূত্র কে প্রস্তাব করেন – মেয়ার।

2. শক্তির নিত্যতার সূত্র অনুযায়ী শক্তি সৃষ্টি বা বিনষ্ট হয় না – বরং এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়।

3. শক্তির নিত্যতার সূত্র কোন নীতির উপর ভিত্তি করে – তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের উপর।

4. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রটি কি নির্দেশ করে – শক্তির সংরক্ষণ।

5. যদি কোনো সিস্টেম তাপ শোষণ করে তবে তার অন্তর্গত শক্তি – বৃদ্ধি পায়।

6. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের সমীকরণ – ΔU = Q – W।

7. ΔU এর মান ধনাত্মক হলে অর্থ – সিস্টেমের শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

8. ΔU এর মান ঋণাত্মক হলে অর্থ – সিস্টেম শক্তি হারিয়েছে।

9. যদি কোনো বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয়, তবে সেটি – উষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

10. যদি কোনো বিক্রিয়ায় তাপ শোষিত হয়, তবে সেটি – শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

11. কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মোট শক্তি অপরিবর্তিত থাকে – শক্তির নিত্যতার সূত্র অনুযায়ী।

12. শক্তির একক হলো – জুল (Joule)।

13. ১ ক্যালরি সমান – ৪.১৮ জুল।

14. তাপ রসায়নে শক্তি পরিবর্তন প্রকাশ করা হয় – ক্যালরি বা জুল এককে।

15. শক্তির নিত্যতার সূত্র প্রমাণ করে – শক্তি কখনো বিনষ্ট হয় না।

16. যান্ত্রিক কাজ ও তাপ একে অপরের মধ্যে – রূপান্তরিত হতে পারে।

17. কোনো প্রক্রিয়ায় তাপ ও কাজের সমষ্টি স্থির থাকে – তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র অনুযায়ী।

18. শক্তির নিত্যতার সূত্রকে বলা হয় – Conservation of Energy।

19. রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় শক্তি পরিবর্তনের অধ্যয়ন – তাপ রসায়নের অন্তর্ভুক্ত।

20. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র প্রয়োগ হয় – বন্ধ সিস্টেমে।

উষ্মাধর্মী ও শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়া

1. যে বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলে – উষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

2. যে বিক্রিয়ায় তাপ শোষিত হয় তাকে বলে – শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

3. CH₄ + 2O₂ → CO₂ + 2H₂O + Heat – এটি একটি উষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

4. N₂ + O₂ + Heat → 2NO – এটি একটি শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

5. উষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় এনথালপি পরিবর্তনের মান – ঋণাত্মক হয়।

6. শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় এনথালপি পরিবর্তনের মান – ধনাত্মক হয়।

7. উষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় পরিবেশের তাপমাত্রা – বৃদ্ধি পায়।

8. শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় পরিবেশের তাপমাত্রা – হ্রাস পায়।

9. দহন বিক্রিয়া সাধারণত – উষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

10. প্রকাশ-সংস্লেষণ বিক্রিয়া হলো – শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

11. CaO + H₂O → Ca(OH)₂ + Heat – এটি একটি উষ্মাধর্মী বিক্রিয়া।

12. AgNO₃ + NaCl → AgCl + NaNO₃ – এটি প্রায় তাপ নিরপেক্ষ বিক্রিয়া।

13. তাপ শোষণকারী বিক্রিয়ায় ΔH এর মান – ধনাত্মক।

14. তাপ নির্গতকারী বিক্রিয়ায় ΔH এর মান – ঋণাত্মক।

15. শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন – বাহ্যিক তাপ সরবরাহ।

16. উষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় শক্তি – নির্গত হয়।

17. শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় শক্তি – শোষিত হয়।

18. তাপ নিরপেক্ষ বিক্রিয়ায় ΔH এর মান – শূন্য।

19. উষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কগুলির শক্তি – উৎপাদের তুলনায় বেশি।

20. শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় উৎপাদের শক্তি – বিক্রিয়কের তুলনায় বেশি।

এনথালপি ও এনট্রপি

1. এনথালপি প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয় – H।

2. এনট্রপি প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয় – S।

3. এনথালপি হলো – কোনো সিস্টেমের মোট তাপীয় শক্তি।

4. এনট্রপি হলো – সিস্টেমের বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের পরিমাপ।

5. এনথালপি পরিবর্তনের সূত্র – ΔH = H₂ – H₁।

6. এনট্রপি পরিবর্তনের সূত্র – ΔS = S₂ – S₁।

7. উষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় ΔH এর মান – ঋণাত্মক।

8. শোষ্মাধর্মী বিক্রিয়ায় ΔH এর মান – ধনাত্মক।

9. এনট্রপি বৃদ্ধি পেলে সিস্টেমের অনিয়ম – বৃদ্ধি পায়।

10. গ্যাস উৎপন্ন হওয়া বিক্রিয়ায় সাধারণত – এনট্রপি বৃদ্ধি পায়।

11. সলিড থেকে তরল বা গ্যাসে রূপান্তরে – এনট্রপি বৃদ্ধি পায়।

12. গ্যাস থেকে তরল বা কঠিনে রূপান্তরে – এনট্রপি হ্রাস পায়।

13. এনথালপির একক হলো – কিলোজুল প্রতি মোল (kJ/mol)।

14. এনট্রপির একক হলো – জুল প্রতি কেলভিন প্রতি মোল (J/K·mol)।

15. তাপ নির্গমনের মাপক – এনথালপি।

16. সিস্টেমের বিশৃঙ্খলার মাপক – এনট্রপি।

17. এনট্রপি সর্বাধিক হয় – গ্যাসীয় অবস্থায়।

18. এনট্রপি সর্বনিম্ন হয় – কঠিন অবস্থায়।

19. স্বতঃস্ফূর্ত বিক্রিয়ার জন্য শর্ত – ΔG less than 0।

20. গিবস সমীকরণ হলো – ΔG = ΔH – TΔS।