রাষ্ট্রবিজ্ঞান MCQ - Political Science Competitive Exam Questions And Answers in Bengali

বিবিধ MCQ - MCQ Questions on Miscellaneous For Competitive Exams in Bengali

রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science)

রাষ্ট্রপতি (President)

1. ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? – ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।

2. ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি (২০২৫ অনুযায়ী) কে? – দ্রৌপদী মুর্মু।

3. ভারতের রাষ্ট্রপতি কাকে বলা হয়? – রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান।

4. রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম বয়স কত? – ৩৫ বছর।

5. রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য কোন যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন? – লোকসভার সদস্য হওয়ার যোগ্যতা।

6. রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কারা ভোট দেন? – সংসদ ও রাজ্য বিধানসভার নির্বাচিত সদস্যরা।

7. রাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ কত? – ৫ বছর।

8. রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র কাকে দেওয়া হয়? – ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে।

9. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হয়? – একক হস্তান্তরযোগ্য ভোট পদ্ধতিতে।

10. রাষ্ট্রপতির শপথ কে করান? – ভারতের প্রধান বিচারপতি।

11. রাষ্ট্রপতি সংসদের কোন সভার সদস্য নন? – উভয় সভারই সদস্য নন।

12. সংসদ ভঙ্গ করার ক্ষমতা কার হাতে থাকে? – রাষ্ট্রপতির হাতে।

13. রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদে আছে? – অনুচ্ছেদ ১২৩।

14. রাষ্ট্রপতির ক্ষমার অধিকার কোন অনুচ্ছেদে আছে? – অনুচ্ছেদ ৭২।

15. জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা কার হাতে? – রাষ্ট্রপতির হাতে।

16. ভারতের সর্বাধিনায়ক কে? – রাষ্ট্রপতি।

17. রাষ্ট্রপতির নির্বাচন কে পরিচালনা করেন? – ভারতের নির্বাচন কমিশন।

18. রাষ্ট্রপতির অভিশংসন কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত? – অনুচ্ছেদ ৬১।

19. রাষ্ট্রপতির মৃত্যু হলে তাঁর স্থলাভিষিক্ত কে হন? – উপরাষ্ট্রপতি।

20. রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম কী? – রাষ্ট্রপতি ভবন।

উপরাষ্ট্রপতি (Vice President of India)

1. ভারতের বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি কে? - ভারতের বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি হল জগদীপ ধনখड़।

2. ভারতের উপররাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন কত বছরের জন্য? - উপররাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

3. ভারতের উপররাষ্ট্রপতি সংসদের কোন দুই কক্ষের সভাপতির কাজ করেন? - উপররাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার সভাপতির কাজ করেন।

4. ভারতের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাররা কারা? - উপররাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লোকসভা ও রাজ্যসভার সকল সাংসদ ভোট দেন।

5. উপরাষ্ট্রপতি কোন সংবিধানিক ধারা দ্বারা নির্বাচিত হন? - উপররাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংবিধান ধারা 66 অনুযায়ী।

6. ভারতের উপরাষ্ট্রপতি প্রেসিডেন্টের পদে অভিভাষণ দিতে পারেন কি? - হ্যাঁ, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে উপরাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করেন।

7. ভারতের উপররাষ্ট্রপতি কি কোনো সরকারী মন্ত্রণালয়ের অংশ হন? - না, উপররাষ্ট্রপতি কোনো মন্ত্রণালয়ের অংশ নন।

8. ভারতের উপররাষ্ট্রপতি কোন সংবিধানিক কর্তৃত্বে সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন? - উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার অধিবেশন সভাপতিরূপে পরিচালনা করেন।

9. উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হতে হলে ন্যূনতম বয়স কত? - উপরাষ্ট্রপতি হতে হলে ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

10. উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল নির্দিষ্ট ভোট প্রেরণ করতে পারে কি? - না, নির্বাচন ব্যক্তিগত ভোটে হয়, দলীয় হুইপ প্রযোজ্য নয়।

11. উপররাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে কে সাময়িকভাবে প্রেসিডেন্টের কাজ করেন? - উপররাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে প্রেসিডেন্টের কাজ করেন।

12. ভারতের উপররাষ্ট্রপতি কোন সংবিধানিক পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ? - উপরাষ্ট্রপতি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংবিধানিক পদ।

13. উপররাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোট গণনা কোন পদ্ধতিতে হয়? - ভোট গণনা একক স্থানান্তরযোগ্য ভোট (STV) পদ্ধতিতে হয়।

14. ভারতের উপররাষ্ট্রপতি কি পুনর্নির্বাচনের জন্য যোগ্য? - হ্যাঁ, উপররাষ্ট্রপতি পুনর্নির্বাচনের জন্য যোগ্য।

15. উপররাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের জন্য কতজন সমর্থক প্রয়োজন? - অন্তত ২০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন।

16. উপরাষ্ট্রপতির শপথ কোথায় হয়? - উপরাষ্ট্রপতির শপথ রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করান।

17. উপরাষ্ট্রপতি পদ শূন্য থাকলে কতদিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন করতে হবে? - রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

18. উপররাষ্ট্রপতি কোন ধরনের সংবিধানিক ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন? - উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভা পরিচালনা ও রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন।

19. উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের জন্য প্রার্থীর যোগ্যতা কী? - প্রার্থী ভারতীয় নাগরিক এবং ৩৫ বছর বা তদূর্ধ্ব হতে হবে।

20. ভারতের ইতিহাসে প্রথম উপররাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? - ভারতের প্রথম উপররাষ্ট্রপতি ছিলেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন।

প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister)

1. ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? – ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি।

2. ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার কবে নির্বাচিত হন? – নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার ২৬ মে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

3. ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কোন সংবিধানিক পদ প্রদান করে? – ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে সংবিধানিকভাবে নিয়োগ করেন।

4. ভারতের প্রধানমন্ত্রী কোন সংসদীয় দফতর প্রধান করেন? – প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যনির্বাহী প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রধান।

5. ভারতের প্রধানমন্ত্রী সংসদে কতদিনের জন্য দায়িত্ব পালন করেন? – প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন।

6. প্রধানমন্ত্রী সংসদে আস্থা হারালে কি হয়? – প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়।

7. ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? – ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জওহরলাল নেহেরু।

8. প্রধানমন্ত্রীকে কোন সংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে? – প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা গঠন, নীতি নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

9. প্রধানমন্ত্রী কাকে নিয়োগ করতে পারেন? – প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগের পরামর্শ দেন।

10. প্রধানমন্ত্রী কোন উপদেষ্টা পরিষদ দ্বারা সহায়তা পান? – প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এবং সচিবালয় দ্বারা সহায়তা পান।

