পদার্থবিদ্যা MCQ - Basic Physics Questions With Answers for Competitive Exams in Bengali

পদার্থবিদ্যা MCQ - Basic Physics Questions With Answers for Competitive Exams in Bengali

পদার্থবিদ্যা (Physics)

তরঙ্গের প্রকারভেদ (যান্ত্রিক, তড়িৎচুম্বকীয়)

1. তরঙ্গ কাকে বলে? → মাধ্যমের কণাগুলির দোলনের মাধ্যমে শক্তি পরিবাহিত হওয়াকে তরঙ্গ বলে।

2. তরঙ্গের দুটি প্রধান প্রকার কী? → যান্ত্রিক তরঙ্গ ও তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

3. যান্ত্রিক তরঙ্গ কী? → যেসব তরঙ্গের প্রসারণের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, সেগুলিকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে।

4. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কী? → যেসব তরঙ্গ মাধ্যম ছাড়াই প্রসারিত হতে পারে, সেগুলিকে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বলে।

5. শব্দ তরঙ্গ কোন ধরনের তরঙ্গ? → যান্ত্রিক অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

6. আলো কোন ধরনের তরঙ্গ? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

7. যান্ত্রিক তরঙ্গ কত প্রকার? → দুটি — অনুদৈর্ঘ্য ও আনুভূমিক তরঙ্গ।

8. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গে কণাগুলি কোন দিকে দোলন করে? → তরঙ্গের প্রসারণের দিকেই।

9. আনুভূমিক তরঙ্গে কণাগুলি কোন দিকে দোলন করে? → তরঙ্গের প্রসারণের দিকের লম্বভাবে।

10. শব্দ কি শূন্যে চলতে পারে? → না, কারণ এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।

11. আলো কি শূন্যে চলতে পারে? → হ্যাঁ, কারণ এটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

12. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন? → জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।

13. রেডিও তরঙ্গ কোন শ্রেণির তরঙ্গ? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

14. আল্ট্রাসনিক তরঙ্গ কী ধরনের? → যান্ত্রিক তরঙ্গ।

15. মাইক্রোওয়েভ কোন শ্রেণির তরঙ্গ? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

16. এক্স-রে কোন ধরনের তরঙ্গ? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

17. সিসমিক তরঙ্গ বা ভূকম্প তরঙ্গ কোন ধরনের? → যান্ত্রিক তরঙ্গ।

18. ইনফ্রারেড তরঙ্গ কোন শ্রেণির অন্তর্গত? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

19. গামা রশ্মি কোন ধরনের তরঙ্গ? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

20. আলো কোন প্রকার তরঙ্গ — আনুভূমিক না অনুদৈর্ঘ্য? → আনুভূমিক তরঙ্গ।

21. শব্দ তরঙ্গ আনুভূমিক না অনুদৈর্ঘ্য? → অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

22. যান্ত্রিক তরঙ্গের উদাহরণ দাও। → শব্দ তরঙ্গ, জলতরঙ্গ, ভূকম্প তরঙ্গ।

23. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উদাহরণ দাও। → আলো, রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে, গামা রে।

24. যান্ত্রিক তরঙ্গের জন্য কী আবশ্যক? → কোনো মাধ্যম।

25. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের জন্য কী আবশ্যক? → কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন নেই।

26. শব্দ তরঙ্গের গতি নির্ভর করে কিসের উপর? → মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার উপর।

27. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি কোথায় সর্বাধিক? → শূন্যে।

28. আলোর বেগ শূন্যে কত? → ৩×১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।

29. শব্দের বেগ বাতাসে প্রায় কত? → ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড।

30. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের দোলন কিসের মধ্যে ঘটে? → বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে।

31. কোন তরঙ্গ ধ্বনি সৃষ্টি করে? → যান্ত্রিক অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

32. জলতরঙ্গ কোন ধরনের তরঙ্গ? → যান্ত্রিক আনুভূমিক তরঙ্গ।

33. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের শক্তি কিসের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়? → বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্বারা।

34. সূর্যের আলো পৃথিবীতে কীভাবে আসে? → তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ হিসেবে।

35. শব্দ তরঙ্গ কি মেরুকৃত হয়? → না।

36. আলো তরঙ্গ কি মেরুকৃত হয়? → হ্যাঁ।

37. যান্ত্রিক তরঙ্গের উৎস কী? → মাধ্যমের কণার দোলন।

38. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উৎস কী? → দোলায়মান বৈদ্যুতিক চার্জ।

39. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কি প্রতিফলিত হয়? → হ্যাঁ।

40. শব্দ তরঙ্গ কি প্রতিফলিত হয়? → হ্যাঁ, দেয়ালে প্রতিফলিত হয়ে প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করে।

41. শব্দ তরঙ্গ কি প্রতিসরিত হয়? → হ্যাঁ।

42. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কি প্রতিসরিত হয়? → হ্যাঁ।

43. তরঙ্গের বেগের সূত্র কী? → v = fλ (বেগ = কম্পাঙ্ক × তরঙ্গদৈর্ঘ্য)।

44. শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্কের একক কী? → হার্ৎস (Hz)।

45. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের কম্পাঙ্কের একক কী? → হার্ৎস (Hz)।

46. শব্দ তরঙ্গ কি পরিবাহিত শক্তি বহন করে? → হ্যাঁ।

47. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কি চার্জ পরিবহন করে? → না, এটি শক্তি বহন করে।

48. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি সব তরঙ্গের মধ্যে কেমন? → সর্বাধিক।

49. শব্দ তরঙ্গের বেগ কি মাধ্যম পরিবর্তনে বদলায়? → হ্যাঁ।

50. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের বেগ কি মাধ্যম পরিবর্তনে বদলায়? → হ্যাঁ, তবে শূন্যে সর্বাধিক থাকে।

শব্দ তরঙ্গ, কম্পাঙ্ক, তরঙ্গদৈর্

1. শব্দ কী ধরনের তরঙ্গ? — অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

2. শব্দ তরঙ্গ কোন মাধ্যমে প্রচারিত হয়? — গ্যাস, তরল ও কঠিন মাধ্যমে।

3. শব্দ তরঙ্গ কোন মাধ্যমে প্রচারিত হতে পারে না? — শূন্যস্থানে।

4. শব্দের উৎস কী? — কম্পন।

5. শব্দের কম্পাঙ্কের একক কী? — হার্টজ (Hz)।

6. এক হার্টজ মানে কী? — প্রতি সেকেন্ডে একবার কম্পন।

7. শব্দ তরঙ্গের বেগ কোন কোন বিষয়ে নির্ভর করে? — মাধ্যমের ঘনত্ব ও তাপমাত্রার উপর।

8. বায়ুতে শব্দের গতি কত? — প্রায় ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড (২০°C তে)।

9. পানিতে শব্দের বেগ কত? — প্রায় ১৪৯৮ মিটার/সেকেন্ড।

10. লোহায় শব্দের বেগ কত? — প্রায় ৫০০০ মিটার/সেকেন্ড।

11. শব্দের তীব্রতা কোন এককে মাপা হয়? — ডেসিবেল (dB)।

12. মানুষের শ্রবণ সীমা কত? — ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz পর্যন্ত।

13. ২০ Hz-এর নিচের শব্দকে কী বলে? — ইনফ্রাশব্দ।

14. ২০,০০০ Hz-এর উপরের শব্দকে কী বলে? — আল্ট্রাশব্দ।

15. বাদুড় কোন শব্দ ব্যবহার করে পথ নির্ণয় করে? — আল্ট্রাশব্দ।

16. শব্দের উচ্চতা কিসের উপর নির্ভর করে? — কম্পাঙ্কের উপর।

17. শব্দের তীব্রতা কিসের উপর নির্ভর করে? — বিস্তার বা অ্যামপ্লিটিউডের উপর।

18. তরঙ্গদৈর্ঘ্য কী? — এক সম্পূর্ণ তরঙ্গের দৈর্ঘ্য।

19. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একক কী? — মিটার।

20. শব্দ তরঙ্গের গতি = ? — কম্পাঙ্ক × তরঙ্গদৈর্ঘ্য।

21. মানুষের কণ্ঠস্বর পুরুষ ও নারীর মধ্যে পার্থক্যের কারণ কী? — কম্পাঙ্কের পার্থক্য।

22. কম্পাঙ্ক যত বেশি, শব্দ তত — তীক্ষ্ণ।

23. কম্পাঙ্ক যত কম, শব্দ তত — গভীর।

24. শব্দ তরঙ্গের প্রচারে কোন শক্তি রূপান্তরিত হয়? — যান্ত্রিক শক্তি।

25. শব্দ তরঙ্গ কোন ধরনের তরঙ্গ? — অনুদৈর্ঘ্য যান্ত্রিক তরঙ্গ।

26. শব্দ তরঙ্গের কম্পনের দিক ও তরঙ্গের চলার দিক কেমন? — একই দিকের।

27. কম্পাঙ্ক বাড়লে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কী হয়? — কমে যায়।

28. তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে কম্পাঙ্ক কী হয়? — কমে যায়।

