ইতিহাস MCQ - Ancient History MCQ For Competitive Exams in Bengali

ইতিহাস MCQ - Ancient History MCQ For Competitive Exams in Bengali

ইতিহাস (History)

সিন্ধু সভ্যতা

1. সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের সভ্যতা? – নবপ্রস্তর যুগের পরবর্তী তাম্রপাথর যুগের সভ্যতা।

2. সিন্ধু সভ্যতা প্রথম কে আবিষ্কার করেন? – দয়ারাম সাহনি।

3. সিন্ধু সভ্যতার প্রধান দুটি নগর কোনটি? – হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো।

4. সিন্ধু সভ্যতা কোন নদীর তীরে বিকশিত হয়েছিল? – সিন্ধু নদীর উপনদীগুলির তীরে।

5. হরপ্পা কোন রাজ্যে অবস্থিত? – পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে।

6. মহেঞ্জোদারো শব্দের অর্থ কী? – মৃতের ঢিবি (Mound of the Dead)।

7. মহেঞ্জোদারো আবিষ্কার করেন কে? – আর. ডি. ব্যানার্জি।

8. সিন্ধু সভ্যতার মানুষ কোন দেবতার পূজা করত? – প্রকৃতি ও পশুপতির পূজা করত।

9. সিন্ধু সভ্যতার লিপি কোন ধরনের ছিল? – চিত্রলিপি (Pictographic Script)।

10. সিন্ধু সভ্যতার মানুষের প্রধান পেশা কী ছিল? – কৃষি।

11. সিন্ধু সভ্যতায় পাওয়া প্রধান ধাতু কোনটি? – ব্রোঞ্জ (তামা ও টিনের মিশ্রণ)।

12. সিন্ধু সভ্যতায় কোন প্রাণীর ছবি সর্বাধিক পাওয়া যায়? – ইউনিকর্ন বা একশৃঙ্গ পশু।

13. সিন্ধু সভ্যতার প্রধান বন্দর নগরী কোনটি? – লোথাল।

14. লোথাল কোথায় অবস্থিত? – গুজরাটে।

15. সিন্ধু সভ্যতার নগর পরিকল্পনার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল? – সুপরিকল্পিত নিকাশী ব্যবস্থা।

16. মহেঞ্জোদারোর ‘গ্রেট বাথ’ কিসের জন্য ব্যবহৃত হত? – ধর্মীয় বা সামাজিক স্নান অনুষ্ঠানের জন্য।

17. সিন্ধু সভ্যতার অর্থনৈতিক ভিত্তি কী ছিল? – কৃষি ও বাণিজ্য।

18. সিন্ধু সভ্যতার পতনের প্রধান কারণ কী বলে মনে করা হয়? – প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও আর্য আক্রমণ।

19. সিন্ধু সভ্যতায় কোন ধরনের মুদ্রা ব্যবহৃত হত? – সিলমোহর বা সীল (Seal)।

20. সিন্ধু সভ্যতার মানুষ কোন শস্য প্রধানত চাষ করত? – গম ও যব।

বেদিক যুগ

1. বেদিক যুগের প্রাচীনতম সাহিত্য কোনটি? – ঋগ্বেদ।

2. বেদিক যুগকে কত ভাগে বিভক্ত করা হয়? – দুটি: প্রাক্‌বেদিক ও উত্তরবেদিক যুগ।

3. প্রাক্‌বেদিক যুগের প্রধান দেবতা কে ছিলেন? – ইন্দ্র।

4. ঋগ্বেদে মোট কতটি সূক্ত আছে? – ১,০২৮টি সূক্ত।

5. ঋগ্বেদে কতটি মণ্ডল আছে? – ১০টি মণ্ডল।

6. গায়ত্রী মন্ত্র কার উদ্দেশ্যে রচিত? – সূর্যদেব (সাবিতৃ)।

7. ঋগ্বেদ রচনার ভাষা কোনটি ছিল? – বৈদিক সংস্কৃত।

8. বেদ শব্দের অর্থ কী? – জ্ঞান।

9. আর্যরা ভারতে প্রথম কোথায় বসতি স্থাপন করেছিল? – সপ্তসিন্ধু অঞ্চলে।

10. বেদিক যুগে “সপ্তসিন্ধু” বলতে কোন দেশকে বোঝানো হয়? – পাঞ্জাব ও আশেপাশের অঞ্চল।