11. প্রধানমন্ত্রী কবে পর্যন্ত মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন? – প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা থাকা পর্যন্ত মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন।

12. ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে কতজন সদস্যের সমর্থন থাকতে হয়? – প্রধানমন্ত্রীকে নিম্ন বা উচ্চ সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন থাকতে হয়।

13. ভারতের প্রধানমন্ত্রী কোন দফতরের প্রধান হিসেবে কাজ করেন? – প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের প্রধান হিসেবে কাজ করেন।

14. প্রধানমন্ত্রী দেশের কোন নীতিতে প্রধান ভূমিকা রাখেন? – প্রধানমন্ত্রী দেশের নীতিনির্ধারণ এবং রাজনৈতিক দিকনির্দেশে প্রধান ভূমিকা রাখেন।

15. প্রধানমন্ত্রী কীভাবে দেশের পররাষ্ট্র নীতি প্রভাবিত করেন? – প্রধানমন্ত্রী বিদেশি নীতি নির্ধারণে মন্ত্রিসভার মাধ্যমে প্রধান ভূমিকা রাখেন।

16. ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে কখন হয়? – প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে পদত্যাগ করতে হয়।

17. প্রধানমন্ত্রী কি স্বাধীনভাবে আইন প্রণয়ন করতে পারেন? – না, প্রধানমন্ত্রী সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করেন।

18. প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি কোন পরামর্শে নিয়োগ দেন? – প্রধানমন্ত্রীকে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত দলের নেতা হিসেবে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।

19. প্রধানমন্ত্রী কাকে সচিবালয়ের মাধ্যমে পরিচালনা করেন? – প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দফতরকে সচিবালয়ের মাধ্যমে পরিচালনা করেন।

20. ভারতের প্রধানমন্ত্রী কোন সংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন? – প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন এবং মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন।

মন্ত্রিপরিষদ ও মন্ত্রিপরিষদীয় ব্যবস্থা

1. ভারতের মন্ত্রিপরিষদকে কোন সংবিধানিক ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে? – আর্টিকেল 74 দ্বারা।

2. মন্ত্রিপরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা কী? – মন্ত্রিপরিষদের প্রধান ও কেন্দ্রীয় সরকারের নেতৃত্ব প্রদান।

3. মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়োগ কে করে? – রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে।

4. মন্ত্রিপরিষদীয় সিস্টেম কোন দেশ থেকে ভারত গ্রহণ করেছে? – ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি সিস্টেম।

5. ভারতের মন্ত্রিপরিষদে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ক্ষমতা কার হাতে থাকে? – প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সম্মিলিত কর্তৃত্বে।

6. কোন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যকে সংসদের অনুমোদন ছাড়া পদত্যাগ করতে হয়? – কোনো নয়, সকল সদস্য সংসদের প্রতি জবাবদিহি।

7. মন্ত্রিপরিষদীয় সিদ্ধান্তগুলি কার স্বাক্ষর ছাড়া কার্যকর হয় না? – রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর ছাড়া।

8. ভারতে কেবল মন্ত্রিপরিষদীয় সিস্টেম কেন গুরুত্বপূর্ণ? – এটি সংসদের প্রতি রাজনৈতিক জবাবদিহি নিশ্চিত করে।

9. মন্ত্রিপরিষদে সাধারণত কত প্রকার মন্ত্রী থাকে? – চার প্রকার: প্রধানমন্ত্রী, কেবিনেট মন্ত্রী, রাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিশ্রুতিমন্ত্রী।

10. ‘কেবিনেট মন্ত্রী’ এবং ‘রাষ্ট্রমন্ত্রী’ এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী? – কেবিনেট মন্ত্রী নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, রাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানত কাজকর্মে সহায়ক।

11. ‘মন্ত্রীপরিষদ সচিব’ বা Cabinet Secretary কারা? – কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ সচিব।

12. কেবিনেট সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করলে কী ঘটে? – মন্ত্রিপরিষদের সদস্যকে পদত্যাগ করতে হয়।

13. ভারতের মন্ত্রিপরিষদে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন প্রক্রিয়া কেমন? – সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল প্রধানমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করে।

14. ‘কোলেক্টিভ রেসপন্সিবিলিটি’ বা সম্মিলিত জবাবদিহি কী বোঝায়? – সমস্ত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মিলিত জবাবদিহি।

15. মন্ত্রিপরিষদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা কী? – রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিক প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করেন।

16. মন্ত্রিপরিষদ কতদিনে একবার সংসদে প্রতিবেদন দেয়? – যেকোনো সময় সংসদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে।

17. ‘প্রতিশ্রুতিমন্ত্রী’ কী ধরনের মন্ত্রী? – প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্দিষ্ট বিষয়ের কাজ দেখানো মন্ত্রী।

18. কেবিনেট বৈঠকের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয় কীভাবে? – রাষ্ট্রপতি ও সরকারি নোটিফিকেশন মাধ্যমে।

19. ভারতে মন্ত্রিপরিষদীয় সিস্টেমের মূল ভিত্তি কী? – সংসদের প্রতি রাজনৈতিক জবাবদিহি।

20. মন্ত্রিপরিষদীয় সিদ্ধান্তে বিরোধীতা বা সংবিধান লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কে? – প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেবিনেট।

সংসদ (Parliament – লোকসভা ও রাজ্যসভা)

1. ভারতের সংসদের দুই কক্ষ কী কী? – লোকসভা ও রাজ্যসভা।

2. লোকসভার সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত? – ২৫ বছর।

3. রাজ্যসভার সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত? – ৩০ বছর।

4. লোকসভায় সর্বাধিক আসনের সংখ্যা কত? – ৫৪৫ জন।

5. রাজ্যসভায় সর্বাধিক আসনের সংখ্যা কত? – ২৫০ জন।

6. ভারতের লোকসভার সদস্যদের মেয়াদ কত বছর? – ৫ বছর।

7. রাজ্যসভার সদস্যদের মেয়াদ কত বছর? – ৬ বছর, প্রতি ২ বছরে এক-তৃতীয়াংশ পুনর্নির্বাচন।

8. লোকসভায় সভাপতি কে হয়? – স্পীকার।

9. রাজ্যসভায় সভাপতি কে হয়? – উপরাষ্ট্রপতি।

10. লোকসভায় স্পীকারকে কোন দ্বারা নির্বাচিত করা হয়? – লোকসভার সদস্যদের দ্বারা।

11. রাজ্যসভায় উপ-সভাপতি কে হয়? – রাজ্যসভার নির্বাচিত সদস্য।

12. লোকসভায় তফসিলি জাতি/জনজাতির জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত? – ৭০টি।

13. রাজ্যসভার সদস্যদের নির্বাচন কারা করে? – রাজ্য বিধানসভা ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির নির্বাচকমণ্ডলী।

