রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Chemistry Question Answer for Competitive Exams in Bengali

রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Chemistry Question Answer for Competitive Exams in Bengali

রসায়ন (Chemistry)

আধুনিক পর্যায় সারণীর গঠন

1. আধুনিক পর্যায় সারণীর ভিত্তি কী – পরমাণু সংখ্যা।

2. আধুনিক পর্যায় সারণী কে প্রস্তাব করেন – মোজলি।

3. মোজলি কোন সূত্রের মাধ্যমে পর্যায় সারণী প্রস্তাব করেন – এক্স-রে স্পেকট্রামের সূত্র।

4. আধুনিক পর্যায় সারণী কোন বছরে প্রস্তাবিত হয় – ১৯১৩ সালে।

5. আধুনিক পর্যায় সূত্র অনুযায়ী মৌলের ধর্ম নির্ভর করে কিসের উপর – পরমাণু সংখ্যার উপর।

6. আধুনিক পর্যায় সারণীতে মোট কতটি পর্যায় আছে – ৭টি।

7. আধুনিক পর্যায় সারণীতে মোট কতটি গ্রুপ আছে – ১৮টি।

8. আধুনিক পর্যায় সারণীর প্রথম গ্রুপে কোন মৌলগুলি আছে – ক্ষার ধাতু।

9. আধুনিক পর্যায় সারণীর দ্বিতীয় গ্রুপে কোন মৌলগুলি থাকে – ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু।

10. পর্যায় সারণীর শেষ গ্রুপের নাম কী – নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা হ্যালোজেন গ্যাস গ্রুপ।

11. আধুনিক পর্যায় সারণীতে মোট কতটি ব্লক আছে – চারটি (s, p, d, f)।

12. s-ব্লকের মৌল কোন গ্রুপে থাকে – ১ ও ২ নম্বর গ্রুপে।

13. p-ব্লকের মৌল কোন গ্রুপে থাকে – ১৩ থেকে ১৮ নম্বর গ্রুপে।

14. d-ব্লকের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – ট্রানজিশন এলিমেন্ট।

15. f-ব্লকের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – অন্তঃসংক্রমণ মৌল।

16. আধুনিক পর্যায় সারণীর সপ্তম পর্যায় পূর্ণ হয়েছে কি – না, সম্পূর্ণ নয়।

17. আধুনিক পর্যায় সারণীর তৃতীয় পর্যায়ে মোট কতটি মৌল আছে – ৮টি।

18. আধুনিক পর্যায় সারণীর চতুর্থ পর্যায়ে মোট কতটি মৌল আছে – ১৮টি।

19. আধুনিক পর্যায় সারণীর পঞ্চম পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ১৮টি।

20. ষষ্ঠ পর্যায়ে মোট কতটি মৌল থাকে – ৩২টি।

21. সপ্তম পর্যায়ে বর্তমানে মোট কতটি মৌল জানা যায় – ৩২টির কম।

22. আধুনিক পর্যায় সারণীতে ল্যান্থানয়েড ও অ্যাক্টিনয়েড কোথায় রাখা হয় – f-ব্লকে, নিচের আলাদা সারিতে।

23. আধুনিক পর্যায় সূত্র কে প্রথম সঠিকভাবে প্রকাশ করেন – মোজলি।

24. পর্যায় সারণীতে মৌলের অবস্থান নির্ভর করে কিসের উপর – ইলেকট্রনিক বিন্যাসের উপর।

25. প্রথম পর্যায়ে মোট কতটি মৌল আছে – ২টি (হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম)।

26. দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট কতটি মৌল আছে – ৮টি।

27. আধুনিক পর্যায় সারণীতে ধাতু সংখ্যা প্রায় কত – প্রায় ৭৮টি।

28. অধাতু সংখ্যা প্রায় কত – প্রায় ১৭টি।

29. উপধাতু সংখ্যা প্রায় কত – প্রায় ৭টি।

30. হাইড্রোজেন কোন গ্রুপে রাখা হয়েছে – প্রথম গ্রুপে, বিশেষ অবস্থায়।

31. আধুনিক পর্যায় সারণী কোন আকারে সাজানো – আয়তাকার টেবিল আকারে।

32. আধুনিক পর্যায় সারণীর অনুভূমিক সারিগুলিকে কী বলে – পর্যায় (Periods)।

33. উল্লম্ব স্তম্ভগুলিকে কী বলা হয় – গ্রুপ (Groups)।

34. আধুনিক পর্যায় সারণীর প্রথম মৌল কোনটি – হাইড্রোজেন।

35. আধুনিক পর্যায় সারণীর শেষ মৌল কোনটি – ওগানেসন (Og)।

36. ট্রানজিশন মৌল কোন ব্লকের অন্তর্ভুক্ত – d-ব্লক।

37. অন্তঃসংক্রমণ মৌল কোন ব্লকের অন্তর্ভুক্ত – f-ব্লক।

38. আধুনিক পর্যায় সারণীতে ব্লকের ধারণা কে দেন – ম্যাডেলুং।

39. ম্যাডেলুং সূত্র কিসের সাথে সম্পর্কিত – অরবিটাল পূরণের ক্রম।

40. একই গ্রুপের মৌলগুলির রাসায়নিক ধর্ম কেমন – প্রায় একই।

41. একই পর্যায়ের মৌলগুলির ধর্ম কেমন পরিবর্তিত হয় – ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।

42. হিলিয়াম কোন ব্লকের মৌল – s-ব্লকের।

43. হিলিয়াম কোন গ্রুপে রাখা হয়েছে – ১৮ নম্বর গ্রুপে।

44. পর্যায় সারণীর মাঝের d-ব্লকের মৌলগুলি কী নামে পরিচিত – সংক্রমণ মৌল।

45. f-ব্লকের মৌল দুটি সারিতে বিভক্ত, কী কী নামে – ল্যান্থানয়েড ও অ্যাক্টিনয়েড।

46. f-ব্লকের মৌলগুলি মূল সারণীর নিচে কেন রাখা হয় – সারণীকে ছোট রাখতে।

47. আধুনিক পর্যায় সারণী অনুযায়ী একই গ্রুপের মৌলগুলির ইলেকট্রন বিন্যাস কেমন – বাইরের স্তরে একই রকম।

48. ১৩ নম্বর গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – বোরন।

49. ১৭ নম্বর গ্রুপের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – হ্যালোজেন।

50. ১৮ নম্বর গ্রুপের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নবগ্যাস।

গ্রুপ ও পিরিয়ড

1. গ্রুপ বলতে কী বোঝায় – পর্যায় সারণীর উল্লম্ব স্তম্ভকে গ্রুপ বলে।

2. পর্যায় বলতে কী বোঝায় – পর্যায় সারণীর অনুভূমিক সারিকে পর্যায় বলে।

3. আধুনিক পর্যায় সারণীতে মোট কতটি গ্রুপ আছে – ১৮টি।

4. আধুনিক পর্যায় সারণীতে মোট কতটি পর্যায় আছে – ৭টি।

5. একই গ্রুপের মৌলগুলির বৈশিষ্ট্য কেমন – প্রায় একই রকম।

6. একই পর্যায়ের মৌলগুলির বৈশিষ্ট্য কেমন – ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।