11. “দশরাজন্য যুদ্ধ” কোন নদীর তীরে সংঘটিত হয়েছিল? – পরুশ্ণী নদীর তীরে (বর্তমান রাভি)।

12. দশরাজন্য যুদ্ধ কার নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছিল? – রাজা সুধাসের নেতৃত্বে।

13. বেদিক যুগে “রাজা”-র পরামর্শদাতা সভাকে কী বলা হত? – সভা ও সমিতি।

14. উত্তরবেদিক যুগে কোন দেবতা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন? – প্রজাপতি ও ব্রহ্মা।

15. বেদিক যুগের প্রধান পেশা কী ছিল? – কৃষি ও পশুপালন।

16. বেদিক সমাজে নারীর স্থান কেমন ছিল? – সম্মানজনক ও শিক্ষিত ছিল।

17. বেদিক যুগে কোন মুদ্রা প্রচলিত ছিল না? – ধাতব মুদ্রা।

18. বেদিক যুগে “গোবিন্দ” শব্দের অর্থ কী? – গোরক্ষক বা পশুপালক।

19. বৈদিক শিক্ষা কিসের মাধ্যমে দেওয়া হত? – মৌখিকভাবে (শ্রুতি প্রথা)।

20. বেদিক যুগের সমাজে কতটি বর্ণ ছিল? – চারটি: ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র।

মহাজনপদ ও ১৬ মহাজনপদ

1. মহাজনপদ যুগের সময়কাল কতখানি ছিল? – খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক থেকে চতুর্থ শতক পর্যন্ত।

2. মহাজনপদ বলতে কী বোঝায়? – বড় রাজ্য বা জনপদকে মহাজনপদ বলা হয়।

3. মোট কতটি মহাজনপদ ছিল? – মোট ১৬টি মহাজনপদ ছিল।

4. ১৬ মহাজনপদের বিবরণ কোন গ্রন্থে পাওয়া যায়? – আঙ্গুত্তর নিকায়ে (বৌদ্ধ গ্রন্থে)।

5. ১৬ মহাজনপদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কোনটি ছিল? – মগধ।

6. মগধের রাজধানী কোথায় ছিল? – রাজগৃহ (পরবর্তীতে পাটলিপুত্র)।

7. কৌশল মহাজনপদের রাজধানী ছিল কোথায়? – শ্রাবস্তী।

8. বৎস মহাজনপদের রাজধানী ছিল কোথায়? – কৌশাম্বী।

9. অবন্তী মহাজনপদের রাজধানী কোথায় ছিল? – উজ্জয়িনী।

10. অঙ্গ মহাজনপদের রাজধানী ছিল কোথায়? – চাম্পা।

11. মগধ রাজ্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য শাসক কে ছিলেন? – বিম্বিসার।

12. বিম্বিসার কোন রাজবংশের শাসক ছিলেন? – হর্যঙ্ক বংশ।

13. মহাজনপদগুলির মধ্যে কোনটি বৌদ্ধ ধর্মের প্রধান কেন্দ্র ছিল? – মগধ ও কৌশল।

14. কোন মহাজনপদে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে গণতন্ত্র বিদ্যমান ছিল? – বজ্জি (লিচ্ছবি)।

15. বজ্জি মহাজনপদের রাজধানী কোথায় ছিল? – বৈশালী।

16. কুরু মহাজনপদের রাজধানী কোথায় ছিল? – ইন্দ্রপ্রস্থ।

17. পাঞ্চাল মহাজনপদের রাজধানী ছিল কোথায়? – কাম্পিল্য।

18. কোন মহাজনপদ বর্তমান বিহার রাজ্যে অবস্থিত ছিল? – মগধ।

19. কোন মহাজনপদ বর্তমান মধ্যপ্রদেশ অঞ্চলে ছিল? – অবন্তী।

20. ১৬ মহাজনপদ যুগের পর কোন সাম্রাজ্য ভারতে উদ্ভব হয়? – মগধ সাম্রাজ্য (মৌর্য সাম্রাজ্যের পূর্বসূরি)।