14. লোকসভায় বিল পাসের জন্য সাধারণত কত ভোট প্রয়োজন? – সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট।

15. রাজ্যসভা বিল পাসে কত ভোট প্রয়োজন? – উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ।

16. জরুরি বিল (Money Bill) কোন কক্ষের অনুমোদন ছাড়া পার হতে পারে না? – লোকসভা।

17. রাজ্যসভা জরুরি বিলকে কতদিনের মধ্যে অনুমোদন করতে হবে? – ১৪ দিন।

18. লোকসভা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা কার কাছে? – রাষ্ট্রপতির কাছে।

19. রাজ্যসভার নিয়মিত অধিবেশন কতবার হয়? – বছরে অন্তত দুইবার।

20. সংসদের সাধারণ অধিবেশন কত দিন হয়? – সাধারণত ৯০ দিন।

আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া

1. ভারতের সংসদে বিল পেশ করার ক্ষমতা কার আছে? - ভারতের সংসদে বিল পেশ করার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আছে।

2. সাধারণ বিল (Ordinary Bill) পাস করার জন্য কত ভোট প্রয়োজন? - সাধারণ বিল পাস করার জন্য simple majority প্রয়োজন।

3. রাজ্যপাল কোন ধরণের বিলের জন্য স্বাক্ষর দেন? - রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতি দ্বারা অনুমোদিত সাধারণ এবং অর্থ বিলের জন্য স্বাক্ষর দেন।

4. অর্থবিল (Money Bill) সংজ্ঞা দেয় কে? - সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অর্থবিল সংজ্ঞা দেন।

5. Money Bill পাস করার জন্য কতদিন সময় দেওয়া হয়েছে? - রাজ্যসভার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

6. সংবিধানের কোন ধারা সংসদে বিল প্রণয়ন প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে? - ধারা 107 এবং 108 সংসদে বিল প্রণয়নের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

7. সংবিধানের কোন ধারা অর্থবিল সংজ্ঞা দেয়? - ধারা 110 অনুযায়ী অর্থবিল সংজ্ঞা হয়।

8. কোন ধরণের বিল রাজ্যসভার অনুমোদন ছাড়া পাশ হতে পারে? - অর্থবিল রাজ্যসভার অনুমোদন ছাড়া পাশ হতে পারে।

9. সংসদে বিল প্রথমে কোথায় পেশ হয়? - সাধারণভাবে বিল প্রথমে লোকসভার বা বিধানসভায় পেশ হয়।

10. বিল প্রণয়নের সময় প্রস্তাবিত কমিটি কী ভূমিকা রাখে? - সংসদের কমিটি বিলের খসড়া বিশ্লেষণ ও সুপারিশ করে।

11. সংবিধান অনুযায়ী কোন ধরণের বিল রাষ্ট্রপতির দ্বারা ফেরত পাঠানো যেতে পারে? - সাধারণ বিল রাষ্ট্রপতি একবার ফেরত পাঠাতে পারেন।

12. সংবিধানের কোন ধারা রাষ্ট্রপতির পাস বা ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা দেয়? - ধারা 111 রাষ্ট্রপতির পাস বা ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা দেয়।

13. বিল কত ধাপে সংসদে পাস হয়? - বিল সাধারণত ৩ ধাপে পাস হয়: প্রথম পাঠ, দ্বিতীয় পাঠ, এবং তৃতীয় পাঠ।

14. কোন ধরণের বিল সংবিধান সংশোধন ছাড়া পাশ করা যায় না? - সংবিধান সংশোধনী বিল সংবিধান সংশোধনের ধারা অনুযায়ী পাশ করা হয়।

15. সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের জন্য কত ভোট প্রয়োজন? - সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যালঘু ভোট প্রয়োজন।

16. রাজ্যসভায় কোন বিল শুধুমাত্র পরামর্শমূলক প্রভাব ফেলে? - অর্থবিল রাজ্যসভায় শুধুমাত্র পরামর্শমূলক প্রভাব ফেলে।

17. বিল পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন কত দিনের মধ্যে প্রয়োজন? - কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তবে শীঘ্রই অনুমোদন দেওয়া হয়।

18. রাজ্যসভার বিল সংশোধন প্রস্তাব করতে পারবে কত দিনের মধ্যে? - সাধারণ বিলের ক্ষেত্রে রাজ্যসভার ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন প্রস্তাব করতে হবে।

19. গণতান্ত্রিক দেশে আইন প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য কী? - জনগণের কল্যাণ এবং সুষ্ঠু শাসন নিশ্চিত করা।

20. বিলকে আইন বানানোর শেষ ধাপ কী? - রাষ্ট্রপতির অনুমোদন দেওয়ার পর বিল আইন হয়।

সংসদীয় কমিটি

1. স্থায়ী সংসদীয় কমিটি কোন ধরনের কমিটি? - স্থায়ী সংসদীয় কমিটি হল যে কমিটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী উদ্দেশ্যে গঠিত।

2. ভারতে স্থায়ী সংসদীয় কমিটি কয় প্রকারের? - স্থায়ী সংসদীয় কমিটি প্রধানত দুই ধরনের—বিল ও হিসাব সম্পর্কিত।

3. হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী সংসদীয় কমিটির প্রধান কাজ কী? - সরকারের বাজেট ও খরচের হিসাব পরীক্ষা করা।

4. বিল সম্পর্কিত স্থায়ী সংসদীয় কমিটির কাজ কী? - নতুন আইন প্রণয়ন এবং প্রস্তাবিত বিলের বিস্তারিত পরীক্ষা।

5. লঘু (ad hoc) সংসদীয় কমিটি কী? - বিশেষ বিষয় বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গঠিত অস্থায়ী কমিটি।

6. কমিটি অব দ্য হাউস কীভাবে গঠিত হয়? - সংসদের সদস্যদের মধ্য থেকে স্পীকার বা সভাপতি দ্বারা মনোনীত।

7. সেলেকশন কমিটির প্রধান উদ্দেশ্য কী? - সরকারি নিয়োগ ও পদায়নের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করা।

8. পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির কাজ কী? - সরকারী ব্যয়ের অডিট ও রিপোর্ট পরীক্ষা করা।

9. ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টে কতটি স্থায়ী কমিটি আছে? - দুই ধরনের প্রধান কমিটি—হিসাব এবং বিল সম্পর্কিত।

10. কমিটি অব দ্য হাউস সদস্যের সংখ্যা কত হয়? - সাধারণত ১৫–৩০ জন সদস্য থাকেন।

11. লাইব্রেরি কমিটির কাজ কী? - সংসদ সদস্যদের জন্য গবেষণা ও তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।

