রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Chemistry MCQ for Competitive Exams in Bengali

রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Chemistry MCQ for Competitive Exams in Bengali

রসায়ন (Chemistry)

পদার্থ ও এর অবস্থা (ঠোস, তরল, গ্যাস, প্লাজমা)

1. পদার্থের প্রধান তিনটি অবস্থা কী কী? – কঠিন, তরল ও গ্যাস।

2. পদার্থের চতুর্থ অবস্থা কোনটি? – প্লাজমা।

3. কঠিন পদার্থে কণাগুলির বিন্যাস কেমন হয়? – ঘনভাবে ও সুশৃঙ্খলভাবে।

4. তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার থাকে কি? – না, তরলের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে কিন্তু আকার থাকে না।

5. গ্যাসের কি নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে? – না, গ্যাসের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন কোনোটিই থাকে না।

6. কঠিন থেকে তরলে পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে কী বলে? – গলন।

7. তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে কী বলে? – বাষ্পীভবন।

8. গ্যাস থেকে তরলে পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে কী বলে? – ঘনীভবন।

9. তরল থেকে কঠিনে পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে কী বলে? – কঠিনীকরণ বা জমাট বাঁধা।

10. কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসে পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে কী বলে? – উর্ধ্বপতন।

11. গ্যাস থেকে সরাসরি কঠিনে পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে কী বলে? – ন্যস্তপতন।

12. প্লাজমা অবস্থায় পদার্থের কণাগুলির অবস্থা কেমন থাকে? – আয়নিত অবস্থায় থাকে।

13. সূর্য কোন অবস্থার পদার্থ দিয়ে গঠিত? – প্লাজমা অবস্থা।

14. ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্পে কোন অবস্থার পদার্থ থাকে? – প্লাজমা।

15. কঠিন পদার্থের ঘনত্ব কেমন হয়? – সর্বাধিক।

16. গ্যাসীয় পদার্থের ঘনত্ব কেমন হয়? – সর্বনিম্ন।

17. তরল পদার্থ প্রবাহিত হতে পারে কেন? – কণাগুলি পরস্পরের উপর সহজে সরে যেতে পারে বলে।

18. কঠিন পদার্থ ভাঙলে কী পরিবর্তিত হয়? – আকার পরিবর্তিত হয় কিন্তু আয়তন অপরিবর্তিত থাকে।

19. তরল গরম করলে কী ঘটে? – বাষ্পীভবন বৃদ্ধি পায়।

20. গ্যাস ঠান্ডা করলে কী ঘটে? – ঘনীভবন ঘটে।

21. কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক কী বোঝায়? – যে তাপমাত্রায় কঠিন তরলে পরিণত হয়।

22. তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক কী বোঝায়? – যে তাপমাত্রায় তরল গ্যাসে পরিণত হয়।

23. পানি বরফে পরিণত হলে কোন প্রক্রিয়া ঘটে? – কঠিনীকরণ।

24. বরফ গলে পানি হলে কোন প্রক্রিয়া ঘটে? – গলন।

25. পানি বাষ্পে রূপান্তরিত হলে কোন প্রক্রিয়া ঘটে? – বাষ্পীভবন।

26. জলীয়বাষ্প আবার পানিতে পরিণত হলে কোন প্রক্রিয়া ঘটে? – ঘনীভবন।

27. শুষ্ক বরফ কী? – কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড।

28. শুষ্ক বরফ উর্ধ্বপতন ঘটিয়ে কোন গ্যাস দেয়? – কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস।

29. গ্যাসের চাপ বাড়ালে তার আয়তন কী হয়? – কমে যায়।

30. বয়েলের সূত্র কিসের সম্পর্ক নির্দেশ করে? – গ্যাসের চাপ ও আয়তনের মধ্যে।

31. চার্লসের সূত্র কিসের সম্পর্ক নির্দেশ করে? – গ্যাসের আয়তন ও তাপমাত্রার মধ্যে।

32. প্লাজমা অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহিতা কেমন? – খুব বেশি।

33. আয়ন ও ইলেকট্রনের মিশ্রণ কোন অবস্থায় থাকে? – প্লাজমা অবস্থায়।

34. যে পদার্থে আকার ও আয়তন দুটোই নির্দিষ্ট তাকে কী বলে? – কঠিন পদার্থ।

35. যে পদার্থে আকার নির্দিষ্ট নয় কিন্তু আয়তন নির্দিষ্ট তাকে কী বলে? – তরল পদার্থ।

36. যে পদার্থে আকার ও আয়তন কোনোটিই নির্দিষ্ট নয় তাকে কী বলে? – গ্যাসীয় পদার্থ।

