রসায়ন বিজ্ঞান MCQ - Chemistry Competition Exam MCQ in Bengali
রসায়ন (Chemistry)
হাইড্রোকার্বন (আলকেন, আলকিন, আল্কাইন)
1. হাইড্রোকার্বন কী – কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগকে হাইড্রোকার্বন বলে।
2. আলকেনের সাধারণ সূত্র – CₙH₂ₙ₊₂।
3. আলকিনের সাধারণ সূত্র – CₙH₂ₙ।
4. আল্কাইনের সাধারণ সূত্র – CₙH₂ₙ₋₂।
5. আলকেনকে আর কী বলে – প্যারাফিন।
6. আলকিনকে আর কী বলে – ওলেফিন।
7. আল্কাইনকে আর কী বলে – অ্যাসিটাইলিন শ্রেণি।
8. সবচেয়ে সহজ আলকেন – মিথেন (CH₄)।
9. সবচেয়ে সহজ আলকিন – ইথিন (C₂H₄)।
10. সবচেয়ে সহজ আল্কাইন – ইথাইন (C₂H₂)।
11. মিথেনের শিল্প নাম – মার্শ গ্যাস।
12. ইথিনের আরেক নাম – ইথিলিন।
13. ইথাইনের আরেক নাম – অ্যাসিটাইলিন।
14. আলকেনে বন্ধনের ধরন – একক (σ) বন্ধন।
15. আলকিনে বন্ধনের ধরন – একটি দ্বি বন্ধন।
16. আল্কাইনে বন্ধনের ধরন – একটি ত্রি বন্ধন।
17. আলকেনের প্রথম সদস্য – মিথেন।
18. আলকিনের প্রথম সদস্য – ইথিন।
19. আল্কাইনের প্রথম সদস্য – ইথাইন।
20. মিথেনের উৎপত্তি হয় – পচা জৈব পদার্থ থেকে।
21. মিথেনের রাসায়নিক সংকেত – CH₄।
22. ইথিনের রাসায়নিক সংকেত – C₂H₄।
23. ইথাইনের রাসায়নিক সংকেত – C₂H₂।
24. আলকেনের দহন ফল – কার্বন ডাই–অক্সাইড ও জল।
25. ইথিন ব্যবহৃত হয় – প্লাস্টিক (পলিথিন) তৈরিতে।
26. অ্যাসিটাইলিন ব্যবহৃত হয় – ধাতু জোড়ার কাজে (welding)।
27. আলকেনের প্রকৃতি – সম্পৃক্ত যৌগ।
28. আলকিন ও আল্কাইনের প্রকৃতি – অসম্পৃক্ত যৌগ।
29. আলকিনে Br₂ দ্রবণ যোগে যে বিক্রিয়া ঘটে – সংযোজন বিক্রিয়া।
30. আল্কাইন হাইড্রোজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে – আলকেন উৎপন্ন করে।
অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, কার্বক্সিলিক এসিড
1. অ্যালকোহলের সাধারণ সূত্র – CₙH₂ₙ₊₁OH।
2. অ্যালডিহাইডের সাধারণ সূত্র – R–CHO।
3. কিটোনের সাধারণ সূত্র – R–CO–R′।
4. কার্বক্সিলিক এসিডের সাধারণ সূত্র – R–COOH।
5. সবচেয়ে সহজ অ্যালকোহল – মিথানল (CH₃OH)।
6. সবচেয়ে সহজ অ্যালডিহাইড – ফর্মালডিহাইড (HCHO)।
7. সবচেয়ে সহজ কিটোন – অ্যাসিটোন (CH₃COCH₃)।
8. সবচেয়ে সহজ কার্বক্সিলিক এসিড – ফর্মিক অ্যাসিড (HCOOH)।
9. ইথানলকে আর কী বলে – ইথাইল অ্যালকোহল।
10. ইথানল ব্যবহৃত হয় – মদ্যপ পানীয় তৈরিতে।
11. মিথানলকে আর কী বলে – উড স্পিরিট।
12. উড স্পিরিট (মিথানল) অতিরিক্ত পান করলে – অন্ধত্ব বা মৃত্যু ঘটে।
13. অ্যালকোহলের কার্যকরী দল – –OH (হাইড্রক্সিল গ্রুপ)।
14. অ্যালডিহাইডের কার্যকরী দল – –CHO।
15. কিটোনের কার্যকরী দল – >C=O (কার্বোনাইল গ্রুপ)।
16. কার্বক্সিলিক এসিডের কার্যকরী দল – –COOH।
17. অ্যালকোহলের অক্সিডেশনে উৎপন্ন হয় – অ্যালডিহাইড।
18. অ্যালডিহাইডের অক্সিডেশনে উৎপন্ন হয় – কার্বক্সিলিক এসিড।
19. অ্যালডিহাইডের হ্রাসে উৎপন্ন হয় – অ্যালকোহল।
20. কিটোনের হ্রাসে উৎপন্ন হয় – সেকেন্ডারি অ্যালকোহল।
21. অ্যাসিটিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সংকেত – CH₃COOH।
22. অ্যাসিটিক অ্যাসিডকে আর কী বলে – ভিনেগার।
23. অ্যাসিটিক অ্যাসিডের স্বাদ – টক।
24. অ্যাসিটোন ব্যবহৃত হয় – নেইল পলিশ রিমুভারে দ্রাবক হিসেবে।
25. ইথানল ব্যবহৃত হয় – জ্বালানি, জীবাণুনাশক ও দ্রাবক হিসেবে।
26. ডিনেচার্ড অ্যালকোহল কী – পান অযোগ্য ইথানল মিশ্রণ।
27. অ্যালডিহাইড চেনার পরীক্ষা – ফেহলিং ও টোলেন্স পরীক্ষার দ্বারা।
28. কিটোন টোলেন্স পরীক্ষায় – ধনাত্মক ফল দেয় না।
29. অ্যালডিহাইডের গন্ধ – ঝাঁঝালো ও তীব্র।
30. অ্যাসিটিক অ্যাসিডে উপস্থিত মৌল – কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন।
31. অ্যাসিটিক অ্যাসিডের pH মান – প্রায় ২.৪।
32. অ্যালকোহলের স্ফুটনাঙ্ক – উচ্চ (হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে)।
33. অ্যালকোহল জলে – দ্রবণীয়।
34. অ্যালডিহাইড ও কিটোনের প্রধান বন্ধন – কার্বোনাইল বন্ধন।
35. অ্যাসিটিক অ্যাসিডের গন্ধ – ভিনেগারের মতো।
36. অ্যালডিহাইডে কার্বোনাইল গ্রুপ থাকে – শৃঙ্খলের প্রান্তে।
37. কিটোনে কার্বোনাইল গ্রুপ থাকে – শৃঙ্খলের মাঝে।
38. অ্যালকোহল বাষ্পে প্রজ্বলিত হলে – নীল শিখা দেয়।
39. মিথানল প্রাপ্ত হয় – কাঠের শুকনো পাতন থেকে।
40. ইথানল প্রাপ্ত হয় – ইস্ট দ্বারা গ্লুকোজের গাঁজন থেকে।
41. গ্লুকোজের গাঁজন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় – ইথানল ও কার্বন ডাই–অক্সাইড।
42. অ্যালকোহল ব্যবহৃত হয় – পারফিউম, ওষুধ ও জ্বালানিতে।
43. ফর্মালডিহাইড ব্যবহৃত হয় – জীবাণুনাশক ও সংরক্ষণে।
44. অ্যাসিটোন ব্যবহৃত হয় – দ্রাবক ও ক্লিনার হিসেবে।
45. অ্যাসিটিক অ্যাসিড ব্যবহৃত হয় – ভিনেগার ও ওষুধ তৈরিতে।