12. সংসদীয় কমিটির সভাপতি কে হতে পারেন? - স্পীকার বা সংসদের সদস্য।

13. নির্বাচনী বিষয়ে সংসদীয় কমিটি কী করে? - নির্বাচনী প্রক্রিয়া, আচরণ ও অভিযোগ যাচাই করে সুপারিশ দেয়।

14. রাষ্ট্রপতি সংসদীয় কমিটিকে কত দিন পর্যন্ত মেয়াদ দিতে পারেন? - সাধারণত কমিটির মেয়াদ কমিটি ঘোষণার সময় নির্ধারিত হয়।

15. সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট সংসদে কবে উপস্থাপন হয়? - রিপোর্ট কমিটির কাজ শেষ হওয়ার পর সংসদে উপস্থাপন করা হয়।

16. সাংসদ কোন কমিটিতে যোগ দিতে পারেন? - তারা তাদের নির্বাচনী এলাকা এবং পার্লামেন্ট নির্দেশ অনুযায়ী যোগ দিতে পারেন।

17. কমিটি অব দ্য হাউসের সিদ্ধান্ত binding কি? - না, সাধারণত কমিটির সিদ্ধান্ত সুপারিশমূলক।

18. প্রধানমন্ত্রী সংসদীয় কমিটিতে যোগ দিতে পারেন কি? - হ্যাঁ, বিশেষত নির্বাচিত বিল বা বিষয়ের ক্ষেত্রে।

19. কমিটি অব দ্য হাউসের রিপোর্ট কি গণমানুষের জন্য প্রকাশিত হয়? - সাধারণত সংসদীয় রিপোর্ট গণমানুষের জন্য প্রকাশ্য।

20. সংসদীয় কমিটি ভারতের সংবিধানের কোন অংশে উল্লেখ আছে? - সংবিধানের 105 এবং 118 ধারা সংসদীয় কমিটির উল্লেখ করে।

মহাযোজক ও অন্যান্য পদ (Attorney General, Solicitor General)

1. ভারতের মহাযোজক (Attorney General) কে নিযুক্ত করেন? - রাষ্ট্রপতি মহাযোজককে নিযুক্ত করেন।

2. মহাযোজক কত কাল ধরে দায়িত্ব পালন করেন? - কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই, রাষ্ট্রপতি ইচ্ছামতো অব্যাহতি দিতে পারেন।

3. মহাযোজকের যোগ্যতার প্রধান শর্ত কী? - তিনি ভারতীয় আইন সংক্রান্ত উঁচু আদালতের একজন বিশিষ্ট আইনজীবী হতে হবে।

4. মহাযোজকের সরকারি বেতন কে নির্ধারণ করে? - কেন্দ্র সরকার মহাযোজকের বেতন নির্ধারণ করে।

5. মহাযোজক সংসদে উপস্থিত হতে পারেন কি? - হ্যাঁ, মহাযোজক সংসদে উপস্থিত হতে পারেন কিন্তু ভোট দিতে পারবেন না।

6. Solicitor General কে নিযুক্ত করেন? - রাষ্ট্রপতি কেন্দ্র সরকারের পরামর্শে Solicitor General কে নিযুক্ত করেন।

7. Solicitor General-এর মেয়াদ কত? - কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই, কেন্দ্র সরকার ইচ্ছামতো নিয়োগ স্থগিত করতে পারে।

8. মহাযোজক কোন আদালতে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন? - মহাযোজক প্রধানত সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।

9. Solicitor General কোন আদালতে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন? - Solicitor General প্রধানত সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।

10. মহাযোজককে কি কোনো বিধানসভায় উপস্থিত হওয়ার অধিকার আছে? - মহাযোজক সংসদে উপস্থিত হতে পারেন কিন্তু ভোট দিতে পারবেন না।

11. মহাযোজককে অব্যাহতি দিতে পারে কে? - রাষ্ট্রপতি মহাযোজককে অব্যাহতি দিতে পারেন।

12. মহাযোজক ও Solicitor General কি সরকারি কর্মচারী? - তারা স্বাধীন আইনজীবী কিন্তু সরকারী পরামর্শদাতা হিসেবে নিযুক্ত।

13. Solicitor General কে মহাযোজকের অধীনে কাজ করতে হয়? - হ্যাঁ, Solicitor General মহাযোজকের অধীনে কাজ করেন।

14. মহাযোজক কি কোনো পার্টি রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারেন? - না, মহাযোজক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারেন না।

15. মহাযোজক এবং Solicitor General কে কি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়? - হ্যাঁ, তারা বেতন ও ভাতা হিসেবে সরকারি পারিশ্রমিক পান।

16. মহাযোজক কি সংসদে বক্তৃতা দিতে পারেন? - হ্যাঁ, রাষ্ট্রপক্ষের আইনগত বিষয় নিয়ে বক্তৃতা দিতে পারেন।

17. Solicitor General-এর চাকুরি নিয়োগ কার সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল? - কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তের উপর।

18. মহাযোজক কি রাষ্ট্রপতির পরামর্শে আদালতে উপস্থিত হন? - হ্যাঁ, রাষ্ট্রপতির পরামর্শে মহাযোজক মামলা পরিচালনা করেন।

19. Solicitor General কি শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টে কাজ করেন? - না, তিনি সুপ্রিম কোর্ট এবং হাই কোর্ট উভয়েই মামলা পরিচালনা করতে পারেন।

20. মহাযোজক কি সংসদে ভোট দিতে পারেন? - না, মহাযোজক সংসদে ভোট দিতে পারেন না।

সুপ্রিম কোর্ট

1. ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্ঠাকাল কোন বছর? - 1950 সালে ভারতের সংবিধান প্রবর্তনের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

2. সুপ্রিম কোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন? - স্যার জাস্টিস হারলালান্দ ভ্যাখরা।

3. সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ আদালতের অবস্থান কোথায়? - নতুন দিল্লিতে।

4. সুপ্রিম কোর্টের মোট বিচারপতির সংখ্যা কত? - প্রধান বিচারপতি সহ সর্বাধিক 34 জন।

5. সুপ্রিম কোর্টের নিয়োগ করার ক্ষমতা কার? - রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শে বিচারপতিদের নিয়োগ করেন।

6. সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির অবসরের বয়স কত? - 65 বছর।

7. সুপ্রিম কোর্ট কোন ধরনের মামলা শুনতে পারে? - সংবিধানিক, আপীল, মূল বিষয় এবং নির্দেশমূলক মামলাসমূহ।

8. সুপ্রিম কোর্ট কোন সংবিধান ধারা অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করে? - ধারা 32 এবং ধারা 136।

9. সুপ্রিম কোর্টের ‘মূল মামলার ক্ষমতা’ কী? - সংবিধান বা আইনের লঙ্ঘন রোধে সরাসরি মামলা গ্রহণ করা।