37. তরল পদার্থে কণাগুলির গতিশক্তি কেমন? – মাঝারি।

38. কঠিন পদার্থে কণাগুলির গতিশক্তি কেমন? – সর্বনিম্ন।

39. গ্যাসীয় পদার্থে কণাগুলির গতিশক্তি কেমন? – সর্বাধিক।

40. গ্যাসের কণাগুলি কোন ধরনের গতিতে থাকে? – এলোমেলো গতিতে।

41. পদার্থের অবস্থা পরিবর্তন নির্ভর করে কিসের উপর? – তাপমাত্রা ও চাপের উপর।

42. গ্যাসকে তরলে রূপান্তর করতে কী করতে হয়? – চাপ বাড়াতে ও তাপমাত্রা কমাতে হয়।

43. তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করতে কী করতে হয়? – তাপ দিতে হয়।

44. প্লাজমা অবস্থার একটি উদাহরণ কী? – বজ্রপাত।

45. আয়ন কী? – চার্জযুক্ত পরমাণু বা অণু।

46. গ্যাসের চাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী? – ম্যানোমিটার।

47. গ্যাসের তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র কী? – থার্মোমিটার।

48. গ্যাসের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্র কী? – ডেনসিমিটার।

49. কঠিন পদার্থের স্ফটিক বিন্যাস কোন শক্তির জন্য হয়? – আন্তঃআণবিক বলের জন্য।

50. প্লাজমা অবস্থাকে কখনও কখনও কী বলা হয়? – পদার্থের আয়নিত অবস্থা।

উপাদান, যৌগ ও মিশ্রণ

1. পদার্থের মৌলিক রূপকে কি বলে – উপাদান

2. দুই বা ততোধিক উপাদানের রাসায়নিক মিলনে যে পদার্থ গঠিত হয় তাকে বলে – যৌগ

3. দুই বা ততোধিক পদার্থের ভৌত মিলনে যে পদার্থ গঠিত হয় তাকে বলে – মিশ্রণ

4. বিশুদ্ধ লোহা একটি – উপাদান

5. পানি (H₂O) একটি – যৌগ

6. বায়ু একটি – মিশ্রণ

7. লবণ (NaCl) একটি – যৌগ

8. দুধ একটি – মিশ্রণ

9. কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) একটি – যৌগ

10. পিতল (Brass) হলো – মিশ্র ধাতু

11. ব্রোঞ্জ হলো – তামা ও টিনের মিশ্রণ

12. স্টিল হলো – লোহা ও কার্বনের মিশ্রণ

13. বায়ুর প্রধান উপাদান হলো – নাইট্রোজেন

14. উপাদান কিসের দ্বারা গঠিত – একই ধরনের পরমাণু

15. যৌগ গঠিত হয় – নির্দিষ্ট অনুপাতে দুই বা ততোধিক উপাদান দ্বারা

16. মিশ্রণে উপাদানগুলির অনুপাত – নির্দিষ্ট নয়

17. লবণাক্ত জল হলো – সমসত্ত্ব মিশ্রণ

18. কাদা মেশানো জল হলো – অসমসত্ত্ব মিশ্রণ

19. সমসত্ত্ব মিশ্রণকে আর কি বলা হয় – দ্রবণ

20. অসমসত্ত্ব মিশ্রণকে আর কি বলা হয় – কলয়েড বা স্থগিত দ্রবণ

21. বায়ু হলো – সমসত্ত্ব মিশ্রণ

22. লোহার মরিচা হলো – যৌগ (Fe₂O₃·xH₂O)

23. গ্লুকোজ (C₆H₁₂O₆) হলো – যৌগ

24. সোডিয়াম ক্লোরাইড হলো – যৌগ

25. মিশ্র ধাতু হলো – মিশ্রণ

26. সোনা একটি – উপাদান

27. হাইড্রোজেন একটি – উপাদান

28. নাইট্রোজেন একটি – উপাদান

29. কার্বন মনোক্সাইড (CO) হলো – যৌগ

30. অক্সিজেন একটি – উপাদান

31. হিলিয়াম একটি – নিষ্ক্রিয় গ্যাস ও উপাদান

32. দুধের মিশ্রণ হলো – কলয়েড

33. পেট্রোল হলো – সমসত্ত্ব মিশ্রণ

34. রক্ত হলো – অসমসত্ত্ব মিশ্রণ

35. দই হলো – কলয়েড মিশ্রণ

36. বালি ও লোহা গুঁড়ো মিশ্রণকে পৃথক করা যায় – চুম্বকের সাহায্যে

37. লবণ ও জল পৃথক করা যায় – বাষ্পীভবনের মাধ্যমে

38. পেট্রোল ও জল পৃথক করা যায় – পৃথকীকরণ ফানেল দ্বারা

39. বায়ুর বিভিন্ন গ্যাস পৃথক করা যায় – ভগ্নাংশীয় তরলীকরণ দ্বারা

40. মিশ্রণে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে কি? – না

41. যৌগে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে কি? – হ্যাঁ

42. মিশ্রণের উপাদানগুলোকে কি দ্বারা আলাদা করা যায় – ভৌত প্রক্রিয়ায়

43. যৌগের উপাদানগুলোকে কি দ্বারা আলাদা করা যায় – রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়

44. নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) হলো – যৌগ

45. চিনি (C₁₂H₂₂O₁₁) হলো – যৌগ

46. বালি হলো – মিশ্রণ

47. সালফার হলো – উপাদান

48. অ্যামোনিয়া (NH₃) হলো – যৌগ

49. কাচ (Glass) হলো – মিশ্রণ

50. পারদ (Mercury) হলো – ধাতব উপাদান

ভর সংরক্ষণ সূত্র, গে-লুসাক সূত্র, অ্যাভোগাড্রো সূত্র

1. ভর সংরক্ষণ সূত্রের প্রবর্তক কে – অ্যান্টয়েন ল্যাভয়সিয়ে

2. ভর সংরক্ষণ সূত্র কবে প্রবর্তিত হয় – ১৭৭৪ সালে

3. ভর সংরক্ষণ সূত্র অনুযায়ী কী বলা হয়েছে – রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মোট ভর অপরিবর্তিত থাকে

4. ভর সংরক্ষণ সূত্রের অন্য নাম কী – ল্যাভয়সিয়ে সূত্র

5. ভর সংরক্ষণ সূত্র কোন বিক্রিয়ায় প্রযোজ্য – সব রাসায়নিক বিক্রিয়ায়

6. ভর সংরক্ষণ সূত্র অনুসারে উৎপন্ন পদার্থের ভর কত হবে – বিক্রিয়কের মোট ভরের সমান

7. ভর সংরক্ষণ সূত্র প্রমাণ করার জন্য কোন উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছিল – সিল করা ফ্লাস্ক

8. গে-লুসাক সূত্রের প্রবর্তক কে – জোসেফ গে-লুসাক

9. গে-লুসাক সূত্র কবে প্রবর্তিত হয় – ১৮০৮ সালে

10. গে-লুসাক সূত্র কোন বিষয়ে সম্পর্কিত – গ্যাসের আয়তন ও তাপমাত্রার সম্পর্ক

11. গে-লুসাক সূত্র অনুযায়ী চাপ স্থির থাকলে আয়তন কিসের সমানুপাতিক – তাপমাত্রার (V ∝ T)

12. গে-লুসাক সূত্র কোন এককে তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয় – কেলভিনে

13. গে-লুসাক সূত্রের গাণিতিক রূপ কী – V₁/T₁ = V₂/T₂

14. গে-লুসাক সূত্র কোন গ্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য – আদর্শ গ্যাস

15. গে-লুসাক সূত্রের অপর নাম কী – তাপীয় সম্প্রসারণ সূত্র

16. গে-লুসাক কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন – ফ্রান্সের

17. অ্যাভোগাড্রো সূত্রের প্রবর্তক কে – অ্যামেডিও অ্যাভোগাড্রো

18. অ্যাভোগাড্রো সূত্র কবে প্রবর্তিত হয় – ১৮১১ সালে

19. অ্যাভোগাড্রো সূত্র কোন বিষয়ে সম্পর্কিত – গ্যাসের আয়তন ও অণুর সংখ্যা

20. অ্যাভোগাড্রো সূত্র অনুযায়ী সমান আয়তনের গ্যাসে কী সমান থাকে – অণুর সংখ্যা

21. অ্যাভোগাড্রো সূত্রের গাণিতিক রূপ কী – V ∝ n (চাপ ও তাপমাত্রা স্থির থাকলে)

22. অ্যাভোগাড্রো সূত্র থেকে কোন ধ্রুবক নির্ধারিত হয় – অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা

23. অ্যাভোগাড্রো সংখ্যার মান কত – 6.022 × 10²³

24. ১ মোল পদার্থে কত অণু থাকে – 6.022 × 10²³ অণু

25. অ্যাভোগাড্রো সূত্র কোন একক ব্যবস্থার ভিত্তি – মোল ধারণা

26. ভর সংরক্ষণ সূত্র অনুযায়ী পদার্থ সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় কি – না, শুধুমাত্র রূপ পরিবর্তন হয়

27. অ্যাভোগাড্রো সূত্র অনুযায়ী গ্যাসের আয়তন কিসের উপর নির্ভর করে – গ্যাসের অণুর সংখ্যার উপর

28. গে-লুসাক সূত্রে যদি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তাহলে গ্যাসের আয়তন কী হয় – বৃদ্ধি পায়

29. ভর সংরক্ষণ সূত্র কোন ধরনের বিক্রিয়ায় লঙ্ঘিত হয় না – রাসায়নিক বিক্রিয়ায়

30. গে-লুসাক সূত্রে যদি তাপমাত্রা হ্রাস পায়, গ্যাসের আয়তন কী হয় – হ্রাস পায়

31. অ্যাভোগাড্রো সূত্র প্রমাণে কোন গ্যাসের তুলনা করা হয়েছিল – হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন

32. গে-লুসাক সূত্রের সাহায্যে কোন গ্যাসীয় সমীকরণ নির্ণয় করা যায় – আদর্শ গ্যাসের সমীকরণ

33. অ্যাভোগাড্রো সূত্র কোন মৌলিক আইনের সম্প্রসারণ – গে-লুসাকের আয়তন সূত্রের

34. গে-লুসাক সূত্রে ব্যবহৃত তাপমাত্রার একক কোনটি – কেলভিন

35. ভর সংরক্ষণ সূত্র কি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় প্রযোজ্য – সম্পূর্ণ নয়, আংশিকভাবে

36. অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা কার নামে রাখা হয়েছে – অ্যামেডিও অ্যাভোগাড্রোর নামে

37. অ্যাভোগাড্রো সূত্র অনুযায়ী ১ লিটার অক্সিজেন ও ১ লিটার হাইড্রোজেন গ্যাসে কী সমান – অণুর সংখ্যা

38. গে-লুসাক সূত্রে চাপ স্থির থাকলে কী পরিবর্তন ঘটে – তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে আয়তন পরিবর্তিত হয়

39. ভর সংরক্ষণ সূত্র রসায়নের কোন মৌলিক নীতি – পদার্থের রূপান্তর নীতি

40. অ্যাভোগাড্রো সূত্রে "n" দ্বারা কী বোঝানো হয় – গ্যাসের মোল সংখ্যা

41. অ্যাভোগাড্রো সূত্র কোন অবস্থায় সঠিকভাবে প্রযোজ্য – চাপ ও তাপমাত্রা স্থির থাকলে

42. গে-লুসাক সূত্রের প্রয়োগ কোথায় দেখা যায় – বেলুন ফুলানোয় বা গ্যাস উত্তপ্ত করায়

43. ভর সংরক্ষণ সূত্র অনুসারে বিক্রিয়া আগে ও পরে মোট ভর কী থাকে – সমান

44. অ্যাভোগাড্রো সূত্র প্রমাণে কোন সমীকরণ ব্যবহৃত হয় – V₁/n₁ = V₂/n₂

45. গে-লুসাক সূত্রের বাস্তব উদাহরণ কী – গরম হাওয়ায় বেলুনের আয়তন বৃদ্ধি

46. অ্যাভোগাড্রো সূত্র কোন ধরনের গ্যাসে প্রযোজ্য – আদর্শ গ্যাসে

47. ভর সংরক্ষণ সূত্রের প্রয়োগ কোথায় দেখা যায় – দহন বিক্রিয়ায়

48. গে-লুসাক সূত্র অনুযায়ী গ্যাসের আয়তন কোনটির উপর নির্ভরশীল – তাপমাত্রার উপর

49. অ্যাভোগাড্রো সূত্র অনুযায়ী সমান আয়তনের গ্যাসে সমান থাকে – অণুর সংখ্যা

50. ভর সংরক্ষণ সূত্র বিজ্ঞানের কোন শাখার ভিত্তি – রসায়ন বিজ্ঞানের

আণবিক ভর ও গ্রাম আণবিক ভর

1. আণবিক ভর কাকে বলে? — কোনো পদার্থের একটি অণুর ভরকে আণবিক ভর বলে।

2. আণবিক ভরের একক কী? — আণবিক ভরের একক হলো অ্যাটমিক মাস ইউনিট (a.m.u)।

3. ১ অ্যাটমিক মাস ইউনিট কত গ্রাম? — ১ a.m.u = 1.66 × 10⁻²⁴ গ্রাম।

4. গ্রাম আণবিক ভর কাকে বলে? — কোনো পদার্থের আণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে তাকে গ্রাম আণবিক ভর বলে।

5. ১ মোল পদার্থের ভর কী নামে পরিচিত? — গ্রাম আণবিক ভর।

6. ১ মোল পদার্থে কতটি অণু থাকে? — 6.022 × 10²³ টি অণু।

7. জলের আণবিক ভর কত? — 18 a.m.u.

8. কার্বন ডাই-অক্সাইডের আণবিক ভর কত? — 44 a.m.u.

9. অ্যামোনিয়ার আণবিক ভর কত? — 17 a.m.u.

10. নাইট্রোজেন গ্যাসের আণবিক ভর কত? — 28 a.m.u.

11. হাইড্রোজেন গ্যাসের আণবিক ভর কত? — 2 a.m.u.

12. অক্সিজেন গ্যাসের আণবিক ভর কত? — 32 a.m.u.

13. সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)-এর আণবিক ভর কত? — 58.5 a.m.u.

14. মিথেন (CH₄)-এর আণবিক ভর কত? — 16 a.m.u.

15. গ্লুকোজ (C₆H₁₂O₆)-এর আণবিক ভর কত? — 180 a.m.u.

16. সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄)-এর আণবিক ভর কত? — 98 a.m.u.

17. নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃)-এর আণবিক ভর কত? — 63 a.m.u.

18. ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃)-এর আণবিক ভর কত? — 100 a.m.u.

19. গ্রাম আণবিক ভর ও আণবিক ভরের মধ্যে পার্থক্য কী? — আণবিক ভর এককে প্রকাশিত, গ্রাম আণবিক ভর গ্রামে প্রকাশিত।

20. ১ মোল জলের ভর কত গ্রাম? — 18 গ্রাম।

21. ১ মোল CO₂ গ্যাসের ভর কত গ্রাম? — 44 গ্রাম।

22. ১ মোল অক্সিজেন গ্যাসের ভর কত গ্রাম? — 32 গ্রাম।

23. ১ মোল নাইট্রোজেন গ্যাসের ভর কত গ্রাম? — 28 গ্রাম।

24. ১ মোল H₂ গ্যাসের ভর কত গ্রাম? — 2 গ্রাম।

25. আণবিক ভর নির্ণয়ের ভিত্তি কোন উপাদান? — কার্বন-১২ আইসোটোপ।

26. কার্বন-১২ আইসোটোপের ১/১২ ভর কত বলা হয়? — ১ অ্যাটমিক মাস ইউনিট।

27. আণবিক ভর নির্ণয়ের সূত্র কী? — আণবিক ভর = উপাদানের পারমাণবিক ভরের যোগফল।

28. অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর কত? — 16।

29. হাইড্রোজেনের পারমাণবিক ভর কত? — 1।

30. সালফারের পারমাণবিক ভর কত? — 32।

ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন

1. ইলেকট্রনের আবিষ্কার করেন – জে. জে. থমসন।

2. প্রোটনের আবিষ্কার করেন – আর্নেস্ট রাদারফোর্ড।

3. নিউট্রনের আবিষ্কার করেন – জেমস চ্যাডউইক।

4. ইলেকট্রনের আধান – ঋণাত্মক।

5. প্রোটনের আধান – ধনাত্মক।

6. নিউট্রনের আধান – শূন্য (আধানবিহীন)।

7. ইলেকট্রনের ভর – 9.1 × 10⁻³¹ কেজি।

8. প্রোটনের ভর – 1.67 × 10⁻²⁷ কেজি।

9. নিউট্রনের ভর – 1.67 × 10⁻²⁷ কেজি।

10. প্রোটনের ভর ইলেকট্রনের তুলনায় প্রায় – 1836 গুণ বেশি।

11. নিউট্রনের ভর প্রোটনের ভরের তুলনায় – সামান্য বেশি।

12. ইলেকট্রন আবিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র – ক্যাথোড রে টিউব।

13. ক্যাথোড রে গঠিত হয় – ইলেকট্রন দ্বারা।

14. প্রোটনকে বলা হয় – হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস।

15. নিউট্রন অবস্থিত থাকে – পরমাণুর নিউক্লিয়াসে।

16. ইলেকট্রন অবস্থিত থাকে – নিউক্লিয়াসের বাইরে অরবিটে।

17. প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে গঠন করে – নিউক্লিয়াস।

18. প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে বলা হয় – নিউক্লিয়ন।

19. ইলেকট্রনকে আবিষ্কারের বছর – 1897 খ্রিস্টাব্দ।

20. প্রোটনকে আবিষ্কারের বছর – 1919 খ্রিস্টাব্দ।

21. নিউট্রনকে আবিষ্কারের বছর – 1932 খ্রিস্টাব্দ।

22. ইলেকট্রনের আধানের মান – -1.602 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।

23. প্রোটনের আধানের মান – +1.602 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।

24. নিউট্রনের আধান – 0 কুলম্ব।

25. ইলেকট্রন সর্বপ্রথম উৎপন্ন হয় – ক্যাথোড রে পরীক্ষায়।

26. প্রোটন তৈরি হয় – নিউক্লিয়াস থেকে হাইড্রোজেন আয়ন হিসেবে।

27. নিউট্রনের অনুপস্থিতিতে পরমাণু – অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।

28. পরমাণুর ধনাত্মক চার্জ বহন করে – প্রোটন।

29. পরমাণুর ঋণাত্মক চার্জ বহন করে – ইলেকট্রন।

30. নিউক্লিয়াসের বাইরে যে কণাগুলি ঘুরে – ইলেকট্রন।

31. একই পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা স্থির থাকে – এটি মৌল নির্ধারণ করে।

32. ইলেকট্রন প্রথম শনাক্ত হয় – ক্যাথোড রে টিউবে।

33. প্রোটন প্রথম আবিষ্কার করেন – রাদারফোর্ডের আলফা কণা পরীক্ষা থেকে।

34. নিউট্রন সাহায্য করে – নিউক্লিয়াসের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে।