মগধ সাম্রাজ্যের উত্থান

1. মগধ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? - বৃহদ্রথ

2. মগধের প্রথম রাজবংশের নাম কী ছিল? - বৃহদ্রথ বংশ

3. হর্যঙ্ক বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? - বিম্বিসার

4. বিম্বিসারের রাজধানী কোথায় ছিল? - রাজগৃহ (বর্তমান রাজগির)

5. বিম্বিসারের সময় কোন ধর্মের উত্থান ঘটে? - বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম

6. বিম্বিসারের পুত্র কে ছিলেন? - অজাতশত্রু

7. অজাতশত্রুর মা কে ছিলেন? - কোশল রাজকন্যা বৈদেহী

8. অজাতশত্রু কোন রাজাকে পরাজিত করে কাশী দখল করেন? - প্রসেনজিৎ

9. অজাতশত্রু কোন বৌদ্ধ সভা আহ্বান করেন? - প্রথম বৌদ্ধ সংঘ

10. অজাতশত্রুর আমলে কোন ধর্মগুরু জীবিত ছিলেন? - মহাত্মা বুদ্ধ ও মহাবীর

11. হর্যঙ্ক বংশের পর কোন বংশ ক্ষমতায় আসে? - শিশুনাগ বংশ

12. শিশুনাগ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? - শিশুনাগ

13. শিশুনাগ তাঁর রাজধানী কোথায় স্থানান্তর করেন? - রাজগৃহ থেকে পাটলিপুত্র

14. শিশুনাগের পর কে রাজা হন? - কালাশোক

15. কালাশোক কোন বৌদ্ধ সভা আহ্বান করেন? - দ্বিতীয় বৌদ্ধ সংঘ

16. নন্দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? - মহাপদ্ম নন্দ

17. মহাপদ্ম নন্দকে কোন নামে পরিচিত ছিল? - সর্বক্ষত্রান্তক (ক্ষত্রিয় বিনাশকারী)

18. নন্দ বংশের রাজধানী কোথায় ছিল? - পাটলিপুত্র

19. নন্দ বংশের শেষ রাজা কে ছিলেন? - ধন নন্দ

20. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ধন নন্দকে পরাজিত করতে কার সাহায্য নেন? - চাণক্য বা কৌটিল্য

21. মগধ সাম্রাজ্যের উত্থানের মূল কারণ কী ছিল? - ভৌগোলিক অবস্থান ও উর্বর ভূমি

22. মগধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত ছিল? - গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরে

23. বিম্বিসার কোন বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন? - ভেলুভন বিহার

24. অজাতশত্রু কোন দূর্গ নির্মাণ করেন? - পাটলিগ্রাম (পরবর্তীতে পাটলিপুত্র)

25. মগধের শাসকদের মধ্যে কার সময়ে প্রথমবার পাটলিপুত্র রাজধানী হয়? - শিশুনাগ

26. নন্দ বংশের প্রশাসনিক বৈশিষ্ট্য কী ছিল? - বিশাল সেনাবাহিনী ও বিপুল ধনসম্পদ

27. কোন রাজবংশের সময়ে মগধ ভারতবর্ষে সর্বাধিক শক্তিশালী রাজ্য হয়ে ওঠে? - নন্দ বংশের সময়ে

28. মগধ সাম্রাজ্যের উত্থান কোন শতকে ঘটে? - খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে

29. মগধের উত্থানে কোন ধাতব সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে? - লোহা

30. মগধ সাম্রাজ্যের উত্থান পরবর্তীতে কোন বৃহৎ সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করে? - মৌর্য সাম্রাজ্যের

মৌর্য সাম্রাজ্য

1. মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? – চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

2. মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিল? – পাটলিপুত্র

3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজ্যাভিষেক কে করেছিলেন? – চাণক্য

4. চাণক্যের অপর নাম কী? – কৌটিল্য

5. চাণক্যের রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ কোনটি? – অর্থশাস্ত্র