10. সুপ্রিম কোর্টের ‘আপিল ক্ষমতা’ কি? - উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পাওয়া।

11. সুপ্রিম কোর্টের ‘নির্দেশমূলক ক্ষমতা’ কী? - সংবিধান বা আইন লঙ্ঘন রোধে সরকার ও আদালতকে নির্দেশ দেওয়া।

12. সুপ্রিম কোর্টের ‘ফান্ডামেন্টাল রাইটসের রক্ষক’ হিসেবে ক্ষমতা কোন ধারা থেকে আসে? - সংবিধানের ধারা 32 থেকে।

13. সুপ্রিম কোর্টের ‘সর্বোচ্চ আপিল আদালত’ হিসেবে অবস্থান কবে থেকে? - 1950 সালের 28 জানুয়ারি থেকে।

14. সুপ্রিম কোর্টের ‘জুডিশিয়াল রিভিউ’ ক্ষমতা কী? - সংবিধান বা আইন সংসদে প্রণীত নিয়মের বৈধতা পরীক্ষা করা।

15. সুপ্রিম কোর্ট কোন ধরনের ইমার্জেন্সি পরিস্থিতিতে ক্ষমতা প্রয়োগ করে? - জরুরি অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার সীমিত হলে।

16. সুপ্রিম কোর্টে 'পিটিশন' দায়ের করার অধিকার কার আছে? - যে কেউ সংবিধান বা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শিকার।

17. সুপ্রিম কোর্টের ‘কনটেম্পট অফ কোর্ট’ ক্ষমতা কী? - আদালতের প্রতি অসম্মান বা আইন লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা বা সাজা প্রদান।

18. সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির নিয়োগের জন্য কোনো যোগ্যতার শর্ত কী? - প্রার্থীর কমপক্ষে ৫ বছর উচ্চ আদালতে বিচারক বা ১০ বছর আইনজীবী হতে হবে।

19. সুপ্রিম কোর্টের অধীনে ‘বেঞ্চ’ বলতে কী বোঝায়? - বিচারপতিদের একটি দল যে মামলাগুলো শুনে সিদ্ধান্ত দেয়।

20. সুপ্রিম কোর্টের ‘ট্রায়াল জুরি’ ব্যবস্থা কি আছে? - না, সুপ্রিম কোর্টে জুরি নেই, শুধুমাত্র বিচারপতিরাই রায় দেন।

হাইকোর্ট

1. হাইকোর্ট কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়? - হাইকোর্ট প্রতিটি রাজ্য বা একাধিক রাজ্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনে প্রতিষ্ঠিত হয়।

2. ভারতের প্রথম হাইকোর্ট কোনটি ছিল? - কলকাতা হাইকোর্ট, ১৮৬২ সালে স্থাপিত।

3. হাইকোর্টের অধিষ্ঠাপক বিচারকের সংখ্যা কত হতে পারে? - হাইকোর্টের প্রধান বিচারক ও অন্যান্য বিচারকের সংখ্যা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

4. হাইকোর্টের প্রধান বিচারক কে নিয়োগ করে? - ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারককে নিয়োগ করেন।

5. হাইকোর্টের বিচারকের অবসরের বয়স কত? - হাইকোর্টের বিচারকের অবসরের বয়স ৬২ বছর।

6. হাইকোর্ট কোন ধরনের মামলা শুনতে পারে? - হাইকোর্ট ন্যায্যতা, সংবিধান লঙ্ঘন ও আপিল মামলা শুনতে পারে।

7. হাইকোর্টের আপিল ক্ষমতার সীমা কি? - হাইকোর্টের আপিল ক্ষমতা ন্যায়বিচারিক অধিকার ও স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

8. হাইকোর্টের সংবিধানিক ক্ষমতা কোন ধারায় রয়েছে? - হাইকোর্টের সংবিধানিক ক্ষমতা ভারতীয় সংবিধানের ধারা ২৩২-২৪৮ অনুযায়ী।

9. হাইকোর্টের স্থলবসতি কত? - হাইকোর্ট রাজ্যের রাজধানী বা নির্ধারিত শহরে স্থলবসতি করে।

10. হাইকোর্টে বিচারকের জন্য যোগ্যতার শর্ত কি? - হাইকোর্টের বিচারক হতে ১০ বছর আইন অনুশীলন বা জাতীয় বিচারক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

11. হাইকোর্টের বিচারক কে অব্যাহতি দিতে পারেন? - রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারককে অব্যাহতি দিতে পারেন সংবিধান অনুযায়ী।

12. হাইকোর্টে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের মামলা করা যায় কি? - হাইকোর্টে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের মামলা দায়িত্বশীলভাবে করা যায়।

13. হাইকোর্টের রুল বা নির্দেশনাকে কি অমান্য করা যায়? - হাইকোর্টের রুল বা নির্দেশনা বাধ্যতামূলক এবং তা অমান্য করা যায় না।

14. হাইকোর্টের আপিল কি সুপ্রিম কোর্টে করা যায়? - হাইকোর্টের আপিল নির্দিষ্ট শর্তে সুপ্রিম কোর্টে করা যায়।

15. হাইকোর্ট কোন বিষয়গুলিতে মূল সিদ্ধান্ত দিতে পারে? - সংবিধান, ফৌজদারি, দেওয়ানি ও প্রশাসনিক মামলা নিয়ে হাইকোর্ট মূল সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

16. হাইকোর্টের বিচারক পদে যোগ্যতার ন্যূনতম বয়স কত? - হাইকোর্টের বিচারক পদে যোগ্যতার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

17. হাইকোর্ট কোন রাজ্যগুলির জন্য একাধিক হাইকোর্ট থাকতে পারে কি? - হ্যাঁ, একাধিক রাজ্যের জন্য কেন্দ্রীয় অনুমোদনে পৃথক হাইকোর্ট থাকতে পারে।

18. হাইকোর্টের রায় চূড়ান্ত কি নয়? - হ্যাঁ, হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

19. হাইকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগ কবে অব্যাহতি হয়? - হাইকোর্টের বিচারক অবসরের বয়স, অসঙ্গতি বা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে অব্যাহতি পান।

20. ভারতের হাইকোর্টের সংখ্যা প্রায় কত? - বর্তমানে ভারতের ২৫টি হাইকোর্ট আছে।

বিচারবিভাগের স্বাধীনতা

1. ভারতের সংবিধানে বিচারবিভাগের স্বাধীনতার ধারাটি কোথায় উল্লেখ আছে? – এটি সংবিধান ধারা 50 এবং 124–147 ধারায় উল্লেখ আছে।

2. বিচারবিভাগের স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্য কী? – রাষ্ট্রের অন্যান্য শাখার প্রভাব থেকে বিচারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

3. ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কোন বছর স্থাপিত হয়? – ১৯৫০ সালে।

4. বিচারবিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিচারপতিদের নিয়োগ কে করে? – রাষ্ট্রপতি, সংবিধান অনুযায়ী সংবিধানিক কমিটির পরামর্শে।

5. ভারতীয় সংবিধানে বিচারপতিদের চাকরির শর্তাবলী নির্ধারণ করে কে? – সংবিধানই নির্ধারণ করে।

6. বিচারবিভাগের স্বাধীনতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিংস্রতা কোনটি? – বিচারপতিদের অবাধ অবসর।

7. ভারতের কোন ধারা বিচারবিভাগকে আইন প্রণয়নের বাইরে রাখে? – ধারা 50।

8. হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের মূল নিয়ন্ত্রক কী? – কলিজিয়াম সিস্টেম।

9. বিচারবিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য বিচারকরা কোন ধরনের ক্ষমতা পান? – ন্যায়িক পরামর্শ, অবসর, এবং পারিশ্রমিক নিরাপত্তা।

10. বিচারবিভাগের স্বাধীনতার একটি মূল উপাদান কী? – প্রশাসনের এবং আইনসভার হস্তক্ষেপ থেকে মুক্তি।

11. বিচারপতিদের অবসরকালীন সুবিধা কি সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত? – হ্যাঁ, সুপ্রিম কোর্টের জন্য ৬৫ বছর এবং হাইকোর্টের জন্য ৬২ বছর।

12. সংবিধানের কোন ধারা বিচারপতির অব্যাহতি নিয়ন্ত্রণ করে? – ধারা 124(4) এবং 217(1)।

13. ভারতীয় বিচারব্যবস্থায় রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্ত থাকার জন্য কী ধারা রয়েছে? – বিচারবিভাগের স্বাধীনতা, ধারা 50 অনুযায়ী।

14. সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কোন সংবিধান সংশোধনী গুরুত্বপূর্ণ? – ১৯৯৩ সালের ৯৩তম সংশোধনী।

15. বিচারপতির পারিশ্রমিক কে নির্ধারণ করে? – রাষ্ট্রপতি, সংসদের অনুমোদনের পরে।

16. বিচারবিভাগের স্বাধীনতা প্রয়োগে ভারতের কোন landmark মামলা গুরুত্বপূর্ণ? – সুপ্রিম কোর্টের ইনডিয়ান এডুকেশনাল ট্রাস্ট বনাম রাষ্ট্র মামলা।

17. বিচারক নিয়োগে রাষ্ট্রপতির পরামর্শ নেওয়ার প্রথা কী নামে পরিচিত? – কলিজিয়াম প্রথা।

18. বিচারবিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করতে বিচারকরা কী ধরনের নিরাপত্তা পান? – চাকরির স্থায়িত্ব ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।

19. ভারতের সংবিধানে বিচারবিভাগের স্বাধীনতা কি একটি মৌলিক অধিকার? – না, এটি সংবিধানের প্রস্তাবনামূলক নীতি।

20. বিচারবিভাগের স্বাধীনতা কেন ভারতের গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য? – কারণ এটি আইনের শাসন এবং ন্যায়িক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে।

বিচারবিভাগের ক্ষমতা (Judicial Review, Judicial Activism, PIL)

1. ভারতের সংবিধানে বিচারবিভাগের ক্ষমতার মূল উৎস কোনটি? – ভারতের সংবিধানই বিচারবিভাগের ক্ষমতার মূল উৎস।

2. Judicial Review বলতে কি বোঝায়? – Judicial Review হলো আইন, অধ্যাদেশ বা কার্যক্রম সংবিধানিক কিনা তা বিচার করার ক্ষমতা।

3. ভারতের সংবিধানের কোন ধারায় বিচারবিভাগের ক্ষমতা সংরক্ষিত আছে? – ধারা 13, 32, 131-136 ও 226-227 অনুযায়ী।

4. বিচারবিভাগের ক্ষমতার লক্ষ্য কি? – সংবিধানকে সুসংরক্ষিত রাখা ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা।

5. Judicial Activism কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়? – Judicial Activism হলো বিচারপতি সক্রিয়ভাবে সংবিধান ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করার প্রক্রিয়া।

6. PIL এর পূর্ণরূপ কী? – Public Interest Litigation।

7. PIL কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়? – সাধারণ জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আদালতে মামলা করার জন্য।

8. ভারতের সর্বোচ্চ আদালত কোন ধারা অনুযায়ী PIL গ্রহণ করে? – ধারা 32 অনুযায়ী।

9. উচ্চ আদালত কোন ধারার অধীনে PIL গ্রহণ করতে পারে? – ধারা 226 অনুযায়ী।

10. Judicial Review-এর মাধ্যমে কোন জিনিসগুলো বাতিল করা যায়? – সংবিধানবিরোধী আইন, প্রশাসনিক আদেশ ও সরকারি কার্যক্রম।

11. উদাহরণ সহ Judicial Activism-এর একটি উল্লেখযোগ্য মামলা? – Vishaka v. State of Rajasthan (1997) হলো Judicial Activism-এর একটি উল্লেখযোগ্য মামলা।

12. PIL প্রবর্তনের পেছনে প্রধান উদ্দেশ্য কী? – দুর্বল ও পিছু হঠা জনগণের অধিকার রক্ষা করা।

13. Judicial Review-এর ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান সংবিধানিক নীতি কী? – Basic Structure Doctrine।

14. “Basic Structure Doctrine” কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – Kesavananda Bharati v. State of Kerala (1973) মামলায়।

15. PIL-এর মাধ্যমে আদালত কী ধরনের সমস্যায় হস্তক্ষেপ করে? – পরিবেশ, মানবাধিকার, শিক্ষাব্যবস্থা ও সরকারি লঙ্ঘন।

16. Judicial Activism কি Judicial Restraint-এর বিপরীত? – হ্যাঁ, Judicial Activism আদালতের সক্রিয় হস্তক্ষেপকে বোঝায়।

17. PIL ফাইল করতে কারা অধিকারপ্রাপ্ত? – যে কোনো নাগরিক বা সংস্থা যারা জনস্বার্থে কাজ করে।

18. ভারতের সংবিধানে Judicial Review-এর সীমা কী? – Basic Structure Doctrine-এর মধ্যে সীমিত।

19. Judicial Activism-এর মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব কি? – হ্যাঁ, আদালত সক্রিয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে।

20. PIL-এর মাধ্যমে নাগরিকদের কোন অধিকার বিশেষভাবে রক্ষা হয়? – মৌলিক অধিকার, যেমন জীবন অধিকার ও স্বাস্থ্য অধিকার।

রাজ্যপাল (Governor)