46. অ্যালকোহল শ্রেণীভুক্ত – একসংযোজী, দ্বিসংযোজী ও ত্রিসংযোজী।
47. ইথাইল অ্যালকোহলের রাসায়নিক সংকেত – C₂H₅OH।
48. অ্যাসিটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় – ভিনেগারে।
49. অ্যালকোহল দাহ করলে – কার্বন ডাই–অক্সাইড ও জল উৎপন্ন হয়।
50. অ্যালকোহল ও অ্যাসিড বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় – ইস্টার।
পলিমার (প্লাস্টিক, রাবার, নাইলন)
1. পলিমার কী – ক্ষুদ্র অণু মোনোমারগুলির সংযোজনে গঠিত বৃহৎ অণুকে পলিমার বলে।
2. মোনোমার কী – পলিমার গঠনের মূল একক।
3. পলিমারাইজেশন কী – মোনোমার থেকে পলিমার তৈরির প্রক্রিয়া।
4. প্লাস্টিক হলো – এক ধরনের কৃত্রিম পলিমার।
5. প্রাকৃতিক পলিমারের উদাহরণ – সেলুলোজ, রাবার, প্রোটিন।
6. কৃত্রিম পলিমারের উদাহরণ – নাইলন, বেকেলাইট, পলিথিন।
7. থার্মোপ্লাস্টিক কী – উত্তাপে নরম হয়ে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক।
8. থার্মোসেটিং প্লাস্টিক কী – উত্তাপে শক্ত হয়ে যায় এবং পুনরায় গলানো যায় না এমন প্লাস্টিক।
9. থার্মোপ্লাস্টিকের উদাহরণ – পলিথিন, পিভিসি।
10. থার্মোসেটিং প্লাস্টিকের উদাহরণ – বেকেলাইট, মেলামাইন।
11. পলিথিন গঠিত হয় – ইথিন মোনোমার থেকে।
12. পলিথিনের রাসায়নিক সূত্র – (C₂H₄)ₙ।
13. পিভিসি (PVC) এর পূর্ণরূপ – পলিভিনাইল ক্লোরাইড।
14. পিভিসি গঠিত হয় – ভিনাইল ক্লোরাইড মোনোমার থেকে।
15. বেকেলাইট গঠিত হয় – ফিনল ও ফর্মালডিহাইড থেকে।
16. বেকেলাইট ব্যবহৃত হয় – বৈদ্যুতিক সুইচ ও প্লাগ বোর্ডে।
17. নাইলন গঠিত হয় – হেক্সামিথাইলিন ডায়ামিন ও অ্যাডিপিক অ্যাসিড থেকে।
18. নাইলন আবিষ্কার করেন – ওয়ালেস ক্যারোথার্স।
19. নাইলনের ব্যবহার – পোশাক, দড়ি, প্যারাস্যুট ইত্যাদিতে।
20. রাবার একটি – প্রাকৃতিক পলিমার।
21. রাবারের মোনোমার – আইসোপ্রিন।
22. প্রাকৃতিক রাবার পলিমারাইজেশনে গঠিত হয় – আইসোপ্রিন (C₅H₈) মোনোমার থেকে।
23. ভালকানাইজেশন কী – রাবারে সালফার মিশিয়ে তাকে শক্ত করার প্রক্রিয়া।
24. ভালকানাইজেশন আবিষ্কার করেন – চার্লস গুডইয়ার।
25. সিনথেটিক রাবারের উদাহরণ – বুনা–S, বুনা–N, নিওপ্রিন।
26. বুনা–S গঠিত হয় – বুটাডিয়েন ও স্টাইরিন থেকে।
27. বুনা–N গঠিত হয় – বুটাডিয়েন ও অ্যাক্রাইলোনাইট্রাইল থেকে।
28. নিওপ্রিন গঠিত হয় – ক্লোরোপ্রিন থেকে।
29. সেলুলোজ একটি – প্রাকৃতিক পলিস্যাকারাইড পলিমার।
30. পলিমারের প্রধান ব্যবহার – প্লাস্টিক দ্রব্য, ফাইবার, রাবার, রেজিন ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরিতে।
জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস)
1. জ্বালানি কী – যে পদার্থ দহন করে শক্তি উৎপন্ন করে তাকে জ্বালানি বলে।
2. প্রধান জৈব জ্বালানি – কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস।
3. কয়লা গঠিত হয় – উদ্ভিদের পচন ও চাপে দীর্ঘকালীন পরিবর্তনে।
4. সবচেয়ে বিশুদ্ধ কয়লা – অ্যানথ্রাসাইট।
5. সবচেয়ে নিম্নমানের কয়লা – পিট।
6. কয়লার প্রধান উপাদান – কার্বন।
7. পেট্রোলিয়ামের উৎপত্তি – সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদের অবশেষ থেকে।
8. পেট্রোলিয়ামকে আর কী বলে – খনিজ তেল বা কালো সোনা।
9. পেট্রোলিয়ামের প্রধান উপাদান – হাইড্রোকার্বন।
10. পেট্রোলিয়ামের পরিশোধন প্রক্রিয়া – ভগ্নাংশীয় পাতন (Fractional Distillation)।
11. পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপন্ন পদার্থ – পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, এলপিজি ইত্যাদি।
12. পেট্রোলের রাসায়নিক প্রকৃতি – হাইড্রোকার্বন মিশ্রণ।
13. প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান – মিথেন (CH₄)।
14. LPG এর পূর্ণরূপ – Liquefied Petroleum Gas।
15. CNG এর পূর্ণরূপ – Compressed Natural Gas।
16. CNG-এর প্রধান উপাদান – মিথেন।
17. LPG-এর প্রধান উপাদান – প্রোপেন ও বিউটেন।
18. সবচেয়ে পরিষ্কার জ্বালানি – প্রাকৃতিক গ্যাস।
19. কয়লা গ্যাসিফিকেশন দ্বারা উৎপন্ন হয় – সিনগ্যাস (CO + H₂)।
20. কয়লা টার-এর ব্যবহার – রাস্তা, রং ও ওষুধ তৈরিতে।
21. কোক কী – কয়লার শুষ্ক পাতনে প্রাপ্ত কঠিন অবশেষ।
22. কোক ব্যবহৃত হয় – লোহা উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে।
23. ডিজেল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন – রুডলফ ডিজেল।
24. পেট্রোল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন – নিকোলাস অটো।
25. পেট্রোলিয়াম পরিশোধনের উপজাত – বিটুমেন।
26. পেট্রোলিয়াম উৎপাদক দেশ – সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত ইত্যাদি।
27. ভারতে পেট্রোলিয়াম শোধনাগার অবস্থিত – বরৌনি, মথুরা, হালদিয়া প্রভৃতি স্থানে।
28. বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান – মিথেন।
29. বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয় – প্রাণী বর্জ্য ও উদ্ভিদ বর্জ্যের অবক্ষয়ে।
30. আধুনিক যুগে সর্বাধিক ব্যবহৃত জ্বালানি – পেট্রোলিয়াম।
গুরুত্বপূর্ণ অজৈব যৌগ (NaCl, CaCO₃, Na₂CO₃, KNO₃)
NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড)
1. NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড)
2. সাধারণ লবণের রাসায়নিক নাম – সোডিয়াম ক্লোরাইড।
3. সোডিয়াম ক্লোরাইডের সূত্র – NaCl।
4. সোডিয়াম ক্লোরাইডকে সাধারণত কি নামে ডাকা হয় – রান্নার লবণ।
5. সোডিয়াম ক্লোরাইডের প্রধান উৎস – সমুদ্রের জল।
6. সোডিয়াম ক্লোরাইডের ক্রিস্টাল আকার – ঘনক্ষেত্রাকার।
7. সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণীয় পদার্থ – জলে।
8. NaCl এর গলনাঙ্ক – প্রায় ৮০১°C।
9. সোডিয়াম ক্লোরাইডের দ্রবণকে বলা হয় – ব্রাইন।
10. ব্রাইন থেকে NaCl পাওয়া যায় – বাষ্পীভবনের মাধ্যমে।
11. NaCl থেকে ক্লোরিন ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় – ইলেক্ট্রোলাইসিস দ্বারা।
CaCO₃ (ক্যালসিয়াম কার্বোনেট)
1. CaCO₃ এর রাসায়নিক নাম – ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
2. ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের প্রধান আকরিক – চুনাপাথর, মার্বেল, চক।
3. ক্যালসিয়াম কার্বোনেট উত্তপ্ত করলে উৎপন্ন হয় – CaO ও CO₂।
4. ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার – সিমেন্ট ও চুন তৈরিতে।
5. ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের প্রাকৃতিক রূপ – ক্যালসাইট।
6. ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের গলনাঙ্ক – প্রায় ১৩৩৯°C।
7. CaCO₃ জলেতে – অদ্রবণীয়।
8. ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাসিড যোগ করলে উৎপন্ন হয় – কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস।
Na₂CO₃ (সোডিয়াম কার্বোনেট)
1. Na₂CO₃ এর রাসায়নিক নাম – সোডিয়াম কার্বোনেট।
2. Na₂CO₃ এর বাণিজ্যিক নাম – সোডা অ্যাশ।
3. Na₂CO₃·10H₂O কে বলা হয় – ধোয়ার সোডা।
4. Na₂CO₃ প্রস্তুত হয় – সলভে প্রক্রিয়ায়।
5. Na₂CO₃ এর ব্যবহার – কাচ, সাবান ও কাগজ তৈরিতে।
6. সোডিয়াম কার্বোনেট ক্ষারীয় প্রকৃতির – কারণ এটি জলে হাইড্রোলাইসিস করে।
7. সোডিয়াম কার্বোনেট উত্তপ্ত করলে – জলের অণু হারায়।
8. Na₂CO₃ এর জলীয় দ্রবণ pH মান – প্রায় ১১।
KNO₃ (পটাসিয়াম নাইট্রেট)
1. KNO₃ এর রাসায়নিক নাম – পটাসিয়াম নাইট্রেট।
2. পটাসিয়াম নাইট্রেটের প্রচলিত নাম – শোরা বা নীট্র।
3. পটাসিয়াম নাইট্রেটের ব্যবহার – গানপাউডার ও সার তৈরিতে।
4. KNO₃ এর প্রকৃতি – স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ।
5. KNO₃ উত্তপ্ত করলে উৎপন্ন হয় – KNO₂ ও O₂।
6. পটাসিয়াম নাইট্রেট জলে – দ্রবণীয়।
7. পটাসিয়াম নাইট্রেট একটি – শক্তিশালী জারক পদার্থ।
8. KNO₃ এর রাসায়নিক বন্ধন – আয়নিক।
অ্যামোনিয়া, নাইট্রিক অ্যাসিড, সালফিউরিক অ্যাসিড
অ্যামোনিয়া (NH₃)
1. অ্যামোনিয়ার রাসায়নিক সূত্র – NH₃।
2. অ্যামোনিয়ার আবিষ্কারক – জোসেফ প্রিস্টলি।
3. অ্যামোনিয়া তৈরির শিল্পপ্রক্রিয়া – হ্যাবার প্রক্রিয়া।
4. হ্যাবার প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত অনুঘটক – লোহা (Fe)।
5. অ্যামোনিয়া প্রস্তুতির জন্য ব্যবহৃত গ্যাস – নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন।
6. হ্যাবার প্রক্রিয়ায় তাপমাত্রা প্রায় – 450°C।
7. অ্যামোনিয়া গ্যাসের গন্ধ – তীব্র ঝাঁঝালো।
8. অ্যামোনিয়া জলে দ্রবীভূত হয়ে গঠন করে – অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড।
9. অ্যামোনিয়ার জলে দ্রবণকে বলা হয় – তরল অ্যামোনিয়া বা অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড।
10. অ্যামোনিয়া গ্যাসের রঙ – বর্ণহীন।
11. অ্যামোনিয়া গ্যাসের স্বাদ – কটু ও ঝাঁঝালো।
12. অ্যামোনিয়া গ্যাসের ঘনত্ব – বাতাসের তুলনায় কম।
13. অ্যামোনিয়া একটি – ক্ষারীয় গ্যাস।
14. অ্যামোনিয়া লিটমাস কাগজকে করে – নীল।
15. অ্যামোনিয়ার শিল্পক্ষেত্রে প্রধান ব্যবহার – সার প্রস্তুতিতে।
16. অ্যামোনিয়া থেকে তৈরি সার – অ্যামোনিয়াম সালফেট, ইউরিয়া।
17. অ্যামোনিয়া গ্যাসের জারণে উৎপন্ন হয় – নাইট্রিক অক্সাইড।
18. অ্যামোনিয়া জলে দ্রবণীয় কারণ – এটি হাইড্রোজেন বন্ধন সৃষ্টি করে।
19. অ্যামোনিয়া সংরক্ষণ করা হয় – লোহার সিলিন্ডারে।
20. অ্যামোনিয়া বিষাক্ত গ্যাস – হ্যাঁ।
নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃)
1. নাইট্রিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সূত্র – HNO₃।
2. নাইট্রিক অ্যাসিডের প্রচলিত নাম – অ্যাকুয়া ফোর্টিস।
3. নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরির শিল্পপ্রক্রিয়া – অস্টওয়াল্ড প্রক্রিয়া।
4. অস্টওয়াল্ড প্রক্রিয়ায় অনুঘটক – প্লাটিনাম।
5. নাইট্রিক অ্যাসিডের রঙ – বর্ণহীন তরল।
6. আলোয় সংরক্ষণ করলে নাইট্রিক অ্যাসিডের রঙ হয় – হলুদ।
7. নাইট্রিক অ্যাসিডের গন্ধ – তীব্র ঝাঁঝালো।
8. নাইট্রিক অ্যাসিড একটি – শক্তিশালী জারক পদার্থ।
9. নাইট্রিক অ্যাসিড ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে উৎপন্ন করে – নাইট্রেট লবণ।
10. নাইট্রিক অ্যাসিডের সাথে তামা বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় – নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড।
11. নাইট্রিক অ্যাসিডের ব্যবহার – সার ও বিস্ফোরক তৈরিতে।
12. নাইট্রিক অ্যাসিড থেকে তৈরি সার – অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট।
13. নাইট্রিক অ্যাসিড থেকে তৈরি বিস্ফোরক – টিএনটি ও নাইট্রোগ্লিসারিন।
14. নাইট্রিক অ্যাসিড একটি – একমাত্র শক্তিশালী অ্যাসিড যা নাইট্রোজেন ধারণ করে।
15. নাইট্রিক অ্যাসিডে রূপার দ্রবীভবন ঘটে – হ্যাঁ।
16. নাইট্রিক অ্যাসিডে নাইট্রোজেনের জারণ সংখ্যা – +৫।
17. নাইট্রিক অ্যাসিডের জারণে উৎপন্ন হয় – নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড ও জল।
18. নাইট্রিক অ্যাসিড আলোতে ভাঙে – হ্যাঁ।
19. নাইট্রিক অ্যাসিড সংরক্ষণ করা হয় – গাঢ় কাঁচের বোতলে।
20. নাইট্রিক অ্যাসিড লিটমাস কাগজকে করে – লাল।
সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄)
1. সালফিউরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক সূত্র – H₂SO₄।
2. সালফিউরিক অ্যাসিডের প্রচলিত নাম – তেলীয় ভিট্রিয়ল।
3. সালফিউরিক অ্যাসিড তৈরির শিল্পপ্রক্রিয়া – কন্ট্যাক্ট প্রক্রিয়া।
4. কন্ট্যাক্ট প্রক্রিয়ায় অনুঘটক – ভ্যানাডিয়াম পেন্টঅক্সাইড (V₂O₅)।
5. সালফিউরিক অ্যাসিডের প্রধান কাঁচামাল – সালফার বা পাইরাইট।
6. সালফিউরিক অ্যাসিডের ঘনত্ব – 1.84 g/cm³।
7. সালফিউরিক অ্যাসিডের স্বভাব – শক্তিশালী দ্বিমূলক অ্যাসিড।
8. সালফিউরিক অ্যাসিডে ধাতু দ্রবীভূত হয় – হ্যাঁ।
9. সালফিউরিক অ্যাসিডের রঙ – বর্ণহীন তৈলাক্ত তরল।
10. সালফিউরিক অ্যাসিড জলে দ্রবণীয় – তাপ উৎপন্ন করে।
11. সালফিউরিক অ্যাসিডে পানি যোগ করলে – প্রচণ্ড তাপ নির্গত হয়।
12. সালফিউরিক অ্যাসিডের ব্যবহার – সার, রঙ, ডিটারজেন্ট ও ব্যাটারি তৈরিতে।
13. সালফিউরিক অ্যাসিড থেকে তৈরি সার – অ্যামোনিয়াম সালফেট।
14. সালফিউরিক অ্যাসিডকে বলা হয় – রাসায়নিক শিল্পের রাজা।
15. সালফিউরিক অ্যাসিড শোষণকারী পদার্থ – জল ও বাষ্প।
16. সালফিউরিক অ্যাসিড লিটমাস কাগজকে করে – লাল।
17. সালফিউরিক অ্যাসিডে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা – -২।
18. সালফিউরিক অ্যাসিডের প্রস্তুতিতে গ্যাসীয় মধ্যবর্তী পদার্থ – সালফার ট্রাই-অক্সাইড (SO₃)।
19. সালফিউরিক অ্যাসিডে সালফারের জারণ সংখ্যা – +৬।
20. সালফিউরিক অ্যাসিডে নাইট্রোজেন নাই – নেই।
সিমেন্ট, কাচ, সার
সিমেন্ট (Cement)
1. সিমেন্টের প্রধান উপাদান – চুনাপাথর ও মাটি।
2. সিমেন্ট তৈরির প্রধান যৌগ – ক্যালসিয়াম সিলিকেট।
3. পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের আবিষ্কারক – জোসেফ অ্যাস্পডিন।
4. পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের নামকরণ হয়েছে – ইংল্যান্ডের পোর্টল্যান্ড পাথরের নামানুসারে।
5. সিমেন্টের কাঁচামাল – চুনাপাথর, কাদামাটি, জিপসাম।
6. সিমেন্টে জিপসামের ভূমিকা – জমাট বাঁধা বিলম্বিত করা।
7. সিমেন্টের রাসায়নিক উপাদান – CaO, SiO₂, Al₂O₃, Fe₂O₃।
8. সিমেন্টে CaO এর পরিমাণ – প্রায় ৬০-৬৫%।
9. সিমেন্টের সংরক্ষণ স্থান – শুকনো ও আর্দ্রতা মুক্ত।
10. সিমেন্টে জল মিশালে – ক্যালসিয়াম সিলিকেট হাইড্রেট গঠন হয়।
কাচ (Glass)
1. কাচ একটি – অমর্ফ পদার্থ।
2. কাচের প্রধান উপাদান – সিলিকা (SiO₂)।
3. কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল – বালি, সোডা অ্যাশ ও চুনাপাথর।
4. সোডা-লাইম কাচের রাসায়নিক গঠন – Na₂O·CaO·6SiO₂।
5. কাচ স্বচ্ছ হয় – সঠিক গলন ও ঠান্ডা করার ফলে।
6. কাচের গলনাঙ্ক – প্রায় ১১০০°C।
7. কাচের রঙিন ধরন পাওয়া যায় – ধাতব অক্সাইড যোগ করলে।
8. কাচ ভঙ্গুর – কারণ এতে স্ফটিক গঠন অনুপস্থিত।
9. কাচের ব্যবহার – জানালা, বোতল, ল্যাবরেটরি যন্ত্র, বাল্ব ইত্যাদিতে।
10. বোরোসিলিকেট কাচে ব্যবহৃত উপাদান – বোরন অক্সাইড (B₂O₃)।
সার (Fertilizer)
1. সার হলো – উদ্ভিদের পুষ্টি যোগানোর রাসায়নিক পদার্থ।
2. সার দুই প্রকার – জৈব ও অজৈব সার।
3. নাইট্রোজেনযুক্ত সার – ইউরিয়া, অ্যামোনিয়াম সালফেট, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট।