6. সেলিউকাস নিকেতর কে ছিলেন? – আলেকজান্ডারের উত্তরাধিকারী সেনাপতি

7. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কোন বিদেশি শাসকের সঙ্গে সন্ধি করেন? – সেলিউকাস নিকেতর

8. সেলিউকাসের সঙ্গে সন্ধির ফলে চন্দ্রগুপ্ত কোন অঞ্চল পান? – আফগানিস্তান ও বেলুচিস্তান

9. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের দূত হিসেবে সেলিউকাস কারকে ভারতে পাঠিয়েছিলেন? – মেগাস্থিনিস

10. মেগাস্থিনিসের রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ কোনটি? – ইন্দিকা

11. মৌর্য সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট কে ছিলেন? – অশোক

12. অশোকের পিতা কে ছিলেন? – বিন্দুসার

13. বিন্দুসারের অপর নাম কী ছিল? – অমিত্রঘাত

14. অশোকের মাতার নাম কী ছিল? – শুভদ্রাঙ্গী

15. অশোক কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে গভীরভাবে অনুতপ্ত হয়েছিলেন? – কলিঙ্গ যুদ্ধ

16. কলিঙ্গ যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল? – খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ সালে

17. কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অশোক কোন ধর্ম গ্রহণ করেন? – বৌদ্ধ ধর্ম

18. অশোকের গ্রহণ করা বৌদ্ধ ধর্মের শাখা কোনটি ছিল? – হীনযান

19. অশোকের শিলালিপি ও স্তম্ভলিপি কোন ভাষায় লেখা ছিল? – প্রাকৃত ভাষায়

20. অশোকের শিলালিপি কোন লিপিতে লেখা ছিল? – ব্রাহ্মী লিপিতে

21. অশোকের বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নিজেকে কী নামে পরিচয় দিতেন? – ধর্মাশোক

22. অশোক কততম বৌদ্ধ সংঘ পরিষদ আহ্বান করেছিলেন? – তৃতীয় বৌদ্ধ সংঘ

23. তৃতীয় বৌদ্ধ সংঘ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল? – পাটলিপুত্রে

24. তৃতীয় বৌদ্ধ সংঘের সভাপতি কে ছিলেন? – মোগলিপুত্ত তিস্য

25. অশোক ধর্ম প্রচারের জন্য কাদের বিদেশে পাঠিয়েছিলেন? – ধর্মদূতদের

26. অশোকের পুত্র যিনি বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে শ্রীলঙ্কা গিয়েছিলেন তার নাম কী? – মহিন্দ

27. অশোকের কন্যা যিনি শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেন তার নাম কী? – সংঘমিত্রা

28. মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের সূচনা কার আমলে হয়? – দশরথ মৌর্য

29. মৌর্য সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট কে ছিলেন? – বৃহদ্রথ

30. বৃহদ্রথকে কে হত্যা করে মৌর্য সাম্রাজ্যের অবসান ঘটান? – পুষ্যমিত্র শুঙ্গ

সাতবাহন, কানিষ্ক ও কুষাণ সাম্রাজ্য

সাতবাহন


1. সাতবাহন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? – সিমুক।

2. সাতবাহন রাজবংশের রাজধানী কোথায় ছিল? – প্রতিস্থান (বর্তমান পাইঠান)।

3. সাতবাহনদের অপর নাম কী ছিল? – আন্ধ্র রাজবংশ।

4. সবচেয়ে বিখ্যাত সাতবাহন রাজা কে ছিলেন? – গৌতামীপুত্র শাতকর্ণি।

5. গৌতামীপুত্র শাতকর্ণির মা কে ছিলেন? – গৌতামী বালশ্রী।

6. গৌতামীপুত্র শাতকর্ণি কোন রাজবংশকে পরাজিত করেছিলেন? – শক রাজবংশ।

7. গৌতামীপুত্র শাতকর্ণি নিজেকে কী নামে পরিচয় দিতেন? – ব্রাহ্মণদের রক্ষক ও ক্ষত্রিয়দের বিনাশকারী।