1. ভারতের রাজ্যপাল কে নিযুক্ত করে? – রাষ্ট্রপতি রাজ্যপালকে নিযুক্ত করে।

2. রাজ্যপালের মেয়াদ কত বছরের হয়? – রাজ্যপালের মেয়াদ পাঁচ বছরের হয়।

3. রাজ্যপাল কোন প্রশাসনিক বিভাগের প্রধান? – রাজ্যপাল রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

4. রাজ্যপালকে রাষ্ট্রপতি কতপদ্ধতিতে অব্যাহতি দিতে পারেন? – রাষ্ট্রপতি যেকোনো সময় রাজ্যপালকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

5. রাজ্যপালকে কোন ধরনের সরকার গঠনে পদক্ষেপ নিতে হয়? – রাজ্যপাল সাংবিধানিক সরকার গঠন বা ভেঙে দেওয়ার পদক্ষেপ নেন।

6. রাজ্যপাল কোন সংবিধানের অংশ হিসেবে সরকার গঠনের ক্ষমতা পান? – আর্টিকেল 163 ও 164 অনুযায়ী।

7. রাজ্যপাল কোন বিধি ও সিদ্ধান্তে পরামর্শমূলক ভূমিকা রাখেন? – বিধানসভা বা মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শ অনুযায়ী।

8. কোন আর্টিকেলে রাজ্যপালের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে? – আর্টিকেল 155 ও 156।

9. রাজ্যপালের বিধানসভা ভাঙার ক্ষমতা আছে কি? – হ্যাঁ, রাজ্যপালের পরামর্শে রাষ্ট্রপতি বিধানসভা ভাঙতে পারেন।

10. রাজ্যপালকে মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণ করতে হয় কি? – না, রাজ্যপাল মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণ করেন না।

11. রাজ্যপালের অধীনে কোন বিচার বিভাগ কাজ করে? – রাজ্যপালের অধীনে কোনো বিচার বিভাগ কাজ করে না।

12. রাজ্যপাল কোন আর্থ-সামাজিক প্রকল্প অনুমোদন করেন? – রাজ্যপাল রাজ্যের বাজেট ও বিল অনুমোদন করেন।

13. রাজ্যপাল কোন সংবিধানিক কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেন? – রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতিকে রিপোর্ট দেন।

14. রাজ্যপাল কতপদ্ধতিতে আইন পাশের অনুমোদন দেন? – রাজ্যপাল রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া আইন অনুমোদন দেন।

15. কোন ক্ষেত্রে রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির উপর দায়িত্ব পালন করেন? – জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রপতির নির্দেশে।

16. রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি? – রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।

17. রাজ্যপালের কোন পদ সংবিধান অনুযায়ী সম্মানজনক? – রাজ্যপালের পদ রাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানজনক পদ।

18. রাজ্যপালকে কোন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের পর শপথ নিতে হয়? – রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর শপথ নিতে হয়।

19. রাজ্যপালের বিধানসভা অধিবেশনে বক্তব্য রাখার অধিকার আছে কি? – হ্যাঁ, রাজ্যপাল বক্তব্য রাখতে পারেন।

20. রাজ্যপালের পদসংক্রান্ত বিরোধ হলে কে নিস্পত্তি করে? – রাষ্ট্রপতি সেই বিরোধ নিস্পত্তি করেন।

মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister)

1. ভারতের মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ কত বছর? - মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ ৫ বছর।

2. মুখ্যমন্ত্রীকে মনোনীত করে কে? - মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়ন রাষ্ট্রপতি দ্বারা নির্বাচিত বিধায়ক দলকে দেখে হয়।

3. মুখ্যমন্ত্রী কার নেতৃত্বে কাজ করে? - মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য মন্ত্রিসভার নেতৃত্বে কাজ করে।

4. মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান দায়িত্ব কী? - রাজ্য সরকার পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণ করা মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান দায়িত্ব।

5. মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের শর্ত কী? - বিধায়ক দলের আস্থা হারালে বা নির্বাচন পরাজয় হলে পদত্যাগ করতে হয়।

6. মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ কার মাধ্যমে হয়? - মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি গভর্নরের মাধ্যমে হয়।

7. রাজ্যের ক্ষমতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকর্তা কে? - রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকর্তা হলো মুখ্যমন্ত্রী।

8. মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ করতে পারে কি? - হ্যাঁ, মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ ও বরখাস্ত করতে পারে।

9. মুখ্যমন্ত্রীকে কোন ধরনের আস্থা প্রমাণ করতে হয়? - মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি বিধায়ক সমিতির আস্থা প্রমাণ করতে হয়।

10. মুখ্যমন্ত্রীর পদে নিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কার? - রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর নিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

11. মুখ্যমন্ত্রীর পদে নির্বাচিত হতে হলে কত বয়সী হতে হবে? - মুখ্যমন্ত্রী হতে হলে প্রার্থীকে কমপক্ষে ২৫ বছর বয়সী হতে হবে।

12. মুখ্যমন্ত্রীর পদে পুনর্নির্বাচন কতবার হতে পারে? - মুখ্যমন্ত্রী পুনর্নির্বাচন অবারিতবার হতে পারে।

13. মুখ্যমন্ত্রীর পদে অযোগ্য হওয়ার কোন শর্ত আছে কি? - নির্বাচনের অযোগ্যতা বা বিধায়ক পদ হারালে মুখ্যমন্ত্রী অযোগ্য হয়।

14. মুখ্যমন্ত্রী কোন ধরনের নীতি তৈরি করতে পারে? - রাজ্য প্রশাসনিক ও উন্নয়ন নীতি তৈরি করতে পারে মুখ্যমন্ত্রী।

15. মুখ্যমন্ত্রী কি কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিতে প্রভাব রাখতে পারে? - হ্যাঁ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় নীতিতে মতামত প্রদান করতে পারে।

16. মুখ্যমন্ত্রীর পদে কখন ভোটাভুটি হয়? - বিধানসভা নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রীর পদে ভোটাভুটি হয়।

17. মুখ্যমন্ত্রীর পদে নিয়োগের পর কতদিনের মধ্যে শপথ নিতে হয়? - নিয়োগের পর সাধারণত শপথ দ্রুততম সময়ে নিতে হয়।

18. মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সঙ্গে কিভাবে কাজ করে? - মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব ভাগ করে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসন পরিচালনা করে।

19. মুখ্যমন্ত্রীর পদে কতজন সহকারী থাকতে পারেন? - রাজ্যের আইন অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সহকারী সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে।

20. ভারতের রাজ্যগুলোর প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে? - ভারতের রাজ্যগুলোর প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলো মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য মন্ত্রিসভা

1. রাজ্য মন্ত্রিসভা কার অধীনে কাজ করে? – রাজ্য মন্ত্রিসভা রাজ্যপালের অধীনে কাজ করে।