7. প্রথম গ্রুপের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – ক্ষার ধাতু।

8. দ্বিতীয় গ্রুপের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু।

9. সপ্তদশ গ্রুপের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – হ্যালোজেন।

10. অষ্টাদশ গ্রুপের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নবগ্যাস।

11. প্রথম গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns¹।

12. দ্বিতীয় গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns²।

13. ত্রয়োদশ গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns²np¹।

14. চতুর্দশ গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns²np²।

15. ষোড়শ গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns²np⁴।

16. সপ্তদশ গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns²np⁵।

17. অষ্টাদশ গ্রুপের সাধারণ ইলেকট্রনিক বিন্যাস কী – ns²np⁶।

18. প্রথম গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – হাইড্রোজেন।

19. দ্বিতীয় গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – বেরিলিয়াম।

20. ত্রয়োদশ গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – বোরন।

21. চতুর্দশ গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – কার্বন।

22. পঞ্চদশ গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – নাইট্রোজেন।

23. ষোড়শ গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – অক্সিজেন।

24. সপ্তদশ গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – ফ্লোরিন।

25. অষ্টাদশ গ্রুপের প্রথম মৌল কোনটি – হিলিয়াম।

26. প্রথম পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ২টি (হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম)।

27. দ্বিতীয় পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ৮টি।

28. তৃতীয় পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ৮টি।

29. চতুর্থ পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ১৮টি।

30. পঞ্চম পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ১৮টি।

31. ষষ্ঠ পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ৩২টি।

32. সপ্তম পর্যায়ে কতটি মৌল আছে – ৩২টির কম।

33. প্রথম পর্যায়ের মৌলগুলিকে কী বলা হয় – সংক্ষিপ্ত পর্যায়ের মৌল।

34. ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়কে কী বলা হয় – দীর্ঘ পর্যায়।

35. একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানদিকে গেলে ধাতব ধর্ম কেমন হয় – ক্রমশ কমে।

36. একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানদিকে গেলে অধাতব ধর্ম কেমন হয় – ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।

37. একই গ্রুপে উপরে থেকে নিচে গেলে পরমাণুর ব্যাসার্ধ কেমন হয় – বৃদ্ধি পায়।

38. একই গ্রুপে উপরে থেকে নিচে গেলে আয়নন শক্তি কেমন হয় – হ্রাস পায়।

39. একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানদিকে গেলে ইলেকট্রন-আকর্ষণ প্রবণতা কেমন হয় – বৃদ্ধি পায়।

40. একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানদিকে গেলে তড়িৎঋণাত্মকতা কেমন হয় – বৃদ্ধি পায়।

41. গ্রুপে অবস্থান নির্ধারণে কী কাজে লাগে – ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা।

42. পর্যায়ে অবস্থান নির্ধারণে কী কাজে লাগে – ইলেকট্রন স্তর সংখ্যা।

43. যে মৌলগুলির বাইরের স্তরে এক ইলেকট্রন থাকে তারা কোন গ্রুপে – প্রথম গ্রুপে।

44. যে মৌলগুলির বাইরের স্তরে দুই ইলেকট্রন থাকে তারা কোন গ্রুপে – দ্বিতীয় গ্রুপে।

45. d-ব্লকের মৌলগুলি কোন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত – ৩ থেকে ১২ নম্বর গ্রুপে।

46. p-ব্লকের মৌলগুলি কোন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত – ১৩ থেকে ১৮ নম্বর গ্রুপে।

47. s-ব্লকের মৌলগুলি কোন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত – ১ ও ২ নম্বর গ্রুপে।

48. f-ব্লকের মৌলগুলি কোথায় থাকে – মূল সারণীর নিচে আলাদা দুই সারিতে।

49. ১৩ নম্বর গ্রুপের শেষ মৌল কোনটি – থ্যালিয়াম (Tl)।

50. ১৮ নম্বর গ্রুপের শেষ মৌল কোনটি – ওগানেসন (Og)।

51. গ্রুপ ও পর্যায়ের বিন্যাসের মাধ্যমে কী প্রকাশ পায় – মৌলগুলির ইলেকট্রনিক গঠন ও রাসায়নিক ধর্মের নিয়মিত পরিবর্তন।

ধাতু, অধাতু ও উপধাতু

1. ধাতু কী – যেসব মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনায়ন গঠন করে তারা ধাতু।

2. অধাতু কী – যেসব মৌল ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণায়ন গঠন করে তারা অধাতু।

3. উপধাতু কী – যেসব মৌলে ধাতু ও অধাতুর উভয় ধর্ম দেখা যায় তারা উপধাতু।

4. ধাতুর বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা কেমন – খুব ভালো।

5. অধাতুর বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা কেমন – খুবই দুর্বল।

6. ধাতুর উজ্জ্বলতা কেমন – ধাতব দীপ্তি থাকে।

7. অধাতুর উজ্জ্বলতা কেমন – সাধারণত নিষ্প্রভ।

8. ধাতু সাধারণত কেমন প্রকৃতির – কঠিন (ব্যতিক্রম পারদ)।

9. অধাতু সাধারণত কেমন প্রকৃতির – গ্যাস বা ভঙ্গুর কঠিন।

10. পারদ কেমন ধাতু – একমাত্র তরল ধাতু।

11. ব্রোমিন কেমন অধাতু – একমাত্র তরল অধাতু।

12. ধাতুর ঘনত্ব সাধারণত কেমন – অধিক।

13. অধাতুর ঘনত্ব সাধারণত কেমন – কম।

14. ধাতুর গলনাঙ্ক সাধারণত কেমন – উচ্চ।

15. অধাতুর গলনাঙ্ক সাধারণত কেমন – নিম্ন।

16. ধাতু দিয়ে কী ধরনের অক্সাইড গঠিত হয় – ক্ষারীয় অক্সাইড।

17. অধাতু দিয়ে কী ধরনের অক্সাইড গঠিত হয় – অম্লীয় অক্সাইড।

18. উপধাতু দিয়ে কী ধরনের অক্সাইড গঠিত হয় – উভয় ধর্মী (অ্যামফোটেরিক) অক্সাইড।

19. ধাতুর প্রধান ধর্ম কী – ইলেকট্রন দান প্রবণতা।

20. অধাতুর প্রধান ধর্ম কী – ইলেকট্রন গ্রহণ প্রবণতা।

21. সবচেয়ে হালকা ধাতু কোনটি – লিথিয়াম।

22. সবচেয়ে ভারী ধাতু কোনটি – অসমিয়াম।

23. সবচেয়ে হালকা অধাতু কোনটি – হাইড্রোজেন।

24. সবচেয়ে কঠিন ধাতু কোনটি – ক্রোমিয়াম।

25. সবচেয়ে নরম ধাতু কোনটি – সোডিয়াম।

26. সবচেয়ে তাপ পরিবাহী ধাতু কোনটি – রুপা।

27. সবচেয়ে বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু কোনটি – রুপা।