4. ইউরিয়ার রাসায়নিক সূত্র – CO(NH₂)₂।
5. ইউরিয়ার আবিষ্কারক – ফ্রেডরিখ ভোলার।
6. ফসফরাসযুক্ত সার – সুপারফসফেট, ট্রিপল সুপারফসফেট।
7. সুপারফসফেট প্রস্তুত হয় – ফসফেট শিলার সঙ্গে সালফিউরিক অ্যাসিডের বিক্রিয়ায়।
8. পটাসযুক্ত সার – পটাসিয়াম সালফেট ও পটাসিয়াম ক্লোরাইড।
9. NPK সার হলো – নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাসিয়াম যুক্ত সার।
10. সার উদ্ভিদের – বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ায়।
রেডিওঅ্যাকটিভিটি (α, β, γ রশ্মি)
1. রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থ প্রথম আবিষ্কার করেন – হেনরি বেকেরেল।
2. রেডিওঅ্যাকটিভিটি শব্দটি প্রবর্তন করেন – মেরি কুরি।
3. পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম আবিষ্কার করেন – পিয়ের কুরি ও মেরি কুরি।
4. রেডিওঅ্যাকটিভ বিকিরণের তিন প্রকার – α, β ও γ রশ্মি।
5. α কণিকা হল – হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (He²⁺)।
6. β কণিকা হল – ইলেকট্রন।
7. γ রশ্মি হল – উচ্চ শক্তিসম্পন্ন তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ।
8. α রশ্মির চার্জ – +2।
9. β রশ্মির চার্জ – –1।
10. γ রশ্মির চার্জ – শূন্য।
11. α রশ্মির অনুপ্রবেশ ক্ষমতা – অতি কম।
12. β রশ্মির অনুপ্রবেশ ক্ষমতা – α অপেক্ষা বেশি।
13. γ রশ্মির অনুপ্রবেশ ক্ষমতা – সর্বাধিক।
14. α রশ্মি কাগজের পাত দিয়েই রোধ করা যায় – হ্যাঁ।
15. β রশ্মি রোধ করতে লাগে – পাতলা অ্যালুমিনিয়াম পাত।
16. γ রশ্মি রোধ করতে লাগে – সীসা বা পুরু কংক্রিট।
17. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় একটি – স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া।
18. রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয়ে শক্তি নির্গত হয় – তাপ ও বিকিরণ আকারে।
19. α কণিকা নির্গমনে পরমাণুর ভর সংখ্যা কমে – ৪ দ্বারা।
20. α কণিকা নির্গমনে পারমাণবিক সংখ্যা কমে – ২ দ্বারা।
21. β কণিকা নির্গমনে পারমাণবিক সংখ্যা – ১ বৃদ্ধি পায়।
22. γ রশ্মি নির্গমনে পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা – অপরিবর্তিত থাকে।
23. রেডিওঅ্যাকটিভিটি নির্ভর করে – নিউক্লিয়াসের অস্থিতিশীলতার উপর।
24. স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনের অনুপাত – প্রায় ১:১।
25. ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম – প্রাকৃতিক রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল।
26. কৃত্রিম রেডিওঅ্যাকটিভিটি আবিষ্কার করেন – জোলিও কুরি দম্পতি।
27. রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থ মাপার একক – বেকেরেল (Bq) বা কুরি (Ci)।
28. ১ কুরি সমান – 3.7 × 10¹⁰ বেকেরেল।
29. রেডিওঅ্যাকটিভ বিকিরণ মানুষের জন্য – ক্ষতিকর।
30. রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় – ক্যান্সার থেরাপিতে।
অর্ধায়ু (Half-life)
1. অর্ধায়ু বলতে বোঝায় – কোনো রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থের অর্ধেক পরিমাণ ক্ষয় হতে যে সময় লাগে।
2. অর্ধায়ুর প্রতীক – T½।
3. অর্ধায়ু নির্ভর করে – কেবলমাত্র পদার্থের প্রকৃতির উপর।
4. অর্ধায়ু নির্ভর করে না – তাপমাত্রা, চাপ বা রাসায়নিক অবস্থার উপর।
5. অর্ধায়ু যত বেশি – পদার্থ তত কম সক্রিয়।
6. অর্ধায়ু যত কম – পদার্থ তত বেশি সক্রিয়।
7. রেডিয়ামের অর্ধায়ু – প্রায় ১৬০০ বছর।
8. ইউরেনিয়াম–২৩৮ এর অর্ধায়ু – প্রায় ৪.৫ × 10⁹ বছর।
9. কার্বন–১৪ এর অর্ধায়ু – ৫৭৩০ বছর।
10. অর্ধায়ু মাপা হয় – সময় এককে (সেকেন্ড, মিনিট, বছর)।
11. অর্ধায়ু ও ক্ষয় ধ্রুবকের সম্পর্ক – T½ = 0.693/λ।
12. অর্ধায়ু একটি – ধ্রুবক পরিমাণ।
13. এক অর্ধায়ু পরে পদার্থ অবশিষ্ট থাকে – মূল পরিমাণের ½।
14. দুই অর্ধায়ু পরে পদার্থ অবশিষ্ট থাকে – মূল পরিমাণের ¼।
15. তিন অর্ধায়ু পরে পদার্থ অবশিষ্ট থাকে – মূল পরিমাণের ⅛।
16. অর্ধায়ু দিয়ে নির্ণয় করা যায় – কোনো নমুনার বয়স।
17. কার্বন ডেটিং পদ্ধতি নির্ভর করে – কার্বন–১৪ এর অর্ধায়ুর উপর।
18. জীবাশ্মের বয়স নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় – কার্বন–১৪।
19. অর্ধায়ু ধারণা প্রদান করেন – আর্নেস্ট রাদারফোর্ড।
20. অর্ধায়ু গণনায় ব্যবহৃত সূত্র – N = N₀ (½)^(t/T½)।
পারমাণবিক বিভাজন ও সংযোজন
1. পারমাণবিক বিভাজন বলতে বোঝায় – ভারী নিউক্লিয়াসের ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়া।
2. পারমাণবিক সংযোজন বলতে বোঝায় – দুটি হালকা নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করা।
3. পারমাণবিক বিভাজন প্রথম আবিষ্কার করেন – ওটো হান ও ফ্রিটজ স্ট্রাসমান।
4. পারমাণবিক বিভাজনের ব্যাখ্যা দেন – লিসে মাইটনার ও ওটো ফ্রিশ।