35. ইলেকট্রনের গতিবেগ প্রায় – আলোর বেগের নিকটবর্তী।

36. ইলেকট্রনের কক্ষপথ নির্দিষ্ট করেন – বোর।

37. প্রোটন ও নিউট্রন উভয়ই থাকে – নিউক্লিয়াসে।

38. ইলেকট্রন থাকে – শক্তিস্তরে বা শেলে।

39. ইলেকট্রন সংখ্যা যদি প্রোটন সংখ্যার সমান হয় – পরমাণু হয় বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ।

40. ইলেকট্রন হারালে পরমাণু হয় – ধনাত্মক আয়ন।

41. ইলেকট্রন পেলে পরমাণু হয় – ঋণাত্মক আয়ন।

42. প্রোটনের উপস্থিতিতে পরমাণু হয় – ধনাত্মক কেন্দ্রবিশিষ্ট।

43. নিউট্রনের আবিষ্কার পদার্থবিদ্যা নোবেল পুরস্কার এনে দেয় – জেমস চ্যাডউইককে (1935 সালে)।

44. ইলেকট্রন চলাচল করে – পরমাণুর কেন্দ্র ঘিরে।

45. ইলেকট্রনের সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয় – রাসায়নিক ধর্ম।

46. প্রোটন সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয় – মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।

47. নিউট্রন সংখ্যা পরিবর্তনে সৃষ্টি হয় – আইসোটোপ।

48. ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রনকে বলা হয় – মৌলিক কণা।

49. ইলেকট্রনের অবস্থান নির্দেশ করে – অরবিট বা অরবিটাল।

50. প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন মিলে গঠন করে – একটি পূর্ণ পরমাণু।

ইলেকট্রনের আবিষ্কার

1. ইলেকট্রনের আবিষ্কার করেন – জে. জে. থমসন।

2. ইলেকট্রন আবিষ্কারের বছর – ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দ।

3. ইলেকট্রন আবিষ্কারে ব্যবহৃত যন্ত্র – ক্যাথোড রে টিউব।

4. ক্যাথোড রে টিউব পরীক্ষা পরিচালনা করেন – জে. জে. থমসন।

5. ক্যাথোড রে গঠিত হয় – ইলেকট্রন দ্বারা।

6. ইলেকট্রন শব্দটি প্রবর্তন করেন – জি. জে. স্টোনি।

7. ক্যাথোড রে টিউবের গ্যাসচাপ রাখা হয় – প্রায় 10⁻² mm Hg।

8. ক্যাথোড রে ধনাত্মক না ঋণাত্মক – ঋণাত্মক।

9. ইলেকট্রন চলাচলের দিক – ক্যাথোড থেকে অ্যানোডের দিকে।

10. ক্যাথোড রে চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা – বেঁকে যায়।

11. ক্যাথোড রে তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা – বেঁকে যায়।

12. ইলেকট্রনের আধানের মান – -1.602 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।

13. ইলেকট্রনের ভর – 9.1 × 10⁻³¹ কেজি।

14. ইলেকট্রনকে বলা হয় – পরমাণুর ঋণাত্মক কণা।

15. ইলেকট্রনের আধান প্রথম নির্ণয় করেন – রবার্ট মিলিকান।

16. ইলেকট্রনের আধান নির্ণয়ের পরীক্ষা – অয়েল ড্রপ এক্সপেরিমেন্ট।

17. অয়েল ড্রপ পরীক্ষা পরিচালনা করেন – মিলিকান ও ফ্লেচার।

18. ইলেকট্রন থাকে – নিউক্লিয়াসের বাইরে।

19. ইলেকট্রন আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় – পরমাণু বিভাজ্য।

20. ইলেকট্রনের প্রতীক – e⁻।

21. ইলেকট্রনকে মৌলিক কণা বলা হয় কারণ – এর গঠন আর ভাঙা যায় না।

22. থমসনের আবিষ্কার পূর্বে পরমাণুকে ধরা হতো – অবিভাজ্য।

23. থমসনের পরমাণু মডেল পরিচিত – পুডিং মডেল বা তরল বল মডেল নামে।

24. থমসন প্রমাণ করেন – পরমাণুর ভিতরে ঋণাত্মক কণা আছে।

25. ক্যাথোড রে টিউবের অ্যানোড তৈরি হয় – ধাতব পদার্থ দিয়ে।

26. ইলেকট্রনের গতি ঘটে – উচ্চ বেগে।

27. ইলেকট্রন বহন করে – তড়িৎ প্রবাহ।

28. ইলেকট্রনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে – ক্যাথোড রে টিউবের পর্দায় আলোক বিন্দু।

29. ইলেকট্রন আবিষ্কার বিজ্ঞানের ইতিহাসে – আধুনিক পরমাণুবিজ্ঞানের সূচনা ঘটায়।

30. ইলেকট্রন ছাড়া পরমাণু – অস্তিত্বহীন।

ইলেকট্রন বিন্যাস ও অরবিটাল

1. ইলেকট্রন বিন্যাস বলতে বোঝায় – পরমাণুর ইলেকট্রনগুলির শক্তিস্তরে বিন্যাস।

2. ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম দেন – নীলস বোর ও বাউরি।