28. ধাতুর আয়নন শক্তি কেমন – কম।

29. অধাতুর আয়নন শক্তি কেমন – বেশি।

30. ধাতুর তড়িৎঋণাত্মকতা কেমন – কম।

31. অধাতুর তড়িৎঋণাত্মকতা কেমন – বেশি।

32. উপধাতুর তড়িৎঋণাত্মকতা কেমন – মাঝারি।

33. উপধাতুর উদাহরণ কী কী – বোরন, সিলিকন, জার্মেনিয়াম, আর্সেনিক, অ্যান্টিমনি, টেলুরিয়াম, পোলোনিয়াম।

34. সিলিকন কেমন মৌল – উপধাতু।

35. বোরন কেমন মৌল – উপধাতু।

36. কার্বন কেমন মৌল – অধাতু।

37. অ্যালুমিনিয়াম কেমন মৌল – ধাতু।

38. ফসফরাস কেমন মৌল – অধাতু।

39. আর্সেনিক কেমন মৌল – উপধাতু।

40. সালফার কেমন মৌল – অধাতু।

41. আয়রন কেমন মৌল – ধাতু।

42. সোডিয়াম কেমন মৌল – ধাতু।

43. ব্রোমিন কেমন মৌল – অধাতু (তরল)।

44. টেলুরিয়াম কেমন মৌল – উপধাতু।

45. ধাতু সাধারণত কোন ধরনের বন্ধন গঠন করে – ধাতব বন্ধন।

46. অধাতু সাধারণত কোন ধরনের বন্ধন গঠন করে – সমযোজী বন্ধন।

47. ধাতুর অবস্থান পর্যায় সারণীর কোথায় – বাম দিকে ও মাঝখানে।

48. অধাতুর অবস্থান পর্যায় সারণীর কোথায় – ডান দিকে।

49. উপধাতুর অবস্থান পর্যায় সারণীর কোথায় – ধাতু ও অধাতুর মধ্যবর্তী তির্যক রেখা বরাবর।

50. ধাতুর তাপীয় সম্প্রসারণ কেমন – বেশি।

51. অধাতুর তাপীয় সম্প্রসারণ কেমন – কম।

52. ধাতুর মণ্ডনযোগ্যতা কেমন – বেশি।

53. অধাতুর মণ্ডনযোগ্যতা কেমন – নেই।

ক্ষার ধাতু, ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় গ্যাস

1. ক্ষার ধাতু বলতে কোন ধাতু বোঝায় – গ্রুপ ১ এর ধাতুগুলিকে।

2. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু বলতে কোন ধাতু বোঝায় – গ্রুপ ২ এর ধাতুগুলিকে।

3. ক্ষার ধাতুর সবচেয়ে হালকা ধাতু কোনটি – লিথিয়াম (Li)।

4. ক্ষার ধাতুর সবচেয়ে ভারী ধাতু কোনটি – ফ্রানসিয়াম (Fr)।

5. ক্ষার ধাতুগুলি জলে বিক্রিয়া করে কি উৎপন্ন করে – হাইড্রোক্সাইড ও হাইড্রোজেন গ্যাস।

6. সোডিয়াম জলে ফেললে কি উৎপন্ন হয় – সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও হাইড্রোজেন গ্যাস।

7. পটাশিয়াম জলে ফেললে কি ঘটে – বিস্ফোরণ ঘটে এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

8. লিথিয়াম জলে ফেললে কি ঘটে – ধীরে ধীরে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন উৎপন্ন করে।

9. ক্ষার ধাতুর সবচেয়ে ক্রিয়াশীল ধাতু কোনটি – ফ্রানসিয়াম।

10. ক্ষার ধাতুর সবচেয়ে কম ক্রিয়াশীল ধাতু কোনটি – লিথিয়াম।

11. ক্ষার ধাতুদের সংরক্ষণে কোন পদার্থে রাখা হয় – কেরোসিন তেলে।

12. ক্ষার ধাতুর গলনাঙ্ক কেমন – খুবই কম।

13. সোডিয়াম ও পটাশিয়াম কোন ধরনের ধাতু – ক্ষার ধাতু।

14. ক্ষার ধাতুগুলি কোন আয়ন তৈরি করে – একধনাত্মক আয়ন (M⁺)।

15. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুগুলি কোন আয়ন তৈরি করে – দ্বিধনাত্মক আয়ন (M²⁺)।

16. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুর উদাহরণ – Be, Mg, Ca, Sr, Ba, Ra।

17. ক্ষার ধাতুর উদাহরণ – Li, Na, K, Rb, Cs, Fr।

18. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুর সবচেয়ে হালকা ধাতু – বেরিলিয়াম (Be)।

19. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুর সবচেয়ে ভারী ধাতু – রেডিয়াম (Ra)।

20. কোন ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু তেজস্ক্রিয় – রেডিয়াম।

21. ক্যালসিয়াম কোন গ্রুপের উপাদান – গ্রুপ ২।

22. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুগুলি জলের সাথে কেমন বিক্রিয়া করে – ধীরে বিক্রিয়া করে।

23. ক্ষার ধাতুগুলি জলের সাথে কেমন বিক্রিয়া করে – খুব দ্রুত বিক্রিয়া করে।

24. ম্যাগনেশিয়াম জলে ফেললে কি ঘটে – উষ্ণ জলে ধীরে ধীরে বিক্রিয়া করে।

25. বেরিলিয়াম জলে বিক্রিয়া করে কি – করে না।

26. ক্যালসিয়াম জলে ফেললে কি উৎপন্ন হয় – ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও হাইড্রোজেন।

27. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুর গলনাঙ্ক ক্ষার ধাতুর তুলনায় কেমন – বেশি।

28. ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুগুলি প্রকৃতিতে কেমন অবস্থায় পাওয়া যায় – যৌগ আকারে।

29. ক্ষার ধাতুগুলি প্রকৃতিতে কেমন অবস্থায় পাওয়া যায় – যৌগ আকারে, মুক্ত অবস্থায় নয়।