5. প্রথম কৃত্রিম পারমাণবিক বিভাজন ঘটে – ১৯৩৮ সালে।
6. ইউরেনিয়াম–২৩৫ ও প্লুটোনিয়াম–২৩৯ – বিভাজনযোগ্য পদার্থ।
7. ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম – সংযোজনযোগ্য পদার্থ।
8. পারমাণবিক বিভাজনে শক্তি উৎপন্ন হয় – ভর থেকে শক্তিতে রূপান্তরে।
9. ভর-শক্তি সমীকরণ দিয়েছেন – আইনস্টাইন (E = mc²)।
10. একটি ইউরেনিয়াম–২৩৫ নিউক্লিয়াস বিভাজনে উৎপন্ন শক্তি – প্রায় ২০০ MeV।
11. একটি ডিউটেরিয়াম-ট্রিটিয়াম সংযোজনে উৎপন্ন শক্তি – প্রায় ১৭.৬ MeV।
12. পারমাণবিক বিভাজন ঘটে – তুলনামূলক কম তাপমাত্রায়।
13. পারমাণবিক সংযোজন ঘটে – অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায়।
14. সূর্যের শক্তির উৎস – পারমাণবিক সংযোজন।
15. সূর্যে হাইড্রোজেন মিলিত হয়ে গঠিত হয় – হিলিয়াম।
16. বিভাজন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হয় – নিউট্রন ও শক্তি।
17. বিভাজনে উৎপন্ন নিউট্রন দ্বারা নতুন বিভাজন ঘটলে – শৃঙ্খল বিক্রিয়া (Chain Reaction) ঘটে।
18. শৃঙ্খল বিক্রিয়া আবিষ্কার করেন – এনরিকো ফের্মি।
19. বিভাজন প্রক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়া ঘটে – পারমাণবিক চুল্লিতে।
20. নিয়ন্ত্রণহীন শৃঙ্খল বিক্রিয়া ঘটে – পরমাণু বোমায়।
21. প্রথম পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করা হয় – হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে (১৯৪৫)।
22. হিরোশিমায় ব্যবহৃত বোমার নাম – “লিটল বয়” (ইউরেনিয়াম ভিত্তিক)।
23. নাগাসাকিতে ব্যবহৃত বোমার নাম – “ফ্যাট ম্যান” (প্লুটোনিয়াম ভিত্তিক)।
24. প্রথম হাইড্রোজেন বোমা (Thermonuclear bomb) পরীক্ষা হয় – ১৯৫২ সালে।
25. হাইড্রোজেন বোমা কাজ করে – সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে।
26. পারমাণবিক সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা – প্রায় ১০⁷ K থেকে ১০⁸ K।
27. পারমাণবিক সংযোজনকে বলা হয় – তাপানবিক বিক্রিয়া (Thermonuclear reaction)।
28. পারমাণবিক বিভাজনে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ – তেজস্ক্রিয়।
29. পারমাণবিক সংযোজনে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ – অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।
30. পারমাণবিক বিভাজন ও সংযোজন উভয় প্রক্রিয়াতেই – বিপুল শক্তি উৎপন্ন হয়।
পারমাণবিক চুল্লি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন
1. পারমাণবিক চুল্লি হল – এমন যন্ত্র যেখানে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিভাজন ঘটে।
2. পারমাণবিক চুল্লির মূল উদ্দেশ্য – বিদ্যুৎ উৎপাদন।
3. প্রথম পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ করেন – এনরিকো ফের্মি।
4. প্রথম পারমাণবিক চুল্লির নাম – শিকাগো পাইল–১ (Chicago Pile–1)।
5. ভারতের প্রথম পারমাণবিক চুল্লির নাম – ‘আপ্সরা’।
6. ‘আপ্সরা’ চুল্লি স্থাপিত হয় – ট্রোম্বে, মুম্বাইয়ে।
7. আপ্সরা চুল্লি চালু হয় – ১৯৫৬ সালে।
8. ভারতের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র – তারাপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
9. তারাপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত – মহারাষ্ট্রে।
10. পারমাণবিক চুল্লিতে বিভাজনযোগ্য পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় – ইউরেনিয়াম–২৩৫ বা প্লুটোনিয়াম–২৩৯।
11. চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয় – নিয়ন্ত্রণ দণ্ড (Control Rods)।
12. নিয়ন্ত্রণ দণ্ড তৈরি হয় – ক্যাডমিয়াম বা বোরন দিয়ে।
13. নিউট্রনের বেগ হ্রাস করতে ব্যবহৃত পদার্থ – মডারেটর (Moderator)।
14. মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় – ভারী জল (D₂O) বা গ্রাফাইট।
15. চুল্লিতে উৎপন্ন তাপকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে – টারবাইন জেনারেটর।
16. ভারতের প্রথম দ্রুত প্রজনন চুল্লি (Fast Breeder Reactor) – ইন্দিরা গান্ধী সেন্টারে (কালপাক্কাম)।
17. ভারতের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের সদর দপ্তর – মুম্বাইয়ে।
18. বর্তমানে ভারতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংখ্যা – ২০টিরও বেশি।
19. ভারতে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা – NPCIL (Nuclear Power Corporation of India Limited)।
20. বিশ্বে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে শীর্ষ দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
ওষুধ (অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন, পেইনকিলার)
1. অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন – আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