29. মানুষের কানে ধরা পড়ে না এমন শব্দকে কী বলে? — অতিস্বনক ও অবসোনক।

30. আল্ট্রাসাউন্ডের চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার কী? — রোগ নির্ণয় ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি।

31. সোনার যন্ত্রে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়? — আল্ট্রাশব্দ তরঙ্গ।

32. প্রতিধ্বনি কী? — প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের পুনঃশ্রবণ।

33. প্রতিধ্বনি শোনার জন্য দূরত্ব কত হতে হবে? — কমপক্ষে ১৭ মিটার।

34. শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন কোথায় ঘটে? — কঠিন ও সমতল পৃষ্ঠে।

35. শব্দ তরঙ্গের বিক্ষেপণ সম্ভব কি? — না।

36. শব্দ তরঙ্গের ব্যাপন কিসের মাধ্যমে হয়? — কণার কম্পনের মাধ্যমে।

37. শব্দ তরঙ্গ কোন ধরনের শক্তি বহন করে? — যান্ত্রিক শক্তি।

38. শব্দ তরঙ্গের বেগ কি মাধ্যম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়? — হ্যাঁ।

39. তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও বেগ সমান হলে কম্পাঙ্ক কী হবে? — ১ Hz।

40. শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি কোন মাধ্যমে? — কঠিন পদার্থে।

41. শব্দের গতি সবচেয়ে কম কোন মাধ্যমে? — গ্যাসে।

42. মানুষ সর্বাধিক সংবেদনশীল কোন কম্পাঙ্কে? — প্রায় ২০০০–৪০০০ Hz।

43. বায়ুতে তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের গতি কী হয়? — বৃদ্ধি পায়।

44. শব্দ তরঙ্গের ব্যাবহারিক উদাহরণ কী? — মাইক্রোফোন, সোনার, আল্ট্রাসাউন্ড।

45. কোন তরঙ্গ মানব কানে শ্রবণযোগ্য নয়? — ইনফ্রা ও আল্ট্রাশব্দ।

46. কম্পন বন্ধ হলে কী ঘটে? — শব্দ উৎপন্ন বন্ধ হয়।

47. শব্দ তরঙ্গের শক্তি কীভাবে স্থানান্তরিত হয়? — কণার কম্পনের মাধ্যমে।

48. একটি শব্দ তরঙ্গের ঘনত্ব অঞ্চলকে কী বলে? — সঙ্কোচন।

49. একটি শব্দ তরঙ্গের বিরল অঞ্চলকে কী বলে? — প্রসারণ।

50. তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ = ? — শব্দের বেগ (v) ÷ কম্পাঙ্ক (f)।

ডপলার প্রভাব (Doppler Effect)

1. ডপলার প্রভাব কাকে বলে? → উৎস ও পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক গতির ফলে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনকে ডপলার প্রভাব বলে।

2. ডপলার প্রভাবের আবিষ্কারক কে? → ক্রিশ্চিয়ান ডপলার।

3. ডপলার প্রভাব কোন সালে প্রস্তাব করেন? → ১৮৪২ সালে।

4. ডপলার প্রভাব কোন প্রকার তরঙ্গে ঘটে? → সব প্রকার তরঙ্গে ঘটে (যেমন শব্দ তরঙ্গ, আলোক তরঙ্গ ইত্যাদি)।

5. ডপলার প্রভাব প্রথম কোন তরঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়? → শব্দ তরঙ্গে।

6. যখন উৎস পর্যবেক্ষকের দিকে আসে তখন শব্দের কম্পাঙ্ক কী হয়? → বৃদ্ধি পায়।

7. যখন উৎস পর্যবেক্ষক থেকে দূরে যায় তখন শব্দের কম্পাঙ্ক কী হয়? → হ্রাস পায়।

8. ডপলার প্রভাবের ফলে শব্দের পিচ কেমন পরিবর্তিত হয়? → উৎস কাছে এলে পিচ বৃদ্ধি পায়, দূরে গেলে পিচ হ্রাস পায়।

9. ডপলার প্রভাব কোন নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়? → তরঙ্গের আপেক্ষিক গতির নীতি দ্বারা।

10. ডপলার প্রভাবের বাস্তব উদাহরণ কী? → অ্যাম্বুলেন্স বা ট্রেনের সাইরেনের শব্দ পরিবর্তন।

11. আলোর ক্ষেত্রে ডপলার প্রভাব কিসের পরিবর্তন ঘটায়? → আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্কের।

12. আলোর ক্ষেত্রে উৎস কাছে এলে আলোর রঙে কী পরিবর্তন ঘটে? → নীল সরণ (Blue Shift)।

13. আলোর ক্ষেত্রে উৎস দূরে গেলে আলোর রঙে কী পরিবর্তন ঘটে? → লাল সরণ (Red Shift)।

14. ডপলার প্রভাব কোন ক্ষেত্রে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ প্রমাণ করে? → গ্যালাক্সির লাল সরণ দ্বারা।

15. ডপলার প্রভাবের সূত্র কী? → f' = f(v ± vo)/(v ± vs)।

16. ডপলার প্রভাবের ক্ষেত্রে ‘v’ দ্বারা কী বোঝানো হয়? → মাধ্যমের মধ্যে শব্দের বেগ।

17. ‘vo’ দ্বারা কী বোঝানো হয়? → পর্যবেক্ষকের বেগ।

18. ‘vs’ দ্বারা কী বোঝানো হয়? → উৎসের বেগ।

19. আলোক তরঙ্গে ডপলার প্রভাব প্রথম কে পর্যবেক্ষণ করেন? → এফ.জি. বেলোপসি (Fizeau)।

20. নীল সরণ (Blue Shift) কবে ঘটে? → যখন আলোর উৎস পর্যবেক্ষকের দিকে আসে।

21. লাল সরণ (Red Shift) কবে ঘটে? → যখন আলোর উৎস পর্যবেক্ষক থেকে দূরে সরে যায়।

22. মহাকাশ বিজ্ঞানে ডপলার প্রভাবের ব্যবহার কী? → গ্যালাক্সির গতিবেগ নির্ধারণে।

23. রাডারে ডপলার প্রভাবের ব্যবহার কীভাবে হয়? → গতিশীল বস্তুর বেগ নির্ণয়ে।

24. সোনারে ডপলার প্রভাব কী কাজে লাগে? → জলের নিচে বস্তুর বেগ নির্ণয়ে।

25. ডপলার প্রভাব শব্দ তরঙ্গে বেশি কেন স্পষ্ট হয়? → কারণ শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট ও ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলক কম।

26. ডপলার প্রভাব কোন তরঙ্গে দেখা যায় না? → যখন উৎস ও পর্যবেক্ষক উভয়ই স্থির থাকে।

27. ডপলার প্রভাবের প্রয়োগ কোন চিকিৎসা যন্ত্রে হয়? → ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যানারে।

28. ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড দ্বারা কী নির্ণয় করা হয়? → রক্তপ্রবাহের বেগ ও দিক।

29. ডপলার রাডার প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? → আবহাওয়া পূর্বাভাসে।

30. গ্যালাক্সির লাল সরণ থেকে কী বোঝা যায়? → মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে।

31. ডপলার প্রভাবের কারণে রেললাইন ধরে ট্রেন আসার সময় সাইরেনের শব্দ কেমন শোনা যায়? → উচ্চতর।

32. ট্রেন দূরে গেলে শব্দ কেমন শোনা যায়? → নিম্নতর।

33. ডপলার প্রভাবের ফলে ফ্রিকোয়েন্সি কী পরিবর্তিত হয়? → বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

34. ডপলার প্রভাবের কারণে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কেমন পরিবর্তিত হয়? → কমে বা বাড়ে।

35. উৎসের গতিবেগ শব্দের বেগের তুলনায় খুব বেশি হলে কী ঘটে? → শক তরঙ্গ বা সোনিক বুম সৃষ্টি হয়।

36. সোনিক বুম কিসের ফলাফল? → ডপলার প্রভাব ও শক তরঙ্গের যৌথ ফল।

37. কোন ধরণের তরঙ্গের ক্ষেত্রে ডপলার প্রভাব সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়? → রৈখিক তরঙ্গের ক্ষেত্রে।

38. যদি পর্যবেক্ষক ও উৎস একে অপরের থেকে লম্বভাবে সরে যায় তবে কী ঘটে? → কোন ডপলার প্রভাব ঘটে না।

39. ডপলার প্রভাব কোন বিষয়ে নির্ভর করে? → আপেক্ষিক গতির উপর।

40. ডপলার প্রভাবের নামকরণ কার নামে? → ক্রিশ্চিয়ান ডপলারের নামে।

41. আলোর ক্ষেত্রে ডপলার প্রভাব কোন বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করে? → আপেক্ষিকতাবাদ।

42. জ্যোতির্বিজ্ঞানে ডপলার প্রভাব কেন গুরুত্বপূর্ণ? → নক্ষত্র ও গ্যালাক্সির গতিবেগ নির্ণয়ে সাহায্য করে।