8. গৌতামীপুত্র শাতকর্ণির শাসনকালে শকরা কাদের নেতৃত্বে পরাজিত হয়? – নাহাপন।

9. সাতবাহন রাজারা কোন ধর্মের অনুগামী ছিলেন? – হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম উভয়ই।

10. সাতবাহন রাজারা কোন ভাষায় শিলালিপি লিখতেন? – প্রাকৃত ভাষায়।

11. নাসিক শিলালিপি কার আমলের? – গৌতামীপুত্র শাতকর্ণির।

12. সাতবাহন রাজাদের প্রধান মুদ্রা ছিল কোন ধাতুর? – সীসা ও তামা।

13. সাতবাহন রাজারা উত্তর ভারতের কোন রাজবংশের সমকালীন ছিলেন? – কুষাণ রাজবংশ।

14. সাতবাহন রাজারা কোন অঞ্চলের শাসন করতেন? – দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারত।

15. সাতবাহন রাজাদের মধ্যে শেষ শক্তিশালী শাসক কে ছিলেন? – ইয়জ্ঞ শ্রী শাতকর্ণি।

16. সাতবাহন রাজাদের পর কোন রাজবংশ দক্ষিণ ভারতে উদ্ভব হয়? – ইক্ষ্বাকু রাজবংশ।

17. সাতবাহন রাজারা কোন বন্দর থেকে বাণিজ্য করতেন? – ব্রোচ ও সোপারা।

18. সাতবাহন রাজারা কোন রোমান সাম্রাজ্যের সাথে বাণিজ্য করতেন? – রোমান সাম্রাজ্য।

19. সাতবাহন রাজারা কোন মুদ্রা ব্যবস্থার প্রবর্তন করেননি? – সোনার মুদ্রা।

20. সাতবাহন শাসকরা প্রধানত কোন ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন? – বৌদ্ধ ধর্মের।


কুষাণ সাম্রাজ্য ও কানিষ্ক


1. কুষাণ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? – কুজুল কদফিসেস।

2. কুষাণ রাজবংশের রাজধানী কোথায় ছিল? – পুরুষপুর (বর্তমান পেশোয়ার)।

3. সবচেয়ে বিখ্যাত কুষাণ শাসক কে ছিলেন? – মহান কানিষ্ক।

4. কানিষ্ক কবে রাজ্যে আরোহণ করেন? – ৭৮ খ্রিষ্টাব্দে।

5. কানিষ্কের রাজ্যাভিষেকের সাল কোন নামে পরিচিত? – শকাব্দ।

6. শকাব্দ (৭৮ খ্রি.) কোন ক্যালেন্ডারের সূচনা করে? – শক যুগ।

7. কানিষ্কের রাজধানী কোথায় ছিল? – পুরুষপুর।

8. কানিষ্কের দ্বিতীয় রাজধানী কোনটি ছিল? – মথুরা।

9. কানিষ্ক কোন ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন? – মহাযান বৌদ্ধধর্ম।

10. কানিষ্ক কোন বৌদ্ধ সভা আহ্বান করেন? – চতুর্থ বৌদ্ধ সভা।

11. চতুর্থ বৌদ্ধ সভা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল? – কাশ্মীরে।

12. চতুর্থ বৌদ্ধ সভার সভাপতিত্ব কে করেছিলেন? – বাসুমিত্র।

13. কানিষ্কের সভায় কোন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন? – চরক।

14. কানিষ্ক কোন শিল্পরীতির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন? – গান্ধার শিল্পরীতি।

15. গান্ধার শিল্পে কোন ধর্মের প্রভাব দেখা যায়? – গ্রিক-বৌদ্ধ প্রভাব।

16. কানিষ্কের আমলে বুদ্ধের মূর্তি তৈরি শুরু হয় কোন শৈলীতে? – গান্ধার ও মথুরা শৈলী।

17. কানিষ্কের শাসনকালকে কেন 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়? – সাহিত্য, ধর্ম ও শিল্পের বিশাল উন্নতির জন্য।