30. হ্যালোজেন বলতে কি বোঝায় – লবণ উৎপাদক উপাদান।

31. হ্যালোজেন কোন গ্রুপের অন্তর্গত – গ্রুপ ১৭।

32. হ্যালোজেন উপাদানগুলির উদাহরণ – F, Cl, Br, I, At।

33. সবচেয়ে হালকা হ্যালোজেন – ফ্লোরিন (F)।

34. সবচেয়ে ভারী হ্যালোজেন – অ্যাস্টাটিন (At)।

35. সবচেয়ে ক্রিয়াশীল হ্যালোজেন – ফ্লোরিন।

36. সবচেয়ে কম ক্রিয়াশীল হ্যালোজেন – অ্যাস্টাটিন।

37. হ্যালোজেন গ্যাসের মধ্যে হলুদ-সবুজ বর্ণের গ্যাস – ক্লোরিন।

38. ফ্লোরিনের বর্ণ কেমন – হালকা হলুদ।

39. ব্রোমিনের অবস্থা কেমন – তরল।

40. ব্রোমিনের বর্ণ কেমন – লালচে বাদামি তরল।

41. আয়োডিনের বর্ণ কেমন – বেগুনি ধোঁয়া নির্গতকারী কঠিন পদার্থ।

42. নিষ্ক্রিয় গ্যাস কোন গ্রুপের অন্তর্গত – গ্রুপ ১৮।

43. নিষ্ক্রিয় গ্যাসের উদাহরণ – He, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn।

44. সবচেয়ে হালকা নিষ্ক্রিয় গ্যাস – হিলিয়াম।

45. সবচেয়ে ভারী নিষ্ক্রিয় গ্যাস – রেডন।

46. নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ক্রিয়াশীলতা কেমন – একেবারেই নিষ্ক্রিয়।

47. নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলির ইলেকট্রন বিন্যাস কেমন – সম্পূর্ণ ভরাট বহিঃস্ত স্তর।

48. হিলিয়ামের পরমাণুতে কতটি ইলেকট্রন থাকে – ২টি।

49. নিয়ন গ্যাস কোন কাজে ব্যবহৃত হয় – বিজ্ঞাপন বাতিতে।

50. আর্গন গ্যাস কোথায় ব্যবহৃত হয় – বৈদ্যুতিক বাল্বে।

51. রেডন গ্যাসের প্রকৃতি কেমন – তেজস্ক্রিয়।

মৌলগুলির প্রবণতা (পরমাণুর ব্যাসার্ধ, আয়নন শক্তি, ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি, তড়িৎঋণাত্মকতা)

1. পর্যায় সারণীতে বাম থেকে ডানে গেলে পরমাণুর ব্যাসার্ধ – কমে।

2. একটি গ্রুপে উপর থেকে নিচে গেলে পরমাণুর ব্যাসার্ধ – বৃদ্ধি পায়।

3. আয়নন শক্তি মানে কী? – একটি পরমাণু থেকে ইলেকট্রন অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি।

4. আয়নন শক্তি বাম থেকে ডানে গেলে – বৃদ্ধি পায়।

5. আয়নন শক্তি একটি গ্রুপে উপর থেকে নিচে গেলে – হ্রাস পায়।

6. ফ্লোরিনের ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – সর্বাধিক।

7. ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি একটি গ্রুপে উপর থেকে নিচে গেলে – কমে যায়।

8. ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি বাম থেকে ডানে গেলে – বৃদ্ধি পায়।

9. সর্বাধিক তড়িৎঋণাত্মক মৌল – ফ্লোরিন (F)।

10. সর্বনিম্ন তড়িৎঋণাত্মক মৌল – সিজিয়াম (Cs)।

11. তড়িৎঋণাত্মকতা বাম থেকে ডানে গেলে – বৃদ্ধি পায়।

12. তড়িৎঋণাত্মকতা উপর থেকে নিচে গেলে – হ্রাস পায়।

13. পরমাণুর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি – ফ্রানসিয়ামে।

14. আয়নন শক্তি সবচেয়ে বেশি – হিলিয়ামে।

15. ফ্লোরিনের তড়িৎঋণাত্মকতা মান – ৩.৯৮।

16. অক্সিজেনের তড়িৎঋণাত্মকতা মান – ৩.৪৪।

17. আয়নন শক্তি সর্বনিম্ন – ক্ষার ধাতুগুলিতে।

18. আয়নন শক্তি সর্বাধিক – নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলিতে।

19. ফ্লোরিনের ইলেকট্রন গ্রহণ প্রবণতা – অত্যন্ত বেশি।

20. আয়নন শক্তি এবং পরমাণুর ব্যাসার্ধের সম্পর্ক – বিপরীত অনুপাতিক।

21. ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি এবং তড়িৎঋণাত্মকতার সম্পর্ক – সরাসরি অনুপাতিক।

22. গ্রুপে নিচে নামলে ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – কমে যায়।

23. হ্যালোজেন মৌলগুলির ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – খুব বেশি।

24. ক্ষার ধাতুর ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – খুবই কম।

25. হিলিয়ামের আয়নন শক্তি – সর্বাধিক।

26. অক্সিজেনের তুলনায় ফ্লোরিনের ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – বেশি।

27. নাইট্রোজেনের ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – শূন্য বা প্রায় শূন্য।

28. এক গ্রুপে নিচে নামলে নিউক্লিয়াস ও বহিঃকক্ষ ইলেকট্রনের দূরত্ব – বৃদ্ধি পায়।

29. পরমাণুর ব্যাসার্ধ হ্রাস পেলে আয়নন শক্তি – বৃদ্ধি পায়।

30. তড়িৎঋণাত্মকতা সর্বাধিক কোন মৌলের? – ফ্লোরিনের।

31. গ্রুপে নিচে নামলে তড়িৎঋণাত্মকতা – হ্রাস পায়।

32. পিরিয়ডে বাম থেকে ডানে গেলে নিউক্লিয়ার চার্জ – বৃদ্ধি পায়।

33. বৃহত্তম পরমাণু – ফ্রানসিয়াম।

34. ক্ষুদ্রতম পরমাণু – হিলিয়াম।

35. ধাতব চরিত্র বাম থেকে ডানে গেলে – কমে যায়।

36. অধাতব চরিত্র বাম থেকে ডানে গেলে – বৃদ্ধি পায়।

37. ধাতব চরিত্র উপর থেকে নিচে গেলে – বৃদ্ধি পায়।

38. অধাতব চরিত্র উপর থেকে নিচে গেলে – হ্রাস পায়।

39. ফ্লোরিনের ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি কেন সর্বাধিক? – কারণ তার আকার ছোট ও নিউক্লিয়ার আকর্ষণ বেশি।

40. হ্যালোজেন গোষ্ঠীর ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি – ক্রমহ্রাসমান।

41. সোডিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মধ্যে কার আয়নন শক্তি বেশি? – ম্যাগনেশিয়ামের।

42. পরমাণুর আকার ও তড়িৎঋণাত্মকতার মধ্যে সম্পর্ক – বিপরীত।

43. হাইড্রোজেনের তড়িৎঋণাত্মকতা – ২.২০।

44. আয়নন শক্তি সর্বাধিক পাওয়া যায় – হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গনে।