43. ডপলার প্রভাব কোন ধরণের তথ্য দেয়? → আপেক্ষিক গতির তথ্য।

44. রেডিও জ্যোতির্বিজ্ঞানে ডপলার প্রভাব ব্যবহৃত হয় কেন? → রেডিও সংকেতের ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন নির্ণয়ে।

45. ডপলার প্রভাবের একটি প্রমাণিত ব্যবহার কী? → পুলিশের স্পিড গান।

46. ডপলার প্রভাবের গণনা কোন এককে প্রকাশ করা হয়? → হার্জ (Hz)।

47. ডপলার প্রভাব কোন ক্ষেত্রে শূন্য হয়? → যখন আপেক্ষিক গতি শূন্য।

48. ডপলার প্রভাবের গুরুত্ব কী? → চলমান উৎস বা পর্যবেক্ষকের বেগ নির্ণয়ে।

49. মহাকাশে নীল সরণ ঘটলে তার অর্থ কী? → বস্তুটি আমাদের দিকে আসছে।

50. মহাকাশে লাল সরণ ঘটলে তার অর্থ কী? → বস্তুটি আমাদের থেকে দূরে যাচ্ছে।

রেজোন্যান্স (Resonance)

1. রেজোন্যান্স কাকে বলে? — কোনো বস্তুর স্বাভাবিক কম্পাঙ্কের সমান কম্পাঙ্কে বাহ্যিক বল প্রয়োগ করলে তার কম্পন প্রবল হওয়াকে রেজোন্যান্স বলে।

2. রেজোন্যান্সের অর্থ কী? — সাদৃশ্যপূর্ণ কম্পন বা প্রতিধ্বনি।

3. রেজোন্যান্স কোন ধরনের কম্পনের সাথে সম্পর্কিত? — বাধ্য কম্পনের সাথে।

4. রেজোন্যান্স ঘটে কখন? — যখন বাহ্যিক কম্পাঙ্ক বস্তুর স্বাভাবিক কম্পাঙ্কের সমান হয়।

5. রেজোন্যান্সের ফলে কী ঘটে? — কম্পনের বিস্তার অনেক বেড়ে যায়।

6. রেজোন্যান্সের ফলে শক্তির কী হয়? — শক্তি সর্বাধিক শোষিত হয়।

7. রেজোন্যান্সের উদাহরণ দাও। — টিউনিং ফর্কের একটিকে বাজালে অন্যটি কম্পিত হয়।

8. রেজোন্যান্স কোন বিজ্ঞানের শাখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? — পদার্থবিজ্ঞানে।

9. রেজোন্যান্সের ব্যবহার কোথায় দেখা যায়? — রেডিও ও টেলিভিশন টিউনিংয়ে।

10. টিউনিং ফর্কের রেজোন্যান্সের কারণ কী? — উভয়ের স্বাভাবিক কম্পাঙ্ক সমান হওয়া।

11. সেতুতে সৈন্যরা একসঙ্গে পা ফেলে হাঁটে না কেন? — রেজোন্যান্সের কারণে সেতু ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

12. রেজোন্যান্সে কম্পনের বিস্তার কেমন হয়? — সর্বাধিক হয়।

13. রেজোন্যান্সকে অন্যভাবে কী বলা যায়? — অনুনাদ।

14. রেজোন্যান্সের বিপরীত অবস্থা কী? — ড্যাম্পিং বা ক্ষয়প্রাপ্ত কম্পন।

15. রেজোন্যান্সের ক্ষেত্রে শক্তি বিনিময় কীভাবে ঘটে? — বাহ্যিক উৎস থেকে দেহে শক্তি স্থানান্তরিত হয়।

16. রেডিও রিসিভারে রেজোন্যান্স ব্যবহৃত হয় কেন? — নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির তরঙ্গ বাছাই করতে।

17. রেজোন্যান্সের ফলে বস্তুর কম্পাঙ্কে কী পরিবর্তন ঘটে? — পরিবর্তন হয় না।

18. রেজোন্যান্সের আবিষ্কারক কে? — গ্যালিলিও প্রথম অনুনাদের কথা বলেন।

19. রেজোন্যান্সে কম্পন শক্তির রূপান্তর কেমন হয়? — শক্তি সর্বাধিক রূপান্তরিত হয়।

20. রেজোন্যান্সের প্রয়োগ সংগীতে কোথায় দেখা যায়? — বাদ্যযন্ত্রে।

21. রেজোন্যান্স ঘটলে শব্দ কেমন হয়? — উচ্চ ও প্রবল।

22. একটি বোতলের মুখে ফুঁ দিলে শব্দ জোরে শোনা যায় কেন? — রেজোন্যান্সের জন্য।

23. রেজোন্যান্স কোন ধরনের শক্তি প্রেরণের সাথে যুক্ত? — তরঙ্গ শক্তি প্রেরণ।

24. রেজোন্যান্স শব্দের উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে? — ল্যাটিন ভাষা থেকে।

25. রেজোন্যান্সের ফলে শব্দ তরঙ্গের কোন গুণ বৃদ্ধি পায়? — তীব্রতা।

26. টিউনিং ফর্কের রেজোন্যান্সে বাতাসের ভূমিকা কী? — কম্পন পরিবহণে সহায়তা করে।

27. রেজোন্যান্সের কারণে কাচ ভেঙে যাওয়া সম্ভব কেন? — শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক কাচের স্বাভাবিক কম্পাঙ্কের সমান হলে।

28. রেজোন্যান্সে শক্তির ক্ষয় হয় কি? — খুব সামান্য ক্ষয় হয়।

29. রেজোন্যান্সে কম্পনের ফেজ কেমন থাকে? — বাহ্যিক বল ও কম্পনের মধ্যে ফেজ পার্থক্য শূন্য।

30. রেজোন্যান্স কখন বিপজ্জনক? — যখন কম্পনের বিস্তার অত্যাধিক হয়।

31. রেজোন্যান্সের শর্ত কী? — বাহ্যিক কম্পাঙ্ক = স্বাভাবিক কম্পাঙ্ক।

32. রেজোন্যান্সে দেহের কম্পন শক্তি কেমন হয়? — সর্বাধিক।

33. রেজোন্যান্সে অ্যামপ্লিটিউডের মান কেমন হয়? — সর্বাধিক।

34. রেজোন্যান্সের ব্যবহার কোথায় দেখা যায়? — রেডিও, বাদ্যযন্ত্র, মাইক্রোওয়েভ ও MRI-তে।

35. বৈদ্যুতিক বর্তনীতে রেজোন্যান্স কবে হয়? — যখন রিঅ্যাক্ট্যান্স শূন্য হয়।

36. বৈদ্যুতিক রেজোন্যান্সে ভোল্টেজ ও কারেন্টের ফেজ কেমন হয়? — একই ফেজে থাকে।

37. বৈদ্যুতিক রেজোন্যান্সে কোন শক্তি সর্বাধিক হয়? — কারেন্ট।

38. LC সার্কিটে রেজোন্যান্স ঘটে কবে? — ইন্ডাক্টিভ রিঅ্যাক্ট্যান্স ও ক্যাপাসিটিভ রিঅ্যাক্ট্যান্স সমান হলে।

39. যান্ত্রিক রেজোন্যান্সের উদাহরণ দাও। — দোলকের কম্পনে।

40. শব্দ রেজোন্যান্সের উদাহরণ দাও। — বোতলের মুখে ফুঁ দেওয়া।

41. রেজোন্যান্সে শক্তির স্থানান্তর ঘটে কার মধ্যে? — উৎস ও কম্পনশীল বস্তুর মধ্যে।

42. সেতু ভাঙার ঘটনা কোন নীতিতে ব্যাখ্যা করা যায়? — রেজোন্যান্স নীতি।

43. রেজোন্যান্সে কম্পনকে কী বলা হয়? — অনুনাদক কম্পন।

44. রেজোন্যান্সের মাধ্যমে কোন তরঙ্গ তীব্র হয়? — শব্দ তরঙ্গ।

45. রেজোন্যান্সের প্রয়োগ চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোথায়? — নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স (NMR) বা MRI তে।

46. রেজোন্যান্সে বাহ্যিক বলের ফ্রিকোয়েন্সি কেমন হয়? — স্থির।

47. রেজোন্যান্সে কম্পনশীল দেহের বেগ কেমন হয়? — সর্বাধিক।

48. রেজোন্যান্সে পর্যায় পার্থক্য কত হয়? — শূন্য।

49. রেজোন্যান্স শব্দের অন্য নাম কী? — অনুনাদ।

50. রেজোন্যান্সের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? — কম্পনের বিস্তার সর্বাধিক হওয়া।

আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের ব্যবহার

1. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কী? — যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০,০০০ হার্জের বেশি তাকে আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ বলে।

2. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কানে শোনা যায় কি? — না, মানুষের কানে শোনা যায় না।

3. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন? — ফরাসি বিজ্ঞানী পিয়েরে কুরি ও জ্যাক কুরি।

4. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ উৎপন্ন করতে কোন পদার্থ ব্যবহার করা হয়? — কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল।

5. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের উৎপাদনের মূলনীতি কী? — পিজোইলেকট্রিক প্রভাব।

6. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের গতি কিসের উপর নির্ভর করে? — মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার উপর।

7. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের ব্যবহার কোথায় হয়? — চিকিৎসা, শিল্প, সামুদ্রিক ও গবেষণা কাজে।

8. চিকিৎসা বিজ্ঞানে আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের ব্যবহার কী? — দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ পরীক্ষা করতে।

9. আল্ট্রাসোনিক পরীক্ষার আরেক নাম কী? — সোনোগ্রাফি বা আল্ট্রাসাউন্ড।

10. গর্ভাবস্থায় শিশুর বিকাশ নির্ণয়ে কোন তরঙ্গ ব্যবহার হয়? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ।

11. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে ধাতুর ফাটল নির্ণয় করা যায় কি? — হ্যাঁ, যায়।

12. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে কোন পরীক্ষা করা হয়? — নন-ডেস্ট্রাকটিভ টেস্টিং (NDT)।

13. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের সাহায্যে গভীরতা নির্ণয় পদ্ধতি কী নামে পরিচিত? — ইকো পদ্ধতি।

14. জাহাজের নিচে সাগরের গভীরতা মাপতে কী ব্যবহার করা হয়? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ।

15. সাগরের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম কী? — ইকো-সাউন্ডার।

16. সোনার যন্ত্র কোন তরঙ্গের উপর কাজ করে? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের উপর।

17. সোনার শব্দের পূর্ণরূপ কী? — Sound Navigation And Ranging।

18. সাবমেরিনে শত্রু সনাক্ত করতে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ।

19. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কি জীবাণু ধ্বংসে ব্যবহার হয়? — হ্যাঁ।

20. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে কীভাবে জীবাণু ধ্বংস হয়? — তরঙ্গের কম্পনে কোষ ভেঙে যায়।

21. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করা যায় কি? — হ্যাঁ, সমজাতীয় মিশ্রণ তৈরি করা যায়।

22. দুধে ক্রিম মেশাতে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ।

23. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে পরিষ্কারকাজ করা যায় কি? — হ্যাঁ, যায়।

24. আল্ট্রাসোনিক ক্লিনার কোন কাজে লাগে? — সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি ও গয়না পরিষ্কারে।

25. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ মাছ ধরায় ব্যবহৃত হয় কি? — হ্যাঁ, মাছের অবস্থান নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

26. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ ধাতু ঝালাইয়ে ব্যবহৃত হয় কি? — হ্যাঁ।

27. আল্ট্রাসোনিক ওয়েল্ডিং কোন পদার্থে হয়? — প্লাস্টিক ও হালকা ধাতুতে।

28. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে কাটা সম্ভব কি? — হ্যাঁ, অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে কাটা যায়।

29. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে গ্যাস মিশ্রণ তৈরি করা যায় কি? — হ্যাঁ।

30. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে কণার আকার নির্ণয় করা যায় কি? — হ্যাঁ।

31. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কোন ধরনের তরঙ্গ? — যান্ত্রিক তরঙ্গ।

32. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কি অনুদৈর্ঘ্য না আনুদৈর্ঘ্য? — অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

33. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের শক্তি বেশি না কম? — বেশি।

34. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড় না ছোট? — ছোট।

35. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে তরল পদার্থে বুদবুদ সৃষ্টি হয় কি? — হ্যাঁ, হয়।

36. এই প্রক্রিয়াকে কী বলে? — ক্যাভিটেশন।

37. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের শিল্পক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ব্যবহার কী? — ধাতু পরীক্ষা ও ওয়েল্ডিং।

38. চিকিৎসায় আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের প্রধান ব্যবহার কী? — আল্ট্রাসাউন্ড ইমেজিং।

39. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ কি প্রাণীদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়? — হ্যাঁ, বাদুড় ও ডলফিন ব্যবহার করে।

40. বাদুড় শিকার ধরতে কীভাবে সাহায্য পায়? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের প্রতিফলন দ্বারা।

41. ডলফিন কীভাবে যোগাযোগ করে? — আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দ্বারা।

42. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের মানবশরীরে ক্ষতি হয় কি? — অতিরিক্ত মাত্রায় ক্ষতি হতে পারে।

43. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে কি হৃদপিণ্ডের পরীক্ষা করা যায়? — হ্যাঁ, ইকোকার্ডিওগ্রাম দ্বারা।

44. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের কম্পাঙ্কের একক কী? — হার্জ (Hz)।

45. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ তৈরি করতে কোন প্রভাব ব্যবহার হয়? — পিজোইলেকট্রিক প্রভাব।

46. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের ব্যবহার গবেষণাগারে কীভাবে হয়? — পদার্থের গঠন নির্ণয়ে।

47. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ দিয়ে তরল পদার্থে অমিশ্রণ দূর করা যায় কি? — হ্যাঁ।

48. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের কম্পাঙ্ক সাধারণত কত হয়? — ২০ কিলোহার্জ থেকে কয়েক মেগাহার্জ পর্যন্ত।

49. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের সাহায্যে কোন রোগ নির্ণয় করা হয়? — গলস্টোন, টিউমার, কিডনি স্টোন ইত্যাদি।

50. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গের সামরিক ব্যবহার কী? — সাবমেরিন ও টর্পেডো সনাক্তকরণে।

আলোয়ের গতি, প্রতিফলন, প্রতিসরণ

1. আলো শূন্যস্থানে যে গতিতে চলে — প্রায় ৩×১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।

2. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে — প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।

3. আলো এক সেকেন্ডে কত দূরত্ব অতিক্রম করে — প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।

4. আলো তরঙ্গের প্রকৃতি — তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।

5. শূন্যস্থানে সব রঙের আলো — একই বেগে চলে।

6. জলে আলোর বেগ — শূন্যস্থানের তুলনায় কম।

7. বায়ুতে আলোর বেগ — প্রায় ২.৯৯×১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।

8. কাচে আলোর গতি — প্রায় ২×১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।

9. আলো প্রতিফলন বলতে বোঝায় — আলো কোনো পৃষ্ঠে পড়ে ফিরে আসা।

10. প্রতিফলনের সূত্র — আপতন কোণ = প্রতিফলন কোণ।

11. আলো প্রতিফলনের নীতি কে আবিষ্কার করেন — ইউক্লিড।

12. সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিচ্ছবি — কাল্পনিক ও সোজা।

13. অবতল দর্পণে বস্তু নিকটে থাকলে প্রতিচ্ছবি — কাল্পনিক ও বৃহৎ হয়।

14. অবতল দর্পণে বস্তু ফোকাসে থাকলে প্রতিচ্ছবি — অসীমে গঠিত হয়।

15. অবতল দর্পণ চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় — দন্তচিকিৎসায়।

16. উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয় — যানবাহনের পিছন দর্শন আয়না হিসেবে।

17. দর্পণের ফোকাল দৈর্ঘ্য — বক্রতার ব্যাসার্ধের অর্ধেক।

18. দর্পণ সূত্র — 1/f = 1/v + 1/u।

19. দর্পণের বর্ধন — প্রতিচ্ছবি উচ্চতা ও বস্তুর উচ্চতার অনুপাত।

20. আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায় তখন — প্রতিসরণ ঘটে।

21. প্রতিসরণের কারণ — আলোর বেগের পরিবর্তন।

22. প্রতিসরণের সূত্র দেন — স্নেল।

23. স্নেলের সূত্র — sin i / sin r = ধ্রুবক (n)।

24. বায়ু থেকে জলে গেলে আলো — লম্বের দিকে বাঁকে।

25. জল থেকে বায়ুতে গেলে আলো — লম্ব থেকে দূরে বাঁকে।

26. বায়ুর প্রতিসংস্থানাঙ্ক — প্রায় ১।

27. জলের প্রতিসংস্থানাঙ্ক — প্রায় ১.৩৩।

28. কাচের প্রতিসংস্থানাঙ্ক — প্রায় ১.৫।

29. হীরকের প্রতিসংস্থানাঙ্ক — প্রায় ২.৪২।

30. আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে বিরল মাধ্যমে যায় এবং আপতন কোণ সমালোচনামূলক কোণের চেয়ে বেশি হয় তখন — পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে।

31. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতি ব্যবহৃত হয় — অপটিক্যাল ফাইবারে।

32. রামধনু গঠিত হয় — সূর্যের আলোর প্রতিসরণ, প্রতিফলন ও বিকিরণের ফলে।

33. আলো যখন প্রিজমে প্রবেশ করে তখন — প্রতিসরণ ঘটে।

34. প্রিজমের কোণ বৃদ্ধি পেলে — বিকিরণও বৃদ্ধি পায়।

35. বর্ণ বিচ্ছেদ ঘটে কারণ — আলোর বিভিন্ন রঙের প্রতিসংস্থানাঙ্ক আলাদা।

36. রঙের ক্রম (VIBGYOR) — বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।