18. কানিষ্ক কোন রাজবংশের অন্তর্গত ছিলেন? – কুষাণ রাজবংশ।

19. কুষাণ রাজবংশের মুদ্রায় কোন দেবতার ছবি থাকত? – ইরানীয় ও গ্রিক দেবতা।

20. কানিষ্কের রাজ্য কোন অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল? – মধ্য এশিয়া থেকে মধ্য ভারত পর্যন্ত।

21. কানিষ্কের মৃত্যুর পর কুষাণ রাজ্যের রাজধানী কোথায় স্থানান্তরিত হয়? – লাহোরে।

22. কানিষ্কের সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন রাজবংশ উদ্ভব হয়? – গুপ্ত রাজবংশ।

23. কুষাণ রাজারা কোন পথের মাধ্যমে রোমানদের সাথে বাণিজ্য করত? – সিল্ক রুটের মাধ্যমে।

24. কানিষ্ক কোন ভাষায় শিলালিপি লিখতেন? – গ্রিক ও প্রাকৃত ভাষায়।

25. কুষাণদের মূল উৎস কোথায় ছিল? – মধ্য এশিয়ার ইউয়েচি জাতি।

26. কুষাণ রাজারা কোন দেশের বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে ভারতে প্রচার করেছিলেন? – মধ্য এশিয়ার।

27. কানিষ্কের আমলে কোন দেশ ভারতের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছিল? – চীন।

28. কানিষ্ক কোন বিখ্যাত বৌদ্ধ স্তূপ নির্মাণ করেন? – পেশোয়ারের বুদ্ধ স্তূপ।

29. কানিষ্কের আমলে ভারত ও বিদেশের মধ্যে বাণিজ্যের মাধ্যম কী ছিল? – স্থল ও সামুদ্রিক উভয় পথ।

30. কানিষ্কের মৃত্যুর পর কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের মূল কারণ কী ছিল? – দুর্বল উত্তরসূরি ও স্থানীয় বিদ্রোহ।

গুপ্ত যুগ

1. গুপ্ত বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? – শ্রীগুপ্ত।

2. গুপ্ত বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে? – চন্দ্রগুপ্ত প্রথম।

3. চন্দ্রগুপ্ত প্রথম কাকে বিবাহ করেছিলেন? – লিচ্ছবী রাজকুমারী কুমারদেবীকে।

4. “মহারাজাধিরাজ” উপাধি প্রথম গ্রহণ করেন কে? – চন্দ্রগুপ্ত প্রথম।

5. গুপ্ত সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ বলা হয় কাকে? – সমুদ্রগুপ্তের শাসনকালকে।

6. সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য বিস্তারের বিবরণ কোন শিলালিপিতে আছে? – আল্লাহাবাদ স্তম্ভলিপি।

7. আল্লাহাবাদ স্তম্ভলিপি কে রচনা করেন? – হরিষেণ।

8. সমুদ্রগুপ্তকে “ভারতের নেপোলিয়ন” বলেছেন কে? – ভি.এ. স্মিথ।

9. সমুদ্রগুপ্তের রাজসভায় কে ছিলেন প্রধান কবি? – হরিষেণ।

10. গুপ্ত যুগে সোনার মুদ্রাকে কী বলা হত? – দিনার।

11. “অশ্বমেধ যজ্ঞ” সম্পাদন করেন কোন গুপ্ত সম্রাট? – সমুদ্রগুপ্ত।

12. চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের অন্য নাম কী? – বিক্রমাদিত্য।

13. চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের দরবারে কোন বিখ্যাত কবি ছিলেন? – কালিদাস।

14. চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজসভায় কতজন বিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন? – নয়জন (নবরত্ন)।

15. বিক্রমাদিত্য নামটি কার সঙ্গে সম্পর্কিত? – চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়।

16. ফা-হিয়েন কোন গুপ্ত সম্রাটের সময় ভারতে এসেছিলেন? – চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের সময়।

17. ফা-হিয়েন কোন দেশ থেকে এসেছিলেন? – চীন।

18. ফা-হিয়েন ভারতের কোন ধর্ম অধ্যয়ন করতে এসেছিলেন? – বৌদ্ধধর্ম।

19. ফা-হিয়েন তাঁর ভ্রমণ বিবরণে ভারতকে কেমন দেশ বলেছেন? – শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ দেশ।