45. লিথিয়াম ও সোডিয়ামের মধ্যে কার পরমাণুর ব্যাসার্ধ বেশি? – সোডিয়ামের।

46. সালফার ও অক্সিজেনের মধ্যে কার তড়িৎঋণাত্মকতা বেশি? – অক্সিজেনের।

47. তড়িৎঋণাত্মকতা নির্ধারণ করেন – লিনাস পাউলিং।

48. আয়নন শক্তি একক – কিলোজুল প্রতি মোল (kJ/mol)।

49. ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি একক – কিলোজুল প্রতি মোল (kJ/mol)।

50. ইলেকট্রন অ্যাফিনিটি সবচেয়ে কম – ক্ষার ধাতুগুলিতে।

আয়নিক বন্ধন

1. আয়নিক বন্ধন কাকে বলে – দুটি পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন হস্তান্তরের ফলে গঠিত বন্ধনকে আয়নিক বন্ধন বলে।

2. NaCl যৌগে বন্ধনের ধরন কী – আয়নিক বন্ধন।

3. NaCl যৌগে কোন পরমাণু ইলেকট্রন দেয় – সোডিয়াম পরমাণু।

4. NaCl যৌগে কোন পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে – ক্লোরিন পরমাণু।

5. Na⁺ আয়ন গঠিত হয় কিভাবে – সোডিয়াম এক ইলেকট্রন ত্যাগ করে।

6. Cl⁻ আয়ন গঠিত হয় কিভাবে – ক্লোরিন এক ইলেকট্রন গ্রহণ করে।

7. আয়নিক বন্ধনের শক্তি কিসের উপর নির্ভর করে – আয়নের চার্জ ও আয়নের মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর।

8. আয়নিক যৌগের গলনাঙ্ক কেমন – সাধারণত উচ্চ।

9. আয়নিক যৌগের স্ফুটনাঙ্ক কেমন – খুবই বেশি।

10. আয়নিক যৌগ সাধারণত কেমন হয় – কঠিন ও স্ফটিকাকৃতি।

11. NaCl কি পানিতে দ্রবণীয় – হ্যাঁ, খুব সহজে দ্রবণীয়।

12. আয়নিক যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহী কি – গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহী।

13. MgCl₂ যৌগে বন্ধনের ধরন কী – আয়নিক বন্ধন।

14. CaO যৌগে বন্ধনের ধরন কী – আয়নিক বন্ধন।

15. NaCl এর স্ফটিক গঠন কেমন – ঘনবিন্যস্ত (cubic)।

16. ইলেকট্রন স্থানান্তরের ফলে কোন ধরনের আয়ন তৈরি হয় – ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন।

17. KCl যৌগে কতটি ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হয় – একটি।

18. NaF যৌগে বন্ধনের ধরন কী – আয়নিক।

19. আয়নিক যৌগের দ্রবণীয়তা সাধারণত কেমন – জলে উচ্চ।

20. আয়নিক বন্ধন গঠনে কোন শক্তি মুক্ত হয় – lattice energy।

21. আয়নিক বন্ধন গঠনের সময় কি ঘটে – ইলেকট্রন স্থানান্তর।

22. LiF যৌগে কোন ধাতু ইলেকট্রন দেয় – লিথিয়াম।

23. BaCl₂ যৌগে কোন উপাদান ধাতু – বেরিয়াম।

24. MgO যৌগের বন্ধন কী ধরনের – আয়নিক বন্ধন।

25. আয়নিক বন্ধন কোন ধরণের উপাদানের মধ্যে হয় – ধাতু ও অধাতুর মধ্যে।

26. CaF₂ যৌগে ফ্লুরিন কতটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে – দুটি।

27. NaCl এর lattice energy কিসের প্রতীক – আয়নিক বন্ধনের দৃঢ়তার।

28. আয়নিক যৌগ কি ভঙ্গুর – হ্যাঁ, সহজে ভঙ্গুর।

29. Na₂O যৌগে বন্ধনের ধরন কী – আয়নিক বন্ধন।

30. আয়নিক বন্ধনকে আর কী নামে ডাকা হয় – ইলেকট্রন স্থানান্তর বন্ধন।

সমযোজী বন্ধন

1. সমযোজী বন্ধন কাকে বলে – দুটি পরমাণু যৌথভাবে ইলেকট্রন ব্যবহার করলে যে বন্ধন তৈরি হয় তাকে সমযোজী বন্ধন বলে।

2. H₂ অণুতে বন্ধনের ধরন কী – একক সমযোজী বন্ধন।

3. O₂ অণুতে বন্ধনের ধরন কী – দ্বি-সমযোজী বন্ধন।

4. N₂ অণুতে বন্ধনের ধরন কী – ত্রৈ-সমযোজী বন্ধন।

5. সমযোজী বন্ধন সাধারণত কার মধ্যে হয় – অধাতু পরমাণুর মধ্যে।

6. Cl₂ অণুতে কয়টি ইলেকট্রন ভাগ করা হয় – দুটি।

7. HCl অণুতে কোন ধরনের বন্ধন আছে – সমযোজী বন্ধন।

8. CH₄ (মিথেন) অণুতে কতটি সমযোজী বন্ধন আছে – চারটি।

9. জল (H₂O)-এ বন্ধনের ধরন কী – একক সমযোজী বন্ধন।

10. NH₃ অণুতে কতটি সমযোজী বন্ধন আছে – তিনটি।

11. সমযোজী বন্ধনের গলনাঙ্ক কেমন – তুলনামূলকভাবে কম।

12. সমযোজী যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহী কি – না, সাধারণত নয়।

13. সমযোজী যৌগের অবস্থা কেমন – কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় হতে পারে।

14. সমযোজী বন্ধনে ইলেকট্রন কেমনভাবে ব্যবহৃত হয় – যৌথভাবে ভাগ করা হয়।

15. H₂, Cl₂, O₂ — এই অণুগুলি কেমন বন্ধনে যুক্ত – সমযোজী।

16. CO₂ অণুতে বন্ধনের ধরন কী – দ্বি-সমযোজী বন্ধন।

17. N₂ অণুতে মোট কতটি যৌথ ইলেকট্রন জোড়া আছে – তিনটি।

18. CH₄ যৌগটি কী ধরনের যৌগ – সমযোজী যৌগ।

19. সমযোজী বন্ধনের দৃঢ়তা কিসের উপর নির্ভর করে – ভাগ করা ইলেকট্রনের সংখ্যা ও আকর্ষণ শক্তির উপর।

20. HCl অণু পোলার না নন-পোলার – পোলার সমযোজী।

21. O₂ অণু পোলার না নন-পোলার – নন-পোলার সমযোজী।

22. NH₃ অণুতে lone pair আছে কি – হ্যাঁ, একটি lone pair আছে।

23. সমযোজী বন্ধনকে আর কী বলে – ইলেকট্রন ভাগাভাগির বন্ধন।

24. H₂O অণু পোলার না নন-পোলার – পোলার সমযোজী।

25. Cl₂ অণু পোলার না নন-পোলার – নন-পোলার সমযোজী।

26. PCl₃ অণুতে বন্ধনের ধরন কী – সমযোজী।

27. CCl₄ অণুতে কতটি সমযোজী বন্ধন আছে – চারটি।

28. BF₃ যৌগে বন্ধনের ধরন কী – সমযোজী।

29. NH₄⁺ আয়নে বন্ধন কেমন – সমযোজী ও সমন্বয় যৌগিক বন্ধন।

30. সমযোজী যৌগ জলে দ্রবীভূত হয় কি – সাধারণত নয়।

ধাতব বন্ধন

1. ধাতব বন্ধন কাকে বলে – ধাতব পরমাণুগুলির মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রনের সাগরে ধনাত্মক আয়নের আকর্ষণে গঠিত বন্ধনকে ধাতব বন্ধন বলে।