2. প্রথম অ্যান্টিবায়োটিকের নাম – পেনিসিলিন
3. পেনিসিলিন আবিষ্কৃত হয় – ১৯২৮ সালে
4. পেনিসিলিন তৈরি হয় – ছত্রাক Penicillium notatum থেকে
5. অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ – ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা বৃদ্ধি রোধ করা
6. টিবি রোগের ওষুধ – আইসোনিয়াজিড
7. টাইফয়েড রোগের জন্য ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক – ক্লোরামফেনিকল
8. ভাইরাসজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর – নয়
9. প্রথম ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন – এডওয়ার্ড জেনার
10. প্রথম ভ্যাকসিনের নাম – গুটি বসন্তের ভ্যাকসিন
11. ভ্যাকসিনের কাজ – শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করা
12. BCG ভ্যাকসিন ব্যবহৃত হয় – যক্ষ্মা প্রতিরোধে
13. DPT ভ্যাকসিন ব্যবহৃত হয় – ডিফথেরিয়া, পারটুসিস ও টিটেনাসের বিরুদ্ধে
14. পোলিও ভ্যাকসিন উদ্ভাবক – জোনাস সাল্ক
15. হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন – একটি রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ ভ্যাকসিন
16. COVID-19 ভ্যাকসিনের ধরন – mRNA ও ভেক্টর ভিত্তিক
17. কোভিশিল্ড উৎপাদন করে – সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া
18. কোভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছে – ভারত বায়োটেক
19. পেইনকিলার বা ব্যথানাশক উদাহরণ – অ্যাসপিরিন
20. অ্যাসপিরিনের রাসায়নিক নাম – অ্যাসিটাইলসালিসাইলিক অ্যাসিড
21. অ্যাসপিরিন প্রথম তৈরি হয় – ১৮৯৭ সালে
22. প্যারাসিটামলের ব্যবহার – জ্বর ও ব্যথা কমানো
23. মরফিন উৎপন্ন হয় – আফিম গাছ থেকে
24. অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত যৌগ – ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড
25. অ্যান্টাসিডের কাজ – অতিরিক্ত অম্লতা কমানো
26. অ্যান্টিহিস্টামিন ব্যবহৃত হয় – অ্যালার্জি প্রতিরোধে
27. অ্যান্টিসেপ্টিক উদাহরণ – ডেটল
28. ডেটলের সক্রিয় উপাদান – ক্লোরোক্সাইলেনল
29. অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের উদাহরণ – নাইস্টাটিন
30. অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের উদাহরণ – অ্যাসাইক্লোভির
সার (ইউরিয়া, DAP, NPK)
1. সবচেয়ে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার – ইউরিয়া
2. ইউরিয়ার রাসায়নিক সংকেত – CO(NH₂)₂
3. ইউরিয়াতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ – ৪৬%
4. DAP-এর পূর্ণরূপ – ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
5. DAP-এ নাইট্রোজেনের পরিমাণ – ১৮%
6. DAP-এ ফসফরাসের পরিমাণ – ৪৬%
7. NPK সারে N, P, K দ্বারা বোঝানো হয় – নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম
8. পটাশিয়াম সরবরাহকারী সার – মিউরিয়েট অফ পটাশ
9. মিউরিয়েট অফ পটাশের রাসায়নিক নাম – পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCl)
10. সুপারফসফেট অফ লাইম – ক্যালসিয়াম ডাইহাইড্রোজেন ফসফেট
11. সুপারফসফেট অফ লাইমে ফসফরাসের পরিমাণ – প্রায় ১৬%
12. ইউরিয়া তৈরি হয় – অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে
13. অ্যামোনিয়া প্রস্তুত পদ্ধতি – হ্যাবার-বস প্রক্রিয়া
14. সবুজ বিপ্লবের মূল ভিত্তি – রাসায়নিক সার
15. নাইট্রোজেন সার উদ্ভিদের কোন অংশে সাহায্য করে – পাতা বৃদ্ধিতে
16. ফসফরাস উদ্ভিদের কোন অংশে সাহায্য করে – মূল ও ফুলে
17. পটাশিয়াম উদ্ভিদের কোন অংশে সাহায্য করে – ফল ও রোগ প্রতিরোধে
18. সারের অতিরিক্ত ব্যবহার করলে মাটির ক্ষতি – হয়
19. সারের বিকল্প হিসেবে – জৈব সার ব্যবহৃত হয়
20. কম্পোস্ট সার তৈরি হয় – পচা জৈব পদার্থ থেকে
21. ভারতের সর্ববৃহৎ ইউরিয়া উৎপাদক সংস্থা – NFL (ন্যাশনাল ফার্টিলাইজারস লিমিটেড)
22. ভারতের প্রথম ইউরিয়া কারখানা – সিন্ধে (১৯৫৯ সালে)
23. অ্যামোনিয়াম সালফেট সার – নাইট্রোজেন সার
24. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহৃত হয় – নাইট্রোজেন সার হিসেবে
25. অ্যামোনিয়াম ফসফেট সার – নাইট্রোজেন ও ফসফরাস উভয় সরবরাহ করে
26. মিশ্র সার মানে – একাধিক উপাদানযুক্ত সার
27. প্রাকৃতিক সার উদাহরণ – গোবর সার
28. অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার ব্যবহারে – মাটির অম্লতা বৃদ্ধি পায়
29. সারে উপস্থিত NPK উদ্ভিদের জন্য – প্রাথমিক পুষ্টি উপাদান
30. ভারতে সারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করে – কেন্দ্রীয় সরকার
সাবান ও ডিটারজেন্ট
1. সাবান তৈরি হয় – চর্বি ও ক্ষার থেকে
2. সাবান তৈরির প্রক্রিয়া – স্যাপনিফিকেশন
3. সাবানের প্রধান উপাদান – সোডিয়াম স্টিয়ারেট