20. কালিদাসের রচিত বিখ্যাত নাটক কোনটি? – অভিজ্ঞান শকুন্তলম।

21. “মেঘদূত” কাব্যের রচয়িতা কে? – কালিদাস।

22. “অমরকোষ” কে রচনা করেছিলেন? – আমরসিংহ।

23. “আর্যভটীয়” গ্রন্থের রচয়িতা কে? – আর্যভট।

24. “পঞ্চসিদ্ধান্তিকা” কে রচনা করেন? – বরাহমিহির।

25. “সূর্যসিদ্ধান্ত” গ্রন্থটি কোন বিষয়ের উপর রচিত? – জ্যোতির্বিদ্যা।

26. “চরক সংহিতা” ও “সুশ্রুত সংহিতা” কোন বিষয়ে? – চিকিৎসাশাস্ত্র।

27. “দেবীচন্দ্রগুপ্তম” নাটকটি কার রচনা? – বিশ্বনাথ কবি।

28. গুপ্ত যুগে প্রধান শাসনব্যবস্থা কী ছিল? – রাজতন্ত্র।

29. গুপ্ত যুগে প্রশাসনিক বিভাগকে কী বলা হত? – ভুক্তি।

30. গুপ্ত যুগে গ্রামের প্রধানকে কী বলা হত? – গ্রামণী।

31. গুপ্ত যুগে রাজস্ব কর্মকর্তাকে কী বলা হত? – আয়ুক্ত।

32. গুপ্ত যুগে বিচারককে কী বলা হত? – বিচারাধিকারী।

33. গুপ্ত যুগের রাষ্ট্রধর্ম কী ছিল? – হিন্দুধর্ম।

34. গুপ্ত যুগে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের অবস্থা কেমন ছিল? – সহাবস্থানে সমৃদ্ধ।

35. গুপ্ত যুগে সর্বাধিক জনপ্রিয় দেবতা কে ছিলেন? – বিষ্ণু।

36. গুপ্ত যুগের মুদ্রায় কোন দেবতার ছবি থাকত? – লক্ষ্মী বা বিষ্ণু।

37. গুপ্ত যুগে ‘নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়’ কার সময় প্রতিষ্ঠিত হয়? – কুমারগুপ্তের সময়।

38. গুপ্ত যুগের শেষ সম্রাট কে ছিলেন? – বিশ্ণুগুপ্ত।

39. হুনদের আক্রমণ কোন গুপ্ত সম্রাটের সময় হয়েছিল? – স্কন্দগুপ্তের সময়।

40. স্কন্দগুপ্ত হুনদের পরাজিত করেন কোথায়? – উত্তর-পশ্চিম ভারতে।

41. গুপ্ত যুগের পতনের প্রধান কারণ কী? – হুন আক্রমণ ও প্রাদেশিক বিদ্রোহ।

42. গুপ্ত যুগে লিপি হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হত? – ব্রাহ্মী লিপি।

43. গুপ্ত যুগে প্রধান ভাষা কোনটি ছিল? – সংস্কৃত।

44. গুপ্ত যুগে মুদ্রা প্রধানত কোন ধাতুতে তৈরি হত? – সোনা।

45. গুপ্ত যুগে “অঙ্কশাস্ত্র” এর জনক কাকে বলা হয়? – আর্যভট।

46. গুপ্ত যুগে “শূন্য” বা Zero ধারণা প্রথম দেন কে? – আর্যভট।

47. গুপ্ত যুগে “দশমিক পদ্ধতি” প্রচলন করেন কে? – আর্যভট।

48. গুপ্ত যুগের প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র কোনটি ছিল? – পাটলিপুত্র।