2. রাজ্য মন্ত্রিসভা কত প্রকারের হয়? – রাজ্য মন্ত্রিসভা মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত হয়।

3. রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রধান কে হয়? – রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রধান হলো মুখ্যমন্ত্রী।

4. রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ কে করে? – রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে মন্ত্রীদের নিয়োগ করেন।

5. রাজ্য মন্ত্রিসভার মেয়াদ কত বছর হয়? – রাজ্য মন্ত্রিসভার মেয়াদ পাঁচ বছর বা বিধানসভা ভেঙে গেলে তার আগেই।

6. রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের সংখ্যা কত হতে পারে? – মন্ত্রী সংখ্যা বিধায়কসংখ্যার ১৫% এর বেশি হতে পারবে না।

7. রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রধানের অধীনে কোন মন্ত্রীরা থাকেন? – কেবিনেট মন্ত্রী, রাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকেন।

8. মন্ত্রিসভার সদস্য কি সবসময় বিধায়ক হতে হবে? – না, ৬ মাসের মধ্যে বিধায়ক হতে হবে।

9. রাজ্য মন্ত্রিসভার কোন মন্ত্রীকে ‘প্রধান মন্ত্রী’ বলা হয়? – রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রধানকে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ বলা হয়।

10. রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রী পদ থেকে বরখাস্ত কে করতে পারেন? – মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের অনুমোদনে মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন।

11. রাজ্য মন্ত্রিসভার সমস্ত সিদ্ধান্ত কার স্বাক্ষর ছাড়া কার্যকর হয় না? – রাজ্যপালের স্বাক্ষর ছাড়া কার্যকর হয় না।

12. রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের যোগ্যতা কী? – মন্ত্রী ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।

13. রাজ্য মন্ত্রিসভার অধীনে কে সরকার পরিচালনা করে? – মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনা করে।

14. রাজ্য মন্ত্রিসভার সভার আহ্বান কে করে? – মুখ্যমন্ত্রী সভার আহ্বান করেন।

15. রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা কিভাবে পদত্যাগ করতে পারেন? – মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যপালের কাছে লিখিত পদত্যাগপত্র দিয়ে।

16. রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা কি একসঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করেন? – হ্যাঁ, মন্ত্রীরা একসঙ্গে শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব নেন।

17. রাজ্য মন্ত্রিসভার ‘বেসিক কর্তব্য’ কী? – রাজ্য প্রশাসন পরিচালনা ও নীতি প্রণয়ন করা।

18. রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক কত প্রকার হতে পারে? – সাধারণ ও বিশেষ দুই প্রকার।

19. রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য কত সময়ের জন্য অযোগ্য হতে পারেন? – অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে অযোগ্য হতে পারেন।

20. রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের দায়িত্ব নেওয়ার শপথ কোথায় হয়? – রাজ্যপালের উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ করা হয়।

রাজ্য বিধানসভা (State Legislature)

1. ভারতের কোন সংবিধান অনুযায়ী রাজ্য বিধানসভা গঠিত হয়? – ভারতের সংবিধান অনুযায়ী রাজ্য বিধানসভা গঠিত হয়।

2. রাজ্য বিধানসভাকে ইংরেজিতে কী বলা হয়? – রাজ্য বিধানসভাকে ইংরেজিতে State Legislative Assembly বলা হয়।

3. রাজ্য বিধানসভায় সদস্যদের মেয়াদ কত বছর? – রাজ্য বিধানসভায় সদস্যদের মেয়াদ ৫ বছর।

4. রাজ্য বিধানসভা সদস্যদের নির্বাচন কারা করে? – রাজ্য বিধানসভা সদস্যদের সরাসরি জনগণ নির্বাচন করে।

5. রাজ্য বিধানসভা কত প্রকার হতে পারে? – রাজ্য বিধানসভা একককক্ষ বা দুই কক্ষের হতে পারে।

6. রাজ্য বিধানসভায় সর্বনিম্ন কত বছর বয়সের ব্যক্তি নির্বাচিত হতে পারে? – ২৫ বছর বয়সের ব্যক্তি রাজ্য বিধানসভায় নির্বাচিত হতে পারে।

7. রাজ্য বিধানসভা কত ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করে? – রাজ্য বিধানসভা আইন প্রণয়ন, আর্থিক ও তত্ত্বাবধান ক্ষমতা ব্যবহার করে।

8. কোন আইন রাজ্য বিধানসভা দ্বারা প্রণীত হতে হবে? – রাজ্য সম্পর্কিত আইন রাজ্য বিধানসভা দ্বারা প্রণীত হয়।

9. রাজ্য বিধানসভায় অধিবেশনের সাধারণ সময়কাল কত? – রাজ্য বিধানসভায় সাধারণ অধিবেশন বছরে তিনবার অনুষ্ঠিত হয়।

10. রাজ্য বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার মানে কী? – সংখ্যাগরিষ্ঠতার মানে হলো মোট আসনের অর্ধেকের বেশি সদস্য।

11. রাজ্য বিধানসভায় স্পীকারের নির্বাচন কীভাবে হয়? – রাজ্য বিধানসভায় স্পীকার সদস্যদের মধ্যে ভোটে নির্বাচিত হন।

12. রাজ্য বিধানসভা বিল কোন স্তরে অনুমোদন পায়? – রাজ্য বিধানসভা বিল স্পীকারের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়।

13. রাজ্য বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা কার আছে? – রাজ্যপাল প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রের পরামর্শে বিধানসভা ভেঙে দিতে পারেন।

14. রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনকে সংবিধান অনুযায়ী কী বলা হয়? – অধিবেশনকে Legislative Session বলা হয়।

15. রাজ্য বিধানসভার দ্বার প্রণীত আইন কেন্দ্রের অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হয় কি? – হ্যাঁ, রাজ্য সম্পর্কিত আইন রাজ্যপাল অনুমোদনের পর কার্যকর হয়।

16. রাজ্য বিধানসভায় উপনির্বাচন কখন হয়? – কোনো আসন শূন্য হলে ৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হয়।

17. রাজ্য বিধানসভায় উপ-স্পীকারের ভূমিকা কী? – স্পীকার অনুপস্থিত থাকলে উপ-স্পীকার অধিবেশন পরিচালনা করেন।

18. রাজ্য বিধানসভায় ন্যূনতম আসনের সংখ্যা কত? – রাজ্য বিধানসভায় ন্যূনতম ৬০ আসন থাকতে হবে।

19. রাজ্য বিধানসভায় ভোটার বয়স কত? – ভোটার বয়স ১৮ বছর।

20. রাজ্য বিধানসভা বিল বাতিল বা সংশোধনের ক্ষমতা কার? – রাজ্য বিধানসভা নিজেই বিল বাতিল বা সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।