4. ডিটারজেন্টের প্রধান উপাদান – সালফেট বা সালফোনেট লবণ
5. সাবান কার্যকর নয় – কঠিন জলে
6. ডিটারজেন্ট কার্যকর – কঠিন ও নরম দুই জলে
7. সাবান ক্ষারীয় প্রকৃতির – হ্যাঁ
8. সাবানের অণু দুটি অংশ – হাইড্রোফিলিক ও হাইড্রোফোবিক
9. ডিটারজেন্ট প্রথম ব্যবহৃত হয় – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
10. টুথপেস্টে ব্যবহৃত এক ধরণের ডিটারজেন্ট – সোডিয়াম লরিল সালফেট
11. সাবান পরিষ্কার করে – পৃষ্ঠতল টান কমিয়ে
12. কঠিন সাবান তৈরি হয় – সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড দিয়ে
13. তরল সাবান তৈরি হয় – পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড দিয়ে
14. অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবানের উপাদান – ট্রাইক্লোসান
15. ডিটারজেন্ট পরিবেশ দূষণ করে – হ্যাঁ, কারণ জৈবভাবে অবক্ষয়যোগ্য নয়
16. বায়োডিটারজেন্টে ব্যবহৃত হয় – এনজাইম
17. সাবানের প্রথম ব্যবহার শুরু হয় – প্রাচীন ব্যাবিলনে
18. সাবানের অম্ল অংশ – স্টিয়ারিক অ্যাসিড
19. ডিটারজেন্টের রাসায়নিক প্রকৃতি – কৃত্রিম সার্ফ্যাক্ট্যান্ট
20. সাবান তৈরির উপজাত – গ্লিসারিন
রং, সুগন্ধি, প্রসাধনী
1. রং তৈরির মূল উপাদান – ডাই ও পিগমেন্ট
2. প্রথম কৃত্রিম রং আবিষ্কার করেন – উইলিয়াম পারকিন
3. প্রথম কৃত্রিম রংয়ের নাম – মভিন
4. রং তৈরিতে ব্যবহৃত দ্রাবক – টারপেনটাইন
5. তৈল রঙের বাঁধন পদার্থ – লিনসিড অয়েল
6. রং শুকানোর উপাদান – ম্যানগানিজ অক্সাইড
7. সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান – এসেনশিয়াল অয়েল
8. এসেনশিয়াল অয়েল আহরণ প্রক্রিয়া – বাষ্প নিষ্কাশন
9. পারফিউমের মূল উপাদান – অ্যালকোহল
10. ডিওডোরেন্টে ব্যবহৃত যৌগ – অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরোহাইড্রেট
11. লিপস্টিকের মূল উপাদান – মৌমাছির মোম
12. নেইলপলিশে ব্যবহৃত দ্রাবক – অ্যাসিটোন
13. চুলের রংয়ে ব্যবহৃত যৌগ – প্যারা-ফেনাইলেন ডায়ামিন
14. ত্বক ফর্সা করার ক্রিমে ব্যবহৃত যৌগ – হাইড্রোকুইনোন
15. সানস্ক্রিনে ব্যবহৃত যৌগ – জিঙ্ক অক্সাইড ও টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইড
16. কৃত্রিম সুগন্ধি তৈরির জন্য ব্যবহৃত যৌগ – এস্টার
17. সুগন্ধি শিল্পের ভিত্তি – অর্গানিক কেমিস্ট্রি
18. রং ফিকে হওয়া রোধ করে – ইউভি স্ট্যাবিলাইজার
19. ডিওডোরেন্টের কাজ – ঘামের গন্ধ দূর করা
20. বডি স্প্রের প্রধান গ্যাস – প্রোপেন বা বিউটেন
21. চুলের জেল তৈরিতে ব্যবহৃত যৌগ – পলিমার
22. চুলের শ্যাম্পুর প্রধান উপাদান – সার্ফ্যাক্ট্যান্ট
23. ফেস ক্রিমের মূল উপাদান – ইমালসন
24. কৃত্রিম রং বেশি ব্যবহারে – অ্যালার্জি হতে পারে
25. সুগন্ধি ফুলের প্রধান উপাদান – টারপিন
26. চুলের রঙে অ্যামোনিয়ার কাজ – কিউটিকল খুলে দেওয়া
27. সুগন্ধি শিল্পের কেন্দ্র – গ্রাস, ফ্রান্স
28. প্রসাধন সামগ্রীর রাসায়নিক ভিত্তি – অর্গানিক যৌগ
29. রং শিল্পে প্রধান ধাতব যৌগ – ক্রোমিয়াম অক্সাইড
30. লিপগ্লসের চকচকে ভাব আসে – পেট্রোলিয়াম জেলি থেকে
খাদ্য সংরক্ষণ (সোডিয়াম বেনজোয়েট, সালফার ডাইঅক্সাইড)
1. খাদ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্য – খাদ্যের নষ্ট হওয়া রোধ করা
2. সোডিয়াম বেনজোয়েট ব্যবহৃত হয় – খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে
3. সোডিয়াম বেনজোয়েটের রাসায়নিক সংকেত – C₆H₅COONa
4. সোডিয়াম বেনজোয়েট প্রতিরোধ করে – ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস বৃদ্ধি
5. সালফার ডাই অক্সাইড ব্যবহৃত হয় – শুকনো ফল সংরক্ষণে
6. সালফার ডাই অক্সাইডের সংকেত – SO₂
7. সালফার ডাই অক্সাইডের কাজ – অক্সিডেশন রোধ করা
8. অ্যাসিডিক মিডিয়ায় সোডিয়াম বেনজোয়েট কার্যকর – হ্যাঁ
9. নাইট্রাইট ব্যবহৃত হয় – মাংস সংরক্ষণে
10. বোরিক অ্যাসিড ব্যবহৃত হয় – মাছ সংরক্ষণে
11. প্রিজারভেটিভের শ্রেণি – প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম
12. সাধারণ প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ – লবণ, চিনি, ভিনেগার
13. ভিনেগারের প্রধান উপাদান – অ্যাসিটিক অ্যাসিড
14. চিনি সংরক্ষণ করে – ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি রোধ করে
15. লবণ সংরক্ষণ করে – জলের কার্যকারিতা কমিয়ে
16. ফ্রিজিং প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ হয় – ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির হার কমিয়ে
17. পাস্তুরাইজেশন উদ্ভাবন করেন – লুই পাস্তুর
18. পাস্তুরাইজেশন ব্যবহৃত হয় – দুধ সংরক্ষণে
19. ক্যানিং প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত ধাতু – টিন
20. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উদাহরণ – BHA, BHT