49. গুপ্ত যুগে ভারতের রাজধানী কোথায় ছিল? – পাটলিপুত্র।

50. গুপ্ত যুগকে ভারতের কোন যুগ বলা হয়? – ভারতের স্বর্ণযুগ।

হর্ষবর্ধন

1. হর্ষবর্ধনের রাজবংশের নাম কী? – পুষ্যভূতি রাজবংশ।

2. হর্ষবর্ধনের পিতা কে ছিলেন? – প্রত্যভূতি বর্মন।

3. হর্ষবর্ধনের রাজধানী কোথায় ছিল? – কনৌজ।

4. হর্ষবর্ধনের ভাইয়ের নাম কী? – রাজ্যবর্ধন।

5. হর্ষবর্ধনের বোনের নাম কী? – রাজ্যশ্রী।

6. হর্ষবর্ধনের রাজত্বকাল কত ছিল? – খ্রিষ্টাব্দ 606 থেকে 647 পর্যন্ত।

7. হর্ষবর্ধনের শাসনকালে ভারতের রাজনৈতিক একতা কেমন ছিল? – উত্তর ভারতে সাময়িক রাজনৈতিক একতা স্থাপিত হয়েছিল।

8. হর্ষবর্ধনের রাজধানী প্রাথমিকভাবে কোথায় ছিল? – থানেশ্বর।

9. হর্ষবর্ধন কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন? – প্রাথমিকভাবে হিন্দু, পরবর্তীকালে বৌদ্ধ।

10. হর্ষবর্ধনের দরবারে কোন চীনা ভিক্ষু এসেছিলেন? – হিউয়েন সাং।

11. হিউয়েন সাং ভারতের কোন রাজা সময়ে এসেছিলেন? – হর্ষবর্ধনের সময়ে।

12. হিউয়েন সাং কত সালে ভারতে এসেছিলেন? – খ্রিষ্টাব্দ 629 সালে।

13. হর্ষবর্ধন কত বছর শাসন করেছিলেন? – প্রায় 41 বছর।

14. হর্ষবর্ধন কোন রাজা কর্তৃক পরাজিত হয়েছিলেন? – পুলকেশিন দ্বিতীয় (চালুক্য রাজা)।

15. হর্ষবর্ধন কোন যুদ্ধে পুলকেশিন দ্বিতীয়ের কাছে পরাজিত হন? – নর্মদা যুদ্ধ।

16. হর্ষবর্ধনের বিখ্যাত নাটক কোনটি? – নাগানন্দ।

17. হর্ষবর্ধনের লেখা অন্য দুটি নাটকের নাম বলো। – রত্নাবলী ও প্রিয়দর্শিকা।

18. হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে সর্বাধিক প্রচলিত ধর্ম কোনটি ছিল? – বৌদ্ধ ধর্ম।

19. হর্ষবর্ধন বৌদ্ধ ধর্মের কোন শাখার অনুসারী ছিলেন? – মহাযান।

20. হর্ষবর্ধনের রাজসভায় প্রধান কবি কে ছিলেন? – বানভট্ট।

21. বানভট্ট রচিত হর্ষবর্ধনের জীবনীগ্রন্থের নাম কী? – হর্ষচরিত।

22. হর্ষচরিত কে রচনা করেন? – বানভট্ট।

23. হর্ষবর্ধনের রাজসভায় কোন বৈদ্য ছিলেন বিখ্যাত? – আয়ুর্বেদাচার্য চরকদত্ত।

24. হর্ষবর্ধনের ধর্মসভা কোথায় অনুষ্ঠিত হত? – কনৌজে।

25. হর্ষবর্ধন কত বছর অন্তর মহা ধর্মসভা করতেন? – প্রতি পাঁচ বছর অন্তর।

26. হর্ষবর্ধনের সময়ে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য কোন নদীর তীরে মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল? – প্রয়াগে গঙ্গার তীরে।

27. হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর তার সাম্রাজ্যের কী পরিণতি হয়েছিল? – সাম্রাজ্য ভেঙে যায় এবং ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত হয়।

28. হর্ষবর্ধন মৃত্যুর পর কে তার উত্তরসূরি হয়েছিল? – তার কোনো উত্তরসূরি ছিল না।

29. হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালীন মুদ্রায় কোন দেবতার প্রতিকৃতি ছিল? – শিব।

30. হর্ষবর্ধনের রাজত্বকাল কোন যুগের অন্তর্ভুক্ত? – প্রাচীন ভারতের উত্তর গুপ্ত-পরবর্তী যুগ।