3. ইলেকট্রন ঘোরে – নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে।

4. বোরের কক্ষপথকে বলা হয় – শক্তিস্তর বা শেল।

5. শক্তিস্তরগুলিকে চিহ্নিত করা হয় – K, L, M, N ইত্যাদি দ্বারা।

6. প্রথম শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা – 2।

7. দ্বিতীয় শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা – 8।

8. তৃতীয় শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা – 18।

9. চতুর্থ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা – 32।

10. ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতার সূত্র – 2n² (n = শক্তিস্তরের সংখ্যা)।

11. ইলেকট্রন বিন্যাস নির্ধারণের নীতি – Aufbau নীতি।

12. Aufbau নীতি অনুযায়ী ইলেকট্রন ভরে – নিম্ন শক্তি স্তর থেকে উচ্চ শক্তি স্তরে।

13. ইলেকট্রন বিন্যাসে পাউলির বর্জন নীতি বলে – একটি অরবিটালে দুটি বিপরীত স্পিনযুক্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে।

14. হান্ডের নীতি অনুযায়ী – ইলেকট্রনসমূহ এককভাবে প্রতিটি অরবিটালে প্রবেশ করে।

15. s অরবিটালে ইলেকট্রনের ধারণ ক্ষমতা – 2।

16. p অরবিটালে ইলেকট্রনের ধারণ ক্ষমতা – 6।

17. d অরবিটালে ইলেকট্রনের ধারণ ক্ষমতা – 10।

18. f অরবিটালে ইলেকট্রনের ধারণ ক্ষমতা – 14।

19. s অরবিটালের আকৃতি – গোলাকার।

20. p অরবিটালের আকৃতি – ডাম্বেল আকৃতির।

21. d অরবিটালের আকৃতি – জটিল বা ফুলের পাপড়ির মতো।

22. প্রতিটি শক্তিস্তর গঠিত হয় – এক বা একাধিক সাবশেল দ্বারা।

23. সাবশেলগুলিকে চিহ্নিত করা হয় – s, p, d, f দ্বারা।

24. পরমাণুর বাহ্যিক শেলে ইলেকট্রনের সংখ্যা নির্ধারণ করে – মৌলের রাসায়নিক ধর্ম।

25. একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা সমান – ইলেকট্রন সংখ্যার।

26. ইলেকট্রন বিন্যাস লেখা হয় – শক্তিস্তর বা সাবশেল আকারে (যেমন 1s² 2s² 2p⁶)।

27. ইলেকট্রনের অরবিট নির্দিষ্ট করেন – বোর।

28. অরবিটাল বলতে বোঝায় – নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রনের সম্ভাব্য অবস্থান অঞ্চল।

29. প্রতিটি অরবিটালে থাকতে পারে – সর্বাধিক দুটি ইলেকট্রন।

30. ইলেকট্রন বিন্যাস নির্ধারণ মৌলের – পারমাণবিক ধর্ম ও পর্যায় সারণির অবস্থান নির্ধারণে সাহায্য করে।

নিউক্লিয়াস ও আইসোটোপ, আইসোবার, আইসোটোন

1. নিউক্লিয়াস হলো – পরমাণুর কেন্দ্রস্থ অংশ।

2. নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন – আর্নেস্ট রাদারফোর্ড।

3. রাদারফোর্ডের পরীক্ষার নাম – স্বর্ণপত্র পরীক্ষণ (Gold Foil Experiment)।

4. রাদারফোর্ডের পরীক্ষায় ব্যবহৃত কণিকা – α-কণিকা।

5. নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকে – প্রোটন ও নিউট্রন।

6. নিউক্লিয়াসে ইলেকট্রন থাকে না – কারণ এটি ধনাত্মক চার্জযুক্ত।

7. প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে বলা হয় – নিউক্লিয়ন।

8. প্রোটনের আধান – +1।

9. নিউট্রনের আধান – শূন্য (নিরপেক্ষ)।

10. প্রোটন আবিষ্কার করেন – রাদারফোর্ড।

11. নিউট্রন আবিষ্কার করেন – জেমস চ্যাডউইক।

12. প্রোটনের ভর – 1.672 × 10⁻²⁷ কেজি।

13. নিউট্রনের ভর – 1.675 × 10⁻²⁷ কেজি।

14. নিউক্লিয়াসের আকার – অত্যন্ত ক্ষুদ্র।

15. নিউক্লিয়াসের ব্যাস প্রায় – 10⁻¹⁵ মিটার।

16. পরমাণুর অধিকাংশ ভর থাকে – নিউক্লিয়াসে।

17. রাদারফোর্ড প্রমাণ করেন – পরমাণুর ভর ও ধনাত্মক আধান কেন্দ্রে কেন্দ্রীভূত।

18. নিউক্লিয়াসকে ঘিরে থাকে – ঋণাত্মক ইলেকট্রন মেঘ।

19. নিউক্লিয়াস স্থিতিশীল থাকে – প্রোটন ও নিউট্রনের পারমাণবিক বলের জন্য।

20. নিউক্লিয়ার ফোর্স হলো – আকর্ষণ বল যা নিউক্লিয়াসকে বাঁধে।

21. আইসোটোপ বলতে বোঝায় – একই মৌলের পরমাণু যাদের ভর সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা সমান।