37. বেগুনি আলোর প্রতিসংস্থানাঙ্ক — সর্বাধিক।

38. লাল আলোর প্রতিসংস্থানাঙ্ক — সর্বনিম্ন।

39. বায়ুমণ্ডলে মরীচিকা দেখা যায় — আলোর প্রতিসরণের কারণে।

40. লাল আলো কুয়াশায় বেশি দেখা যায় কারণ — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি।

41. লেন্স বলতে বোঝায় — দুইটি বক্র পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ পদার্থ।

42. উত্তল লেন্সে আলো — একবিন্দুতে সমাবেশিত হয়।

43. অবতল লেন্সে আলো — বিচ্ছুরিত হয়।

44. লেন্স সূত্র — 1/f = 1/v - 1/u।

45. উত্তল লেন্সের ফোকাল দৈর্ঘ্য — ধনাত্মক।

46. অবতল লেন্সের ফোকাল দৈর্ঘ্য — ঋণাত্মক।

47. মানবচক্ষু একটি — উত্তল লেন্স।

48. চোখের দৃষ্টিসীমা (ন্যূনতম দূরত্ব) — ২৫ সেন্টিমিটার।

49. চোখের লেন্সের বক্রতা নিয়ন্ত্রণ করে — সিলিয়ারি পেশি।

50. চোখে প্রতিসরণের ত্রুটি হলে — দৃষ্টি সমস্যা দেখা দেয়।

51. দূরদৃষ্টিজনিত ত্রুটি সংশোধন করা হয় — উত্তল লেন্স দ্বারা।

52. কাছদৃষ্টিজনিত ত্রুটি সংশোধন করা হয় — অবতল লেন্স দ্বারা।

53. বর্ণ-বিভ্রম ঘটে — লেন্সের প্রতিসরণে রঙভেদে বিচ্যুতির কারণে।

লেন্স ও দর্পণের সূত্র

1. দর্পণের সূত্র কী? → 1/f = 1/u + 1/v

2. লেন্সের সূত্র কী? → 1/f = 1/v - 1/u

3. দর্পণের ফোকাস দৈর্ঘ্য কোন চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়? → f

4. অবতল দর্পণের ফোকাস দৈর্ঘ্য কেমন হয়? → ধনাত্মক

5. উত্তল দর্পণের ফোকাস দৈর্ঘ্য কেমন হয়? → ঋণাত্মক

6. উত্তল লেন্সের ফোকাস দৈর্ঘ্য কেমন হয়? → ধনাত্মক

7. অবতল লেন্সের ফোকাস দৈর্ঘ্য কেমন হয়? → ঋণাত্মক

8. দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ ও ফোকাস দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক কী? → R = 2f

9. যদি বস্তু ফোকাসের বাইরে থাকে অবতল দর্পণে, প্রতিচ্ছবি কেমন হবে? → বাস্তব ও উল্টো

10. যদি বস্তু ফোকাসের মধ্যে থাকে অবতল দর্পণে, প্রতিচ্ছবি কেমন হবে? → কাল্পনিক ও সোজা

11. উত্তল দর্পণ সর্বদা কী ধরনের প্রতিচ্ছবি দেয়? → কাল্পনিক, সোজা ও ছোট

12. লেন্সের শক্তির সূত্র কী? → P = 1/f (যেখানে f মিটারে)

13. লেন্সের শক্তির একক কী? → ডায়োপ্টার (D)

14. উত্তল লেন্সের শক্তি কেমন হয়? → ধনাত্মক

15. অবতল লেন্সের শক্তি কেমন হয়? → ঋণাত্মক

16. দর্পণে বস্তু দূরত্ব u সবসময় কোন দিকের মাপ হয়? → বাম দিক থেকে

17. বাস্তব প্রতিচ্ছবির জন্য v এর মান কেমন হয়? → ধনাত্মক

18. কাল্পনিক প্রতিচ্ছবির জন্য v এর মান কেমন হয়? → ঋণাত্মক

19. দর্পণে চিত্র দূরত্ব কীভাবে মাপা হয়? → মূলবিন্দু থেকে প্রতিচ্ছবি পর্যন্ত

20. লেন্সে বস্তু দূরত্ব কেমন নেওয়া হয়? → আলোর আগমন দিকের বিপরীত হলে ঋণাত্মক

21. লেন্সের বর্ধন সূত্র কী? → M = v/u

22. দর্পণের বর্ধন সূত্র কী? → M = -v/u

23. যদি M > 1 হয় তাহলে চিত্র কেমন হবে? → বড়

24. যদি M less than 1 হয় তাহলে চিত্র কেমন হবে? → ছোট

25. যদি M = 1 হয় তাহলে চিত্র কেমন হবে? → সমান আকারের

26. লেন্সের সূত্রে f, v, u এর একক কী? → মিটার

27. দর্পণের সূত্র কার দ্বারা উদ্ভাবিত? → নিউটন

28. লেন্সের সূত্র কার দ্বারা উদ্ভাবিত? → গাউস

29. উত্তল লেন্স কী করে? → আলোকরশ্মি এক বিন্দুতে একত্র করে

30. অবতল লেন্স কী করে? → আলোকরশ্মি ছড়িয়ে দেয়

31. ফোকাল প্লেন কী? → যে তলে ফোকাস বিন্দু থাকে

32. ফোকাল দৈর্ঘ্য কিসের উপর নির্ভর করে? → বক্রতার ব্যাসার্ধ ও পদার্থের প্রতিসরণাঙ্ক

33. লেন্স মেকার সূত্র কী? → 1/f = (μ - 1)(1/R1 - 1/R2)

34. দর্পণের ক্ষেত্রে μ এর মান কত ধরা হয়? → 1

35. উত্তল দর্পণ কোথায় ব্যবহৃত হয়? → গাড়ির পিছনের আয়নায়

36. অবতল দর্পণ কোথায় ব্যবহৃত হয়? → দাঁতের ডাক্তার বা মেকআপ আয়নায়

37. উত্তল লেন্স কোথায় ব্যবহৃত হয়? → মাইক্রোস্কোপ ও ক্যামেরায়

38. অবতল লেন্স কোথায় ব্যবহৃত হয়? → নিকটদৃষ্টির চশমায়

39. যদি বস্তু ইনফিনিটিতে থাকে অবতল দর্পণে চিত্র কোথায় গঠিত হয়? → ফোকাসে

40. উত্তল লেন্সে বস্তু ফোকাসে রাখলে প্রতিচ্ছবি কেমন হয়? → ইনফিনিটিতে

41. অবতল লেন্সে বস্তু ইনফিনিটিতে রাখলে প্রতিচ্ছবি কেমন হয়? → ফোকাসে, কাল্পনিক

42. অবতল দর্পণের ক্ষেত্রে ফোকাস ও কেন্দ্র কোন পাশে থাকে? → সামনে

43. উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে ফোকাস ও কেন্দ্র কোন পাশে থাকে? → পেছনে

44. যদি v = ∞ হয়, তাহলে f এর মান কী হবে? → f = -u

45. যদি u = ∞ হয়, তাহলে f এর মান কী হবে? → f = v

46. ফোকাসের সংখ্যা কয়টি? → দুইটি – প্রধান ও দ্বিতীয় ফোকাস

47. লেন্সের প্রতিসরণাঙ্ক যত বেশি হয় → ফোকাল দৈর্ঘ্য তত কম হয়

48. দর্পণের বক্রতা যত বেশি হয় → ফোকাস তত কাছে হয়

49. দর্পণ ও লেন্সের সূত্রে সব দূরত্ব কোন রেখা বরাবর মাপা হয়? → প্রধান অক্ষ বরাবর

50. বাস্তব প্রতিচ্ছবি কিসে দেখা যায়? → পর্দায়

প্রিজম, বর্ণালী (Dispersion)

1. প্রিজম কী → প্রিজম হলো এক ধরনের স্বচ্ছ ত্রিভুজাকার কাচ বা পদার্থ যা আলোকে প্রতিসরিত করে।

2. প্রিজমের মূল কাজ কী → আলোকে প্রতিসরিত ও বিশ্লেষণ করে বর্ণালী তৈরি করা।

3. প্রিজমের সাধারণত কতটি পৃষ্ঠ থাকে → তিনটি আয়তলাকার ও দুটি ত্রিভুজাকার পৃষ্ঠ থাকে।

4. প্রিজমের মাধ্যমে আলো কেন বেঁকে যায় → কারণ আলোর গতি বিভিন্ন মাধ্যমে ভিন্ন হয়।

5. আলোর প্রতিসরণ কী → এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোর বেঁকে যাওয়া।

6. Dispersion বলতে কী বোঝায় → সাদা আলোর বিভিন্ন রঙে বিভাজনকে Dispersion বলে।

7. বর্ণালী বলতে কী বোঝায় → সাদা আলোর বিভাজনের ফলে উৎপন্ন বিভিন্ন রঙের ব্যান্ডকে বর্ণালী বলে।

8. সাদা আলোতে কয়টি রঙ থাকে → সাতটি রঙ থাকে।

9. সাদা আলোর সাতটি রঙের নাম কী → বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।