2. ধাতব বন্ধন কোন পদার্থে দেখা যায় – ধাতুতে।

3. ধাতব বন্ধনের কারণে ধাতু কেমন হয় – বিদ্যুৎ ও তাপের ভালো পরিবাহী।

4. ধাতব বন্ধনের শক্তি কিসের উপর নির্ভর করে – মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা ও আয়নের চার্জের উপর।

5. Cu ধাতুতে কী ধরনের বন্ধন আছে – ধাতব বন্ধন।

6. Fe ধাতুতে বন্ধনের ধরন কী – ধাতব বন্ধন।

7. ধাতু কেন চকচকে – মুক্ত ইলেকট্রনের কারণে আলো প্রতিফলিত হয়।

8. ধাতব বন্ধনের ফলে ধাতু কেন নমনীয় – আয়ন স্তরগুলি সরলেও বন্ধন ভাঙে না।

9. ধাতব বন্ধনের ফলে ধাতু কেন প্রসার্য – ইলেকট্রন সাগরের কারণে সহজে বাঁকানো যায়।

10. ধাতু কেন বিদ্যুৎ পরিবাহী – মুক্ত ইলেকট্রনের উপস্থিতির কারণে।

11. Na ধাতুতে কোন ধরনের বন্ধন রয়েছে – ধাতব বন্ধন।

12. ধাতব বন্ধনের আরেক নাম কী – ইলেকট্রন সাগর মডেল।

13. ধাতব বন্ধনের ধারণা কে দেন – ড্রুড ও লোরেঞ্জ।

14. ধাতব বন্ধন শক্তিশালী হলে কী হয় – গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।

15. ধাতব বন্ধন দুর্বল হলে ধাতু কেমন – নরম।

16. ধাতব বন্ধনের উদাহরণ দাও – Cu, Fe, Al ইত্যাদি।

17. ধাতব বন্ধনের ফলে ধাতুর ঘনত্ব কেমন হয় – সাধারণত বেশি।

18. ধাতব বন্ধন কোন ধরণের উপাদানে হয় – ধাতু ও ধাতুর মধ্যে।

19. ধাতব বন্ধন কিসের জন্য সৃষ্টি হয় – মুক্ত ইলেকট্রনের আকর্ষণ বলের জন্য।

20. ধাতু গললে কি বন্ধন ভাঙে – না, আংশিক দুর্বল হয়।

21. ধাতু ঠান্ডা করলে বন্ধন – শক্তিশালী হয়।

22. ধাতব বন্ধন কেমন আকর্ষণ সৃষ্টি করে – ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক আকর্ষণ।

23. ধাতব বন্ধনের কারণে কোন ধর্ম দেখা যায় – ধাতব দীপ্তি।

24. ধাতব বন্ধনের তত্ত্ব কে প্রবর্তন করেন – ড্রুড ও লোরেঞ্জ।

25. ধাতব বন্ধন কাকে কেন্দ্র করে গঠিত – ধনাত্মক আয়ন ও মুক্ত ইলেকট্রন।

26. ধাতব বন্ধনের ফলে ধাতুতে কোন ধর্ম দেখা যায় – নমনীয়তা ও প্রসার্যতা।

27. ধাতব বন্ধন তাপ পরিবহণে কীভাবে সাহায্য করে – ইলেকট্রনের গতি দ্বারা।

28. ধাতব বন্ধনের কারণে ধাতু কেন মজবুত – শক্তিশালী আকর্ষণ বলের কারণে।

29. ধাতব বন্ধনের শক্তি বেশি থাকলে গলনাঙ্ক কেমন – উচ্চ।

30. সোনা ও রূপার বন্ধন কেমন – ধাতব বন্ধন।

হাইড্রোজেন বন্ধন

1. হাইড্রোজেন বন্ধন কাকে বলে – হাইড্রোজেন পরমাণু ও উচ্চ ঋণাত্মক পরমাণুর মধ্যে গঠিত দুর্বল আকর্ষণ বলকে হাইড্রোজেন বন্ধন বলে।

2. হাইড্রোজেন বন্ধনের জন্য কোন উপাদানগুলো প্রয়োজন – H এবং উচ্চ ঋণাত্মক F, O, N।

3. জলে হাইড্রোজেন বন্ধন আছে কি – হ্যাঁ।

4. NH₃-তে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকে কি – থাকে।

5. HF অণুতে হাইড্রোজেন বন্ধন আছে কি – হ্যাঁ।

6. হাইড্রোজেন বন্ধন কেমন ধরনের বল – আন্তঃঅণু আকর্ষণ বল।

7. জল তরল অবস্থায় কেন থাকে – হাইড্রোজেন বন্ধনের জন্য।

8. NH₃ এর স্ফুটনাঙ্ক বেশি কেন – হাইড্রোজেন বন্ধনের জন্য।

9. হাইড্রোজেন বন্ধন কয় প্রকার – দুই প্রকার: আন্তঃঅণু ও অন্তঃঅণু।

10. জলে বন্ধন কোন প্রকারের – আন্তঃঅণু হাইড্রোজেন বন্ধন।

11. সালফার হাইড্রোজেন বন্ধন করে কি – না, কারণ সালফার কম ঋণাত্মক।

12. DNA-তে হাইড্রোজেন বন্ধনের ভূমিকা কী – দুটি শৃঙ্খলকে একত্র রাখে।

13. আইসের ঘনত্ব কম কেন – হাইড্রোজেন বন্ধনজনিত ফাঁকা গঠন।

14. HF অণুতে বন্ধন কেমন – শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধন।

15. CH₄-তে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকে কি – না।

16. হাইড্রোজেন বন্ধন কিসের ফল – উচ্চ ঋণাত্মকতা ও ছোট ব্যাসের পরমাণুর উপস্থিতি।

17. অ্যালকোহলে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকে কি – থাকে।

18. হাইড্রোজেন বন্ধনের শক্তি কেমন – ভ্যান ডার ওয়ালস বলের চেয়ে বেশি কিন্তু আয়নিক বন্ধনের চেয়ে কম।