22. উদাহরণ – হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ: প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম।

23. আইসোটোপে প্রোটন সংখ্যা – সমান থাকে।

24. আইসোটোপে নিউট্রন সংখ্যা – ভিন্ন হয়।

25. আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম – একই রকম।

26. আইসোটোপের ভৌত ধর্ম – ভিন্ন হয়।

27. চিকিৎসায় ব্যবহৃত আইসোটোপ – রেডিয়াম ও কোবাল্ট।

28. আইসোবার বলতে বোঝায় – বিভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন।

29. উদাহরণ – ⁴⁰Ca ও ⁴⁰Ar হলো আইসোবার।

30. আইসোবারে নিউক্লিয়াসের ভর – সমান থাকে।

31. আইসোবারে রাসায়নিক ধর্ম – ভিন্ন।

32. আইসোবারে প্রোটন সংখ্যা – ভিন্ন।

33. আইসোটোন বলতে বোঝায় – যেসব পরমাণুতে নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন।

34. উদাহরণ – ¹⁴C ও ¹⁵N হলো আইসোটোন।

35. আইসোটোনের রাসায়নিক ধর্ম – ভিন্ন।

36. আইসোটোনের নিউট্রন সংখ্যা – একই।

37. আইসোটোপ, আইসোবার ও আইসোটোন – পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত তিনটি মৌলিক ধারণা।

38. নিউক্লিয়ার স্থিতিশীলতা নির্ভর করে – নিউট্রন ও প্রোটনের অনুপাতের উপর।

39. অতিরিক্ত নিউট্রন বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস – অস্থিতিশীল।

40. রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল – অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট।

41. নিউক্লিয়াসের চার্জ – প্রোটন সংখ্যার সমান।

42. নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা – প্রোটন ও নিউট্রনের যোগফল।

43. আইসোটোপ ব্যবহার করা হয় – পারমাণবিক চিকিৎসা ও কার্বন ডেটিংয়ে।

44. কার্বন-১৪ ব্যবহৃত হয় – জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে।

45. ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো – রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ।

46. আইসোটোপের মধ্যে ডিউটেরিয়াম ব্যবহৃত হয় – পারমাণবিক সংযোজন প্রক্রিয়ায়।

47. প্রোটিয়াম হলো – সাধারণ হাইড্রোজেন আইসোটোপ।

48. ট্রিটিয়াম ব্যবহৃত হয় – পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে।

49. নিউক্লিয়াস আবিষ্কার আধুনিক – নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘটায়।

50. আইসোটোপ, আইসোবার ও আইসোটোন ধারণা দেন – সোডি ও অ্যাস্টন।

ভর সংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা

1. পারমাণবিক সংখ্যা হলো – একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা।

2. ভর সংখ্যা হলো – পরমাণুর প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যা।

3. পারমাণবিক সংখ্যা নির্দেশ করে – মৌলের রাসায়নিক পরিচয়।

4. ভর সংখ্যা নির্দেশ করে – পরমাণুর মোট ভর বা নিউক্লিয়াসের আকার।

5. পারমাণবিক সংখ্যা চিহ্নিত করা হয় – Z দ্বারা।

6. ভর সংখ্যা চিহ্নিত করা হয় – A দ্বারা।

7. ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা।

8. নিরপেক্ষ পরমাণুতে – প্রোটন সংখ্যা = ইলেকট্রন সংখ্যা।

9. হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা – 1।

10. হিলিয়ামের ভর সংখ্যা – 4।

11. অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা – 8।

12. সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা – 11।

13. পারমাণবিক সংখ্যা পরিবর্তিত হলে – মৌল পরিবর্তিত হয়।

14. ভর সংখ্যা পরিবর্তিত হলে – একই মৌলের আইসোটোপ গঠিত হয়।

15. প্রোটন সংখ্যা নির্ধারণ করে – মৌলের স্থান পর্যায় সারণিতে।

16. ভর সংখ্যা নির্ধারণ করে – নিউক্লিয়াসের স্থিতিশীলতা।

17. নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা – পারমাণবিক সংখ্যা।

18. ভর সংখ্যা সর্বদা – পূর্ণ সংখ্যা হয়।

19. পারমাণবিক সংখ্যা সর্বদা – পূর্ণ সংখ্যা হয়।

20. পারমাণবিক সংখ্যা আবিষ্কার করেন – মোজেলি (Henry Moseley)।