10. এই সাতটি রঙকে একসাথে কী বলে → ভিবগ্যর (VIBGYOR)।

11. Dispersion শব্দের অর্থ কী → ছড়িয়ে পড়া বা বিভাজন।

12. সাদা আলো প্রথম কে বিশ্লেষণ করেন → আইজ্যাক নিউটন।

13. নিউটন প্রিজমের সাহায্যে কী আবিষ্কার করেন → সাদা আলো সাত রঙের দ্বারা গঠিত তা প্রমাণ করেন।

14. প্রিজমের মাধ্যমে কোন রঙ সবচেয়ে বেশি বেঁকে যায় → বেগুনি রঙ।

15. কোন রঙ সবচেয়ে কম বেঁকে যায় → লাল রঙ।

16. বেগুনি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কেমন → সবচেয়ে কম।

17. লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কেমন → সবচেয়ে বেশি।

18. তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে বিচ্যুতি কেমন হয় → বিচ্যুতি কম হয়।

19. তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে বিচ্যুতি কেমন হয় → বিচ্যুতি বেশি হয়।

20. বর্ণালী তৈরির যন্ত্রের নাম কী → স্পেকট্রোমিটার।

21. স্পেকট্রোমিটারে মূলত কী কাজ করা হয় → আলোর প্রতিসরণ ও বর্ণ বিশ্লেষণ।

22. সাদা আলো প্রিজমে প্রবেশ করলে কী ঘটে → তা প্রতিসরিত হয়ে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়।

23. সূর্যের আলোকে বলা হয় কী → সাদা আলো।

24. প্রিজমে বর্ণ বিভাজন কোন নীতির উপর নির্ভর করে → প্রতিসরণের নীতি।

25. প্রিজমে কোন রঙের প্রতিসরাঙ্ক সর্বাধিক → বেগুনি রঙের।

26. প্রিজমে কোন রঙের প্রতিসরাঙ্ক সর্বনিম্ন → লাল রঙের।

27. আলোর প্রতিসরাঙ্ক কী বোঝায় → আলোর গতি পরিবর্তনের পরিমাণ বোঝায়।

28. আলোর বিচ্যুতি কোণ কী → আপতিত ও উদগত রশ্মির মধ্যবর্তী কোণ।

29. প্রিজমের শীর্ষ কোণ কী → দুই প্রতিসরিত তলের মধ্যবর্তী কোণ।

30. প্রিজমের বিচ্যুতি কখন সর্বনিম্ন হয় → যখন আপতন ও উদগমন কোণ সমান হয়।

31. ন্যূনতম বিচ্যুতি বলতে কী বোঝায় → আলোর সর্বনিম্ন বেঁকে যাওয়া কোণ।

32. বর্ণালী কত প্রকারের হয় → তিন প্রকার – অবিচ্ছিন্ন, রেখা ও ব্যান্ড বর্ণালী।

33. সূর্যালোকের বর্ণালী কোন প্রকারের → অবিচ্ছিন্ন বর্ণালী।

34. গ্যাসের বর্ণালী কেমন হয় → রেখা বর্ণালী।

35. তরল পদার্থের বর্ণালী কেমন হয় → ব্যান্ড বর্ণালী।

36. বর্ণালী থেকে কোন বৈশিষ্ট্য জানা যায় → পদার্থের রাসায়নিক গঠন।

37. রেইনবো বা রংধনু কিসের উদাহরণ → প্রাকৃতিক বর্ণ বিভাজনের উদাহরণ।

38. রংধনু কয়টি রঙে দেখা যায় → সাতটি রঙে।

39. রংধনু কীভাবে সৃষ্টি হয় → জলের ফোঁটায় আলোর প্রতিসরণ, প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ দ্বারা।

40. প্রতিসরিত আলো কীভাবে বাঁকে → ঘন মাধ্যমের দিকে।

41. আলো কম ঘন মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে গেলে কী হয় → তা লম্বের দিকে বেঁকে যায়।

42. আলো ঘন মাধ্যম থেকে কম ঘন মাধ্যমে গেলে কী হয় → তা লম্ব থেকে দূরে বেঁকে যায়।

43. প্রিজমে আপতন কোণ বাড়ালে বিচ্যুতি কী হয় → বাড়ে।

44. প্রিজমের মধ্যে আলোর বেগ কেমন হয় → কমে যায়।

45. প্রিজমে প্রতিসরণের ফলে কী উৎপন্ন হয় → বর্ণালী।

46. বর্ণ বিভাজন কোন গুণের উপর নির্ভর করে → প্রতিসরাঙ্কের পরিবর্তনশীলতার উপর।

47. বেগুনি আলোর প্রতিসরাঙ্ক কি লালের চেয়ে বেশি → হ্যাঁ, বেশি।

48. সাদা আলো পুনরায় একত্র করলে কী পাওয়া যায় → পুনরায় সাদা আলো।

49. Dispersion ছাড়াও প্রিজমের কী ব্যবহার আছে → প্রতিফলন ও কোণ নির্ধারণে।

50. আলোর Dispersion কেন গুরুত্বপূর্ণ → এটি আলোর গঠন ও পদার্থের গুণাবলি বুঝতে সাহায্য করে।

হস্তক্ষেপ (Interference), বিবর্তন (Diffraction)

1. আলোর হস্তক্ষেপ কাকে বলে? → দুই বা ততোধিক আলোক তরঙ্গের মিলনে আলো ও আঁধারের বিন্যাসকে হস্তক্ষেপ বলে।

2. হস্তক্ষেপ ঘটার জন্য কী শর্ত প্রয়োজন? → উৎসদ্বয়কে সমযোজী (coherent) হতে হবে।

3. সমযোজী উৎস কাকে বলে? → যাদের মধ্যে ধ্রুব ফেজ পার্থক্য থাকে, তাদের সমযোজী উৎস বলে।

4. আলোর হস্তক্ষেপ প্রথম কে প্রদর্শন করেন? → টমাস ইয়ং (Thomas Young)।

5. ইয়ং-এর দ্বিসূত্রি পরীক্ষা কোন বিষয়ে প্রমাণ দেয়? → আলোর তরঙ্গ ধর্ম প্রমাণ করে।

6. হস্তক্ষেপের ফলে কী উৎপন্ন হয়? → উজ্জ্বল ও অন্ধকার রেখার বিন্যাস।

7. উজ্জ্বল রেখা তৈরি হয় কবে? → যখন দুই তরঙ্গের পথ পার্থক্য λ, 2λ, 3λ ... হয়।

8. অন্ধকার রেখা তৈরি হয় কবে? → যখন পথ পার্থক্য λ/2, 3λ/2, 5λ/2 ... হয়।

9. হস্তক্ষেপে উজ্জ্বল রেখাকে কী বলে? → গঠনমূলক হস্তক্ষেপ (Constructive interference)।

10. হস্তক্ষেপে অন্ধকার রেখাকে কী বলে? → বিঘ্নমূলক হস্তক্ষেপ (Destructive interference)।

11. হস্তক্ষেপের রেখাগুলির মধ্যবর্তী দূরত্বকে কী বলে? → ফ্রিঞ্জ ব্যবধান।

12. ফ্রিঞ্জ ব্যবধানের সূত্র কী? → β = λD/d।

13. ফ্রিঞ্জ ব্যবধান কোনটির উপর নির্ভর করে? → তরঙ্গদৈর্ঘ্য, পর্দার দূরত্ব ও সূক্ষ্মসূত্রের দূরত্বের উপর।

14. তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে ফ্রিঞ্জ ব্যবধান কী হয়? → বৃদ্ধি পায়।

15. হস্তক্ষেপের পরীক্ষায় কোন আলো ব্যবহার করা হয়? → একরঙা (Monochromatic) আলো।

16. ইয়ং-এর পরীক্ষায় ব্যবহৃত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি হবে → ফ্রিঞ্জ ব্যবধান তত বেশি হবে।

17. দুই তরঙ্গের প্রশস্ততা সমান হলে হস্তক্ষেপের ফলাফল কী হয়? → সর্বাধিক উজ্জ্বল ও অন্ধকার রেখা পাওয়া যায়।হস্তক্ষেপের কারণ কী? → তরঙ্গের সংযোজন ও বিয়োজন।

18. হস্তক্ষেপ কোন ধর্ম প্রমাণ করে? → আলোর তরঙ্গ ধর্ম।

19. আলোর হস্তক্ষেপে শক্তি কীভাবে থাকে? → শক্তির সংরক্ষণ থাকে।

20. ফ্রিঞ্জ ব্যবধান কমাতে কী করতে হবে? → তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা পর্দার দূরত্ব কমাতে হবে।

21. তেল বা সাবানের পাতলা স্তরে দেখা রঙিন ছটা কীজন্য হয়? → হস্তক্ষেপজনিত কারণে।

22. পাতলা ফিল্মের হস্তক্ষেপে কোন দুই রশ্মি অংশগ্রহণ করে? → প্রতিবিম্বিত ও প্রতিসৃত রশ্মি।