19. H₂O-তে প্রতিটি অণু কয়টি হাইড্রোজেন বন্ধন তৈরি করে – চারটি পর্যন্ত।

20. NH₃-তে কয়টি হাইড্রোজেন বন্ধন হতে পারে – দুটি পর্যন্ত।

21. HF অণুর স্ফুটনাঙ্ক বেশি কেন – শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধনের জন্য।

22. হাইড্রোজেন বন্ধন পদার্থের গলনাঙ্কে কী প্রভাব ফেলে – বৃদ্ধি করে।

23. হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে জল কেমন আচরণ করে – অস্বাভাবিক ঘনত্ব প্রদর্শন করে।

24. হাইড্রোজেন বন্ধন সাধারণত কোথায় দেখা যায় – পোলার যৌগে।

25. CH₃COOH অণুতে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকে কি – হ্যাঁ।

26. হাইড্রোজেন বন্ধনের ফল কী – অণুগুলি ঘনভাবে যুক্ত থাকে।

27. হাইড্রোজেন বন্ধনের শক্তি আনুমানিক কত – 5–30 kJ/mol।

28. DNA তে অ্যাডেনিন ও থাইমিনের মধ্যে কতটি হাইড্রোজেন বন্ধন – দুটি।

29. DNA তে গুয়ানিন ও সাইটোসিনের মধ্যে কতটি হাইড্রোজেন বন্ধন – তিনটি।

30. হাইড্রোজেন বন্ধন কোন ধরনের বলের উদাহরণ – আন্তঃঅণু আকর্ষণ বল।

ভ্যালেন্সি ও অক্টেট সূত্র

1. ভ্যালেন্সি কাকে বলে – পরমাণুর যুক্ত হবার ক্ষমতাকে ভ্যালেন্সি বলে।

2. হাইড্রোজেনের ভ্যালেন্সি কত – ১।

3. অক্সিজেনের ভ্যালেন্সি কত – ২।

4. নাইট্রোজেনের ভ্যালেন্সি কত – ৩।

5. কার্বনের ভ্যালেন্সি কত – ৪।

6. অক্টেট সূত্র কে দেন – লুইস ও কোসেল।

7. অক্টেট সূত্র অনুযায়ী স্থায়ী পরমাণুতে কত ইলেকট্রন থাকে – আটটি।

8. হিলিয়ামের ভ্যালেন্সি কত – শূন্য।

9. সোডিয়ামের ভ্যালেন্সি কত – ১।

10. ক্লোরিনের ভ্যালেন্সি কত – ১।

11. ম্যাগনেসিয়ামের ভ্যালেন্সি কত – ২।

12. সালফারের ভ্যালেন্সি কত – ২ বা ৬।

13. ফসফরাসের ভ্যালেন্সি কত – ৩ বা ৫।

14. ক্যালসিয়ামের ভ্যালেন্সি কত – ২।

15. অক্টেট সূত্র ভঙ্গ করে এমন উপাদান – হাইড্রোজেন, লিথিয়াম, বেরিলিয়াম।

16. ভ্যালেন্সি নির্ভর করে কিসের উপর – বহিঃস্থ ইলেকট্রনের সংখ্যার উপর।

17. নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ভ্যালেন্সি কত – ০।

18. অক্টেট সূত্রের উদ্দেশ্য কী – পরমাণু স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা।

19. অক্টেট সূত্র সবক্ষেত্রে মান্য হয় কি – না, ব্যতিক্রম আছে।

20. অক্টেট সূত্র প্রযোজ্য মূলত – s ও p ব্লকের উপাদানে।

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, অ্যাভোগাড্রোর সূত্র

1. বয়েলের সূত্র অনুযায়ী গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুণফল — ধ্রুবক।

2. চার্লসের সূত্র অনুযায়ী ধ্রুবচাপে গ্যাসের আয়তন তাপমাত্রার সাথে — সরাসরি সমানুপাতিক।

3. অ্যাভোগাড্রোর সূত্র অনুযায়ী সমান তাপমাত্রা ও চাপের অধীনে সমান আয়তনের গ্যাসে — সমান সংখ্যক অণু থাকে।

4. বয়েলের সূত্র প্রকাশ করা যায় — P₁V₁ = P₂V₂।

5. চার্লসের সূত্র প্রকাশ করা যায় — V₁/T₁ = V₂/T₂।

6. অ্যাভোগাড্রোর সূত্র প্রকাশ করা যায় — V₁/n₁ = V₂/n₂।

7. বয়েলের সূত্র প্রযোজ্য — ধ্রুব তাপমাত্রায়।

8. চার্লসের সূত্র প্রযোজ্য — ধ্রুবচাপে।

9. অ্যাভোগাড্রোর সূত্র প্রযোজ্য — ধ্রুব তাপমাত্রা ও চাপে।

10. বয়েলের সূত্র আবিষ্কার করেন — রবার্ট বয়েল।

11. চার্লসের সূত্র আবিষ্কার করেন — জ্যাক চার্লস।

12. অ্যাভোগাড্রোর সূত্র প্রস্তাব করেন — আমেদিও অ্যাভোগাড্রো।

13. বয়েলের সূত্র অনুযায়ী চাপ বাড়লে আয়তন — কমে।

14. চার্লসের সূত্র অনুযায়ী তাপমাত্রা বাড়লে আয়তন — বাড়ে।

15. অ্যাভোগাড্রোর সূত্র অনুযায়ী গ্যাসের অণু সংখ্যা — আয়তনের সমানুপাতিক।

16. বয়েলের সূত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র — জে-টিউব।

17. চার্লসের সূত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র — গ্যাস থার্মোমিটার।

18. বয়েলের সূত্রের গাণিতিক রূপ — PV = ধ্রুবক।

19. চার্লসের সূত্রের গাণিতিক রূপ — V/T = ধ্রুবক।

20. অ্যাভোগাড্রোর সূত্রের গাণিতিক রূপ — V/n = ধ্রুবক।

21. অ্যাভোগাড্রোর সংখ্যা — 6.022 × 10²³।

22. অ্যাভোগাড্রোর সংখ্যা দ্বারা বোঝানো হয় — ১ মোল পদার্থে অণুর সংখ্যা।

23. বয়েলের সূত্র থেকে চাপ ও আয়তনের সম্পর্ক — বিপরীতানুপাতিক।

24. চার্লসের সূত্রে আয়তন ও তাপমাত্রার সম্পর্ক — সরাসরি সমানুপাতিক।

25. অ্যাভোগাড্রোর সূত্র থেকে বোঝা যায় — সব গ্যাসের সমান অণু সংখ্যা সমান আয়তনে থাকে।

26. বয়েলের সূত্র শুধুমাত্র — আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

27. চার্লসের সূত্র থেকে নির্ণয় করা যায় — শূন্য আয়তনের তাপমাত্রা।

28. শূন্য আয়তনের তাপমাত্রা বা Absolute zero — -273°C বা 0 K।

29. এই তিনটি সূত্র মিলিয়ে পাওয়া যায় — আদর্শ গ্যাস সমীকরণ।

30. বয়েল, চার্লস ও অ্যাভোগাড্রোর সূত্রের মিলিত রূপ — P₁V₁/T₁ = P₂V₂/T₂।

আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

1. আদর্শ গ্যাস সমীকরণ — PV = nRT।

2. এখানে R হলো — সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক।

3. R এর মান — 8.314 J/mol·K।

4. n দ্বারা বোঝানো হয় — গ্যাসের মোল সংখ্যা।

5. P হলো — গ্যাসের চাপ।

6. V হলো — গ্যাসের আয়তন।

7. T হলো — গ্যাসের তাপমাত্রা (কেলভিনে)।

8. আদর্শ গ্যাস সমীকরণটি আসে — বয়েল, চার্লস ও অ্যাভোগাড্রোর সূত্র থেকে।

9. PV = RT সমীকরণ প্রযোজ্য — ১ মোল গ্যাসের জন্য।

10. যদি গ্যাসের মোল সংখ্যা n হয় তবে — PV = nRT।

11. গ্যাসের ঘনত্ব নির্ণয় করা যায় — d = PM/RT সূত্রে।

12. এখানে M হলো — মোলার ভর।

13. আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে আন্তঃআণবিক বল — উপেক্ষা করা হয়।

14. আদর্শ গ্যাস সমীকরণ অনুযায়ী P ও T এর সম্পর্ক — সরাসরি সমানুপাতিক।

15. R এর একক CGS পদ্ধতিতে — 8.314 × 10⁷ ergs/mol·K।

16. আদর্শ গ্যাস সমীকরণ প্রযোজ্য — নিম্ন চাপ ও উচ্চ তাপমাত্রায়।

17. আদর্শ গ্যাসের আচরণ বাস্তবে — প্রায় সব গ্যাসেই সামান্য বিচ্যুতি থাকে।

18. আদর্শ গ্যাসের আয়তন নির্ভর করে — তাপমাত্রা, চাপ ও মোল সংখ্যার উপর।

19. আদর্শ গ্যাস সমীকরণের সাহায্যে — গ্যাসের যেকোনো দুটি অবস্থার সম্পর্ক নির্ণয় করা যায়।

20. একই গ্যাসের দুটি অবস্থার জন্য — P₁V₁/T₁ = P₂V₂/T₂।

গ্যাসের গতিতত্ত্ব

1. গ্যাসের গতিতত্ত্ব প্রস্তাব করেন — মাক্সওয়েল ও বোল্টজম্যান।

2. গ্যাসের অণুসমূহের গতি — এলোমেলো ও নিরন্তর।

3. গ্যাস অণুর আকার — গ্যাসের আয়তনের তুলনায় অতি ক্ষুদ্র।

4. গ্যাস অণুগুলির সংঘর্ষ — স্থিতিস্থাপক।

5. গ্যাস অণুর গড় গতিশক্তি — তাপমাত্রার সরাসরি সমানুপাতিক।

6. তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাস অণুর গতি — বাড়ে।

7. গ্যাসের চাপ উৎপন্ন হয় — অণুগুলির সংঘর্ষে পাত্রের দেয়ালে।

8. গড় গতিশক্তির সূত্র — ½ m c²।

9. গড় গতিশক্তি (KE) = 3/2 RT।

10. ম্যাক্সওয়েল বণ্টন সূত্র — গ্যাস অণুগুলির গতিবেগ বণ্টন ব্যাখ্যা করে।

11. রুট মিন স্কয়ার বেগ সূত্র — √(3RT/M)।

12. গড় বেগ সূত্র — √(8RT/πM)।

13. সর্বাধিক সম্ভাব্য বেগ সূত্র — √(2RT/M)।

14. গ্যাস অণুর গতি নির্ভর করে — তাপমাত্রা ও অণুর ভরের উপর।

15. তাপমাত্রা দ্বিগুণ করলে RMS বেগ — √2 গুণ বৃদ্ধি পায়।

16. গ্যাসের চাপ ∝ অণুর গড় গতিশক্তি।

17. অণুর মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল — উপেক্ষা করা হয়।

18. গ্যাসের অণুসমূহ — পরস্পরের থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে।

19. গ্যাসের ঘনত্ব কম কারণ — অণুর মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা বেশি।

20. তাপমাত্রা স্থির থাকলে গড় গতিশক্তি — অপরিবর্তিত থাকে।

21. গ্যাসের গতিতত্ত্ব প্রযোজ্য — আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে।

22. বস্তুর তাপমাত্রা বাড়লে অণুর গতি — বৃদ্ধি পায়।

23. অণুগুলির সংঘর্ষ স্থিতিস্থাপক মানে — শক্তি ক্ষয় হয় না।

24. গ্যাসের চাপ নির্ভর করে — অণুর সংখ্যা ও গতি উভয়ের উপর।

25. রুট মিন স্কয়ার বেগ সর্বাধিক — হালকা গ্যাসের ক্ষেত্রে।

26. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের RMS বেগ ভিন্ন কারণ — মোলার ভর ভিন্ন।

27. তাপমাত্রা 0 K এ অণুর গতি — সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

28. অণুর গতির গাণিতিক গড় ও RMS বেগের অনুপাত — 1 : 1.085।

29. গ্যাসের গতিতত্ত্ব থেকে প্রমাণ করা যায় — PV = ⅓ n m c²।

30. এই সমীকরণ থেকে বোঝা যায় — চাপ ∝ গতিশক্তি।

অবস্থা পরিবর্তন

1. অবস্থা পরিবর্তন মানে — এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।

2. বাষ্পীভবন হলো — তরল থেকে বাষ্পে রূপান্তর।

3. সংঘনন হলো — বাষ্প থেকে তরলে রূপান্তর।

4. গলন হলো — কঠিন থেকে তরলে রূপান্তর।

5. জমাট বাঁধা হলো — তরল থেকে কঠিনে রূপান্তর।

6. সাবলিমেশন হলো — কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তর।

7. ডিপোজিশন হলো — গ্যাস থেকে সরাসরি কঠিনে রূপান্তর।

8. বাষ্পীভবনের তাপকে বলে — বাষ্পীভবন তাপ।

9. গলনের তাপকে বলে — গলন তাপ।

10. জল ০°C তে জমে — বরফে।

11. জল 100°C তে — ফুটে যায়।

12. গলন ও জমাট বাঁধার তাপমাত্রা — সমান।

13. চাপ বৃদ্ধি করলে বাষ্পীভবন — কমে যায়।

14. বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় তাপ — শোষিত হয়।

15. সংঘনন প্রক্রিয়ায় তাপ — নির্গত হয়।

16. বাষ্পীভবন ঘটে — তরলের পৃষ্ঠ থেকে।

17. ফুটন ঘটে — তরলের সর্বত্র।

18. অবস্থা পরিবর্তনের সময় — তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে।

19. বাষ্প চাপ হলো — বাষ্পের দ্বারা তরলের উপরে প্রয়োগিত চাপ।

20. সমতল অবস্থায় বাষ্প চাপ — ধ্রুব থাকে।