23. নিউটনের বলয় (Newton’s Rings) কিসের উদাহরণ? → হস্তক্ষেপের।

24. নিউটনের বলয় কোথায় দেখা যায়? → উত্তল লেন্স ও সমতল কাচের সংস্পর্শে।

25. নিউটনের বলয়ে কেন্দ্রীয় বিন্দু কেন অন্ধকার? → ফেজ পার্থক্য λ/2 হওয়ায়।

26. হস্তক্ষেপ ও বিবর্তন উভয়ই কিসের ধর্ম? → আলোর তরঙ্গ ধর্মের।

27. বিবর্তন (Diffraction) কাকে বলে? → আলো সংকীর্ণ ছিদ্র বা প্রান্ত অতিক্রম করে বেঁকে যাওয়াকে বিবর্তন বলে।

28. বিবর্তন প্রমাণ করে কী? → আলোর তরঙ্গ ধর্ম।

29. বিবর্তন ঘটার জন্য ছিদ্রের আকার কিসের সমান হতে হয়? → আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সমান বা কাছাকাছি হতে হয়।

30. বিবর্তন প্রথম কে ব্যাখ্যা করেন? → ফ্রেনেল (Fresnel)।

31. ফ্রেনেল বিবর্তন কোথায় ঘটে? → যখন উৎস ও পর্দা উভয়ই কাছাকাছি থাকে।

32. ফ্রনহোফার বিবর্তন কোথায় ঘটে? → যখন উৎস ও পর্দা অসীম দূরে থাকে।

33. একক ছিদ্রের বিবর্তনে কেন্দ্রীয় সর্বাধিক উজ্জ্বল রেখার প্রস্থ কেমন হয়? → পাশের তুলনায় দ্বিগুণ চওড়া।

34. বিবর্তনে উজ্জ্বল ও অন্ধকার রেখার কারণ কী? → গঠনমূলক ও বিঘ্নমূলক হস্তক্ষেপ।

35. বিবর্তনের প্রধান সর্বাধিক রেখা কোন শর্তে হয়? → sinθ = nλ/a।

36. বিবর্তনের প্রথম ন্যূনতম রেখা কবে হয়? → sinθ = λ/a হলে।

37. বিবর্তনে কেন্দ্রীয় উজ্জ্বল রেখা কেন সর্বাধিক? → কারণ সব তরঙ্গ একই ফেজে পৌঁছায়।

38. একক ছিদ্রের বিবর্তনে দ্বিতীয় সর্বাধিকের তীব্রতা কেমন? → প্রথম সর্বাধিকের প্রায় ৪.৫%।

39. বিবর্তনের ফলাফল নির্ভর করে কোনটির উপর? → ছিদ্রের প্রস্থ ও আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।

40. বিবর্তন প্রমাণ করে কোন তত্ত্বকে? → তরঙ্গ তত্ত্বকে।

41. বিবর্তন ও হস্তক্ষেপের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী? → হস্তক্ষেপে দুটি উৎস লাগে, বিবর্তনে একটি।

42. বৃত্তাকার ছিদ্র দিয়ে বিবর্তনে যে প্যাটার্ন দেখা যায় তাকে কী বলে? → এয়ারির প্যাটার্ন (Airy’s pattern)।

43. অপটিক্যাল যন্ত্রের রেজলভিং ক্ষমতা নির্ভর করে কিসের উপর? → বিবর্তনের উপর।

44. রেজলভিং পাওয়ার কাকে বলে? → দুটি কাছাকাছি বিন্দুকে পৃথকভাবে দেখার ক্ষমতা।

45. ডিফ্র্যাকশন গ্রেটিং (Diffraction Grating) কী? → অনেক সূক্ষ্ম সমান্তরাল রেখাযুক্ত অপটিক যন্ত্র।

46. ডিফ্র্যাকশন গ্রেটিং ব্যবহৃত হয় কোথায়? → আলোর স্পেকট্রাম নির্ণয়ে।

47. গ্রেটিংয়ের সূত্র কী? → d sinθ = nλ।

48. গ্রেটিংয়ে n এর মান কী বোঝায়? → বিবর্তনের অর্ডার বা ক্রম।

49. হস্তক্ষেপ ও বিবর্তন উভয়েই কী সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে? → তরঙ্গের সংযোজন ও বিয়োজনজনিত রেখা বিন্যাস।

ধ্রুবকরণ (Polarisation)

1. ধ্রুবকরণ কাকে বলে → আলোর তরঙ্গকে একটি নির্দিষ্ট সমতলে সীমাবদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে ধ্রুবকরণ বলে।

2. কোন ধরনের তরঙ্গ ধ্রুবিত হতে পারে → আনুভূমিক তরঙ্গ।

3. কোন ধরনের তরঙ্গ ধ্রুবিত হতে পারে না → অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

4. আলোর ধ্রুবকরণ প্রথম কে আবিষ্কার করেন → মালুস (Malus)।

5. মালুস আলোর ধ্রুবকরণ কোন সালে আবিষ্কার করেন → ১৮০৮ সালে।

6. প্রাকৃতিক আলো কেমন → বহু সমতলে দোলন করে।

7. ধ্রুবিত আলো কেমন → এক সমতলে দোলন করে।

8. আলোর ধ্রুবকরণ দ্বারা কী প্রমাণিত হয় → আলো আনুভূমিক তরঙ্গ।

9. ধ্রুবকরণ ঘটাতে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয় → পোলারয়েড (Polaroid)।

10. পোলারয়েডের মূল কাজ কী → নির্দিষ্ট সমতলের আলোকে পার হতে দেওয়া।

11. ধ্রুবকরণ কোন প্রক্রিয়ায় ঘটানো যায় → প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও শোষণ প্রক্রিয়ায়।

12. ব্রুস্টার কোণ কাকে বলে → যে কোণে প্রতিফলিত আলো সম্পূর্ণ ধ্রুবিত হয় তাকে ব্রুস্টার কোণ বলে।

13. ব্রুস্টার সূত্র কী → tan i = μ (যেখানে i হলো ব্রুস্টার কোণ ও μ হলো মাধ্যমের প্রতিসংযোজনাঙ্ক)।

14. ধ্রুবকরণের জন্য ব্যবহৃত পদার্থ কী → টুরমালিন (Tourmaline)।

15. টুরমালিন ক্রিস্টাল কী কাজ করে → আলোকে আংশিক ধ্রুবিত করে।

16. দুইটি পোলারয়েড একত্রে ব্যবহার করলে কী ঘটে → আলোর তীব্রতা পরিবর্তিত হয়।

17. দুইটি পোলারয়েডের অক্ষ পরস্পর সমান্তরাল হলে → সর্বাধিক আলো পার হয়।

18. দুইটি পোলারয়েডের অক্ষ পরস্পর লম্ব হলে → কোন আলো পার হয় না।

19. এই অবস্থাকে কী বলে → সম্পূর্ণ অন্ধকার অবস্থা বা ক্রস পোলারাইজেশন।

20. মালুসের সূত্র কী বলে → ধ্রুবিত আলোর তীব্রতা ∝ cos²θ।

21. θ কী নির্দেশ করে → দুই পোলারয়েডের অক্ষের মধ্যকার কোণ।

22. প্রতিফলনে ধ্রুবকরণ ঘটলে → প্রতিফলিত আলো আংশিক ধ্রুবিত হয়।

23. দ্বিবিভঙ্গ পদার্থে ধ্রুবকরণ কীভাবে ঘটে → আলোর দুটি রশ্মি গঠিত হয়, সাধারণ ও অস্বাভাবিক রশ্মি।

24. সাধারণ ও অস্বাভাবিক রশ্মি কোথায় দেখা যায় → ক্যালসাইট স্ফটিকে।

25. ক্যালসাইট স্ফটিক কিসের জন্য ব্যবহৃত হয় → দ্বিবিভঙ্গ প্রদর্শনের জন্য।

26. নিকল প্রিজম কী কাজে ব্যবহৃত হয় → আলোকে সম্পূর্ণ ধ্রুবিত করতে।

27. নিকল প্রিজম কোন পদার্থের তৈরি → ক্যালসাইট ও বালসাম দিয়ে।

28. ধ্রুবকৃত আলো কোন কাজে ব্যবহৃত হয় → সানগ্লাস, ক্যামেরা ও ৩D সিনেমায়।

29. পোলারয়েড সানগ্লাস কীভাবে কাজ করে → প্রতিফলিত আলোর ঝলক কমিয়ে দেয়।

30. প্রাকৃতিক আলো কেমন তরঙ্গ → অধ্রুবিত তরঙ্গ।

31. প্রতিসরণ দ্বারা ধ্রুবকরণ কবে ঘটে → যখন আলো ভিন্ন প্রতিসংযোজনাঙ্কের মাধ্যম দিয়ে যায়।

32. প্রতিফলিত ও প্রতিসৃত আলো কখন পরস্পর লম্ব হয় → ব্রুস্টার কোণে।

33. এক পোলারয়েড দিয়ে ধ্রুবকরণ হলে → আলো আংশিক ধ্রুবিত হয়।

34. দুটি পোলারয়েড দিয়ে সম্পূর্ণ ধ্রুবকরণ হলে → এক সমতলে দোলনকারী তরঙ্গ বেঁচে থাকে।

35. আলোর ধ্রুবকরণ কোন তত্ত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় → তরঙ্গ তত্ত্ব দ্বারা।

36. ধ্রুবকরণ থেকে প্রমাণিত হয় যে আলো → তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ।

37. ধ্রুবিত আলোর ব্যবহার কোথায় → স্ট্রেস বিশ্লেষণ, মাইক্রোস্কোপি ও ফটোগ্রাফিতে।

38. পোলারিমিটার কী কাজে লাগে → দ্রবণে ধ্রুবকৃত আলোর ঘূর্ণন পরিমাপে।

39. চিনি দ্রবণের ধ্রুবকরণে কী দেখা যায় → অপটিক্যাল রোটেশন।

40. পোলারিমিটার কে আবিষ্কার করেন → জ্যঁ ব্যাতিস্ত বিও (Jean-Baptiste Biot)।

41. অপটিক্যাল ঘূর্ণনধর্মী পদার্থকে কী বলে → অপটিক্যালি অ্যাকটিভ পদার্থ।

42. প্লেন পোলারাইজড লাইট কাকে বলে → এক সমতলে দোলনকারী আলো।

43. ধ্রুবকরণ ঘটাতে কোন আলো উপযুক্ত → অদৃশ্য নয় এমন সাদা আলো।

44. ধ্রুবকরণের প্রমাণ হিসেবে কোন পরীক্ষা উল্লেখযোগ্য → মালুস পরীক্ষা।

45. প্রতিফলিত ধ্রুবিত আলো কীভাবে চেনা যায় → দুই পোলারয়েড ঘুরিয়ে তীব্রতা বদলে দেখা যায়।

46. কৃত্রিম পোলারাইজার কী → পোলারয়েড ফিল্ম।

47. ৩D সিনেমায় কোন আলোর ব্যবহার হয় → বৃত্তীয় ধ্রুবিত আলো।

48. বৃত্তীয় ধ্রুবিত আলো কাকে বলে → যখন আলোর কম্পন সমতল ঘুরে ঘুরে বৃত্ত তৈরি করে।

49. বৃত্তীয় ধ্রুবকরণ কীভাবে উৎপন্ন হয় → একে অপরের থেকে ৯০° কোণে দুটি লিনিয়ার ধ্রুবিত আলো একত্রে থাকলে।

50. ধ্রুবকরণের প্রধান প্রমাণ কী → আলো আনুভূমিক (Transverse) প্রকৃতির।

মানব চোখ, দৃষ্টি ত্রুটি, অপটিক্যাল যন্ত্র (Microscope, Telescope) (Polarisation)

1. মানব চোখে আলো প্রবেশ করে কোন অংশ দিয়ে → কর্নিয়া (Cornea) দিয়ে।

2. মানব চোখের লেন্সের প্রকৃতি কেমন → উত্তল (Convex)।

3. মানব চোখের লেন্স কোন প্রকার লেন্স → দ্বিবলীয় উত্তল লেন্স (Biconvex lens)।

4. চোখের রঙিন অংশকে কী বলে → আইরিস (Iris)।

5. চোখে প্রবেশ করা আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে কোন অংশ → আইরিস।

6. মানব চোখে আলোক সংবেদী স্তর কোনটি → রেটিনা (Retina)।

7. চোখের ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে কোন অংশ → সিলিয়ারি পেশি (Ciliary muscles)।

8. চোখে বস্তু দেখার ক্ষমতা কোন কারণে হয় → আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণের কারণে।

9. চোখে ছবিটি কোথায় গঠিত হয় → রেটিনায়।

10. চোখের রেটিনায় যে অংশে দৃষ্টি সবচেয়ে পরিষ্কার হয় → ইয়েলো স্পট (Yellow spot)।

11. চোখের রেটিনায় যে স্থানে কোনো দৃষ্টি কোষ নেই → ব্লাইন্ড স্পট (Blind spot)।

12. স্বাভাবিক চোখের ফোকাল দৈর্ঘ্য প্রায় কত → প্রায় 2 সেমি।

13. চোখের দৃষ্টি ত্রুটি মায়োপিয়া কী → দূরের বস্তু অস্পষ্ট দেখা।

14. মায়োপিয়া ত্রুটি সংশোধন করা হয় কোন লেন্স দ্বারা → অবতল লেন্স (Concave lens)।

15. হাইপারমেট্রোপিয়া কী → কাছের বস্তু অস্পষ্ট দেখা।

16. হাইপারমেট্রোপিয়া সংশোধন করা হয় কোন লেন্স দ্বারা → উত্তল লেন্স (Convex lens)।

17. প্রেসবায়োপিয়া কী → বার্ধক্যজনিত দৃষ্টি ত্রুটি।

18. প্রেসবায়োপিয়া সংশোধন করা হয় কোন লেন্স দ্বারা → দ্বৈত লেন্স (Bifocal lens)।

19. অ্যাস্টিগমাটিজম কী → কর্নিয়ার বক্রতার ত্রুটি।

20. অ্যাস্টিগমাটিজম সংশোধন করা হয় কোন লেন্স দ্বারা → সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স দ্বারা।

21. মানব চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমা কত → 25 সেন্টিমিটার।

22. চোখে ভিটামিন ‘A’-এর অভাবে কোন রোগ হয় → নাইট ব্লাইন্ডনেস (Night blindness)।

23. চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা হয় কোন যন্ত্রে → স্নেলেন চার্ট (Snellen chart)।

24. মানব চোখের দৈর্ঘ্য প্রায় কত → প্রায় 2.3 সেন্টিমিটার।

25. চোখে আলো প্রবেশ করে কোন পথে → কর্নিয়া → পিউপিল → লেন্স → রেটিনা।

26. মানব চোখে ছবির প্রকৃতি কেমন হয় → উল্টো ও বাস্তব (Real and Inverted)।

27. রঙ দেখার ক্ষমতা কোন কোষ দ্বারা হয় → কোণ কোষ (Cone cells)।

28. অন্ধকারে দেখার ক্ষমতা কোন কোষ দ্বারা হয় → রড কোষ (Rod cells)।

29. চোখের জল উৎপন্ন করে কোন গ্রন্থি → ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি (Lacrimal gland)।

30. চোখের পিউপিলের কাজ কী → আলো প্রবেশের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ।

31. মানুষের চোখে বর্ণান্ধতা ঘটে কোন কারণে → কোণ কোষের ত্রুটির জন্য।

32. চোখের গঠন নিয়ে গবেষণা করে কোন শাখা → অপথ্যালমোলজি (Ophthalmology)।

33. মাইক্রোস্কোপে ব্যবহৃত হয় কতটি লেন্স → দুটি (অবজেক্টিভ ও আইপিস)।

34. মাইক্রোস্কোপে অবজেক্টিভ লেন্সের কাজ কী → বস্তুর বাস্তব ও উল্টো বর্ধিত ছবি তৈরি করা।

35. মাইক্রোস্কোপে আইপিস লেন্সের কাজ কী → অবজেক্টিভের ছবিকে আরও বর্ধিত করা।

36. যৌগিক মাইক্রোস্কোপে কতবার বর্ধন ঘটে → অবজেক্টিভ ও আইপিসের বর্ধনের গুণফল।

37. টেলিস্কোপের মূল কাজ কী → দূরের বস্তুকে বড় করে দেখা।

38. গ্যালিলিও টেলিস্কোপে কোন দুটি লেন্স ব্যবহৃত হয় → উত্তল অবজেক্টিভ ও অবতল আইপিস।

39. কেপলার টেলিস্কোপে ব্যবহৃত হয় কোন দুটি লেন্স → দুইটি উত্তল লেন্স।

40. জ্যোতির্বিদ্যায় ব্যবহৃত টেলিস্কোপের নাম কী → অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল টেলিস্কোপ।

41. পৃথিবীতে প্রথম টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন কে → হ্যান্স লিপার্শে (Hans Lippershey)।

42. প্রথম যৌগিক মাইক্রোস্কোপ আবিষ্কার করেন কে → জ্যাকারিয়াস জানসেন (Zacharias Janssen)।

43. রিফ্লেকটিং টেলিস্কোপে ব্যবহৃত হয় কী → দর্পণ (Mirror)।

44. রিফ্র্যাক্টিং টেলিস্কোপে ব্যবহৃত হয় কী → লেন্স (Lens)।

45. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে আলো নয় বরং ব্যবহৃত হয় → ইলেকট্রন বিম (Electron beam)।

46. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ আবিষ্কার করেন কে → কানুথ রাসকা (Knoll and Ruska)।

47. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের বর্ধন ক্ষমতা প্রায় কত → প্রায় 10⁶ গুণ।

48. সাধারণ চোখে দেখা যায় না এমন জীব দেখা যায় কোন যন্ত্রে → মাইক্রোস্কোপে।

49. দূরবীনে আইপিস ও অবজেক্টিভের দূরত্বকে কী বলে → টিউব দৈর্ঘ্য (Tube length)।

50. মানুষের চোখ, মাইক্রোস্কোপ ও টেলিস্কোপের কাজের মূলনীতি কী → আলোর প্রতিসরণ।